২০২৪ সালে নোবেল পুরস্কার পেলেন যারা
# চিকিৎসাশাস্ত্র
চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন দুই মার্কিন বিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রুভকুন। মাইক্রোআরএনএ এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা আবিষ্কারের জন্য সম্মানজন এই পুরস্কারে ভূষিত হলেন তারা। গত ৭ অক্টোবর চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
# পদার্থবিজ্ঞান
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন জন জে. হপফিল্ড এবং জিওফ্রে ই. হিন্টন। কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাহায্যে মেশিন লার্নিংকে সক্ষম করে এমন মৌলিক আবিষ্কার এবং উদ্ভাবনের জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ৮ অক্টোবর ঘোষণা করা হয় পদার্থবিজ্ঞানী পুরস্কারজয়ীদের নাম।
# রসায়ন
এ বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস এবং জন এম. জাম্পার। প্রোটিনের গঠন এবং নকশা সংক্রান্ত অসাধারণ সাফল্যের জন্য সম্মানজনক এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তারা। ৯ অক্টোবর ঘোষণা করা হয় এই পুরস্কার।
# সাহিত্য
১০ অক্টোবর ঘোষণা করা হয় ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল জয়ীর নাম। এ বছর এই পুরস্কার জিতেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক হান কাং। নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
# শান্তি
এ বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছে জাপানি সংস্থা নিহন হিডানকিও। এটি হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা হামলায় বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত একটি তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলন, যা ‘হিবাকুশা’ নামে পরিচিত। নোবেল কমিটি জানিয়েছে, নিহন হিডানকিও পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টার জন্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যর মাধ্যমে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার যে মানবতাবিরোধী কাজ, তা তুলে ধরার জন্য এই সম্মানজনক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। পুরস্কারটি ঘোষণা করা হয় ১১ অক্টোবর।
# অর্থনীতি
অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন তিন অর্থনীতিবিদ- ড্যারন অ্যাসেমোগ্লু, সাইমন জনসন এবং জেমস এ. রবিনসন। সমাজের প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে গঠন করা হয় এবং সমৃদ্ধির ওপর তা কী প্রভাব ফেলে তা নিয়ে গবেষণার জন্য সম্মানজনক এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তারা। ১৪ অক্টোবর ঘোষণা করা হয়েছে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম।
আগামী ১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুদিবসে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে ।
Exam Helper
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যা, সাধারণ জ্ঞান । "আইনের আলো" একটি আইন বিষয়ক পেজ, এখানে আপনি পাবেন আইন বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য এবং আপনার সমস্যার আইনি পরামর্শ ।
ফানি ভিডিও
জমি পরিমাপের বিভিন্ন একক...
১ শতাংশ = ৪৩৫ বর্গফুট ।
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ ।
২০ কাঠা = ১ বিঘা ।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর ।
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ ।
১ একর = ১০০ শতাংশ ।
তথ্যগুলো জেনে উপকৃত হলে একটু সময় ব্যায় করে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে এবং লাইক দিতে ভুলবেননা এতে আমরা আরো নতুন তথ্য প্রদানে উৎসাহিত হব।
25/07/2017
জমি কেনার আগে করণীয়ঃ
জমি কেনার আগে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরত্ব সহকারে দেখতে হবে ।
যথাঃ-
(ক) জমি বিক্রেতার নামে রেজিষ্ট্রিকৃত দলিল আছে কিনা অথবা বৈধ স্বত্ব আছে কি না, দখলি স্বত্ব আছে কিনা ।
(খ) হালসন পর্যন্ত খাজনার রশিদ আছে কি না ।
(গ) দলিলে উল্লেখিত পরিমান জমি তার দখলে আছে কি না ।
(ঘ) জমিটি সম্পুর্ন বা আংশিক বিক্রি করা হয়েছে কি না ।
(ঙ) জমিটির অন্য কোন ওয়ারিশ আছে কি না ।
(চ) জমির দলিলটি জাল কিনা ।
