জামিআতুল কাউসার - Jamiaatul Kawsar

জামিআতুল কাউসার - Jamiaatul Kawsar

Share

দাওয়াহ, আক্বীদা ও গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান
প্রতিষ্ঠাতা: শাইখ সাঈদ আহমদ (হাফি:)

25/03/2026

আজ থেকে আমাদের ভর্তি শুরু।

আলহামদুলিল্লাহ, বেফাক বোর্ডের মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া তিনজন ছাত্রসহ আরো কয়েকজন জামিআতুল কাউসারে ভর্তির সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

এ বছর শুধু দুটি জামাতে ভর্তি নেওয়া হবে:
১. সমৃদ্ধ নেসাব ও উপকারী মানহাজে হেদায়া ও জালালাইন জামাত।
২. নাহু-সরফ ও আদব।
আসন সংখ্যা সীমিত।

19/03/2026

মহিলাদের মসজিদ ও ঈদগাহে গমন সম্পর্কে আলোচনা

Photos from জামিআতুল কাউসার - Jamiaatul Kawsar's post 18/03/2026

বেফাক বোর্ডের পরীক্ষায় পাস করা সকল শিক্ষার্থীকে জানাই অভিনন্দন।

শরহে বেকায়ার পরীক্ষায় মুমতায, জায়্যিদ জিদ্দান ও জায়্যিদ বিভাগে উত্তীর্ণ ছাত্রভাইদের জন্য জামিআতুল কাউসারে হেদায়া ও জালালাইন জামাতের জন্য‌ ব্যতিক্রমী সমৃদ্ধ নেসাব ও উপকারী মানহাজ প্রণয়ন করেছে।
কতৃপক্ষ আপনাদের অপেক্ষায় রয়েছে, আসন সংখ্যা সীমিত।

উল্লেখ্য, অসচ্ছল মেহনতি ছাত্রদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা রয়েছে।

14/03/2026
08/03/2026

লাইলাতুল কদর: ফযীলত ও আমলের পদ্ধতি
════════════════

‘লাইলাতুল কদর’ বা 'কদরের রাত্রি এক হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।' (সূরা কদর: ৩)।
অর্থাৎ ১০০০ মাস তথা ৮৩ বছর ৪ মাসের চাইতেও অধিক ইবাদতের সাওয়াব এই এক রাতের ইবাদতের দ্বারাই আল্লাহ তাআলা প্রদান করে থাকেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
مَنْ قَامَ لَيْلَةَ القَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় কদরের রাতে ইবাদত করবে, তার অতীত গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে। [বুখারী-১৯০১; মুসলিম-৭৬০]

বড় হতভাগা!
══════
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও তাঁর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে এত বড় খোশখবরী পাওয়ার পর এ রাতের ক্ষমা ও রহমত লাভের চেষ্টা না করা অনেক বড় বঞ্চনার বিষয়। হযরত আনাস রা. বলেন, রমযান আসলে নবীজী বলতেন,
إِنّ هَذَا الشّهْرَ قَدْ حَضَرَكُمْ، وَفِيهِ لَيْلَةٌ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ، مَنْ حُرِمَهَا فَقَدْ حُرِمَ الْخَيْرَ كُلّهُ، وَلَا يُحْرَمُ خَيْرَهَا إِلّا مَحْرُومٌ.

এই মহিমান্বিত মাস উপস্থিত। তাতে একটি রজনী রয়েছে, যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি এর কল্যাণ ও বরকত থেকে বঞ্চিত হল সে যেন সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত হল। আর কেবল অভাগাই এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত থাকে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ১৬৪৪, সনদ হাসান)

সুতরাং হেলায় না কাটিয়ে কদরের রাতের কদর করা দরকার।

----------------------------------------------------------

কদরের রাত কোনটি?
══════════
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
تحروا ليلة القدر في الوتر من العشر الأواخر من رمضان.
তোমরা রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে কদরের রাত তালাশ কর। [বুখারী ২০১৭]

বুখারী ও মুসলিম শরীফের হাদিসে হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন,
كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل العشر شد مئزره وأحيا ليله وأيقظ اهله.
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ দশক আসলে ইবাদতের জন্য কোমর বেঁধে প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন এবং রাতভর ইবাদত করতেন আর পরিবার পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন।

সহীহ মুসলিমের এক হাদীসে এসেছে, এক ব্যক্তি এসে রাসূল সাল্লাল্লাহু ইসলামকে বললেন, আমি স্বপ্নে দেখেছি শবে কদর ২৭তম রাতে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ইসলাম বললেন, আমি দেখেছি শেষ দশকে। কাজেই তোমরা শেষ দশকের বেজোড় রাতে তালাশ করো। (মুসলিম ১১৬৫)

এছাড়া অসংখ্য হাদিসে নির্দিষ্ট তারিখ ব্যতীত শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর তালাশ করার কথা বর্ণিত হয়েছে।

তবে কিছু বর্ণনা এসেছে ২৩ ও ২৭ তারিখ সম্পর্কে।

عن زر قال : سمعت أبي بن كعب يقول : - وَقِيلَ لَهُ : إِنَّ عبد الله بن مَسْعُود يَقُولُ : مَنْ قَامَ السنة أصَابَ ليلةَ الْقَدْرِ فَقَال أَبِي : والله الَّذِي لَا إِلَهَ إلا هُوَ ! إِنَّهَا لَفِي رَمَضَانَ - يَحْلِفُ مَا يَسْتَثْنِي وَوَالله !
إِنِّي لأَعْلَمُ أَيَّ لَيْلَةٍ هِيَ ؟ هِيَ اللَّيْلَةِ الَّتِي أَمَرَنَا بِهَا رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلَّم بِقِيَامِهَا . هِيَ لَيْلَةُ صَبِيحَةِ سَبْعِ وَعِشْرِيْنَ . وَأَمَارَتْهَا أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فِي صَبِيحَةِ يَوْمِهَا بَيْضَاءَ لاَ شُعَاعَ لَهَا.
তাবেয়ী যির বিন হুবাইশ বলেন, যখন হযরত উবাই বিন কা'বকে বলা হল যে, আবদুল্লাহ বিন মাসউদ রা. বলেছেন, "কেউ যদি বছরের সব রাতে ইবাদত করে, তাহলে লাইলাতুল কদর অবশ্য পাবে।"
তখন আমি তাঁকে (উবাই বিন কা'বকে) বলতে শুনলাম, ‘সেই আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, এ রাতটি অবশ্য রমযানে।
আল্লাহর কসম! আমি জানি সেটা কোন্ রাত, যে রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ইবাদত করার নির্দেশ দিয়েছেন। সে রাত হচ্ছে, রমজানের সাতাইশতম রাত।
এর আলামত হচ্ছে, এ দিন সূর্য সাদা হয়ে ও তীব্র আলোকচ্ছটা মুক্ত অবস্থায় উদিত হয়। [মুসলিম-৭৬২]

হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর রা. থেকে বর্ণিত,
أَنَّ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم قَالَ : « تَحَرُّوا لِيْلَةَ الْقَدْرِ ، فَمَنْ كَانَ مُتَحَرِّيْهَا فَلْيَتَحَرِّهَا لَيْلَةَ سَبْع وَعِشْرِينَ ».
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা শবে কদর তালাশ করো। আর তোমাদের কেউ শবে কদর তালাশ করতে চাইলে সে যেন তা ২৭তম রাতে খাঁজ করে। [মুসনাদে আহমদ ৪৮০৮, সনদ সহীহ]

عَنْ عَبْدِ الله بْنِ عَبَّاسِ رَضِيَ الله عَنْهُ ، أَنَّ رَجُلاً أَتَى النَّبي صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا نَبِيَّ اللهِ إِنِّى شَيْخٌ كَبِيرٌ عَلِيلٌ يَشُقُّ عَلَى الْقِيَامُ ، فَأَمُرْنِي بِلَيْلَةٍ لَعَلَّ الله يُوَفِّقْنِي فِيهَا لَيْلَةَ الْقَدْرِ. قَالَ : « عَلَيْكَ بِالسَّابِعَةِ ».
হযরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস রা. বলেন, এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর কাছে এসে বলল, ইয়া নবীয়াল্লাহ! আমি একজন বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষ। কিয়াম (রাতে ইবাদত করা) আমার জন্য কষ্টকর। অতএব, আপনি আমাকে এমন একটি রাতের পথ নির্দেশ করেন, যাতে হয়তো আল্লাহ আমাকে শবে কদর লাভ করার তাওফীক দিবেন।
তিনি বললেন, আপনি সপ্তম রাতে (তৃতীয় দশকের সপ্তম রাত তথা ২৭তম রাত) ইবাদত করুন। (মুসনাদে আহমদ ২১৪৯)

