08/06/2020
আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
ইসলামী একুশ-তারা যুব সংঘ, একটি অ-রাজনৈতিক সংগঠন। পথ ভ্রাষ্ট যুবকদের আলোর পথ দেখানো এর মূল লক্ষ্
ইসলামী সংগঠনের গুরুত্ব
**********************
সংগঠন শব্দের সাধারণ অর্থ সংঘবদ্ধ করণ। এর বিশেষ অর্থ দলবদ্ধ বা সংঘবদ্ধ জীবন। ইকামাতে দ্বীনের কাজ আঞ্জাম দেয় যে সংগঠন তাকেই বলা হয় ইসলামী সংগঠন। ইসলামী সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে ইকামাতে দীনের সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য ফরয।
সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা ছাড়া আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দীন কায়েম হতে পারে না। সংগঠিত উদ্যোগ ছাড়া ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও সৌন্দর্
08/06/2020
আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
#কোভিড -১৯ প্রতিরোধ
#অফিস করা
অফিস খুলে যাচ্ছে, করোনা ও ডেঙ্গু, দুই রোগ এর কথা মাথায় রেখেই ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রত্যেক এর নিজস্ব সচেতনতা সেই ক্ষেত্রে একান্ত প্রয়োজন।
# বাইরে যতক্ষণ থাকতে হবে সারাক্ষণই মাস্ক পরতে হবে। পকেটে ও ডেস্কে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। সার্জিক্যাল মাস্ক / না থাকলে পপলিন কাপড় এর দুই / তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক বানিয়ে ব্যবহার করা যাবে।
# গন পরিবহন ব্যবহার করলে চুল ভালভাবে টুপি/ স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ও চওড়া সানগ্লাস / ঢাকা চশমা ব্যবহার করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব যতটা সম্ভব বজায় রাখতে হবে। এজন্য কেউ ঘাড়ের উপর উঠে আসলে তাকে ভদ্রভাবে দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলতে হবে।
# ফুলহাতা জামা, মোজা ও ঢাকা জুতা পরতে হবে যেহেতু ডেঙ্গু সিজন। আর খোলা অংশে মসকিউটো রিপিলেন্ট লাগাতে হবে যদি সম্ভব হয়।
# বাইরে থাকার সময় নাক, মুখ, চোখ হাত দিয়ে কোনভাবেই স্পর্শ করা যাবে না। মাস্কের সামনের অংশ হাত দিয়ে ধরা যাবে না।
# যদি মুখ স্পর্শ করতে হয় / খাবার খাওয়া / কোন কারণে মাস্ক খুলতে হয়, হাত প্রথমে সাবান দিয়ে ভাল করে ধুয়ে একটি পরিষ্কার টিস্যু পেপার বিছিয়ে মাস্ক কানের পিছন থেকে খুলে এতে রাখতে হবে। কখনো গলায় ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। আবার সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে মাস্কটি পরে ফেলতে হবে। মাস্ক এর ভিতরের অংশে কোন ভাবে হাত দেওয়া যাবে না।
# টি রুম / ক্যান্টিন / কোন ধরনের জমায়েত এ না যাওয়াই ভাল। যদি বাধ্য হয়ে যেতেও হয় যেন প্রত্যেক এর মাঝে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় থাকে সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। নিজের বাসা থেকে তৈরী করা খাবার ও পানির বোতল নিয়ে যাওয়া উচিত।
# স্মোকিং না করাই ভাল। আর যদি অভ্যাস নিতান্তই ত্যাগ করা সম্ভব না হয়, মোড়ের দোকানে দাঁড়িয়ে / কোন জমায়েত এ না গিয়ে লক ডাউন এ যেভাবে বাড়িতে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন তাই করবেন। কর্মস্থলে স্মোকিং এর জন্য মাস্ক খুলে / সমবেত হয়ে নিজের ও সহকর্মীদের বিপদ ডেকে আনবেন না।
# অফিসে কারো সাথে মাস্ক খুলে কথা বলার দরকার নেই। মাস্ক পরা কোন বেয়াদবি নয়, বরং যার সাথে কথা বলছেন তার নিরাপত্তার জন্যও সেটা দরকার। কেউ মাস্ক ব্যবহার না করলে তাকে পরার অনুরোধ করতে হবে। এটা কোন বীরত্ব দেখানোর বিষয় নয়।
# অফিসের লিফট সুইচ / কলিং বেল / দরজার হাতল / কমন ডেস্কটপ / টয়লেট ইকুইপমেন্টস / চাবি/ মোবাইল / টাকা যেকোনো কিছু ধরার পর হাত হ্যান্ড স্যানিটাইজার এ মোছা / সাবান দিয়ে ধোয়া অভ্যাস এ পরিনত করতে হবে।
# বাসায় ফিরে কোনকিছু স্পর্শ না করে আগে বাইরের জুতা বাইরে সম্ভব হলে ব্লিচিং দ্রবণে ভিজিয়ে দিতে হবে। সাবান দিয়ে কনুই পর্যন্ত হাত ২০ সেকেন্ড ভালভাবে ধুতে হবে। আগের নিয়মে মাস্ক খুলতে হবে। যদি কাপড় এর মাস্ক হয় ধুয়ে ব্যবহার করা যাবে। আর সার্জিক্যাল মাস্ক হলে ফেলে দিতে হবে। যদি সার্জিক্যাল মাস্ক এর স্বল্পতা থাকে, ভেতরের অংশ কোনভাবে ভিজে না গিয়ে থাকলে একটি কাগজের ব্যাগে রেখে প্রতি ৪ দিন পরপর প্রতিটি মাস্ক ব্যবহার করা যাবে।
# এরপর বাইরের কাপড় গরম সাবান পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ভালভাবে ধুতে হবে এবং জীবানুনাশক সাবান ও শ্যাম্পু দিয়ে ভালভাবে গোসল করতে হবে।
# বাড়িতে অসুস্থ / বয়স্ক ব্যক্তি/ গর্ভবতী মায়ের সাথে অবশ্যই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। বাড়ির কোন অংশে যেন পানি না জমে খেয়াল রাখতে হবে।
# নিজের জ্বর / সর্দি / কাশি / করোনার উপসর্গ মনে হলে অফিসে অবশ্যই জানাতে হবে / আইসোলেশন এ থাকতে হবে এবং লুকিয়ে না রেখে করোনার পরীক্ষা করে ফেলতে হবে। কারণ রোগ জানা না থাকলে পরবর্তীতে হঠাৎ জটিলতা হলে চিকিৎসা সেবা পেতে সমস্যা হতে পারে।
# বাড়িতে একটি এটাচড বাথরুম সহ কক্ষ নির্ধারিত রাখতে হবে যেখানে আইসোলেশন এ থাকা যাবে যেকোন সময়। প্রয়োজন এ যোগাযোগ এর নম্বর / হাসপাতালে কাউকে যেতে হলে কিভাবে ব্যবস্থাপনা হবে সেই বিষয়ে পারিবারিক আলোচনা করে ডিসিশন নিয়ে রাখতে হবে।
নিজ পরিবার এর সার্বিক নিরাপত্তার ব্যাপারে নিজেকেই সচেতন থাকতে হবে। তাই সবাই সচেষ্ট হই, একদিন আবার সোনালী ভোরের প্রত্যাশায়।
ডাক্তার শাওলী সরকার
সহকারী অধ্যাপক
ঢাকা শিশু হাসপাতাল।
01/05/2020
তারিখঃ- ১৫/০৪/২০২০
চট্টগ্রামের করোনা সংবাদ
চট্টগ্রাম করোনা শনাক্ত মোট ২৯ জন
#স্থান ভিত্তিক পরিসংখ্যা
(১) দামপাড়ায়- ৩ জন
(২) সাগরিকা ৫ জন( নতুন ৪ জন)
(৩) হালিশহর(শাপলা আবাসিক)- ১ জন
(৪) সীতাকুন্ড - ১ জন
(৫) ফিরিঙ্গী বাজার, শিব বাড়ী লেইন - ১ জন
(৬) ইস্পাহানি গোল চত্বর, সাউথ খুলশী- ১ জন
(৭) পাহাড়তলী সিডিএ-১ জন,
(৮) সাতকানিয়া -৮ জন (নতুন ৫ জন)
(৯) লক্ষীপুর -২ জন,,
(১০) পটিয়া - ১ জন(শিশু ৬ বছরের মৃত)
(১১) ফৌজদারহাট - ১ জন
(১২) পাহাড়তলী সরাইপাড়া - ১ জন
(১৩) উত্তর কাট্টলী - ১ জন
(১৪) পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকা - ১ জন (নতুন)
( ১৫) ম্যাক্স হসপিটালে চিকিৎসারত - ১ জন (নতুন)
#চট্টগ্রাম এ
★ মোট শনাক্ত ২৯ জন
★ মৃত্যু ০৩ জন
#বাসায়_থাকুন
#সুস্থ_থাকুন!!
