অর্চিষ্মান-৫৮

অর্চিষ্মান-৫৮ অর্চিষ্মান-৫৮
বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

অনিবার্য কারণে ‘অর্চিষ্মান-৫৮’ এর ১ম পরীক্ষা (কোর্স-৩০১) স্থগিত করা হয়েছে।
20/07/2026

অনিবার্য কারণে ‘অর্চিষ্মান-৫৮’ এর ১ম পরীক্ষা (কোর্স-৩০১) স্থগিত করা হয়েছে।

প্রতিদান -পল্লী কবি জসিমউদদীন
13/07/2026

প্রতিদান
-পল্লী কবি জসিমউদদীন

হেই অর্চিষ্মান-৫৮ : অফিশিয়ালি তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার রুটিন চলে এসেছে। পড়ার বই, খাতা, টেবিল খুঁজছে তোমায়। 💖
12/07/2026

হেই অর্চিষ্মান-৫৮ : অফিশিয়ালি তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার রুটিন চলে এসেছে। পড়ার বই, খাতা, টেবিল খুঁজছে তোমায়। 💖

আজ ‘সোনালী কাবিন’ এর স্রষ্টা কবি আল মাহমুদের ৯০তম জন্মদিন। তাঁর সৃষ্টি ‘সোনালী কাবিন’ সনেটগুচ্ছ সম্পর্কে সমালোচক বলেন– ‘...
11/07/2026

আজ ‘সোনালী কাবিন’ এর স্রষ্টা কবি আল মাহমুদের ৯০তম জন্মদিন। তাঁর সৃষ্টি ‘সোনালী কাবিন’ সনেটগুচ্ছ সম্পর্কে সমালোচক বলেন–

‘সোনালি কাবিন’-এর সর্বশেষ চতুর্দশপদীতে কবি কতগুলো দোহাই বা সাক্ষ্য উপস্থিত করেছেন। এ সাক্ষ্যগুলো একান্ত আন্তগূঢ়ভাবে গ্রামীণ। তিনি সাক্ষ্য এনেছেন বৃষ্টির, তিলবর্ণ ধানের, মাছ, মাংস, হালাল পশুর, লাঙ্গল-জোয়ালের, বায়ুভরা পালের। আমরা এর মধ্য দিয়ে পরিচ্ছন্ন একটি গ্রামীণ জীবনকে পরোক্ষ করি। গ্রামীণ বৃষ্টির মধ্যে, ধান ক্ষেতের ঐশ্বর্যের মধ্যে, ক্ষেতে লাঙ্গল-জোয়ালের মধ্যে এবং নদীতে পাল তোলা নৌকায় আমরা একটি শান্তি বরাভয়ের চিত্র পাই। যেখানে অলংকার নেই কিন্তু অনুভূতি আছে, যেখানে বিত্ত নেই কিন্তু কর্মের, আনন্দের ঐশ্বর্য আছে। এক কথায় কবি নাগরিক বৃত্তের বাইরে প্রকৃতি অধিকারের মধ্যে একটি গ্রামকে পেয়েছেন, যে গ্রামে প্রাণের অঙ্গীকার আছে।’

সৈয়দ আলী আহসান,
আল মাহমুদের কবিতা : সোনালী কাবিন

~ অর্চিষ্মান-৫৮

অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ‘মোঃ রবিউল মোল্লা’– অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের প্রিয় বন্ধুবর সহপাঠী– মো: রবিউল মোল্লা ...
01/07/2026

অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ‘মোঃ রবিউল মোল্লা’–

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের প্রিয় বন্ধুবর সহপাঠী– মো: রবিউল মোল্লা ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর’ (বিএনসিসি) ক্যাডেটদের সর্বোচ্চ পদ ‘ক্যাডেট আন্ডার অফিসার’ পদে পদোন্নতি পেয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি বিমান শাখার ক্যাডেট আন্ডার অফিসার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহন করায় তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

আমরা বিশ্বাস করি তাঁর এই শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলী দেশ ও জাতি গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। তাঁর সুন্দর ভবিষ্যত গঠনে পথপ্রদর্শক হিসাবে ভূমিকা রাখবে। আমরা তাঁর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সফলতা কামনা করছি।

তাঁর এই সাফল্যে ‘অর্চিষ্মান-৫৮’ ব্যাচ অত্যন্ত আনন্দিত। ব্যাচের পক্ষ্য থেকে দোয়া, অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা।

আহমদ ছফা ছিলেন একজন বাংলাদেশি লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, চিন্তাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবী। জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ও সলিমুল্লাহ...
30/06/2026

আহমদ ছফা ছিলেন একজন বাংলাদেশি লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, চিন্তাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবী। জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ও সলিমুল্লাহ খান সহ আরো অনেকের মতে, মীর মশাররফ হোসেন ও কাজী নজরুল ইসলামের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি মুসলমান লেখক হলেন আহমদ ছফা। তার লেখায় বাংলাদেশি জাতিসত্তার পরিচয় নির্ধারণ প্রাধান্য পেয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে রচিত ‘বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস ’(১৯৭২) প্রবন্ধগ্রন্থে আহমদ ছফা বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের মানচিত্র অঙ্কন করেন এবং বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবীদের সুবিধাবাদিতার নগ্ন রূপ উন্মোচন করেন তথা বুদ্ধিজীবীদের সত্যিকার দায়িত্বের স্বরূপ ও দিকনির্দেশনা বর্ণনাপূর্বক তাদের সতর্ক করে দিতে বুদ্ধিজীবীদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশের কী দুর্দশা হতে পারে তা সম্পর্কে ভবিষ‍্যদ্বাণী করেন।

আহমদ ছফা তার বিখ্যাত ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ (১৯৭৬) প্রবন্ধে বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়ের হাজার বছরের বিবর্তন বিশ্লেষণপূর্বক তাদের পশ্চাদগামিতার কারণ অনুসন্ধান করেছেন। আনিসুজ্জামান ও সলিমুল্লাহ খানসহ আরো অনেকে ছফার ‘বাঙালি মুসলমানের মন ’ (১৯৮১) প্রবন্ধসংকলনটিকে বাংলা ভাষায় রচিত গত শতাব্দীর ‘সেরা দশ চিন্তার বইয়ের’ একটি বলে মনে করেন।

ছফা রচিত প্রতিটি উপন্যাসই ভাষিক সৌকর্য, বিষয়বস্তু ও রচনাশৈলীর অভিনবত্বে অনন। মানসিক, সাংস্কৃতিক ও আর্থসামাজিক সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুষঙ্গসহ ছফার চরিত্র সৃষ্টির তথা কাহিনিকথনের পারঙ্গমতা অসামান্য। আবুল ফজল ও আরো অনেকের মতে ছফার ‘ওঙ্কার’ (১৯৭৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্বোত্তম সাহিত্যিক বহিঃপ্রকাশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক রাজনীতির পরিপ্রেক্ষিতে রচিত ‘গাভী বিত্তান্ত ’ (১৯৯৫) বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাসগুলোর একটি। ‘পুষ্প বৃক্ষ ও বিহঙ্গ পুরাণ’ -এ (১৯৯৬) ছফা ঢাকা শহরের প্রেক্ষিতে ফুল, পাখি, বৃক্ষ তথা বৃহৎ প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্কের এক নিজস্ব বয়ান হাজির করেন।

আহমদ ছফা ও তার রচনাকর্ম অনেক লেখক, শিল্পী, চলচ্চিত্রকার ও বুদ্ধিজীবীকে অনুপ্রাণিত করেছে; তাঁদের মাঝে অন্যতম হুমায়ূন আহমেদ, ফরহাদ মজহার, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, তারেক মাসুদ এবং সলিমুল্লাহ খান। বর্তমানে ছফা স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী বলে বিবেচিত।

