ক্লাসের চদু বন্ধুগুলার কথা শুনে রীতিমত অবাক হচ্ছি।
ইদের ছুটিতে বাসায় গেল। এখনো ৭২ ঘণ্টাও পার হল না। ইতোমধ্যে, ওরা নাকি টিচারদের লেকচার মিস করা শুরু করেছে।
একজনের নাকি সিটি দিতে খুব ইচ্ছে করছে। অথচ, সিটির আগেরদিন রাত ১২ টায় কোনোমতে পড়তে বসে। তাও আবার পড়তে পড়তে রিল দেখে। পরীক্ষার শুরুতে ক্লসের টপার বন্ধুর পাশে গিয়ে বসে।
আরেকজন সারারাত ধরে তাঁর জরিনার সাথে পিরিত করে। সকালে ক্লাসে এসে ঘুমায়। কতবার যে টিচার ওকে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছে তাঁর হিসেব নেই। সেও নাকি লেকচার মিস করছে।
🥴
Pahartali University of Engineering and Technology - PUET
এসো নবীন দলে দলে, পুয়েটের ছায়াতলে।
ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফে 'পাস' করাটা অনেকটা অলৌকিক ঘটনার মতো। পরীক্ষার আগের রাতে সিলেবাস দেখে মনে হয়—আমি কি ভুল করে অন্য গ্রহের বই নিয়ে বসলাম?
Expectation: ৩.৫+ সিজিপিএ।
Reality: "ভাই, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা কবে?"😃
- ভিসি ক্যাকটাস
অন্যান্য ভার্সিটিতে জিপিএ ৫ আর অ্যাডমিশন টেস্ট লাগে, কিন্তু আমাদের PUET-এ ভর্তি হতে হলে শুধু ৪টা জিনিস লাগে:
১.পেজটা ফলো দেয়া
২. রাত জাগার অসীম ক্ষমতা।
৩. কড়া চা হজম করার শক্তি।
৪. পরীক্ষার আগের রাতে ১০০০ পেজের সিলেবাস দেখে অজ্ঞান না হওয়ার সাহস।
তাই নবীনদের উদ্দেশ্যে বলবো "এসো নবীন দলে দলে, পুয়েটের ছায়াতলে।"
এখন আসি আসল কথায় -আনেকেই পোস্ট দেখে চলে যায় তাদের উদ্দেশ্যে বলবো " তোদের উপর ঠাডা পরুক"
-ক্যাকটাস
মাননীয় ভিসি, পুয়েট
সেমিস্টারের শেষের দিকের সময়গুলো সাবমিশন, ফাইনাল কুইজ, ভাইভাসহ সবকিছু মিলিয়ে যেন এক হযবরল অবস্থা।
মানুষ মূলত সুখে থাকে দুই সিজনে।
সেমিস্টারের প্রথম দুই উইক আর ডিএল টাইমে।
সেমিস্টারের শুরুর দিকে, পড়ার কোন প্রেসার-ই থাকে না। অন্যদিকে, ডিএল টাইমে রিল দেখতে সেই মজা লাগে।
সেমিস্টারের শুরুতে কোর্সের পড়া অনেক ইজি থাকে। তখন মনে হয়, আরে এগুলো পড়া লাগে? কিন্তু সিটি শুরু হওয়া মাত্রই, ওই পড়াগুলোই সবার আগে মারা দেয়।
কেন জানি, পরীক্ষার আগের রাতের ফিডের রিলগুলোতে আলাদা একটা মজা থাকে। যা দেখি, তাই ভাল্লাগে।
BCKRUET এর কথা বলছি।
ভার্সিটিতে ফ্রেসারদের সিনিয়ররা একটু ম্যানার শেখায় বটে। আবার, কিছু কিছু বাল পাকনা সিনিয়র সব ব্যাচেই থাকবে, যারা জুনিয়রদের মানুষ-ই মনে করে না।
তবে, অধিকাংশই ক্ষেত্রেই দেখবেন ফার্স্ট ইয়ারের, সেকেন্ড সেমিস্টার পার হওয়ার আগেই জুনিয়র সিনিয়র একসাথে বইসা বিড়ি টানতেসে।
হলের ক্যান্টিনে বসে আড্ডা দিচ্ছে।
অনেক গরম পরতেসে। রাতে হল থেকে কারেন্ট চলে গেসে? সিনিয়রগুলা বালতি ভর্তি পানি নিয়া আইসা জুনিয়রদের পানি মারতেসে।
অন্য ভার্সিটি না হলেও, BCKRUET (including PUET 😃) এর পরিবেশ এখন অনেকটাই শিক্ষার্থীবান্ধব।
< ভিসি কার্টোগ্রাফার>
অবশেষে অনেক জল্পনাকল্পনার পর, পাহাড়তলী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগ করা হল।
বরাবরের মতই পরিবর্তনের ছোঁয়া দিতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ করল দুইজন ভিসি মহোদয়।
ভিসি নং এক: ক্যাকটাস
ভিসি নং দুই: কার্টোগ্রাফার
এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব গ্রহণ করতে, পেজটি ফলো করে পাশে থাকুন। পাশাপাশি জ্ঞানবিতরণের ধারা অক্ষুণ্ণ রাখতে, আপনার বন্ধুবান্ধবদেরও ফলো করতে ইনভাইট করুন।
ধন্যবাদ।
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া পোলাপানদের নিয়ে একটু কথা বলি।
ওদের সাথে চলাফেরা করলে, দুনিয়ার সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। কিন্তু, ইঞ্জিনিয়ারিং এর "ই" উচ্চারণ করতে কখনোই শুনবেন না।
ক্লাসে, ক্যান্টিনে পোলাপানদের সাথে আড্ডা দিতে গেলে মনে হয় যেন, এক একটা সাহিত্যিক, দার্শনিক হয়ে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়েছে।
কেউ কেউ তো ক্যান্টিনে চায়ের কাপ নিয়ে বসে, জীবনের অর্থ খুঁজে বের করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
ওদের জীবনে প্রেমও আছে?
আরে বেটা, তুই কেন মেয়েদের চোখের মায়ায় আসক্ত হবি?
তুই মেকানিক্যাল ল্যাবের ইনস্ট্রুমেন্ট দেখে পিনিকে পড়বি।
সার্ভে করতে গিয়ে স্কেল দেখে আসক্ত হয়ে পড়বি।
মেকানিক্যাল ড্রয়িংকে মনে করবি, তোর প্রেমিকার চেহারা।
তোদের জীবন কি অকারণে বিষাদময় হয় রে?
বৃহস্পতিবার রাতটা কেমন যেন পাংশা পাংশা লাগে। কোনো পড়া নাই, প্রজেক্টের কাজ নাই, ল্যাব রিপোর্ট লেখার কাজ নাই।
তবে, এই পবিত্র রাতেও, আমার কিছু নার্ড বন্ধু জ্ঞান অন্বেষণের জন্য পুস্তক খুলে পরবর্তী সপ্তাহের পড়া শুরু করবে।
এদের কি করা যায়, বলুন!
06/05/2026
চুপচাপ ফলো দে 🗿
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong