©Kamrul Hasan
এই মুহুর্তে আপনাদের সাথে আমি খুব গুরুত্বপূর্ন একটা জিনিস শেয়ার করবো। এই পোস্ট এর রিচ বাড়ানোর দায়িত্ব আপনাদের।
পোস্ট টা অবশ্যই শেয়ার করবেন অথবা কপি করে নিজের ওয়ালে পোস্ট করবেন।
দেখেন , সব ক্ষমতার ই একটা সীমা আছে। একমাত্র বিধাতা ছাড়া কোন মানুষের ক্ষমতা অসীম না।
১.
সরকার তার সর্বোচ্চ ক্ষমতার ব্যবহার করে ফেলেছে। এর বেশী ক্ষমতা ব্যবহার করা আসলে যায় না।
ওরা নিজেরাও জানে । ইন্টারনেট বন্ধ করে ব্ল্যাক আউট একবার করা গেছে। বারবার করা যাবে না। আর ইন্টারনেট চালু রেখে ওরা গনহ*ত্যাও চালাইতে পারবে না। যার ফলাফল হিসাবে প্রচুর মানুষ রাস্তায় নামবে এবং গদি ছাড়তে তারা বাধ্য হবে।।
২
এবার আসি পুলিশের গুলি।
পুলিশ যা গুলি চালানোর , চালিয়েছে।
এখন আর ওপেনলি গুলি চালানোর ক্ষমতা ওদের নাই। ইন্টারন্যাশনাল প্রেশার আছে।
ওরা যা করতে পারে তা হলো গ্রেফতার এবং পরবর্তীতে কিছু ক্ষেত্রে গুম।
আন্দোলন বড় হলে এই গ্রেফতারের সম্ভাবনাও কমে যাবে।
৩
গদি নড়ে গেছে , ক্ষমতা হারানোর ভয় প্লাস তীব্র চাপে কোনঠাসা অবস্থা। তাহলে এই পরিস্থিতিতে তারা কি করবে?
উত্তর হলো , আতংক ছড়ানো।
এই যে বাড়ি বাড়ি রেইড দেওয়া। তুলে নিয়ে যাওয়া , রাস্তা দিয়ে বড় বড় গাড়ি টহল দিয়ে সাইরেন বাজানো। আকাশে সশব্দে হেলিকপ্টার ছোটানো এবং দরজায় দরজায় সাস্পেক্ট লিখে যাওয়া সব ই এই কর্মকান্ডের অংশ। ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে করা।
আপনার অভিভাবকদের ভয় দেখানো যাতে তারা আপনাকে বের হতে না দেয়।
কারন তারা জানে একমাত্র গুজব ছড়িয়ে এবং ভয় দেখিয়েই তারা ছাত্রদের ঘরে রাখতে পারে।
খেয়াল করলে দেখবেন , তাদের যা মারার আন্দোলনের প্রথম দমক এ মেরে ফেলেছে। আর মারার উপায় নাই জন্য এখন ভয় ছড়াচ্ছে। আর ইন্টারনেট বন্ধ করা সম্ভব না জন্য গুজব ছড়িয়ে এরেস্ট করছে।
একবার আতংক ছড়িয়ে দিলে লোকবল কমে যাবে এই মন্ত্রেই তারা আগাচ্ছে। তাদের হাতে এর বাইরে আর কিছুই করার নাই।
আন্দোলনে আমাদের আজকের দিন টা সফল ছিল না। সব ই ছিল গুজব।
তবুও দেখেন এই গুজবের উপর ভিত্তি করে রাস্তায় গাড়িতে বোঝাই সেনাবাহিনী নামায় দিসে।
সেনাবাহিনী কিন্তু গুলি করবে না। তাদের অই ক্ষমতা নাই। তবুও নামাইসে।
উদ্দেশ্য?
আবারো বলছি। ভয় দেখানো। যাতে কেউ বাড়ি থেকে বের না হয়।
ইভেন পুলিশ কিন্তু আজকেও গুলি চালাতে পারতো । চালায় নি।
করেছে শুধু এরেস্ট।
স্বৈরাচার বলেন কিংবা জেনোসাইট।
সব ক্ষমতার সীমা আছে।
জয় এর এত কাছাকাছি এসে থেমে যাওয়া যায় না।
বিশ্বাস করেন , আমাদের সফলতার খুব কাছাকাছি।
সরকার জানে , আর একবার ও যদি আন্দোলন শুরু হয় ভালো ভাবে। তারা সামলাতে পারবে না।
তাই স্কুল কলেজ বন্ধ। তাই বিনা কারনে আকাশ দিয়ে হেলিকপ্টার ওড়ে।
আপনাদের উপর আমার অনুরোধ:
অমুক এলাকায় রেইড , অমুক জায়গায় এই হইসে সেই হইসে , হ্যান ত্যান হাবিজাবি বলে গুজব ছড়াবেন না। সাহস দেন। বোঝান আমরা আমাদের উদ্দেশ্য সফলের কত কাছাকাছি চলে এসেছি।
আমার লাইক শেয়ার কিছু লাগবে না।
আপনারা শুধু এই লেখাটা যতটা পারেন , ছড়িয়ে দেন।
যদি আমি ভুল বলে থাকি তার বিপরিতে গঠন মূলক কারন আপনারা কমেন্ট বক্স এ আমাকে দিতে পারেন।
ইনশাল্লাহ , জয় আমাদের আসবেই।
h2so4 Ccs'14
A GROUP OF CTG COLLEGIATE SCHOOL'14
২০০৩ বিশ্বকাপ
কানাডার সাথে প্রথম ম্যাচ
বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ কিশোর ছেলেটার
জাতীয় সঙ্গীত গাইতে দাঁড়িয়ে চোখ ভিজে এলো বালকের..
কিছুক্ষণ পর বোলিং করতে আসলেন.
তখনও চোখ ভেজা,
আবেক আপ্লুত বালক প্রথম বলটা করলেন পিচের বাহিরে..
♥
মাশরাফি তখন এখনকার মুস্তাফিজের মত; টগবগে-ছটফটে তরুণ, দলের নতুন খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন।
ক্রিকেট বোর্ডের সাথে পার্টনারশিপে "গ্রামীনফোন পেসার হান্ট" শুরু হবে। আমি বসলাম সেটার জন্য বিজ্ঞাপনের স্ক্রিপ্ট লিখতে।
একটা আইডিয়া করলাম। রেস্টুরেন্টের এক ওয়েইটার, যে নিজেকে বিশাল বড় পেস বোলার মনে করে। তার রেস্টুরেন্টে খেতে এসেছে বাংলাদেশ দলের চার ক্রিকেটার। তাদের সামনে পেয়ে উত্তেজনা কন্ট্রোল করতে না পেরে সে নিজের পেস বোলিং-এর বাহাদুরি জাহির করতে শুরু করে।
মডেল হিসেবে বেছে নিলাম তখনকার ক্যাপ্টেন হাবিবুল বাশার সুমন, খালেদ মাসুদ পাইলট, মোহাম্মদ রফিক আর মাশরাফিকে। সুমন ভাই এর আগে দু-একটা অ্যাড করলেও বাকি তিনজনের জন্য এটাই ছিল প্রথম অ্যাড।
তাদের দিয়ে কিভাবে অভিনয় করানো হবে সে নিয়ে টেনশনের শেষ নাই আমার আর এই বিজ্ঞাপনটির ডিরেক্টর, বন্ধু অমিতাভ রেজার। রাজ্যের টেনশন মাথায় নিয়ে শুটিং শুরু হল উত্তরার এক রেস্টুরেন্ট।
মাশরাফির সাথে সেটাই আমার প্রথম দেখা।
শুটিঙের শুরু থেকেই শুরু হল তার নানান রকম "ডিস্টার্ব"; এই দেখি সে চোখের পলকে সুমন ভাইয়ের ফোন কেড়ে নিয়ে পাইলট ভাইয়ের সাথে ক্যাচ-ক্যাচ খেলছে, পর মুহূর্তেই দেখি রফিক ভাইকে কোন একটা কিছু বলে খেপিয়ে দিচ্ছে।
সে যেন বড় একটা শিশু - সারাক্ষণই কিছু না কিছু দুষ্টামি তাকে করতেই হবে।
লুকাবো না, প্রথম দিকে আমার কিছুটা বিরক্তই লাগছিল কাজের মাঝখানে এইসব দুষ্টামি-ফাইজলা
মি দেখে। কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম, সুমন ভাই, পাইলট ভাইরা হাসিমুখেই তার সব দুষ্টামি, পাগলামি সহ্য করে নিচ্ছে!
আমি আর রফিক ভাই (মোহাম্মদ রফিক) শুটিং-এর ফাঁকে বাইরে দাঁড়িয়ে গল্প করছি। কথার ছলে জিজ্ঞেস করলাম, "রফিক ভাই, এই পাগলকে খেলার মাঠে সামলান ক্যামনে?"
জবাবে রফিক ভাই একটা কথা বলেছিলেন যা জীবনেও ভুলবো না।
বলেছিলেন...
"ভাই রে, এই ছেলে ওয়ান পিস। এই পৃথিবীতে ওর মত আর একটাও নাই। আমরা তো হাত-পা-মাথা দিয়ে ক্রিকেট খেলি। এই পাগলা খেলে কলিজা দিয়ে। আমাদের শরীরে তো তাও হাড্ডি-রক্ত-মাংস আছে - কিন্তু এই পাগলের পা'এর নখ থেকে চুলের ডগা পর্যন্ত শুধু কলিজাই কলিজা।"
২০০৫ সালের কথা এটা। গত এগারো বছরে মাশরাফি আর তার কলিজার কতো হাজার উদাহরণ সচক্ষে দেখলাম! সাধারণ যেকোন মানুষের পক্ষে যার অনেক কিছুই সম্ভব না।
কিন্তু যার শরীর-ভর্তি শুরু কলিজা, সে তো সাধারণ কেউ না
শুভ জন্মদিন ওস্তাদ। তুমি তুমিই। তোমার তুলনা এই দুনিয়াতে আসলেও আরেকটা নাই। আই লাভ ইউ মাই ব্রাদার। লাভ ইউ আ লট।
-razeeb hasan chowdhury
01/10/2016
তুমি মায়ের মতই ভাল..♥
#মা-শরাফি
"h2so4 টিম ভিডিও''র মাথায় একদিন নতুন ভুত চাপল
ভয়ংকর রকমের ভুত
"ভিডিও তো অনেক হলো,চল এবার prank বানাই"
শুরু হলো
prank -waterland" ( কয়েকটা পার্ট থাকবে,সবগুলা হবে পানি নিয়ে)
(রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে বোতল থেকে মুখে পানি নিয়ে গাড়ির ড্রাইভারের কাচ ভিজিয়ে দেওয়া হবে)
খুবই মর্মান্তিক কাহিনী...
যাই হোক,
দিন তারিখে সবাই চকবাজার হাজির
১০/১২ জনের দলটা হোস্টেল গেটের সামনের রোডটায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেল(কেউ কাউকে চিনেনা এমন ভাব সবার)
২ জন বোতল ভর্তি পানি নিয়ে রেডি
ক্যামরা হাতে ক্যামেরাম্যানও রেডি...
খয়েরি কালার একটা গাড়ি থামান হল (আমি যত সহজে বলে ফেলসি "থামান হলো" কাজটা ওতোটা সহজ ছিল না..রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে,হাত পা নেড়ে অনেক কসরত করে গাড়ি থামাতে হয়েছিল)
তারপর ২জন ড্রাইভারের কাছে গিয়ে(স্লো মোসনে) মুখ দিয়ে পানি মেরে দৌড়...
ড্রাইভার গাড়ি থেকে নেমে বুঝার চেষ্টা করলেন কাহিনী কি হইসে...
কিছুক্ষন পর জানা গেল ক্যামরাম্যান এক্সাইটমেন্টের চোটে ক্যামরা অন করতেই ভুলে গেছে
কি আর করার আবার নেওয়া হবে শট...
আবার গাড়ি থামান হলো, আবার পানি মেরে দৌড়..এইবার ড্রাইভার নামে নাই..
এবারও ভিডিও ক্লিয়ার বুঝা গেল না. বাস চলে এসেছিল ক্যামরার সামনে
>_<
আবার নেওয়া হবে শট..
৩দিকে ৩টা ক্যামরা বসানো হলো.
এবার ভুল করা চলবেনা..
থামল গাড়ি..
মুখ থেকে পানি বের করার পর মুহূর্তে বালক আবিষ্কার করল ডাইভারের কাচ খোলা..
নির্মম prank এর নির্মমতর পরিণতি হলো
পানি গিয়ে ডিরেক্ট ড্রাইভারের মুখে পড়ল.
মুখ শার্ট ভিজে একাকার..
বালক ততক্ষনে চোখের আড়াল..
শটও পারফেক্ট..
এরপর বিভিন্ন ব্যস্ততার কারনে বাকি পার্ট গুলা আর করা হয় নাই..
মাথার ভুত আবার নাড়াচাড়া দিয়ে বসেছে
কিছু দিনের মধ্যেই হয়তো বাকি পার্ট গুলার শট নেওয়া হয়ে যাবে
ছোট বেলায় সমারসোল্টিং চলনের প্র্যাক্টিকেল করতাম..
