মজার গল্পের আসর

মজার গল্পের আসর

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মজার গল্পের আসর, abubakkar0171@gmail. com, Chittagong.

14/05/2026

বাইরে তখন ঝিরঝিরে বৃষ্টি পড়ছে। জানালার কাঁচ বেয়ে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির শব্দ আর ঘরের কোণে জ্বলতে থাকা মৃদু আলো—সব মিলিয়ে এক অপার্থিব নিস্তব্ধতা। নাবিলা লাল বেনারসি পরে বিছানার এক কোণে জড়সড় হয়ে বসে আছে। তার হাতের মেহেদির গন্ধ সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে।
​দরজা খোলার শব্দে নাবিলার হৃৎস্পন্দন যেন আরও বেড়ে গেল। আরিয়ান ভেতরে এসে দরজাটা আলতো করে আটকে দিল। কিছুক্ষণ দুজনের মধ্যেই এক অদ্ভুত নীরবতা। আরিয়ান ধীর পায়ে এগিয়ে এসে নাবিলা আর তার মাঝখানের দূরত্বটুকু কমিয়ে বসল।
​সে আলতো করে নাবিলার ঘোমটাটা সরিয়ে দিতেই দুজনের চোখাচুখি হলো। নাবিলা লজ্জায় দৃষ্টি নামিয়ে নিল। আরিয়ান তার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে খুব নিচু স্বরে বলল—
​"জানো, এই দিনটার জন্য আমি কতরাত অপেক্ষা করেছি? মনে হচ্ছে আজ যেন পৃথিবীর সবটুকু সুখ আমার এই চার দেয়ালের ভেতর বন্দী হয়ে আছে।"
​নাবিলা শুধু একটু হাসল, যে হাসিতে মিশে ছিল হাজারো না বলা কথা। আরিয়ান পকেট থেকে একটা নীল রঙের ছোট্ট খাম বের করল। নাবিলা অবাক হয়ে তাকালো।
​"এটা কী?" নাবিলা জিজ্ঞেস করল।
​"এটা আমাদের আগামীর দিনগুলোর জন্য একটা ওয়াদা। এখানে লেখা আছে, পরিস্থিতি যাই হোক, আমি সবসময় তোমার হাতটা এভাবেই শক্ত করে ধরে রাখব," আরিয়ানের কণ্ঠে ছিল এক গভীর নিশ্চয়তা।
​নাবিলা অনুভব করল, তার এতক্ষণের ভয় আর সংকোচ যেন এক নিমেষে উধাও হয়ে গেছে। সে বুঝতে পারল, জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সে এক বিশ্বস্ত সহযাত্রী পেয়েছে। জানালার বাইরে বৃষ্টির শব্দ আর ভেতরে দুজনে মিলে দেখা হাজারো স্বপ্নের বুনন—এভাবেই শুরু হলো এক নতুন ভালোবাসার গল্প।
​গল্পের এই আবহ আপনার কেমন লাগলো?

​ #বাসর_রাত
​ #ভালোবাসার_গল্প
​ #নতুন_জীবন
​ #হৃদয়ের_নীল_খাম
​ #রোমান্টিক_মুহূর্ত
​ #প্রথম_দেখা
​ #বৃষ্টির_রাত
​ #বাঙালি_বিয়ে