#কোভিড_আক্রান্ত_এবং_ঝুঁকিপূর্ণ_এলাকাসমূহঃ
ঢাকাঃ ২৬৯ জন
নারায়ণগঞ্জঃ ৮৩ জন
মাদারিপুরঃ ১৩ জন
গাজীপুরঃ ১২ জন
মুন্সিগঞ্জঃ ১১ জন
কিশোরগঞ্জঃ ১০জন
চট্টগ্রামঃ ০৮ জন
কুমিল্লাঃ ০৮ জন
রাজবাড়ীঃ ৬ জন
গাইবান্ধাঃ ৫ জন
মানিকগঞ্জঃ ৫ জন
ময়মনসিংহঃ ৫ জন
ব্রাহ্মনবাড়িয়াঃ ৪ জন
চাদপুরঃ ৪ জন
জামালপুর ৩ জন
গোপালগঞ্জ ২ জন
টাংগাইল ২ জন
রংপুর ২ জন
নীলফামারী ২ জন
শেরপুর ২ জন
শরিয়তপুরঃ ১ জন
নেত্রকোনা ১ জন
পটুয়াখালী ১ জন
বরগুনা ১ জন
মৌলভীবাজার ১ জন
চুয়াডাঙ্গা ১ জন
সিলেট ১ জন
হবিগঞ্জ ১ জন
কক্সবাজার ১ জন
ঢাকা শহরের মধ্যেঃ
মিরপুরঃ ৫৫ জন
পুরান ঢাকাঃ ৩৭ জন
ধানমন্ডিঃ ১৭ জন
উত্তরাঃ ১৫ জন
ওয়ারীঃ ১৩ জন
মোহাম্মদপুরঃ ১২ জন
বাসাবোঃ ১২ জন
যাত্রাবাড়ীঃ ১১ জন
বনানীঃ ৭ জন
গ্রিনরোডঃ ৫ জন
বসুন্ধরাঃ ৪ জন
বংশালঃ ৪ জন
গুলশানঃ ৪ জন
হাজারীবাগঃ ৪ জন
বাড্ডাঃ ৩ জন
মহাখালীঃ ৩ জন
বেইলি রোডঃ ৩ জন
সূত্রঃ আইইডিসিআর
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়: ইসলামী দৃষ্টিকোন
সতর্কতামূলুক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাঃ
-----------------------
মানুষের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ইসলাম গুরুত্ব প্রদান করে। এ কারণে আল্লাহ বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা সতর্কতা অবলম্বন করো, (সূরা নিসা: ৭১) হাদিসে শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় গ্রহনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রাসূল (সঃ) বলেন,
তোমার ওপর তোমার শরীরেরও অধিকার রয়েছে, (বুখারী, হাদীস নং ১৯৬৮)
==========
♦আতংকিত না হয়ে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল হওয়া: কেননা আল্লাহর হকুম ছাড়া কোন বিপদ আমাদের স্পর্শ করতে পারবে না। তিনি বলেন আল্লাহ যা আমাদের জন্য লিপিবদ্ধ করেছেন তা ছাড়া কোন কিছুই আমাদের স্পর্শ করতে পারবে না। তিনিই আমাদের অভিভাবক। আল্লাহর উপড় মুমিনের নির্ভরশীল হওয়া উচিৎ।" (সূরা আত্ তাওবা, ৫১)
=============
♦লক ডাউন: যে এলাকায় মহামারি আক্রান্ত হয় সে এলাকায় প্রবেশ ও বাহির বন্ধ করে দেয়া। এ সম্পর্কে রাসূল (সঃ) বলেন "যদি তোমরা শুনতে পাও কোন জনপদে প্লেগ বা অনুরুপ মহামারীর প্রাদুর্ভাব ঘটেছে তবে তোমরা তথায় গমন করবে না।
আর যদি তোমরা যে জনপদ অবস্থান করছো তথায় তার প্রাদুর্ভাব ঘটে তবে তোমরা সেখান থেকে বের হবে না।( বুখারী, হাদীস নং ৫৩৯৬)
============
♦আইসোলেশন ( Isolation) : মহামারী রোধে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে পৃথক রাখাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় আইসোলেশন বলা হয়। রাসূল (সঃ) এ সম্পর্কে ঘোষনা করেছেন, অসুস্থের কাছে নেয়া হবে না। (বুখারী, ৫৭৭১ ও মুসলিম, ২২২১)
============
