আমাদের মিরসরাই

আমাদের মিরসরাই Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আমাদের মিরসরাই, Education, Chittagong.

07/06/2017

ভার্সিটি লাইফের প্রথম ক্লাসে
তোমার বাবা কি করে...........?

জি ম্যাম! মেডিসিন স্পেশালিষ্ট। অ
আচ্ছা! স্যারকে আমার সালাম দিও৷ .
নেক্সট, তোমার বাবা কি
করে?
জি ম্যাম! ভার্সিটির অধ্যাপক।
>কোন ডিপার্টমেন্ট?নাম কি?
>জি ম্যাম ৷ফিন্যান্স৷প্রফেসর ড. রফিক
চৌধুরী৷
তুমি রফিক স্যারের মেয়ে৷স্যারকে আমার
কথা বলো৷
তারপর তোমার বাবা কি করে? ছেলেটা
একটু মাথা নিচু করে রিপ্লাই দেয়, জি
ম্যাম, বাবা গ্রামের নদীতে মাছ ধরে৷
অ অ................
সেই প্রথম দিনের এই পরিচয় এর পর থেকে
স্যার ম্যামদের মাথায় একটা জিনিস সেট
হয়ে যায় ..কার বাবা ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার
বা উচ্চপদস্থ কেউ। এর পর থেকে প্রতি
ক্লাস, কার্ড টার্ম বা ভাইবা,
প্রেসেন্টেশন এমনকি সেমিস্টার
ফাইনালেও তাদের একটা এক্সট্রা
প্রায়োরিটি দেয়া হয়..........……… .
অজপাড়া গায়ের ক্ষেত থেকে উঠে আসা
ছেলেটা মেধার
জোরে এগিয়ে থাকলেও
বাবার জোরে অনেকটা
পিছিয়ে পড়ে৷
আমি ......
কোনদিন যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক
হই তাহলে অই তিন নম্বর এর ছেলেটিকে
কানের ঠিক দুই ইঞ্চি নিচে একটা থাপ্পর
লাগিয়ে বলবঃশালা! মাথা নিচু করে বলস
কেন বাবা নদীতে মাছ ধরে?
সবার সামনে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে
বল,বাবা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নদীতে
মাছ ধরে তার সন্তানকে দেশের সেরা
প্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছে।
,
মাথা উঁচু করে বল, তোর বাবা নদীতে মাছ
ধরে
তোকে এই জায়গায় পড়াচ্ছে। I m proud of my
father....
তোমাকে অই ছোট ভার্সিটির লেকচারার
হবার দরকার নেই। তুমি অক্সফোর্ডের
লেকচারার হবা। .
তোমাকে অই ছোট্ট মেডিকেল কলেজের
ছোট্ট একটা জবের জন্য লড়াই করতে হবে
না। তুমি সিঙাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ
কর্তব্যরত চিকিৎসক এর দায়িত্ব নিবা।
ক্ষেত থেকে উঠে এসে আকাশ ছোয়ার
দৃষ্টান্ত এই দেশে একটা দুইটা না,
হাজারটা।
কাউকে ছোট করে দেখলে
সে ছোট হয়ে যায় না, যে ছোট করে দেখে
সে ছোট হয়ে যায়। আমাদের পকেটের
ব্যসার্ধ বড় করার চেয়ে মনের ব্যসার্ধ বড়
করাটা অনেক জরুরী.........কপি.....

06/06/2017

কৃষকের ইন্টারভিউ:::
উপস্থাপকঃ আপনি ছাগলরে কি খাওয়ান??
কৃষকঃ কোনটারে? কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালোটারে...
কৃষকঃ ঘাস...
উপস্থাপকঃ আর সাদা??
কৃষকঃ ওইটারেও ঘাসই খাওয়াই...
উপস্থাপকঃ ও!! আচ্ছা, এগুলিরে কই বাইন্ধা রাখেন??
কৃষকঃ কোনটা?? কালোটা না সাদাটা??
উপস্থাপকঃ সাদা...
কৃষকঃ ওইপাশে বাইরের ঘরে বাইন্ধা রাখি।
উপস্থাপকঃ আর কালোটা?
কৃষকঃ ওইটারেও বাইরের ঘরেই বান্ধি...
উপস্থাপকঃ আর গোসল করান কিভাবে?
কৃষকঃ কালো না সাদা??
উপস্থাপকঃ কালো...
কৃষকঃ পানি দিয়া।
উপস্থাপকঃ আর সাদাটা??
কৃষকঃ ওইটারেও পানি দিয়াই করাই...
উপস্থাপকঃ (চরম ক্ষিপ্ত): হা...!! সব কিছু যখন একই রকম করস তাইলে বার বার জিগাস ক্যান “কালা না সাদা”???
কৃষকঃ কারণ সাদা ছাগলটা আমার...
উপস্থাপকঃ ও!! আর কালোটা??
কৃষকঃ ওইটাও আমার ! ! ! ! ! !