Photos from মজার গল্পের আসর's post 11/05/2026

একটি স্নিগ্ধ বিকেলের মিষ্টি প্রেমের গল্প নিচে দেওয়া হলো:
​নীল খাম আর কদম ফুল
​শহরের এক কোণে ছোট্ট একটা কফি শপ। বাইরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি পড়ছে। অয়ন জানালার ধারের টেবিলে বসে কফিতে চুমুক দিচ্ছিল। ঠিক সেই সময় দরজার বেলটা বেজে উঠল, আর ভেতরে ঢুকল মেঘলা। ভেজা ছাতাটা একপাশে রেখে সে যখন চুলগুলো ঝাড়ছিল, অয়ন মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিল।
​অয়ন আর মেঘলা একই অফিসে কাজ করে, কিন্তু কেউ কাউকে মনের কথা বলার সাহস পায়নি কোনোদিন। অয়ন একটু লাজুক স্বভাবের, আর মেঘলা চঞ্চল হলেও এই বিষয়ে বেশ গম্ভীর।
​হঠাৎ মেঘলা অয়নের টেবিলের সামনে এসে দাঁড়াল।
— "একাই কফি খাচ্ছেন? পাশে বসা যাবে?"
​অয়ন অপ্রস্তুত হয়ে হাসল। "অবশ্যই, বসুন।"
​বাইরে বৃষ্টি আরও বাড়ছে। মেঘলা ব্যাগ থেকে একটা নীল রঙের খাম বের করে অয়নের সামনে রাখল।
— "এটা আপনার জন্য। তবে একটা শর্ত আছে।"
— "কী শর্ত?" অয়ন অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল।
— "বাসায় গিয়ে পড়বেন। এখন নয়।"
​অয়ন সারাটা রাস্তা বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাড়ি ফিরল। তার মনে কেবল একটাই প্রশ্ন— কী আছে ওই নীল খামে? ঘরে ফিরে জামাকাপড় বদলে সে খামটা খুলল। ভেতরে কোনো চিঠি ছিল না, ছিল একটা শুকনো কদম ফুল আর ছোট একটা চিরকুট। তাতে লেখা:
​"সব কথা কি মুখ ফুটে বলতে হয়? কিছু কথা বৃষ্টির শব্দের মতো বুঝে নিতে হয়। সামনের রিকশায় আমি আপনার অপেক্ষায় থাকব, যদি আপনি রাজি থাকেন।"
​অয়ন জানালার বাইরে তাকিয়ে দেখল, সত্যিই একটা রিকশা দাঁড়িয়ে আছে। বৃষ্টিতে ভেজা সেই রিকশায় নীল শাড়ি পরে মেঘলা হাসিমুখে বসে আছে। অয়ন আর এক মুহূর্তও দেরি করল না। রেইনকোটটা ফেলে দিয়েই সে দৌড়ে নিচে নেমে গেল।
​সেই বিকেলে বৃষ্টির ধারায় শুরু হলো এক নতুন গল্প, যেখানে কোনো শব্দের প্রয়োজন ছিল না; শুধু ছিল একরাশ নীরব ভালোবাসা।
​গল্পটি কেমন লাগলো? কমেন্ট করে জানান।

11/05/2026

বাসর রাত! প্রিয় নারীকে বিয়ে করে ফেলছি! সবাই কে বিদায় দিয়া রাত ২ টায় নিজের রুমে ঢুকলাম, দরজা টা আটকানো মাত্রই প্রিয় নারী পিছন থেকে আইসা জড়াইয়া ধরলো! জড়াইয়া ধরার পর আর ছাড়েনা! 'পাইলাম আমি ইহাকে পাইলাম' টাইপের মুহুর্ত!

মানুষ বাসর রাতে বউয়ের ঘোমটা উল্টাইয়া বউয়ের চেহারা দেখে, আমি এই সুযোগ পাইলাম না! আমি বউ রে জড়াইয়া ধরার আগেই আমার বউ আমাকে জড়াইয়া ধরে ফেললো! প্রিয় নারী কে বিয়ে করলে যা হয় আরকি!
একটু ঢং করতে যাবো আর ওমনি বলে উঠলো 'উফফ! আর ভাল্লাগতেছে না! মানুষজন এমন কেনো? বাসর রাত ও করতে এসেও দুইটা বেজে গেলো! যাই হোক, বিরক্ত লাগতেছে! আমাকে তাড়াতাড়ি আনবক্সিং করো!'

আমি একটু দুষ্ট লুক দিলাম! সে বুঝে গেলো! অন্তরের মিল থাকলে এই এক সুবিধা! চোখের ইশারা তেই সব বুঝে ফেলা যায়!
সে বলে উঠলো 'বুঝছি! এখন থেকে আমি এমনেই তোমার! আর নষ্ট লুক দেওয়া লাগবে না! আমার পিন গুলা খোলো। তারপর মেকাপ গুলা উঠাবো৷ আসো আসো হেল্প করো!'

আমি তার আরো কাছে গেলাম! সেইইই 'পরিচিত স্মেল!' শুরু থেকেই মেয়েটার সাথে দেখা করতে গেলে তার পারফিউম এর ঘ্রাণ পুরো এলাকা হয়ে যেতো মনে হয়! সেই ঘ্রাণ এখন আমার রুমে লাগতেছে!
সে যদিও বারবার বলে 'কই? আমার তো লাগেনা!'
কিন্তু আমার নাকে ঘ্রাণ লাগে! ভালোবাসার মানুষের একটা আলাদা স্মেল থাকে,এইটা সবাই টের পায়না!