খাটের এক প্রান্ত থেকে চোখ বন্ধ করে ডিগবাজি দিয়ে আরেক প্রান্তে গিয়ে চোখ খুলে ভাবতাম '' কিরে বাই,কই চলি আইলাম?"
শোনো মেয়ে,
আমার কানে সারাদিন হয়ত ব্ল্যাক মেটাল বাজতে থাকে । কিন্তু তার মানে এই না যে আমি অন্ধকার ।
আমারো বুকের বামপাশে একটা গোলাপি এমপিথ্রি প্লেয়ার আছে , যেখানে তোমার জন্য মাঝে মাঝে বেজে ওঠে ওয়ান ডিরেকশন, তাহসান , পিরান খান, আরেফিন রুমি কিংবা বেবি নাজনীনের কোন ট্র্যাক ।
জাহিদ স্যারের বাসা থেকে কলেজিয়েট স্কুল পর্যন্ত দেয়ালে সব গুলা " #পড়াতে চাই'' -তে সাইন পেন/কলম দিয়ে #পড়াতে এর আগে " #থা " লিখে দেওয়ার মধ্যে পৈশাচিক আনন্দ ছিল শৈশবে...
একজন লিখত বাকিরা উৎসাহ দিত পেছন থেকে...
যে এডটা বানিয়েছে, এটা দেখার পর তার মুখে অবস্থা কি হবে কল্পনা করতেও আলাদা সুখ লাগতো
আকাশলীনা
....
সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি,
বোলো নাকো কথা অই যুবকের সাথে
ফিরে এসো. সুরঞ্জনা:
নক্ষত্রের রূপালি আগুন ভরা রাতে ।
......
ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার
দূর থেকে দূরে আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়ো নাকো আর ।
......
কী কথা তাহার সাথে?
আকাশের আড়ালে আকাশ
মৃত্তিকার মতো তুমি আজ
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে ।
..........
সুরঞ্জনা, তোমার হৃদয় আজ ঘাস :
বাতাসের ওপারে বাতাস
আকাশের ওপারে আকাশ ।
....(জীবনানন্দ দাস)
আস্তে আস্তে একদিন এক মধ্যরাত করে,এক পা দুই পা করে দূরত্ব বাড়বে..
গ্রুপ চ্যাটগুলোও প্রাণ হারাবে কিংবা মুমূর্ষু হয়ে বেচে থাকবে..
কেউ লিভ দিবে..
যারা থাকবে তারাও কেমন যেন উৎসাহ হারাবে.."কেমন আছো? কোথায়? " টাইপের মেসেজগুলোও সিন হয়ে পড়ে থাকবে..
পুরোনো অভ্যাসে কেউ কেউ মেসেজ টাইপ করেও সেন্ড করার আগ মুহূর্তে ব্যাকস্পেস চেপে ধরবে..
কথা কমে আসবে,মাঝে মাঝে হাই কিংবা হ্যালো..
অনেকক্ষন পাশে বসে বার বার মাথার ভেতরে ঘুরে আসতে হবে বলার মত কিছু পাওয়া যায় কিনা খুজে দেখতে...কিছুই পাওয়া যাবে না..
প্রিয় বন্ধুগুলোর পাশে চুপচাপ বসে থাকা অস্বস্থিকর ব্যাপার..যাদের সাথে একটা সিংগারা খাওয়ার গল্পও ভাগাভাগি না করে থাকতে পারি নি দুরন্ত শৈশবে..
অনেকগুলো জন্মদিন চলে যাবে, মেসেজ কিংবা কল দিয়ে দায়িত্বটুকু পালন করা হবে...কেক গিফট হাতে বন্ধুর বাসার নিচে দাড়িয়ে থাকার গল্পটা পুরোনো হয়ে যাবে..সময় থাকবেনা কারো কারো..
আড্ডায় যাওয়া হবেনা অনেক দিন..
একদিন সন্ধ্যায় দেখা হয়ে যাবে হঠাত..বাসায় ফেরার খুব তাড়া.কথা বলা হবেনা বেশিক্ষন..সেরাতে ঘুম হবেনা..মনে পড়বে আজকের কথা মনে পড়বে,গতকালকের কথা,প্যারেডের কথা,স্কুলের টাংকির কথা..অনেক দিন দেখা হবেনা..
তবুও কেউ কেউ থাকবে,সবাইকে একসাথে করবে..আড্ডা জমাবে..আগের মত চোরা বিয়ে খাওয়াতে টেনে নিয়ে যাবে..
12/04/2016
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Website
Address
Chittagong
1223