06/06/2017

কবর কবিতার নতুন ভার্সন,

এইখানে মোর বউ এর কবর
কচু গাছের তলে,
কয়দিন আগে মরিয়াছে সে
পাখি` জামা দেইনি বলে!
এতটুকু তারে বুঝাতে পারিনি
পাখি জামা ভালো না,
পাখি জামা কিনে না দিলে সে
গলায় পেচাবে ওড়না!
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিয়া
ভেবে হইতাম সারা,
সব জেলাতে স্টার-জলসা
ছড়াইয়া দিল কারা?
আঁচল নাটকের গীতার মত
আমায় মারিতো ঝাড়ি,
কাঁচা বাধিয়া দৌড় দিতাম মুই,
গাঁয়ের ওই পথ ধরি!
কত যে বলিতাম, ছেড়ে দে আমায়,
sorry বলিতাম কত শত,
এইসব দেখিয়া বাল্য বন্ধুরা
তামাশা করিত কত!
বাপের বাড়িতে যাইবার কালে
কহিত ধরিয়া "পাঁয়ে!
পাখি জামা লইয়া যাইও কিন্তু
শশুর বাড়ির "গাঁয়ে!
গাঁয়ের হাটে মরিচ বেচিতাম
৫০টাকা কেজি,
৫০০"টাকার বাঙ্গালী
শাড়ী নিতে কখনো হত না দেরি!
এইখানে মোর "মেঝ শালি" ঘুমায়
এইখানে "ছোট শালি,
কী আর কমু, পাখি জামা না পাইয়া
কত যে দিত, মোরে গালি!
এত আদরের শালিরা আমার
ভালবাসিতাম কত,
পাখি জামা' কিনে দিতাম না বলে
আমায় ঝাটা' মারিত কত শত!
একদিন গেনু মুরগীর হাটে
তাদের রাখিয়া ঘরে,
ফিরে এসে দেখি, মোর দুই শালি"
লুটায়, কচু গাছের ধারে!
সেই ঝাল মুখ মরিচের মত
সকলি তেমন আছে,
কী জানি আবার কোন পাখির ডাকে,
শালিরা আমার চলে গেছে!
এই খানে মোর শাশুড়ি ঘুমায়,
শশুর কে একা ফেলি,
বিষ খাইয়া মরিয়াছে সে
'আঁচল শাড়ী আঁচল শাড়ী' করি!
সেই ফাল্গুনে, শাশুড়ি কহিল আমায়
ডাকিয়া আস্তে করি,
বা-জান আমারে কিনা দিবা আজ
আঁচল ওয়ালা শাড়ী!
ঠেলাগাড়িতে লইয়া...
শাশুড়িকে চলিলাম যবে দোকানে,
আঁচল শাড়ী না পাইয়া বিষ পানে
মরিলেন শাশুড়ি সেখানে।
এমনি করিয়া বিদায় নিলো
শশুরের পরিবার,
স্টার-জলসা নষ্ট করলো সবার
সাজানো গোছানো সংসার!
(কবর কবিতার ডিজিটাল ভার্সন)
-(সংগৃহিত ও পরিমার্জিত)

