👉👉 আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আয় করা বর্তমানে একটি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। ফ্রিল্যান্সিং(Frelancing) করে কোটিপতি হয়েছেন এরকম লোকের অভাব নেই বর্তমান বাংলাদেশে। ফ্রিল্যান্সিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে নিয়েছেন এরকম লোক আমাদের দেশে সাড়ে ছয় লাখেরও বেশি।
👉 কয়েকটি জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সাইট হলো -
👉 আপওয়ার্ক.কম ( upwork.com) : বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে আপওয়ার্ক ডটকম সবার শীর্ষে অবস্থান করছে। আপওয়ার্ক ডটকম এ কাজ করা একজন ফ্রিল্যান্সার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত বলে দাবি করতে পারে। এখানে কাজ করতে হলে আপনাকে একটি একাউন্ট তৈরি করতে হবে এবং ১০০% ভেরিফাই করে নিতে হবে। এছাড়া আপনার কাজের দক্ষতা,পূর্ব অভিজ্ঞতা,কোন প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট (যদি থাকে) তাহলে তা যুক্ত করতে হবে। সকলেই চাইবে টাকা খরচ করে কাজ করাতে হলে কোন দক্ষতা সম্পন্ন ব্যাক্তিকে দিয়েই করাতে।
এখানে যার কাজ করায় তাদেরকে বায়ার এবং যারা কাজ করেন তাদেরকে সেলার বলা হয়ে থাকে। বায়ার তাদের জব পোস্ট করে এবং এবং কোন ফ্রিল্যান্সার নিজেকে সেই কাজের জন্য দক্ষ মনে করলে বিড করেন এবং বায়ার যদি উক্ত ফ্রিল্যান্সারকে যোগ্য মনে করে তাহলে তাকে কাজের জন্য হায়ার করেন।এখানে কাজের মূল্য মূলত দুই ভাবে হিসাব করা হয়।ফিক্সড রেট এবং আওয়ারলি রেইটে এবং প্রতি কাজের সর্বনিম্ন মূল্য ৫ ডলার।একজন বায়ার কোন ফ্রিল্যান্সারকে দিয়ে কাজ করিয়ে তার পছন্দ ও সন্তুষ্টি অনুযায়ী রেটিং দিয়ে থাকেন।যা একজন সেলারের অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট হিসেবে কাজ করে।কারন পরবর্তীতে এটি আপনাকে কাজ পাওয়ার জন্য সহয়তা করবে।
👉 ফাইবার ডটকম (fiver.com): ফাইবার ডটকম নামটির সাথে ফাইভ কথাটি কেমন সম্পর্ক যুক্ত মনে হয়, হ্যা এটাই সত্যি কারন এই Fiver মার্কেট প্লেস মূলত তৈরি হয়েছিল ৫ ডলারের কাজের জন্য। আর এর উপর ভিত্তি করেই এর নামকরন করা হয় ফইবার.কম এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১০ সালে। লেখা, অনুবাদ, গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও সম্পাদনা এবং প্রোগ্রামিং এর উপর ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য এটি তৈরি করা হয়। এখানে প্রতিটি সেবা প্যাকেজ আকারে বিক্রি করা হয়। এবং এইগুলোকে গিগ বলা হয়ে থাকে। এখানে একাউন্ট তৈরি করে তাতে সম্পুর্ন তথ্য যুক্ত করে তারপরেই আপনি গিগ সেল করতে পারবেন।
👉ফ্রিল্যান্সার ডটকম (freelancer.com): এটিও একটি অন্যতম ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস।এখানে প্রচুর পরিমাণ ফ্রিল্যান্সিং কাজ হয়ে থাকে।এখানে আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, SEO, কন্টেন্ট রাইটিং ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে এই জনপ্রিয় মার্কেট প্লেসে। এবং এখানে যুক্ত হওয়ার জন্য ও আপনাকে নিবন্ধনের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।
👉 পিপলস পার আওয়ার (peopleperhour.com): এটি নতুন ফ্রিল্যান্সার দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটপ্লেস।এখানে নতুন যারা তারা ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।এখানে নিবন্ধন করার মাধ্যমে আপনি কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং এখানে কাজ করে আয়ও করতে পারবেন।এটি থেকে কাজ পাওয়া অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে অনেক সহজ। তাই কাজ করে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করতে পারবেন।
