Amin's

Amin's I'm Bangladeshi Man.

18/09/2026

আমরা আব্দুল হক মোহাদ্দেস দেহলবী রা: এর লিখিত গ্রন্থ আখবারুল আখিয়ার গ্রন্থে প্রকাশিত সকল কারামাত ও জীবনের অন্যান্য বিষয়াবলি সঠিক বলে জানব। কেহ ভূল /মিথ্যা লিখলে অন্যায় করেছে।
কারামাত বিশ্বাস না করলে ওনার অন্যন্য জীবনী অস্বীকার করলে ওনার জীবন সম্পর্কে লেখার কোন মানে হয়না। ওলী-আউলিয়ার সাথে বেয়াদবী কারী, সাহাবীর মাজার থেকে লাশ চুরি করে নিয়ে যাওয়া ব্যক্তি বর্গের দোসর বা সমর্থন কারীদের কারামত সমূহ কখনো ভাল লাগার কথা নয়। তারা জীবনী লেখতে গিয়ে বেয়াদবীই করবে বেশি। আল্লাহ হেফাজত ও হেদায়েত করুক, আমীন। ইসলামের সঠিক পথে, নবী সিদ্দিক শুহাদা, আওলিয়ার সঠিক অনুসরণকারী খুব কম বর্তমানে। আল্লাহর উপর বিশ্বাস, নবী, আউলিয়ার তাজিম প্রশ্নে বিভক্ত হয়ে গেছে মুসলিম মিল্লাত। নতুন ডেলিভারি মজা লাগে। সব কিছু যাচাই না করে মতামত দেন আমাদের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ, হিংসায় ছড়াছড়ি আমাদের মাঝে, মশায়েখে এজামের সমালোচনা করে অনেকে প্রসিদ্ধ হতে চায়। আল্লাহ রক্ষা করুক।

09/09/2026

গাছবাড়িয়া, চন্দনাইশে হুজুর ছাবের শাহ্ মঃ জিঃ আঃ এর মাহফিল।

আলহামদুলিল্লাহ,  জুলুছ সফর ২০২৬,সফলভাবে সমাপ্ত হল।
26/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ, জুলুছ সফর ২০২৬,
সফলভাবে সমাপ্ত হল।

20/08/2026

হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহ: এর মীলাদুন্নবী সা সম্পর্কে দলীল।

