24/06/2018
যেসব শিক্ষক ছাত্রদের এখনো নিয়মিত ক্লাস নেন এবং তাদের খেটে পড়ানোর চেষ্টা করেন, সেসব শিক্ষক এখনো ছাত্রদের কাছে পেতে পারছেন বিশেষ শ্রদ্ধা। আগে আমাদের সমাজজীবনে শিক্ষকদের যে মর্যাদা ছিল, বর্তমানে তা আর নেই। এই না থাকার জন্য ছাত্ররা দায়ী নয়। শিক্ষকেরাই দায়ী। আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন সে স্কুলের কোনো শিক্ষক আমাকে বলেননি, তুমি যদি আমার কাছে না পড়, তবে পরীক্ষায় পাস করতে পারবে না। অনেক শিক্ষক সে সময় স্কুলে পড়ানোর পর অবসর সময়ে গৃহশিক্ষকতা করতেন। নিতেন তার জন্য বেতন। কিন্তু তারা তাদের এই গৃহশিক্ষকতা করার কারণে স্কুলে ছাত্র পড়ানোয় কোনো গাফিলতি করেননি। কিন্তু বর্তমানে সেই একই স্কুলের শিক্ষকেরা ছাত্রদের বলছেন, তোমরা যদি আমার কাছে কোচিং না কর, তবে পরীক্ষায় পাস করতে পারবে না। স্কুলে এরা বেতন নিচ্ছেন; কিন্তু স্কুলে এরা কার্যত পড়াচ্ছেন না। কোচিং করে হতে চাচ্ছেন বিত্তবান। শিক্ষকদের এই বাণিজ্যিক মনোভাব তাদের সামাজিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে।