We are Proud of Chittagong Royals.. ❤️❤️❤️
SMJOY Hathazari1570
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from SMJOY Hathazari1570, Education, Chittagong.
08/01/2026
বিপিএল কোন দুটি দল ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা বেশি.....
অহংকার
খুব ছোট্ট একটা শব্দ কিন্তু এই শব্দটির মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে মানুষের পতনের অন্যতম কারণ....
সাত আসমান ভেদ করে ওঠে হাদির জিন্দাবাদ✊
এই যে ছাত্ররা রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে, এরা বাসায় ভাতটাও বেড়ে খায় না। দেশের জন্য করতেছে। ওদের ভুল ত্রুটি বড় করে দেখবেন না।পারলে ওদের ভুল হলে বুঝিয়ে বলুন।
11/05/2022
#বিশ্বের_ইতিহাসে_উলামায়ে_দেওবন্দের_শ্রেষ্ঠত্বঃ
কারা এই দেওবন্দী,
যাদের সাথে তুলনা করা যায় পৃথিবীর কাউকে,
কুরঅান তিলাওয়াতের সাথে সাথে তার শিক্ষা, কুরঅান কারীমের অর্থ উদ্দেশ্য ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বিষয়ে আমার স্বল্প জ্ঞান অনুযায়ী, দেওবন্দের উলামাদের কেবল তাফসীর বিষয়ে আরবী উর্দু ফারসি ও অন্যান্য ভাষায় লিখিত রয়েছে প্রায় ২৫০ এর চেয়ে বেশি কিতাব।
যার মধ্যে কোনটি বিশ ত্রিশ খন্ডে লিপিবদ্ধ,
আল্লামা আফগানি রহঃ এর দশ বছরের দরস, ভাওয়াল পুরের এক বুজুর্গ একত্রিত করেন,যিনি তার ছাত্র ছিলেন,দশ বছরের কুরানের দরস একত্রিত করেছেন, দশ খন্ডে কিন্তু তা দ্বারা শুধু মাত্র প্রথম পারার তাফসিরই হয়েছিলো,উলামায়ে দেওবন্দের ইলম সম্পর্কে মানুষ ধারণাও করতে পারবেনা,তালিমে হিক্বমাহ অর্থাৎ শরীয়তের আদেশ ও মাসঅালা মাসায়েল সংক্রান্ত এমন ইলম ছিলো উলামায়ে দেওবন্দের উপমহাদেশের মুসলমান যাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ,
চ্যালেঞ্জ বাণী,উপমহাদেশ একজন গাঙ্গুহীর মত ফক্বীহ দেখাও,একজন মুফতী কেফায়াতুল্লাহ দেখাও,
দেখাও একজন মুফতী আযীযুর রাহমান দেহলভী,
একজন মুফতী শফী দেখাও,একজন মুফতী মাহমূদ দেখাও,
যারা নিজ নিজ ময়দানে ফক্বীহ বিশ্লেষক মুজতাহিদ আর অনুসরণীয় ছিলেন, এই বিষয়ের দিকে চলে গেলে লিখাটি হয়ে যাবে অনেক কলবর,
এলমে তাফসীরএর খেদমত ,
হাদীসের খেদমত, উলামায়ে দেওবন্দই করেছেন,
ফেক্বাহের কাজ,
মাদরাসা সমুহের জ্বাল বিছিয়েছেন উলামায়ে দেওবন্দরাই,
মাহমুদ হাসান দেওবন্দী
যিনি দেওবন্দের প্রথম শাগরেদ ছিলেন,
একবার এক ব্যক্তি প্রশ্ন করল হযরত আপনি এতো বড় আল্লামা কিন্তু আপনার কোন রচনা আমরা দেখতে পাইনা তাহলে আপনি এতো বড় আল্লামা হলেন কি করে?
তিনি বললেন সব বিষয়েইতো আমার রচনা রয়েছে তুমি কোন বিষয়ের রচনা দেখতে চাও?