20/08/2026

হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) মীলাদুন্নবী (সা.) বা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আগমন উপলক্ষে আনন্দ প্রকাশ করার বৈধতার পক্ষে একটি চমৎকার শরয়ী দলিল (মূলনীতি) উপস্থাপন করেছেন। ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতি (রহ.) তাঁর রচিত ‘হুসনুল মাকসিদ ফী আমালিল মাওলিদ’ কিতাবে ইবনে হাজার আসকালানির এই ফতোয়া ও দলিলটি হুবহু উল্লেখ করেছেন。ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.)-এর মূল দলিল এবং এর বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো:১. মূল দলিল: আশুরার রোজা এবং আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়াহাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) মীলাদুন্নবী উদযাপনের মূল ভিত্তি খুঁজে পেয়েছেন সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের একটি হাদিস থেকে। হাদিসটি হলো:রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন মদিনায় হিজরত করলেন, তখন দেখলেন যে ওখানকার ইহুদিরা মহররমের ১০ তারিখে (আশুরার দিন) রোজা রাখছে। তিনি তাদের এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, "এটি সেই দিন, যেদিন আল্লাহ তাআলা হযরত মুসা (আ.)-কে ফেরআউনের হাত থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং ফেরআউনকে ডুবিয়ে মেরেছিলেন। তাই আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের জন্য এই দিনে রোজা রাখি।" তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, "মুসা (আ.)-এর অনুসরণের ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে আমাদের অধিকার বেশি।" এরপর তিনি নিজে রোজা রাখলেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন।২. দলিলের যৌক্তিক বিশ্লেষণএই হাদিস থেকে হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) যে সিদ্ধান্ত বা ইস্তিম্বাত (উপসংহার) টেনেছেন, তা হলো:নিয়ামতের দিনে শুকরিয়া: বছরের নির্দিষ্ট কোনো দিনে আল্লাহ তাআলা যদি কোনো বড় নেয়ামত বা অনুগ্রহ দান করেন, তবে প্রতি বছর সেই দিনটি ফিরে এলে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা এবং আনন্দ প্রকাশ করা শরীয়তসম্মত।সবচেয়ে বড় নেয়ামত: ফেরআউনের কবল থেকে মুসা (আ.)-এর মুক্তি পাওয়ার চেয়ে বিশ্বজগতের জন্য রহমত হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এই পৃথিবীতে আগমন নিশ্চিতভাবেই আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামত।শুকরিয়া আদায়ের মাধ্যম: আল্লাহর এই মহান নেয়ামতের জন্য শুকরিয়া আদায় করতে যেকোনো ভালো কাজ করা যেতে পারে—যেমন নফল নামাজ, রোজা, সদকা (দান-খয়রাত) এবং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শানে দরুদ ও তাঁর জীবনীর আলোচনা।হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.)-এর কিছু বিশেষ শর্ত ও সতর্কতাতিনি মীলাদুন্নবী সম্পর্কে তাঁর ফতোয়ায় শুধু বৈধতাই দেননি, বরং এটি কীভাবে পালন করা উচিত সে সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাও দিয়েছেন:উত্তম কাজের মাধ্যমে উদযাপন: মীলাদুন্নবী উপলক্ষে কেবল সেই কাজগুলোই করা যাবে যা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া হিসেবে গণ্য হয়। যেমন: কুরআন তেলাওয়াত, দরিদ্রদের খাবার খাওয়ানো, দান-সদকা এবং নবীজীর প্রশংসামূলক নাত বা কবিতা পাঠ করা, যা মানুষের অন্তরকে আখেরাতমুখী করে।বিদআত ও হারাম বর্জন: তিনি অত্যন্ত কড়াকড়িভাবে সতর্ক করেছেন যে, এই দিনকে কেন্দ্র করে শরীয়তবিরোধী কোনো কাজ করা যাবে না। যেমন: গান-বাজনা, নাচ, অনর্থক আমোদ-প্রমোদ বা এমন কোনো প্রথা যা ইসলাম সমর্থন করে না। যদি কোনো মিলাদ মাহফিলে এ ধরনের নিষিদ্ধ কাজ অন্তর্ভুক্ত থাকে, তবে তা গুনাহের কারণ হবে।সালাফদের অনুসরণই সেরা: তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, প্রথম তিন যুগের (সাহাবি, তাবেয়ি ও তাবে-তাবেয়িদের যুগে) ইসলামে এভাবে আনুষ্ঠানিক জন্মদিন পালনের প্রচলন ছিল না। তাই সবচেয়ে নিরাপদ ও সর্বোত্তম পথ হলো সুন্নাহর পূর্ণ অনুসরণ করা। তবে কেউ যদি কোনো অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড ছাড়া বিশুদ্ধ নিয়তে আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া হিসেবে এই দিনটি উদযাপন করে, তবে উপরোক্ত হাদিসের আলোকে তা বৈধ।

20/08/2026

@ * @ পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সাঃ) শব্দের সাথে 'ঈদ' যুক্ত করার প্রধান দলিল, যুক্তি এবং ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো:
১. প্রধান কুরআন ভিত্তিক দলিল: সূরা ইউনুসের ৫৮ নম্বর আয়াতটি এই নামকরণের সবচেয়ে বড় কোরআনিক দলিল।
মূল আয়াত: قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُواসরল অনুবাদ: "বলুন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত@ প্রাপ্তিতে তারা যেন আনন্দ প্রকাশ (খুশি উদযাপন) করে।"যুক্তি: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) হলেন সৃষ্টির জন্য সবচেয়ে বড় রহমত (সূরা আম্বিয়া: ১০৭)।
কুরআন যেখানে রহমত পাওয়ার পর আনন্দ প্রকাশ (ফালইয়াফরাহু) করতে বলছে, আর 'ঈদ' শব্দের অর্থই হলো আনন্দ বা উৎসব, তাই রহমাতুল্লিল আলামিনের আগমনী দিনকে 'ঈদ' বা আনন্দের দিন বলা সম্পূর্ণ কুরআন সম্মত।