আর হযরত আব্দুল্লাহ উনাইস ও ইবনে আব্বাস রা. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে নির্ভরযোগ্য সনদে ২৩তারিখের কথা বর্ণনা করেছেন। (মুসলিম ১১৬৮; মুসনাদে আহমদ ১৬০৪৪, ২৩০২)

অতএব নিশ্চিত করে কি বলতে পারবো যে, শুধুমাত্র ২৭শে রাতটাই হচ্ছে ‘নিশ্চিত লাইলাতুল কদর’? তাই শেষ বিজোড় রাত্রিসমূহকে সম্ভাব্য কদরের রাত্রি মনে করে রাত জেগে ইবাদত করা এবং পরিবারকে জাগিয়ে দেওয়া উচিৎ। কারণ যদি সাতাইশের রাত্রি না হয়, তাহলে ক্ষতিটা কার? কিন্ত সাতাইশের রাত্রিকে এমনভাবে নির্ধারিত করে প্রচলন হয়েছে যে, সাতাইশাকেই কদর বাধ্যতামূলক করা হয়ে গেছে।

সুতরাং শবে কদরকে তালাশ করি, সাতাইশকে নয়।

কদরের রাতের দুআ
══════════
আয়েশা রা. জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি যদি কদরের রাত সম্পর্কে জানতে পারি তাহলে এতে কী বলব? তিনি বললেন: বল,
‎" اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي"
‘‘হে আল্লাহ, নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল। ক্ষমাকে ভালোবাসেন, অত:এব আমাকে ক্ষমা করে দিন।’’’ (তিরমিযী হা. ৩৫১৩, সহীহ)


রাত্রি জাগরণ কিভাবে করবে?
════════════
ইফতারের সাথে সাথেই রাত শুরু হয়ে যায়। তাই মাগরিবের পর থেকেই ইবাদতে মগ্ন হওয়া চাই।

কদরের রাতে ইবাদতের মাধ্যমে রাত্রি জাগরণের উদ্দেশ্য কী?
এ প্রসঙ্গে ফিকহের প্রায় কিতাবে যা বলা হয়েছে, তা আল্লামা ইবনে আবিদীন শামী রাহ. (মৃত্যু ১২৫২ হি.) এর শব্দে উল্লেখ করছি-
الحاصل ذلك في معظم الليل، وقيل بساعة منه. ويحصل القيام بالصلاة نفلا فرادى من غير عدد مخصوص، وبقراءة القرآن، والأحاديث وسماعها، وبالتسبيح والثناء، والصلاة والسلام على النبي
অর্থ্যাৎ রাত্রি জাগরণের তাৎপর্য এই যে, রাতের অধিকাংশ সময়ে, কারো কারো মতে কিছু অংশে- কোন নির্র্দিষ্ট সংখ্যা ব্যতীত একাকী নফল নামায আদায় করা, কুরআন-হাদীস তেলাওয়াত করা বা শুনা, তাসবীহ পাঠ করা এবং নবীজি صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم এর উপর দরূদ ও সালাম পেশ করা। (ফাতাওয়া শামী, ইবনে আবিদীন ২/৪৬৯, দারু আলামিল কুতুব; মারাকীল ফালাহ, হাসান শারাম্বুলালী পৃ. ১৫৪, দারুল কুতুবুল ইলমিয়্যা, বৈরুত।)

কাজেই এ রাত্রে ইবাদত করার জন্য বিশেষ কোন পদ্ধতি উদ্ভাবন করা তথা নির্দিষ্ট সংখ্যার (বারো কিংবা ষোল রাকাত) নামায জামা’আত সহকারে আদায় করা অথবা সাওয়াবের নামে কিংবা অন্য উদ্দেশ্যে হালুয়া-রুটি বা অন্য কোন খানা খাওয়া বা পাকানো শরীয়তে এর কোন ভিত্তি নেই।

