ICT Care

ICT Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ICT Care, Education, Mirsharai, Chittagong.

 #একটি স্ট্যান্ডার্ড (Standard) বা পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার কিবোর্ডে ১০১ থেকে ১০৪টি কি (Key) থাকে। তবে ল্যাপটপ বা ছোট আকারের ...
21/07/2026

#একটি স্ট্যান্ডার্ড (Standard) বা পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার কিবোর্ডে ১০১ থেকে ১০৪টি কি (Key) থাকে। তবে ল্যাপটপ বা ছোট আকারের কিবোর্ডে জায়গা বাঁচানোর জন্য কি-এর সংখ্যা কম (যেমন: ৮০ থেকে ৯০টি) হতে পারে।

​কার্যকারিতা অনুযায়ী কিবোর্ডের কি-গুলোকে প্রধানত ৬টি ভাগে ভাগ করা যায়:

​১. টাইপিং বা আলফানুমেরিক কি (Typing / Alphanumeric Keys)
​এতে বর্ণমালার অক্ষর (A-Z), সংখ্যা (0-9) এবং বিভিন্ন প্রতীক বা বিরামচিহ্ন (যেমন: ,, ., ;, ?) থাকে।
​উদাহরণ: A, S, D, 1, 2, 3

​২. ফাংশন কি (Function Keys)
​কিবোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২টি কি থাকে। নির্দিষ্ট কোনো কাজ দ্রুত করার জন্য এগুলো ব্যবহার করা হয়।
​উদাহরণ: F1 (সহায়তা বা Help), F5 (রিলোড বা Refresh)

​৩. নেভিগেশন কি (Navigation Keys)
​ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজে কার্সার সরাতে বা পেজ উপরে-নিচে নামাতে এগুলো ব্যবহৃত হয়।
​উদাহরণ: অ্যারো কি (↑, ↓, ←, →), Home, End, Page Up, Page Down

​৪. নিউমেরিক কিপ্যাড (Numeric Keypad)
​কিবোর্ডের ডানপাশে ক্যালকুলেটরের মতো দেখতে সংখ্যা ও গাণিতিক চিহ্নের একটি আলাদা অংশ থাকে। এটি সাধারণত দ্রুত সংখ্যা টাইপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
​উদাহরণ: 0-9, +, -, *, /, Num Lock

​৫. কন্ট্রোল বা মডিফায়ার কি (Control / Modifier Keys)
​অন্যান্য কি-এর সাথে মিলিয়ে কমান্ড দেওয়ার জন্য বা বিশেষ কাজের জন্য এগুলো ব্যবহার করা হয়।
​উদাহরণ: Ctrl, Alt, Shift, Windows Key, Esc

​৬. স্পেশাল বা সিস্টেম কি (Special / System Keys)
​বিশেষ কিছু কাজের জন্য নির্ধারিত কি।
​উদাহরণ: Enter, Spacebar (কিবোর্ডের সবচেয়ে বড় কি), Backspace, Delete, Tab, Caps Lock

কিবোর্ডের একদম ওপরের সারিতে থাকা F1 থেকে F12 কী (Key) গুলোকে বলা হয় ফাংশন কী (Function Keys)। অপারেটিং সিস্টেম (যেমন- Wi...
20/07/2026

কিবোর্ডের একদম ওপরের সারিতে থাকা F1 থেকে F12 কী (Key) গুলোকে বলা হয় ফাংশন কী (Function Keys)। অপারেটিং সিস্টেম (যেমন- Windows) এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার বা ব্রাউজার ভেদে এগুলোর কাজ ভিন্ন হতে পারে। তবে সাধারণ এবং সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কাজগুলোর বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:

​F1: সাহায্য বা হেল্প (Help)
​মূল কাজ: যেকোনো সক্রিয় (Active) প্রোগ্রাম বা উইন্ডোজের "Help" মেনু ওপেন করে।
​অন্যান্য কাজ: Windows Key + F1 চাপলে মাইক্রোসফটের অনলাইন সাপোর্ট পেজ খোলে।

