"দেরিতে বিবাহ" ইসলামের বিরুদ্ধে শতাব্দীর এক শ্রেষ্ঠ ষড়যন্ত্র!!
▪️কুফফাররা অনেক চিন্তা ভাবনা করে দেখলো যে, শুধু অস্ত্র দিয়ে মুসলিমদের হ-ত্যা করে পরাজিত করা সম্ভব নয়!
কেননা মুসলিমরা তো আল্লাহর পথে শ-হীদ হওয়াকেই তাঁদের চূড়ান্ত সফলতা মনে করে!
▪️ তাছাড়া যাদের একমাত্র লক্ষই হচ্ছে আল্লাহর পথে শ-হীদ হওয়া, আপনি তাঁদেরকে কিভাবে থামাবেন....!
▪️তাই কাফিররা চিন্তা করলো মুসলিম যুবকদের নৈতিকভাবে ধ্বংস করে দিতে হবে, কেননা নৈতিকতাই হচ্ছে মুসলিম যুবকদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র.....! এ অ-স্ত্রের জোরেই তারা আল্লাহর পথে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে!
▪️তাই তারা প্রথমে মুসলিম দেশগুলোতে বিবাহের উপর একটি নির্দিষ্ট সময় সীমা বেধে দিলো যে, এর আগে বিয়ে করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ, যদিও একটি ছেলে এবং মেয়ে এই নির্দিষ্ট সময় সীমার অনেক আগেই বিবাহের উপযুক্ত হয়!
▪️সেই সাথে তারা এমন শিক্ষা ব্যবস্থাও চালু করলো যে, এই শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা ছেলে চাইলেও ২৮-৩০ বছরের আগে উপার্জনক্ষম হতে পারবে না!
▪️যদিও একটা ছেলে ১৫ বছর বয়সেই যৌবন প্রাপ্ত হয়! তাহলে একটি ছেলে যৌবন প্রাপ্ত হওয়ার পরের ১৫ টি বছর কিভাবে পাড়ি দিবে?
▪️এই জন্যে কাফিররা ব্যাপকহারে প-র্ণো ছবি ছড়িয়ে দিলো, বিবাহপূর্ব প্রেম ভালবাসাকে ছড়িয়ে দিলো.....!
▪আর যে যুবক প্রেম করবে, প-র্ণোগ্রাফি দেখবে, প্রেমিকার সাথে অবৈধ মেলামেশা করবে। সেই যুবক কি কখনো আল্লাহর রাস্তায় কাফিরদের বিরুদ্ধে জি হা দ করার কথা চিন্তা করবে?? কস্মিনকালেও না!
▪ এভাবেই কাফিররা মুসলিম যুবকদের কে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে, আমাদের যুবকদের জীবনী শক্তিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে!
আর ঐসব মেয়ে গুলো বাবা ভাইয়ের উপার্জিত টাকা খাইতেছে ঘুরতেছে। কোন কাজ নাই, সময় পেলে এই ছেলের পিছনে একটু, ঐ ছেলের পিছনে একটু করে মায়া আবেগ মিথ্যা ভালোবাসার প্রলোভন দেখিয়ে এভাবে ছেলেদের কে ধ্বংস করতেছে।
- কথাগুলো সংগৃহীত। সাদামাটা কথা কিন্তু কথাগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
পর্দা - নারীদের জন্য ফরজ।
আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষে….
01/06/2023
31/05/2023
জাহান্নামে কোনো এসি নেই।
25/05/2023
ছেলে দের জন্য মামী চাচীর সামনে যাওয়া যাবে না৷
মেয়েদের জন্য খালু ফুফার সামনে যাওয়া যাবে না৷
কোন ছাত্রী কোন স্যারের কাছে পড়তে পারবে না৷
কোন বালেগ ছাত্র কোন ম্যাডামের কাছে পড়তে পারবে না৷
দেবর-ভাবী বা শ্যালিকা-দুলাভাই সম্পর্ক মৃত্যুর মত ভয়ংকর৷
আমরা মানি বা না মানি৷ এটাই শরীয়াহ৷
এমন আরো ১৪ শ্রেণীর লিস্ট ছবিতে
23/05/2023
😥😥😥
আমাদের সিরিয়ান ভাইয়েরা....
