শূন্য থেকে ভূ-রাজনীতি: পার্ট ২
আমাদের আজকের আলোচনার মূল বিষয় হলো 'প্রণালী'(Strait)। অনেকেই আমরা শব্দটির সাথে পরিচিত হলেও ভূ-রাজনীতিতে এর গুরুত্ব আসলে কতটা গভীর, তা এই ভিডিওতে সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে আমরা হরমুজ প্রণালীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জলপথ নিয়ে কথা বলেছি, যা জানলে আপনি বুঝতে পারবেন কেন এই সরু পথগুলোই মূলত বিশ্ব অর্থনীতির নাড়ি নিয়ন্ত্রণ করে। কেন বড় বড় দেশগুলো এই পথগুলো দখল বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিয়া থাকে, তার উত্তর পাবেন এই পর্বে। ভূ-রাজনীতির বেসিক বিষয়গুলো জানতে ভিডিওটি এখনই দেখে নিন। ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন!
#ভূরাজনীতি #হরমুজ_প্রণালী
APB: Aware Patriot of Bangladesh
making conscious global citizen
আলহামদুলিল্লাহ 🖤
AI আপনার জায়গা নেবে না
আপনার জায়গা নেবে সেই মানুষ যে কিনা AI এর ব্যবহার জানে!
Geopolitics part 2 কি দিয়ে দিব?
পার্ট ২ তে APB: Aware Patriot of Bangladesh নিয়ে বিস্তারিত জানবেন ইনশাআল্লাহ....
পাশাপাশি প্রণালি নিয়ে কিছু চমকপ্রদ তথ্য তো থাকছেই! আর আপনি বুঝে যাবেন হরমুজের আসল খেলা!
আপনারা কি জানেন বাংলা সনের ১ থেকে ৯৬২ পর্যন্ত বছরগুলো ইতিহাসের পাতায় খুঁজে পাওয়া যায় না? কেন বাংলা সন সরাসরি ৯৬৩ থেকে শুরু হলো? এর পেছনে আছে এক অদ্ভুত ইতিহাস। আজ আমরা জানবো বাংলা সনের উৎপত্তির আসল রহস্য!
১৫৫৬ সাল। মোগল সম্রাট আকবর তখন ভারতের শাসক। খাজনা আদায় হতো হিজরি সনে যা চাঁদ দেখে চলে। কিন্তু কৃষকদের ফসল কাটা নির্ভর করত সূর্যের ওপর। ফলে ফসল কাটার আগেই খাজনা দেওয়ার চাপ আসত। এই সমস্যার সমাধানে আকবর জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজীকে দিয়ে তৈরি করালেন 'ফসলি সন'। সেই বছর হিজরি সাল ছিল ৯৬৩, তাই আকবর ১ থেকে শুরু না করে সরাসরি ৯৬৩ থেকেই বাংলা সনের গণনা শুরু করেন। এটাই আজকের বঙ্গাব্দ!
আকবরের সময় এই সনের নাম 'বঙ্গাব্দ' ছিল না বরং এর নাম ছিল 'তারিখ-ই-এলাহি'। পরবর্তীতে এটি 'ফসলি সন' এবং সবশেষে 'বাংলা সন' বা 'বঙ্গাব্দ' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। মূলত খাজনা আদায়ের জন্য প্রবর্তিত এই সন এখন বাঙালির সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উৎসব 'পহেলা বৈশাখ' এর মূলে পরিণত হয়েছে।
বাংলা মাসগুলোর নাম কোত্থেকে এল জানেন? এগুলো কোনো মানুষের নাম নয় বরং মহাকাশের নক্ষত্রের নাম! প্রাচীন গ্রন্থ 'সূর্যসিদ্ধান্ত' অনুযায়ী পূর্ণিমার রাতে চাঁদ যে নক্ষত্রের কাছে থাকে সেই নামেই মাসের নাম হয়। যেমন: বিশাখা নক্ষত্র থেকে বৈশাখ, জ্যেষ্ঠা থেকে জ্যৈষ্ঠ আর চিত্রা নক্ষত্র থেকে চৈত্র। আমাদের এই ১২টি মাস আসলে আকাশের এক একটি উজ্জ্বল তারার পরিচয় বহন করছে!
প্রাচীনকালে যখন ঘড়ি বা ক্যালেন্ডার ছিল না তখন মানুষ আকাশের এই নির্দিষ্ট তারার অবস্থান দেখে বুঝত আজ কোন মাস বা কোন দিন। চাঁদ পূর্ণিমার রাতে যে নক্ষত্রের কাছে অবস্থান করত, সেই নক্ষত্রের নাম অনুসারেই ওই মাসের নামকরণ করা হয়েছে। যেমন—পূর্ণিমার রাতে চাঁদ যখন 'বিশাখা' নক্ষত্রের পাশে থাকে, তখন সেই মাসটি হয় 'বৈশাখ'।
কিন্তু....আকবরের ৯৫০ বছর আগেই কি বাংলা সন শুরু হয়েছিল? অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ই এপ্রিল যখন সিংহাসনে বসেন তখন থেকেই এই গণনা শুরু। মজার ব্যাপার হলো বর্তমান ইংরেজি সাল থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করলে ঠিক আজকের বাংলা সালটিই পাওয়া যায়! শশাঙ্কই কি তবে বঙ্গাব্দের প্রকৃত জনক? যদিও এর শক্ত প্রশাসনিক প্রমাণ নেই। তবে গাণিতিক মিলটি কিন্তু চমৎকার।
ধরুন, আজ ১৪ এপ্রিল ২০২৬
এবার ২০২৬ থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করুন
2026 - 593 = 1433
অর্থাৎ আজ পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
অন্য একটি মত অনুযায়ী, বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ (১৪৯৪-১৫১৯) বাংলা সনের প্রবর্তক হতে পারেন। তিনি হিজরি সনকে বাংলার ঋতুচক্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
তবে সম্রাট আকবরই বাংলা সনের প্রবর্তক এই তথ্যটি বেশি জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।
- Aminur Rasul Chy Fahad
14th April 2026
#নববর্ষ
#পহেলাবৈশাখ
আমরা কি জানি একটি যুদ্ধ কীভাবে আপনার পকেটের খরচ বাড়িয়ে দেয়? কিংবা একটি সমুদ্রবন্দর কীভাবে পুরো একটি মহাদেশের ভাগ্য বদলে দিতে পারে? এইসব রোমাঞ্চকর তথ্য আর ম্যাপের বিশ্লেষণ নিয়ে হাজির হলাম 'শূন্য থেকে ভূ-রাজনীতি' সিরিজের প্রথম পর্বে।
ভিডিওটার দিকে একটু লক্ষ্য করুন,শুধু একবারই লক্ষ্য করুন। হ্যাঁ এটা এডিটিং চলছে..
ইনশাআল্লাহ, অতি শিগ্রই আপনি বুঝে যাবেন APB এর উদ্দেশ্য..
Click here to claim your Sponsored Listing.