​F2: নাম পরিবর্তন (Rename)
​মূল কাজ: কোনো ফাইল, ফোল্ডার বা আইকন সিলেক্ট করে F2 চাপলে সেটির নাম সরাসরি পরিবর্তন (Rename) করা যায়।
​অন্যান্য কাজ: মাইক্রোসফট এক্সেলে কোনো সেলে থাকা ডেটা এডিট করার জন্য F2 ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার সময় এটি চাপলে অনেক মাদারবোর্ডের BIOS সেটিংসে ঢোকা যায়।

​F3: অনুসন্ধান (Search)
​মূল কাজ: উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার বা যেকোনো ব্রাউজারে (Chrome, Firefox ইত্যাদি) কোনো কিছু খোঁজার জন্য সার্চ বক্স বা "Find" বার ওপেন করে।
​অন্যান্য কাজ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো লেখা সিলেক্ট করে Shift + F3 চাপলে লেখাগুলো একবার সব ক্যাপিটাল লেটার (Capital Letter) এবং আবার চাপলে স্মল লেটার (Small Letter) হয়ে যায়।

​F4: উইন্ডো বন্ধ করা (Close Window)
​মূল কাজ: এই কীটি সাধারণত একা কাজ করে না। Alt + F4 চাপলে বর্তমানে চালু থাকা যেকোনো প্রোগ্রাম বা উইন্ডো বন্ধ হয়ে যায়। আর ডেস্কটপে থাকা অবস্থায় এটি চাপলে কম্পিউটার Shut Down বা রিস্টার্ট করার অপশন আসে।
​অন্যান্য কাজ: ব্রাউজারে থাকা অবস্থায় Ctrl + F4 চাপলে শুধু চলতি ট্যাবটি বন্ধ হয়।

​F5: রিফ্রেশ (Refresh)
​মূল কাজ: যেকোনো ওয়েব পেজ, ফোল্ডার বা পুরো ডেস্কটপ স্ক্রিনকে রিফ্রেশ বা রিলোড (Reload) করার জন্য এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
​অন্যান্য কাজ: মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে স্লাইড শো (Slide Show) শুরু করতে F5 ব্যবহার করা হয়। ওয়ার্ডে এটি চাপলে "Find and Replace" উইন্ডো খোলে।

​F6: অ্যাড্রেস বার সিলেক্ট (Address Bar)
​মূল কাজ: যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজারে (যেমন- Chrome) থাকা অবস্থায় F6 চাপলে কার্সার সরাসরি ওপরের Address Bar-এ চলে যায়, ফলে নতুন কোনো ওয়েবসাইটের নাম দ্রুত টাইপ করা যায়।
​অন্যান্য কাজ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে খোলা থাকা একাধিক ডকুমেন্টের মধ্যে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের স্ক্রিন অদলবদল করতে Ctrl + Shift + F6 ব্যবহার করা হয়।

​F7: বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা (Spell Check)
​মূল কাজ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল বা পাওয়ারপয়েন্টে কোনো লেখার বানান এবং ব্যাকরণগত ভুল (Spelling and Grammar) চেক করার জন্য F7 ব্যবহৃত হয়।
​অন্যান্য কাজ: মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে "Caret Browsing" (কিবোর্ড দিয়ে টেক্সট সিলেক্ট করার সুবিধা) চালু করতে এটি কাজ করে।

​F8: সেফ মোড (Safe Mode)
​মূল কাজ: কম্পিউটার বুট হওয়ার সময় (চালু হওয়ার ঠিক মুহূর্তে) F8 চাপলে Safe Mode-এ যাওয়ার অপশন পাওয়া যায়, যা উইন্ডোজের কোনো সমস্যা সমাধান (Troubleshoot) করতে কাজে লাগে।

​F9: রিফ্রেশ ও মেইল পাঠানো (Refresh/Send)
​মূল কাজ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো ডকুমেন্ট রিফ্রেশ করতে এবং মাইক্রোসফট আউটলুকে (Outlook) ইমেইল পাঠানো বা রিসিভ করার (Send and Receive) কাজ দ্রুত করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