লোকটি বলল আমরা দেখছিনাতো,
তখন মাহমুদ হাসান বললেন,যদি কুরঅানের তাফসীর নিয়ে আমার কোন রচনা দেখতে চাও,তো আমার "শাব্বির আহমদ উসমানীকে দেখো!
ইলমে হাদীসের বেলায় আমার কোন রচনা দেখতে চাও তাহলে আমার ছাত্র আনওয়ার শাহ কাশ্মীরিকে দেখো!
আর ফেক্বাহ বিষয়ে কোন রচনা দেখতে চাও তাহলে,আমার আযীযুর রাহমান ও কেফায়াতুল্লাহকে দেখ!
যদি আমার কোন রচনা রাজনৈতিক বিষয়ে পড়তে চাও, তাহলে আমার ছাত্র উবায়দুল্লাহ সিন্ধীকে দেখ!
যদি তুমি তাসাউফ ও লিখালিখির ময়দানে আমার কোন রচনা দেখতে চাও, তাহলে আমার তাসাউফের একজনই ছাত্র, তাসাউফের ইমাম আশরাফ আলী থানভী কে দেখ!
তুমি আমার পাণ্ডিত্য ও সহনশীলতা বিষয়ে কোন রচনা দেখতে চাও তাহলে আমার ছাত্র হুসাইন আহমদ মাদানীকে দেখ!
দাওয়াত ও তাবলীগ বিষয়ে আমার কোন রচনা দেখতে চাও,তাহলে আমার ইলিয়াস কান্ধলভীকে দেখ!
পৃথিবীর ইতিহাসে এমন দুজন ব্যক্তি গত হয়েছেন,যাদের ছাত্রবৃন্দ পূর্ববর্তীদের ও কিয়ামত পর্যন্ত আগতদের মধ্যে অতুলনীয়,
প্রথম যুগের ইমাম আযম আবু হানীফা
উম্মতের ফক্বীহ ও মুজতাহিদ ছিলেন,যার এক একজন ছাত্র এমন ছিলেন যাদের উদাহরণ দুনিয়ার কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি,আর দ্বিতীয় মাওলানা মাহমুদ হাসান যার একেকজন ছাত্র এমন ছিলেন, যাদেরও উপমা দুনিয়ার কেউ এখনো দেখাতে পারেনি।ইতিহাস নিজেকে নিজে পুনরাবৃত্তি করেছে,
যদি প্রথম যুগে ইমাম আবু হানীফা গত হয়ে থাকেন,ফেক্বহের বিষয়ে যার দক্ষতার তুলনা কেউ উপস্থাপন করতে পারেননি, তাহলে এই জমানায় রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী গত হয়েছেন।
তিনি দেওবন্দের সম্মানীর গ্রাজুয়েট তার উদাহরণ পৃথিবীর কেউ দেখাতে পারেনি।
আগের যমানায় আহমদ ইবনে হাম্বল
ধৈর্য্যর সাথে পাহাড় করে থাকেন, তাহলে ইতিহাস মাহমুদ হাসানকে তৈরি করেছে,যার উদাহরণ দুনিয়াতে বিরল।যদি প্রথম যুগে উস্তাদ ও শাগরেদ এক সাথে হয়ে তাফসীর লিখে থাকেন,যা মাদারিস সমুহে পড়ানো হয়ে থাকে,নাম জালালাইন
তাহলে আল্লাহ তায়লা আমাদের আকাবিরদের মধ্যেও উস্তাদ ও শাগরেদ এমন দিয়েছেন,আল্লামা শাব্বির আহমদ উসমানী ছাত্র, আর শায়খুল হিন্দ মাহমুদ হাসান উস্তাদ,
উস্তাদ ছাত্র একত্রে তাফসীর লিখেছেন,যার নজীর এখনো নেই পৃথিবীতে।
যদি ইমাম বুখারী হাদীস শাস্ত্রে,বুখারী লিখে থাকেন,তাহলে তা বুঝার জন্য আল্লামা কাশ্মীরী তার শরাহ লিখেছেন,
জানিনা তার সমতুল্য কোন শরাহ নশ্বর ধরায় আছে নাকি?
