Islamic Knowledge For All

Islamic Knowledge For All

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic Knowledge For All, Education, Chittagong.

16/11/2025

আসুন শিখে নেই পরীক্ষা বিষয়ক কিছু আরবী পরিভাষা....

পরীক্ষা إمتحان / اختبار

পরীক্ষক ٌمُمْتَحِن

নিরীক্ষক ٌمُرَاجِع

নিরীক্ষন ٌمُرَاجَعَة

পরীক্ষার্থী ِمُحْضِرٌ لِلْاِخْتِبَار

স্ট্যাপ্লার ٌدَبَّاسَة

পিন دَبُّوْسٌ

ফাইল ٌّإضْبَارَةٌ / مُلَف

প্রশ্ন পত্র ِوَرَقَةُ الْأسْئِلَة

উত্তর পত্র ُوَرَقَةُ الْأجْوِبَة

সিট ٌمَقْعَد

সিরিয়াল নং ِرَقْمُ التَّسَلْسُل

রাবার ٌمَطَّاط

পেন্সিল ٌقَلَمُ رَصَاص

কাটার ٌقَطِيْع

ইরিজার ٌمَسَّاحَة

জ্যামিতি বক্স ِرَفْرَفُ الْهَنْدَسَة

স্কেল ٌمِسْطَرَة

পেপার ٌوَرَقَة

নাম্বার ُالأرْقَام

১ম সাময়িক الاِخْتِبَارُ لِلْفِتْرَةِ الأُوْلٰى

২য় সাময়িক ِالاِمْتِحَانُ لِلْفِتْرَةِ الثَّانِيَة

অর্ধ বার্ষিক ٍّاِمْتِحَانٌ لِنِصْفٍ سَنَوِي

বার্ষিক ُّالاِخْتِبَارُ الحَوْلِيُّ / السَّنَوِي

১ম স্থান ُالمَقَامُ الأَوَّل

২য় স্থান المَقَامُ الثَّانِي

৩য় স্থান ُالمَقَامُ الثَّالِث

পাস ٌنَجَاحٌ / اِمْتُيَاز

ফেল ٌرَاسِب

খাতা ٌكُرَّاسَة

কলম ٌقَلَم

কালী ٌحِبْر

লুজ পেপার ٍوَرَقَةُ فَضْفَاض

ডেস্ক ٌمِنْضَدَة

29/08/2024

শিক্ষকের কাপড় ধুয়ে দিয়েছি,যে চেয়ারে বসতেন ঐ চেয়ারে বসিনি, রাস্তায় দেখা কদমবুচী করতাম এবং করি একপাশে দাঁড়িয়ে যেতাম,বকা,মাইর কোন অভিযোগ করিনি, শিক্ষকের দোয়ার ভিখারি ছিলাম এবং আছি ও থাকব।

25/02/2024

বিনীত আরজ
সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী
এবং
ক্ষমা প্রার্থী

01/12/2022

ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত।
-----------------------
এগুলো জানার পর কারো আর
ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ্
১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী,কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর-
(সহীহ বুখারী ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪
সহীহ মুসলিম--৬৬১)

২.রাসূল (দঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।(সহীহ মুসলিম,তিরমিজি--২১৮৪)

৩.রাসূল (দঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে- (বুখারী-মুসলিম)

৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!-(সহীহ মুসলিম-১০৯৬)

৫. রাসূল (দঃ) বলেছেন," যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।-(আবু দাউদ-৪৯৪,তিরমিযী)

৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।- (সহীহ বুখারী-৫৭৩)

৭.যে নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা-(সহীহ মুসলিম ৬৩৪)

৮.ফজরের সালাত আদায়কারী, রাসূল (দঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন। -(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)

৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।-( তিরমিজি - ৪১৬)

১০..ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।
-(সহিহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)
সুবহানআল্লাহ......
আল্লাহর আমাদের সহীহ ভাবে আমল
করার তৌপিক দানকরুন।আমিন।

Photos from মু. শাহিনুজ্জামান শাকিল's post 23/08/2022
01/06/2022

Daily Inqilabনাইট মোড ডেস্কটপ ভিউ ই-পেপার
বুধবার, ০১ জুন ২০২২, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ৩০ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী
হোমজাতীয়আন্তর্জাতিকখেলাধুলাবিনোদনবাংলাদেশমহানগরইসলামী বিশ্বঅভ্যন্তরীণ

জাতীয় সংবাদ
যেভাবে বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার শুরু হয় এবং এক্ষেত্রে ভাষার ‍গুরুত্ব
মোহাম্মদ আবদুল অদুদ | প্রকাশের সময় : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:০৩ এএম

আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করে এ দেশের বেশিরভাগ মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আপনারা জেনে থাকবেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় সাহাবিদের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের শুভসূচনা হয়। তাঁরা বাণিজ্য ও ইসলাম প্রচারের লক্ষ্যে চীনে যাওয়ার পথে বাংলাদেশে যাত্রাবিরতি করেছিলেন। তাদের মাধ্যমে এ দেশে ছড়িয়ে পড়ে ইসলামের দাওয়াত।

উইকিপিডিয়া অনুযায়ী, ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে আসে ইসলাম। আর উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে শুরু হয় যাত্রা। বিভিন্ন গবেষণা ও প্রাপ্ত শিলালিপি এমন দাবিই জোরালো করেছে। এতে আরও দেখা যায়, ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে দেশের প্রথম মসজিদটিও নির্মিত হয় এই জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের ‘মজেদের আড়া’ নামক গ্রামে। এটির নাম সাহাবায়ে কেরাম জামে মসজিদ। ১৯৮৭ সালে পঞ্চগ্রামে জঙ্গল খননের সময় প্রাচীন মসজিদের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়। এর একটি ইটে কালেমা তাইয়্যেবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে। এ থেকে অনুমান করা হয়, মসজিদটি হিজরি ৬৯ অর্থাৎ ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে স্থাপন কিংবা সংস্কার করা হয়। রংপুর জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মামা, মা আমেনার চাচাতো ভাই আবু ওয়াক্কাস (রা.) ৬২০ থেকে ৬২৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন (পৃ. ১২৬)। অনেকে অনুমান করেন, পঞ্চগ্রামের মসজিদটিও তিনি নির্মাণ করেন যা ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে সংস্কার করা হয়। মতিউর রহমান বসুনিয়া রচিত ‘রংপুরে দ্বীনি দাওয়াত’ গ্রন্থেও এই মসজিদের বিশদ বিবরণ আছে। ‘দেশে ইসলাম প্রচার করেন ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন খিলজী’ এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত থাকলেও এসব তথ্য প্রমাণ করে যে, এর অনেক আগেই এদেশে ইসলাম প্রচারিত হয়। ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন খিলজীর বাংলা বিজয়ের প্রায় ৬০০ বছর আগেই সাহাবীদের দ্বারা বাংলাদেশে ইসলাম ধর্মের আবির্ভাব হয়। প্রথম মসজিদও নির্মিত হয় সেই সময়েই।

‘জাতীয় অধ্যাপক’ দেওয়ান মুহাম্মদ আজরফের মতে, হজরত ওমরের (রা.) শাসনামলে মামুন, মুহাইমেন (রা.) নামক সাহাবিদ্বয় বাংলাদেশে আগমন করেন। অন্য একটি সূত্র থেকে জানা যায়, ৬১৭ খৃস্টাব্দে সাহাবী হজরত আবু ওয়াক্কাস মালিক বিন ওহাইবের (রা.) চীনে আগমনই এ কথার পক্ষে জোরালো প্রমাণ বহন করে। সাহাবী হজরত কাসেম ইবনে হুজাইফা (রা.), উরওয়া ইবনে আসাসা (রা.), আবু কায়েস ইবনুল হারিসও (রা.) এ সফরে তার সঙ্গী ছিলেন। চীনে যাবার পথে তারা বাংলাদেশের বন্দর বিশেষত চট্টগ্রাম ও সিলেট নোঙ্গর করেছেন এবং তাদের সান্নিধ্যে এসে এদেশের কিছু সংখ্যক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। এখান থেকেই বাংলাদেশ ইসলামের যাত্রা। প্রাক ইসলামি যুগেই আরব বণিকরা সমুদ্র পথে আবিসিনিয়া ও চীন পর্যন্ত তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত করেন। আরব-চীনের মধ্যে তাদের কয়েকটিঘাঁটিও ছিলো। এ পথে তাদের প্রথম ঘাঁটি ছিলো মালাবর। তারা নিয়মিত মালাবরের উপর দিয়ে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কামরূপ হয়ে চীনে আসা যাওয়া করতেন। এভাবেই চট্টগ্রাম ও সিলেট তাদের যাতায়াতের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হত। মূলত এ সূত্র ধরেই নাম নাজানা আরো বহু সাহাবী দক্ষিণ এশিয়ার বিস্তির্ণ উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে ইসলাম প্রচারে কাজ করেছেন। চীনের ক্যন্টনসমুদ্র তীরবর্তী হজরত আবু ওয়াক্কাসের (রা.) মাজার আজও সেই সাক্ষ্য বহন করে আছে। সমুদ্র তীরের কোয়াংটা মসজিদও তিনিই নির্মাণ করেন বলে ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।

সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসলাম আগমনের চাঞ্চল্যকর যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তাতে সব রকমের সন্দেহ ও সংশয়ের অবসানতো ঘটেছেই উন্মোচিত হয়েছে ইতিহাসের নতুন দিগন্ত। লালমনিরহাট জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের বড়বাড়িতে রামদাস মৌজার, মসতারপাড় নামক স্থানে ৬৯ হিজরিতে (আনুমানিক ৬৯২ খ্রি.) নির্মিত একটি মসজিদ পাওয়া গেছে। এই মসতারপাড় স্থানটি বহুকাল ধরে কয়েকটি উঁচু মাটির টিলা ও জঙ্গল দ্বারা আবৃত ছিল। যার স্থানীয় নাম ‘মজদের আড়া’। ১৯৮৭ সালে জমির মালিক তা আবাদযোগ্য করার চিন্তা করে জঙ্গল পরিস্কার করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে প্রাচীনকালের তৈরি ইট, যাতে আঁকা ছিল ফুল। আর মাটি ও ইট সরাতে সরাতে আশ্চর্যজনকভাবে পূর্ণ একটি মসজিদের ভিত খুঁজে পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি শিলালিপি পাওয়া যায়, যার মধ্যে সুস্পষ্টভাবে আরবিতে লেখা আছে ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ, হিজরি ৬৯ সাল।’ খননের পর মসজিদের মেহরাব এবং মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠ ও খুতবার মিম্বরও আবিষ্কৃত হয়। এলাকার লোকজন এ মসজিদটির নাম দিয়েছেন ‘হারানো মসজিদ’। তাই নিশ্চিত বলা যায়, আরব থেকে আগত মুসলমান বা স্থানীয় মুসলমান- যারা ৬৯ হিজরিতে এ এলাকায় বসবাস করেছিলেন তারাই নিজেদের ধর্মীয় প্রয়োজনে মসজিদও তৈরি করেছিলেন। সেই থেকে বা তার আরো আগে থেকেই বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের কাজ আরম্ভ হয়।

রাজশাহীর পাহাড়পুরে বৌদ্ধবিহার খননকালে দুটি আরবীমুদ্রা পাওয়াযায়। এই মুদ্রা দুটি তৈরী হয়েছিল ৭৮৮ খৃস্টাব্দে অর্থাৎ আব্বাসী খলীফা হারুনুর রশীদের আমলে। ইতিহাসবিদ ড. এনামুল হকের মতে, কোন ইসলাম প্রচারক এই মুদ্রাগুলো বহন করেছিলেন। পাহাড়পুরে আসার পর বৌদ্ধদের হাতে তিনি শহীদ হন। কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে খননকালে আব্বাসীয় যুগের আরও দু’টি স্বর্ণমুদ্র পাওয়া যায়। এসব মুদ্রা এ কথাই প্রমাণ করে, খৃস্টীয় অষ্টম-নবম শতকে এদেশে আরব মুসলমানদের মাধ্যমে ইসলামের চর্চা ও প্রচারের কাজ চালু ছিল।

দাওয়াতের ক্ষেত্রে তারা বাংলাভাষাকে ব্যবহার করেছিলেন। নইলে এ অঞ্চলের মানুষ বুঝতো না। মানুষকে আল্লাহ স্বয়ং ভাষা শিক্ষা দিয়েছেন। প্রথম মানব হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টির পর আল্লাহ তাঁকে সৃষ্টির সবকিছুর নাম শিক্ষা দেন। এ শিক্ষা প্রাপ্তির মাধ্যমে হজরত আদম (আ.) ভাষা সম্পর্কে অবহিত হন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি রসুলদের তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই পাঠিয়েছি, যাতে স্পষ্টভাবে তাদের বোঝাতে পারে।’ সুরা ইবরাহিম আয়াত ৪ । ভাষার বৈচিত্র্য আল্লাহর কুদরত। আল্লাহ তায়ালাকে যে কোনো ভাষায় ডাকা যায়। যে কোনো ভাষায় তাঁর রহমত কামনা করা যায়। বুখারি শরীফের হাদিসে রয়েছে, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ সব ভাষা জানেন।’ আল্লাহর এ কুদরতের কথা আল কোরআনে এভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘তাঁর আরও একটি নিদর্শন হলো আকাশ ও জমিনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাব প্রকাশের ভাষা ও বর্ণের সৌন্দর্য। নিশ্চয়ই এতে জ্ঞানীদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।’ সুরা রুম আয়াত ২২।

ভাষা প্রতিটি জাতির নিজস্ব সম্পদ। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রতিটি জাতির জন্য উপহারবিশেষ। আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাতৃভাষা ছিল আরবি। তাঁর ওপর কোরআন আরবি ভাষায় নাজিল হয়েছিল। তাঁর মাতৃভাষার প্রতি এটি ছিল মহান আল্লাহর সম্মান। আল্লাহর রসুল নিজেই বলেছেন, তিনি তিনটি কারণে আরবি ভাষাকে ভালোবাসতেন। প্রথমত কোরআনের ভাষা আরবি, দ্বিতীয়ত জান্নাতের ভাষা আরবি, তৃতীয়ত তাঁর মাতৃভাষা আরবি। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামসহ সব নবী-রসুল যেহেতু তাঁদের মাতৃভাষাকে ভালোবাসতেন সেহেতু মাতৃভাষাকে ভালোবাসা নবী-রসুলদের সুন্নত। মুসলমান হিসেবে আমাদেরও উচিত মাতৃভাষাকে ভালোবাসা। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। অন্যসব ভাষার মতো এ ভাষাও আল্লাহর দান। আল্লাহর বিশেষ রহমত।


10 0


সর্বমোট মন্তব্য (2)
Add
মোঃ দুলাল মিয়া ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ২:৩২ পিএম says :00
আল্লাহুআকবর।
Total Reply(0)
Add
মোঃ কবির খান ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৪১ পিএম says :00
চমৎকার তথ্য, ধন্যবাদ।
Total Reply(0)
মন্তব্য করুন
নাম*
ইমেইল*
ফোন
এখানে আপনি আপনার মন্তব্য করতে পারেন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
অর্থমন্ত্রী-বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বিদায়ী ভাইস-প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিনিয়োগের সুবাতাস: বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ ছাড়াল
একনেক বৈঠকে দুই বছরেরও বেশি সময় পর সশরীরে প্রধানমন্ত্রী
অব্যাহত উল্লম্ফনে আমদানি
১১ মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৬০০ কোটি ডলার বিক্রি
দেশে বন্ধ হলো আরও ১৮৫টি হাসপাতাল-ক্লিনিক
৫৭ বছর পর ঢাকা-জলপাইগুড়ি মিতালী এক্সপ্রেস চলাচল শুরু আজ
আজ বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
মিতালী এক্সপ্রেস চলবে আজ থেকে
পবিত্র জিলকদ মাস গণনা শুরু কাল
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সরকারের দাসে পরিণত হয়েছে : ডাকসুর সাবেক নেতৃবৃন্দ
২০২৩ সালে কক্সবাজারে ট্রেন
....সব সংবাদ.....

