18/11/2025
দেয়াং পাহাড়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার শাহমীরপুর গ্রাম থেকে শুরু করে আনোয়ারার উপজেলার ঝিওরী গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ছোট ছোট পাহাড়শ্রেণী গুলোকে দেয়াং পাহাড় বলা হয়,
যেখানে বর্তমান কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (KEPZ) প্রতিষ্টিত হয়েছে।
দেয়াং পাহাড়ের মূল কেন্দ্র ভূমি ছিল মরিয়ম আশ্রম ও দেয়াং পাহাড় মাদরাসাস্থল।
ইতিহাসের বিলুপ্ত বিস্ময় ঐতিহাসিক "পন্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয়" এখানেই অবস্থিত ছিল বলে চট্টগ্রামের গবেষক এবং ইতিহাসবেত্তাগণ মত পোষণ করেছে।
মরিয়াম আশ্রাম সংলগ্ন পাহাড়ে অবস্থিত ছিল " চটিগা" দূর্গা, যেখানে মহাকবি আলাওল বন্ধী ছিল।
চট্টগ্রামের প্রাচীন ঐতিহ্যর মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত পন্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয় পাল রাজবংশ কর্তৃক (৭১০-৮১০) নির্মিত হয়,এতে বৌদ্ধধর্ম,যোগবিদ্যা,দর্শন,ভেজষ বিদ্যা,অংকন,শিল্পকলা, সংস্কৃতি ইত্যাদি শিক্ষা দেয়া হত, বৌদ্ধ ধর্মীয় বহু পন্ডিত এখানে যুক্ত ছিলেন বলে এটা পন্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয় নামে দেশ বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
মধ্যযুগে বঙ্গের সুলতান রাজত্বকে বিতাড়িত করে আরকান মগ রাজা সমগ্র চট্টগ্রাম অঞ্চল তথা নাফ নদী থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত দখল করে নেন।
আরাকানিদের শাসনামলে চট্টগ্রামে বলা যায় এক ধরনের অরাজকতা বিদ্যমান ছিল। স্থানীয় অধিবাসীদের দাস হিসেবে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া, দস্যুতা, লুণ্ঠন এসব নানাবিধ ব্যাপার নিত্যনৈমিত্তিক ছিল। কবি আলাওলও দাস হিসেবে বিক্রি হয়ে পরে নিজগুণে আরাকানের রাজসভায় জায়গা করে নিয়েছিলেন।
তৎকালীন সময়ে বঙ্গোপসাগরের মোহনা চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, বলা হয় বঙ্গোপসাগরে ঢেউ দেয়াং পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে টাইগারপাস বাটালী হিলে গিয়ে আচড়ে পড়ত,
আজকের দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষ্যা,ইছানগর,ডাঙ্গারচর,শাহমীরপুরের কিছু অঞ্চল এবং প্রতেঙ্গা কাঠগড় থেকে পাহাড়তলী পর্যন্ত ছিল সমুদ্র বক্ষে বিলীন ভূমি।
নৌ যাতায়াতে সহজলভ্যতার সুযোগে পর্তুগীজ জলদস্যুরা চট্টগ্রামে নোঙর ফেলতেন, দেয়াং পাহাড় তথা মরিয়াম আশ্রমে তাদের দূর্গ স্থাপন করেন।
আরকানি মগ রাজাদের সাথে প্রথমে পর্তুগীজদের বৈরিতাপূর্ণ সম্পর্ক থাকলেও পরবর্তী সামরিক সহায়তা লাভের জন্য পর্তুগীজদের আশ্রায় পশ্রয় দেয়।
