18/06/2023
প্রিয় শিক্ষার্থীগণ এবং অবিভাবকগণ...
নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি কেমন কার্যকর হচ্ছে তা জানতে এ সংবাদটি পড়ে দেখুন সবাই এবং এর পক্ষে বা বিপক্ষে আপনার কোন মতামত থাকলেও জানাবেন কমেন্টে।।
https://shikshabarta.com/%E0%A7%AC%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0-%E0%A6%93-%E0%A7%AD%E0%A6%AE-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A3%E0%A6%BF-%E0%A6%88%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%9C%E0%A6%B9%E0%A6%BE/
সংবাদের আংশিক এখানে তুলে ধরলাম:
পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে শুরু হয়েছে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে পরীক্ষানির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে চলতে থাকা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, আগে শিক্ষার্থীরা শুধু মুখস্থ করত আর লিখত। এখন শিক্ষার্থীরা খেলার মতো করে পড়াশোনা করছে।
তিনি বলেন, বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীরা যেমন আনন্দ করে উত্তর লেখে, গণিত অলিম্পিয়াডে যেমন আনন্দ করে বড় বড় সমস্যার সমাধান করে- ঠিক তেমনি নতুন পদ্ধতির পড়াশোনায়ও তারা আনন্দের সঙ্গে মূল্যায়নে অংশ নেবে। তারা আগে বুঝবে, তারপর শিখবে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আরো বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নতুন এই পদ্ধতির নামই দেয়া হয়েছে, ‘ষান্মাসিক সামষ্টিক মূল্যায়ন উৎসব’। তাতে দেখা গেছে, বড় বড় প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করে এসে পরীক্ষার খাতায় না লেখা, নেচে-গেয়ে-অভিনয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা দেয়াটা ছোট ছোট শিশুদের মধ্যে এক ধরনের আনন্দ তৈরি করেছে। এই আনন্দের মধ্যে মূল্যায়নের জন্য শিক্ষার্থীদের মুখে তৃপ্তির হাসিও ফুটে উঠেছে। কিন্তু অভিভাবকরা এই পদ্ধতি নিয়ে ‘অ¤øমধুর’ অবস্থানে রয়েছেন। একদল অভিভাবক বলেছেন, এটি ভালোই হয়েছে। মুখস্থ করা লাগবে না। আবার আরেক দল অভিভাবক বলেছেন, নেচে-গেয়ে পড়াশোনা শিশুরা পছন্দ করতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে?
জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. নেহাল আহমেদ বলেছেন, পড়াশোনায় এই পদ্ধতি চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে। বছরের পর বছর চলে আসা পরীক্ষা পদ্ধতিরও পরিবর্তন হয়েছে। সব ধরনের পরিবর্তনই শিশুরা যেভাবে গ্রহণ করে প্রাপ্তবয়স্করা কি তা পারে? তার মতে, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে পাঠগ্রহণ করবে। আনন্দের সঙ্গে মূল্যায়নে অংশ নেবে। প্রথম বছর হওয়ায় এতে অনেক ধরনের ভুল বের হবে। আমরা তা সংশোধন করব। মনে রাখতে হবে, পড়াশোনার নতুন এই পদ্ধতি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। শিক্ষার্থীরা সবকিছু হাতে-কলমে শিখবে। আমাদের দেশে আরো ১০ বছর আগে এই পদ্ধতি চালু করা গেলে আজ দেশ আরো ভালো অবস্থানে থাকত।
নতুন এই পদ্ধতিতে ইংরেজি ব্যাকরণ কীভাবে শিখবে শিক্ষার্থীরা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে ব্যাকরণ শেখার দরকার নেই। আগে ভাষা শিখবে। ভাষা শেখার পর এমনিতেই ব্যাকরণ শিক্ষার্থীর আয়ত্তে চলে আসবে.....
ঢাকাঃ রাজধানীর অন্যতম নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা দলভেদে ভাগ হয়ে ....