ARIF GAZI FAN CLUB

ARIF GAZI  FAN CLUB

Share

আপনাদের ভালবাসায় পরিপূর্ণ হতে চাই!!!"

29/08/2025

🌟 ভবিষ্যৎ – তোমার হাতে গড়া স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি 🌟

ভবিষ্যৎ কখনোই আগে থেকে নির্ধারিত নয়, এটা তুমি তৈরি করো তোমার আজকের সিদ্ধান্ত, পরিশ্রম আর সাহস দিয়ে।

প্রতিদিনের ছোট ছোট প্রচেষ্টা, ব্যর্থতা থেকে শেখা আর নিজের ওপর বিশ্বাস—এই তিনটি জিনিসই তোমাকে গড়ে তোলে। যেকোনো কঠিন সময়, মনে রাখো:
🛤️ তোমার পথ হয়তো কঠিন, কিন্তু তা কখনোই অচল নয়।

ভয় নয়, বিশ্বাস রাখো নিজেকে। তুমি যা হতে চাও, তা হতে পারো—শুধু এখন থেকেই শুরু করতে হবে।

🔥 সফলতা ভবিষ্যতে অপেক্ষা করছে, কিন্তু সেটা পাওয়ার বীজ আজ বপন করতে হবে।

চলো, স্বপ্ন দেখি, কাজ করি, আর নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই লিখে ফেলি। 💪✨

#ভবিষ্যৎ_তোমার_হাতে #মোটিভেশন #নিজেকে_নিয়ে_গর্বিত #স্বপ্নপূরণ

20/06/2025

শুভ রাত্রি

22/10/2021

আমার মেয়ে আর বন্ধু Deel Mohammad

21/10/2021

একজন স্ত্রী ১৭ বৎসর ঘর-সংসার করার পর স্বামীর সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, "পুরুষগণ আল্লাহ প্রদত্ত এক অশেষ নেয়ামত"।
কেননা,

তারা স্বীয় যৌবনকে নিজ স্ত্রী-সন্তানদের জন্য কুরবান করে দেয়। তাদের উপর ভর করেই আমরা জীবনের সুখ-শান্তি ও অপার সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকি।
পুরুষ জাতি তো এমন এক স্বত্বা, যারা স্বীয় সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎের জন্য সর্বাত্মক পরিশ্রম করে থাকেন।
কিন্তু এমন কঠোর পরিশ্রম আর কুরবানী সত্যেও আমরা তাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলি একরাশ হতাশা আর দুঃখ-কষ্ট দিয়ে।

যদি তারা একটু ফ্রেশ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বাহিরে যায় তাহলে বলি, 'বে-পরওয়াহ'
যদি ঘরে বসে থাকে তাহলে বলি, অলস ও অকর্মণ্য!
যদি সন্তানদের ভুলের জন্য শাসন করে তাহলে বলি, নির্দয় ও হিংস্র!
যদি স্ত্রীকে চাকরী করা থেকে বারণ করে তাহলে বলি, সেকেলে বা অনাধুনিক!
যদি মায়ের সাথে সুসম্পর্ক রাখে তাহলে বলি, 'মা পাগল'
যদি স্ত্রীর সাথে প্রেমময় আচরণ করে তাহলে বলি, বৌ পাগল!
এতদসত্যেও একজন পুরুষ পৃথিবীর এমন বীর, যে তার সন্তানদেরকে সর্বক্ষেত্রে নিজের চেয়েও সুখি দেখতে চায়।
একজন পিতা এমন এক রোবট, যিনি তার সন্তানদের থেকে সর্বদিক থেকে নৈরাশ হওয়ার পরেও তাদের মনপ্রাণ উজাড় করে ভালোবাসে এবং সর্বদা তাদের মঙ্গলের জন্য দুআ করে।

একজন বাবা তো এমন এক মহাপুরুষ , যিনি স্বীয় সন্তানদের সকল কষ্ট সহ্য করেনেন। তখনও, যখন সন্তান বাবার পায়ের উপর পা রেখে চলতে শিখে এবং তখনও, যখন বড় হয়ে বাবার বুকের উপর পা রেখে চলে যায়।

একজন বাবা পৃথিবীর এমন এক নেয়ামত, যিনি সারাজীবনের কষ্টার্জিত মহামূল্যবান সম্পদগুলো অকাতরে সন্তানদেরকে দিয়ে দেন।
যদি মা সন্তানদেরকে ৯ মাস পেটে ধারণ করে থাকেন; তবে বাবা সারাজীবন স্বীয় ব্রেইনের মধ্যে ধারণ করে চলতে থাকেন।
পৃথিবীটা ততক্ষণই সু্ন্দর ও উপভোগ্য মনে হয় যতক্ষণ 'বাবা' নামক সত্বার ছায়া মাথার উপর বিরাজমান থাকে।

তাই বেঁচে থাকলে বাবাদের কদর করুন। চলে গেলে তাঁদের জন্য দু'হাত তুলে দু'আ করুন।
আল্লাহ তা'আলা সকলের মা-বাবাকে সুখে-শান্তিতে রাখুন।

আমিন 🤲
#সংগৃহীত

11/10/2021
গোয়েন্দা নিউটন এবং ধূর্ত শ্যালোনার ফাঁসি 15/09/2021

Collected
গোয়েন্দা নিউটন এবং ধূর্ত শ্যালোনার ফাঁসি

- আবদুল গাফফার

টাকা দেখলে নাকি কাঠের পুতুলও হাঁ করে—ওসব প্রবাদের কথা। তবে পুতুল হাঁ করুক বা না করুক, মানুষে করে। রাস্তায় এক টাকার কয়েন পড়ে থাকতে দেখলে চোখ চকচক করে ওঠে নিপাট ভদ্রলোকেরও। কিন্তু এই ভদ্রলোকদের সঙ্গে বিজ্ঞানীদের খানিকটা দূরত্ব যদি না–ই থাকে, তাহলে আর তাঁরা বিজ্ঞানী কেন? আর আপনি যদি এই ধারণায় শিকড় গেঁড়ে বসে থাকেন তাহলে ভুল করবেন। বিজ্ঞানীকুলে জোচ্চোর–বাটপারের অভাব নেই। আবার প্রতিশোধপরায়ণ, হিংসুটে টাকালোভী লোকেরও সমাগমও বিজ্ঞানীকুলে কম নয়। আছেন গোয়েন্দা বিজ্ঞানীও।

সবাই তো আর আইনস্টাইনের মতো আলাভোলা ভালো মানুষটি নন। নিউটনের কথাই ধরা যাক। আইনস্টাইনের আগে মহাবিজ্ঞানী বললে একজনের কথাই মনে হবে, স্যার আইজাক নিউটন। নিউটন কিন্তু মোটেও আলাভোলা ভালো মানুষটি ছিলেন না। রাগী, একরোখা কখনো কখনো বড্ড অসৎও ছিলেন তিনি। আর ছিল টাকার লোভ। নইলে এত বড় বিজ্ঞানী হয়ে কেন অ্যালকেমি চর্চা করেছিলেন, চেয়েছিলেন লোহাকে সোনায় পরিণত করে সম্পদের পাহাড় গড়বেন। কিন্তু বোকা বিজ্ঞানীর মাথায় এটা কেন আসেনি, যখন রাশি রাশি সোনার স্তূপ জমা হবে পৃথিবীর বুকে, তখন আর সেই সোনার দাম লোহার চেয়ে একটুও বেশি হবে না!

নিউটন চিরকুমার ছিলেন। ছিলেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের ‘লুকেসিয়ান অধ্যাপক’, যে পদটিকে এখনো শিক্ষাক্ষেত্রে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পদ বলে মনে করা হয়। মাইনেকড়ি ভালোই পেতেন নিউটন। তবু অবসরের পর জমানো টাকায় তাঁর মন ভরল না। আসলে টাকা জমিয়েছিলেন কিনা কে জানে, হয়তো অ্যালকেমির গবেষণা করতে গিয়ে সব উড়িয়ে ফেলেছিলেন। তিনি গেলেন ব্রিটিশরাজের টাঁকশালের দায়িত্ব নিতে। অনেকে মনে করেন, দায়িত্বটা নিতে তিনি বাধ্য ছিলেন। কারণ ব্রিটিশরাজের হুকুম অমান্য করার সাধ্য তখন কার! আর সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই শার্লক হোমস বনে যেত হলো তাঁকে। অথচ নিউটন যখন গোয়েন্দাগিরি করছেন তার প্রায় দেড় শ বছর পর শার্লক হোমসের স্রষ্টা স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের জন্ম।

আসলে নিউটনকে দেওয়া হয়েছিল টাঁকশালের রয়্যাল মিন্ট বিভাগের ওয়ার্ডেনের পদ। রয়্যাল মিন্ট হলো ইংল্যান্ডের ধাতব মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার বিভাগ। সাম্মানিক পদে নিউটনকে নিয়োগ করা হয়েছিল, কাজকর্ম তেমন না করলেও চলত। তবে বিজ্ঞানী বলে কথা, চুপচাপ বসে থাকার বান্দা তিনি নন। সিরিয়াসলি নিলেন কাজটাকে। ফলে ওয়ার্ডেন থেকে পদোন্নতি পেয়ে হলেন সেই বিভাগের প্রধান।

নিউটন যখন টাঁকশালের দায়িত্ব নিলেন তখন ইংল্যান্ডের ঘরে-বাইরে ঘোর দুর্দিন। রাজা তৃতীয় উইলিয়াম মাঝে মাঝে ‘গুপি গাইন বাঘা বাইন’–এর সেই হল্লা রাজার মতো চেঁচিয়ে বা নেচে–গেয়ে বলছেন, ‘হা হা হা, বিলেত চলেছে যুদ্ধে! যুদ্ধে যুদ্ধে যুদ্ধে!’ যুদ্ধটা তিনি সুন্ডি রাজার সঙ্গে নয়, করতে চান ফ্রান্সের রাজার সঙ্গে। তার তোড়জোড় চলছে। এ জন্য দরকার বিপুল টাকা। তাই ব্রিটিশ অর্থনীতিতেও তখন ঘোর দুর্দিন। দেদার জাল হচ্ছে মুদ্রা, আসল-নকলের ফারাক করা মুশকিল।

ইংল্যান্ডে তখন রুপার মুদ্রার প্রচলন ছিল। কিন্তু মুদ্রায় যে পরিমাণ রুপা থাকে তার চেয়ে খোলাবাজারে সাধারণ রুপার দাম অনেক বেশি। ধরা যাক, এক পাউন্ডের একটা মুদ্রায় ৫ গ্রাম রুপা আছে। অন্যদিকে বাজারে ৫ গ্রাম সাধারণ রুপার দাম ১০ পাউন্ড। তাই পাউন্ড গলিয়ে রুপায় পরিণত করলে বিরাট লাভ। তখন রাজা বললেন যে, সব রৌপ্য মুদ্রা তিনি বাজার থেকে তুলে নেবেন। কিন্তু তাতেও লাভ হলো না। দেশ আর দেশের বাইরে থেকে আসছে রাশি রাশি নকল মুদ্রা। তখন সরকারের টনক নড়ল। আইন পাস করিয়ে ঘোষণা করা হলো টাকা জালকারীদের একমাত্র শাস্তি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড। তারপর রাজা নিউটনকে অনুরোধ করলেন কিছু একটা করতে।

বলবিদ্যার জটিল সূত্রগুলোর সমাধান যাঁর মাথা বেরিয়েছে, যিনি বৈজ্ঞানিক সমাজকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন যে, বলের কারণে গাছের আপেল মাটিতে পড়ে, সেই একই বলের কারণে পৃথিবী আর গ্রহরা সূর্যের চারপাশে ঘোরে—তিনি কয়েকজন ছিঁচকে জোচ্চোরকে ধরতে পারবেন না, তা কি হয়!

ওদিকে রাজার এক প্রিয়ভাজন আছেন। অত্যন্ত ধূর্ত চোরাকারবারি। নাম তাঁর উইলিয়াম শ্যালোনার। ব্রিটেনে তখন প্রোটেস্টান্টদের জয়জয়কার। উগ্রবাদী প্রোটেস্টান্টরা ক্যাথলিকদের আক্রমণ করছে, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে, ছড়িয়ে পড়ছে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বে। রাজা এর বিরুদ্ধে কঠোর হস্ত। সাম্প্রদায়িক হিংসা যারা ছড়াচ্ছে, তাদের কঠোর শাস্তি দিচ্ছেন রাজা। এই ব্যাপারটাকেই তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করেন শ্যালোনার। উগ্রবাদী প্রোটেস্টান্টদের উসকে দিয়ে জ্বালিয়ে দিচ্ছেন ক্যাথলিকদের ঘরবাড়ি। তারপর যারা এই দুষ্কর্ম করছে তাদেরই ধরিয়ে দিচ্ছেন রাজার পাইক-পেয়াদাদের হাতে। নিজে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে নায়ক বনে যাচ্ছেন।

সেই শ্যালোনারই নিউটনের বিরুদ্ধে আঙুল উঁচিয়ে বলেন, এই বিজ্ঞানীই আসলে চোরাকারবারির হোতা, এঁকে সরিয়ে দিলেই বন্ধ হবে জাল টাকার কারবার। শুনে নিউটন তো মহাখাপ্পা! তার ওপর তিনি ভীষণ প্রতিশোধপরায়ণ। আর তাঁকেই কিনা চটিয়েছেন ধোঁকাবাজ শ্যালোনার! নিউটন কিছুটা জানতেন শ্যালেনারের দুষ্কর্মের কথা। কানাঘুষাও শুনেছিলেন এই শ্যালেনারই জাল টাকার কারবারিদের চাঁই, তাঁর দৃষ্টি এখন রয়্যাল মিন্টের প্রধান পদটির দিকে। কিন্তু প্রমাণ কই? নিউটন তাই গোয়েন্দা বনে গেলেন। উদ্দেশ্য এক ঢিলে দুই পাখি শিকার, ব্রিটেনের সব টাকা চোরাকারবারিদের ধরা আর মূল হোতা শ্যালোনারকেও শূলে চড়ানো।

ছদ্মবেশ নিয়ে ভিখারি সেজে অলিগলিতে ঘুরে বেড়াতে শুরু করলেন নিউটন। শহরের চোর-বাটপার, ভিখারিদের সঙ্গে গড়ে তুললেন সখ্য। এ জন্য গাঁটের পয়সা খরচ করতেও কুণ্ঠা ছিল না তাঁর। ভয় দেখিয়ে, টাকা খাইয়ে দলে ভেড়ালেন শ্যালোনারের চ্যালাদের, বের করে নিলেন তাদের পেটের কথা। ধরা পড়ল ২৮ জন জাল টাকার কারবারি। সেই সঙ্গে প্রমাণ মিলল, শ্যালোনারই পালের গোদা। শ্যালোনার তখন হার শিকার করলেন। চিঠি লিখে ক্ষমা চাইলেন নিউটনের মানহানির জন্য। কিন্তু নিউটনের মন গলেনি। বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলো শ্যালোনার। ১৬৯৯ সালের কোনো একদিন ফাঁসি হয় শ্যালোনারের। প্রথম কেসেই তাই বাজিমাত গোয়েন্দা নিউটনের।