প্রথম দিকে ইমাম মুসলিম, মুসলিম লিখেছিলেন,আল্লামা শাব্বির আহমদ উসমানী তার শরাহ"ফাতহুল মুলহিম" লিখে পৃথিবীতে নজর স্থাপন করেছেন, যা পাচ খণ্ডে লিপিবদ্ধ,
ইমাম আবু দাঊদ, হাদিসের জগতে আবু দাউদ লিখেছেন,তো খলীল আহমদ সাহারান পূরী( রহঃ)
তার ব্যাখা "বাযলুল মাজহুদ"লিখেছেন,যার উদাহরণ পৃথিবীতে এখনো নেই,
ইমাম মালিক মুয়াত্বা ইমাম মালিক লিখেছেন, শায়খুল হাদীস, ও সময়ের মুহাদ্দিস, মাওলানা জাকারিয়া কান্ধলভী, মুহাজিরে মাদানী সে সময় তার ব্যাখা লিখেছেন,আরবের এক শায়খ বলতে বাধ্য হলেন,ইহা পড়ে মনে হয়,না জানি ইমাম মালিক ইমাম আবু হানীফার মুকাল্লিদ ছিলেন।
দেওবন্দের উলামায়ে কেরাম ভিন্ন, একদিকে ইমাম বুখারীর কবর থেকে বেহেশতের সুঘ্রাণ বের হয়েছে,
এদিকে আল্লামা লাহুরির কবর থেকে ছয়মাস লাগাতার বেহেশতের সুঘ্রাণ বের হয়েছে,এরকম হাজারো উলামায়ে কেরামের কবর থেকে জান্নাতি ঘ্রাণ বের করে, প্রমাণ করেছেন, এরাই আহলে হক্ব,এরাই আল্লাহর নেক বান্দা,যারা নবীজির মিশনকে পূর্ণ করেছেন।
যে মিশন দিয়ে আল্লাহ তায়লা নবিজীকে পাঠিয়েছেন।
দয়া করে লিখাটা পড়ুন।।। ভাই মাফ চাই, ছাইড়া দেন ভাই,
ভাই দুইটা পায়ে ধরি ভাই, আর মাইরেন না, ভাই আমি রোজা রাখছি, আর আমুনা ভাই।।।
রোজার কথা শুনে থেমে গেলো দু'জন।
--- বাড়ি কই তোর??
--- কলাবাগান বস্তিতে
তুই মসজিদ থেকা চুরি করস? তোর কলিজা কত বড়?
পাশের লোকটা বললো, ভাই থামলেন কেন? দেন আর কয়ডা, রোজার মাসে চুরি কইরা বেড়ায়, সালারে লাত্থা, তুই চুরি করস আবার কিসের রোজা রাখস রে?
মিছা কথার জায়গা পাস না? এই বলেই
কান বর়াবর সজোরে আরেকটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলো।
ছেলেটা গালে হাত দিয়ে দেয়াল ঘেসে বসে রইলো। কান্না আর হৈহৈল্লোড় শব্দে ইমাম সাহেব দো'তলা থেকে নেমে এলেন। দেখলেন, মসজিদের আঙিনায় লোক জড়ো হয়ে আছে। আজকে এলাকার মসজিদে ইফতার পার্টি, সেই আয়োজন চলছিলো মসজিদে।
ইমাম এগিয়ে গিয়ে বললেন- কি হইছে এখানে?
লোকেরা বলা শুরু করলো, হুজুর চোর ধরছি! ছেচড়া চোর!
