Maizbhandari Academy

Maizbhandari Academy Managing Trustee, SZHM Trust. irrespective of caste, creed, gender and religion. Phil./PhD. levels to the competent candidates. will be organized.

Maizbhandari Academy is a non-political, non-communal, benevolent, altruistic, humane and Maizbhandari Philosophy-based research, publication, social service and development-oriented organization. A Brief Background of the Establishment of Maizbhandari Academy: The Maizbhandari Philosophy is introduced in light of the inherent implications and essence of Islam for the welfare and the emancipation

of the global humanity both in the worldhere and the world hereafter. The true nature of Maizbhandari Philosophy introduced by Hazrat Gausul Azam Mowlana Shah Sufi Syed Ahmad Ullah Maizbhandari (K) which aims at the emancipation of global mankind and the attainment of nearness to God. To disseminate the core ideology regarding maizbhandary philosophy and it's implication in human society in this critical juncture of time in the minds of the common people, it is very essential to undertake extensive programmes on research and publications and productive, pragmatic and creative human welfare-oriented multi-dimensional activities to inspire the people to be free from all sorts of prejudices and to be imbued with the true spirit and ideas of Maizbhandari Philosophy. With this in the view, Maizbhandari Academy was established in February 11, 2002 with the patronage of Alhaj Syed Mohammad Hasan (M.J.A.), Sajjadanshin, Gausia Huq Manzil, Maizbhandar Darbar Sharif, Chittagong, Bangladesh. The Basic Aims and Objectives of Maizbhandari Academy:
(a) To work for the spread of Maizbhandari Philosophy;
(b) To inspire and motivate the people irrespective of sex, caste, creed and religion about the ideas of Maizbhandari Philosophy;
(c) To enable the people possess ideal character and divine virtues;
(d) To make an attempt to encourage the people to establish true, decent and healthy society. (e) To establish peace, unity and cordial relations among the people of all categories like social worker, teachers and students, doctors, intelligentia, lawyers, businessman, labourers etc. Maizbhandari Academy has undertaken the following programmes with a view to implementing its above aims and objectives:
(i) The basic research and publication activities on Maizbhandari Philosophy will be intensified. The stipend/scholarship will be awarded for research on Maizbhandari Philosophy at the M. (ii) Seminar and international conferences on Maizbhandari Philosophy and Sufism, presentation of mystic songs, reception to the man of virtue and spiritual personality, social workers, Islamic thinkers etc., debates and intellectual dialogue, roundtable conference on Maizbhandari Philosophy, Sufism and Islam etc. (iii) Stipends/Scholarships for poor and meritorious students and financial assistance for establishing educational institutions will be provided. (iv) Efforts will be made for eradications of poverty and with this end in view, different service-oriented and developmental schemes will be undertaken. (v) An ideal library will be established to spread knowledge about Islam and Maizbhandari Philosophy. (vi) Different programmes will be undertaken to celebrate different important national and international days and events. (vii) Measures will be undertaken to publish journals, magazines, books, translated books etc. on Maizbhandari Philosophy on regular basis.

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা“যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল। ...
24/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল। আর যে লোক বিমুখতা অবলম্বন করল, আমি আপনাকে (হে রসুল), তাদের জন্য রক্ষণাবেক্ষণকারী নিযুক্ত করে পাঠাইনি।” - সূরা আন-নিসা : ৮০

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা“আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজ...
23/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট।” - সূরা আলে ইমরান : ১৬৪

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা“বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমাকে অনুসরণ করো; আল্ল...
23/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমাকে অনুসরণ করো; আল্লাহ্ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ্ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু”। - সূরা আলে ইমরান : ৩১

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা  “আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী। সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন...
23/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী। সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।” - সূরা আল-ক্বলম : ৪-৫