বিশ্বকাপ ফুটবলের এই দাজ্জালি আয়োজন তোমার জন্য নয়।
06/10/2022
" তুমি আমার জন্য খেজুর এনেছো কিন্তু এগুলোর বীচি ফেলো নি ! "
এটা একটি বিখ্যাত আরবী প্রবাদ, কিন্তু এই প্রবাদটির উৎপত্তি কীভাবে হয়? আর কিভাবেই বা এটি বিখ্যাত হয়ে উঠে?
উমার বিন খাত্তাব ( রাঃ ) কে কেউ একজন জানালো যে, আবু বকর ( রাঃ ) ফজরের সালাত শেষ করে মদীনার সীমানার দিকে যান; একটা ছোটো বাড়িতে বেশ কিছু সময় কাটান; তারপর নিজের ঘরে ফিরে আসেন।
আবু বকর ( রাঃ ) কী করতেন না করতেন তার সব খবরই উমার ( রাঃ ) রাখতেন; শুধুমাত্র এই বাড়িতে কী হতো- তা তাঁর অগোচরে ছিলো।
দিন যায়, কিন্তু খলীফা আবু বকর ( রাঃ ) এর ঐ বাড়িতে গমন বন্ধ হয় না। উমার ( রাঃ ) সিদ্ধান্ত নিলেন- ফজরের পর আবু বকর ( রাঃ ) ঐ বাড়িতে গিয়ে কী করেন, তা তিনি নিজের চোখে একবার দেখে আসবেন।
উমার ( রাঃ ) ঐ ঘরে গিয়ে দেখতে পেলেন- ওখানে একজন বৃদ্ধা বাস করেন। বৃদ্ধার কেউ নেই, তারউপর বৃদ্ধা অন্ধ।
উমার ( রাঃ ) অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিত হলেন। বৃদ্ধার সাথে আবু বকরের কী সম্পর্ক- তা জানার জন্য তিনি আগ্রহী হয়ে উঠলেন। উমার ( রাঃ ) বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলেন,
" এই লোক আপনার বাড়িতে প্রতিদিন কী জন্য আসে? "
বৃদ্ধা জবাব দিলেন,
" আল্লাহ্র কসম ! আমার জানা নেই। সে প্রতিদিন আসে, তারপর আমার ঘর ঝাড়ু দেয়, সবকিছু পরিষ্কার করে, তারপর আমার জন্য খাবার তৈরি করে, তারপর কোনো কথা না বলেই চলে যায়। "
আবু বকর ( রাঃ ) এর মৃত্যুর পর আমীরুল মুমিনীন উমার ( রাঃ )ও একইভাবে বৃদ্ধার সেবা করতে আরম্ভ করলেন। বৃদ্ধা কিছু একটা টের পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, " তোমার বন্ধু কি মারা গেছেন? "
উমার ( রাঃ ) অন্ধ বৃদ্ধার প্রশ্ন শুনে প্রচণ্ড অবাক হলেন। উমার ( রাঃ ) বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলেন, " আপনি কীভাবে বুঝলেন? "
বৃদ্ধা জবাব দিলেন,
" তুমি আমার জন্য খেজুর এনেছো, কিন্তু খেজুরগুলোর বীচি ফেলো নি। " ( অথচ এই সামান্য বিষয়টাও তোমার বন্ধুর নজর এড়াতো না )
উমার ( রাঃ ) হাঁটু গেঁড়ে বসে পড়লেন। তাঁর চোখ অশ্রুতে পরিপূর্ণ হয়ে গেলো। আর এই অবস্থায় উমার ( রাঃ ) তাঁর বিখ্যাত উক্তিটি বললেন,
" হে আবু বকর ! আপনি পরবর্তী খলীফাদের কাজ অত্যন্ত কঠিন করে গেছেন। "
( আল্লাহ্ তাঁদের উপর রহম করুন )
[ সংগৃহীত এবং ঈষৎ পরিমার্জিত ]
02/10/2022
◑ একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?