ইমাম সাহেব এগিয়ে গিয়ে দেখলেন, ১২-১৩ বয়সের এক ছেলে দেয়াল ঘেসে বসে আছে। ছেলেটির পুরো গাল চোখের পানিতে ভেসে গেছে। গায়ের রঙ কালো হলেও আঘাতের দাগরেখাগুলো স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।
ইমাম সামনে আসাতে ছেলেটি আরও ভয় পেয়ে গেলো। এবার আর তার রেহাই নাই। হাত পা কাঁপছে।
--- বললেন, কি চুরে করছে? দেখি?
পাশের লোকটি পলিথিনের পোটলা এগিয়ে দিয়ে বললো- দেখেন হুজুর, দেখেন! ইফতারের আয়োজন করছে, এই ফাঁকে শালায় পলিথিনে ভইরা লইছে। এক্কেরে হাতেনাতে ধরছি!
হুজুর পলিথিন হাতে নিয়ে দেখলেন, আধা কেজির মত জিলাপি, ৬ টা আপেল, আর কিছু খেজুর ভিতরে ছিলো।
হুজুর বললেন, তাই বইলা এভাবে গণপিটুনি দিছো কেন? এইটা কেমন বিচার? বাচ্চারে কেউ এভাবে মারে নাকি?
এবার লোকজনের উত্তেজনা একটু থেমে গেলো।
হুজুর ছেলেটিকে জিজ্ঞাস করলেন- তর বাপ কি করে?
ছেলেটা কিছুটা স্বস্থি ফিরে পেলো। বললো- সাইকল ঠিক করতো, বাপে অসুখ তাই অহন কাম করে না। হুজুর আমারে ছাইড়া দেন। আমি আগে কুনোদিন চুরি করি নাই। কয়েকটা বাসায় হাত পাইতা একটা দানাও সাহায্য পাই নাই। পরে দেহি মসজিদে খাবার। বাড়িতে নিবার জন্যে তুইলা নিছি। ভুল হইয়া গেছে আমারে মাফ কইরা দেন।
পাশ থেকে লোকগুলো বলছে, এগুলা সব মিথ্যা কথা, ধরা খাইয়া এখন ভদ্র সাজে।
হুজুর বললেন- ইফতার শেষ হোক, সত্য মিথ্যা দেখে ওর বাপের কাছে জানিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হবে। ছেলেটাকে কেউ পানি দেও, ও অনেক হাঁপায়তেছে।
একজন পানির বোতল এগিয়েয দেয়। ছেলেটি উত্তর দেয়- আমি রোজা!
ইমাম সাহেব এবার লোকগুলোর দিকে একটু বিরক্ত মুখ নিয়ে তাকালেনন।
ছেলেটিকে অজু করিয়ে তার পাশে বসিয়ে ইফতার করালেনন।
ইফতার আর নামাজ শেষে সেই দু'জন লোক ও ছেলেটিকে নিয়ে ইমাম সাহেব বস্তির দিকে গেলেন। এক চালা টিনের ঘর, বাইরে দুয়ারে ছেলেটির বাবা বসে আছে।
সব কিছু শুনে বাবাটি তার ছেলের গালে থাপ্পড় মারার জন্যে হাত উঠায়।
হুজুর বাধা দিয়ে বলেন- যথেষ্ট মার হইছে, ওরে আর মাইরেন না।
বাবাটি কাঁদতে কাঁদতে বলে- বিশ্বাস করেন হুজুর, আমার ছেলেরে আমি এই শিক্ষা দেই নাই। বেশ কয়দিন ধইরা আমার অসুখ। কাম কাজ নাই, পোলাপানগো ঠিকমত খাওন যোগাইতে পারি না। কিন্তু পোলায় চুরি করবো কুনোদিন ভাবি নাই। ও অমন পোলা না।
এসব কথা বলতে বলতে ছেলেটির বোন বেরিয়ে আসে। মেয়েটির বয়স ৬ বছর হবে।
বোনটি তার ভাইয়ের দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়, কোমল স্বরে বলে- ভাই, জিলাপি আনো নাই?? তুমি না আইজকা জিলাপি আনবা কইছো??
