Intifada-36

Intifada-36

Share

"Intifada-36" 36th batch of Department of Islamic studies, University of Chittagong.

Photos from Intifada-36's post 23/07/2026

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ৩৬তম ব্যাচ ‘ইন্তিফাদা’ এর আয়োজনে আজ ২৩ জুলাই ২০২৬ বৃহস্পতিবার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনের পুকুরপাড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে আনন্দঘন ‘চড়ুইভাতি’।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছেলেদের জন্য ফুটবল পেনাল্টি ও হাড়ি ভাঙা এবং মেয়েদের জন্য পিলো পাসিং ও ঝুড়িতে বল নিক্ষেপসহ বিভিন্ন আনন্দমুখর খেলার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও ছিল মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও স্মৃতিচারণ পর্ব। পুরো আয়োজনটি অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আনন্দ, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

#ইন্তিফাদা #চড়ুইভাতি #চট্টগ্রাম_বিশ্ববিদ্যালয়

22/07/2026

ইন্তিফাদা-৩৬ পরিবারের আরেকটি অন্যান্য আয়জন হতে চলেছে ইনশাআল্লাহ।

ইন্তিফাদা'র মেলবন্ধনে মেতে উঠুক প্রাণ, স্মৃতিমাখা এই সময় থাকুক চির-অম্লান।।

#চড়ুইভাতি

Photos from Intifada-36's post 16/07/2026

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দুপুর এই গড়ালো বলে!

সেই সকাল বেলায় আমাদের ব্যাচের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেখান থেকে ক্রমেই দেখতে দেখতে বেলা গড়িয়ে দুপুরও পেরুচ্ছে...!

আমাদের এইসব হাসি,খুশি, আড্ডায় মত্ত সময়গুলোকেই হয়তো বলা হয় জীবনের" সোনালী সময়"🌸

-36

08/07/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

আমাদের জুনিয়র ব্যাচ ২য় বর্ষের (২৩-২৪) মাইনউদ্দীনের আব্বু আজ সকাল ১০টার দিকে ইন্তেকাল করেছেন।

আল্লাহ তাআলা মরহুমকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান বানিয়ে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন।

আল্লাহ শোকাহত পরিবারকে এই কঠিন শোক ধৈর্য ও ঈমানের সঙ্গে বহন করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

06/07/2026

Ashik Ar Rahman ছেলেটা শোকে ভেঙে পড়েছে। এ শোক কিভাবে সইবে, থাক আরেকটু কাঁদেন নাহয়😭

22/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ 💝

আমাদের ইন্তিফাদার গর্ব, আমাদের সকলের প্রিয় সহপাঠী "নুরুল আহমেদ" সৌদি আরবের প্রখ্যাত কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পেয়েছে🎊

তার এই অর্জনে আমরা "ইন্তিফাদা পরিবার" গর্বিত ও আনন্দিত। আমরা তার সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।

06/05/2026

https://www.facebook.com/61554217757387/posts/122255039156140591/?mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v

১৮৩১ সালের ৬ মে।
ঐতিহাসিক বালাকোটের প্রান্তর।

মিট্টিকোট পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান নিয়ে কৌশল আটছিলো শিখ বাহিনি। সকালের নাস্তা খেতে খেতে পাহাড় আর শহরের মধ্যবর্তী কর্দমাক্ত ধানক্ষেতে ঢুকে পড়েন সৈয়দ আহমদ বেরলভী নেতৃত্বাধীন মুজাহিদ বাহিনীর সৈন্য সৈয়দ চেরাগ আলী। তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে পাহাড়ের চূড়া থেকে শিখ বাহিনি। মুহূর্তেই লুটিয়ে পড়ে সেখানেই। আর শুরু হয় ৭০০ মর্দে মু জাহিদ ও ১০ হাজারের অধিক সৈন্যের শিখ বাহিনির এক অসম যুদ্ধ। মু জাহিদের রক্তে লেখা হতে থাকে ঐতিহাসিক বালাকোটের ময়দানের নাম; যেখান থেকে ভিত আরো মজবুত হয় উপমহাদেশীয় ইসলামী রাজনৈতিক, ধর্মীয় চিন্তার, ইতিহাসের এবং আজাদীর রূপরেখা।

অষ্টাদশ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম বিপর্যয়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে গড়ে উঠা একটি আদর্শিক আন্দোলন, শিখ সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কাঠামোর বিরুদ্ধে মুসলিম মানসের জাগরণ এই তিন ক্ষেত্র একত্রিত হয়ে ফলিত হয় বালাকোটের প্রান্তরে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধ। তাই বালাকোটকে মূল্যায়ন করতে তিন পরস্তের এই দেওয়াল ধরেই বিশ্লেষণ অত্যাবশ্যক।