01/06/2017

সাদা পোশাকের কেউ গ্রেফতার করতে চাইলে যা করণীয়
,
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাদাপোশাকধারী সদস্য কর্তৃক গ্রেফতারের ঘটনা ঘটছে প্রায় । এ তৈরি হচ্ছে নানা ধ্রুমজাল। আপনি যদি এমন পরিস্থিতির শিকার হন তাহলে কী করবেন? এ অবস্থায় কী করার আছে আপনার? আপনার কি কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিকার পাওয়া সম্ভব কিংবা কীভাবে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন?
,
এমন পরিস্থিতির শিকার হলে
প্রথমেই মনে রাখতে হবে দেশের একজন নাগরিক হিসেবে আপনার জানার অধিকার রয়েছে কেন, কী কারণে আপনাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তাই প্রথমেই জানতে চাইতে হবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগটি কী? অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তাদের পরিচয় জানতে চাইবেন এবং তাদের পরিচয়পত্র দেখতে চাইবেন। একা একা কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দিন। প্রয়োজনে আশপাশের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীদের খবর দিন এবং যত পারা যায় লোকজন জড়ো করার চেষ্টা করুন। আপনার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে কি না, তা দেখতে চাইবেন। যদি তারা আপনাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে চায়, তাহলে আপনি একা তাদের সঙ্গে যাবেন না বলে তাদের জানিয়ে দেন এবং পরিবারের দু-একজনকে সঙ্গে নেবেন বলে তাদের জানান। প্রয়োজনে নিকটস্থ থানায় ফোন করে আপনার গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান। এবং থানা এ সম্পর্কে অবগত অছে কি না, তা জানার চেষ্টা করুন। আপনার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ দেখাতে না পারলে আপনাকে হয়তো ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের কথা বলতে পারে। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার নিয়ে ২০১৬ সালের ২৪ মে আপিল বিভাগ রায় দিয়েছেন এবং কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, যা ১০ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে পূর্ণাঙ্গ রায় হিসেবে প্রকাশিত হয়।
,
আপিল বিভাগের নির্দেশনাআপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে বাধ্য থাকবে এবং পুলিশের পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে। গ্রেপ্তারের স্থান ও সময় ব্যক্তির স্বাক্ষরসহ গ্রেপ্তারের পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ বিষয়ে একটি মেমোরেন্ডাম তৈরি করবেন। গ্রেপ্তারের সময় ও স্থান এবং আটক রাখার জায়গা গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির আত্মীয়কে জানাতে হবে। আত্মীয়স্বজন না পেলে ব্যক্তির নির্দেশনা মেনে তাঁর বন্ধুকে জানাতে হবে। এ জন্য সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা সময় পাওয়া যাবে। কোন যুক্তিতে, কার তথ্যে বা অভিযোগে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ঠিকানাসহ তা কেস ডায়েরিতে লিখতে হবে, আটক ব্যক্তি কোন কর্মকর্তার তদারকিতে রয়েছেন, তাও উল্লেখ করতে হবে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা যাবে না। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে কোনো আঘাত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে তা রেকর্ড করে চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের কাছ থেকে সনদ নিতে হবে।
,
জামিনের জন্য চেষ্টা করতে হবে গ্রেপ্তার হলে গ্রেপ্তারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চালান দেবেন। ২৪ ঘণ্টা সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর কোনো অবস্থাতেই ( ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ ছাড়া) পুলিশ আপনাকে আটক রাখতে পারবে না। এ সময় পুলিশ আপনাকে গুরুতর কোনো অভিযোগে রিমান্ডের আবেদন করতে পারে। আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ডায়েরির অনুলিপি ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে আদালতে হাজির করে আটকাদেশ চাইলে ম্যাজিস্ট্রেট, আদালত, ট্রাইব্যুনাল একটি বন্ড গ্রহণ করে তাঁকে মুক্তি দেবেন। আটক থাকা কোনোব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অন্য কোনো সুনির্দিষ্ট মামলায় যদি গ্রেপ্তার দেখাতে চায়, সে ক্ষেত্রে যদি ডায়েরির অনুলিপিসহ তাঁকে হাজির না করা হয়, তাহলে আদালত তা মঞ্জুর করবেন না। কোনো কারণে নিম্ন আদালতে জামিন না হলে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে হবে।
,
তানজিম আল ইসলাম
লেখক: আইনজীবী,
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

বন্ধুত্ত হলো টম এন্ড জেরির মত,,যেখানে যান সেখানে পিছু লেগে থাকে,জিবনে বন্ধুর প্রয়োজন আছে,তাই বলে যাকে তাকে  বন্ধুর আসনে ...
21/03/2016

বন্ধুত্ত হলো টম এন্ড জেরির মত,,
যেখানে যান সেখানে পিছু লেগে থাকে,
জিবনে বন্ধুর প্রয়োজন আছে,
তাই বলে যাকে তাকে বন্ধুর আসনে বসানো যায়না,,যারা সব সময় আমাদের সাথে থাকত,আজ তারা সময় পায়না আমাদের খোজ নিতে,এমন বন্ধুর প্রয়োজন অনুভব করিনা,,বন্ধু করুন যাচাই করে,,

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন সবাই?? এই পেইজ এর সকল বন্ধুদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই,,শুভ সকাল,মিরসরাই বাসি,,
18/03/2016

আসসালামু আলাইকুম।কেমন আছেন সবাই?? এই পেইজ এর সকল বন্ধুদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই,,শুভ সকাল,মিরসরাই বাসি,,

11/02/2016

আসসালামু আলাইকুম।। কেমন আছেন সবাই??

13/09/2015

>>>তিন বন্ধু একটি দেশে
বেড়াতে গেল। তারা সেখানে
একটি
হোটেলের ৭৫ তলায় রুম ভাড়া করল।
তবে হোটেলের নিয়ম অনুযায়ী
রাত১২টায় লিপ্ট বন্ধ থাকে। একদিন
তারা বের হল। কিন্তু তারা ফিরতে
একটু রাত হল। হোটেলে এসে দেখে
লিপ্ট অপ।তারা চিন্তা করতে লাগল
৭৫তলা হেঠে কেমনে উঠবে। পরে
সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা উপরে উঠতে
লাগল। তাদের মধ্যে একজন গল্প আরম্ভ
করল। তার গল্প শেষ হতে হতে তারা ২৫
তলায় অবস্থান
করে ! এর পর আরেক জন গান করা
আরম্ভ করল।
দেখে ৫০ তলায় গিয়ে
তার সব গান শেষ। এখন কি করা যায়?
তারপর অন্যজন শুরু করল তার দুঃখ-কষ্ঠের
কথা। তার সব ঘটনা যখন বলা শেষ হয় তখন
তারা ৭৫ তলায় গিয়ে
পৌছে।
তারা যখন দরজা খুলতে গেল দুর্ভাগ্য
ক্রমে দেখা গেল চাবিটা
রেসিপশানের কাছে রয়ে গেছে।
তবে
এখনকি আর সম্ভব নিচে গিয়ে চাবি
নিয়ে আশা ?
তেমনি ভাবে আমরা
জীবনের ২৫বছর কাটিয়ে দিয়
লেখাপড়া করে। আর ২৫ বছর কাটিয়ে
দিয় চাকুরী বা ব্যবসা-বাণিজ্য
নিয়ে। আর বাকী ২৫ বছর অথবা যা সময়
বেঁচে থাকি তা কেটে যায় ছেলে
মেয়ের বিয়ে এবং বিভিন্ন রোগের
ডাক্তারের কাছে ছুটাছুটি করে।
জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ার
জন্য আপনি-আমি হয়তো এতো কিছু
করতেছি।
কিন্তু আখেরাতের ঐ কঠিন দিনে
নিজেকে বাঁচানোর জন্য যদি
দুনিয়াতে এখন থেকে কিছু না করি
তাহলে কষ্ঠ করে ঐ তিন বন্দুর মত গন্তব্যে
পৌছাব কিন্তু ঐ জান্নাতের
চাবিটা দুনিয়াতেই থেকে যাবে।
তিন বন্ধু যেমেন নিদিষ্ট লক্ষে গিয়েও
আপসোস করতেছে।
ঠিক তেমনি ভাবে কাল কিয়ামতের
দিনও আপনার-আমার হয়তো আপসোস
করা ছাড়া উপায় থাকবে না। তাই
আসুন আমরা শরীয়াতের
সকল হুকুম আহকাম মেনে চলি।
নামাজ,রোজা, যাকাত হজ্জ যথাযথ
ভাবে আদায় করি। এছাড়া কোন অন্যয়
কাজ করলে আল্লাহর কাছে তাওবা
করি। তাহলেই আমরা কিয়ামতের দিন
মুক্তি পাব ইনশা আল্লাহ ।