নানা অরাজকতায় আরাকানি বা মগদের সহায়তা করত পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গিরা। এছাড়া ওলন্দাজ যা তৎকালীন ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে অভিহিত ছিল, তাদের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল মগদের। ইতিহাসবিদরা পর্তুগিজ ও মগদের নৃশংসতার বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন “আরাকানের মগ এবং ফিরিঙ্গি জলদস্যুরা উভয়ই প্রতিনিয়ত বাংলা (ঢাকা হইতে চট্টগ্রাম অঞ্চল) লুণ্ঠন করত। তারা যেসকল হিন্দু ও মুসলমানদের আটক করতে পারত, তাদের হাতের তালুতে ছিদ্র করে গর্তের মধ্য দিয়ে পাতলা বেতের ফিতা ঢুকিয়ে বাঁধত এবং তাদের জাহাজের ডেকের নীচে একসাথে আটকে রাখত। প্রতিদিন সকালে তারা উপর থেকে বন্দীদের জন্য কিছু কাঁচা চাল ছুড়ে দিত, যেমনটি পাখিকে খাবার ছুড়ে দেয়া হয়। তাদের দাক্ষিণাত্যের বন্দরে ডাচ, ইংরেজ ও ফরাসি বণিকদের কাছে বিক্রি করা হত। কখনও কখনও তারা তাদের বন্দীদেরকে উচ্চ মূল্যে বিক্রির জন্য তমলুক এবং বালেশ্বরে নিয়ে আসত। শুধুমাত্র ফিরিঙ্গিরা তাদের বন্দীদের বিক্রি করত, কিন্তু মগরা বন্দীদের আরাকানে কৃষি ও অন্যান্য পেশায় বা গৃহকর্মী ও উপপত্নী হিসাবে নিয়োগ করত”২। ইতিহাসবিদরা যদিও আরাকানিদের এই শাসনামল বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির স্বর্ণযুগ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আরাকানিরা ফিরিঙ্গিদের সাহায্যপুষ্ট হয়ে যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল এবং তাদের শক্তিশালী নৌ বাহিনী ছিল, তাদের উৎখাত করা খুব একটা সহজসাধ্য ব্যাপার ছিল না।
কবি আলাওল আরাকান রাজের শক্তি-প্রতীক নৌবহরের বর্ণনা তার কাব্যগ্রন্থ সিকান্দরনামায় (যা পূর্ণাঙ্গভাবে ১৬৭৩ সালে প্রকাশিত হয়) বর্ণনা করেছেন:
অসংখ্যাত নৌকাপাঁতি নানা জাতি নানা ভাতি
সুচিত্র বিচিত্র বাহএ।
জরশি-পাট-নেত লাঠিত চামর যূত
সমুদ্র পূর্ণিত নৌকামএ।৩
আরকানি মগ রাজা ও পর্তুগীজ জলদস্যুদের এহেন অত্যাচার ও নিপীড়নের খবর দিল্লির মোগল দরবারে যাওয়ার পর ১৬৬৬ সালে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খাঁ সুযোগ্য পুত্র সেনাপতি বুজুর্গ উমেদ খার নেতৃত্বে ৬৫০০ মোগল সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে প্রচন্ড নৌযুদ্ধ সংঘটিত হয়, ঐ যুদ্ধে দেয়াংপাহাড়স্থ "চটিগা" দূর্গ ধ্বংস করে আরকান মগ রাজা এবং পর্তুগীজ দলদস্যুদের ঝাড়ে-বংশে খতম করে "মগের মুল্লুক" এর অবসান ঘটান,
বুজুর্গ উমিদ মগদের পতনের পর নাফ নদী থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত চট্টগ্রামকে পুনরুদ্ধার করে চট্টগ্রামের নামকরণ ইসলামাবাদ করেন এবং পরবর্তী বছরে উত্তর তীরে পাহাড়ের উপরে সদর দপ্তর স্থাপন করে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন যেটি বর্তমানে আন্দরকিল্লা জামে মসজিদ নামে পরিচিত।
আরকানদের চূড়ান্ত পরাজয়ে পন্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের পন্ডিতেরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন, তারা অকল্যাণ চিন্তায় পুঁথি পত্র বগলদাবা করে বার্মা,চীন এবং তিব্বতে পালিয়ে যান,
পরবর্তী প্রাকৃতিক দূর্যোগ অথবা অন্য কোন কারণে পন্ডিত বিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনা সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায়।
মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী নামক এ অঞ্চলের খ্যাতিমান শিক্ষানুরাগী ১৯১৮ সালের ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে তৃতীয় আঞ্জুমানে ওলামার সম্মেলনে দেয়াঙ পাহাড়ে আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাবনা পেশ করেন।