♦হোম কোয়ারেন্টাইন (guarantine): সুস্থ ব্যাক্তি মহামারীতে আক্রান্তের আশংকায় জনবিচ্ছিন্ন থাকাকে কোয়ারেন্টাইন বলা হয়। বিভিন্ন হাদীসে এভাবে বিচ্ছিন্ন থাকার ফযিলতল বর্ণিত হয়েছে। যেমন নবীজি (সঃ) বলেন কোন বান্দা যদি মহামারী আক্রান্ত এলাকায় থাকে এবং নিজ বাড়িতে ধৈর্য সহকারে সওয়াবের নিয়তে এ বিশ্বাস বুকে নিয়ে অবস্থান করে যে, আল্লাহ তাকদিরে যা চূড়ান্ত রেখেছেন তার বাইরে কোনো কিছু তাকে আক্রান্ত করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে শহীদের সমান সওয়াব। ( বুখারী, ৩৪৭৪ ও মুসনাদে আহমদ, ২৬১৩৯)
===============
♦মুসাফাহ ও কোলাকুলি এড়িয়ে চলা: কেননা এর মাধ্যমে সংক্রামণের ভয় থাকে। নবীজি (সঃ) সাকিফের প্রতিনিধি দলের মধ্যকার কুষ্ঠ রোগীকে হাতে হাতে বাইয়াত না দিয়ে লোক মারফত বলে পাঠান, তুমি ফিরে যাও। আমি তোমার বাইয়াত নিয়ে নিয়েছি। " ( মুসলিম, ২২৩১)
==============
সার্বিক পরিচ্ছন্ন থাকা: কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে মুমিনদেরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। "আল্লাহ তওবাকারী ও পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের ভালোবাসেন। " সূরা আল-বাকারা, ২২২), হাদীসে পবিত্রতাকে ঈমানের অংগ বলা হয়েছে। শরীয়াতের বিভিন্ন বিধানকে পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম নির্ধারণ করা হয়েছে:
===============
♦ওজুর মাধ্যমে মানুষের শরীরের অনাবৃত্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধৌত করা হয়:
♦মেসওয়াকের মাধ্যমে মুখের সব ধরনের জীবানু ধ্বংস হয়:
♦সামগ্রিকভাবে সর্বক্ষণ ও বিশেষত সালাতের পরিধেয় কাপড় পরিচ্ছন্ন থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে,। আল্লাহ বলেন: """ তোমরা কাপড় পরিস্কার রাখো। " (আল-মুদ্দাচ্ছির, ৪)
================
♦গুজবে কান না দেয়া ও গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকা: ইসলামে যাচাই ছাড়া কোন তথ্য গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। আল্লাহ বলেন,
" কোন অসমর্থিত ব্যক্তি কোন খবর দিলে তোমরা তা যাচাই করো। (সূরা আল- হুজুরাত: ৬) এ সমপর্কে রাসূল (সঃ) বলেন, যাচাই না করে শোনা খবর বিশ্বাস করা মিথ্যুক হওয়ার নামান্তর। " ( মুসলিম, ৫)
================
♦ ঘরে নামায আদায় করা: আপদকালীন অবস্থায় রাসূল (সঃ) সাহাবীগণকে বাড়িতে নামায আদায়ের নির্দেশ দেন। তিনি মুআজ্জিনকে আজানের মধ্যে বলতে বলেন, আলা সাল্লু ফী রিহালিকুম" (তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে নামায আদায় কর) ( বুখারী ৬৬৬, মুসলিম ৬৯৭) তাঁর ইন্তিকালের পরে সাহাবীগণও একইভাবে আমল করতেন। সহীহ বুখারীতে আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে এর প্রমাণ বর্ণিত হয়েছে যে তিনি মুয়াজ্জিনকে নির্দেশ দেন আজানের "সাল্লু ফী বুয়ূতিকুম" (তোমরা বাড়ীতে সালাত আদায় কর) অংশটি যোগ করার জন্য। (বুখারী ৬৬৮, মুসলিম ৬৯৯) ইসলামী শরীআর উদ্দেশ্য ও মহামারীর গতি-প্রকৃতি বিবেচনায় মিসর, সৌদীআরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ফিকহ কমিটি ও ইসলামী ফাউন্ডেশন মসজিদে মুসল্লাীদের উপস্থিতি সর্বনিম্ম পর্যায়ে নিয়ে আসার পক্ষে মত দিয়েছেন। বাংলাদেশর প্রধানমন্ত্রীও সম্প্রতি জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে সকলকে ঘরে ইবাদাত করার প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