12/07/2015

যে আল্লাহর উদ্দেশ্যে বিনয়ী হয় , আল্লাহ তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। -- মিশকাত ।

01/06/2015

লাইক দিয়ে পাশে থাকুন।
শুধু ঢাকাতেই পৌনে একশো স্পট এবং ৪০০
এর বেশি হোটেল এবং ২০০০ এরও বেশি
ফ্ল্যাটে চলছে অবৈধ জমজমাট দেহ ব্যবসা।
বাংলাদেশে বয়স ১৮ হবার আগেই যৌন
অভিজ্ঞতা হচ্ছে ৫০ ভাগ শহুরে তরুনের।
এছাড়া প্রায় ৮০ ভাগ তরুন পরোক্ষ ভাবে
প্ররোচিত হচ্ছে যৌন কর্মে লিপ্ত হতে।
এদের ৩৩ ভাগ লিপ্ত হচ্ছেন দলগত যৌন
কর্মে। আবার অনেকেই পর্নগ্রাফি দেখে
যৌন কর্মে উদ্দিপ্ত হচ্ছে যাদের বয়স ১১
থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। নগরীর ৮৫ ভাগ
হোটেলে প্রতিদিনপ্রায় সাড়ে সাত
হাজার খদ্দেরের সমাগমহয়। আর এদের
আনন্দ দেবার জন্য প্রতিদিন প্রায় সাড়ে
পাচ হাজার ললনা নিজেদের বিলিয়ে
দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।এই হোটেল গুলোর
মাসিক আয় প্রায় ১২ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র- খোঁজ পর্ব ০৭- মন্দ মেয়ের
উপাখ্যান)তারপরও এদেশে ধর্ষণ হয়।
ধর্ষিতাকে ধর্ষকের সাথে বিয়ে দিয়ে
সমাজ তৃপ্তিরঢেকুর তোলে।যে দেশে
বাসে, ট্রেনে, পিকাপে, নৌকায় ধর্ষণ ডাল
ভাত হয়ে গেছে,সে দেশে রাস্তাঘাটে
যৌন হয়রানি তো স্টার্টার। ই্দানিং
কর্মজীবী নারীদের কে ধর্ষণের সংখ্যা
বেড়েছে। বাড়বেই তো। যত দোষ তো
এদেরই। ঘর থেকে বের হয় কেন? তাছাড়া
কর্মজীবী স্বাবলম্বী নারীদের ধর্ষণ করা
পৃথক স্বাদের কিনা !!
৯০ দশকের শেষ ভাগে এসে ধর্ষণ এদেশের
সংবাদ পত্রের প্রথম পাতায় জায়গা করে
নেয়। সেখানে থাকতো- কাকে, কোথায়,
কিভাবে, কয়জন মিলে ধর্ষণ করেছে। বলাই
বাহুল্য সেই সময়ের স্পট হিসেবে বেছে
নেয়া হত পাট ক্ষেত কে। লেখা থাকতো
মুখে গামছা বেধে পালা ক্রমে ধর্ষণ।
কিংবা গ্রামের নিন্ম মধ্যবিত্তদের
নড়বড়ে ঘরেই দেশে সু-সন্তানরা এই কর্ম
সম্পাদন করতেন। কারন মেয়েটি তার
প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি বা
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করেছেন।
(কত্তবড় সাহস!!)যারা ৯০ দশকের
মাঝামাঝি বাংলা সিনেমাদেখেছেন,
তারা দেখেছেন সিনামার গল্পেনায়কের
বোনকে অব্ধারিত ভাবেই ভিলেনের
ধর্ষণের শিকার হতে হতো। দৃশ্যগুলো
চিত্রায়নেও ছিলো অভিনবত্ব। নায়কের
বোন কে গুন্ডা বাহিনী ধরে আনতেন,
অন্ধকার রাতে গলিতে কিংবা টিলার উপর
মেয়েটার কামিজের হাতা ছিড়ে ফেলা
হতো, সালোয়ার খোলা অবস্থায় পাশে
পড়ে থাকতো, আর ভিলেন কিছুক্ষন পর
প্যান্টের চেইন আটকাতো। এখানে কোন
ধরনের ফিজিকাল প্লেজারের বিষয়
দেখানো হতো না। বরাবরই ক্ষমতার দ্বন্দ্ব
ফুটে উঠতো। তারপর? হয় মেয়েটাকে মেরে
ফেলা হতো কিংবা মেয়েটা আত্মহত্যা