সর্বশেষ
অর্থমন্ত্রী-বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বিদায়ী ভাইস-প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ
১ জুন, ২০২২, ১২:৪৫ পিএম
বন্ধুর গাড়ির অভিযোগ জানাতে এসে নিজের গাড়িই খোয়ালেন তিনি
১ জুন, ২০২২, ১২:২৯ পিএম
মঠবাড়িয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় ফল ব্যবসায়ির মৃত্যু
১ জুন, ২০২২, ১২:১০ পিএম
এবি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন সৈয়দ মিজান ও কে এম মহিউদ্দিন
১ জুন, ২০২২, ১২:০২ পিএম
নোয়াখালী সেনবাগে ঝোপে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র
১ জুন, ২০২২, ১১:৫৮ এএম
নোয়াখালী সদর উপজেলায় যুবতীর অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, যুবক গ্রেফতার
১ জুন, ২০২২, ১১:৫৬ এএম
গবাদি পশু থেকে করোনা ছড়ায় না
১ জুন, ২০২২, ১১:৫৪ এএম
নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১ লাখ ২৫ হাজার চিংড়ি পোনা ও অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ
১ জুন, ২০২২, ১১:৫২ এএম
বিনিয়োগের সুবাতাস: বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ ছাড়াল
১ জুন, ২০২২, ১১:৫০ এএম
আমদানি নির্ভর গো-খাদ্য দেশে টেকসই দুগ্ধ উৎপাদনে বাধা
১ জুন, ২০২২, ১১:৪৮ এএম
....সব সংবাদ.....
সর্বাধিক পঠিত
আলোচিত
গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ
ইরানের ৬ লাখ ব্যারেল তেল জব্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র
ইউক্রেন সঙ্কটে আরও শক্তিশালী হচ্ছে তুরস্ক
৬ সেকেন্ডের নোটিশে পোল্যান্ডে হামলার হুঁশিয়ারি কদিরভের
ভূমি বাংলাদেশের পরিকল্পনা করে ভারতের কোম্পানি
বিমানকেও হার মানাবে চীনা হাই-স্পিড ট্রেন
পাকিস্তানে নির্বাচনের সময় ঘোষণা, মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা
রাশিয়ার সাথে সমঝোতায় মরিয়া ইউরোপ
প্রাণভয়ে সেভেরোডোনেৎস্ক ছেড়ে পালাচ্ছে ইউক্রেনের সেনা
অবশেষে ৯০ হাজার টন রুশ তেল পেতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা
রাশিয়ার তেল বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড
....আরও সংবাদ.....

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Google Apps
হোম
জাতীয়
আন্তর্জাতিক
খেলাধুলা
বিনোদন
বাংলাদেশ
মহানগর
ইসলামী বিশ্ব
অভ্যন্তরীণ
ইসলামী জীবন
ইসলামিক প্রশ্নোত্তর
সোনালী আসর
মুক্তাঙ্গন
ধর্ম দর্শন
লাইফস্টাইল
সাহিত্য
ক্যারিয়ার
শিক্ষাঙ্গন
স্বাস্থ্য
কর্পোরেট
মহিলা
আইটি এন্ড টেলিকম
শিক্ষাদিক্ষা
আদিগন্ত
খেলা
সম্পাদক : এ এম এম বাহাউদ্দীন
ইনকিলাব এন্টারপ্রাইজ এন্ড পাবলিকেশন্স লি., ২/১, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ এর পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক প্রকাশিত এবং কাদেরিয়া পাবলিকেশন্স এন্ড প্রোডাক্টস লি., ২/১ আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ।
পিএবিএক্স : ০২২২৩৩৫৯৩৯৪-৭, ফ্যাক্স: ০২২২৩৩৫৯৪০৪, e-mail : [email protected], বিজ্ঞাপন বিভাগ [email protected]

privacy policy

© ২০১৯ প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত. ইনকিলাব এন্টারপ্রাইজ এন্ড পাবলিকেশন্স লি.

28/05/2022

গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব(টাইমলাইনে রেখে দিন)
গ্রুপের সাথেই থাকি প্রয়োজনীয় কিছু শিখি👆
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet – 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg

12/05/2022

#প্রয়োজনীয়

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Chittagong