04/06/2022
#হিসাব_বিজ্ঞান_এর_গুরুত্বপূর্ণ_সূত্র_দেওয়া_হল :-
🧭(কিছু বানান ভূল আছে ঠিক করে নিবেন।)🧭
⬆️সূত্র ১ : মালিকানাস্বত বা স্বত্বাধিকার =. মালিকের বিনিয়োগ + ব্যবসায়ের আয় – ব্যবসায়ের খরচ – মালিকের উত্তোলন ।
অথবা , মালিকানাস্বত = মূলধন + সমন্বয় সংক্রান্ত মূলধন ও অতিরিক্ত মূলধনের সুদ + নিট লাভ + সাধারণ সনচিতি – উত্তোলন ( নগদ , ব্যাংক হতে , আয়কর , জীবন বীমা প্রিমিয়াম , মালিকের ব্যাক্তিগত যেকোনো খরচ ব্যবসায় হতে প্রদত্ত হলে , মালিক কতৃক ক্রয়মূল্যে বা বিক্রয় মূল্যে পন্য উত্তোলন ) – সমন্বয় সংক্রান্ত উত্তোলনের সুদ – নিট ক্ষতি ।
⬆️সূত্রঃ২ : নগদ তহবিল / নগদ উদৃত্ত্বের পরিমান / সমাপনী নগদ = প্রারম্ভিক নগদ + নগদ প্রাপ্তি বা যে সব লেনদেনের জন্য কারবারে টাকা আসে সে সব অর্থ – নগদ প্রদান বা যে সব লেনদেনের জন্য কারবারে টাকা কমে বা হ্রাস পায় সে সব লেনদেন ।
⬆️সূত্রঃ ৩ : মোট মূলধন / নিট মূলধন / প্রকৃত মূলধন / মূলধনের পরিমান = প্রারম্ভিক মূলধন + অতিরিক্ত মূলধন (মালিকের অর্থ দ্বারা কারবারের জন্য সম্পত্তি ক্রয়) + মালিকের অর্থ দ্বারা কর্মচারীর বেতন প্রদান বা যেকোনো খরচ প্রদান – উত্তোলন – আয়কর – জীবন বীমা প্রিমিয়াম ।
অথবা , মূলধন / সমাপনী নিট মূলধন / প্রকৃত মূলধন = মূলধন + সমন্বয়সংক্রান্ত মূলধন ও অতিরিক্ত মূলধনের সুদ +নিট লাভ – উত্তোলন ( নগদ , ব্যাংক হতে , আয়কর , জীবনবীমা প্রিমিয়াম , মালিকের যেকোনো খরচ কারবার হতে প্রদত্ত হলে , মালিক কর্তৃক ক্রয় মূল্য বা বিক্রয় মূল্যে পন্য উত্তোলন ) – সমন্বয়সংক্রান্ত উত্তোলনের সুদ – নিট ক্ষতি ।
⬆️সূত্র ৪ : হিসাব_সমীকরণ [ সূত্রটি ছোট এক লাইনের । কিন্তু প্রয়োজনীয় । তাই বিশ্লেষন করে যথা সাধ্য বুঝাতে চেস্টা করেছি । ]
হিসাব সমীকরণ = যে সমীকরণের মাধ্যমে ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থার উপাদান সমূহের বা সম্পত্তি , দায় ও মালিকানা স্বতের মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশ করে তাকে হিসাব সমীকরণ বলে !! হিসাব সমীকরণকে উদ্বর্তপত্র সমীকরণও বলা হয় !!
মৌলিক_হিসাব_সমীকরণ : A = L + E এর বর্ধিত রূপ A = L + (C + R – E – D)
এক_মালিকানা_ব্যবসায়ের_মৌলিক_হিসাব_সমীকরণ : A = L + OE (OE = Owner’s Equity) .
অংশীদারী_ব্যবসায়ের_মৌলিক_হিসাব_সমীকরণ : A = L + PE. (PE = Partner’s Equity) .
কোম্পানির_মৌলিক_হিসাব_সমীকরণ : A = L + Shareholders’ Equity (A=L+SE) .
হিসাব_সমীকরণের_৩টি_উপাদান :
A = Assets ( সম্পত্তি )
L = Liabilities ( দায় )
E = Equity ( মালিকানাস্বত )
⬆️সূত্র_৫ : ধারে_ক্রয় = ধারে ক্রয়কৃত পন্যের সমস্টি – ক্রয় বাট্টা ( যদি থাকে ) ।
⬆️সূত্র_৬ : নগদে_ক্রয়ের_পরিমান = নগদে ক্রয়কৃত পন্যের সমস্টি ।
⬆️সূত্র_৭ : মোট_ক্রয় = নগদে ক্রয় + চেকে ক্রয় + বিলে ক্রয় + বাকিতে ক্রয় + কার্ডে ক্রয় + ক্রয় বাট্টা ( যদি থাকে ) ।
⬆️সূত্র_৮ : ক্রয় / নিট_ক্রয় / প্রকৃত_ক্রয় = মোট ক্রয় – ক্রয় ফেরত – ক্রয় বাট্টা – ক্রয় হ্রাস করে এমন লেনদেন ( মালিক কর্তৃক পন্য উত্তোলন , ভোক্তাদের শ্রমিকদের বিনামূল্যে পন্য বিতরণ )
⬆️সূত্র_৯ : নগদে_বিক্রয়ের_পরিমান = নগদে বিক্রয়কৃত পন্যের পরিমানের সমস্টি ।
⬆️সূত্র_১০ : ধারে_বিক্রয় = ধারে বিক্রয়কৃত পন্যের সমস্টি – বিক্রয় বাট্টা ( যদি থাকে ) ।
⬆️সূত্র_১১ : মোট_বিক্রয় = নগদে বিক্রয় + চেকে বিক্রয় + বিলে বিক্রয় + বাকীতে বিক্রয় + কার্ডে বিক্রয় – বিক্রয় বাট্টা ( যদি থাকে ) ।
⬆️সূত্র_১২ : বিক্রয় / নিট_বিক্রয় / প্রকৃত_বিক্রয় = মোট বিক্রয় – বিক্রয় ফেরত – বিক্রয় বাট্টা – বিক্রয় হ্রাস করে এমন লেনদেন ।
⬆️সূত্র_১৩ : ক্রয়_বাট্টার_পরিমান = পন্য ক্রয়ের সময় যে কারবারি বাট্টা তার সমস্টি ।
⬆️সূত্র_১৪ : বিক্রয়_বাট্টা = পন্য বিক্রয়ের সময় যে কারবারি বাট্টা তার সমস্টি ।
⬆️সূত্র_১৫ : প্রারম্ভিক মূলধন = প্রারম্ভিক মোট সম্পদ – প্রারম্ভিক মোট দায় ।
⬆️সূত্র_১৬ : সমাপনী মূলধন = সমাপনী মোট সম্পদ – সমাপনী মোট দায় ।
⬆️সূত্র_১৭ : লাভ ক্ষতি = {(সমাপনী মূলধন + উত্তোলন ) – (প্রারম্ভিক মূলধন + অতিরিক্ত মূলধন)}
⬆️সূত্র_১৮ : প্রত্যক্ষ খরচসমূহ = প্রারম্ভিক মজুদ পন্য + নিট ক্রয় + ক্রয় পরিবহন + আমদানি শুল্ক + মজুরি + মজুরি ও বেতন + কয়লা ও গ্যাস + জলযান ভাড়া + জ্বালানি খরচ + কারখানা সংক্রান্ত খরচ + ডক চার্য + নগর শুল্ক / রাজ সেলামি + ড্রইং অফিস বেতন + গুদাম ভাড়া + কুলি খরচ + বর্ণিত খরচের সমন্বয় সংক্রান্ত বকেয়া খরচ – বর্ণিত খরচের সমন্বয় সংক্রান্ত অগ্রিম খরচ ।
⬆️সূত্র_১৯ : পরোক্ষ খরচ সমূহ = বেতন / বেতন ও মজুরি + রপ্তানি শুল্ক + ভাড়া / অফিস খরচ + কারবারী খরচ + দফতর খরচ + নিরীক্ষা খরচ + অডিট ফি + কমিশন/ প্রদত্ত কমিশন + সুদ / প্রদত্ত সুদ + বাট্টা / প্রদত্ত বাট্টা + শিক্ষানবিস ভাতা + খাজনা ও কর + সাধারণ খরচ + বীমা প্রীমিয়াম / বীমা সেলামি + উপযোগ খরচ + আপ্যায়ন খরচ + কুঋণ / অনাদায়ী পাওয়া + অবচয় + অবলোপন + দস্তরী + ব্যাংক চার্জ + বর্ণিত খরচের সমন্বয় সংক্রান্ত বকেয়া ব্যয় – বর্ণিত খরচের সমন্বয় সংক্রান্ত অগ্রিম খরচ / ব্যয় ।
