Aso sottar pota(এসো সত্যের পথে)

Aso sottar pota(এসো সত্যের পথে) Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aso sottar pota(এসো সত্যের পথে), Education, Hathazari, Chittagong.

15/11/2025

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلى علي صلوة واحدة صلى الله عليه
عشر صلوات
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরুদ শরীফ পড়বে আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করবে।

https://www.facebook.com/share/19ZFEXjuNG/
05/11/2025

https://www.facebook.com/share/19ZFEXjuNG/

জাবালে সূর 🇸🇦
হিজরতের সময় যে পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন মহানবী (সা.).

পবিত্র কাবা থেকে ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে জাবালে সাওরের অবস্থান। যার উচ্চতা প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার ফিট। মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের সময় মহানবী (সা.) এই পাহাড়ের একটি গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আবু বকর সিদ্দিক (রা.)।
ঐতিহাসিকরা লেখেন, ২৭ সফর মোতাবেক সেপ্টেম্বর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে রাসুলুল্লাহ (সা.) হিজরতে উদ্দেশ্যে ঘর ত্যাগ করেন। (মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস : ১/৩৮৪)
ঘর থেকে বের হয়ে মহানবী (সা.) সতর্কতাস্বরূপ মদিনার বিপরীত দিক তথা ইয়ামেনের দিকে পাঁচ মাইল এগিয়ে যান। তারা মক্কা থেকে দক্ষিণে অবস্থিত ‘সাওর’ পাহাড়ের একটি গুহায় আশ্রয় নেন। এটা ছিল অত্যন্ত উঁচু পাহাড়।
পাহাড়ে উঠতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর পা কেটে যায়। সতর্কতা স্বরূপ আবু বকর (রা.) আগে গুহায় প্রবেশ করেন এবং তা পরিষ্কার করেন। নিজের ‘তহবন্ধ’ ছিঁড়ে গুহার ছিদ্রগুলো বন্ধ করেন। দুটি ছিদ্র অবশিষ্ট থাকলে নিজের পা দিয়ে তা বন্ধ করে রাখেন।
রাতের বেলা তাঁর পায়ে বিষাক্ত কিছু দংশন করে। মহানবী (সা.) বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষতস্থানে নিজের থুথু মোবারক লাগিয়ে দেন। (খাতামুন নাবিয়্যিন, পৃষ্ঠা ৪৫৯)
হিজরতের বিষয়টি অত্যন্ত গোপন রাখা হয়। শুধু আবু বকর (রা.)-এর পরিবারের কয়েকজন সদস্য বিষয়টি জানতেন। আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) প্রতিদিন সন্ধ্যায় তাদের জন্য খাবার নিয়ে যেতেন।
আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর (রা.) সারা দিন ঘুরে ঘুরে মক্কা নগরীর সংবাদ সংগ্রহ করতেন এবং রাতের বেলা তা মহানবী (সা.)-এর কাছে পৌঁছে দিতেন। আবু বকর (রা.)-এর আজাদ করা গোলাম আমের ইবনে ফুহাইরা আবদুল্লাহ (রা.)-এর চলার পথে বকরির পাল নিয়ে যেতেন যেন পায়ের চিহ্ন না থাকে। তিনি সন্ধ্যার সময় গুহার কাছে গিয়ে বকরি দুধ খাইয়ে আসতেন। (আর-রাহিকুল মাখতুম, পৃষ্ঠা ১৭৫)
কুরাইশ নেতারা ঘোষণা করে কেউ মুহাম্মদ (সা.)-কে জীবিত বা মৃত উপস্থিত করতে পারলে তাকে এক শ উট উপহার দেওয়া হবে। ফলে বহু মানুষ তাঁর সন্ধানে বের হয়। এমনকি একটি অনুসন্ধানী দল ‘সাওর’ পর্বতের গুহার সামনে উপস্থিত। আবু বকর (রা.) তাদের দেখে ভয় পেয়ে গেলে রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে সান্ত্বনা দেন। অন্যদিকে আল্লাহর ইশারায় গুহার মুখে মাকড়সা ও বন্য কবুতর বাসা বেঁধে ছিল। তাই অনুসন্ধানকারী কোনো প্রকার সন্দেহ না করেই চলে যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ও আবু বকর (রা.) সাওর পর্বতের গুহায় তিন দিন অবস্থান করেন। (মিন মুয়িনিস সিরাতে, পৃষ্ঠা ১৫৮; সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া, পৃষ্ঠা ৪৮)
পবিত্র কোরআনে সে মুহূর্তের বিবরণ এভাবে এসেছে, ‘যখন অবিশ্বাসীরা তাকে বহিষ্কার করেছিল এবং সে ছিল দুজনের দ্বিতীয়জন, যখন তারা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিল; সে তখন তার সঙ্গীকে বলেছিল, বিষণ্ন হয়ো না, আল্লাহ তো আমাদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ৪০)