👉 কাজকি.কম (kajkey.com): এটি বাংলাদেশি একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস।এখানে কাজ করতে পারবেন বাংলাতেই এবং বাংলাদেশের বায়ারের কাজ করা যায় এখান থেকে। পেমেন্ট মেথডও সহজ আপনার মাস্টার কার্ড দরকার হবে না এখান থেকে পেমেন্ট নিতে শুধু মাত্র বিকাশের মাধ্যমেই আয় করতে পারবে।
Ideal Digital Marketing
We are ready to give you full computer skill development and freelancing service. Our team can give
23/09/2021
গ্রাফিক ডিজাইন বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় পেশা। এ কাজটি একই সাথে আনন্দদায়ক এবং সৃজনশীল। যদি আপনার মাঝে ক্রিয়েটিভিটি থাকে আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গ্রাফিক ডিজাইনে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। লোগো ডিজাইন এর কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি।
# লোগো ডিজাইন কি
👉লোগো বলতে আমরা একটি কোম্পানির পরিচয় বা ব্র্যান্ডিং কে বুঝি । লোগোর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে চেনা যায় খুব সহজেই। বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ড অ্যাপল, স্যামসাং, গুগল কিংবা ফেইসবুক এবং বাংলাদেশের ব্র্যান্ড আড়ং, গ্রামীণফোন,রবি,এয়ারটেল,টেলিটক, প্রাণ কিংবা প্রথম আলো শুধুমাত্র তাদের লোগো দেখেই চিনে যাওয়া যায়। কিন্তু মানসম্মত দৃষ্টিনন্দন লোগো কিন্তু একজন গ্রাফিক ডিজাইনার এর উপর নির্ভর করে। কালারিংও ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে লোগো অনেক ভূমিকা রাখে। লোগো যেমন লোকাল বিজনেসে প্রয়োজন হয় তেমনি তা অনলাইনে টাকা আয়ের জন্য বহুল চাহিদা সম্পন্ন একটি বিষয়।
# ক্যারিয়ার হিসেবে লোগো ডিজাইনঃ
👉আপনি যদি নিজেকে একজন দক্ষ লোগো ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন তাহলে আপনার চাহিদা হবে অনেক বেশি। আর বর্তমানে লোগো ডিজাইন শুধু চাকরির উপর নির্ভর করেনা। ফ্রিলান্সিং ও আউটসোর্সিং করেও প্রতি মাসে ভালো পরিমান টাকা আয় করা সম্ভব। অনলাইন ফ্রিলান্সিং করে প্রতি মাসে লোগো ডিজাইন এর মাধ্যমে ভালো পরিমান টাকা ইনকাম করার সুযোগ রয়েছে। শুধু যে অনলাইন এ তা নয়, অফলাইন এও এর চাহিদা অনেক। নিজের উপর কনফিডেন্স ও সৃজনশীলতা থাকলে দ্রুত নিজেকে লোগো ডিজাইন সেক্টরে পারদর্শী করা সম্ভব।
# ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেস এ এর গুরুত্বঃ
👉ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেস সব ধরনের কাজের মধ্যে প্রায় ১৪% কাজই গ্রাফিক্স এর উপর নির্ভর করে। গ্রাফিক্স এ লোগো ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া এর কাজ , গতবছর আয় বেড়ে বৃদ্ধির হার হয়েছিল ৪৪%। অতএব আমরা বলতেই পারি , ফ্রিলান্সার হতে চাওয়া তরুন্দের জন্য লোগো ডিজাইন অন্যতম শক্তি।
# লোগো ডিজাইন আয়ের ধারনাঃ
👉একটি লোগো ডিজাইন করে ৫০ থেকে শুরু করে ২০০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। বড় প্রতিষ্ঠান গুলার ক্ষেত্রে এটি বেড়ে ৫-১০ হাজার ডলার মধ্যেও পেমেন্ট হয়ে থাকে।
21/09/2021
👉ওয়েব ডিজাইনঃ
ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারণ রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা। ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইটের টেম্পলেট বানানো । যেমন ধরুন এটার লে-আউট কেমন হবে। হেডারে কোথায় মেনু থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কীভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্নভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কী হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কীভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনারের কাজ। আর এ ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।
👉কেন শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?