​F10: মেনু বার অ্যাক্টিভেট (Menu Bar)
​মূল কাজ: যেকোনো সচল অ্যাপ্লিকেশনের "Menu Bar" (File, Edit ইত্যাদি) অ্যাক্টিভেট বা সক্রিয় করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
​অন্যান্য কাজ: কোনো ফাইল বা ফোল্ডার সিলেক্ট করে Shift + F10 চাপলে মাউসের Right Click (ডান পাশের ক্লিক) এর মতো কাজ করে। অনেক কম্পিউটারে এটি বুট করার সময় BIOS-এ ঢুকতেও সাহায্য করে।

​F11: ফুল স্ক্রিন (Full Screen)
​মূল কাজ: যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজার বা সাপোর্টেড অ্যাপ্লিকেশনকে ফুল স্ক্রিন (Full Screen Mode) করতে এটি ব্যবহৃত হয়। আবার চাপলে স্ক্রিন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

​F12: সেভ এজ (Save As)
​মূল কাজ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা এক্সেলে কোনো ফাইলকে নতুন নামে বা অন্য ফোল্ডারে সংরক্ষণ করার জন্য Save As উইন্ডো ওপেন করে।
​অন্যান্য কাজ: যেকোনো ব্রাউজারে F12 চাপলে ডেভলপার টুলস (Inspect Element) open হয়, যা দিয়ে ওয়েবসাইটের কোড দেখা যায়।

📂 ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করা)​০১. 📄 Ctrl + N ➔ নতুন ডকুমেন্ট তৈরি (New Document): এমএস ওয়ার্ডে কাজ করা...
15/07/2026

📂 ডকুমেন্ট ম্যানেজমেন্ট (ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করা)

​০১. 📄 Ctrl + N ➔ নতুন ডকুমেন্ট তৈরি (New Document): এমএস ওয়ার্ডে কাজ করার সময় একদম নতুন এবং খালি একটি পেজ বা ফাইল খুলতে এটি ব্যবহার করা হয়। (N = New)

​০২. 📂 Ctrl + O ➔ ডকুমেন্ট ওপেন (Open Document): কম্পিউটারে আগে থেকে সেভ করে রাখা কোনো ওয়ার্ড ফাইল খুঁজে বের করে তা ওপেন করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। (O = Open)

​০৩. 💾 Ctrl + S ➔ ডকুমেন্ট সেভ (Save Document): আপনার টাইপ করা বা এডিট করা ফাইলটি যাতে হারিয়ে না যায়, সেজন্য কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ বা সেভ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। (S = Save)

​০৪. 🖨️ Ctrl + P ➔ প্রিন্ট (Print): আপনার তৈরি করা ডকুমেন্টটি প্রিন্টারের মাধ্যমে কাগজে ছাপানোর জন্য প্রিন্ট অপশন বা প্রিন্ট প্রিভিউ উইন্ডো চালু করতে এটি ব্যবহার করা হয়। (P = Print)

​০৫. ❌ Ctrl + W ➔ ডকুমেন্ট বন্ধ (Close Document): এমএস ওয়ার্ডের পুরো সফটওয়্যারটি বন্ধ না করে শুধুমাত্র চলমান (যে ফাইলে কাজ করছেন) ফাইলটি বন্ধ বা ক্লোজ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। (W = Window Close)

​✂️ টেক্সট এডিটিং (কাট-কপি-পেস্ট এবং ভুল সংশোধন)

​০৬. 📋 Ctrl + C ➔ কপি (Copy): কোনো লেখা বা ছবিকে তার জায়গায় অক্ষত রেখে হুবহু আরেকটি নকল (ডুপ্লিকেট) তৈরি করার জন্য এটি সিলেক্ট করে কপি করা হয়। (C = Copy)

​০৭. ✂️ Ctrl + X ➔ কাট (Cut): কোনো লেখা বা ছবিকে তার বর্তমান স্থান থেকে সম্পূর্ণ কেটে বা সরিয়ে ফেলার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। (X দেখতে কাঁচির মতো, তাই এটি কাট করার শর্টকাট)