বর্তমান ছবি।
24/10/2025 খ্রিষ্টাব্দ।

https://www.facebook.com/share/p/1FbHc5iUVF/
05/10/2025

https://www.facebook.com/share/p/1FbHc5iUVF/

পরকীয়ার শরহী শাস্তি..

📖 কোরআনের আয়াত

সূরা আন-নূর (২৪:২):

> ٱلزَّانِيَةُ وَٱلزَّانِي فَٱجْلِدُوا۟ كُلَّ وَٰحِدٍۢ مِّنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍۢ ۖ
“ব্যভিচারিণী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ — তোমরা তাদের প্রত্যেককে একশ’ বেত্রাঘাত করো।”
(সূরা আন-নূর ২৪:২)

👉 এখানে কোরআন অবিবাহিতদের (যাদের বিয়ে হয়নি) শাস্তির কথা স্পষ্টভাবে বলেছে — ১০০ চাবুক।

---

📜 হাদিসে বিবাহিতের জন্য শাস্তি

1. সহিহ বুখারি ও মুসলিম গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে:

> নবী করিম ﷺ বলেছেন,
“যে বিবাহিত অবস্থায় ব্যভিচার করে, তার শাস্তি হলো — রাজম (পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যু পর্যন্ত)।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৬৯১; সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৬৮২৪)

2. হজরত উমর (রাঃ) বলেন —

> “রাজমের বিধান ছিল কোরআনের অংশ, পরে তেলাওয়াত রহিত করা হয়েছে কিন্তু এর হুকুম বহাল আছে।”
(সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৬৮৩০)

---

⚖️ ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী নিয়ম

চারটি প্রধান মাজহাব (হানাফি, মালিকি, শাফেয়ি, হাম্বলি) — সবাই একমত যে:

অবিবাহিত (গায়রে মুহসান) → ১০০ চাবুক

বিবাহিত (মুহসান) → রাজম (পাথর নিক্ষেপে মৃত্যু)
তবে এই শাস্তি প্রয়োগ করতে হলে নিচের কঠিন শর্তগুলো পূরণ করতে হয় ⤵️

🧾 শর্তসমূহ:

1. চারজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী থাকতে হবে, যারা ব্যভিচারের ঘটনাটি নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছে।

2. সাক্ষীদের বক্তব্য এক রকম হতে হবে — সামান্য পার্থক্যও শাস্তি বাতিল করে দেয়।

3. অথবা অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায়, চারবার স্বীকার করবে কোনো জোর ছাড়া।

4. যদি প্রমাণ না হয় — তাহলে রাজম নয়, বরং তাআজীর (আদালতের নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হালকা শাস্তি বা উপদেশ) হতে পারে।

02/10/2025

ঘটনা-০১: "গাজীপুরে এক মসজিদের ইমাম আট বছর বয়সী হিন্দু শিশুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। পরবর্তীতে শিশুকে এলাকাবাসী মসজিদের পাশে এক ডোবায় উদ্ধার করে। পুলিশ ইমামকে গ্রেফতার করেছে।"

না ঘটনা এমন কিছু হয়নি। এই চার লাইন পড়ে ঠিক যতজন ধর্ষণ আর মোল্লাদের এক হাত করবে। তেমনি নিচের ঘটনা পড়ে কেউ তেমন রিয়েকশন দিবেনা। মোল্লাদের বিরুদ্ধে দুই লাইন লিখলে যত বেশি প্রগতিশীল এস্থেটিক হওয়া যায়, পুরোহিত নিয়ে লিখলে ততখানি হওয়া যায় না।

ঘটনা-০২: "গাজীপুরে পূজা মন্ডপের সভাপতি ভজেন্দ্র সরকার পাশে খেলতে থাকা আট বছরের মুসলিম শিশুকে কৌশলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই শিশুকে পাশেই মুখ বাঁধা অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে"

উপরের ঘটনা টা গতকালকেই ঘটল। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ দেখছেন? কোনো প্রতিবাদ?