ভাইটির মুখে কোনো কথা নেই, চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে।
এর মধ্যেই আরেকটি ৪ বছরের ছোট্ট বোন ঘর থেকে ছুটে আসে- ভাই, ওরে না, ওরে না আমারে আগে দিবা, আমারে।
এই বলেই হাতটি বাড়িয়ে দেয়, ভাইয়ের মুখের দিকে কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে- ভাই তুমি একলা একলাই খাইয়া আইছো? আমার জন্যে আনো নাইই??
ভাইটি এবার ছোট বোনের কথা শুনে কেঁদে ফেলে।
বোন দুইটা মন খারাপ করে ঘরে ঢুকে যায়। ছোট বোনটা মায়ের কোলে উঠে কান্না জুড়ে দেয়।
মা আচল দিয়ে মুখ চেপে বাইরে বের হয়ে আসে, বলে-
মাইয়া দুইটা কয়দিন ধইরা জিলাপি খাইতে চাইতেছে, ওগো বাপের অসুখ। টেকা পয়সাও নাই, তাই পোলাটারে বাইরে পাঠাইছিলাম বাড়ি বাড়ি গিয়া কিছু সাহায্য চাইয়া আনতে। ছোট মানুষ বুঝে নাই, তাই ভুল করে ফেলছে। খাবার সামনে পাইয়া নিয়া নিছে, অরে আফনেরা মাফ কইরা দিয়েন।
এদিকে বাচ্চা মেয়েটা চোখ ভিজিয়ে মায়ের কাছে কেঁদে কেঁদে নালিশ করেই যাচ্ছে- মা, ভাই আইজকাও জিলাপি আনে নাই, ভাই আমাগো খালি মিছা কথা কয়!
ভাইটি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে
হঠাৎ বোনটি খেয়াল করে ভাইয়ের শার্টের পকেট ভেজা!
ভাই তোমার পকেটে কি? এই বলেই হাত ঢুকিয়ে দেয়, বের করে দেখে দুইটা জিলাপি!!
ভাই তুমি আনছো? দুই বোনের মুখে হাসি ফুটে উঠে!
ভাইটি এবার ভয়ে মুখ চুপসে যায়! লোক দুটির দিকে ভয়ার্তভাবে তাকিয়ে বলে- স্যার এইটা আমি চুরি করি নাই।
আশা ভরা চোখ নিয়ে হজুরের দিকে তাকিয়ে বলতে থাকে- বিশ্বাস করেন হজুর, এইটা আমার ভাগের জিলাপি, ইফতারির সময় আমার ভাগেরটা উঠাইয়া রাখছিলাম বোইন দুইটার জন্যে, সত্যি আমি চুরি করি নাই হজুর।
সবাই স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
হজুর ছেলেটারে টেনে বুকে জরিয়ে নেয় মাথাটা বুকে চেপে ধরে রেখে চোখের পানি ফেলতে থাকে,
লোক দুইটা এবার স্বশব্দে কাঁদতে থাকে,
কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটির বাবার কাছে এগিয়ে যায় বাবার হাতদুটি ধরে বলে-
ভুল হয়ে গেছে আমাদের, আপনার ছেলের গায়ে হাত তুলছি আমরা, মাফ করে দিয়েন আমাদের।
লোকটি পকেট থেকে মানিব্যাগটা বের করে বাবার হাতে দিয়ে দেয়, বলে- এখানে যা আছে তা দিয়ে বাচ্চাদের কিছু ভালোমন্দ খাওয়ায়েন।
এক আবেগ ঘনময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়,
তারা লজ্জায় আর বেশিক্ষণ থাকতে পারলো না, বিদায় নিয়ে দ্রুত সবাই চলে এলো।
আমরা শুধু অপরাধীকে দেখি কিন্তু অপরাধের পেছনের অংশটুকু দেখি না, দেখতে চাই য়ো না।
আমরা চকের বাজার, বাবু বাজার, খানদানী, নামিদামি, নানা শাহী ভোজ দিয়ে ইফতার করতে যাই অথচ পাশের মানুষটি দু'মুঠো খাবারের জন্যে রাস্তায় বের় হয়েছে সেদিকে কারো কোনো দৃষ্টিপাত নেই।
নামিদামি রেস্টুরেন্ট গেলে আর ইভেন্ট করে সেল্ফি তুললে কি আমাদের নেকি দশ গুণ বেশি হয়ে যাবে??
কোন সমাজে বসবাস আমাদের??
আমরা ইফতার পার্টির নামদিয়ে পিকনিক করি, আমরা এলাকায় দোয়া মাহফিল করে এবাসায় ওবাসায় প্যাকেট বিলি করি, যাদের খাদ্য আছে তাদের মাঝেই চলে বিতরণ, অথচ যারা অভাবী তাদের ভাগ্যে এর কিছুই জোটে না।
আমরা পছন্দের জামা কিনতে গেলে এক দুইশ টাকা বেশি গেলেও কিছু যায় আসে না, কিন্তু ফকিরকে পাঁচ টাকার বেশি দিতে গেলে আত্মায় গিয়ে লাগে।
আমরা কি পারিনা ইফতারির কিছু খাবার ওদের দিতে?
আমরা কি পারিনা সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু টাকা ওদের দান করতে??
আমরা কি এতটাই ফকির ??
আসলে ফকির আমরা না, ফকির ওরাও না,ফকির হচ্ছে আমাদের মন-মানসিকতা!!
ফকির হচ্ছে আমাদের বিবেক।
09/06/2016
একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে একটি ব্যাঙ রেখে পানি গরম করা শুরু করা হল ,,,।
পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যাঙটিও তার শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
সহনীয় পর্যায়ে নিতে শুরু করল যদিও সে চাইলেই লাফ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারত
কিন্তু সে লাফ দেয় না,,, । সে সহ্য করতে থাকে,,, ।
আস্তে আস্তে তাপমাত্রা যখন আরও বাড়িয়ে ফুটন্ত গরম করা হয়
তখন ব্যাঙটি আর সহ্য করতে না পেরে সে সিদ্ধান্ত নেয় লাফ দেওয়ার
কিন্তু তখন আর তার লাফ দেওয়ার মত শক্তি তার থাকে না,,,।
পানি আরও গরম হতে থাকে যার ফলে সে গরম পানিতে ফুটে একটা সময় মারা যায় ,,,।
এখন যদি প্রশ্ন করা হয় ব্যাঙটি কিভাবে মারা গেছে ??
তাহলে অধিকাংশ মানুষই বলবেন গরম পানির কারনে মারা গেছে,,, ।
কিন্তু না সে গরম পানির জন্য মারা যায়নি
সে মারা গেছে লাফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেরিতে নেওয়ার কারনে,,,।
ঠিক তেমনি প্রতিটি মানুষের স্থান কাল পাত্র ভেদে
একেকটা বিষয়ে সহ্য করার ক্ষমতা থাকে কিন্তু
আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখতে হবে ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও
আমাদের বুঝতে হবে কখন সরে যাওয়া উচিত অর্থাৎ
সঠিক সময়ের সিদ্ধান্ত সঠিক সময় নেওয়া উচিত ,,,।
আবেগ ভালবাসা দেখিয়ে দেরিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত না ,,,।
”””So Let us decide when to jump,,,!