১৭০৭ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল সাম্রাজ্যের কর্তৃত্বের পতন শুরু হতে থাকে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উত্থান ও ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশদের জয় হলে তাদের কর্তৃত্ব শুরু হয়। তারা শুরু করে তাদের রাজনৈতিক বিস্তার এবং সুযোগ নিয়ে কাজে লাগায় ধর্ম, বর্ণ ও আঞ্চলিক বিভেদ। এমতাবস্থায় উপমহাদেশীয় মুসলমানের তাকদীরে নেমে আসে এক বিশাল বিপন্নতা। একদিকে হঠাৎ ক্ষমতা থেকে দূরে চলে যেতে বাধ্য হওয়া অন্যদিকে মুসলিম রাজনৈতিক স্বত্বার অবক্ষয়। শাসক থেকে প্রান্তিক সংখ্যালঘু হওয়ার এই রূপান্তর, ঘরের উপর চেপে বসা বেদ্বীন ইংরেজ শাসন মুসলিম সমাজে তৈরি করে মনস্তাত্বিক ও আদর্শিক সংকট।

উপমহাদেশীয় মুসলমানের এই চরম সংকটকালে ইসলামী রাজনৈতিক চিন্তায় পূনর্জাগরণী দার্শনিক ভিত্তি গড়ে দেন শাহ্ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী। তিনি খোদার সার্বভৌমত্ব এবং মুসলমানি সমাজের জন্য সামাজিক ন্যায়বিচারের আবশ্যকতার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর পুত্র শাহ আবদুল আজিজ দেহলভী জারি রাখেন পিতার চিন্তাধারার সংগ্রাম। এবং পরবর্তীতে একে রূপ দেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে। এরই ফলশ্রুতিতে ভারতকে ঘোষণা করেন "দারুল হারব" হিসেবে এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জি হাদ ওয়াজিব ঘোষণা করেন।
শাহ আব্দুল আজিজ দেহলভীর এই ফতোয়াই আদর্শিক ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায় বালাকোট প্রান্তরের শহীদ সেনাপতি সৈয়দ আহমদ বেরলভী (রহ) এর।

শাহ আব্দুল আজিজ দেহলভীর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেন সৈয়দ আহমদ বেরলভী। দুআ পান তাঁর কাছ থেকে। অতঃপর তিনি অনুভব করলেন এই উপমহাদেশের মুসলমানের আজাদীর। তার জন্য প্রয়োজন মুসলিমদের আত্মশুদ্ধি ও জি হাদের। এরই প্রেক্ষিতে তিনি সূচনা করেন "তরিকা-ই মুহাম্মদী" এর। এই তরীকার আন্দোলনের ছিল তিনটি প্রধান লক্ষ্য। তাওহীদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা সহ হিন্দু ও শিয়া প্রভাবিত অনুশীলন থেকে মুসলিম সমাজকে মুক্ত করা, ভারতে দারুল ইসলামে রূপান্তর করা, মুসলমানদের অভিন্ন রাজনৈতিক কাঠামোর অধীনে সংঘটিত করা।

এই তরিকা নিয়ে তিনি চষে বেড়ান গোটা ভারতবর্ষ। সাড়া পান ব্যাপক, দলে দলে তার কাছে ভিড়তে শুরু করে ভারতীয় জোয়ানরা। এই বাংলা থেকেও অসংখ্য বীর তার ডাকে সাড়া দিয়ে আন্দোলনে যুক্ত হয়। সৈয়দ বেরলভী বয়স ও সামর্থ্যের বিচারে তাদেরকে বাইয়াত ও প্রশিক্ষণ দেন। পরবর্তীতে তাদের সাথে নিয়ে তিনি ১৮২৬ সালে হিজরত করেন পেশোয়ারে এবং গোড়াপত্তন করেন এক ইসলামী রাষ্ট্রের। পরবর্তী চার বছরের মধ্যেই পেশোয়ার শহর সহ সমগ্র উপত্যকা ও হাজারার কিছু অংশ নিতে পেরেছিলেন তার অধীনে। কিন্তু একদিকে শিখদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন তিনি, আবার অন্যদিকে পাঠান মুসলিম সরদাররা বেরলভির ধর্মীয় অনুশীলনের বিরুদ্ধে চলে যান। ফলে বেরলভির বেশকিছু অনুসারী হত্যার শিকার হন সেখানে।

অতিরিক্ত উৎপাতের ফলে সৈয়দ বেরলভী সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি এবার হিজরত করবেন কাশ্মীরের দিকে। তিনি কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে তাঁর চার বছরের খানকাহ্ সাথেসাথেই দখল করে নেয় শিখরা। এবং ওই এলাকার জনগণের উপর নির্যাতন শুরু করে।

পথিমধ্যে সাহায্য চায় বিভিন্ন মুসলিম সরদার এবং সে ডাকে সাড়া দেন তিনি। পাঠান মু জাহিদ বাহিনীর একাংশও। কিন্তু এদিকে শিখ সেনা রঞ্জিত সিংহ বিরাট বাহিনী নিয়ে সমাবেশ করে নখলি নামক স্থানে। এই সময়ে তিনি সংঘর্ষে লিপ্ত না হয়ে হাজারাতেই থেকে যান কাশ্মীরে যাত্রা না করে। কিন্তু তিনি যখন খবর পেলেন রনজিত সিংহ আক্রমণের পরিকল্পনা করছে, তখন তিনি এবং শাহ ইসমাইল ধাপে ধাপে উপনীত হন বালাকোটের প্রান্তরের দিকে।

মু জাহিদ বাহিনী দ্বারা সেনাচৌকি বসান মেটিকোট পর্বতের পাদদেশে। কিন্তু সংঘর্ষ হয়ে মেটিকোট দখলে গেলো শিখ সেনাদের। ৫ মে এই মেটিকোট টিলার শিখরে উঠতে সক্ষম হয় শিখ সৈন্য গণ। ৬ মে তারা নামতে থাকে বালাকোটের প্রান্তরের দিকে। মুসলিম মু জাহিদ বহিনীও প্রস্তুতি নেয় প্রতিরোধের। কিন্তু ১৯ হাজার শিখ সৈন্যের বিপরীতে ৭০০ জন এর সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের শহীদ হোন শহীদ সৈয়দ আহমেদ বেরলভী রহ. সহ প্রায় ৩০০ মুসলিম সেনা।

সৈয়দ আহমদ ও শাহ ইসমাঈল সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন, যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং আত্মত্যাগের এক অমর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। যুদ্ধের একপর্যায়ে সৈয়দ আহমদ শহীদ হন মেটিকোট পাহাড়ের একটি ঝরনার পাশে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই শাহ ইসমাঈল দেহলভীও শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেন। তাঁদের শাহাদাতের খবর মু জাহিদদের কাছে সঙ্গে সঙ্গে না পৌঁছানোয় অনেকে ইমামকে খুঁজতে খুঁজতে বিভ্রান্ত হয়ে শত্রুর হাতে নিহত হন। এদিকে কিছু সাহসী মু জাহিদ যুদ্ধ চালিয়ে গেলেও সংখ্যার ভারে দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকা সম্ভব হয়নি।

যুদ্ধ চলাকালে স্থানীয় গোত্রের কিছু ব্যক্তি প্রচার করে, "সৈয়দ সাহেব নিরাপদে পাহাড়ের ওপরে আছেন, সবাই দ্রুত সেদিকে চলে যান।" এই ঘোষণায় বিভ্রান্ত হয়ে অনেক মু জাহিদ পিছনে সরে যান এবং সেই সুযোগে শিখ বাহিনী পুরোপুরি জয়লাভ করে। এই দিনের ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রায় ৩০০ মু জাহিদ শহীদ হন, যাদের মধ্যে তৎকালীন বাংলা অঞ্চলের মু জাহিদরাও ছিলেন। শিখ সৈন্যরা সৈয়দ আহমদের মৃতদেহ খুঁজে পেয়ে শিরশ্ছেদ করে এবং বহু অনুসারীকেও নির্মমভাবে হত্যা করে। যুদ্ধ শেষে বালাকোটের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে তারা মুসলমানদের বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করে।

শহীদদের এই রক্ত দিয়েই লেখা হয় উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদী থেকে আজাদী, মুসলমানের আজাদী। আবিষ্কৃত হয় উপমহাদেশে মুসলমানের ধর্মীয় চিন্তার নতুন এক স্বত্বা। প্রাণ সঞ্চার হয় নতুনভাবে। দিকভ্রান্ত থেকে দিশা খোঁজ আসে নয়া আঙিনায়।



15/04/2026

একটা কথা মনে রাখবেন,
"আমাদের টার্গেট নেক্সট টুর্নামেন্ট"🏏

18/02/2026

রমাদ্বান মোবারক 🌙

গতবছর রমাদ্বানে আমাদের ইন্তিফাদা'র আয়োজনে এভাবেই পবিত্রতার সাজে সেজেছিল আমাদের "ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ" এর প্রাঙ্গন।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

University Of Chittagong
Chittagong
4331