করতেন। একজন ধর্ষিতার তো এ সমাযে
বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই অথবা
দরকার নেই।একবিংশ শতকে এসে সেই ধর্ষণ
স্পট বদলেছে। ধান ক্ষেত পাট ক্ষেতের
জায়গায় এখন বাস, ট্রেন, মাইক্রো, নৌকা,
লিফট।যেন ঘর থেকে বেরলেই তোমাকে
উচিতশিক্ষা দে্বো। গার্মেন্টস কর্মী যে
ঘরে থাকেন সেখানটাই তো অরক্ষিত,
তারপরও তাকে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পথে
বাসে ধর্ষণ করা হয়। কারন তুমি বাইরে
বেরিয়ে জগতের ক্ষতি করেছো।পুরুষ তার
পায়ের নিচে তোমাকে দাসী করে রাখতে
পারেনি। বলতে পারছে না তুমি অক্ষম।
(অকর্মন্যপুরুষ তো আর তোমাকে অক্ষম বলে
দাবী করতে পারেন না, তাই না?)
লক্ষ্য করে দেখলাম- ধর্ষণ এর খবর গুলোখুব
দ্রুত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে
ছড়িয়ে পড়ে। কোথায় কখন কে ধর্ষিত
হয়েছেন সেই খবরের লিংক গুলো শেয়ার
করেস্ন সেই পুরুষ শ্রেনি। নারী কে ছবির
মাধ্যমে শেখান আত্ম্রক্ষার কৌশল।
কখনো নিজেদের মানসিক চিকিৎসার
প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না। নারী
খোলামেলা পোশাক পরলো কেন, রাতে ঘর
থেকে বের হলো কেন, নারী ঘরে থাকলো
না কেন, নারী ওড়না পরলো না কেন ---
এগুলো বলা হয় ধর্ষণ এর মতো ঘৃন্য অপরাধ
কে, সামাজিক স্বীকৃ্তি দেবার জন্য।
মাঝে মাঝেই মনে হয় নারী দের জন্ম
হয়েছে নিজেদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার মূল্য
দেবার জন্য নয়, পুরুষের রাজকীয় লাম্পট্য মুখ
বুজে সহ্য করার জন্য। তাদের চাপিয়ে
দেয়া অনুশাসন মেনে চলারজন্য। নারী
নাকি স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে কারন,
পুরুষ তাদের কে সে সুযোগ দিয়েছে। সত্যি
তো। অনেক ভাগ্য করে এসেছিলাম। (হায়
রে মাথা মোটা পুরুষ মানুষ !! নরাধম-ই
থেকে গেলেন, মানুষ আর হতে পারলেন
না।)
সময় গড়িয়েছে, মেয়েরা খরগোসের মতো
নয় কচ্ছপের মতো ধীরে ধীরে এগিয়েছে।
উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের
যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ঘরে বাইরে
১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করেও নিজের ক্যরিয়ার
নিয়ে ভেবেছেন। নারী সমস্ত প্রতিকূলতা
কে জয় করতে পারলে, পুরুষের মানসিক
দৈন্যতা কে জয় করতে পারেননি। পুরুষের
মানসিক বিকৃ্তিই নারীদের সারা
জীবনের অভিশাপ।“অন্ধকারের দিনে
ফিরতে পারি না বলেই কি,
আমি অপমানের জ্বলন্ত কয়লার উপর দিয়ে
হেঁটে যেতে চাই,যেতে চাই দুঃখের
দিকে”মুক্তিযুদ্ধের সময় যে চারটি অপরাধ
ক্ষমা করা হয়নি তার একটি ধর্ষণ। আশা
করবো সরকার দেশের চলমান এই
পরিস্থিতিগুরুত্বের সাথে নিবেন। দ্রুত
বিচার এর আওতায় এনে অপরাধী কে খুঁজ়ে
বের করে যথাযথ শাস্তি