Let's jump while we still have the strength...,,,”””
09/06/2016
রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহঃ১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।২. স্ত্রী সহবাস করলে ।৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)।৪. ইচ্ছাকৃত মুখভরে বমি করলে।৫. নস্য গ্রহণ করা, নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে।৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে ।৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে।৮. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি।১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে।১২. ধূমপান করা, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে ।১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।১৫. মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হওয়া এ অবস্থায় শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্বামী-স্ত্রী সহবাস অথবা পানাহার করে তবে কাজাও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। কাফফারার মাসআলা অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের থেকে জেনে নেবে। # রোজার মাকরুহগুলো:* অনাবশ্যক কোনো জিনিস চিবানো বা চাখা* কোনো দ্রব্য মুখে দিয়ে রাখা* গড়গড় করা বা নাকের ভেতর পানি টেনে নেয়া কিন্তু পানি যদি নাক দিয়ে গলায় পৌঁছে যায়, তাহলেরোজা ভেঙে যাবে* ইচ্ছাকৃত মুখে থুথু জমা করে গলাধঃকরণ করা* গীবত, গালা-গালি ও ঝগড়া-ফাসাদ করা। কেউ গায়ে পড়ে ঝগড়া-ফাসাদ করতে এলে বলবে, আমি রোজাদার তোমাকে প্রত্যুত্থর দিতে অক্ষম* সাড়া দিন নাপাক অবস্থায় থাকা। এটি অত্যন্ত গুনাহের কাজ* অস্থিরতা ও কাতরতা প্রকাশ করা* কয়লা চিবিয়ে অথবা পাউডার, পেস্ট ও মাজন ইত্যাদি দ্বারা দাঁত পরিষ্কার করা # যেসব কারণে রোজা না রাখলেও ক্ষতি নেই:* কোনো অসুখের কারণে রোযা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেললে অথবা অসুখ বৃদ্ধির ভয় হলে। তবে পরে তা কাযা করতে হবে।* গর্ভবতী স্ত্রী লোকের সন্তান বা নিজের প্রাণ নাশের আশঙ্কা হলে রোজা ভঙ্গ করা বৈধ তবে কাযা করেদিতে হবে।* যেসব স্ত্রী লোক নিজের বা অপরের সন্তানকে দুধ পান করান রোজা রাখার ফলে যদি দুধ না আসে তবে রোজা না রাখার অনুমতি আছে কিন্তু পরে কাযা আদায় করতে হবে।* শরিয়তসম্মত মুসাফির অবস্থায় রোযা না রাখার অনুমতি আছে। তবে রাখাই উত্তম।* কেউ হত্যার হুমকি দিলে রোযা ভঙ্গের অনুমতি আছে। পরে এর কাযা করতে হবে।* কোনো রোগীর ক্ষুধা বা পিপাসা এমন পর্যায়ে চলে গেল এবং কোনো দ্বীনদার মুসলিম চিকিৎসকের মতে রোজা ভঙ্গ না করলে তখন মৃত্যুর আশঙ্কা আছে। তবে রোযা ভঙ্গ করা ওয়াজিব। পরে তা কাযা করতে হবে।* হায়েজ-নেফাসগ্রস্ত (বিশেষ সময়ে) নারীদের জন্য রোজা রাখা জায়েজ নয়। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে।
09/06/2016
প্রথম ছবি দুটো আমাদের কী মনে করিয়ে দেয়? বলতে পারেন এ ছোট্ট বাচ্চা দুটোর মা কোথায়?
শুধু চোখ বন্ধ করে একটু ভাবুন...
হৃদয়ে রক্তক্ষরণ, চোখের পানি আর দীর্ঘশ্বাস শুধুই দীর্ঘশ্বাসই ফেলবেন, তাই না?
-এই বুঝি বুঝি আমাদের চট্টগ্রাম থেকে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের পাওনা ছিলো????
প্রশ্নঃ- আর কতদিন পর খুনীরা সনাক্তপূর্বক ধরা পড়বে?
Click here to claim your Sponsored Listing.