CGHS Batch'16 Official

CGHS Batch'16 Official

Comments

𝔽𝕚𝕩𝕥𝕦𝕣𝕖 𝕆𝕗 𝕊𝕦𝕡𝕖𝕣 𝕋𝕙𝕣𝕖𝕖
𝔽𝕚𝕩𝕥𝕦𝕣𝕖 𝕆𝕗 𝕊𝕦𝕡𝕖𝕣 𝕊𝕦𝕟𝕕𝕒𝕪
𝔾𝕖𝕥 ℝ𝕖𝕒𝕕𝕪 𝔹𝕠𝕪𝕤!!
Here we are❤️❤️❤️

This Page is a reflection of our well known Chittagong Govt. High School's ssc examinees of 2016. He

Operating as usual

23/09/2020

'যে যত অক্রোধ, সে তত দীর্ঘজীবী' বায়োটা ছিল তুষার কান্তি নাথ স্যারের ওয়ালে।

আপনি বড্ড অক্রোধ ছিলেন স্যার, আপনার রাগ দেখিনি, কোথাও একটা চাপা অভিমান দেখতাম কেবল। অথচ সবার আগে আপনার চলে যেতে হলো দীর্ঘজীবনের অভিলাষ ছেড়ে।

কত কিছুই তো মনে পড়ে যাচ্ছে। কত গল্প, কত বকা, কত স্মৃতি। আমি আপনার প্রিয় ছাত্র কখনোই ছিলাম না স্যার। আপনার চোখেই পড়ি ক্লাস নাইনে উঠে।
তখন আপনার নতুন ব্যাচ শুরু হয়েছে। স্কুলে এসএসসির বন্ধ পড়ে গেছে। সকালে পার্সিভিল হিলে আপনার সেই ছোট্ট রুমে প্রাইভেট পড়তে যেতাম। তারপর আমরা প্যারেডে খেলতাম, পরদিন প্রাইভেটে সেটা নিয়ে গল্প বলতেন।

আমাদের জেনারেশন গ্যাপের বড় স্বাক্ষী আপনি। আমরা যখন স্মার্টফোন ব্যবহার করতাম আপনি তখন ফেসবুকে নতুন। ক্লাসের ফাঁকে কার পোস্ট এ কি লিখলো সেসব নিয়ে আপনি হাসতেন ওই বাটন ফোন এই। আমাদের হাসি আসতো না সেসবে, আপনি সম্ভবত বুঝতেন। তাই খানিক পরে চুপ করে যেতেন।
আপনার প্রাইভেটে সবচেয়ে অমনোযোগী ছাত্রটিও আমিই ছিলাম, বকা ব্যতীত প্রশংসা তেমন পাইনি আপনার কাছে। ওই বকায় ভর্ৎসনা ছিল না। আমি, আমরা সবাইই আপনার বকা শুনে মৃদু হাসতাম। বুঝতাম আপনি কত বেশি সহজ-সরল।
স্কুল এ ক্লাস শেষে বারোটায় প্রাইভেট পড়তে ভাল লাগতোনা বলে কত অজুহাত দিয়ে আপনার ক্লাস পিছিয়েছি হিসাব নেই। এখন মনে হয় খানিকটা দীর্ঘায়িত হলেও মন্দ ছিল না আমাদের ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে তর্ক কিংবা মুক্তিযুদ্ধের সময়ে শরণার্থী শিবিরে আপনার ভাইয়ের হারিয়ে যাওয়ার গল্পগুলো।

আপনার সন্তান অন্তরকে আজকে এম্বুলেন্স এ তুলে দেওয়ার সময় আমার মুখে ভাষা ছিল না। কারণ আপনি ক্লাসে যখনই তার কথা বলতেন, আমাদের কাছে সে একটা হাসিখুশি, দুরন্ত বালক এর ছবি হয়ে উঠতো। তার এমন চেহারা কিংবা আপনারই মৃদুর হাসিবিহীন নিথর দেহ আমাদের দেখে যেতে হবে সে কল্পনাও আপনার পিছন দিয়ে স্কুল পালানোর সময় আমাদের মাথায় আসে নি।

আপনার প্রাইভেটের একটা মাসের বেতন আমি দেইনি স্যার। ওটা দিয়ে ফুটবল কিনেছিলাম। আমি একদিন বড়সড় হব, তারপর আপনাকে অনেক বড় একটা ট্রিবিউট দিব তেমন আশা ছিল আমার।

একেবারেই ঋণী করে দিয়ে চলে গেলেন। কোথায় গিয়ে যে খুঁজি... 🙂

-(collected)

08/09/2020

Ending of the CGHS batch 16 Football Carnival 1.0

Congratulations Team Kahn to Achieve first ever Title.