আমি একটা একটা করে পিন খুলতেছি আর আয়নায় তাকে দেখতেছি! নিজের বিশ্বাস হচ্ছেনা! একটা পরী আমার সামনে বইসা আছে!

আমি পরী আনবক্সিং করতেছি! পরীইইইইইইই!!❤️

01/05/2026

ছাত্রীকে পড়াইতে এসে শুনতেছি,😑

সে নাকি আমার কাছেই পড়তে গেছে কোচিং সেন্টারে! আমি আবার কোচিং সেন্টার কবে খুললাম? পুরো বিষয় বুঝে উঠার আগে আমার ফোনে সেই ছাত্রীর ফোন আসলো। আমি ছাত্রীর আম্মুর সামনে ফোন রিসিভ করে লাউডস্পিকারে দিলাম। ছাত্রী আমাকে বলছে, "স্যার, আজকে পড়াইতে আইসেন না! আমি আর আমার আম্মু আজকে নানুর বাসায় আসছি।

অথচ আমার ছাত্রীর আম্মু এখনো আমার সামনেই দাড়াইয়া আছে...!🥴

01/05/2026

বন্ধুর মৃতদেহ/লাশ নিয়ে এম্বুলেন্সে গ্রামে যাচ্ছি। সময় কাটাতে মোবাইল বের করলাম। মোবাইলে একটা মেসেজ এসেছে। মৃত বন্ধুকে সামনে রেখে মেসেজ সিন করলাম।

মেসেজ করেছে অবন্তী।
চেক করে দেখি নাম্বারে প্রায় ১০/১২ টা মেসেজ করেছে। সম্ভবত মেসেজের শব্দ সংখ্যার লিমিটের কারণে বারবার মেসেজ করেছে।
আমি সবগুলো একসঙ্গে পড়লাম,

ফাহাদ...
মাফ করে দিও৷ যে বাবার চোখের দিকে তাকিয়ে কোনোদিন কথা বলতে পারিনি। সেই বাবা যখন অসহায়ের মতো আমার সামনে দুটো হাতজোড় করে কান্না করলো তখন বাবার সেই ভালোবাসার কাছে তোমার আমার ভালোবাসা হার মেনেছে। আজ ১১ দিন ধরে আমি অন্য মানুষের স্ত্রী। সারাজীবনের জন্য তোমার কাছ থেকে আলাদা হয়ে গেলাম।
কথা দিয়েছিলাম জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তোমার সঙ্গে থাকবো। আমাদের সন্তান হবে, একসাথে হাসবো কাঁদবো গোটা জীবন পার করবো। কিন্তু হলো না। শেষ, সব শেষ।
আমার সবসময় ভয় হতো তুমি হয়তো আমাকে কষ্ট দেবে। হয়তো আমাকে ছেড়ে অন্য কাউকে বিয়ে করবে। অথচ দেখো, আমি নিজেই তোমাকে কষ্ট দিলাম। আমি নিজেই তোমাকে ছেড়ে অন্য কাউকে বিয়ে করে নিলাম।
তোমার কি মনে আছে, যখনই আমি কাঁদতে কাঁদতে তোমাকে বলতাম,
" আমাকে ছেড়ে যাবে না তো কোনদিন? "
তুমি হাসতে হাসতে বলতে,
"আমি কোনদিন যাবো না অবন্তী, কিন্তু তুমি হয়তো চলে যাবে। "

তখন আমি রাগ করতাম। কারণ আমি তো তোমায় পাগলের মতো ভালোবাসতাম। তুমি নেই এরকম একটা পৃথিবী আমি কল্পনা করতে পারতাম না। অথচ আজ অন্য কেউ আমার স্বামী। রোজ তার সাথে আমাকে ঘুমাতে হয়। সকাল বেলা চোখ মেলে তাকিয়ে তার মুখটাই দেখতে হয়। তার জন্য যত্ন করে রান্না করি।

মানুষের জীবন এমন কেন?
যে যাকে চায়,
যদি তাকে পায়,
প্রকৃতির তাতে কি আসে যায়?
কেন প্রকৃতি তাদের কদায়?

হুট করেই সবকিছু ঠিকঠাক হয়েছিল। আমি তাই ইচ্ছে করেই তোমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করেছি। নাম্বারটা বন্ধ করলাম। বিয়ের দিন ভাইয়ার মোবাইল দিয়ে ফেসবুকের আইডি ডিলিট করলাম। তুমি কষ্ট পেয়েছ জানি, যার সঙ্গে সারাজীবন সুখে দুঃখে কাটাবো ভেবেছিলাম, তাকেই কষ্ট দিলাম।
আমার পরিবারে সবাই খুব খুশি। আমার স্বামী মানুষটাও খুব ভালো। এখন পর্যন্ত ভালোই মনে হচ্ছে আমার কাছে। ভবিষ্যতে কি হবে জানি না।
তোমার কি আমাদের সেই প্রথম দেখা করার কথা মনে আছে? সেটাই প্রথম ছিল, আর ওটাই যে শেষ দেখা হবে কোনদিন তো ভাবিনি। আসলে মানুষের চিন্তার বাহিরেও তো কতকিছু ঘটে তাই না। সেদিন তোমার সাথে তিন ঘন্টা ছিলাম ? অথচ তিন ঘন্টার মধ্যে আমরা কেউ কাউকে স্পর্শ করলাম না। কিন্তু যখন আমাকে রিকশায় তুলে দিয়ে তুমি তোমার হাতটা বাড়িয়ে দিলে। তখন প্রথম তোমার হাতটা স্পর্শ করলাম। বিশ্বাস করো সেদিন আমার কিছুতেই ছাড়তে ইচ্ছে করছিল না।
রিকশা ছেড়ে দিল, আমিও ছেড়ে দিলাম তোমার হাতটা। আমার ভালোবাসা, আমার স্বপ্ন। আমার সবচেয়ে ভালো মুহূর্ত। আমার চিরস্মরণীয় মুহূর্ত।
তোমার ঘরে আমার জন্য কিনে রাখা শাড়িগুলো নিশ্চয়ই এখনো আছে। আমি তো এখন তোমার নেই। ওই শাড়িগুলো কি আমি পাবো? তুমি তো যখনই পছন্দ হতো কিনে রেখে দিতে আমি বলতাম বিয়ের পরে সবগুলো একসঙ্গে নেবো। বিয়ে হলো আমার। আজ আমি বিবাহিতা, কিন্তু স্বামী তুমি নয়। এমন স্বপ্ন তো দেখিনি কোনোদিন।
একটা অনুরোধ করি।
নিজের পছন্দের একটা মেয়ে বিয়ে করে নিও৷ তারপর সবগুলো শাড়ি তাকে দিয়ে দিও। মেয়েরা শাড়ি কতটা পছন্দ করে তুমি কি জানো? তোমার স্ত্রীকে যখন দিবে তখন উপলব্ধি করে নিও৷

তোমার সাথে অনলাইনে পরিচয়। সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ জীবনে আর কোনদিন অনলাইনে যাবো না। নাম্বারটাও চিরদিনের জন্য বন্ধ করে দেবো। আজকের পর থেকে আমাদের আর কোনদিন কথা হবে না।
তোমার কাছে একটা অনুরোধ করি। যদি আমাদের কখনো চলার পথে দেখা হয়ে যায় তাহলে প্লিজ অচেনা হয়ে চলে যেও। তোমাকে দেখে আমি নিজেকে সামলাতে পারবো না।

নিজের যত্ন নিও।
জীবন গুছিয়ে নিও।
জীবন তো একটাই।
তুমি ভালো থেকো, আমি ভালো নেই।

~~ অবন্তী

সবগুলো মেসেজ একত্রে পড়লাম। অবন্তী ফাহাদের ভালোবাসা ছিল। সেই ফাহাদ, যে আমার সামনে কফিনের মধ্যে চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে আছে। অবন্তী যখন পরপর পাঁচদিন অনলাইনে আসেনি। কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি, তখন এক রাতে অফিস থেকে ফিরে রাগ করে মোবাইল আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেলে৷
ভাঙ্গা মোবাইল আর ঠিক হলো না। ফাহাদ তার সিমটা আমার মোবাইলে চালু করলো। জরুরি কল এলে আমি ফাহাদকে দিতাম। ফাহাদ রাগ করে বললো যে অবন্তী যেদিন যোগাযোগ করবে সেদিন নতুন মোবাইল কিনবে। তার আগে নয়।

মোবাইল ভাঙ্গার দুদিন পরে ফাহাদের প্রচন্ড জ্বর এলো। অফিস থেকে বৃষ্টিতে ভিজে বাসায় ফেরার ফল। সচারাচর এমন জ্বর আসে না। জ্বরের আতঙ্কে একদিনের মধ্যেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করলাম। কিন্তু ডাক্তার পরীক্ষা করে বললো ফাহাদের ডেঙ্গুজ্বর হয়েছে। তবে চিন্তার কিছু নাই। কিছুদিন যদি পর্যবেক্ষণে থাকে তাহলে সুস্থ হয়ে যাবে।

ডাক্তারের কথা বিশ্বাস করেছিলাম। কিন্তু ডাক্তার তো সবকিছুর খবর জানেন না। যিনি জানেন তিনি হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তা। তিনি ফাহাদের এই জ্বরকেই মৃত্যুর উছিলা করলেন। যেই ডাক্তার বলেছিলেন চিন্তার কিছু নাই, সেই ডাক্তার নিজেই আজ সকালে ফাহাদকে মৃত ঘোষণা করলেন। শেষ, একটা জীবন পৃথিবী থেকে বিদায় নিল।

ফাহাদের আর জানা হলো না অবন্তীর বিয়ের কথা। জানলে কষ্ট পেত। না জেনেই না ফেরার দেশে হারিয়ে গেল।
আমি মোবাইল হাতে নিয়ে অনেক ভেবে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, অবন্তীকেও ফাহাদের মৃত্যুর খবর জানাবো না। অবন্তী যদি সত্যি সত্যি আর অনলাইনে না আসে আর পুরনো সিমটা ব্যবহার না করে। তাহলে ফাহাদের মৃত্যুর খবর সে জানবে না। কি লাভ সদ্য সংসার জীবন শুরু করা ওই মেয়েটাকে কষ্ট দিয়ে।
বরং সে ভাবুক ফাহাদও হয়তো ভালো আছে। কোনো একদিন শাড়ি পরতে গিয়ে অবন্তী হয়তো মনে মনে ফাহাদের কথা চিন্তা করবে। সে ভাববে ফাহাদের কেনা সবগুলো শাড়ি বোধহয় তার স্ত্রী পরে রোজ ফাহাদের সামনে আসে। কিন্তু ফাহাদ সাদা কাফন পরে কবরে যাবার খবরটা নাহয় তার অজানা থাকুক।
সবকিছু সবার জানতে নেই।

আমি ফাহাদের সিম থেকে অবন্তীর নাম্বারে একটা মেসেজ দিলাম,
" আমার জন্য ভেবো না। স্বামীর সঙ্গে মানিয়ে নেবার চেষ্টা করো। বিবাহ বন্ধন সবচেয়ে বড় একটা বন্ধন। ভালো থেকো আমার ভালোবাসা। "

অবন্তী রিপ্লাই দিলো,
" এতো সহজে ক্ষমা করার জন্য ধন্যবাদ। আর মেসেজ দিও না। বিদায়, চিরবিদায়। "

মোবাইল পকেটে রাখলাম। এম্বুলেন্স ততক্ষণে ফাহাদদের বাড়ির সামনে এসে গেছে। ফাহাদকে নেবার জন্য তার আত্মীয় স্বজনরা সবাই দাঁড়িয়ে আছে। চারিদিকে আত্মীয় স্বজনের কান্নার আহাজারি। তাকে নামালে কিছুক্ষণের মধ্যে সবকিছু অন্যরকম হয়ে যাবে। আমি ফাহাদের দেহটা স্পর্শ করে বিড়বিড় করে বললাম,

" এটাই শেষ ফাহাদ। জীবনে কতবার আমরা একসঙ্গে ভ্রমণ করেছি তার হিসেব নেই। তোর সঙ্গে আর কোনোদিন একই গাড়িতে চড়ে ভ্রমণ করা হবে না। আজই তোর আমার একসঙ্গে ভ্রমণের শেষ দিন। বহুদিন ধরে একসঙ্গে পথচলার সমাপ্তি করে তোকে আজ বিদায় দিলাম। বিদায় বন্ধু বিদায়। "

সমাপ্ত।

গল্পটা প্রথম লেখা ২০২২ সালে!
আজ আবার রিপোস্ট করলাম।
যদি ভালো লাগে তাহলে শেয়ার দিয়ে আপনার পরিচিত বন্ধুদের পড়ার সুযোগ দিয়েন।

মো: সাইফুল ইসলাম (সজীব)
(কপি)

29/04/2026

মাঝেমধ্যে এক্সের সাথে কথা হত।

একদিন সে নক দিয়ে বলে,"

এক্সঃ আমার স্বামী ব্যবসার কাজে কুমিল্লা গেছে, বাসায় কেউ নাই। তুমি আসো।"

আমিঃ " তোমার স্বামী যদি ফিরে আসে এর মধ্যে?"

এক্সঃ " আরে আসবে না। আর আসলে তুমি একটা ন্যাকড়া নিয়ে দরজা জানালা মুছতে থাকবা। আর আমি ওকে বলব তুমি ক্লিনিং কোম্পানী থেকে আসছো, বাসা পরিস্কার করতে। এমনিতেও ঈদ সামনে। "
আমিঃ " আচ্ছা ঠিকাছে, আসতেছি। "

কি অদ্ভুত! আমি যাওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যেই ওর স্বামী এসে হাজির। কি আর করা! জানালার গ্লাস মুছতে শুরু করলাম।
গ্রীল পরিস্কার করলাম।
সবগুলা জানালা দরজা পরিস্কার করলাম।
রান্নাঘরের চিপাচাপা পরিস্কার করলাম।
বাথরুম সাফ করলাম।
ফ্যান মুছলাম, ফার্নিচার মুছলাম।
৪-৫ ঘন্টার মধ্যে তাদের পুরা বাড়ি পরিস্কার ঝকঝকা করে দিলাম। সে আর তার স্বামী মিলে সারাক্ষণ এটা সেটা ইন্সট্রাকশন দিয়ে গেলো।
পরিস্কার করা শেষ হলে তার স্বামী জিজ্ঞাসা করল, "আপনার বিল কত হয়েছে?"
সে আগ বাড়িয়ে উত্তর দিল," জানু আমি তো আগেই বিকাশ পেমেন্ট করে দিসি। তারপর ওরা লোক পাঠাইসে। "
" ও আচ্ছা." বলে ওর স্বামী আমাকে হাতে ১০০ টাকা বখশিশ্ দিয়ে দিলো।
সাথে সাথে আমি ঘর থেকে বের হয়ে আসলাম!!
বের হতে না হতেই তাদের
হাততালির শব্দ শুনতে পারলাম!!
বুঝতে আর বাকি রইলো না,,,
সব তাদের প্লান করা ছিলো!!!
আমি বাসায় চলে আসলাম।
ঢাকা শহরে কাজের লোক পাওয়া আজকাল এতোই কঠিন‌‌!!

29/04/2026

ঘুম থেকে উঠেই দেখি আম্মু রান্না নিয়ে লাফালাফি করতেছে।
জিজ্ঞেস করলাম, "কে আসবো?
বললো, "তোরে দেখতে আসতেছে। ঘরটর গোছা সুন্দর কইরা।"

আমি প্রথমে আমার রুমে আইসা আয়নার দিকে তাকায় একটু মুচকি হাসলাম, অতঃপর কাজে লেগে গেলাম।😃

সব কাজ ডান্ এখন গোসল সেরে বসে আছি আর আম্মুরে চি'ল্লা'য় জিজ্ঞেস করছি, "আম্মা ছ্যা'ড়া কি করে গো?
আম্মুঃ কোন ছ্যা'ড়া?🤣
আমিঃ তুমি না কইলা দেখতে আসতাছে!

আম্মুঃ তোর নানিরা আসতাছে, তোর আব্বু দাওয়াত দিছে। তখন বললে তো একটা কাজও করতি না, শিখ কেমনে পোলাপান দিয়া কাজ করাইতে হয় ভবিষ্যতে কামে দিবো

গাইস এখন বুঝতেছি না হাসবো নাকি কাঁ'দ'বো!🤣

19/03/2026

হ্যালো বন্ধুরা আড্ডা দেওয়ার মত কেউ জেগে আছো?

20/02/2026

তুমি আমার হয়ে থেকো, কথা দিলাম মরার আগ পর্যন্ত হাত ছাড়বো না

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Abubakkar0171@gmail. Com
Chittagong
4000