লেখক: সহসম্পাদক, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রথম আলো

সূত্র: নিউটন অ্যান্ড দা কাউন্টারফেইটার: দা আননোন ডিটেকটিভ ক্যারিয়ার অব দা ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট সায়েন্টিস্ট, টমাস লেভেনসন ও সায়েন্স ব্লগস ডট কম

লিন্কঃ

গোয়েন্দা নিউটন এবং ধূর্ত শ্যালোনার ফাঁসি বিজ্ঞানীকুলে জোচ্চোর–বাটপারের অভাব নেই। আবার প্রতিশোধপরায়ণ, হিংসুটে, টাকালোভী লোকেরও সমাগমও বিজ্ঞানীকুলে কম ন....

13/09/2021

ভালবাসার প্রিয় কলিগ শহীদ ভাইয়ের বিদায়ের মূহুর্তে

শহীদ ভাইয়ের বিদায়ের মূহুর্তে
miss u bro shahidul islam

12/09/2021

🥰প্রায় ১বছর ৫মাস ২৬দিন
পর সকাল ৯টায় স্কুল-কলেজ
যাওয়ার আনন্দ ফিরে এসেছে আজ।💕
🥰আবার সেই চিরচেনা স্কুলের ঘন্টার আওয়াজ কানে ভেসে আসবে।
😘অধীর আগ্রহে স্টুডেন্টরা অপেক্ষা করবে চিরচেনা সেই ছুটির ঘন্টার জন্য।

28/08/2021

#বুয়েট_পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই।

#পৃথিবীর_অন্যতম ধনি ব্যক্তি বিল গেটস তার অর্থ সম্পদের কোন অভাব ছিলনা এখনো তার অর্থের পরিমান ১২৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বের ৪ নং ধনি ব্যক্তি। তার পরিবারের চাহিদা বা সখ পুরনের কোন ঘাটতি থাকার কথাই নেই। এসবের পরেও এ বয়সে এসে তার জীবন সঙ্গী তার হাতটি ছেড়ে চলে গেছে।

#ব্যাংকের_এ_জি_এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে। তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি।

ি_এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু??

#প্রেম_করে_পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও।

#দেশ_সেরা_বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।

#ক্যারিয়ার_গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সন্তান সংসার নেই।

#চাকুরী_না_পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।

#পুলিশের_একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের গেড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন, সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে, এখন ক্ষমতাহীন নিঃস্ব জীবন-যাপন করছেন। সফলতা তার জীবনে সুখ আনতে আনতে পারেনি।

্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলেন, "বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ। আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম?" সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু, একথা তার কাছে হাস্যকর।

িচিত বড় ভাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হয়েও এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক।

(ফার্স্ট ক্লাস ১৬তম)এলএল বি পাশ করে ওকালতি প্রাকটিস ও কলেজের প্রভাষক পদ ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক!

👉 আসলে জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন!!

👉 সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার নসু পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!! শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!! আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না। আমরা কখনো পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি না। বাস্তবতা বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না।

👉আর একটা কথা বলি সেটা হচ্ছে আমাদের নিকটতম মসজিদের সম্মানিত ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিন সাহেবের বেতন কত জানেন ৩০০০-৫০০০-১০,০০০ এর বেশিতো নয় এত অল্প টাকায় তাদের সংসার কেমনে চলে। দিন শেষ তারাও খুশি, খোজ নিয়ে দেখেন তাদের পরিবার টাই সবচেয়ে সুখী পরিবার, তাদেরো দিন চলে যাচ্ছে আল্লাহ চালায় নিচ্ছেন। তাহলে আমাদের চলছেনা কেন? আল্লাহ'র সাথে আমাদের সম্পর্কের কমতি রয়ে গেছে কি?

👉একটু সুখের জন্যে অনেক কিছুর দরকার নেই, দরকার নেই অট্টালিকা, মিলিয়ন বিলিয়ন টাকার, চলুন, আমরা মনটাকে একটু সচ্ছ করি, ক্ষমতা ও অর্থের দম্ভ থেকে সরে আসি, হিংসা, লোভ, স্বার্থপরতা ত্যাগ করি, আত্মীয়তার সম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখি, প্রতিবেশির সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা করি,
অসহায় নিরীহ মানুষকে যতটুকু পারি সাহায্য সহযোগিতা করি,
সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেকে সপে দিই, তিনি যা দিয়েছেন তাতে শুকরিয়া আদায় করি, মানুষের উপকার করতে না পারলেও যেন ক্ষতি না করি।

সহীহ হাদিসে বর্নিতঃ রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন, যদি বানী আদামকে স্বর্ণে ভরা এক উপত্যকা মাল দেয়া হয়, তথাপিও সে দ্বিতীয়টার জন্য লালায়িত হয়ে থাকবে। আর তাকে দ্বিতীয়টি যদি দেয়া হয়, তাহলে সে তৃতীয়টার জন্য লালায়িত থাকবে। বানী আদামের পেট মাটি ছাড়া ভরতে পারে না। তবে যে তাওবাহ করবে, আল্লাহ্ তার তাওবাহ কবূল করবেন।( সহীহ বুখারী, আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৯৫)

আসুন আল্লাহ্ তা'আলার নিকট তাওবা করি, সকল অবস্থায় শুকরিয়া আদায় করি, তিনি আমাদের জীবন সুখময় করে দিবেন ইনশা-আল্লাহ।
ফটো পোস্ট সংগৃহীত

12/08/2021

বাসায় পড়ানোর সময় অভিভাবক খেয়াল করলেন যে, তাদের সন্তান 'ন্যাচার'কে 'নাটুরে' (Nature) বলে উচ্চারণ করছে!

কার কাছ থেকে উচ্চারণটি শিখেছে জানতে চাইলে সন্তান জানালো - স্কুলের ইংরেজির শিক্ষকের কাছ থেকে।

ইংরেজি শিক্ষকের কাছে যেয়ে অভিভাবক বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলেন।

তিনি দুঃখ ভারাক্রান্ত কণ্ঠে জানালেন, "চিন্তার কোন কারণ নাই, ছাত্ররা একটু 'মাটুরে' (Mature) হলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।"

বিষম খেয়ে অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের কাছে নালিশ করলেন - "কী ধরণের বিদ্যাপীঠ এটা, স্যার! ছাত্র বলে 'নাটুরে', শিক্ষক বলেন 'মাটুরে'!"

শুনে প্রধান শিক্ষক উদাস হয়ে বললেন, "সবাই শুধু বড় বড় কথা বলে। একজনও ভাল 'লেকটুরে' (Lecture) দিতে পারে না।"

ক্ষিপ্ত অভিভাবক এবার উত্তেজিত হয়ে দেখা করলেন স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতির সংগে।

সভাপতি একটু হতাশ কণ্ঠে বললেন, "আমিও বুঝি। কিন্তু কী করবেন বলুন? এটাই যে এই অঞ্চলের 'কালটুরে' (Culture)।"

অভিভাবকের মাথায় চক্কর দিলো। তিনি কোনমতে লোকাল সাংসদের সাথে দেখা করলেন।

তিনি সব কিছু শুনে প্রবল চিৎকার, চেঁচামেচি করতে করতে বললেন, "আমি জানতাম, আমি আগেই জানতাম, এই স্কুলটার নাই কোনো 'ফুটুরে' (Future)!"

অভিভাবক কাঁপতে কাঁপতে পড়ে গিয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেললেন। জ্ঞান হারাতে হারাতে শুনতে পেলেন, কে যেন বলছে, "ফেসবুকে দিবো... একটা ‘পিকটুরে’ (Picture) তুলে দে!" 🙂🙂🙂

(সংগ্রহিত)

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Chittagong