মায়ের জন্য ছেলে ধীরেনে অকৃত্রিমভালোবাসা!মায়ের এক ধার দুধের দাম, কাটিয়া গায়েরচাম, পাপষ বানাইলেও ঋণের শোধ হবে না।এমন দরদী ...
13/05/2015

মায়ের জন্য ছেলে ধীরেনে অকৃত্রিম
ভালোবাসা!
মায়ের এক ধার দুধের দাম, কাটিয়া গায়ের
চাম, পাপষ বানাইলেও ঋণের শোধ হবে না।
এমন দরদী ভবে কেউ হবে না আমার মা
গো..। মা-ই পূজা, মা-ই আরাধনা আর
ধর্মকর্ম, ধ্যান-জ্ঞানের মন্ত্র নিবেদন
করেন তাঁর মাকে। এমন এক মা ভক্ত
পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার
পার্শবর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার
চিংড়াখালী উইনিয়নের পূর্ব চন্ডিপুর
গ্রামের বাসিন্দা ধীরেন মজুমদার। চির
কুমার ধীরেনের দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কাটে
মাতৃসেবায়।
প্রায় ৫০ বছর এভাবেই চলে আসছে।
বীরেনের ‘মা মাগো, কী লাগবে
তোমার’?- এ কথাটা যেন তাঁর বাড়ির
আশপাশে ধ্বনিত হতে থাকে সারাক্ষণ। ‘ও
মা, তোমার কি কষ্ট অয়? কষ্ট অইলে
ডালাটা (বাঁশের বড় ঝুড়ি) শক্ত কইরা
ধরো। প্রায় শতবর্ষী মাকে বাঁশের ডালায়
তুলে মাথায় করে নিয়ে যেতে যেতে প্রশ্ন
করছিলেন বীরেন। প্রায় সাত মাইল পথ
হেঁটে ডাক্তারের কাছে পৌঁছানোর সময়
থেমে থেমে এ কথাগুলোই জিজ্ঞেস করেন
বীরেন্দ্রনাথ মজুমদার। মাকে মাথায় করে
সাঁকো, ভাঙা রাস্তা মাড়িয়ে যেতে হয়
দীর্ঘ পথ। উপায় নেই, সড়কে যে যানবাহন
চলে না। পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের দিনমজুর
বীরেন মজুমদারের জীবনের খন্ডচিত্র এটি।
৫০ পেরিয়ে গেলেও বিয়ে করেননি তিনি।
মাকে নিয়েই তাঁর সংসার। দিনমজুরি করে
যা আয় হয় তা দিয়েই চলে মা ছেলের
সংসার। বড় ভাই শ্যাম লাল মজুমদার বলেন,
অনেকেই জিজ্ঞাসা করে বীরেনের কথা।
আমরা বলি মায়ের সেবা করে। আমার
বাবা মারা গেছেন ১৮ বছর আগে। তখন
থেকেই মা অচল। বীরেনের জন্মের সময় মা
যা যা করেছিল মাকে বীরেন এখন তাই
করছে। সরেজমিনে বীরেনের বাড়িতে
গিয়ে দেখা যায় মাকে জিয়ানগর
হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গোসল করিয়ে
খাবার খাইয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন বীরেন।
মাকে এতটা পথ ডালায় (ঝুড়ি) করে বয়ে
নিতে কষ্ট হয় না? এমন প্রশ্নের উত্তরে
বীরেন বলেন, মাতৃসেবা আমার বহুদিনের
সাধনা। মাকে যখন মাথায় তুলি তখন
আমার শরীরে প্রশান্তি অনুভব করি।
মাকে আমি আমার খুশি মতো বহন করি।
প্রশ্ন করি-মা তুমি কি কষ্ট পাও?’ মা
উত্তর দেয়, ‘না বাবা’। মায়ের যত্ন করলে
বিয়ে সংসার করতে অসুবিধা কী? এ
প্রশ্নের জবাবে বীরেন বলেন, ‘আমি ভাবি
বিয়ে করলে মায়ের এমন সেবা কি করতে
পারব ? চারপাশে যারা আছে তারা তো