বর্তমান যুগে অনেকেই ওয়েব ডিজাইন শিখে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। এর কারণ হচ্ছে বর্তমান এ পৃথিবীতে সবকিছুর যোগাযোগ, লেনদেন, কেনাবেচা সবকিছুই হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। এক হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রায় ১ মিলিয়ন ওয়েবসাইট অনলাইনে যুক্ত হচ্ছে। আর একজন আরেকজনের পণ্য কিনছে একজন আরেকজনের সঙ্গে কথা বলছে, একজন তার কোম্পানির পরিচিতির জন্য ওয়েবসাইট দরকার। আর এ সবকিছুই যখন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হচ্ছে তাই সবাই চায় যে তার একটা ওয়েবসাইট থাকুক। আর যখনই সে ওয়েবসাইট বানাতে চায় তখনই একজন ওয়েব ডিজাইনারের দরকার হয়। যে তার ওয়েবসাইটটি তৈরি করে দেবে। আর এ কারণেই মূলত ওয়েব ডিজাইনারের এত দাম।
👉ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে কি কম্পিউটার সায়েন্স থেকে পাস হতে হবে? আমাদের সমাজের মধ্যে অনেক ভুল ধারণার মধ্যে এটিও একটি ভুল ধারণা। প্রকৃতপক্ষে বাহ্যিকভাবে দেখলে কম্পিউটার সায়েন্স থেকে পাস করা ছাত্রদেরই বেশি সফল হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বেশিরভাগ ওয়েডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত অফিসগুলোতে গেলেই যে তথ্য পাওয়া যায়, সেখানে দেখা যায় ৯০ ভাগ ওয়েবডেভেলপারের এডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ড ভিন্ন।
# Carrier in Freelance Marketing
👉 বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং কাজের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন অনেকেই। অফিসের ধরাবাঁধা নিয়মে আটকে না থেকে ফ্রিল্যান্সিংকেই পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। কয়েকটি খাতে নিয়মিত ফ্রিল্যান্সার বা মুক্ত পেশার কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। নিজ কর্মসংস্থানের সুযোগ এখন এতটাই বেড়েছে যে বিশাল জনগোষ্ঠী আজ এ দিকেই ঝুঁকে পড়ছে।
ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ করার কয়েকটি ধাপ হলোঃ-
১. কনটেন্ট লেখা: অনেকেই ভালো কনটেন্ট লিখতে পারেন। ইংরেজিসহ যেকোনো ভাষায় ভালো মানের কনটেন্ট লিখতে পারেন, এমন কর্মীর চাহিদা রয়েছে। পেশাদার কর্মী হিসেবে ভালো কনটেন্ট তৈরি বা কোনো বিষয় তুলে ধরতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে ভালো করার সুযোগ রয়েছে। দেশের প্রতিটি ছোট বা বড় ব্যবসার ক্ষেত্রেই কনটেন্টের প্রয়োজন পড়ে। তাই এ খাতে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বড় সুযোগ রয়েছে।
২. ডিজিটাল মার্কেটিং: স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিষ্ঠানকে বাজারে তুলে ধরতে কম খরচে ডিজিটাল মার্কেটারদের খোঁজ করে অনেক প্রতিষ্ঠান। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম থেকে শুরু করে ওয়েব প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠানকে তুলে ধরতে ফ্রিল্যান্সার ডিজিটাল মার্কেটিং কর্মীর দিকেই বেশি ঝোঁক দেখা যায়। তাই ফ্রিল্যান্সাররা এ খাতে ভালো করতে পারবেন।
৩. আর্থিক পরামর্শক: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনার কাজে দক্ষ ফ্রিল্যান্স কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দক্ষ এ ধরনের কর্মীকে তাঁর অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে ভালো পারিশ্রমিকে কাজের সুযোগ দেওয়া হয়। যাঁরা এ ধরনের পেশায় রয়েছেন, তাঁদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ভালো সুযোগ হতে পারে।
৪. ডেটা অ্যানালাইটিকস: ফ্রিল্যান্স পেশাদার কর্মীদের ক্ষেত্রে চাহিদাসম্পন্ন একটি দক্ষতা হচ্ছে ডেটা অ্যানালিটিকস। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী ইনসাইট দেওয়া ও কাজে লাগানোর পরামর্শদাতাকে এখন অনেক প্রতিষ্ঠানেই নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। স্টার্টআপের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্স ডেটা অ্যানালাইটিকস দক্ষ কর্মীকে নিয়োগ দেওয়ার হার বেশি। তবে বড় বড় প্রতিষ্ঠানেও এখন এ ধরনের কর্মীর চাহিদা বাড়ছে।
৫. ওয়েব ডেভেলপার: এখন ওয়েব ডেভেলপারদের চাহিদা তুঙ্গে। এখনকার বাজারে অনেকেই নতুন ওয়েবসাইট তৈরি বা যুগোপযোগী অনলাইন ব্যবসা শুরু করছেন। ফলে নতুন কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ওয়েব ডেভেলপারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফ্রিল্যান্সারদের এ খাতটিতে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
৬. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান এখন তাঁদের কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে। এ ছাড়া নিজেরও প্রশিক্ষক হিসেবে কোর্স চালু করার সুযোগও রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন চাপমুক্তি, সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা, কর্মক্ষেত্রে সুস্থ থাকার মতো নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। ফলে প্রশিক্ষক হিসেবে ফ্রিল্যান্সারদের কাজ করার সুযোগও বাড়ছে।
৭. ক্রিয়েটিভ ডিজাইন: ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্ষেত্র হলো ক্রিয়েটিভ ডিজাইন। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে তাদের প্রেজেন্টেশন তৈরি বা ডিজাইনের কাজ করিয়ে নেয়। যাঁরা ক্রিয়েটিভ ডিজাইনে দক্ষ, তাঁরা দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজের মাধ্যমে ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন।
আইডিয়াল ডিজিটাল মার্কেটিং পেইজে আপনাকে স্বাগতম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Address
4000