01/09/2020

⚽টুর্নামেন্ট এর বাইলজ⚽

১. টুর্নামেন্ট এর সময় বরাদ্দ নিম্নরূপঃ

প্রথমার্ধ ১০মিনিট+ অতিরিক্ত ১মিনিট+ বিরতি ৩মিনিট+দ্বিতীয়ার্ধ ১০মিনিট + অতিরিক্ত ১মিনিট

২. রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে

৩. ডি-বক্সের মধ্যে যদি কোনো ফাউল বা হ্যান্ডবল হয় তাহলে গোলকিপারবিহীন পেনাল্টি দেওয়া হবে।

৪. কর্ণার থাকছে

৫. খেলায় লাল এবং হলুদ উভয় কার্ডই থাকছে।
যদি কোনো খেলোয়াড় পরপর দুই ম্যাচে হলুদ কার্ড খায় তাহলে জরিমানা হিসেবে ২০টাকা জমা দিতে হবে।
এবং যদি কোনো ম্যাচে লালকার্ড খায় তাহলে তাৎক্ষণিক মাঠ ছেড়ে বের হয়ে ৩০টাকা জরিমানা দিতে হবে।

৬. প্রত্যেক খেলোয়াড়কে দলের জার্সি পরিধান করে খেলায় অংশ নিতে হবে; যদি কেউ জার্সি পরিধান না করে তাহলে একজন কম খেলোয়াড় নিয়ে ওই দলকে মাঠে নামতে হবে।

৭. অনিবার্য কারণবশতঃ, আমি আবারো বলছি অনিবার্য কারণে যদি কোনো খেলোয়াড় উপস্থিত হতে না পারে তাহলে তার জার্সি নিয়ে (অবশ্যই জার্সি নিয়ে)
একই ক্যাটাগরির অন্য খেলোয়াড় কোনো দলের হয়ে খেলতে পারবে। তবে তার পূর্বে আয়োজকদের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

৮. একটি ম্যাচ চলার বিরতির সময় থেকে পরের ম্যাচের দলসমূহকে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর রেফারি নতুন দুই দলকে মাঠে নামার আহবান জানানোর ৬মিনিটের মধ্যে যদি কোনো দল মাঠে না নামে তাহলে উক্ত দলকে ৫০টাকা জরিমানা এবং ১০মিনিটের মধ্যে না নামলে ওয়াকওভার দিয়ে দেওয়া হবে। সময় সংক্ষিপ্ততার কারণে সময়ক্ষেপণ এর বিরুদ্ধে অবস্থান করতে আয়োজক কমিটি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

৯. একই গ্রুপের তিনদলের প্রত্যেকেই যদি গ্রুপ পর্বে এক ম্যাচ করে জিতে এবং তিনদলেরই পয়েন্ট সমান হয়, তাহলে গোল ব্যবধানে প্রথম দুই দল; যদি সেটাও সমান হয় তাহলে তিনদলেরই পেনাল্টিতে অবতীর্ণ হয়ে প্রথম দুইদলকে পরের রাউন্ডের জন্য নির্বাচন করা হবে।

১০. যদি গোল ব্যবধানে কোনো দল জয়লাভ করে তাহলে ৩পয়েন্ট এবং যদি ড্র হওয়ার কারণে পেনাল্টিতে খেলা গড়ায় সেক্ষেত্রে বিজয়ী দল ২পয়েন্ট লাভ করবে।

১১. কোনো টিম চাইলে নিজেরাই নিজেদের স্ন্যাকস এর ব্যবস্থা করবে।

১২. ফিকশ্চার অনুসারে খেলা যখনই থাকুক, প্রত্যেক খেলোয়াড়কে উদ্বোধনীর দিন সকাল ৭ঃ২০ ঘটিকায় রিপোর্টিংয়ে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রত্যেক দলের অধিনায়ককে এ ব্যাপারে জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে নচেৎ।

১৩. প্রত্যেক দলের খেলোয়াড়দের অন্য দলের খেলোয়াড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।

১৪. মাস্ক পরিধান করে স্কুল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে হবে।