(ছ) মালিকের নামে জমিটি খারিজ করা আছে কি না ।
(জ) দলিলে উল্লেখিত দাগ নম্বর নকশার সাথে মিল আছে কি না এবং রেকর্ডের সঙ্গে খতিয়ানের মিল আছে কি না ।
(ঝ) বিক্রেতা ক্রয় সুত্রে না উত্তরাধিকার সুত্রে জমিটির মালিক হয়েছেন ।
(ঞ) জমিটি বর্গা বা বন্ধক দেওয়া আছে কি না।
(ট) জমিটি সহশরিকগন কিনতে চায় কি না ।
(ঠ) উকিল নোটিশ করা ।
(ড) সরেজমিনে খোঁজ নেওয়া ইত্যাদী ।
05/09/2016
জমি পরিমাপের বিভিন্ন একক
২০ কাঠা = ১ বিঘা ।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ ।
১ বিঘা =১৪৪০০ বর্গফুট ।
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট ।
তথ্যগুলো জেনে উপকৃত হলে একটু সময় ব্যায় করে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে এবং লাইক দিতে ভুলবেননা এতে আমরা আরো নতুন তথ্য প্রদানে উৎসাহিত হব।
সাধারণ ডায়েরি বা জিডি
মূল্যবান যে কোনো জিনিস হারালে অথবা কোনো প্রকার হুমকি পেলে বা হুমকির আশংকা থাকলে কিংবা কেউ নিখোঁজ হলে আপনার প্রথম কাজ হলো নিকটবর্তী থানাকে জানানো। আর এটি জানাবেন একটি সাধারণ ডায়েরির মাধ্যমে, যাকে আমরা সংক্ষেপে জিডি বলে থাকি। এ ধরনের জিডি করার অর্থ হলো- বিষয়টি সম্পর্কে থানাকে অবগত করা, যাতে থানা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য অপরাধটি সংঘটিত হওয়ার আগেই ব্যবস্থা নিতে পারে।
জিডিতে কী কী উল্লেখ করতে হবেঃ
১. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সম্বোধন করে লিখতে হবে এবং থানার নাম ও ঠিকানা লিখতে হবে।
২. বিষয় : ‘জিডি করার জন্য আবেদন’- এভাবে লিখতে হবে।
৩. অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা করলে জিডিতে আশঙ্কার কারণ উল্লেখ করতে হবে।
৪. হুমকি দিলে হুমকি দেওয়ার স্থান, তারিখ, সময়, সাক্ষী থাকলে তাদের নাম, পিতার নাম ও পূর্ণ ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
৫. হুমকি প্রদানকারী পরিচিত হলে তার/তাদের নাম, পিতার নাম ও পূর্ণ ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
৬. অপরিচিত হলে তাদের শনাক্তকরণের বর্ণনা দিতে হবে।
৭. জিডি নথিভুক্ত করে বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করতে হবে।
৮. সর্বশেষ জিডিকারীর নাম, স্বাক্ষর, পিতার নাম, পূর্ণ ঠিকানা ও তারিখ লিখতে হবে।
উল্লেখ্য, জিডি দুই কপি করতে হবে। এক কপি নথিভুক্ত করার জন্য থানায় জমা দিতে হবে, আরেক কপি থানার কর্মকর্তার সিল এবং জিডির নম্বর সংবলিত কপিটি যত্ন করে সংরক্ষণ করতে হবে। জিডি করতে থানায় কোনো ফি দিতে হয় না।
জিডির একটি নমুনা কপি:
তারিখঃ ………………
বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
………………..থানা, ঢাকা।
বিষয় : সাধারণ ডায়েরি ভুক্তির জন্য আবেদন।
জনাব,
আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী নাম: …………………………………
বয়স : ………………………………………………………
পিতা/স্বামী : ………………………………………………..
ঠিকানা : …………………………………………………….
এই মর্মে জানাচ্ছি যে আজ/গত …………………….. তারিখ ……………. সময় …………….জায়গা থেকে আমার নিম্নবর্ণিত কাগজ/মালামাল হারিয়ে গেছে।
বর্ণনা : (যা যা হারিয়েছে)
বিষয়টি থানায় অবগতির জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করার অনুরোধ করছি।
বিনীত
নাম:
ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর:
অনলাইনে জিডিঃ
আপনার যদি তাৎক্ষণিক পুলিশকে প্রয়োজন না হয় বা আপনার যদি থানায় যেতে কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকে তাহলে অনলাইনেও জিডি করতে পারবেন। সরাসরি পুলিশ সদরদপ্তরে ফ্যাক্স ও ই-মেইলও করতে পারেন। দেশের বাইরে থেকেও জিডি করা সম্ভব। ইমেইল করার ঠিকানা: [email protected], ফ্যাক্স: 9558818 এবং অনলাইনে জিডি করতে ভিজিট করবেন www.police.gov.bd সাইটে। সেখানে ক্লিক করুন Citizen help request বিভাগে।
হলফনামা সম্পাদন করার নিয়ম
জমি কেনাবেচা, বিয়ে কিংবা বিচ্ছেদ, নাম পরিবর্তন বা সংশোধন, পাসপোর্টে নাম সংশোধন ও মামলা মোকদ্দমাসহ নানা কাজে প্রয়োজন হয় হলফনামার। এ ছাড়া বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ তৈরির কাজেও লাগে হলফনামা। হলফনামা হচ্ছে কোনো বিষয়ে সত্যতাসহ এর সমর্থনে ঘোষণা দেওয়া। যথাযথ নিয়মকানুন মেনেই সম্পাদন করতে হয় হলফনামা।
হলফনামায় যা যা উল্লেখ করতে হবে:
•হলফনামা হবে লিখিত। এতে হলফকারীর পূর্ণ নাম, ঠিকানা, বাবা-মায়ের নাম, জাতীয়তা, বয়স, পেশা ও ধর্ম উল্লেখ করতে হবে। সঙ্গে দিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর। হলফকারী ব্যক্তি কী বিষয়ে, কী কারণে ও কেন হলফ করছেন তাঁর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দিতে হবে।
•কোনো জমিজমা নিয়ে হলে জমির তফসিল উল্লেখ করতে হবে।
বিয়ে সংক্রান্ত হলে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের নাম, বাবা-মায়ের নাম, ঠিকানা, বয়স ও পেশা উল্লেখ করতে হবে। বিয়ের তারিখ, কত টাকা দেনমোহর নির্ধারণ হয়েছে এবং দেনমোহরের কত টাকা পরিশোধ করা হয়েছে সেটাও উল্লেখ থাকতে হবে। প্রয়োজনে সাক্ষীদের নাম ঠিকানাও দিতে হবে। বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও এসব তথ্য উল্লেখ করতে হবে। কী কারণে তালাক দেওয়া হয়েছে এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকতে হবে। তবে বিয়ের হলফনামায় স্বামী ও স্ত্রী দুজনের স্বাক্ষর লাগবে। বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে যিনি বিবাহবিচ্ছেদের হলফনামা করছেন শুধু তিনি স্বাক্ষর দেবেন।
•যেকোনো হলফনামায় অবশ্যই যে তারিখে হলফনামাটি সম্পাদন করা হচ্ছে সেই তারিখটি উল্লেখ করতে হবে।
•নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পূর্ব নাম কী ছিল এবং বর্তমান নামে কী সংশোধন হয়েছে তা স্পষ্ট করে লিখতে হবে।
•হলফকারীকে হলফনামার সঙ্গে পাসপোর্ট আকারের সত্যায়িত ছবি দিতে হবে এবং স্বাক্ষর করতে হবে।
•হলফনামার শেষ অংশে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে শনাক্ত করাতে হবে এবং আইনজীবীকে উল্লেখ করতে হবে এই হলফনামাটি তার সামনে সম্পন্ন করা হয়েছে। আইনজীবীকে আইনজীবী সমিতির সদস্য নম্বরসহ হলফনামায় স্বাক্ষর করতে হবে। মনে রাখতে হবে যেকোনো হলফনামা করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যে বিষয়ে হলফনামাটি করা হচ্ছে তার সত্যতার বিষয়টি জোরালোভাবে উপস্থাপন করা।
কীভাবে সম্পাদন করতে হবে:
হলফনামা সম্পাদন করতে হয় ২০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। তবে বিবাহবিচ্ছেদের হলফনামা করতে হবে ৫০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। হলফনামা লেখার পর (কম্পোজ বা টাইপ) নোটারি পাবলিক বা প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সত্যায়ন করাতে হবে। নিয়ম হচ্ছে যিনি হলফনামাটি করলেন তিনি নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তাঁর হলফনামাটি সম্পর্কে সত্যপাঠ করবেন। তখন নোটারি পাবলিক বা ম্যাজিস্ট্রেট হলফনামাটি যাচাই-বাছাই করে এর ওপর স্বাক্ষর দেবেন এবং একটি বিশেষ সরকারি সিল ব্যবহার করে এতে ক্রমিক নম্বর বসাবেন। হলফনামাটির একটি ফটোকপি তিনি রেখে দেবেন।
জেনে রাখুন:
•কোনো মামলা-মোকদ্দমা দায়ের করলে ক্ষেত্রবিশেষে হলফনামা আদালতে দাখিল করতে হয়। বিশেষ করে দেওয়ানি মোকদ্দমায় অন্তর্বর্তীকালীন কোনো প্রতিকার চাইলে এবং এর জবাব দিলে বিচারপ্রার্থীকে হলফনামা দিতে হয় দরখাসে্তর বা জবাবের সঙ্গে। এই হলফনামায় ছবি লাগে না এবং আদালতের সেরেস্তাদারের সামনে স্বাক্ষর করতে হয়। সেরেস্তাদার যাচাই-বাছাই করার পর আদালতে প্রেরণ করেন। জমি কেনা-বেচার দলিলের সঙ্গে দলিল নিবন্ধনের সময় হলফনামা দিতে হয় সাবরেজিস্ট্রি অফিসে।
•নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে হলফনামা করার পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। হলফনামা দিয়ে বয়স পরিবর্তন করা যাবে না। কোনো বিয়ের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক আইন অনুযায়ী প্রথমে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। তারপর তাঁরা ইচ্ছা করলে হলফনামা করে রাখতে পারেন। পারিবারিক আইন অনুযায়ী বিয়ে না করে শুধু এ হলফনামা সম্পন্ন করা উচিত নয়। শুধু হলফনামা সম্পাদন করলেই আইন অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে বলা যাবে না। তালাকের ক্ষেত্রেও পারিবারিক আইন মেনে তালাক দিতে হবে। মুসলমান হলে কাজির মাধ্যমে তালাকের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরই তালাকের হলফনামা সম্পন্ন করা উচিত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Address
4000