​০৮. 📥 Ctrl + V ➔ পেস্ট (Paste): কপি (Copy) বা কাট (Cut) করা লেখা বা ছবিটিকে ডকুমেন্টের যেকোনো নতুন জায়গায় বসানোর বা স্থাপন করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

​০৯. ↩️ Ctrl + Z ➔ আনডু (Undo): কাজে কোনো ভুল হলে বা ভুলে কোনো লেখা মুছে গেলে, ঠিক এক ধাপ পেছনে ফিরে যাওয়ার জন্য (অর্থাৎ পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে) এটি ব্যবহার করা হয়।

​১০. ↪️ Ctrl + Y ➔ রিডু (Redo): আনডু (Undo) করার ফলে যে কাজটি বাতিল হয়ে গিয়েছিল, তা যদি আবার ফিরিয়ে আনতে চান (অর্থাৎ এক ধাপ সামনে যেতে চান), তবে এটি ব্যবহার করা হয়।

27/06/2026

এক্সেল সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও জানা আবশ্যক তথ্য (Basic Facts)

​এক্সেলের একটি সিঙ্গেল ওয়ার্কশিটে বিপুল পরিমাণ ডেটা নিয়ে কাজ করা যায়। এর গঠনশৈলী সম্পর্কে মৌলিক তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:

​মোট রো (Rows) বা সারির সংখ্যা: ১,০৪৮,৫৭৬ টি (1,048,576)

​মোট কলাম (Columns) বা স্তম্ভের সংখ্যা: ১৬,৩৮৪ টি (16,384 — 'A' থেকে শুরু করে 'XFD' পর্যন্ত)

​মোট সেল (Cells) বা ঘরের সংখ্যা: ১৭,১৭৯,৮৬৯,১৮৪ টি (প্রায় ১৭.২ বিলিয়ন বা ১,৭১৭ কোটি)

​একটি সেলে সর্বোচ্চ অক্ষরের (Characters) সীমা: ৩২,৭৬৭ টি

​সর্বোচ্চ আনডু (Undo) করার সীমা: ১০০ বার

​💻 এক্সেলের ৫০+ প্রয়োজনীয় কিবোর্ড শর্টকাট (Excel Keyboard Shortcuts)

​মৌলিক ও ফাইল ম্যানেজমেন্ট শর্টকাট:

১. Ctrl + N — নতুন ওয়ার্কবুক তৈরি করে

২. Ctrl + O — বিদ্যমান ওয়ার্কবুক খুলে

৩. Ctrl + S — ফাইল সংরক্ষণ (Save) করে

৪. Ctrl + P — প্রিন্ট উইন্ডো খুলে

৫. Ctrl + W / Ctrl + F4 — চলমান ওয়ার্কবুকটি বন্ধ করে

​এডিটিং এবং ডেটা এন্ট্রি শর্টকাট:

৬. Ctrl + C — কপি করে

৭. Ctrl + X — কাট করে

৮. Ctrl + V — পেস্ট করে

৯. Ctrl + Z — সর্বশেষ কাজ বাতিল (Undo) করে

১০. Ctrl + Y — বাতিল করা কাজ পুনরায় ফিরিয়ে আনে (Redo)

১১. Ctrl + A — শিটের সব ডেটা বা পুরো শিট নির্বাচন করে

১২. F2 — নির্বাচিত সেলটি সম্পাদনা (Edit) করার মোডে নিয়ে যায়

১৩. Alt + Enter — একই সেলের মধ্যে নতুন লাইন (Line Break) শুরু করে

১৪. Ctrl + D — ঠিক উপরের সেলের ডেটা নিচে কপি করে পেস্ট করে

১৫. Ctrl + R — ঠিক বাম পাশের সেলের ডেটা ডানে কপি করে পেস্ট করে

১৬. Ctrl + Enter — একাধিক নির্বাচিত সব সেলে একবারে একই ডেটা ইনপুট করে

১৭. Ctrl + Shift + " — উপরের সেলের শুধু 'মান' (Value) কপি করে

১৮. Ctrl + ' — উপরের সেলের 'ফর্মুলা' (Formula) নিচে কপি করে

​খুঁজে বের করা এবং নেভিগেশন শর্টকাট:

১৯. Ctrl + F — নির্দিষ্ট লেখা বা সংখ্যা খুঁজে বের করে (Find)

২০. Ctrl + H — লেখা বা সংখ্যা পরিবর্তন বা প্রতিস্থাপন করে (Replace)

২১. Ctrl + G / F5 — Go To উইন্ডো খুলে নির্দিষ্ট সেলে দ্রুত নিয়ে যায়

২২. Ctrl + Arrow Key (←,🡪,↑,↓) — ডেটা টেবিলের একদম শেষ প্রান্তে (সর্বশেষ সেলে) চলে যায়

২৩. Ctrl + Shift + Arrow Key — বর্তমান সেল থেকে ডেটার শেষ পর্যন্ত সব সেল নির্বাচন করে

২৪. Ctrl + Page Up / Page Down

🖥️ সহজে শিখুন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) ইন্টারফেস পরিচিতি! 📑​একজন শিক্ষার্থীর জন্য কম্পিউটার শিক্ষার শুরুতে মাইক্রোসফট...
29/04/2026

🖥️ সহজে শিখুন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (MS Word) ইন্টারফেস পরিচিতি! 📑

​একজন শিক্ষার্থীর জন্য কম্পিউটার শিক্ষার শুরুতে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রতিটি টুলের কাজ জানা খুবই জরুরি। নিচের ছবিতে লাল বক্সে চিহ্নিত প্রধান অংশগুলোর সহজ পরিচিতি দেওয়া হলো:

​✅ ১. টাইটেল বার (Title Bar): উইন্ডোর একদম উপরে থাকে। এখানে আপনার ফাইলের নাম দেখা যায়।

✅ ২. কুইক এক্সেস টুলবার: সেভ (Save), আনডু (Undo) বা রিডু (Redo)-এর মতো প্রয়োজনীয় কাজগুলো এখান থেকে এক ক্লিকেই করা যায়।

✅ ৩. হোম ট্যাব (Home Tab): এটি ওয়ার্ডের ডিফল্ট ট্যাব। টাইপিং এবং ফরম্যাটিংয়ের প্রায় সব টুল এখানে থাকে।

✅ ৪. টেল মি (Tell Me): কোনো অপশন খুঁজে না পেলে এখানে সার্চ করে সরাসরি সেই ফিচারে যাওয়া যায়।

✅ ৫. উইন্ডো কন্ট্রোল: এখান থেকে প্রোগ্রামটি মিনিমাইজ, ম্যাক্সিমাইজ বা বন্ধ (Close) করা হয়।

​✅ ৬. ক্লিপবোর্ড (Clipboard): কপি, কাট বা পেস্ট করা টেক্সটগুলো সাময়িকভাবে এখানে জমা থাকে।

✅ ৭. ফন্ট সেকশন: লেখার স্টাইল পরিবর্তন, বোল্ড করা, সাইজ ছোট-বড় করা এবং রং বদলানোর মূল টুল এটি।

✅ ৮. প্যারাগ্রাফ সেকশন: আপনার লেখা লাইনের এলাইনমেন্ট (বামে, ডানে বা মাঝে নেওয়া), বুলেটিং এবং লাইন স্পেসিং ঠিক করার জায়গা।

✅ ৯. স্টাইল সেকশন: আপনার লেখাকে দ্রুত হেডিং বা টাইটেল হিসেবে সুন্দর করে সাজানোর শর্টকাট টুল।

✅ ১০. এডিটিং সেকশন: ডকুমেন্টে কোনো নির্দিষ্ট শব্দ খুঁজে বের করা (Find) বা বদলে দেওয়ার (Replace) জন্য ব্যবহৃত হয়।

​✅ ১১. রুলার (Ruler): স্কেলের মতো এই অংশটি দিয়ে পেজের মার্জিন এবং লেখার নির্দিষ্ট জায়গা সেট করা হয়।