সর্ব ভারতের ওলামা মাশায়েখ, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ দেয়াঙে আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবনাকে স্বাগত জানান।
এর আগে ১৯১৫ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার থেকে ৬০০ বিঘা জমি ও ওই এলাকার জমিদার আলী খান থেকে ৫০০ কানি ভূমি রেজিস্ট্রিমূলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গ্রহণ করেছিলেন।
বিখ্যাত নেতা ও শিক্ষাবিদ শেরেহিন্দ মাওলানা শওকত আলী এ আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি স্থাপন করেন।
জঙ্গে জিহাদ, শাহ বদিউল আলম, শাহ জুলফিকার এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবল সমর্থক হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করার লক্ষ্যে ঐ সময় চট্টগ্রামে থাকতে রাজি হন।
পরবর্তীতে নানা কারণে বহুল কাংখিত এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সম্ভব হয়নি, সমুদয় সকল সম্পদ বেদখল হয়ে যায়।
পর্তুগীজ আমলে জোর করে হিন্দু মুসলমানদের খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হত,নানা জায়গা থেকে ধরে আনা লোকজনের বিশাল ধর্মান্তরিত পরিবার নিয়ে দেয়াং পাহাড়ে খ্রিষ্টান কলোনী গড়ে উঠে।
১৯৩২ সালে কানাডিয়ান ধর্মযাজক ফাদার ফ্লেবিয়ান আগমন করেন, তিনি জোরপূর্বক হিন্দু মুসলমান থেকে ধর্মান্তরিত খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠীকে ""প্রকৃত খ্রিষ্টান"" পরিণত করে জায়েজ তরিকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য "চটিগা দূর্গ" অদূরে মরিয়ম আশ্রাম নামক খ্রিষ্ট ধর্ম প্রচার প্রসার এবং পূনর্বাসনের মিশন স্থাপন করেন।
তিনি এখানে শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, ঋনসহ বিভিন্ন সমাজকল্যাণ মূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পুরো কর্ণফুলী-আনোয়ারা অঞ্চলকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে নেন।
বাইবেল প্রচার সোসাইটির মাধ্যমে স্থানীয় হিন্দু মুসলমানদের ধর্মান্তরের কাজ চালিয়ে যান।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যায় জড়িয়ে পড়েন, দুর্ভিক্ষ সহ নানা ধাত প্রতিঘাতের সুযোগে ফাদার ফ্লেবিয়ানের মিশন দরিদ্র গ্রামীন জীবনে ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করে।
এ গ্রামের একজন কীর্তিমান সন্তান আল্লামা হাফেজ জাকের আহমদ রহঃ তখন সদ্য শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করে ধর্ম জীবনে প্রবেশ করেন,
নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এতদিন টিকিয়ে রাখা মানুষের ধর্ম বিশ্বাস, ঈমান আকীদার বিনাশ হতে দেখে তিনি তার শিক্ষা প্রতিষ্টান হাটহাজারী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে তার শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করেন,মানুষের ধর্ম,ঈমান আকীদার রক্ষায় এন্টি মিশন স্থাপনের ইচ্ছার কথা ব্যাক্ত করেন।
তাদের পরামর্শ ও দিক নির্দেশনায় ১৯৭২ সালে "" বাইবেল প্রচার সোসাইটি"র এন্টিডোট "এশায়াতুল কোরআন সোসাইটি" তথা কোরআন প্রচার সোসাইটি প্রতিষ্টা করে পাড়ায় পাড়ায়, ঘরে ঘরে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে খ্রিষ্টান মিশনারীর ভয়াল থাবা সম্পর্কে ক্যাম্পেইন করেন।
স্থানীয় মুরুব্বিরা বর্ণনা করেছেন যে "হাফেজ জাকের সাহেব জুমার দিন যখন মসজিদ গুলোয় ব্যাপক জনসমাগম হত, তিনি দাড়িয়ে মানুষের কাছ থেকে দোয়া কালিমা জানে কিনা জানতে চাইতেন, দাড় করিয়ে ইন্টারভিউ নিতেন"
তখনকার সময়ের বেচে থাকা মুরুব্বি ডাঃ আবু তোরাব এর মতে "তখনকার অধিকাংশ মানুষ নামটাই মুসলমানদের ছিল, সব কিছু খ্রিষ্টানদের দখলে চলে গিয়েছিল, জাকের আহমদ সাহেব ঘরে ঘরে গিয়ে ছোটদের মাদরাসায় এনে বিনামূল্যে শিক্ষা,চিকিৎসা ও ভরনপোষণ করতেন, মুরব্বিদের তাবলীগে পাঠাতেন"
আল্লামা হাফেজ জাকের আহমদ রহঃ ছিলেন অত্যান্ত দূরদর্শী এবং বিস্তৃত চিন্তা চেতনার আলেম।
তিনি এশায়াতুল কোরআন সংস্থার কার্যক্রমকে যথেষ্ট মনে করলেন না।
দীর্ঘস্থায়ী কার্যকর ভিশন হিসাবে ১৯৭৩ সালে আরকানিদের "চটিগা দূর্গ" খ্রিষ্টানদের "মরিয়াম আশ্রাম" এর সীমারেখায় দ্বীন ও ইসলামের আরেক দূর্গ "এশায়াতুল কোরআন মাদরাসা পরবর্তীতে দারুল উলুম দেয়াং পাহাড় মাদরাসা নামের স্থায়ী প্রতিষ্টান নির্মান করে মুসলিম সমাজে কোরআন শিক্ষার বিস্তৃত পরিসর তৈরী করেন।
তার কর্মকাণ্ড দেয়াং পাহাড় মাদরাসা প্রতিষ্টা, মুসলিম সন্তানদের দ্বীন ধর্ম শিক্ষায় সীমাবদ্ধ রাখেননি, ফাদার ফ্লেবিয়ানের মিশনের এন্টি মিশন হিসাবে সুদ বিহীন ঋন, সামাজিক উন্নয়নসহ ব্যাপক জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের সূচনা করেন।
দেয়াং পাহাড় মাদরাসা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য " আল ইখওয়ান সংস্থা" নামক একটি সমিতিও গড়ে তুলেন।
তার ইসলামিক মিশন এতটাই ফলপ্রসূ হয়েছিল যে, গির্জামুখী খ্রিষ্টান মিশনারী নির্ভর হিন্দু মুসলমান যার যার ধর্ম নিয়ে থাকার পরিবেশ তৈরী হয়,এলাকার মুসলমান পরিবারে ইসলাম চর্চার বিস্তার লাভ করে এবং খ্রিষ্টান মিশনারীদের সকল কার্যক্রম একঘরে হয়ে পড়ে।
আল্লামা হাফেজ জাকের আহমদ রহঃ তথা দেয়াং পাহাড় মাদরাসা সুলতানী আমলকে পুনর্জীবন দান করেন, মোগল আমলের সৌর্য-বীর্জ ফিরিয়ে আনেন,মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী রহঃ এর স্বপ্নকে বিকল্প রূপে প্রতিষ্টান করেন,
হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যর মোড় ঘুরিয়ে এবং এমন একটি বিপ্লব ঘটান,যা অনাগত শত বছরের ইতিহাস অবধি বিস্তার লাভ করবে।
আল্লামা হাফেজ জাকের আহমদ ( বড় হুজুর রহঃ) খ্রিষ্টানদের ভয়াল থাবা থেকে সহজ সরল মুসলমানদের রক্ষায় রাজনৈতিক, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলে থেমে থাকেননি, একই সাথে চালিয়েছেন সাংস্কৃতিক সংগ্রামও,
রহিমাহুল্লাহ এর সাংস্কৃতিক লড়াইয়ের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল উর্দূ ফার্সি এই কবিতাটি।
যা একটি দীর্ঘ সংগ্রাম, এবং ঈমানী চেতনার যথাযথ বিস্ফোরণ ঘটেছে।
কন্ঠ দিয়েছেন হুজুরের নাতি হাফেজ মাওলানা রইসুল ইসলাম আরশাদ।
#দেয়াংপাহাড় #ইতিহাস #ঐতিহ্য #সুলতানীআমল #মোগলশাসন #পর্তুগীজ #চট্টগ্রাম #মাদরাসা #ইসলাম