===================
♦ গরিব-আসহায় ও নিম্ম আয়ের লোকদের সাহায্যে এগিয়ে আসা: করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঘোষিত
লকডাউনের এ দিনগুলোতে গরিব- অসহায় ও নিম্ম আয়ের মানুষের প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা বিত্তবানবানদেরওপর আবশ্যক। এ মহৎ গুণের প্রশংসা করে আল্লাহ বলেন, "অথবা খাদ্য দান করা দুর্ভিক্ষের দিনে,ইয়াতীম আত্মীয়-স্বজনকে,অথবা ধুলামলিন মিসকীনকে ।"( সূরা আল-বালাদ,১৪-১৬)
===============
♦ভাইরাস প্রতিরোধে ও জনগণের নিরাপত্তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা: ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলিম সরকার জনকল্যাণের বিবেচনায় কোন নির্দেশনা দিলে এবং তা শরীয়াহর সাথে সাংঘর্ষিক না হলে তা মান্য করা অপরিহার্য। এ সম্পর্কে আল্লাহ্ বলেন, "তোমরা আনুগত্য করো আল্লাহর আনুগত্য করো রাসূলের ও তোমাদের নেতৃস্থানীয়দের। " (সূরা আন-নিসা, ৫৯) এ সময়ে আমাদের উচিৎ বেশি বেশি (১) তওবা, (ইস্তেগফার, (৩) নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামায, (৪) কুরআন তিলাওয়াত, (৫) নফল রোযা, (৬) তাহাজ্জুদ নামায ও (৭) রাসূলের (সঃ) এর দুরুদ পাঠ করা।
@(c)
20/03/2020
সর্দি কাশি হলে অযথা হাসপাতালে না এসে ঘরে বসেই এসব চিকিৎসা করুন।
ইউনিসেফ বলেছে!
🎯করোনা মোটামুটি বড়সড় একটি ভাইরাস। তবুও খালি চোখে দেখা যাবে না, ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ লাগবে এটাকে দেখতে!
🎯এর আকারের কারনে বাজারে পাওয়া যায় এমন মাস্ক এটাকে প্রতিরোধ করতে স্বক্ষম হবে।
🎯যেহেতু এই ভাইরাসটি বাতাসে নয়, মাটিতে অবস্থান করে, তাই এটা বাতাসে ছড়ায় না।
🎯কোন ধাতব তলে বা বস্তুতে করোনা পড়লে প্রায় ১২ ঘন্টা জীবীত থাকতে পারে। তাই সাবান দিয়ে হাত ধুলেই যথেষ্ট হবে।
🎯কাপড়ে এই ভাইরাসটি প্রায় ৯ ঘন্টা জীবীত থাকতে পারে। তাই, কাপড় ধুয়ে নিলে বা রোদে ২ ঘন্টা থাকলে এটি মারা যাবে।
🎯হাতে বা ত্বকে এই ভাইরাসটি ১০ মিনিটের মতো জীবীত থাকতে পারে। তাই, এলকোহল মিশ্রিত জীবানু নাশক হাতে মেখে নিলেই জীবানুটি মারা যাবে।
🎯করোনা গরম আবহাওয়ায় বাঁচে না। ৭০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা এটিকে মারতে পারে। কাজেই, ভাল না লাগলেও এখন বেশি বেশি গরম পানি পান করবেন, আইসক্রিম থেকে দূরত্ব বজায় রাখবেন।
🎯লবন মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে গারগল করলে গলার মিউকাস পরিষ্কার হবার সাথে সাথে টনসিলের জীবানুসহ করোনাও দূর হবে, ফুসফুসে সংক্রমিত হবে না।
🎯আর, নাকে-মুখে আঙ্গুল বা হাত দেবার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। কারন, মানব শরীরে জীবানু প্রবেশের সদর দরজা হলো নাক-মুখ-চোখ!
ধন্যবাদ!
(Collected)
26/01/2020