⬆️সূত্র_২০ : পরোক্ষ আয় সমূহ = শিক্ষানবিস সেলামি + উপভাড়া + প্রাপ্ত ভাড়া + প্রাপ্ত সুদ + প্রাপ্ত বাট্টা + প্রাপ্ত কমিশন + বর্ণিত আয়ের বকেয়া আয় + বর্ণিত আয়ের অগ্রিম আয় (সমন্বয়) ।
⬆️সূত্র_২১ : মোট ব্যয় / খরচের পরিমান = ( প্রত্যক্ষ খরচ / ব্যয় + পরোক্ষ খরচ / ব্যয় ) বা সকল প্রকার মুনাফা জাতীয় ব্যয় ।
⬆️সূত্র_২২ : মুনাফা জাতীয় ব্যয় = ( প্রত্যক্ষ খরচ + পরোক্ষ খরচ ) বা মোট খরচ ।
⬆️সূত্র_২৩ : মুনাফা জাতীয় আয় = বিক্রয় + শিক্ষানবিস সেলামি + উপভাড়া + প্রাপ্ত ভাড়া বা মোট আয় + প্রাপ্ত সুদ + প্রাপ্ত বাট্টা + প্রাপ্ত কমিশন + বিনিয়োগের সুদ + ব্যাংক জমার সুদ + প্রদত্ত ঋনের সুদ + উত্তোলনের সুদ + পুরাতন খবরের কাগজ বিক্রয় + লভ্যাংশ প্রাপ্তি + অনাদায়ী দেনা আদায় ইত্যাদি ।
⬆️সূত্র_২৪ : মুনাফা জাতীয় আয়/মোট আয় = ( প্রত্যক্ষ আয় + পরোক্ষ আয় ) বা সকল প্রকার মুনাফা জাতীয় আয় ।
==> বিশদ আয় বিবরণী = ( মুনাফা জাতীয় আয় + মুনাফা জাতীয় ব্যয় ) ।
⬆️সূত্র_২৫ : স্থায়ী সম্পত্তি = অবচয় যোগ্য সম্পদ + অবলোপন যোগ্য সম্পদ ।
==> অবচয় যোগ্য সম্পত্তি = দালানকোঠা , আসবাবপত্র , ইমারত , যন্ত্রপাতি ও কলকন্জা , ভূমি ও দালানকোটা , ঘোড়া ও গাড়ি , অফিস সরন্জাম ।
==> অবলোপন যোগ্য সম্পত্তি = সুনাম , ইজারা সম্পত্তি , ট্রেডমার্ক , প্যাটেন্ট ইত্যাদি ।
⬆️সূত্র_২৬ : মূলধন জাতীয় ব্যয় = স্থায়ী সম্পদ ক্রয় + সুদযুক্ত বিনিয়োগ + টেলিফোন ও বিদ্যুতিক সংস্থাপন ব্যয় + নতুন সম্পত্তির সংস্থাপন ব্যয় + ক্রীত যন্ত্রপাতি কার্যোপযোগ করার মেরামত খরচ ইত্যাদি ।
⬆️সূত্র_২৭ : মূলধন জাতীয় প্রাপ্তি = মালিক কর্তৃক ব্যবসায়ের প্রদত্ত মূলধন , ব্যাংক থেকে গৃহীত ঋণ , স্থায়ী সম্পত্তি বিক্রয়লব্ধ অর্থ ।
⬆️সূত্র_২৮ : মূলধন জাতীয় আয় = স্থায়ী সম্পত্তি বিক্রয় বাবদ আয় ।
⬆️সূত্র_২৯ : মোট অস্পর্শনীয় / অদৃশ্যমান মূলধন জাতীয় ব্যয় = সুনাম + প্যাটেন্ট + ট্রেডমার্ক + কপিরাইট ইত্যাদি ।
⬆️সূত্র_৩০ : আবর্তক খরচ = মাল ক্রয় + ক্রয় পরিবহন + টেলিফোন বিল + বিদ্যুত বিল + বেতন ও মজুরি + পণ্য ক্রয়ের আমদানি শুল্ক ইত্যাদি ।
➡️আবর্তক খরচ = যে সকল খরচ বার বার সংঘটিত হয় তাকে আবর্তক খরচ বলে।