CUETian - চুয়েটিয়ান

CUETian - চুয়েটিয়ান

Share

CUETians all over the world

07/08/2024

চুয়েটে রাজনীতি নিষিদ্ধ করলো ছাত্র-শিক্ষকসহ সবার জন্য।

এখন বাংলাদেশের প্রতেকটা স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি থেকে ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবার জন্যে রাজনীতি সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত।

03/08/2024

দাবি ছিলো দুইটা, মানলেন না- গু'লি করলেন।
দাবি হলো ছয়টা, মানলেন না- গ্রেফতার করলেন।

দাবি বাড়িয়ে হলো নয়টা, আবার মানলেন না- আবার গু'লি করলেন।

আর দাবি বাড়াতে চাই না। বরং কমাইয়া নেন।
এখন দাবি মাত্র একটা।

ফুলস্টপ

02/08/2024

আজ থেকে শেখ রাসেল হলের নাম শহীদ আবু সাঈদ হল। কোটা আন্দোলন এর প্রথম শহীদ আবু সাঈদ এর নামে এই নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চুয়েটের সকল সাধারণ শিক্ষার্থী। অতি শীঘ্রই ছাত্রদের অর্থায়নে নেমপ্লেইট এবং ছবি পরিবর্তন করা হবে।

©️ চুয়েটিজম

02/08/2024

সেদিন ফেরেস্তারাও বলবে,

“আমাদের কিছু করার নেই, সব উপরের নির্দেশ...!!”
©

31/07/2024

আসেন এককাপ চা খাওয়াই–

খেয়াল করলে দেখবেন, এই সরকারের আমলে বিগত পনেরো বছরে যতগুলো কাজ হয়েছে, সবচে বেশি আলোচিত ঘটনা দুইটা। এক. শিক্ষাব্যবস্থার নীতি পরিবর্তন, দুই. বাংলাদেশে ভারতের রেল ট্রানজিট।

ঘটনা আরো বহু আছে। বাট এই দুইটা স্পেশাল। কেন স্পেশাল, তা বলছি।

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার দিকে তাকালে আপনি একটা জিনিস দেখবেন। সেটা হচ্ছে এখানে পড়াশোনার হার খুবই কম। ক্লাস নাইনের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষা হবে পাঁচ ঘন্টা। মাঝখানে আবার টিফিন আছে। পরীক্ষায় লেখা নেই। প্র্যাকটিক্যাল টাইপ।

পরীক্ষার গ্রেডিং সিস্টেমটা একবার দেখেন। মার্কিং পয়েন্টে থাকে বৃত্ত, চতুর্ভুজ, আয়ত, রম্বস, এইসব। আমি এখনো জানিনা কে কোনটা পাইলে কত মার্কস পাবে!

আচ্ছা এবার আসি বই নিয়ে। এখন যারা নাইনে পড়ে, তাদের কোনো বিভাগ নেই। সাইন্স, আর্টস, কমার্স, এইসব নেই। ঢালাও ভাবে বই সাজানো। বিজ্ঞান বইয়েই ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, সাধারণ বিজ্ঞান, এইসব মিক্স করে দেওয়া। গণিত বইয়ে থাকবে গণিত। ওমা গণিত বইয়ে দেখি প্যারাগ্রাফ লেখা। গণিত কখনো থিওরি ভিত্তিক পড়া হতে পারে?

যারা পঁচিশের এসএসসি ব্যাচ, তাদের ফিজিক্স কেমিস্ট্রি বই দেখলে চোখ কপালে উঠে যায়। বই কখনো ফালতু হয়না, ফালতু হয় যে লিখছে সে। এই বইগুলো লেখার প্রধান সমন্বয়ক ছিলো জাফর ইকবাল।

বোর্ড পরীক্ষার গ্রেডিং সিস্টেমটা কেমন? চলে, এইতো আরেকটু পড়তে হবে, মাঝারি, ভালো হচ্ছে, খুব ভালো, আরেকটু হলেই বেস্ট হতো, বেস্ট... এগুলো কোন ধরণের গ্রেডিং?

শিক্ষাব্যবস্থার নীতি পরিবর্তনের কারণ কি আপনি জানেন?

কারণটা আমি আপনাকে বলবোনা। আপনি নিজেই খুঁজে বের করবেন। কিভাবে? আপনার ছেলে মেয়ে, ভাই-বোন, কিংবা আশেপাশের স্টুডেন্টদের ধরবেন। একটা ট্রান্সলেশন ধরবেন, একটা ম্যাথের সূত্র ধরবেন। সামাজিকীকরণ কি, সাহস কি, ন্যায় অন্যায় কি, এগুলো ধরবেন। উত্তর দিতে পারবেনা। কারণ পড়াশোনার নামে তাদের বানানো হচ্ছে ফার্মের মুরগী।

এবার আসল ঘটনায় আসি। আঠারো সালে যখন কোটাবিরোধী আন্দোলন হলো, ঠিক তখনই সূর্য ডুবে যাচ্ছিলো প্রায়। সরকারকে ঐ জায়গা থেকে ফিরিয়ে আনে ভারতীয় 'র'। তখনো ভারতীয় 'র' বাংলাদেশে এসেছিলো। তারা দেখেছিলো শিক্ষার্থীদের ক্ষমতা, একতা, ঐক্য, নীতি। ঘাবড়ে যায় তারা।

তারা আগে থেকেই জানে বিরোধীদলের কোনো হ্যাডম নেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার। এতদিন তো সবকিছু ঠিকঠাক ছিলোই, মাঝখানে আঠারোর ছাত্র আন্দোলন সবকিছুর মোড় ঘুরিয়ে দিলো। ভারতীয় 'র' চিফ বুঝতে পারলো, সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষমতা ছাত্রসমাজ ছাড়া কারো নেই। তাহলে এদের কিভাবে দমানো যায়?

