01/01/2026
আল্লাহ কবুল করুক। আমীন
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Learning Quran Academy, Education, 18no ward, Syed Shah Road, Bakalia Grammar School, Chittagong.
01/01/2026
আল্লাহ কবুল করুক। আমীন
14/12/2025
💖
বৃহস্পতিবার রাত দরুদ শরীফের রাত🥰
বরকতময় মাস রবিউল আউয়াল 💖
দরুদ একটু বাড়িয়ে পড়ুন🌟
19/08/2025
☪️পবিত্র সফর মাসের আমল ও আখেরি চাহার শম্বাহ:
'সফর' আরবী চন্দ্রমাসের দ্বিতীয় মাস, যা পবিত্র মহররম ও রবিউল আউয়াল শরীফের মধ্যবর্তী মাস। বিভিন্ন দিক দিয়ে এ মাসের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। ঐতিহাসিক ঘটনাবলী এবং বহু ওলীর ইন্তিকাল ইত্যাদির কারণে এ মাসও বিশেষ তাৎপর্যবহ। অবশ্য, এ মাসে বহু বালা-মুসিবত নাযিল হবার কথা মুসলিম সমাজেও শোনা যায় ; অথচ সফর মাসে বালা-মুসিবত নাযিল হবার কথা ইসলামি শরিয়ত প্রত্যাখ্যান করেছে ; কারণ শরিয়তে এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। অবশ্য অন্যান্য মাসের ন্যায় এ মাসেও যদি কোনো বালা-মুসিবত আসে তার জন্য মহান রবের দরবারে দো'আ প্রার্থনা করার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত নিয়মে নফল নামায ও নফল রোযা ইত্যাদির মাধ্যমে এ মাস অতিবাহিত করলে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ও নিরাপত্তা লাভ করা যায়। এ মাসের শেষ বুধবার (আখেরী চাহার শম্বাহ) একটি বিশেষ নিয়মে গোসল করার ও দো'আ সমূহ লিখে সেগুলো ভিজিয়ে পানি পান করার আমাদের দেশে প্রচলন রয়েছে ; এর ঐতিহাসিক বা ধর্মীয় ভিত্তি বা প্রমাণ নিয়ে মতবিরোধ থাকলেও এ গোসল ও পানি পান করার উপকারিতা অনস্বীকার্য।
💝এ মাসের বরকতময় আমল💝
🟢সফর মাসের প্রথম রাতে এশার নামাযের পর প্রত্যেক মুসলমানের উচিত চার রাক'আত (নফল) নামায পড়া। তাও এভাবে- প্রথম রাক'আতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কাফিরুন পনেরো বার, দ্বিতীয় রাক'আতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ইখলাস পনেরো বার, তৃতীয় রাক'আতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ফালাক্ব পনেরো বার এবং চতুর্থ রাক'আতে সূরা ফাতিহার পর সূরা নাস পনেরো বার পড়বেন। সালাম ফেরানোর পর কয়েক বার " ইয়্যা-কা না'বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতা'ঈন" পড়বেন। অতঃপর সত্তর বার দরুদ শরীফ পড়বেন। তাহলে আল্লাহ তা'আলা তাকে মহান সাওয়াব দান করবেন, তাকে প্রত্যেক বালা-মুসিবত থেকে নিরাপদে রাখবেন।
-রাহাতুল ক্বুলূব।
🟢 রোযাঃ অন্য মাসগুলোর ন্যায় এ মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখা সুন্নাত।
🌼মাহে সফরের শেষ বুধবার অর্থাৎ আখেরি সাহার শোম্বার বরকতমন্ডিত আমল সমূহ🌼
♦️সফরের শেষ বুধবার ফজরের নামাযের পর সূর্যোদয়ের পূর্বে গোসল করা উত্তম। অতঃপর সুর্যোদয়ের পর দোহা বা চাশতের নামাযান্তে দুই রাকাত নফল নামায পড়া যায়।
▪️প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর এগারবার সূরা ইখলাস বা কুল হুয়াল্লাহু আহাদ, সালাম ফিরানোর পর সত্তরবার বা ততোধিক দরূদ শরীফ পাঠ করে নিম্নের দু‘আ তিনবার পাঠ করবেন-
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা সাররিফ ‘আন্নী- সু----আ হা-যাল ইয়াওমি ওয়া'সিমনী সু----আহূ- ওয়া নাজ্জিনী- ‘আম্মা- আখা-ফু ফী-হি মিন নুহু-সা-তিহী- ওয়া কুরুবা-তিহী- বিফাদ্বলিকা ইয়া- দা-ফি'আশ শুরু-রি ওয়া মা-লিকান নুশূ-রি ইয়া- আরহামার রা-হিমী-না ওয়া সল্লাল্লা-হু তা'আ-লা- 'আলা- সায়্যিদিনা- মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ-লিহিল আমজা-দি ওয়া বা-রাকা ওয়া সাল্লাম।
♦️এ দিন নিম্নের আয়াতে সালাম প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর পাঠ করে সিনায় ফুঁক দিলে এবং কলা পাতায় বা কাগজে লিখে তা পানীয় জলে দিয়ে পান করলে আল্লাহর রহমতে বহু রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
★আয়াতে সালাম:
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْمِ
سَلَامٌ عَلٰى نُوْحٍ فِى الْعَالَمِيْنَ -اِنَّا كَذٰلِكَ نَجْزِى الْمُحْسِنِيْن- سَلَامٌ عَلٰى اِبْرَاهِيْم- اِنَّا كَذٰلِكَ نَجْزِى الْمُحْسِنِيْن- سَلَامٌ عَلٰى مُوْسٰى وَ هَارُوْن- اِنَّا كَذٰلِكَ نَجْزِى الْمُحْسِنِيْن- سَلَامٌ عَلٰى اِلْيَاسِيْنَ- اِنَّا كَذٰلِكَ نَجْزِى الْمُحْسِنِيْنَ -سَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِيْن- سَلَامٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَادْخُلُوْهَا خَالِدِيْنَ -سَلَامٌ هِىَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ
♦️এ দিন গোসল করার পর একটি পবিত্র ও পরিষ্কার পাত্রে পানি নিয়ে কলাপাতা বা কাগজে নিচের দু‘আ ও নক্সা লিখে পাত্রের পানিতে ডুবিয়ে অতঃপর কোমর পর্যন্ত পানিতে দাঁড়িয়ে মাথার উপর পানি ঢালবেন। আল্লাহর ফজলে রোগ-ব্যাধি থেকে এর দ্বারা নিরাপদ থাকবেন।
দু‘আ ও নক্সা
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيْمِ
اِنَّ اللهَ يُمْسِكُ السَّمَوَاتِ وَالْاَرْضَ اَنْ تَزُوْلَا- وَلَئِنْ زَالَتَا اِنْ اَمْسَكَهُمَا مِنْ اَحَدٍ مِّنْ بَعْدِهِ- اِنَّهُ كَانَ حَلِيْمًا غَفُوْرًا
۴ ۹ ٢
٧ ٥ ٣
٦ ١ ٨
💌আখেরী চাহার সম্বাহ সম্পর্কে ফক্বীহগণের অভিমত:
♦️জাওয়াহেরুল কুন্জ ৫ম খণ্ডের ৬১৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে সফর মাসের শেষ বুধবার সূর্যোদয়ের পূর্বে গোসল করা উত্তম। সূর্যোদয়ের পর দুই রাকাত নফল নামায পড়া ভাল।
▪️প্রথম রাকাতে ‘কুলিল্লাহুম্মা মালিকাল মুল্ক এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘কুল আদয়ুল্লাহা আদয়ুর রহমান’ থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত পাঠ করবে। সালাম ফিরানোর পর নিম্নোক্ত দু‘আ পাঠ করবে-
আল্লা-হুম্মা সাররিফ ‘আন্নী- সু----আ হা-যাল ইয়াওমি ওয়া'সিমনী সু----আহূ- ওয়া নাজ্জিনী- ‘আম্মা- আখা-ফু ফী-হি মিন নুহু-সা-তিহী- ওয়া কুরুবা-তিহী- বিফাদ্বলিকা ইয়া- দা-ফি'আশ শুরু-রি ওয়া মা-লিকান নুশূ-রি ইয়া- আরহামার রা-হিমী-না ওয়া সল্লাল্লা-হু তা'আ-লা- 'আলা- সায়্যিদিনা- মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আ-লিহিল আমজা-দি ওয়া বা-রাকা ওয়া সাল্লাম।
[রাহাতুল কূলুব ও জাওয়াহিরে গায়বী]
♦️অনুরূপভাবে ‘জাওয়াহেরে কান্জ, ৫ম খণ্ড, ৬১৭ পৃষ্ঠায় আছে, মাহে সফরের শেষ বুধবার ‘সপ্তসালাম’ লিখে তা পানিতে ধুয়ে পানিটুকু পান করবে।
♦️ “তাযকিরাতুল আওরাদ” কিতাবে উল্লেখ আছে-
যে ব্যক্তি আখেরী চাহার সম্বার প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাযের পর আয়াতে রহমত (সাত সালাম) পাঠ করে নিজের শরীরে ফুঁক দেয় বা তা পানের উপর লিখে ধুয়ে পান করে, আল্লাহ পাক তাকে সব রকম বালা মুসিবত ও রোগব্যাধি হতে নিরাপদ রাখবেন।
♦️“আনওয়ারুল আউলিয়া” কিতাবে বর্ণিত আছে- যে ব্যক্তি আখেরী চাহার সম্বার দিন দুই রাকাত নফল নামায আদায় করবে আল্লাহ পাক তাকে হৃদয়ের প্রশস্ততা দান করবেন। প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর এগার বার সূরা ইখলাস পাঠ করবে নামায শেষে ৭০ বার দরূদ শরীফ পড়বে (আল্লাহুম্মা সাল্লি আ‘লা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিনিন্ নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া আসহাবিহী ওয়াসাল্লাম)
♦️অথবা প্রতি রাকাতে ৩ বার সূরা ইখলাস দ্বারা নামায শেষ করে ৮০ বার সূরা ইরশিরাহ বা আলাম নাশরাহলাকা, সূরা নসর, সূরা ত্বীন ও ইখলাস পড়বে। এর বরকতে আল্লাহ তা'য়ালা তার হৃদয়কে ধনী করে দেবেন। (জাওয়াহিরে গায়বী)
তথ্যসূত্র-
👍গাউসিয়া তারবিয়াতী নেসাব।
👍তারজুমান-এ আহলে সুন্নত ওয়াল জাম'আত।
সালামান্তে-
-গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
-Gausia Committee Bangladesh Women Wing.
10/07/2025
আজকে SSC/Dakhil রেজাল্ট দিবে সকলের জন্য শুভকামনা।
রেজাল্ট এর ওয়েবসাইট কোন কারণে ডাউন পেলে এইগুলোও ব্যবহার করবেন।
IP গুলো থেকে যে কোন একটা কপি করে Chrome Browser এ Pest করে Search 🔎 করবেন।
103.230.104.203
103.230.107.235
103.230.107.233
103.230.104.222
06/06/2025
🤲😍🐂
22/04/2025
শরীয়তের হুকুমকে দুই ভাগে ভাগকরা হয়েছে।
১.امر (আমর) অর্থ-আদেশ।
২.نهى (নাহয়ু) নিষেধ।
আদেশ কাজগুলো চার প্রকার-
১. ফরজ ২. ওয়াজিব ৩. সুন্নত ৪. নফল।
1️⃣.প্রঃ ফরজ কাকে বলে?
উঃ শরিয়তের যেসব বিধান অকাট্যভাবে দলীল দ্বারা সাব্যস্ত এবং অবশ্যই পালনীয় তাকে ফরজ বলে।
◼️ফরজ এর হুকুমঃ-
শরয়ি কোনো কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজ ত্যাগ করা কবিরা গুনাহ। কারও যদি কোনো ফরজ আমল ছুটে যায় তাহলে সেটা কাজা করা জরুরি। কোনো ওজর ব্যতীত তা ত্যাগকারীকে ‘ফাসিক’ বলে গণ্য করা হয় এবং তার অস্বীকারকারী ‘কাফির’ বলে গণ্য হয়। (রদ্দুল মুহতার: ১/৩৯৭,(উসুলে সারখসি : ১/১১০)
2️⃣.প্রঃ ফরজ কত প্রকার ও কি কি?
উঃ ফরজ দুই প্রকার-
১.ফরজে আইন।
২.ফরজে কেফায়া।
3️⃣.প্রঃ ফরজে আইন কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক বিবেকবান নারী-পুরুষ সবার ওপর সমভাবে ফরজ তাকে ফরজে আইন বলে। যেমন-নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, প্রয়োজন পরিমান জ্ঞান অর্জন করা ইত্যাদি।
4️⃣.প্রঃ ফরজে কিয়ায়া কাকে বলে?
উঃ শরিয়তের যেসব বিধান পালন করা সবার জন্য আবশ্যক নয়; বরং সমাজের কিছুসংখ্যক লোক আদায় করলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায় তাকে ফরজে কিয়ায়া বলে। যেমন- জানাজার নামাজ, দ্বীনের গভীর জ্ঞান অর্জন।
◼️ফরজে কিফায়ার হুকুমঃ-
ফরজে কিফায়া যদি কেউ আদায় না করে তা হলে সবার ফরজ তরক করার গুনাহ হবে। (জাওহিরাতুন নাইয়িরাহ : ১/৪)।
5️⃣.ওয়াজিব কাকে বলে?
উঃ ইসলামি পরিভাষায় যে বিধান সুনির্ধারিত দলিল-প্রমাণের আলোকে প্রমাণিত নয়; বরং প্রবল ধারণাগত দলিলের ভিত্তিতে প্রমাণিত তাকে ওয়াজিব বলা হয়।
◼️ওয়াজিবের হুকুমঃ-
ওয়াজিব ফরজ বিধানের মতোই অবশ্য কর্তব্য। ওয়াজিব ত্যাগকারী কবিরা গুনাহগার হিসেবে গণ্য হবে। তবে এর অস্বীকারকারী কাফের সাব্যস্ত হবে না।ওয়াজিব অস্বিকারকারী গোমরা এবং ফাসিক হয়।
যেমন-বিতরের সালাত ও দুই ঈদের সালাত ইত্যাদি। (মুজামুল ফকিহ : ৩১৯)।
6️⃣.প্রঃ সুন্নাত কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণ করেছেন তাকে সুন্নত বলা হয়।
7️⃣.প্রঃ সুন্নাত কত প্রকার ও কি কি?
উঃ সুন্নাত দুই প্রকার।
১.সুন্নাতে মুয়াক্কাদা।
২.সুন্নাতে গাইরে মুয়াক্কাদা বা সুন্নাতে যায়েদা।
8️⃣.প্রঃ সুন্নাতে মুয়াক্কাদা কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণ সর্বদা পালন করতেন, অন্যদেরও পালনের তাগিদ দিতেন। যেমন-তারাবির নামাজ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে মোট বারো রাকাত সুন্নাত ইত্যাদি।
◼️সুন্নতে মুআক্কাদার হুকুমঃ-
সুন্নতে মুআক্কাদা ওয়াজিবের মতই। অর্থাৎ ওয়াজিবের ব্যাপারে যেমন জবাবদিহী করতে হবে, তেমনি সুন্নতে মুআক্কাদার ক্ষেত্রে জবাবদিহী করতে হবে। তবে ওয়াজিব তরককারীর জন্য সুনিশ্চিত শাস্তি পেতে হবে, আর সুন্নতে মুআক্কাদা ছেড়ে দিলে কখনো মাফ পেয়েও যেতে পারে। তবে শাস্তিও পেতে পারে।(التعريفات للجرجانى-138)।
ফরজ নামাযের আগে পরের সুন্নতে মুআক্কাদার অত্যধিক গুরুত্ব দেয়া উচিত। এ কারণেই ফুক্বাহায়ে কেরাম লিখেন যে, যদি কেউ সুন্নতকে হক মনে না করে এটাকে ছেড়ে দেয়, তাহলে এ কর্ম তাকে কুফরী পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।
رجل ترك سنن الصلاة ان لم ير السنن حقا فقد كفر، لأنه تركها استخفافا (رد المحتار-2/492، بدائع الصنائع- 1/644
তবে কেউ যদি সুন্নতকে সহীহতো মনে করে, কিন্তু অলসতা করে ছেড়ে দেয়। তাহলে সে গোনাহগার হবে।
وان رآها حقا فالصحيح أنه يأثم، لأنه جاء الوعيد بالترك، كذا فى محيط السرخسى، (الفتاوى الهندية-
ফরজ নামাযের
9️⃣.পঃ সুন্নাতে গাইরে মুয়াক্কাদা বা সুন্নাতে যায়েদা কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণ মাঝেমধ্যে করতেন কিন্তু অন্যকে তা করতে তাগিদ দেননি সেগুলোকে সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা বা সুন্নতে জায়েদা বলে। যেমন-এশা ও আসরের ফরজ নামাজের আগে চার রাকাত সুন্নত, সালাতুত তাহাজ্জুদ, এশরাক ও আউয়বিনের নামাজ ইত্যাদি।
◼️সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদার হুকুমঃ সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা তরক করার দ্বারা কোনো গুনাহ হবে না, তবে আমল করলে সওয়াব পাওয়া যায়। (রদ্দুল মুহতার : ১/৭৭)।
🔟.প্রঃ মুস্তাহাব কাকে বলে?
উঃ মুস্তাহাব : মুস্তাহাব এমন আমল যা পালন করলে সওয়াব রয়েছে কিন্তু ছেড়ে দিলে কোনো গুনাহ নেই। যেমন-জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পড়া, প্রতি আরবি মাসের তিন দিন রোজা রাখা, শাওয়াল মাসের ছয় রোজা ইত্যাদি।
◼️মুস্তাহাবের হুকুমঃ-
সুন্নাত ফরজের সহায়ক। আর মুস্তাহাব সুন্নাতের সহায়ক। তাই ফরজের পরিপূর্ণতার জন্য সুন্নত আর সুন্নতের পরিপূর্ণতার জন্য মুস্তাহাবের প্রতি গুরুত্ব প্রদান জরুরি।
1️⃣1️⃣. প্রঃ মাকরুহ কাকে বলে?
উঃ ইসলামি শরিয়তে যে সকল কাজ অপছন্দনীয় সাব্যস্ত হয়েছে এবং তা করতে নিষেধ করা হয়েছে তাকে মাকরুহ বলে।
1️⃣2️⃣.প্রঃ মাকরুহ কত প্রকার ও কি কি?
উঃ মাকরুহ দুই প্রকার।
১.মাকরুহ তাহরিমি।
২.মাকরুহ তানযিহি।
1️⃣3️⃣.প্রঃ মাকরুহে তাহরীমি কাকে বলে?
উঃ যেসব কাজ হারামের নিকটবর্তী তাকে মাকরুহ তাহরিমি । যেমন- সূর্যোদয়, দ্বিপ্রহর ও সূর্যাস্তের সময় নামাজ পড়া ইত্যাদি।
◼️মাকরুহ তাহরিমির হুকুমঃ মাকরুহ তাহরিমি হারাম বিধানের মতোই পরিত্যাজ্য। যদি কেউ বিনা কারণে মাকরুহে তাহরিমি কাজে অভ্যস্ত থাকে তবে সে ফাসেক হিসেবে সাব্যস্ত হবে (কামুসুল ফিকহ : ৩/২৪৭)।
1️⃣4️⃣. প্রঃ মাকরুহে তানযিহি কাকে বলে?
উঃ যে সকল কাজ হালালের নিকটবর্তী তাকে মাকরুহে তানযিহি বলে। যেমন-কোনো কিছু বাম হাতে গ্রহণ করা ও বাম হাতে প্রদান করা।
1️⃣5️⃣.প্রঃ মুবাহ কাকে বলে?
উঃ যে সকল কাজ সম্পাদন বা ত্যাগ করা কোনটাই ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ নয় তাকে মুবাহ বলে।
◼️মুবাহের হুকুমঃ মুবাহ’ শ্রেণির অনেক কাজকেই ইবাদতে রূপান্তরিত করে পুণ্য হাসিল করা সম্ভব যদি নিজের মনের নিয়তকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দিকে ডাইভার্ট করা হয়। যেমন-ক্রয়-বিক্রয় করা, সাধ্যমতো দামি পোশাক পরিধান করা।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলামি শরীয়তের হুকুম সমূহ মেনে চলার তাওফিক দান করুন। এবং সবাই এগুলোর পরিচয় মুখস্থ করে নিবেন, যদি এগুলোর পরিচয় না জানেন কখনো বই পড়লে বা কোন উস্তাদ বললেও বুঝবেন না এজন্য এগুলোর পরিচয় জানতেই হবে।
وما علينا الا البلاغ,,
30/03/2025
Eid Mubarak ✨🌙🎉
😅😅😅
09/03/2025
ছবি যখন কথা বলে👌🏿🤲🏿
23/02/2025
Important