১৫. বাইলজের কোনো পরিবর্তন, পরিবর্ধন কিংবা পরিমার্জনের এখতিয়ার কেবলই আয়োজকদের।

সবাইকে সুন্দর এবং বাইলজের প্রতি অনুগত থেকে খেলা উপহার দেওয়ার আহবান রইলো।

25/08/2020

সুখবর চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ব্যাচ ১৬এর জন্য।

এই লকডাউনে খেয়ে দেয়ে আশা করি সবার অবস্থাই নাদুসনুদুস। এমন অবস্থায় আমরা যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজন করছি ঘরোয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট এর। এত অল্পে চমকিত হওয়া উচিত হবে না। আরও আছে চমক। চল দেখে নিই।

⚽বিশেষ আকর্ষণ ⚽
১.লটারি মাধ্যমে টিম সাজিয়ে অনুষ্ঠিত হবে টুর্ণামেন্ট।

২. শর্টবারে টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

৩. প্রতি টিমে চারজন করে খেলোয়াড় থাকবে।

৪. থাকছে চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স আপ ট্রফি।

⚽তোমাদের যা করতে হবে-
১.পোস্টের কমেন্ট সেকশনে নিজের নাম,সেকশন,কোন পজিশনে(স্ট্রাইকার,মিডফিল্ডার,ডিফেন্ডার,গোলকিপার) খেলো তা উল্লেখ করতে হবে।
উদাহারণঃ
রফিক,এ সেকশন,মিডফিল্ডার।

২. ১২০ টাকা জমা দিতে হবে জনপ্রতি জার্সি এবং ট্রফির জন্য।টাকাটা বিকাশে দিতে হবে এবং সেন্ড মানি করতে হবে।রেফারেন্স এ নিজের নাম দিতে হবে।টাকা পাঠানোর পর মেসেঞ্জার কিংবা নাম্বারে টেক্সট করে কনফার্ম করতে হবে।শুক্রবারের মধ্যেই রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
(প্রত্যেককে স্বল্প মূল্যের জার্সি টিম অনুসারে এবং চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলকে ট্রফি দেওয়া হবে এই এমাউন্ট থেকে)

৩. টুর্নামেন্ট এর ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের এবং ম্যাচের মধ্যে রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এটা জেনে এবং মেনে অংশ নিতে হবে।

৪. খেলার ফিকশচার মোট কতজন প্লেয়ার সাবমিশন করছে এবং কতটা টিম হচ্ছে তার ওপর তার উপর নির্ভর করছে।

বাকি আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে পরের পোস্টে কথা বলছি।

বিকাশঃ
1.01858813653(Aowsaf Tasin)
2.01753192552(Misbahus Salehin)
3.01647574776(Hossain Roshid)

আরো জানতে হলে-
সাগর-০১৮৭২৫৩০০৬৫
তাসিন- 01858813653
তাজওয়ার- 01640618470

এছাড়াও যেকোনো প্রশ্ন এবং মতামতের জন্য আমাদের মেসেঞ্জার গ্রুপ তো আছেই।

খেলা আগামী সপ্তাহেই শুরু করার প্ল্যান আছে তোদের যথেষ্ট রেস্পন্স যদি আসে।

তাহলে রেডি হয়ে যাও একটা দারুণ টুর্নির জন্য।❤

বিঃদ্রঃ -যারা খেলবা না তারা যদি জার্সি নিতে চাও তাহলে জনপ্রতি ১০০ টাকা পেমেন্ট করতে হবে।

29/07/2020

দুইজন বিশ্বজয়ীর সাথে❤

বিশ্বজয়ের গল্প শুনব এবারঃ

দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে কারা? এমন প্রশ্ন আমাদের মনে এলেই সর্বাগ্রে আমাদের সামনে ভেসে উঠে কোনো ক্রিকেটার কিংবা অন্য কোনো স্পোর্টসম্যান এর ছবি। অথবা কোনো ফিল্মমেকারের হাসিমাখা মুখ,
কিংবা হতে পারেন অন্য কিছু।

তবে প্রব্লেম সলভিং কম্পিটিশন এবং অলিম্পিয়াডস এর মাধ্যমেও বেশ সুন্দরভাবে দেশের পতাকাকে সমুজ্জ্বল স্থানে তুলে ধরা যায়, বিশ্বকে জানান দেওয়া যায় দেশের নাম।

কিংবা বর্তমান বিশ্বের একজন ছাত্রকে যদি তার উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের কথা জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে তার উত্তর কি হবে? নিশ্চয়ই এমআইটি, হার্ভার্ড কিংবা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির নাম সবার আগেই সামনে চলে আসবে।