কোন কোন জায়গায় এই রেওয়াজ আছে যে, এ রাতে ওয়াজ-নসীহত করা হয়। আবার কোথাও ওয়াজের পর মিলাদ-মাহফিলের অনুষ্ঠান হয়। তাছাড়া এসব কিছুই করা হয় মাইকে এবং বাইরের মাইকও ছেড়ে দেওয়া হয়।
মনে রাখতে হবে, এসব কিছুই ভুল রেওয়াজ। এগুলো আগেই আলোচনা করা যায়। এ রাতে মাইক ছেড়ে দিয়ে বক্তৃতা-ওয়াজের আয়োজন করা ঠিক নয়। এতে না ইবাদতে আগ্রহী মানুষের পক্ষে ঘরে বসে একাগ্রতার সাথে ইবাদত করা সম্ভব হয়, আর না মসজিদে। অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আরামেরও মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের এইসব ভুল কাজকর্ম পরিহার করার তাওফীক দিন।

06/03/2026

জালালাইন ও হেদায়া কিতাব অধ্যায়ন ও পাঠদানের পদ্ধতি কেমন হওয়া চাই

02/03/2026

রাজনৈতিক ও কৌশলগত কারণে বীর খামিনী ও ইরানের পক্ষে থাকবো।
তবে আকীদা ও ইতিহাসের আলোকে ইরানের বর্তমান শিয়াদেরকে মুসলিম মনে করে পাশে থাকার সুযোগ নেই।

Photos from জামিআতুল কাউসার - Jamiaatul Kawsar's post 28/02/2026

রমজানের পর জামিআতুল কাউসার - Jamiaatul Kawsar এ হেদায়া ও জালালাইন জামাত চালু হবে, ইনশাআল্লাহ।

এর জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে সমৃদ্ধ নেসাব এবং উপকারী মানহাজ। তাফসীরে জালালাইনের সাথে থাকবে তাফসীরে মাদারিক (প্রথম দশ পারা) ও মুখতাসারে তাফসীর ইবনে কাসীর (বাকি বিশ পারা), হেদায়ার ফিকহের সাথে হাদীস, উসূলুল হাদীস এবং আকীদা, অর্থনীতিসহ ইলমী বিষয়ে তাহকীকের সাথে লিখার যোগ্যতা গড়ে তোলা।

সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ তাআলা যাতে সব কিছু সহজ করে দেন এবং উপযুক্ত ছাত্র পর্যন্ত আমাদের সমৃদ্ধ নেসাব ও উপকারী মানহাজের বার্তা পৌঁছে দেন।

19/02/2026

রোজার জরুরী কিছু মাসআলা
-------------------------------------------
নিম্নোক্ত কারণগুলোতে রোজা ভঙ্গ হবে না

অনিচ্ছায় বমি হলে, বমি মুখ ভরে হলে কিংবা মুখে এসে নিজে নিজে ভিতরে চলে গেলে রোজা ভাঙ্গবে না।

এভাবে ইঞ্জেকশন, ইনসুলিন, অক্সিজেন নিলে, এনজিওগ্রাম করালে, কাউকে রক্ত দিলে বা নিজে রক্ত নিলে, আল্ট্রাস্নোগ্রাম করলে, শরীরে স্যালাইন বা টিকা নিলে, পেশাবের রাস্তায় ওষুধ বা কোন যন্ত্র প্রবেশ করালে, দাঁত তোলা, রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে, ডায়াবেটিসের সুগার মাপার জন্য রক্ত নেওয়া হলে, চোখে ঔষধ বা সুরমা দিলে,
কানে তেল বা ড্রপ/ঔষধ দিলে কিংবা কানের ভেতর পানি চলে গেলে (বর্তমান তাহকীক অনুযায়ী), নকল দাঁত মুখে রাখলে, মিসওয়াক করলে, অনিচ্ছায় মুখে ধোঁয়া/মশা/মাছি ঢুকে গেলে, মাথায় তেল দিলে, আতর বা সেন্ট লাগালে, স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভঙ্গ হবে না।