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 🌎 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে রবিউল আউয়াল মাস।⌛ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা: 🗓️ ০৮ রবিউল আউয়াল:💠...
22/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
🌎 ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে রবিউল আউয়াল মাস।
⌛ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা:
🗓️ ০৮ রবিউল আউয়াল:
💠 প্রিয়নবি (দ.) এর বংশধর (আহলে বাইতের সদস্য) ইমাম হাসান ইবনে আলি আল-আসকারী (র.)-এর ওফাত দিবস।
📚 ইমাম হাসান আল-আসকারী (আ.) ছিলেন আল্লাহর হাবিব প্রিয়নবি হযরত মুহাম্মদ (দ.)-এর সরাসরি বংশধর এবং একাদশতম ইমাম। ইরাকের সামরিক শহর সামাররায় আব্বাসীয় খলিফাদের কঠোর নজরদারিতে বসবাস করার কারণে তাঁকে 'আল-আসকারী' (আরবি 'আসকার' অর্থ সৈনিক বা সামরিক ক্যাম্প) উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
📗 পরিচিতি
• প্রকৃত নাম: হাসান ইবনে আলী।
• উপনাম ও উপাধি: আবু মুহাম্মদ, ইবনুর রেজা, আল-হাদী, আস-সামিত, আল-আসকারী।
• জন্ম: ৮ রবিউস সানি, ২৩২ হিজরি (আনুমানিক ৮৪৬ খ্রিষ্টাব্দ), পবিত্র মদিনা নগরীতে।
• পিতা ও মাতা: তাঁর পিতা ছিলেন দশম ইমাম হযরত আলী আল-হাদী, আন নাকী (আ.) এবং মাতা ছিলেন বিবি হুদাইস (রহ.)।
• স্ত্রী ও সন্তান: তাঁর স্ত্রী ছিলেন বিবি নারজিস এবং তাঁর একমাত্র পুত্র হলেন দ্বাদশ ইমাম হযরত মাহদী (আ.)।
🖋️ সামাররায় বাধ্যতামূলক নির্বাসন ও রাজবন্দি জীবন:
ইমাম হাসান আল-আসকারী (রা.)-এর জীবনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ঘটনা ছিল তাঁর শৈশবেই মদিনা থেকে নির্বাসন।
• প্রেক্ষাপট: তাঁর বয়স যখন মাত্র ৪ বছর (আনুমানিক ২৫০ হিজরির দিকে), তখন আব্বাসীয় শাসক আল-মুতাওয়াক্কিল তাঁর পিতা ইমাম আলী আল-হাদীকে (রা.) মদিনা থেকে বাগদাদের কাছে নবনির্মিত সামরিক শহর সামাররায় চলে আসতে বাধ্য করেন।
• কারণ: শাসক আল-মুতাওয়াক্কিল ভয় পাচ্ছিলেন যে মদিনায় থাকলে নবি পরিবারের প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন ও আনুগত্য দিন দিন গণবিদ্রোহে রূপ নিতে পারে।
• ইমামতের দায়িত্বকাল: ২৫৪ হিজরিতে পিতার ইন্তেকালের পর তিনি ইমামতের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং মাত্র ৬ বছর (২৫৪-২৬০ হিজরি) এই দায়িত্বে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এই সংক্ষিপ্ত সময়ে তাঁকে মুতাজ, মুহতাদী এবং মুতামিদ—এই তিন আব্বাসীয় শাসকের কঠোর বৈরিতা ও নজরদারির সম্মুখীন হতে হয়।
ঘটনার প্রভাব: ইমাম হাসান আল-আসকারী তাঁর জীবনের বাকি অংশ এই কড়া নজরদারির সেনানিবাসে (আসকার) কাটাতে বাধ্য হন। তিনি শাসকদের রাজবন্দি থাকা সত্ত্বেও তাঁর আধ্যাত্মিক প্রভাব সামাররার সাধারণ সৈনিক ও জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল।
🖋️ ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক অবদান:
চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি ইসলামের জ্ঞানতাত্ত্বিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে বিশাল ভূমিকা পালন করেন। তাঁর প্রধান অবদানগুলো হলো:
• তাফসিরে কুরআন ও হাদিস: তিনি পবিত্র কুরআনের একটি বিখ্যাত তাফসির সংকলন করেন, যা তাফসিরে ইমাম হাসান আসকারী নামে পরিচিত। এছাড়া ফিকাহ, আকাইদ ও নৈতিকতা বিষয়ে বহু হাদিস বর্ণনা করেছেন।
• প্রতিনিধি (উকলা) ব্যবস্থা: আব্বাসীয়দের কঠোর নজরদারির কারণে তিনি সরাসরি ভক্তদের সাথে যোগাযোগ করতে পারতেন না। এজন্য তিনি একটি শক্তিশালী গোপন প্রতিনিধি নেটওয়ার্ক তৈরি করেন, যার মাধ্যমে দূর-দূরান্তের মুসলমানদের ধর্মীয় সমস্যার সমাধান এবং জাকাত-খুমস সংগ্রহ করা হতো।
🖋️ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
তিনি অত্যন্ত বিনয়ী, ইবাদতগুজার এবং পরোপকারী ছিলেন। সমকালীন ঐতিহাসিকদের বিবরণী অনুযায়ী, তিনি দিনে রোজা রাখতেন এবং রাতে দীর্ঘ সময় মহান আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকতেন। তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য ও জ্ঞানের গভীরতায় মুগ্ধ হয়ে তাঁর চরম শত্রুরাও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাবনত হতে বাধ্য হতো।