আচ্ছা কেমন হয় অলিম্পিয়াডে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা কিংবা এমআইটির মতো জায়গায় পড়াশুনা করা মেধাবীদের গল্প?
হ্যাঁ। ঠিকই ধরতে পেরেছেন।
From M.E School to CGHS:The Untold Stories of Legends এর এই পর্বে আমাদের অতিথি সৌরভ দাশ এবং তাহনিক নুর সামিন জানাবেন সেই গল্পগুলো।

সৌরভ দাশ বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান "Twitter" এর এডস প্রেডিকশন টিমে কর্মরত আছেন মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে।বিশ্বের অন্যতম টপক্লাস ইউনিভার্সিটি Massachusetts Institute of Technology (MIT) হতে ডাবল মেজরে কম্পিউটার সায়েন্স এবং ম্যাথমেটিকস বিষয়ে আন্ডারগ্র‍্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন ২০১৮ সালে। চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এর এই মেধাবী ছাত্র ২০১৯ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন কম্পিউটার সায়েন্স এ।
শুধু কি তাই? এই রত্নের ভান্ডারে আছে ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড (IMO) এর দু'টো ব্রোঞ্জ পদক, আছে এশিয়ান প্যাসিফিক ম্যাথমেটিকাল অলিম্পিয়াড (APMO) এর সিলভার পদক।

আসা যাক তাহনিক নুর সামিনের কথায়। তাহনিক নুর সামিন ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন।পরবর্তীতে নটরডেম কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে এইচএসসি শেষে বর্তমানে অধ্যয়নরত আছেন The Hong Kong University of Science and Technology - HKUST তে।

সামিন ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডে-২০১৮(IMO-2018)এর ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ী। সেই সাথে সিলভার পদক পেয়েছেন এশিয়া প্যাসিফিক ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াড (APMO)তেও।
তার ঝুলিতে রয়েছে ইরানিয়ান জিওমেট্রি অলিম্পিয়াডের ব্রোঞ্জ পদকও। এছাড়াও দেশে-বিদেশে অসংখ্য অলিম্পিয়াড এবং কম্পিটিশনে এই মেধাবী রেখেছেন তার কৃতিত্বের ছোঁয়া।

এই দুই বিশ্বজয়ী মহারথীকে আমরা আগামি ৩০ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ৯ঃ০০টায় আনছি আমাদের লাইভ অনুষ্ঠানে। আপনাদের আমন্ত্রণ রইলো, আহবান রইলো সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার।
স্কুল জুনিয়রদের বিশেষভাবে অনুরোধ রইলো এই সেশনে অংশ নেওয়ার,প্রশ্ন করবে যা কিছু মনে ঘুরে অলিম্পিয়াড নিয়ে।

17/07/2020

এই দুই মহারথীর আড্ডা দেখতে চোখ রাখুন আগামিকাল রাত ৮ঃ৩০ মিনিটে।

চট্টগ্রামের ছেলেরা যে কেবল হোমসিক নয়, তারাও নিজেদের গন্ডি পেরিয়ে কখনো দেশের জন্য আবার কখনো গোটা পৃথিবীর জন্য একেকজন বড় বড় সম্পদ হয়ে দাঁড়াতে জানেন,
তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলেন ডক্টর অভিজিৎ কুমার নাগ এবং মনোজ বড়ুয়া।

প্রিয় শুভানুধ্যায়ীবৃন্দ, From ME School To CGHS:The Untold Stories Of Legends পঞ্চম পর্বের অতিথিদের ব্যাপারে বলছি। বলছি আমাদের চট্টলার রত্ন, চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের রত্ন ডক্টর অভিজিৎ কুমার নাগ এবং মনোজ বড়ুয়াকে নিয়ে।

ড: অভিজিৎ কুমার নাগ চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস. সি. (চতুর্থ স্থান)পাশ করে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচ.এস. সি. (পঞ্চম স্থান) এবং বুয়েট থেকে কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ অনার্স সম্পন্ন করে পাড়ি জমান আমেরিকায়। সেখানকার মেমফিস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার্স এবং কম্পিউটার সাইন্স এ পিএইচডি সম্পন্ন করে বর্তমানে কম্পিউটার ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন বিখ্যাত টেক্সাস এ এন্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়-সেন্ট্রাল টেক্সাসে।