পারে না। আমার কাছে আমার মা পরম
ধর্ম। এই ধর্মের মধ্য দিয়েই স্বর্গের পথে
হাঁটতে চাই। বড় ভাইয়ের স্ত্রী আরতি
রানী বলেন, আমার শাশুড়ির সব কাজ দেবর
বীরেন করে। গোসল করানো, কাপড় ধোয়া,
খাওয়ানো, ডাক্তার দেখানো, চিরুনি
দিয়ে মাথা আঁচড়ানো। দেখলে মনে হয়
বাবার কোলে ছোট্ট শিশু। এলাকাবাসী
জানায়, মায়ের প্রতি বীরেনের শ্রদ্ধার
তুলনা হয় না। কোথাও কাজে গেলে
বাড়িতে এসে দেখে যাবে সে। মাকে না
খাইয়ে মুখে খাবার তুলেছে বীরেন- এ দৃশ্য
কেউ কখনো দেখেনি। মায়ের কষ্টের কথা
ভেবে কোথাও বেড়াতে যান না তিনি।
ভাঙা ঘর বৃষ্টির জলে ভেসে গেলেও মায়ের
শরীরে জলের ফোঁটা পড়তে দেন না
বীরেন। পলিথিন দিয়ে মোড়ে মায়ের
পাশে বসে নির্ঘুম রাত কাটানোর উদাহরণ
অনেক। প্রতিবেশী সুবাস চন্দ্র বলেন,
আমাদের আশপাশে এমন দৃষ্টান্ত কোথাও
দেখা যায় না। ওর সততা এবং মাতৃভক্তির
জন্য ওকে আমরা ব্রাহ্মণের আসনে
বসিয়েছি। আমাদের পূজা-পার্বণে ও-ই
প্রধান ভূমিকা রাখে। এলাকার স্কুলশিক্ষক
উত্তম কুমার বলেন, বায়েজিদ বোস্তামি
আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কথা বইয়ে
পড়েছি। বাস্তবে বীরেনকে দেখে আরেক
নতুন অভিজ্ঞতা হলো। বীরেনের মা ঊষা
রানী কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে আধো আধো
বলেন, বীরেনরে আমি অনেক বলছি তুই
বিয়া কর বাবা। কিন্তু বীরেন শোনে না।
আমি চাই বিশ্বের সব ঘরে বীরেনের মতো
সন্তান যেন জন্মায়। যে সন্তান মায়েরে
কোনো দিন কষ্ট দেয় না। আমার তো ওরে
দেওয়ার কিছু নেই। ঠাকুর ওরে দেখবে। এ
বিষয়ে জিয়ানগরের চিকিৎসক মিজানুর
রহমান জানান, প্রায়ই বীরেন্দ্রনাথ
মজুমদার তাঁর অসুস্থ মাকে মাথায় করে
নিয়ে আসেন আমার কাছে। তিনি
বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছেন। বীরেনের
মাতৃভক্তি দেখে অবাক হই। আজকাল
এমনটা তো দেখাই যায় না। মা দিবসের
কথা জানেন না বীরেন। বিষয়টি খুলে
বললে তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে
জানতে চান- এই দিনে মানুষ কী করে ?
তাঁর ভাষায়, জানলে আমিও করতাম। মা
আরেকটু খুশি হইতো।
*** ভিডিওটি দেখুন এই লিংকে
http://www.online-dhaka.com/english/

18/04/2015

*****জোকস******
ছেলে:বাবা,আমাকে এক হাজার টাকা দেবে?
বাবা:ঠিক আছে দেবো।কিন্তু তুই বুকের ওপর টেনিস বল চেপে ধরে আছিস কেন??
ছেলে:ও এতা,আমাদের স্যার বলেছেন বুকে বল নিয়ে কাউকে কিছু অনুরোধ করলে নাকি ওতা গ্রহণযোগ্য হয়।এ জন্য আর কি!!!!

*লাইক দিলে মজা পাবেন!!"

Address

Chittagong
ZIPCODE

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমাদের মিরসরাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category