এদের দমাতে হলে দুইটা কাজ করতে হবে। এক. এদের মেরুদন্ড ভাঙতে হবে, দুই . দেশের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে নিতে হবে।

মেরুদণ্ড ভাঙবে কিভাবে? আপনারা জানেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। দ্যাট মিনস শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে দিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। ছাত্রসমাজ অন্ধ হয়ে যাবে, তারা ভালোমন্দের পার্থক্য বুঝতে পারবেনা, অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হবেনা।

এখন বুঝলেন শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তনের কারণ? যাই হোক।

এবার আসি দুইনাম্বার পয়েন্ট নিয়ে। কিভাবে তারা দেশের নিয়ন্ত্রণ নিবে? একটা দেশের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে তাদের সেখানে যেতে হয়। থাকতে হয়। কিন্তু সরাসরি প্রবেশ করলে তা আন্তর্জাতিক আইন বিরোধী। তাই তারা নিয়ে আসে রেল ট্রানজিট।

বাংলাদেশের বুকে ভারতের ট্রেন চলাচলের এক্সট্রা কোনো কারণ নেই। আই রিপিট, কোনো কারণ নেই। যা দেখানো হবে, বোঝানো হবে, সব মিথ্যা। ট্রানজিটের কারণ একটাই। দেশের মধ্যে বৈধভাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রবেশ। আর দেশের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনী একবার প্রবেশ করলে ধীরেসুস্থে তারা এদেশের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে নিয়ে নিবে। তখন সরকারের কোনো ভয় থাকবেনা। গদি হারানোর ভয়ে তাকে নির্ঘুম রাত কাটাতে হবেনা।

চব্বিশের নির্বাচনের পর সরকারের মিশন ছিলো দুইটা। এক. কোটা দিয়ে কোটাধারীদের তার পক্ষে নেওয়া, দুই. ভারতীয় রেল ট্রানজিটের মাধ্যমে এইদেশে তাদের সেনাবাহিনীর প্রবেশ।

কিন্তু দুইটার একটাও কাজে লাগেনি। কারণ রেল চালু হওয়ার কথা থাকলেও কোনো একটা কারণে তা বিলম্ব হয়। কিন্তু ততদিনে সরকার কোটার ঘোষণা দিয়ে দেয়। আর তখনই ছাত্রসমাজ জেগে ওঠে। কিন্তু এই ঘোষণা যদি ভারতীয় সেনাবাহিনী দেশে প্রবেশের পর দিতো, তাহলে ঘটনা উল্টো ঘটে যেতো।

কত সুনিপুণভাবে এই জাতিকে ধ্বংস করার প্ল্যান সাজানো হয়েছে, তা আপনি এখনো জানেন না।

চা শেষ, এখন আসতে পারেন।

- সাদমান সাকিব

29/07/2024

মেট্রোরেলে ছাত্ররা নয়, আগুন লাগিয়েছে পরিবহন শ্রমিক
ও বাস মালিকরা। যেন সবাই বাসে যাতায়াত শুরু করে।

সূত্র: দি মিরর এশিয়া ও গোয়েন্দা সংস্থা

29/07/2024

আজকের স্লোগান ✊🏼

জেগেছে রে জেগেছে
ছাত্র সমাজ জেগেছে।

লেগেছে রে লেগেছে
র'ক্তে আগুন লেগেছে।

তুমি কে আমি কে,?
সমন্বয়ক সমন্বয়ক।

লা'শের হিসাব কে দিবে,?
কোন কোটায় দাফন হবে,!!

তোর কোটা তুই নে,
আমার ভাই ফেরত দে!

সকল লা'শের হিসাব করো,
বাংলাদেশ স্বাধীন করো।

28/07/2024

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)
, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এর পর এবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর সকল সাধারণ শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট বিবৃতি -

বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, চুয়েট ✊✊✊✊

28/07/2024

মূসা তো কওম নিয়ে চলেই যাচ্ছিলো সাগর পার হয়ে। ফিরআউনের উচিত ছিলো সেখানেই ক্ষান্ত দেওয়া।
কিন্তু সে সাগরে পর্যন্ত নামছে।


কোথায় থেমে যাওয়া উচিত এটা আসলে জালিমরা বুঝেনা। পরে আল্লাহ্ বুঝায়।

©মাহদী ভাই

27/07/2024

এক ঢিলে দুই পাখি না হয়ে হবে এক বু*লেটে দুই ছেলে!

27/07/2024

‘আমার ছেলের কোনো অপরাধ ছিল না। গুলিবিদ্ধ একটা ব্যক্তিকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে গিয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় সে। বিষয়টি দেখে ওই হাসপাতাল থেকে আমার ছেলেকে পুলিশ টেনে বের করে নিয়ে বুকে গুলি করে মেরে ফেলে।’- কাঁদতে কাঁদতে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন যাত্রাবাড়ীর অনাবিল হাসপাতালের সামনে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়া ইফাত হাসানের (১৬) মা কামরুন নাহার।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার ছেলের কোনো অপরাধ ছিল না। একটা অসহায় মানুষকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়াই কি তার অপরাধ? এ কারণেই আমার ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে?’

গত শনিবার (২০ জুলাই) ঢাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয় ইফাত হাসান।

সৌজন্যে- চ্যানেল24

26/07/2024

দাউ দাউ করে জ্বলা আগুনে পুড়ে যাওয়ার হাত থেকে শহরকে রক্ষা করার জন্যে হেলিকপ্টার থেকে পানি ছোড়া হচ্ছে!

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Raozan
Chittagong
4349