শুধু কি তাই? এই তারকার অসংখ্য গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়ে আসছে বিখ্যাত সব জার্নাল এবং কনফারেন্সে। তবে সেসবের চেয়েও বড় ব্যাপার হলো, চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন এই ছাত্রের প্যাটেন্টকৃত সিকিউরিটি সিস্টেম বেশ সাড়া জাগিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে৷ তার সিকিউরিটি সিস্টেম দিয়ে আমেরিকার বড় বড় সব প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
আমেরিকার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ব্যবহার করছে তার উদ্ভাবিত সিস্টেম।

মনোজ বড়ুয়ার গল্পটাও বেশ ঈর্ষনীয়। চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাশ করে তিনিও পড়াশুনা করেন চট্টগ্রাম কলেজ এবং বুয়েটে। তারপর উচ্চশিক্ষার্থে পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিস্টিংশনের সাথে সম্পন্ন করেন এমবিএ। তিনু
ঢাকা, দুবাই, আবুধাবি, মেলবোর্ন, পার্থ সহ বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অনেক শহরে নিরাপদ এবং কার্যকরী সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস হিসেবে কর্মরত আছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাফিক ও ট্রান্সপোর্ট বিভাগে।

তার উদ্ভাবিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম রীতিমতো বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার সড়ক ব্যবস্থায়।
অস্ট্রেলিয়ার সড়ক ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও ডিজাইনিং নিয়ে মনোজ বড়ুয়া স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় পুরস্কার।

১৯৯৯ ব্যাচের এই দুই বন্ধুর স্কুল জীবনের গল্প, তাদের সফলতার গল্প, তাদের বিশ্বকে জয় করার গল্প এবার শুনব আমরা। এই দুইজন বিখ্যাত মুখ আমাদের সাথে আড্ডা দিতে আসছেন ১৮ই জুলাই, রোজ শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮ঃ৩০ মিনিটে।

আমাদের এই আয়োজনে আপনি সাথে থাকুন, আপনার চসউবিয়ান বন্ধুকেও জানিয়ে দিন এই আড্ডার কথা।

02/07/2020

Let's meet a gem of our school ❤

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত মিশিগান ইউনিভার্সিটির ২০১৯ সালের সমাবর্তনের বক্তা, #প্রাক্তন_চসউবিয়ান সুবীর চৌধুরীর বক্তব্য টি প্রথম আলো থেকে নেওয়া হলো। আপনাদের সুবিধার্থে এই বক্তব্যকে আমরা দুই পর্বে আপনাদের কাছে তুলে ধরছি। আজ প্রথম পর্ব; যা নিজ দায়িত্বে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার সবিনয় অনুরোধ রইলো।

#ছাদ_নাকি_আকাশ_কোনটা_ছোঁবে?

Subir Chowdhury

(চট্টগ্রাম সরকারি হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন সুবীর চৌধুরী। এখন তিনি কোয়ালিটি বা গুণগত মান বাড়াতে পরামর্শ দেন বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে। তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট বা ব্যবস্থাপনা পরামর্শকদের একজন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ফেলোশিপ আছে, তাঁর নামে ফেলোশিপ আছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসেও। ৪ মে,২০১৯ যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে বক্তা ছিলেন তিনি।)

শুভ সকাল। এই সেই সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটি। যেখানে এসে আমি অফুরন্ত জীবনীশক্তি পাই!

এ দেশে পা রেখে আমার প্রথম রাতটি কেটেছিল মিশিগানের মাউন্ট প্লেজেন্ট শহরে। আমার বিমান যাত্রা বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মিশিগানে ছিল না। কিছু খরচ বাঁচাতে আমি একটা ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছিলাম। প্রথমে গিয়েছিলাম থাইল্যান্ড। এরপর তাইওয়ান, সিয়াটেল, ডেট্রয়েট হয়ে সবশেষে নেমেছিলাম ল্যান্সিংয়ে। ওখানে নেমে একটা গাড়ি ভাড়া করে চলে এসেছিলাম মাউন্ট প্লেজেন্ট; আমার ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল মিশিগানে।

সেটি ১৯৯১ সালের আগস্ট মাস। আমার হাতে তেমন কোনো টাকাপয়সা ছিল না। এ দেশে এসেছি মাস্টার্স করতে। সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটির এক ডিপার্টমেন্টে আমার ডাক পড়েছে। স্কলারশিপসহ ফেলোশিপের অফার। আমাকে বলা হয়েছিল দুই সপ্তাহ আগেই আমেরিকা চলে আসতে। আমি দুই সপ্তাহের জায়গায় তিন সপ্তাহ আগে এসে উপস্থিত হলাম। আমার অধ্যাপককে খুশি করতে।

