21/07/2026
#একটি স্ট্যান্ডার্ড (Standard) বা পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার কিবোর্ডে ১০১ থেকে ১০৪টি কি (Key) থাকে। তবে ল্যাপটপ বা ছোট আকারের কিবোর্ডে জায়গা বাঁচানোর জন্য কি-এর সংখ্যা কম (যেমন: ৮০ থেকে ৯০টি) হতে পারে।
কার্যকারিতা অনুযায়ী কিবোর্ডের কি-গুলোকে প্রধানত ৬টি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. টাইপিং বা আলফানুমেরিক কি (Typing / Alphanumeric Keys)
এতে বর্ণমালার অক্ষর (A-Z), সংখ্যা (0-9) এবং বিভিন্ন প্রতীক বা বিরামচিহ্ন (যেমন: ,, ., ;, ?) থাকে।
উদাহরণ: A, S, D, 1, 2, 3
২. ফাংশন কি (Function Keys)
কিবোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট ১২টি কি থাকে। নির্দিষ্ট কোনো কাজ দ্রুত করার জন্য এগুলো ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ: F1 (সহায়তা বা Help), F5 (রিলোড বা Refresh)
৩. নেভিগেশন কি (Navigation Keys)
ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজে কার্সার সরাতে বা পেজ উপরে-নিচে নামাতে এগুলো ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: অ্যারো কি (↑, ↓, ←, →), Home, End, Page Up, Page Down
৪. নিউমেরিক কিপ্যাড (Numeric Keypad)
কিবোর্ডের ডানপাশে ক্যালকুলেটরের মতো দেখতে সংখ্যা ও গাণিতিক চিহ্নের একটি আলাদা অংশ থাকে। এটি সাধারণত দ্রুত সংখ্যা টাইপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: 0-9, +, -, *, /, Num Lock
৫. কন্ট্রোল বা মডিফায়ার কি (Control / Modifier Keys)
অন্যান্য কি-এর সাথে মিলিয়ে কমান্ড দেওয়ার জন্য বা বিশেষ কাজের জন্য এগুলো ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ: Ctrl, Alt, Shift, Windows Key, Esc
৬. স্পেশাল বা সিস্টেম কি (Special / System Keys)
বিশেষ কিছু কাজের জন্য নির্ধারিত কি।
উদাহরণ: Enter, Spacebar (কিবোর্ডের সবচেয়ে বড় কি), Backspace, Delete, Tab, Caps Lock