জীবিতকালে আহমদ ছফা তার প্রথাবিরোধিতা, স্পষ্টবাদিতা, স্বকীয় দৃষ্টিভঙ্গির জন্য লেখক ও বুদ্ধিজীবী মহলে বিশেষ আলোচিত ও বিতর্কিত ছিলেন। জীবদ্দশায় অনেকে তাকে বিদ্রোহী, বোহেমিয়ান, উদ্ধত, প্রচলিত ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাহীন ও বিতর্কপ্রবণ বলে অভিহিত করেছেন।

প্রতিষ্ঠানবিরোধী আহমদ ছফা ১৯৭৫ সালে ‘লেখক শিবির পুরস্কার’ ও ১৯৯৩ সালে বাংলা একাডেমির ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ২০০১ সালে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। ২০০২ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সাহিত্যে মরণোত্তর ‘একুশে পদক’ প্রদান করেন।

মহান এই লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি, চিন্তাবিদ ও গণবুদ্ধিজীবীর আজ ৮৩তম জন্মবার্ষিকীতে ‘অর্চিষ্মান-৫৮’ এর শুভেচ্ছা।

তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া।

~ অর্চিষ্মান-৫৮

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্...
26/06/2026

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাঁকে প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসেবে, সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তিনি জীবিকাসূত্রে ব্রিটিশ রাজের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে ‘কমলাকান্ত’ নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাঁকে বাংলা উপন‍্যাসের জনক বলা হয়। এছাড়াও তিনি বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট হিসেবে পরিচিত।

বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ছিলো প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস যেটা বাংলা সাহিত্যের দ্বার উন্মোচন করেছিলো। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মোট ১৫টি উপন্যাস লিখেছিলেন এবং এর মধ্যে একটি ইংরেজি ভাষার উপন্যাস (Rajmohons’ Wife) ছিলো। বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট আসলে উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে। তৎকালীন সময়ের প্রথা ও সংস্কার আন্দোলন, হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থান, হিন্দু ধর্মের রক্ষণশীলতা, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ভাবধারার সংঘাত, প্রগতিশীল ভাবধারার অভাব, সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার প্রাধান্য প্রভৃতি হল ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে আর্থসামাজিক পটভূমিকা এবং এই পটভূমিকাই বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস রচনার প্রেক্ষাপট। তার রচনা ’বঙ্কিমী শৈলী’ বা ‘বঙ্কিমী রীতি’ নামে পরিচিত।

বিশিষ্ট এই সাহিত্য সম্রাটের জন্মদিবসে– শুভেচ্ছা।

~ অর্চিষ্মান-৫৮

‘বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা একাডেমি’ এর যৌথ আয়োজনে আগামী ৩০শে জুন মঙ্গলবার ‘সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ও আহমদ ছ...
25/06/2026

‘বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা একাডেমি’ এর যৌথ আয়োজনে আগামী ৩০শে জুন মঙ্গলবার

‘সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ও আহমদ ছফা’ -এর সাহিত্যকর্ম বিষয়ক সেমিনার।

১ম অধিবেশন: ১০:৩০টা–১২:৩০টা
বিষয় : মিখায়েল বাখতিনের আলোকে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্।
প্রাবন্ধিক : ড. মোহাম্মদ মহীবুল আজিজ
প্রফেসর(পিআরএল), বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

২য় অধিবেশন : ২:০০টা–৪:০০টা
বিষয় : আহমদ ছফার ‘পুষ্প, বৃক্ষ ও বিহঙ্গ পুরাণ’ : প্রকৃতি ও মানুষের আন্তঃসম্পর্কের বয়ান।
প্রাবন্ধিক : প্রফেসর ড. আলম চৌধুরী
রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

সভাপ্রধান : প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ
সভাপতি, বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

অর্চিষ্মান-৫৮

Address

University Of Chittagong
Chittagong
2300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অর্চিষ্মান-৫৮ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category