• অভিযোগকারিণী নারী : যে নারী সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি করতেই থাকে। যখন স্বামী ঘর থেকে বেরোয়, তখন সে রাগ করে; যখন স্বামী ঘরে ফিরে আসে, তখনও রাগ করে। একটা দিনও তার কারণে ঝগড়া ছাড়া যায় না।
• প্রশ্নকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর পেছনে লেগে থাকে প্রশ্ন নিয়ে—কী চিন্তা করছেন? কী কাজে ব্যস্ত? আপনি বদলে যাচ্ছেন? কখন আমরা ঘুরতে যাব? এমন নারী সব সময় কিছু না কিছু বলতে থাকবেই আর স্বামীর স্নায়ুতে আঘাত করে করে স্বামীর ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে থাকবে। যদিও স্বামী ক্লান্তও হয়ে পড়ে তার কথা শুনতে শুনতে, অথবা কাজে ব্যস্তও থাকে, তবুও সে তার কথা থামাবে না।
• হঠকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর সামনে হঠকারিতা করতে থাকে। কখনো স্বামীর কথা শুনে না। স্বামীর কোনো কথা-আদেশের অনুসরণ করে না; বরং তার উলটোটা করে। সে তার অভিমতের ওপরই সব সময় দৃঢ় থাকে। খুব কমই তার স্বামীর কথায় তার মন ভেজে।
• উদাসীন নারী : যে নারী নিজের খেয়াল রাখে না, নিজের কাপড়-চোপড়ের খেয়াল রাখে না, বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখে না।
• সংশংয়বাদী নারী : যে নারী নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারে না। সব সময় মনে করে তার স্বামী অন্য কোনো নারীর পেছনে লেগে আছে বা তাকে ছাড়া অন্য কোনো নারীকে নিয়ে ভাবছে।
এরপর সে তার স্বামীর পেছনে পড়ে যে, তার সন্দেহ ঠিক না ভুল। সে তালাশ করে তার স্বামীর পকেটে, স্বামীর অফিসের কাগজপত্রের ভেতরে বা তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে তার সংশয়ের অনুকূলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় কি না।
• আদবহীন নারী : যে নারী ইসলাম ও শরিয়তের কোনো আদব ও নিয়মের ধার ধারে না, যা ইচ্ছে পরে, যেমন ইচ্ছে তেমন আচরণ করে।
• ধোঁকায় পড়ে থাকা নারী : যে নারী তার আশপাশের লোকদের সামনে অহংকার করে বেড়ায়। অন্যদের সামনে ভাব নেয় যে, তাকে বিয়ে করার মতো কোনো পুরুষ পৃথিবীতে নেই।
• মিথ্যাবাদী নারী : মিথ্যাবাদী নারী হচ্ছে সবচেয়ে বিপজ্জনক নারীদের এক প্রকার।
• দাম্ভিক নারী : যে কেবল নিজের প্রতিই আগ্রহী। যদি স্বামী ঘরে থাকে, তাহলে কেবল তার সাথেই স্বামীকে সময় কাটাতে হবে।
• বাচাল নারী : যে নারী বাচাল, তাকে নিয়ে পুরুষ খুবই ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ে।
• ছোট-বড় যেকোনো অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখানো নারী : সব সময় ছোট-বড় যেকোনো কারণে রাগে ফুঁসে ওঠে বা কাঁদতে শুরু করে।
• অতিরিক্ত অভিযোগ শোনা অপছন্দ করে পুরুষ : যে নারী এখন একটা অভিযোগ নিয়ে আসে, একটু পর আরেকটা অভিযোগ নিয়ে আসে স্বামীর মানসিক সমর্থন পাওয়া পর্যন্ত।
• যে নারী পুরুষের সম্মান খর্ব করে সে নারীকে সে অপছন্দ করে। পুরুষের সম্মানে ঘা দেওয়া খুবই সহজ; কিন্তু এ আঘাতের চিকিৎসা করা খুবই কঠিন।