🖋️ সামাররার ভয়াবহ অনাবৃষ্টি ও খ্রিস্টান সন্ন্যাসীর অলৌকিক ঘটনা
ইমামের জীবনকালের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক ঘটনা ছিল সামাররার তীব্র খরা ও বৃষ্টির প্রার্থনা।
• প্রেক্ষাপট: বাদশাহ আল-মুতামিদের শাসনামলে সামাররায় একবার ভয়াবহ অনাবৃষ্টি ও দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। বাদশাহর নির্দেশে মুসলমানরা বারবার 'সালাতুল ইস্তিস্কা' (বৃষ্টির নামায) আদায় করলেও কোনো বৃষ্টি হয়নি।
• সন্ন্যাসীর আগমন: এই পরিস্থিতিতে একজন খ্রিস্টান সন্ন্যাসী (রাহেব) ময়দানে এসে হাত তুলতেই অলৌকিকভাবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হয়। টানা দুই-তিন দিন এমন ঘটায় সাধারণ মুসলমানদের ঈমান টলমল হয়ে ওঠে এবং অনেকে ইসলাম ত্যাগ করার উপক্রম হয়। বাদশাহ চরম সংকটে পড়েন।
• ইমামের মধ্যস্থতা: উপায় না দেখে বাদশাহ কারাগার থেকে ইমাম হাসান আল-আসকারীকে ডেকে এনে সাহায্য চান। ইমাম সবাইকে নিয়ে ময়দানে যান এবং সন্ন্যাসীকে হাত তুলতে বলেন। সন্ন্যাসী হাত তুলতেই ইমাম তাঁর আঙুলের ফাঁকে লুকানো একটি কালো হাড় টুকরো দেখতে পান।
• রহস্য উন্মোচন: ইমাম হাড়টি কেড়ে নিয়ে বলেন, "এটি একজন নবির পবিত্র শরীরের হাড়। নবির হাড় আকাশের নিচে উন্মুক্ত করলেই আল্লাহর হুকুমে বৃষ্টি বর্ষিত হয়।" এরপর ইমাম নিজে হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায় এবং মুসলমানদের ঈমান রক্ষা পায়। এই ঘটনার পর বাদশাহ সাময়িকভাবে ইমামের ওপর থেকে কড়াকড়ি শিথিল করতে বাধ্য হন।
🖋️ বাদশাহ আল-মুহতাদীর পতন ও ইমামের অলৌকিক ভবিষ্যৎবাণী
আব্বাসীয় শাসকদের ক্ষমতার কোন্দল এবং ইমামের একটি নিখুঁত ভবিষ্যৎবাণী তৎকালীন ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
• প্রেক্ষাপট: বাদশাহ আল-মুহতাদী ইমামের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা দেখে তাঁকে চিরতরে স্তব্ধ করার জন্য কারাগারে বন্দি করেন এবং তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
• ভবিষ্যৎবাণী: ইমামের অনুসারীরা যখন তাঁর জীবন নিয়ে চরম শঙ্কিত, তখন ইমাম কারাগার থেকে একটি গোপন চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি লেখেন, "আল্লাহর কসম, পাঁচ দিনের মধ্যে এই অত্যাচারী বাদশাহ নিজেই ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হবে।"
বাস্তবায়ন: ঠিক তা-ই ঘটেছিল। তুর্কি রক্ষীবাহিনীর আকস্মিক বিদ্রোহে ঠিক পঞ্চম দিনে বাদশাহ আল-মুহতাদীকে অত্যন্ত নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং নতুন শাসক হিসেবে আল-মুতামিদ ক্ষমতায় বসেন। এই ঘটনা ইমামের দূরদর্শিতা ও আধ্যাত্মিক শক্তি উম্মাহর সামনে প্রমাণ করেছিল।
🛑 শাহাদাত ও দাফন
আব্বাসীয় শাসক মুতামিদের শাসনামলে ইমামের জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এতে শাসক মুতামিদ ভীত হয়ে পড়েন। অবশেষে তার নির্দেশে ইমাম আসকারীকে (রা.) বিষ প্রয়োগ করা হয়। দীর্ঘ যন্ত্রণার পর ৮ রবিউল আউয়াল, ২৬০ হিজরিতে (৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দ) মাত্র ২৮ বছর বয়সে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
ইরাকের সামাররা শহরে তাঁর পিতার পাশেই তাঁকে দাফন করা হয়। বর্তমানে এই পবিত্র স্থানটি আশ-শারিফাইন বা আল-আসকারী মাজার নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত, যেখানে প্রতিবছর লাখ লাখ মুসলিম জিয়ারতের জন্য সমবেত হন।
📓 তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা  “মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের কোনো ব্যক্ত...
22/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের কোনো ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রসুল এবং শেষ নবি। আল্লাহ্ সব বিষয়ে জ্ঞাত।” - সূরা আহযাব : ৪০

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা  “যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রসুলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ্ তো তাদেরকে ইহক...
21/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রসুলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ্ তো তাদেরকে ইহকালে ও পরকালে অভশপ্ত করেন এবং তাদের জন্যে প্রস্তুত রেখেছেন লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।” - সূরা আহযাব : ৫৭

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা  “হে নবি! আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রে...
20/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“হে নবি! আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি। এবং আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর দিকে আহ্বায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে।” - সূরা আহযাব : ৪৫, ৪৬

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিমইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে রবিউল আউয়াল মাস:⌛ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা🗓️ ৬ রবিউল আউয়াল: হযরত জ...
20/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যে রবিউল আউয়াল মাস:
⌛ সোনালী অতীতের কুশলী নির্মাতা
🗓️ ৬ রবিউল আউয়াল: হযরত জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি (রহ.)’র জন্মদিন।
📚 হযরত জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি, যিনি জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ বালখী, মাওলানা রুমি, মৌলভি রুমি নামে তবে শুধু মাত্র রুমি নামেও পরিচিত, ১৩শ শতাব্দীর একজন ফার্সি সুন্নি মুসলিম কবি, আইনজ্ঞ, ইসলামি ব্যক্তিত্ব, ধর্মতাত্ত্বিক, অতীন্দ্রিয়বাদী এবং সুফি ছিলেন। রুমির প্রভাব দেশের সীমানা এবং জাতিগত পরিমণ্ডল ছাড়িয়ে বিশ্বদরবারে ছড়িয়ে পড়েছে; ফার্সি, তাজাকিস্তানি, তুর্কি, গ্রিক, পশতুন, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানরা বিগত সাত শতক ধরে বেশ ভালভাবেই তার আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকারকে যথাযথভাবে সমাদৃত করে আসছে।
🟢 তাঁর ওফাত দিবস ৫ জমাদিউস সানি (ইংরেজি সন অনুযায়ী ১৭ ডিসেম্বর)।
তাঁর কবিতা সারাবিশ্বে ব্যাপকভাবে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিভিন্ন ধারায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। রুমিকে যুক্তরাষ্ট্রের “সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি” এবং “সর্বাধিক বিক্রীত কবি” হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
রুমির সাহিত্যকর্ম বেশিরভাগই ফার্সি ভাষায় রচিত হলেও তিনি অনেক স্তবক তুর্কি, আরবি এবং গ্রিক ভাষায়ও রচনা করেছেন। তার লেখা মসনবী-কে ফার্সি ভাষায় লেখা সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়। বৃহত্তর ইরান এবং বিশ্বের ফার্সি ভাষী জনগোষ্ঠী এখনও তার লেখাগুলো মূল ভাষায় ব্যাপকভাবে পড়ে থাকে। অনুবাদসমূহও খুব জনপ্রিয়, বিশেষ করে তুরস্ক, আজারবাইজান, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ এশিয়ায়। তার কবিতা ফার্সি সাহিত্যকে প্রভাবিত করেছে, শুধু তাই নয় তুর্কি সাহিত্য, উসমানীয় তুর্কি সাহিত্য, আজারবাইজানি সাহিত্য, পাঞ্জাবের কবিতা, হিন্দী সাহিত্য, উর্দু সাহিত্যকেও অনেক প্রভাবিত করেছে। এছাড়াও অন্যান্য ভাষার সাহিত্য যেমন তুর্কীয়, ইরানীয়, ইন্দো-আর্য, চাগাতাই, পশতু এবং বাংলা সাহিত্যকে প্রভাবিত করেছে। তার জীবনদর্শনের উপর শিবলী নোমানীর রচিত সাওয়ানেহে মাওলানা রূম অন্যতম।
🖋️ নাম
তাকে ইংরেজিতে “রুমি” নামে সবচেয়ে বেশি ডাকা হয়। তার পুরো নাম “জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ বালখি” বা “জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি”। বালখি এবং রুমি দুটো তার জাতিগত নাম, যথাক্রমে অর্থ “বালখ্‌” থেকে এবং “রুম” থেকে (রুম আনাতোলিয়ার ফার্সি এবং তুর্কি নাম)। রুমির নির্ভরযোগ্য জীবনীলেখক শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রাঙ্কলিন লুইসের মতে, আনাতোলিয়া উপদ্বীপ বাইজেন্টাইন বা রুম সাম্রাজ্যের অন্তর্গত ছিল যেটি পরবর্তীতে তুর্কির মুসলিমদের দখলে আসে, যেটি এখন পর্যন্ত আরব, পারস্য এবং তুর্ক নামে পরিচিত, যেটি ছিল রুম এর ভৌগোলিক এলাকা। যেখানে অনেক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব জন্মগ্রহণ করেছেন রুমি ছিলেন তাদেরই একজন। “রুমি” শব্দটি মূলত আরবিক যার অর্থ রোমান।"
তিনি "মোল্লা-ই রুম (রুমের মোল্লা) নামেও পরিচিত ছিলেন। তবে তিনি ইরানে তার উপনাম “মাওলানা” নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং তুরস্কে মেভলানা" নামে পরিচিত। মাওলানা একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হচ্ছে শিক্ষক। মৌলভী (ফার্সি) ও মেভলানা (তুর্কি) শব্দ দুটিও আরবি থেকে এসেছে, যার অর্থও শিক্ষক। এই দুটি উপনাম তার নামের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
📗 জীবনী:
রুমি ফার্সি ভাষী মাতাপিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তারা বর্তমান আফগানিস্থানের বালখের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি হয় ওয়ালখ্‌স যা বৃহৎ বালখ্‌ সাম্রাজ্যের বালখ্‌স নদীর কাছে একটি গ্রাম যেটি বর্তমানে তাজাকিস্তান, অথবা বর্তমান আফগানিস্থানের বালখ্‌ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বৃহৎ বালখ্‌ তখন ছিল ফার্সি সংস্কৃতি সুফি চর্চার কেন্দ্রবিন্দু, যা বেশ কয়েক শতাব্দী ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। রুমির পিতা ছাড়াও রুমির উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন তখনকার ফার্সি কবি আত্তার এবং সানাই। রুমি তাদের গুণগ্রাহিতা করেছেনঃ “আত্তার হচ্ছে আত্মা, সানাই হচ্ছেন তাঁর দু’চোখ, এবং এরপরে আমরা তাঁদের লাইনে এসেছিলাম” এবং আরেকটি কবিতাতে স্মৃতিচারণ করেছেন “আত্তার ভালবাসার সাতটি নগরই ভ্রমণ করেছেন আর আমি এখনও একটি গলির প্রান্তে অবস্থান করছি”। তার পৈতৃক দিক থেকে তিনি নাজিম উদ্দিন কুবরা এর বংশধর ছিলেন। তিনি তার জীবনের বেশিরভাগ সময় রুম সালাতানাত এর পারস্যতে কাটিয়েছেন। যেখানে তিনি তার কাজ রচনা করেছেন এবং ১২৭৩ ঈসায়ীতে ইন্তেকাল করেছেন। তাকে কোনিয়ায় সমাহিত