Lost Islamic History

Lost Islamic History

Share

Selamu Alikum!This is our inspiration page. The golden history of our Muslims will be highlighted. Through this page we want to tell our history! Stay with it.

Photos from Lost Islamic History's post 28/06/2025

মোল্লার দেশ, আফগানিস্তান।

27/06/2025

যখন অটোমান জাহাজগুলি ইউরোপীয় বন্দরগুলির মধ্য দিয়ে যেত, তখন গির্জাগুলি তাদের ঘণ্টা বাজানো বন্ধ করে দিত, কারণ তারা ভয় পেত যে মুসলমানরা শহর জয় করতে উত্তেজিত হবে।

26/06/2025

ডোম অফ দ্য রক – ইসলামী স্থাপত্যের প্রথম দীপ্ত জ্যোতি
📍 জেরুজালেম | নির্মাণকাল: ৬৯১ খ্রিস্টাব্দ

পুরনো জেরুজালেমের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা ডোম অফ দ্য রক (কুব্বাতুস সাখরা) শুধু একটি স্থাপত্য নয়—এটি ইসলামের ইতিহাসে গৌরবের এক অনন্য প্রতীক।

🔸 এটি মুসলিম শাসকের দ্বারা নির্মিত প্রথম পবিত্র স্থাপত্য।
🔸 ইসলামী স্থাপত্যশৈলীর প্রাচীনতম জীবিত নিদর্শন।
🔸 এর শিলালিপিতে রয়েছে ইসলামের প্রাচীনতম লিখিত ঘোষণাসমূহ, যা একে করে তুলেছে অতুলনীয়।

স্বর্ণমুকুটে ঢাকা এর গম্বুজ, সূক্ষ্ম খোদাই আর আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য—সব মিলিয়ে ডোম অফ দ্য রক এক ঐশী সৌন্দর্যের প্রতিচ্ছবি।

🌙 আজও বিশ্ব মুসলিম ও ইতিহাসপ্রেমীরা একে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। আপনি কি কখনো এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি ঘুরে দেখার স্বপ্ন দেখেছেন?

#ইসলামী_ইতিহাস #কুব্বাতুস_সাখরা #ইতিহাসের_গর্ব

26/06/2025

ভারতের মঞ্জরাবাদ দুর্গ। ১৭৯২ সালে টিপু সুলতান এটি নির্মাণ করেন।

Photos from Lost Islamic History's post 25/06/2025

দেখার কেউ নেই। ওদিকে ইরা.ন তাদের কথিত বিজয় উদযাপন করছে, এদিকে গা.জাবাসী তাদের দুঃখ দুর্দশার বোঝা বহন করেই চলছে।

23/06/2025

উসমানীয়দের পতনের প্রতিচ্ছবি—একটি ছবি, হাজারো গল্প।

ছবির বাঁ পাশে যিনি দাঁড়িয়ে, তিনি শেষ উসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় আব্দুল মজিদের নাতনি—রাজকন্যা ফাতেমা নেসলিশাহ সুলতান। ডানে আছেন আরেক রাজকন্যা, তাঁর চাচাতো বোন জাহরা হানজাদে সুলতান।
ছবিটি তোলা হয়েছিল ১৯৪০-এর দশকে—ইউরোপীয় পোশাকে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় মোড়ানো এক অভিজাত রাজপরিবারের বংশধরদের মুহূর্ত।

কিন্তু এই ছবির সৌন্দর্যের গভীরে লুকিয়ে আছে উসমানীয় সাম্রাজ্যের এক নিঃশব্দ অথচ শক্তিশালী ট্র্যাজেডি।

রাজকীয় আভিজাত্যের পর্দার আড়ালে, ইসলামি শালীনতা ও চেতনার থেকে দূরে সরে যাওয়া, পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রতি অতিরিক্ত মোহ, অভ্যন্তরীণ অবক্ষয়—এসবই কি ধীরে ধীরে উসমানীয়দের পতনের বীজ বপন করেনি?

এক সময় যাঁদের পায়ের নিচে কেঁপেছে তিন মহাদেশ, তাঁদের উত্তরসূরিরা যখন নিজের শেকড় ভুলে পাশ্চাত্যের সংস্কৃতির মোহে বিভোর—তখন ইতিহাস নিজেই উত্তর দেয়:
"যে জাতি আত্মপরিচয় হারায়, সে জাতির পতন অবধারিত হয়ে যায়।"

22/06/2025

Haters will say It's fake

22/06/2025

এরদোয়ানের একাল ও সেকাল। এক সময়কার স্থানীয় তরুণ জনমানুষের নেতা হয়ে উঠল পরবর্তীকালের বিশ্ব নেতা এরদোয়ান।

22/06/2025

I got over 1,500 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

22/06/2025

ধূলিমলিন ঐ হাত খানা আমাকে এনে দাও! আমি সে হাতে চুমু খেয়ে ধন্য হতে চাই।

19/06/2025

🌟 সুলতান উসমান গাজির বদান্যতা – এক অনন্য দৃষ্টান্ত 🌟
🕋 (শাসনকাল: ১২৯৯ – ১৩২৬ খ্রিস্টাব্দ)

এক কাপড় দু’বার পরিধান করতেন না—এমন কথা শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে বিলাসবহুল রাজকীয়তা। কিন্তু গাজি উসমান গাজির ক্ষেত্রে এই কথাটি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত মানসিকতার প্রতিচ্ছবি। তিনি ছিলেন অপব্যয়ের ঘোর বিরোধী, অথচ দরিদ্র ও অসহায়দের প্রতি তাঁর বদান্যতা ছিল অবর্ণনীয়।

👕 কেউ তাঁর পোশাকের দিকে তাকালেই তিনি তা খুলে দান করে দিতেন। একবার পরা কাপড় দ্বিতীয়বার আর গায়ে উঠতো না, কারণ তা দান হয়ে যেত অন্যের প্রাপ্য হিসেবে।
🧕 বিশেষত বিধবাদের প্রতি ছিল তাঁর মমত্ববোধ—একজন শাসকের মধ্যে এত মানবিকতা খুব কমই দেখা যায়।

✨ উসমান গাজি শুধু ব্যক্তিগত দানেই থেমে থাকেননি, বরং সামাজিক উদারতার এক চমকপ্রদ দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছিলেন।
"খিজির-ইলিয়াস দিবসে" তিনি তাঁর মালামালভর্তি ঘর একদিনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করে দিতেন গোত্রবাসীদের জন্য।
এই রেওয়াজে গোত্রনেতা বাড়ি খালি করে যেতেন, আর বাকি সবাই এসে নিজেদের প্রয়োজনমতো যা দরকার নিয়ে যেত। উসমান গাজিও এই রেওয়াজ নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতেন, যেন নেতৃত্ব মানে শুধুই ক্ষমতা নয়—বরং সেবার একটি অঙ্গীকার।

📜 পরবর্তীতে এই ঐতিহ্য নিয়েই বিখ্যাত কবি তাওফিক ফিকরাত তাঁর কবিতায় লিখেছিলেন, যখন “কমিটি অফ ইউনিয়ন অ্যান্ড প্রোগ্রেস” নামের সংগঠনের লুটপাটে গোটা দেশ ধ্বংস হচ্ছিল—
“প্রধানের বাড়ি লুট” শিরোনামে তিনি করুণ বিদ্রূপ ছুঁড়ে দেন সেই সময়ের রাজনীতির প্রতি।

📚 তথ্যসূত্র:
১. বন্দী শাহসওয়ার উগলু, আল-আইয়ামুল আখিরা লি সালাতিনিল উসমানিয়্যিন, জানুয়ারি ১৯৬৮।
২. খিজির-ইলিয়াস দিবস – মে মাসের ৬ তারিখ, যা হযরত খিজির ও ইলিয়াস (আ.)-এর সাক্ষাতের দিন হিসেবে তুর্কি সংস্কৃতিতে পরিচিত।
৩. তাওফিক ফিকরাত, হাযিমাতুল মুতাহালিফিন, ইস্তাম্বুল, ১৯৭৩।

📖 উৎস: মুস্তফা আরমাগান রচিত “উসমানি সাম্রাজ্যের অজানা অধ্যায়” গ্রন্থ।



🔁 শেয়ার করুন, যদি আপনি মনে করেন নেতৃত্ব মানেই হওয়া উচিত দায়িত্ব আর উদারতার প্রতীক!
#ইতিহাস #বদান্যতা #উসমানি_গৌরব #ইসলামিক_ইতিহাস

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Chittagong