“ইসলাম সমতার ধর্ম নয়, বরং ন্যায়বিচারের ধর্ম”
— শাইখ উসমান আল খামিস হাফিযাহুল্লাহ
Scholarly Talks
A channel dedicated to spreading the statements and reminders of the scholars of Islam for the Bangla speaking Muslims worldwide.
Our main motive is:
"Connecting The Ummah,
With The Scholars Of The Sunnah"
স্যাটানিক ভার্সেস তথা গারানিক্বের ঘটনা
— শাইখ আবু ইসহাক্ব আল হুওয়াইনি রহিমাহুল্লাহ
17/03/2025
মিশরের বিশিষ্ট মুহাদ্দিস আল্লামা আবু ইসহাক আল-হুয়াইনি কিছুক্ষণ আগে মৃত্যু বরণ করেছেন।
ইলমুল হাদিসে তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্য ছিলো।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
بلغنا وفاة الشيخ المحدث العلامة أبي إسحاق الحويني قبل قليل.
فإنا لله وإنا إليه راجعون.
তিনি যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস আলবানী রহিমাহুল্লাহ এর ছাত্র ছিলেন।
আমি মদীনা ইসলামিক ইউনিভার্সিটির প্রধান লাইব্রেরীতে আলবানী রহিমাহুল্লাহ এর গ্রন্থাগারের ভেতর তাঁর স্বহস্তে লিখিত একটি পত্র দেখেছি,যাতে তিনি আলবানী রহিমাহুল্লাহ এর নিকট একশত হাদীসের হুকুম সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন।
اللهم اغفر له،وارحمه،واجعل الفردوس مثواه،وألهم أهله وذويه الصبر والسلوان،واجزه عن الإسلام والمسلمين خيرا.
©️ Shaykh Hafiz Nasir Uddin Madani
▌মিলাদুন্নাবি ﷺ ও শাইখ বিন বাযের অশ্রুপাত!
আল্লাহ্ سبحانه وتعالى বলেনঃ
قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُم بِٱلْأَخْسَرِينَ أَعْمَـٰلًا
ٱلَّذِينَ ضَلَّ سَعْيُهُمْ فِى ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَهُمْ يَحْسَبُونَ أَنَّهُمْ يُحْسِنُونَ صُنْعًا
❝বল, ‘আমি কি তোমাদেরকে এমন লোকদের কথা জানাব, যারা আমলের দিক থেকে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত’? দুনিয়ার জীবনে যাদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে, অথচ তারা মনে করছে যে, তারা ভাল কাজই করছে’!❞
— সূরা কাহফ, আয়াতঃ ১০৩-১০৪
▪️ একদা ইমাম মালেক (৯৩-১৭৯ হিঃ) স্বীয় ছাত্র ইমাম শাফেঈ (১৫০-২০৪ হিঃ)-কে বলেন —
❝রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও তাঁর ছাহাবীদের সময়ে যেসব বিষয় ‘দ্বীন’ হিসাবে গৃহীত ছিল না, বর্তমানকালেও তা ‘দ্বীন’ হিসাবে গৃহীত হবে না। যে ব্যক্তি ধর্মের নামে ইসলামে কোন নতুন প্রথা চালু করল, অতঃপর তাকে ভাল কাজ (বা ‘বিদ‘আতে হাসানাহ’) বলে রায় দিল, তাহলে সে ধারণা করে নিল যে, আল্লাহর রাসূল ﷺ স্বীয় রিসালাতের দায়িত্ব পালনে খেয়ানত করেছেন❞ (নাঊযুবিল্লাহ)। [আল-ইনছাফ, পৃঃ ৩২।]
আল্লাহ্ سبحانه وتعالى আমাদের সকল ধরনের বিদ'আত তথা গুমরাহী থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুক, আমিন।
নবী ﷺ এর জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে জবেহ করা পশুর গোশত খাওয়া কি জায়েয হবে?
— শাইখ ছ্বলিহ আল-ফাওয়ান حفظه الله
শায়খ আলী মাহফুজ (মৃত্যু ১৩৬১ হিজরি) ছিলেন মিশরের আল-আযহারের অন্যতম কিবার আলেম এবং তিনি তার বই (الإبداع في مضار الابتداع) (মাকতাবাহ আল-রুশদ, ১৪২১ হিজরিতে প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ২৩১) এ লিখেছেন:
"চতুর্থ অধ্যায়: জন্মদিন উদযাপন সম্পর্কে এবং সেগুলোর প্রচলন যারা শুরু করেছেন তাদের সম্পর্কে"
.. কথিত আছে যে, কায়রোতে মাওলিদ এর উদযাপন কেন্দ্রিক উৎসবগুলোর প্রচলন করেছিলেন চতুর্থ শতাব্দীর ফাতেমীয় শাসকরা এবং তারা ৬টি জন্মদিন উদযাপনের রীতি উদ্ভাবন করেছিলেন:
১. নবী ﷺ এর জন্মদিন,
২. ইমাম আলী বিন আবি তালিবের (রাদ্বি'আল্লাহু আনহু) জন্মদিন,
৩. সাইয়্যিদা ফাতিমাহ আয যাহরা (রাদ্বি'আল্লাহু আনহা) এর জন্মদিন,
৪. হাসান (রাদ্বি'আল্লাহু আনহু) এর জন্মদিন,
৫. হুসাইন (রাদ্বি'আল্লাহু আনহু) এর জন্মদিন এবং
৬. তৎকালীন শাসকের জন্মদিন।
পরবর্তীকালে প্রধান সেনাপতির পুত্র আফদাল কর্তৃক এই রীতি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত এই জন্মদিনগুলি (উদযাপন এর) রীতি হিসাবেই ছিল। অতঃপর দীর্ঘকালের পরিক্রমায় জনগণ সেগুলো ভুলে যাওয়ার পর সেগুলোকে ৫২৪ হিজরিতে "আল-আমির বি আহকামিল্লাহ"-র শাসনামলে পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়। ৭ম শতাব্দীতে ইরাকের ইরবিল নগরীতে সর্বপ্রথম মওলিদুন নবী উদযাপন এর রীতি প্রবর্তন করেন বাদশাহ মুদাফ্ফর আবু সাঈদ এবং তারপর থেকেই এই মাওলিদের অনুশীলন আমাদের মধ্যে আজও অব্যাহত রয়েছে। মানুষ এ বিষয়ে নিজ নিজ প্রবৃত্তির দাবিকে গ্রহণ করেছে এবং তাদের নফস যা চায় তা-ই উদ্ভাবন করেছে এবং যা দিয়ে মানুষ ও জ্বীন শয়তানেরা তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করেছে ।"
আমির সম্পর্কে আহলুস সুন্নাহর নীতি
— শাইখ মুতলাক আল জাসির হাফিযাহুল্লাহ
সিফাতুন নুযুল সম্পর্কে
— শাইখ ড. সালিহ আল-ফাওযান হাফি.
12/08/2024
আব্দুল ক্বাদীর জিলানী رحمه الله কে জিজ্ঞেস করা হল:
“হে সাঈদী, এইটা কি সম্ভব যে- একজন ব্যক্তি আল্লাহর ওলী কিন্তু সে আহমাদ বিন হাম্বলের আক্বীদার উপর নেই?”
তিনি বললেন:
“এটি কখনো ঘটেনি এবং কখনো ঘটবেও না!”
• [মূলঃ টুইটার থেকে সংগৃহীত]
জীবনের শেষ পরিণতি নিয়ে ভয় করা
— শাইখ সালেহ আস-সিন্ধী হাফিযাহুল্লাহ
◾️আশুরার সিয়াম ও এর ফযিলত!
— শাইখ বিন বায রহি.
— শাইখ মুহাম্মদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন রহি.
— শাইখ আল-আলবানী রহি.
— শাইখ সালিহ আল-ফাওযান হাফি.
01/07/2024
প্রশ্ন : ফিরাউনের লাশ কোথায় আছে?
উত্তর : ফিরাউনের লাশ সংরক্ষিত নেই। মিশরের জাদুঘরে যে লাশটি রাখা হয়েছে সেটাকে ফিরাউনের লাশ বলাটা ঠিক হবে না। কারণ জানা নেই সেটা কার লাশ। দুই-তিন শতাব্দী পূর্বে এই লাশ কোথায় ছিল, কেউ বলতে পারবে না।
মহান আল্লাহ ফিরানের মৃতদেহকে সমুদ্রের কিনারায় ফেলেছিলেন যাতে করে বানী ইসরাইলের যেসব সদস্য অবশিষ্ট রয়ে গিয়েছিলো তারা যেন শিক্ষাগ্রহণ করতে পারে- যে লোক নিজেকে 'রব' দাবি করতো, তার দেহের মাধ্যমে তার (রব হবার) অসহায়ত্ব প্রকাশ করছে। তাই তারা তার দেহ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুক এবং আল্লাহর অবাধ্য করা বন্ধ করুক।
যদি মৃতদেহ দ্বারা এটা বুঝানো হয় যে, তা কিয়ামত পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে, তাহলে এরকম উদ্দেশ্য নেয়াটা ঠিক হবে না।
____
শাইখ গোলাম মুস্তাফা জাহির আমানপুরী
[ ফাতাওয়ায়ে আমানপুরী, পর্ব : ২৯৯ ]
©
Click here to claim your Sponsored Listing.