করা হয় এবং সেটি এখন একটি তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে। রুমির মৃত্যুর পর তার ছেলে সুলতান ওয়ালাদ এবং তার অনুসারীরা “মৌলভী ক্রম” স্থাপন করে, এটিকে ঘূর্ণায়মান দরবেশও বলা হয়, যেটি সুফী নৃত্যে “সামা” এর জন্য বিখ্যাত। তাকে তার পিতার কাছে শায়িত করা হয় এবং তার দেহাবশেষ এ একটি জমকাল দরগাহ নির্মাণ করা হয়। শামস উদ্দিন আহমদ আফলাকী এর “মানকিব উল-আরিফিন”(১৩১৮ এবং ১৩৫৩ এর মধ্যে লেখা)তে এর বিস্তারিত রয়েছে। এই ঐতিহাসিক জীবনীগ্রন্থকে অত্যন্ত মূল্যবান বলা হয় কারণ এতে রুমি সম্পর্কে কিংবদন্তি এবং সত্য রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো এর প্রফেসর ফ্রাঙ্কলিন লুইস এর লেখা রুমি এর জীবনী গ্রন্থে ইহা সম্পর্কে আলাদা একটি অধ্যায় রয়েছে।
রুমির পিতা বাহা উদ্দিন ওয়ালাদ ছিলেন বালখ্‌ এর একজন ধর্মতাত্ত্বিক, আইনজ্ঞ, এবং একজন অতীন্দ্রিয়বাদী, যিনি রুমি এর অনুসারীদের কাছে “সুলতান আল-উলামা” নামে পরিচিত। সবচেয়ে জনপ্রিয় জীবনীগ্রন্থ লেখকদের মতে তিনি ছিলেন খলীফা আবু বক্কর এর বংশধর, যদিও আধুনিক গবেষক-পণ্ডিতরা সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন। মায়ের দিক থেকে খোয়ারিজমীয় বংশধর দাবি করা হয়েছিল রাজবংশের সাথে যুক্ত করার জন্য কিন্তু এ দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয় কালানুক্রমিক এবং ঐতিহাসিক কারণে। সবচেয়ে সম্পূর্ণ বংশতালিকা করা হয়েছে তার পরবিরারে যা ছয় থেকে সাত প্রজন্ম পর্যন্ত বিস্তৃত যেটি যুক্ত হয়েছে হানাফি ফকীহগণের সাথে। আমরা বাহা উদ্দিন এর মায়ের দিক থেকে নামের উৎস জানতে পারিনা, কিন্তু শুধুমাত্র তিনি তাকে “মামি”(ফার্সি ভাষায় মা এর চলিতরূপ) বলে উল্লেখ করেছেন এবং তিনি ছিলেন খুবই সাধারণ একজন মহিলা যিনি ১৩ শতকে বাস করেছেন। রুমি এর মা ছিলেন মুইমিনা খাতুন। তার পারিবারিক কাজ ছিল কয়েক প্রজন্ম ধরে ইসলাম ধর্মের হানাফী মাজহাবের প্রচারণা করা এবং পরিবারের এই ঐতিহ্যকে রুমি এবং সুলতান ওয়ালাদ অব্যাহত রেখেছেন। যখন মঙ্গোল মধ্য এশিয়া দ্বারা আক্রান্ত ১২১৫ এবং ১২২০ সাল এর মধ্যে, বাহা উদ্দিন ওয়ালাদ তার পুরো পরিবার এবং একদল শিষ্যসহ পশ্চিমাভিমুখে রওনা হন। ঐতিহাসিকদের মতে যেটি রুমির শিষ্যদের দ্বারা একমত না, রুমির সাথে তখন পারস্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় রহস্য কবি আত্তার এর দেখা হয় ইরানিয়ান শহর “নিশাপুর” এ। আত্তার সাথে সাথেই রুমির আধ্যাত্নিক বৈশিষ্ট্য চিনতে পেরেছিলেন। তিনি দেখতে পেলেন রুমি তার পিতার পিছনে হেঁটে যাচ্ছেন এবং বললেন, “একটি হ্রদের পিছনে একটি সমুদ্র যাচ্ছে”। তিনি বালককে একটি বই প্রদান করলেন “আসরারনামা” নামে যেটি ইহজগতে আত্মাকে জড়িয়ে ফেলা সম্বন্ধে। এই সাক্ষাত আঠারো বছরের রুমির উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে এবং পরবর্তিতে তার কাজের উৎসাহ হিসাবে কাজ করেছে। নিশাপুর থেকে ওয়ালাদ এবং তার লোকজন বাগদাদ এর দিকে রওনা হন এবং অনেক পণ্ডিত ও সুফীদের সাথে সাক্ষাত করেন। বাগদাদ থেকে হজের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং মক্কায় হজ্জ পালন করেন। এরপর অভিযাত্রী কাফেলার দলটি দামেস্ক, মালাত্যেয়া, এরজিকান, শিবাস, কায়সেরি এবং নিগদি পাড়ি দেয়। এরপর তারা কারামান এ সাত বছর থাকে। রুমির মা এবং ভাই উভয়েই সেখানে মারা যায়। ১২২৫ সালে,কারামানে রুমি বিবাহ করেন গওহর খাতুনকে। তাদের দুটো ছেলেঃ সুলতাম ওয়ালাদ এবং আলাউদ্দিন চালাবী। যখন তার স্ত্রী মারা যান রুমি পুনরায় বিবাহ করেন এবং তার এক ছেলে, আমির আলিম চালাবী ও এক মেয়ে মালাখী খাতুন। ১২২৮ সালের ১ মে, আনাতোলিয়া শাসক আলাউদ্দিন কায়কোবাদ তাদেরকে আমন্ত্রণ জানান, বাহা উদ্দিন আনাতোলিয়া আসেন এবং আনাতোলিয়া এর কোনিয়াতে চিরস্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন যেটি রুম সালাতানাত এর পশ্চিমাঞ্চল। বাহা উদ্দিন মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হন এবং যখন তিনি ইন্তিকাল করেন রুমির বয়স পঁচিশ বছর, উত্তরাধিকারসূত্রে তিনি তাঁর পিতার পদ পান একজন ইসলামিক মৌলভি হিসাবে। বাহা উদ্দিন এর একজন ছাত্র, সৈয়দ বুরহান উদ্দিন মোহাক্কিক তীরমিযি, রুমিকে শরীয়াহ এবং তরীকা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে থাকেন বিশেষ করে তার পিতার দিকগুলো। নয় বছর ধরে তিনি সুফিবাদ শিক্ষা গ্রহণ করেন বুরহান উদ্দিন এর শিষ্য হিসাবে যতদিন না তিনি মারা যান ১২৪০ বা ১২৪১ সালে। এরপর রুমির জনজীবন শুরু হয়ঃ তিনি একজন ইসলামী ফকিহ্‌ বা আইনজ্ঞ হন, ফতওয়া প্রকাশ করেন এবং কোনিয়ার মসজিদে নৈতিকতা সম্পর্কে বক্তৃতা দিতে থাকেন। তিনি মাদরাসাতে একজন মৌলভি হিসাবে কাজ করেন এবং তার অনুগামীদের শিক্ষা দেন। এই সময়কালে রুমি দামেস্ক ভ্রমণ করেন এবং বলা হয়ে থাকে তিনি সেখানে চার বছর অতিবাহিত করেন। দরবেশ শামস তাবরিজি এর সাথে সাক্ষাৎ হয় ১৫ নবেম্ভর ১২৪৪ সালে যেটি তার জীবন সম্পূর্ণরুপে বদলে দেয়। একজন সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষক এবং আইনজ্ঞ থেকে রুমি একজন সাধুতে রূপান্তরিত হন। শামস মধ্যপ্রাচ্যের সর্বত্র ভ্রমণ করে খুঁজছেন এবং বলছেন “কে আমার সঙ্গ সহ্য করিবে”। একটি কন্ঠ তাকে বলিল, “বিনিময়ে তুমি কি দিবে?” শামস উত্তর দিলেন, “আমার শির!!” কন্ঠটি আবার বলল, “তাহলে তুমি যাকে খুঁজছ সে কোনিয়ার জালাল উদ্দিন”। ১২৪৮ সালের ৫ ডিসেম্বর রাতে রুমি এবং শামস কথা বলছিলেন, এমন সময় কেউ শামসকে পিছনের দরজায় ডাকে। তিনি বের হয়ে যান এবং এরপর আর কোথাও কখনো দেখা যায়নি। গুজব শোনা যায় যে রুমির পুত্র আলাউদ্দিন এর মৌনসম্মতিতে শামসকে হত্যা করা হয়, যদি তাই হয় তাহলে শামস এই রহস্যময় বন্ধুত্বের জন্য তার মাথা দিয়েছেন।
শামস এর জন্য রুমির ভালবাসা এবং তার ইন্তিকালে শোকের প্রকাশ তিনি করেছেন “দেওয়ান-এ শামস-এ তাবরিজী” কাব্যগ্রন্থে। তিনি নিজে শামসের খোঁজে বের হয়ে গেছেন এবং দামেস্ক ভ্রমণ করেছেন। সেখানে তিনি বুঝতে পারলেনঃ
আমি কেন তাকে খুঁজব?
সে আর আমি তো একই
তাঁর অস্তিত্ব আমার মাঝে বিরাজ করে
আমি নিজেকেই খুঁজছি!
রুমি অনায়াসে গজল রচনা করতে শুরু করলেন এবং সেগুলো “দেওয়ান-ই কবির” বা দেওয়ান শামস তাবরিজীতে সংগৃহীত করা হয়। রুমি আরেকজন সঙ্গী খুঁজে পান সালাউদ্দিন-ই জারকুব, একজন স্বর্ণকার। সালাউদ্দিন এর ইন্তিকালের পর রুমির কেরাণী এবং প্রিয় ছাত্র হুসাম-এ চালাবি রুমির সঙ্গীর ভূমিকা পালন করেন। একদিন তারা কোনিয়ার বাইরে একটি আঙুরক্ষেতে বিচরণ করছিলেন তখন হুসাম রুমিকে একটা ধারণা বললেনঃ “যদি আপনি একটি বই লিখেন যেমন সানাই এর “এলাহিনামা” বা আত্তার এর “মাতিক উত-তাইর” এর মত, যেটি অনেকের সঙ্গ দেবে। তারা আপনার কাজ থেকে হৃদয়পূর্ণ করবে এবং সংগীত রচনা করবে এটিকে সহবর্তমান থাকতে। রুমি মুচকি হাসলেন এবং এক টুকরো কাগজ বের করে তার “মসনবী” এর প্রথম আঠারো লাইন লিখলেন,
বাঁশের বাঁশি যখন বাজে, তখন তোমরা মন দিয়া শোন, সে কী বলে,
সে তাহার বিরহ বেদনায় অনুতপ্ত হইয়া ক্রন্দন করিতেছে…
হুসাম রুমিকে মিনতি করতে লাগলেন আরো লিখার জন্য। রুমি তার পরের বারটি বছর আনাতোলিয়ায় তার সেরা কাজ “মসনবী” এর ছয়টি খন্ডের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। ১২৭৩ সালের ডিসেম্বর এ রুমি অসুস্থবোধ করতে লাগলেন। তিনি তার নিজের মৃত্যুর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন এবং অনেক জনপ্রিয় হওয়া একটি গজল রচনা করেন যার শুরু হয়ঃ
কীভাবে জানব কোন ধরনের রাজা আমার মধ্যে আছে আমার সহচর হিসাবে?
আমার উজ্জ্বল মুখে দৃষ্টি দিও না আমার বদ্ধ পাগুলোর জন্য।
১৭ ডিসেম্বর ১২৭৩ সালে রুমি কোনিয়ায় ওফাত লাভ করেন। তাঁকে তাঁর পিতার কাছে সমাহিত করা হয় এবং যেটি একটি চমকপ্রদ ঘর, “ইয়াসিল তুর্ব”(সবুজ সমাধি, قبه الخضراء; যা বর্তমানে মাওলানা মিউজিয়াম), তাঁর কবরের উপর দাঁড়িয়ে আছে। তাঁর সমাধিফলকে লেখাঃ
যখন আমি মৃত, পৃথিবীতে আমার সমাধি না খুঁজে, আমাকে মানুষের হৃদয়ে খুঁজে নাও।
জর্জিয়ার রাণী গুরসু খাতুন ছিলেন রুমির উৎসাহদাতা এবং কাছের বন্ধু। তিনি কোনিয়াতে রুমির সমাধি নির্মানে তহবিল প্রদান করেন। ১৩ শতকের মাওলানা মিউজিয়ামসহ তার মসজিদ, থাকার জায়গা, বিদ্যালয় এবং মৌলভিয়া তরীকার অন্যান্য ব্যক্তিদের সমাধি দেখতে আজকেও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিম-অমুসলিমরা ছুটে যান। জালাল উদ্দিন যিনি রুমি নামে পরিচিত, তিনি ছিলেন ইসলামের একজন দার্শনিক এবং মরমী। তার উপদেশ সমর্থন করে ভালবাসার মাধ্যমে অসীম পরমতসহিষ্ণুতা, ইতিবাচক যুক্তি, ধার্মিকতা, দানশীলতা এবং সচেতনতা। তিনি এবং তার শিষ্যদের কাছে সকল ধর্মই অধিক বা কম সত্য। মুসলিম, খৃষ্টান এবং ইহুদীকে একই দৃষ্টি দিয়ে দেখেছেন, তার শান্তিপূর্ণ এবং সহিষ্ণু শিক্ষাদান বা উপদেশ সকল ধর্মের মানুষের অন্তর স্পর্শ করেছে।
📓 তথ্যসূত্র: বাংলা উইকিপিডিয়া।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম   #নবিবন্দনা  #রাসূলের_মর্যাদা  “হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসুলের আনুগত্য কর এব...
20/08/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
#নবিবন্দনা #রাসূলের_মর্যাদা
“হে মু’মিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসুলের আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।” - সূরা মুহাম্মদ : ৩৩

Address

Dew Udayan, Level-12, Bus Terminal Connecting Road, Chandgaon
Chittagong
4212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maizbhandari Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Maizbhandari Academy:

Shortcuts

Share