উল্লেখ্য, কানের পর্দা ছিদ্র বা ফাটা থাকলে কানে তেল/ড্রপ দিলে রোজা ভেঙ্গে যাবে।

------------------------------------------------------------------------
নিচের কোন একটি পাওয়া গেলে রোজা ভেঙ্গে যাবে

রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে কুলির পানি ভেতরে চলে গেলে, ইচ্ছাকৃত মুখভর্তি বমি করলে, অল্প বমি হওয়ায় তা ইচ্ছা করে গিলে ফেললে, দাঁতের ফাঁকে থাকা ছোলা বা তার অধিক পরিমাণ খাবার গিলে ফেললে, ঘাম বা চোখের পানি বেশি পরিমাণ হওয়ার কারণে তা মুখ দিয়ে গলার ভেতরে চলে গেলে, আগরবাতি, কয়েল ইত্যাদির ধোঁয়া ইচ্ছাকৃত গলার ভেতরে প্রবেশ করালে, পেস্ট, মাজন বা টুথ পাউডার ব্যবহার করার ফলে এগুলোর স্বাদ গলা পর্যন্ত পৌঁছে গেলে, সাপোজিটরি ব্যবহার করলে রোজা ভেঙ্গে যাবে।

এভাবে নাকে পানি বা ঔষধ দেওয়ার পর তা গলার ভেতরে চলে গেলে, নেবুলাইজার বা ইনহিলার ব্যবহার করলে, পানি ছিটিয়ে বা ওষুধ দিয়ে এন্ডোসকপি, প্রক্টোসকপি বা ক্লোনাসকপি করালে রোজা নষ্ট হবে।

উল্লেখ্য, কিছু ইনহিলার এমন আছে, যা না গিলে ফেলে দিলে রোজা ভঙ্গ হবে না।

------------------------------------------------------------
নিম্নোক্ত কারণগুলোতে রোজা মাকরূহ হবে

পেস্ট, মাজন বা টুথ পাউডার ব্যবহার করা যদি এগুলোর স্বাদ গলা পর্যন্ত না পৌঁছে, গীবত করা, মিথ্যা বলা ও ঝগড়া করা।
Sayed Ahmad - সাঈদ আহমদ হাফিযাহুল্লাহ

18/02/2026

জামিআতুল কাউসারে ১৫ দিনে খতমে তারাবীহ অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
প্রতিদিন তেলাওয়াতকৃত অংশের সারাংশ নামাজের পর আলোচনা করা হবে।

16/02/2026

রমযান মাসে জেনারেল শিক্ষিত ভাইদের জন্য আমাদের জামিআতুল কাউসারের বিশেষ আয়োজন।

ফরযে আইন ইলম শিক্ষা
(মৌলিক ও প্রয়োজনীয় ঈমান-আকীদা, পবিত্রতা, নামাজ, রোজা, যাকাত, জানাজা, কাফন-দাফন, বিবাহ-তালাক, লেনদেন ও ব্যবসা-চাকরি ইত্যাদি)

সপ্তাহে তিন দিন।
জুমাবার দুপুর তিনটা থেকে ইফতার পর্যন্ত।
শনিবার ও মঙ্গলবার আসরের নামাজের পর থেকে ইফতার পর্যন্ত।

ঠিকানা, নাসিরাবাদ গার্লস স্কুলের পাশে।

Photos from জামিআতুল কাউসার - Jamiaatul Kawsar's post 11/02/2026

গুরুত্বপূর্ণ একটি ইনফোগ্রাফি...

নির্বাচন প্রশ্নে বিভ্রান্তি নয়—ইলম, ইনসাফ ও দায়বদ্ধতা জরুরি। কৌশল হতে পারে সাময়িক; আকীদা চিরস্থায়ী; সুতরাং সীমারেখা স্পষ্ট হোক। উম্মাহর স্বার্থে বজায় থাকুক সংযমী বিতর্ক, স্পষ্ট অবস্থান ও পারস্পরিক সম্মান।

কার্টেসি: Tilmeez Academy
মাওলানা সাদিক শাহরিয়ার

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

2 No Gate, Beside Urology Hospital
Chittagong
4000