• এমন স্ত্রী যে তার স্বামীর হাল-অবস্থার কোনো কেয়ার করে না। এ নারী স্বামীর কাছে কেবল খারাপ সংবাদ বা পারিবারিক সমস্যা নিয়েই হাজির হয়। ঘরে আসার সাথে সাথে বা ঘুমানোর সময় এসে এসবের ফিরিস্তি খুলে বসে।... তার স্বামী চিন্তিত থাকে, আর সে এক গালে হাসতে থাকে বা স্বামীর নিন্দা করে, তাকে ধমকাতে থাকে।
• বাজারমুখী নারী : যে নারী সব সময় বাজারে গিয়ে কেনাকাটা করতে থাকে আর কখনো সে এটাতে পরিতৃপ্ত হয় না।
• গিবতকারী নারী : যে নারী সব সময় গিবত আর ঝগড়া নিয়ে পড়ে থাকে।
• যে নারী স্বামীর ছাড় দেওয়াকে দুর্বলতা মনে করে : যখন স্ত্রীর গলার আওয়াজ উঁচু হয়, তখন স্বামী চুপ করে সবর করে। কিন্তু এ প্রকারের নারী মনে করে তার স্বামী দুর্বল। এমন সব নারী কোনো স্বামীর পছন্দ নয়।
-
বই : প্রেমময় দাম্পত্য জীবন (নিয়ম, কৌশল, পরামর্শ)
দুর্গাপূজার মৌসুম চলে এসেছে। এই সময়ে সাধারণ মুসলিমদের থেকে যেই হারাম কাজটি ব্যাপকভাবে সংগঠিত হয়, সেটা হল পূজার অনুষ্ঠান উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো এবং এতে অংশগ্রগণ করা।
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। পাশাপাশি স্বাভাবিক অবস্থায় মুসলিমরা এসব অনুষ্ঠানে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলাও সৃষ্টি করবে না। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে একজন মুসলিম হিসেবে এই উৎসবে অংশগ্রহণ তো দূরের বিষয়, শুভেচ্ছা জ্ঞাপনই বৈধ নয়। কারণ পুরো আয়োজনটিই হল শিরকের। শিরকের চেয়ে জঘন্য কোন অপরাধ দুনিয়াতে নেই। কোন অপরাধের আয়োজনে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন যুক্তিগতভাবেও নিন্দনীয় কাজ। আর অংশগ্রহণ তো আরো দূরের বিষয়। এজন্য বিষয়টি উলামাদের সম্মিলিত মত অনুযায়ী সুস্পষ্ট হারাম।
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবের সাথে কোন প্রকার সম্পৃক্ততা যেন তৈরি না হয় সে ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুব সতর্ক ছিলেন। একজন সাহাবী হিজাজের প্রসিদ্ধ এক স্থানে তার মান্নতের পশু যবেহ করার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ফতোয়া চাইল। রাসূল এই কাজের বৈধতা দেয়ার আগে কিছু বিষয় পরিষ্কার হয়ে নিলেন। সেই প্রেক্ষিতে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সেখানে কি কুফফারদের কোন উৎসব পালিত হয়? তখন ঐ সাহাবী বলল, জ্বী না। এবার নিশ্চিত হয়ে রাসূল তাকে সেখানে মান্নতের পশু যবেহ করার অনুমোদন দিলেন।( আবু দাউদ, ১১৩৪)
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করেন তখন দেখেন, মদীনাবাসী বছরে দুই দিন উৎসব করে। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন,তোমরা এই দুই দিন আনন্দ-ফুর্তি কর কেন? তারা বলল,জাহেলী যুগে এ দুইটি দিন আমরা উৎসব-আনন্দ করতাম, খেলাধূলা করতাম। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- .
আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে এ দুই দিনের বদলে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন। ঈদুল আযহা ও ঈদুর ফিতর। (সুনানে আবু দাউদ,হাদীস ১১৩৪ )
রাসুলের এসব নির্দেশনা সাহাবায়ে কেরামের ফিহকি জীবনেও প্রভাব ফেলেছে। উমর রাঃ বলেন, তোমরা আল্লাহর শত্রুদের থেকে তাদের উৎসবের দিন বিরত থাকো। কারণ সেসময় তাদের উপর আল্লাহর গজব নাযিল হতে থাকে ( আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকি, ১৮৬৪১)
মুমিনদের গুণ বর্ণনা করতে গিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন,আর যারা মিথ্যার সাক্ষ্য হয় না এবং যখন তারা অনর্থক কথা-কর্মের পাশ দিয়ে চলে তখন সসম্মানে চলে যায়। ( সুরা ফুরকান, আয়াত ৭২)
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ইবনে আব্বাস রাঃ সহ তাবেয়িদের একটি জামাত কুফফারদের উৎসবকেও অন্তর্ভুক্ত করেছেন। কারণ এসব উৎসবেও মিথ্যা ইলাহর উপাসনা ও বাতিল প্রথার চর্চা হয়। ফলে সেখানে উপস্থিত হওয়া জায়েয নেই। ( তাফসিরে ইবনে কাসীর দ্রষ্টব্য)
উপমহাদেশের অন্যতম দ্বীনি মারকায দারুল উলূম দেওবন্দ। এব্যাপারে দেওবন্দের ইফতা বিভাগে প্রশ্ন করা হলে বলা হয়, বিধর্মীদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর সময় এমন কোন কাজ করা যাবে না, যেটা তাদের সেই কর্মের প্রতি সমর্থন ও সেই কাজকে ভাল হিসেবে স্বীকৃতিদানের প্রতি ইঙ্গিত করে। আর এইসব অনুষ্ঠানে মোবারকবাদ জানানো মূলত এরই অন্তর্ভুক্ত। ফলে হিন্দুদের পূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মোবারকবাদ কিংবা শুভেচ্ছা জানানো হারাম। এমনকি কখনো কখনো তা ঈমানের জন্যেও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তবে যদি এই কাজ না করার কারণে জান-মালের আশংকা থাকে, তবে কৌশলগত কারণে (অন্তরে ঘৃণা রেখে) বলা যেতে পারে।
জনপ্রিয় আরবী ফতোয়া সাইট ইসলাম কিউয়ে এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে বলা হয়,খ্রিস্টমাস (বড়দিন) কিংবা অন্য কোন বিধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে কাফেরদের শুভেচ্ছা জানানো আলেমদের সর্বসম্মত মতানুযায়ী হারাম।
বিধর্মীদের ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা জানানোর ব্যাপারে ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম জাওযী রহঃ বলেন, বিষয়টি মূর্তিকে সিজদা করার উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানোর মতই।মদ পান কিংবা যিনা করার জন্য শুভেচ্ছা জানানোর চেয়েও এটি মারাত্মক।( আহকামু আহলিয জিম্মা- ৩/২২১)
হযরত উমরঃ এর যুগে তো সাহাবাদের ইজমা ক্রমে অমুসলিমদের মাঝে এই ঘোষণা ছিল যে, বিধর্মীরা দারুল ইসলামের ভিতর তাদের কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান প্রকাশ্যে পালন করতে পারবে না। যেন তা মুসলিম সমাজে কোন প্রভাব না ফেলে। ( ইক্বতিদ্বায়ে সীরাতুল মুস্তাকিম)
আজকে আমাদের অধিকাংশ মুসলিমের কাছেই কুফুর ও শিরক স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এগুলোর প্রতি আমাদের সহজাত ঘৃণাবোধ দূর হয়ে গেছে। এটা মূলত কুফুরের বিজয়ী পরিবেশেরই প্রভাব। অথচ আল্লাহ মুমিনদের ব্যাপারে বলেছেন, আল্লাহ তোমাদের কাছে ঈমানকে প্রিয় করে দিয়েছেন। তোমাদের অন্তরে সেটিকে সুশোভিত করেছেন আর তোমাদের কাছে কুফুরী, পাপাচার ও অবাধ্যতাকে ঘৃণিত করেছেন। তারাই সত্য পথপ্রাপ্ত। ( সুরা হুজরাত, আয়াত ৭)
কারো অন্তরে যদি আখিরাত থাকে, দুনিয়া সেখানে এসে ভীড় জমায়।
কারো অন্তরে যদি দুনিয়া থাকে, আখিরাত সেখানে এসে ভীড় জমায় না।
কারণ আখিরাত বদান্য, আর দুনিয়া নীচ।
- আবু সুলাইমান আদ-দারানী (রাহিমাহুল্লাহ)
[যাম্মুদ্দুনিয়া: পৃ. ৬৬]
Click here to claim your Sponsored Listing.