✅ ১২. ইনডেন্ট (Indent): প্যারাগ্রাফের প্রথম লাইন বা পুরো অংশটি কতটুকু ডান দিকে সরবে তা ঠিক করা হয়।

✅ ১৩. ট্যাব সিলেক্টর: লেখার ভেতরে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার জন্য ট্যাব সেট করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

✅ ১৪. কার্সর পয়েন্ট (Cursor): যেখানে লাল রেখাটি লাফায় (Blink), টাইপ করলে ঠিক সেখান থেকেই লেখা শুরু হয়।

✅ ১৫. টেক্সট এরিয়া: মাঝখানের এই সাদা পাতাই হলো মূল কাজের জায়গা।

​✅ ১৬. স্ক্রলবার (Scrollbar): পেজকে ডানে-বামে বা উপরে-নিচে সরিয়ে দেখার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

✅ ১৭. ওয়ার্ড কাউন্ট (Word Count): আপনি এ পর্যন্ত মোট কতটি শব্দ লিখেছেন তা নিচে এখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখায়।

✅ ১৮. পেজ নম্বর: আপনার ডকুমেন্টে কতটি পেজ আছে এবং আপনি এখন কত নম্বর পেজ

28/04/2026

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক মাইলফলক

​১. সাধারণ পরিচিতি

​অবস্থান: পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর গ্রাম (পদ্মা নদীর তীরে)।

​মন্ত্রণালয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ।

​বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।

​সহযোগীতাকারী দেশ: রাশিয়া (কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান 'রোসাটম')।

​২. উৎপাদন ও সক্ষমতা

​মোট উৎপাদন ক্ষমতা: ২৪০০ মেগাওয়াট।

​ইউনিট-১: ১২০০ মেগাওয়াট।

​ইউনিট-২: ১২০০ মেগাওয়াট।

​প্রযুক্তি: রাশিয়ার সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের (Generation 3+) VVER-1200 রিঅ্যাক্টর।

​৩. গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

​ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ২ অক্টোবর ২০১৩।

​মূল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন: ৩০ নভেম্বর ২০১৭ (প্রথম ইউনিটের কংক্রিট ঢালাইয়ের মাধ্যমে)।

​নিউক্লিয়ার ক্লাবে প্রবেশ: ৫ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৭৩তম দেশ হিসেবে নিউক্লিয়ার ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

​বিশ্ব র‍্যাংকিং: এটি চালু হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনকারী দেশ হওয়ার মর্যাদা লাভ করবে।

​৪. স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা

​আয়ুষ্কাল: এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রাথমিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর, যা পরবর্তীতে আরও ২০ বছর বৃদ্ধি করা সম্ভব।

​নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ৫ স্তরের নিরাপত্তা বিশিষ্ট এই রিঅ্যাক্টরটি যেকোনো বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ (যেমন: ভূমিকম্প বা সুনামি) মোকাবিলায় সক্ষম।

​৫. অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব

​পরিবেশবান্ধব: এটি একটি কার্বন-নিসরণমুক্ত প্রকল্প, যা জলবায়ু রক্ষায় সহায়ক।

​জ্বালানি সাশ্রয়: একবার জ্বালানি (ইউরেনিয়াম) লোড করার পর এটি ১৮ মাস নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম।

​প্রকল্প ব্যয়: প্রায় ১,১৩,০৯২ কোটি টাকা (১২.৬৫ বিলিয়ন ডলার), যার সিংহভাগ রাশিয়া ঋণ হিসেবে প্রদান করছে।

​একটি বিশেষ তথ্য: ৫ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভার্চুয়ালি এই প্রকল্পের 'গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠান' বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।

কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ কিছু জিজ্ঞাসা ও উত্তর 💻
27/04/2026

কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ কিছু জিজ্ঞাসা ও উত্তর 💻

কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ কিছু জিজ্ঞাসা ও উত্তর 💻💡
27/04/2026

কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ কিছু জিজ্ঞাসা ও উত্তর 💻💡

Address

Mirsharai
Chittagong
4320

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ICT Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share