আমাদের স্থান কাল পাত্র ভেদে ধর্ষণের প্রতিবাদের ইনটেনসিটি কমতে থাকে। আর নিজেদের স্রেফ ভন্ডামি মানুষের সামনে খশে পরে। আর কিছুই না। বাম থেকে শুরু করে নারীবাদী সুশীল সামজ কাউকে এই ঘটনা নিয়ে তেমন কোনো হইচই করতে দেখবেন না।

https://www.facebook.com/share/p/16bqwBwrnh/
20/09/2025

https://www.facebook.com/share/p/16bqwBwrnh/

মিসকীন ও মুসাফির লোকদের জন্য দান করার ফযীলত

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একদা এক ব্যক্তি কোন এক জঙ্গলে ভ্রমণ করছিলেন। এমতাবস্থায় হঠাৎ মেঘখন্ড হতে তিনি এ আওয়াজ শুনতে পেলেন যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। সঙ্গে সঙ্গে ঐ মেঘখন্ডটি একদিকে যেতে লাগল। অতঃপর এক প্রস্তর পূর্ণ ভূমিতে বারিপাত করল। ঐ স্থানের নালা সমূহের একটি নালা ঐ পানিতে সম্পূর্ণরূপে ভরে গেল। তখন সে লোকটি পানির অনুসরণ করে চলল। যেতে যেতে সে এক ব্যক্তিকে তার বাগানে দণ্ডায়মাল অবস্থায় কোদাল দিয়ে পানি ফিরাচ্ছে, দেখতে পেল। এ দেখে সে তাকে বলল, হে আল্লাহর বান্দা! তোমার নাম কি? সে বলল, আমার নাম অমুক, যা তুমি মেঘ খণ্ডের মাঝে শুনতে পেয়েছ।

অতঃপর বাগানের মালিক তাকে প্রশ্ন করল, হে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার নাম জিজ্ঞেস করলে কেন? জবাবে সে বলল, যে মেঘের এতে পানি, এর মাঝে আমি এ আওয়াজ শুনতে পেয়েছি, তোমার নাম নিয়ে বলছে যে, অমুকের বাগানে পানি দাও। অতঃপর বলল, তুমি এ (বাগানের ব্যাপারে) কি আমল কর? মালিক বলল, যেহেতু তুমি জিজ্ঞেস করছ, (তাই বলছি) আমি এ বাগানের উৎপাদিত ফসলের প্রতি লক্ষ্য করি। অতঃপর এর এক-তৃতীয়াংশ সাদাকা করি, এক তৃতীয়াংশ আমি ও আমার পরিবার পরিজন আহার করি এবং এক তৃতীয়াংশ এতে ফিরিয়ে দেই (চাষাবাদ ও বাগানের উন্নয়নের কাজে ব্যয় করি)।

সহী মুসলিম

সংগৃহীত

কুফুর (كُفْر) ও শিরক (شِرْك) ইসলামের সবচেয়ে বড় গুনাহ এবং ঈমান নষ্ট করার প্রধান কারণ। সংক্ষেপে ব্যাখ্যা দিচ্ছি:🔹 কুফুরের ...
19/09/2025

কুফুর (كُفْر) ও শিরক (شِرْك) ইসলামের সবচেয়ে বড় গুনাহ এবং ঈমান নষ্ট করার প্রধান কারণ। সংক্ষেপে ব্যাখ্যা দিচ্ছি:

🔹 কুফুরের অর্থ ও ধরন

অর্থ: কুফুর শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ঢেকে দেওয়া বা অস্বীকার করা। শরীয়তের পরিভাষায় কুফুর মানে আল্লাহ ও তাঁর প্রেরিত রাসূল ﷺ এর আনিত সত্যকে অস্বীকার করা।

ধরন:

কুফুরে ইনকার – আল্লাহ, রাসূল ﷺ, কুরআন বা ইসলামের মূলনীতি অস্বীকার করা।

কুফুরে জুহুদ – মুখে স্বীকার না করা, কিন্তু মনে বিশ্বাস থাকা সত্ত্বেও অহংকার বা জিদ ধরে মানতে না চাওয়া।

কুফুরে নিফাক – বাইরে মুসলমানের ভান করা, কিন্তু ভিতরে অবিশ্বাস পোষণ করা।

কুফুরে ই'রাদ – সত্য জেনে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।

কুফুরে শক – ইসলাম সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করা।

👉 কুফুর করলে মানুষ ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়।

🔹 শিরকের অর্থ ও ধরন

অর্থ: শিরক মানে হলো আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা—উপাসনা, প্রভুত্ব, সৃষ্টিকর্তা, বা গুণাবলীতে অন্য কাউকে তাঁর সমকক্ষ মনে করা।

ধরন:

শিরক ফি রুবুবিয়্যাত – আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো হাতে সৃষ্টি, রিজিক, মৃত্যু-জীবনের ক্ষমতা আছে মনে করা।

শিরক ফি উলুহিয়্যাত (ইবাদত) – আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে প্রার্থনা করা, মানত করা, কোরবানি দেওয়া ইত্যাদি।

শিরক ফি আসমা ওয়া সিফাত – আল্লাহর বিশেষ গুণাবলী অন্যের সাথে মিলিয়ে দেওয়া, যেমন কারোকে সর্বজ্ঞ বা সর্বশক্তিমান বলা।

👉 শিরক হলো সবচেয়ে বড় জুলুম। আল্লাহ বলেন:

“নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শিরককে ক্ষমা করবেন না, তবে এর বাইরে যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন।”
(সূরা আন-নিসা: 48)

🔹 উপসংহার

কুফুর = সত্যকে অস্বীকার করা।

শিরক = আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা।
দুইটিই মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়।

উদাহরণ-
🔹 কুফুরের উদাহরণ

আল্লাহ, কুরআন বা রাসূল ﷺ-কে অস্বীকার করা।
যেমন – কেউ বলে, “কুরআন মানুষের লেখা”।

ইসলামের কোনো মৌলিক বিধান অস্বীকার করা।
যেমন – সালাত ফরজ নয়, যাকাতের দরকার নেই।

কুরআন-হাদিস নিয়ে উপহাস বা ঠাট্টা করা।
যেমন – নামাজ পড়া মানুষকে বিদ্রূপ করা।

দ্বীনের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করা।
যেমন – জান্নাত-জাহান্নাম আসলেই আছে কিনা সন্দেহ করা।

ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।
যেমন – সত্য জানার পরও অহংকারবশত তা গ্রহণ না করা।

🔹 শিরকের উদাহরণ

আল্লাহ ছাড়া অন্যের কাছে দোয়া/প্রার্থনা করা।
যেমন – পীর, দরগাহ, কবর, অলির কাছে সাহায্য চাওয়া।

কোরবানি, মানত বা নযর অন্যের নামে দেওয়া।
যেমন – আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য পশু জবাই করা।

জ্যোতিষ, হাত দেখা বা ভাগ্য গণনায় বিশ্বাস করা।
যেমন – রাশিফল, কপাল দেখা, ভাগ্যফল নির্ভর করা।

আল্লাহর গুণাবলী অন্যের সাথে সমান করে দেওয়া।
যেমন – কারোকে বলা “ওই ব্যক্তি সব জানে, সব পারে”।

তাবিজ-ঝাড়ফুঁকে নির্ভরশীলতা করা।
যদি মানুষ বিশ্বাস করে তাবিজ নিজে থেকেই উপকার দেয় (আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া), তাহলে সেটা শিরক।

কবর বা গাছ-প্রতিমায় পূজা করা, সেজদা করা।
যেমন – কারো কবরকে তাওয়াফ করা বা সেজদা দেওয়া।

📌 মূল কথা:

কুফুর = ইসলাম অস্বীকার করা।

শিরক = আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা।
দুইটাই মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়।

মাওলানা রুমি (জালালউদ্দীন মুহাম্মদ রুমি) ছিলেন ত্রয়োদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সুফি সাধক, দার্শনিক ও কবি। তাঁকে বিশ্বজুড়ে “মাও...
10/09/2025

মাওলানা রুমি (জালালউদ্দীন মুহাম্মদ রুমি) ছিলেন ত্রয়োদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সুফি সাধক, দার্শনিক ও কবি। তাঁকে বিশ্বজুড়ে “মাওলানা” বা “মেভলানা” নামে সম্মানিত করা হয়। নিচে তাঁর জীবন-বৃত্তান্ত সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

জন্ম ও শৈশব

জন্ম: ১২০৭ খ্রিস্টাব্দে, খোরাসান অঞ্চলের বাল্‌খ শহরে (বর্তমান আফগানিস্তান)।

পূর্ণ নাম: জালালউদ্দীন মুহাম্মদ রুমি।

পিতা: বাহাউদ্দীন ওয়ালাদ (একজন বিখ্যাত আলেম ও সুফি)।

ছোটবেলায় পরিবার মঙ্গোল আক্রমণের ভয়ে বালখ ছেড়ে নানা দেশে ভ্রমণ করে। অবশেষে তারা সেলজুক সাম্রাজ্যের রাজধানী কোনিয়া (বর্তমান তুরস্ক)-তে স্থায়ী হন।

শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক জীবন

ছোটবেলা থেকেই ইসলামি বিদ্যা, ফিকহ, দর্শন ও সাহিত্য অধ্যয়ন করেন।

তিনি নিজেও শিক্ষক ও আলেম হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যায় যখন তিনি আধ্যাত্মিক বন্ধু ও গাইড শামস তাবরিজি-র সংস্পর্শে আসেন। শামসের প্রভাবে রুমির হৃদয়ে ভক্তি, প্রেম ও ঈশ্বরানুরাগ নতুন মাত্রা পায়।

সাহিত্যকর্ম

1. মসনবী-ই মাআনভী (Masnavi-i Ma’navi) – ছয় খণ্ডের আধ্যাত্মিক কাব্যগ্রন্থ। একে “পারসিয়ান কোরআন” বলা হয়।

2. দেওয়ান-ই শামস-ই তাবরিজি – তাঁর অনুপ্রেরণা শামসের নামে রচিত অসংখ্য গজল ও কবিতা।

3. অন্যান্য রচনা – ফিহি মা ফিহ, মাজালিসে সাবআ (সাতটি উপদেশ), মাকাতিব (চিঠিপত্র)।

দর্শন ও শিক্ষা

রুমি প্রেমকে মানুষের জীবনের কেন্দ্রে স্থাপন করেছেন।

তাঁর মতে, ঈশ্বরের সাথে মিলনই মানুষের আসল উদ্দেশ্য।

জাতি, ধর্ম, বর্ণের বিভেদ তাঁর দৃষ্টিতে গুরুত্বহীন।

তিনি সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির বার্তা দিয়েছেন।

মৃত্যু

মৃত্যু: ১২৭৩ খ্রিস্টাব্দে কোনিয়া শহরে।

তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীকে আজও “শব-ই-আরূস” (বিবাহের রাত) নামে পালন করা হয়, কারণ তিনি মৃত্যুকে ঈশ্বরের সাথে মিলনের রাত হিসেবে দেখতেন।

👉 রুমি শুধু পারস্যের কবি নন, বরং বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। তাঁর কবিতা আজও প্রেম, মানবতা ও আধ্যাত্মিকতার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে।

চারপাশে তাকালে কিংবা কখনো আয়নায় তাকালে এমন মানুষ দেখতে পাবেন যে কিছুর জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিলো কিন্তু তা পায়নি। অথচ অন্...
26/08/2025

চারপাশে তাকালে কিংবা কখনো আয়নায় তাকালে এমন মানুষ দেখতে পাবেন যে কিছুর জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিলো কিন্তু তা পায়নি। অথচ অন্যকেউ অল্প পরিশ্রম করেই তা পেয়েগেছে।

ক্লসে দেখবেন কেউ ঘন্টার পর ঘন্টা পড়ার টেবিলে থেকেও যা পারেনি কেউ বাইরে টইটই করেও তা পেয়েগেছে।

কেউ জীবনে বহুকিছু বিসর্জন দিয়েও যা টাচ করতে পারেনি তা কেউ চিল করতে করতে পেয়েগেছে।

আসলে আমরা পরিশ্রম করতে পারি কিন্তু নসিব বদলাইতে পারিনা। নসিব বদলানোর ক্ষমতা আমাদের দেয়া হয়নাই।

সংগৃহীত

19/07/2024

ঈদের সালাতের নিয়ম
16/06/2024

ঈদের সালাতের নিয়ম

জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর নামাজের পর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত সময়কে তাশরিকের দিন বলে এবং এই সময়ে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ...
16/06/2024

জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজর নামাজের পর থেকে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত সময়কে তাশরিকের দিন বলে এবং এই সময়ে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর অন্তত একবার ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ এই তাকবির পড়া ওয়াজিব। এটিকে তাকবিরে তাশরিক বলা হয়। (হেদায়া : ১/২৭৫)

Address

Hathazari
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aso sottar pota(এসো সত্যের পথে) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category