২. হাদীস শরীফের দলিল (ঈদ শব্দের ব্যাপকতা)ইসলামে শুধু ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাই একমাত্র ঈদ নয়। হাদীসে অন্যান্য আনন্দের দিনকেও 'ঈদ' বলা হয়েছে:জুমার দিনকে ঈদ ঘোষণা: ইবনে মাজা শরীফের হাদীসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা এই (জুমার) দিনটিকে মুসলমানদের জন্য 'ঈদ' হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।"আরাফার দিনকে ঈদ ঘোষণা: সুনানে নাসায়ীর হাদীস অনুযায়ী, আরাফাতের দিন ও কুরবানীর দিনগুলোকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) উম্মতের জন্য 'ঈদ' বা উৎসবের দিন বলেছেন।যুক্তি: যদি প্রতি সপ্তাহের জুমার দিন এবং আরাফার দিন উম্মতের জন্য 'ঈদ' হতে পারে, তবে যে নবী (সাঃ) না এলে জুমাই আসত না আর আরাফাও পাওয়া যেত না, তাঁর আগমনের দিনকে 'ঈদ' বলা নিঃসন্দেহে যৌক্তিক।

৩. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটখুশির ধারাবাহিকতা: হিজরী চতুর্থ ও পঞ্চম শতাব্দী থেকে মুসলিম বিশ্বে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাতেমী এবং পরবর্তীকালে সুলতান মুজাফফর আদ-দ্বীনের আমলে বড় পরিসরে মীলাদুন্নবী পালন শুরু হয়।পার্থক্য স্পষ্ট করা: এটি কোনো নতুন শরীয়তের বিধান বা 'ফরজ-ওয়াজিব' ইবাদত হিসেবে যুক্ত করা হয়নি। সাধারণ মুসলমানদের বোঝানোর জন্য যে, এই দিনটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় খুশির দিন, তাই সংস্কৃতির অংশ হিসেবে 'ঈদ' (আনন্দ) ও 'মীলাদ' (জন্ম) মিলিয়ে 'ঈদে মীলাদুন্নবী' বা 'জন্মের আনন্দের দিন' নামকরণ জনপ্রিয় হয়।

৪. শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি (পারিভাষিক বনাম শাব্দিক)শাব্দিক অর্থ: 'ঈদ' শব্দের মূল অর্থ বারবার ফিরে আসা আনন্দ। নবীজির জন্মবার্ষিকী প্রতি বছর আনন্দের বার্তা নিয়ে ফিরে আসে, তাই এটি শাব্দিক অর্থে ঈদ।পারিভাষিক অর্থ: শরীয়তের পরিভাষায় মূল 'ঈদ' দুটিই (ফিতর ও আজহা), যে দিনগুলোতে বিশেষ নামাজ ওয়াজিব। মীলাদুন্নবীকে সেই অর্থে ঈদ বলা হয় না, কারণ এই দিনে ঈদের মতো কোনো বিশেষ নামাজ বা নিয়ম নেই। এটি কেবলই নবীজির আগমনের শুকরিয়া ও খুশি প্রকাশের দিন। @ চলবে।

17/02/2026

I got over 20 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

26/12/2025

Dhaka Cox’s Bazar Train.

25/12/2025

নাতে রাসুল সাঃ

৷৷বাজালিয়া, বান্দরবান, বাঙ্গালখালি, কাপ্তাই হয়ে, চট্টগ্রামের পথে।
21/12/2025

৷৷বাজালিয়া, বান্দরবান, বাঙ্গালখালি, কাপ্তাই হয়ে, চট্টগ্রামের পথে।

Address

Village: Purangor
Chittagong
4387

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amin's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category