***এটাই সত্য এবং একমাত্র কারণ ****
NTRCA এর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘মৌখিক প্রার্থীদের নানা বিষয় দেখে নম্বর দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের প্রেজেন্টেশন কেমন, পোশাক, কথাবার্তা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের যোগ্যতা রয়েছে কি না এগুলো গভীরভাবে দেখা হয়েছে। যারা সবকিছুতে ঠিক ছিল, তাদের পাস করানো হয়েছে। তবে ন্যূনতম যোগ্যতা নেই এমন প্রার্থীদের ফেল করানো হয়েছে। কাউনে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়নি।’
সুত্রঃ The Daily Campus
কথোপকথন
সত্য যখন এসেছে মিথ্যা বিলুপ্ত হবেই
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি ১৬ জুন প্রকাশ করা হবে। তবে ১৬ জুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও ২২ জুন দুপুর ১২টা থেকে আবেদন ও ফি জমা দেয়া যাবে। ১০ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত এই আবেদন ও ফি জমা দেয়া যাবে। এবার গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর বয়স, নারী কোটা, সনদের বয়সসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন আসছে।
বয়স ধরা হতে পারে অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের তারিখ থেকে।
অর্থাৎ চূড়ান্ত ফল প্রকাশের তারিখে প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর বা তার কম হতে হবে। আর সনদের মেয়াদ ধরা হবে নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের তারিখ থেকে ৩ বছর। সে অনুযায়ী ৪ জুন থেকে প্রার্থীর বয়স ও সনদের মেয়াদ ধরা হচ্ছে।
এ ছাড়াও বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে। আবেদনকারী মিথ্যা তথ্য দেয়ার মাধ্যমে আবেদন করলে এবং সে অনুযায়ী নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত হলে এই সুপারিশ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৫ মে- এর চিঠির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে কোনো মহিলা কোটা থাকবে না।
নিয়োগ সুপারিশে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যদি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুপারিশকৃত প্রাথীকে নিয়োগপত্র দিতে ব্যর্থ হয়, তবে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী ওই সব প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানপ্রধানের এমপিও স্থগিত-বাতিলকরণ এবং ম্যানেজিং কমিটি-গভর্নিং বডি বাতিলকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিলকৃত শূন্যপদগুলোর চাহিদা সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে সংগৃহীত হওয়ায় ভুল চাহিদাজনিত কারণে নিয়োগ সুপারিশে কোনো জটিলতার জন্য এনটিআরসিএ দায়ী থাকবে না।
গত ৪ জুন অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৬০ হাজার ৫২৮ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বয়স ও সনদের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে উর্ত্তীণ প্রার্থীরা ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করবেন।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১২ ও ১৩ জুলাই নেয়া অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধন লিখিত পরীক্ষায় ৮৩ হাজার ৮৬৫ জন উত্তীর্ণ হন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে ৮১ হাজার ২০৯ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে ৬০ হাজার ৫২১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয় গতকাল।
অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৬৫৬ জন পরীক্ষার্থী। আর এ পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ২০ হাজার ৬৮৮ জন।
গত ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মৌখিক পরীক্ষা চলতি বছরের ৩১ মে শেষ হয়েছে। ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে ১৪ অক্টোবর অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এতে ৮৩ হাজার ৮৬৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। গড় পাসের হার ছিলো ২৪ শতাংশ। পরে তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন।
অষ্টাদশ নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা গত ১২ ও ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়। ১২ জুলাই দেশের আট জেলায় সকাল নয়টা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ১৩ জুলাই কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এনটিআরসিএ ১৮তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারিতে ৮ লাখ ৬০ হাজারের বেশি প্রার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ২ নভেম্বর অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। এতে প্রায় ১৯ লাখ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেন। গত ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারিতে ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৯ জন আবেদন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৩৩ জন। গত বছরের ১৫ মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
এতে উত্তীর্ণ হয় ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা স্কুল-২ পর্যায়ে ২৯ হাজার ৫১৬ জন, স্কুল পর্যায়ে ২ লাখ ২১ হাজার ৬৫২ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১৩ জনসহ সর্বমোট ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮১ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্বিক পাসের গড় হার ছিলো ৩৫ দশমিক ৮০ শতাংশ।
উল্লেখ্য, প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করা প্রার্থীরা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ পান আর শুধুমাত্র লিখিত পরীক্ষায় পাস করা প্রার্থীরাই মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। মৌখিক পরীক্ষা শেষে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগের প্রার্থী বাছাই ও সুপারিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান এনটিআরসিএ। ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে যাত্রা শুরুর সময় শুধু প্রাক-যোগ্যতা নির্ধারণী সনদ দেয়া হতো। সেটা দেখিয়ে শিক্ষক পদে আবেদন করা যেতো।
কিন্তু শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনা কমিটির নেয়া পরীক্ষাই ছিলো চূড়ান্ত। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে প্রার্থী বাছাইয়ের চূড়ান্ত দায়িত্ব পায় এনটিআরসিএ।
07/06/2025
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ সম্মানিত হবু শিক্ষকদের বলছি,
নিবন্ধন সনদ পাওয়ার পর যদি দেখবেন,
🥀 সনদে নিজের নাম
🥀 পিতার নাম
🥀 মাতার নাম
🥀 জন্ম তারিখ
🥀 নিবন্ধন রোল
🥀 নিবন্ধন পাসের সাল
ইত্যাদি ভুল থাকে তাহলে এগুলো সংশোধন করতে হবে।
এগুলো ছাড়া অন্যগুলো সংশোধনের প্রয়োজন নেই।
পূজা মন্ডপে গিয়ে মুসলিমদের গান গাওয়ার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে কিছু প্রশ্ন হলো
এক. তোমরাই তো বলো, এ উৎসব সবার, সর্বজনীন। ডিসিও তো বললেন, এ পূজা আমাদেরও। তাহলে আমরা গান গাইলে সমস্য কী?
দুই. রবি ঠাকুরের লেখা সঙ্গীত যদি আমরা জাতীয় সঙ্গীত বানিয়ে গাইতে পারি, তাহলে আমাদের সঙ্গীত তাদের আলয়ে চলবেনা কেন?
তিন. এ ঘটনার মাধ্যমে এটি প্রমাণিত হয় কী ধর্ম যার যার উৎসব সবার?
জলের ১৫০ মিটার গভীরে পারমানবিক বিস্ফোরণের দৃশ্য
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Chittagong
CHITTAGONG