ঘরে কোনোরকমে ব্যাগ-ব্যাগেজ ফেলে ছুট লাগালাম অধ্যাপকের খোঁজে। তিনি আমাকে দেখে যেন চমকে গেলেন। বললেন, ‘তোমার না পরের সপ্তাহে আসার কথা?’ আমি বললাম, ‘জি স্যার, আমি এক সপ্তাহ আগেই চলে এসেছি; আপনি খুশি হবেন ভেবে!’ তিনি কিছুক্ষণ আমার মুখের দিকে চেয়ে রইলেন। বললেন, ‘দুঃখিত সুবীর, আমি ফেলোশিপের জন্য আরেকজনকে সিলেক্ট করে ফেলেছি!’

আমি হতভম্ব। কেঁদেই ফেললাম। প্রায় চিৎকার করে বললাম, ‘স্যার, আপনি এ কাজ করতে পারেন না!’ কোনো লাভ হলো না। আমি স্কলারশিপ পেলাম না।

পরদিন কিছু প্রবাসী শিক্ষার্থী আমার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল। তারা আমার অসহায়ত্ব অনুভব করল। পরামর্শ দিল, ক্যাম্পাসের বাইরে একটা চাকরি খুঁজে নেওয়ার। কিন্তু আমার ওয়ার্ক ভিসা নেই। ক্যাম্পাসের বাইরে চাকরি আমার জন্য বেআইনি। আমি এ দেশে এসেছি স্টুডেন্ট ভিসায়; কিন্তু কোর্স রেজিস্ট্রেশন করার মতো টাকা নেই!

এবার আমি ঘুরতে লাগলাম ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্টগুলোতে। খুঁজতে লাগলাম স্কলারশিপের সুযোগ। সমাজবিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, এমনকি ইংরেজি বিভাগেও ঢুঁ মেরে এলাম। তাদের বোঝাতে চেষ্টা করলাম, আমার ইংরেজিতে ভালো দখল আছে। এভাবে প্রায় সব ডিপার্টমেন্ট ঘুরলাম। শেষ মুহূর্তে কড়া নাড়লাম গণিত বিভাগের দরজায়! চেয়ারম্যান ড. রিচার্ড ফ্লেমিং আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। বললেন, ‘তুমি এরই মধ্যে ২০টি ডিপার্টমেন্ট ঘুরে ফেলেছ। ওরা সবাই তোমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। এবার যদি আমিও তোমাকে নিরাশ করি, তুমি কী করবে?’ আমি বললাম, ‘২২তম ডিপার্টমেন্টের দরজায় গিয়ে উপস্থিত হব।’ রিচার্ড সাহেব বললেন, ‘তুমি পলিমার বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করতে পারবে?’ আমি জানালাম, ‘খড়গপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে আমি পাস করে বেরিয়েছি। যেকোনো বিষয়েই আমি মাস্টার্স করতে পারব।’

তিনি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দিলেন। পেয়ে গেলাম ডোউ ফেলোশিপ। এর জন্য আমি সারা জীবন ড. লীলা রাকেশের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। তিনি আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন।

ডোউ ফেলোশিপ দিয়ে আমার সব পড়াশোনার খরচ জুটে গেল। ১৯৯৩ সালে আমি স্নাতক হলাম। পেলাম বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড। সব কটি গ্র্যাজুয়েট স্কুলের ভেতর আমার থিসিস হলো সবচেয়ে সেরা।

আমার অধ্যাপকেরা তখন চেয়েছিলেন আমি পিএইচডির জন্য লেগে পড়ি। কিন্তু আমার পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে পড়লাম। লক্ষ্য—নিজের ক্ষেত্রে সেরা হওয়া। একজন ব্যবস্থাপনা-বিশেষজ্ঞ হওয়া। বিশ্বের নামকরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোয়ালিটি বা গুণগত মানবিষয়ক পরামর্শ দেওয়াই যার কাজ।

আমার অধ্যাপকেরা আশাহত হলেন। আমি তাঁদের চিন্তা করতে মানা করলাম, বললাম, ‘একদিন দেখবেন সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটিই আমাকে ডেকে নিয়ে অনারারি ডক্টরেট দেবে।’

আজ সে কথা সত্য হলো।

28/06/2020

The fourth session with talented Manash Ranjan Chowdhury ❤

26/06/2020

Have a blast🔥🔥🔥

02/06/2020

আজ একটা কথা খুব মনে পড়ছে।স্কুলের বিরিয়ানী উৎসব।
হ্যাঁ,যখন গভঃ হাই স্কুলে ছিলাম তখন বছরে আমাদের দু'বার বিরিয়ানী দেওয়া হতো।একটি ছিল মিলাদের সময় আরেকটি ছিল ৩১শে ডিসেম্বর মানে আমাদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল এর দিন।এখনো মনে আছে,৩১ডিসেম্বর আসার দিনকয়েক আগে যখন আমাদের ফলাফল নিয়ে চিন্তিত থাকার কথা ছিল সেখানে আমাদের ফলাফল নিয়ে চিন্তা তো দূরে থাক্ বরং বিরিয়ানী পাবার আশায় আনন্দে বুদ হয়ে থাকতাম।কাঙ্ক্ষিত দিনটি যখন হাজির হতো সুন্দর মতো স্কুল ড্রেস পরে খুশিমনে রওনা দিতাম,ফলাফল যা হবে হোক।
মজার ব্যাপার হল বিরিয়ানী রান্না করা হতো শুধুমাত্র স্কুলের সমসাময়িক ছাত্রদের জন্য।কিন্তু দেখতাম দুই তিন বছর আগে প্রাক্তন হওয়া আমাদের বড় ভাইরাও পাঞ্জাবি পরে জামাই সাজে চলে আসতো বিরিয়ানীর আশায়।তাদেরকে দেখে মাসুদ স্যারের সে কি হুংকার,"তোরা আইসসুস কিল্লাই?"(তোরা আসছিস কেন) ভাইয়াগুলো মুচকি হাসি দিতো। কিন্তু এই ঝাড়ি দেওয়া মানুষটিই দিনশেষে বড় ভাইয়াদের কাছে ডেকে বলতো, "সবাই একটা করে প্যাকেট নিয়ে যাবি।"সবচেয়ে মজা লাগতো যখন প্যাকেট একটা নেওয়ার পর তা কোন এক বন্ধুর কাছে জমা দিয়ে আবার লাইনে দাঁড়াতাম আরেকটা নেওয়ার জন্য। আরেকবার প্যাকেট নিয়ে যখন বিজয়ীর বেশে বের হতাম তখন দেখতাম ওই শালা আগের প্যাকেটটা নিয়ে ভাগছে। এরপর ওর চৌদ্দ-গুষ্টিরে গালাগালি দিতে দিতে বাসায় যেতাম।
আহ!অনেক সুন্দর ছিল দিনগুলো।সবাই এখন কেমন জানি বদলে গেছে।বিরিয়ানী উৎসবটাও এখন আর হয় না।হবেই বা কেমনে? উৎসব এর প্রধান কর্ত্রীই তো নেই(২০১৫ সালে অবসরে গিয়েছেন)।হ্যাঁ,আমাদের বড় আপা,আমাদের মা,আমাদের বাবা,আমাদের অভিভাবক,আমাদের সব।
এই মানুষটিই তো ছিলেন আমাদের শেষ আশ্রয়। স্কুলের একেকটা ইতিহাস গড়ার রূপকার এই বড় আপা মিসেস মাহবুবা বেগম।
#চসউবি💜

লেখা- Aowsaf Tasin(16 batch)

24/05/2020

Eid Mubarak❤️❤️


🥰

Photos from CGHS Batch'16 Official's post 20/05/2020

The mighty rag day-2015🔥
🤘
Chittagong Govt. High School❤

20/05/2020

Sign Day❤
🤘
Chittagong Govt. High School❤❤❤

20/11/2019

One of the great moments from Chittagong Govt. High School Batch '16 Reunion 1.0

Those days are gone by.😌

16/11/2019

ওয়েল,
২০১৬ সালে এসএসসির রেজাল্টের পর থেকে আমাদের বিচ্ছেদ হওয়া শুরু। এখন জীবনের তাগিদেই একেকজন একেক প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গিয়েছি। খুব সম্ভবত প্রতিদিন নিয়ম করে দেখা হবে, খুনসুটি হবে, এর ওর দোষারোপ হবে, মারামারি হবে, পরীক্ষায় লাইন বেঁধে দেখাদেখি হবে, বাথরুমে বই লুকিয়ে ফিজিক্স এ পাশ করা হবে এখন সেসব অনেকটাই কল্পনা।

তারপর এসাইনমেন্ট এর পেরায়, ভার্সিটির ছুটির ফাঁকে কলেজ রোড দিয়ে যেতে, কিংবা কোনো শপিংমলে স্কুলের কোনো বন্ধুকে হঠাৎ দেখতে পেয়ে আমাদের ও বলতে ইচ্ছে হয়,
'আমাদের গেছে যে দিন,
একেবারেই কী গেছে?'

বছরের শুরু থেকেই কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল, রিইউনিয়ন একটা বোধহয় হবে।
তার উপরে স্কুলের ১১১ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ঐতিহাসিক সেই আয়োজনে আমরা উপস্থিত থাকতে পারিনি এইচএসসি পরীক্ষার কারণে।
গতবছর ডিসেম্বর অবধি অনেক ব্যাচমেটই খোঁজে নিতে পারেনি তাদের কাঙ্খিত ঠিকানা।
সব কিছু মিলিয়ে আশা করছি
এই ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে 'CGHS Batch '16 Reunion 2.0' আয়োজন করা যেতেই পারে।
বাস্তবতাও আছে। অনেক বন্ধুই বিদেশে চলে গিয়েছে। অনেকেই ডিফেন্সে।
৩২৪ জন ছাত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যাটাই উপস্থিত করে সবার হাতে একটা করে মশাল জালিয়ে দিয়ে চট্টগ্রাম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে একটা অসাধারণ সন্ধ্যা কাটানো,
২৪ ঘন্টার জন্য সব কিছু ভুলে ২০১০-২০১৫ এর সময় কিছুটা হলেও ফেরত পেতে এবার একটা সুন্দর রিইউনিয়ন এর আয়োজন কর‍তে উদ্যোগ নিচ্ছি আমরা।
প্রশ্ন হল আমরা কারা?
'আমি,তুমিই আমরা।'
হ্যা। তুমি এই অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নিচ্ছ।
মতামত আশা করছি সকলের।

Photos from CGHS Batch'16 Official's post 16/11/2019

এরা কোথায় হারিয়ে গিয়েছে,
কিংবা কোন পথে কে জানে তা।
CGHS Batch '16 Rag Day 2015.💙💚💚

16/11/2019

Throughback to our sign day '15
They are from Chittagong Govt. High school batch 2016.

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


College Road
Chittagong
Other Middle Schools in Chittagong (show all)
Garib-E-Newaz High School, Halishahar H/E, Chittagong. Garib-E-Newaz High School, Halishahar H/E, Chittagong.
Garib-E-Newaz High School, Halishahar H/E
Chittagong, 4216

It's a high school

mdmajit mdmajit
Chakaria Cox's Bazar
Chittagong

শিক্ষানন্দ স্কুল-Shikkhananda School শিক্ষানন্দ স্কুল-Shikkhananda School
Bisho Colony, B Block, Akborsha, Ctg
Chittagong, 4217

নার্সারী থেকে নবম শ্রেনি পর্যন্ত। আপ

P.H. Amin Academy Batch of 2019 P.H. Amin Academy Batch of 2019
Chittagong

পি এইচ আমিন একাডেমি ক্লাস ০৬ (২০১৪)-ক্লাস ১০(২০১৯)।যারা পড়েছিলে তারা সবাই পেজের সাথে যুক্ত থাকুন

Imam Hussain R. Adarsh Noorani Madrasah Imam Hussain R. Adarsh Noorani Madrasah
Imam Hussain R. Adarsh Noorani Ta`limul Quran Madrasah Paschim Baimykhali Pekua Cox`s Bazar, Bangladesh
Chittagong, 4641

A meta description is the description of, or excerpt from, a webpage that appears when that page is l

Mohra Cadet School and College Mohra Cadet School and College
Wasa Dighirpar, Mohra, Ctg
Chittagong, 4208

Play to Seven

Salimabad Adarsha High School Salimabad Adarsha High School
Salimbd
Chittagong, 3420

Founder: Late, MD. KALU MIAH MEMBER Chairman, Managing Committee MD. LUTFAR RAHMAN ---------------

M Osman Goni M Osman Goni
Chittagong

নাসিরাবাদিয়ানস নাসিরাবাদিয়ানস
Chittagong, 4203

We are "নাসিরাবাদিয়ান" until we die!

Mohamuni Anglo-Pali High School Mohamuni Anglo-Pali High School
Mohamuni, Raozan
Chittagong, 4348

Politics Free Institution

Memon Grammar School - MGS Memon Grammar School - MGS
10 Nandankanan (Just Opposite To Rifle Club And Beside District Primary Educatio
Chittagong, 4000

Memon Grammar School, EIIN 131494 (English Version Under National Curriculum) Play Group to Class Ten