27/08/2024
যে ইতিহাস থেকে আমরা নতুন প্রজন্মকে অন্ধ করে রেখেছি......
পাঠ্যবইয়ে কি এই ইতিহাসগুলোর সংযোজন আবশ্যক নয়?
কলকাতা সিভিল কোর্টের উকিল মিঃ চন্ডিদাস। তার এক মেয়ে ছিল যার নাম গৌরিবালা দাস। চন্ডিদাসের সহকারী উকিল মিঃ অরন্য কুমার চক্রবর্তী চন্ডিদাসের কলকাতাস্থ বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতো। এই সুযোগে চন্ডিদাসের মেয়ে গৌরিবালার সাথে অরন্য কুমার চক্রবর্তীর অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠে। এভাবে চলতে থাকে দিনের পর দিন। তার ফলশ্রুতিতে এরই মধ্যে গৌরিবালা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। গৌরিবালা যখন বুঝতে পারলেন তিনি গর্ভবতী হয়েছেন তখন গৌরিবালা অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেন। অরন্য কুমার চক্রবর্তী ইহাতে রাজি না হয়ে অবৈধ সম্পর্কের কথাও অস্বীকার করেন। এদিকে চন্ডিদাস বিষয়টি জানার পর চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরই মধ্যে গৌরিবালা ১২/১২/১৯২০ ইং তারিখে একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন। তার নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তী। চন্ডিদাস অরন্য কুমার চক্রবর্তীকে গৌরিবালাকে উঠিয়ে নেয়ার জন্যচাপ দিতে থাকেন। কিন্তু অরন্য কুমার রাজি হন না। এরই মধ্যে গৌরিবালার ছেলে দেবদাস বয়স ২ বছরে উন্নিত হয়। চন্ডিদাস হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েন এবংভীষণ অসুস্থতা বোধ করেন। চন্ডিদাসের বিশ্বস্ত মহুরী শেখ লুতফুর রহমান ছিলেন একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। চন্ডিদাস মেয়েকে নিয়ে সমাজে মুখ দেখাতে পারছেন না এমন অবস্থায় গৌরীবালার ছেলে দেবদাসের বয়স যখন ৩ বছর, তখন চন্ডিদাসের মহুরী শেখ লুৎফর রহমান চন্ডিদাসের সমূহ সম্পত্তিসহ গৌরিবালাকে বিয়ে করেন। তখন এফিডেভিট করে গৌরিবালার নাম রাখা হয় ছাহেরা বেগম এবং ছেলের নাম রাখা হয় দেবদাস চক্রবর্তীর পরিবর্তে শেখ মজিবুর রহমান।
এফিডেভিট নং- ১১৮
তারিখ- ১০/১১/১৯২৩ ইং সাল
কোলকাতা সিভিল কোর্ট, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
সাক্ষীঃ-
(১) জনাব আব্দুর রহমান সাফায়াত, কোর্ট দারোগা, কলিকাতা, থানা+পোঃ- ভান্ডারিয়া, সাবেক জেলা- বরিশাল।
(২) শ্রী অনিল কুমার, কোর্ট দারোগা, সাবেক জেলা- বরিশাল।
23/08/2024
ভারত থেকে আশা পানিকে আমরা অভিশাপ মনে করি। এই অভিশাপকে আমরা আশীর্বাদ এ পরিণত করতে পারি। প্রতি বছর বাংলাদেশে বন্যা হয়, সমস্ত দেশ পানিতে তলিয়ে যায়। আবার বছরে কোনো একটা সময় আমাদের কৃষকরা পানির অভাবে কান্না-কাটি করে। খরা মৌসুমে পানির অভাবে ফসলের জমি ফেটে যায়, কোথাও পানি পাওয়া জায় না। আমারা একটু constructively চিন্তা করলেই এর সমাধান করতে পারি যেটা গত ৫৩ বছরে কোনো সরকার সমাধান করতে পারেনি। এই বন্যা এবং খরা এই দুটোকে আমাদের balance করতে হবে। কিভাবে করবো ? ==>> প্রথমে আমরা চিহ্নিত করবো যে সব স্থান দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে পানি প্রবেশ করে। সেই এলাকাতে আমরা elevated expressway তৈরী করবো এবং নিচে প্যারালাল ভাবে water way বানাবো। এক্সপ্রেসওয়ের বরাবর নিচেই water way run করবে. ( অন্তত ১০ মিটার গভীর হতে হবে )। এমন ভাবে যদি সেই এলাকাগুলিতে আমরা water way করি তবে ভারতের পানি সেই water way গুলোতে চলে যাবে। এতে করে আমরা ভারতের পানি পেয়ে উপকৃত হবো। এই পানিকে আমরা ব্যাবহার করে সম্পূর্ণ খরা মৌসুমে কৃষি কাজ চালিয়ে যেতে পারবো। এই বিভিন্ন waterway গুলোতে মাছের চাষ করা হবে। দেশব্যাপী অফুরন্ত মাছ থাকবে, একজন অত্যান্ত গরিব লোকও ৩ বেলা মাছ দিয়ে ভাত খেতে পারবে। জনগণের পানিপথ এবং স্থল পথ দুইটা option থাকবে commute করার। এই elevated way এবং water wayর দুই ধারে থাকবে উন্নত মানের ফলের গাছ ( avocado, লিচু , আম ইত্যাদি )। ফুল গাছ এই গরিব দেশের মানুষের কোনো কাজে আসবে না। খালের দু'ধার বাধিয়ে দেয়া হবে mangrove shrub / trees দিয়ে। এতে করে ২ পার সবুজে ভরে যাবে এবং সিমেন্ট এর block বানানোর টাকা বেঁচে যাবে। Elevated way কখনো flooded হবে না , বৃষ্টির পানি নিচে water wayতে নেমে যাবে।
Copied
18/08/2024
ক্লাসে ফিরেছে বন্ধুরা, ফেরেনি হাজারো শফিকরা!
তারা কি ফিরবে এই সুপ্রভাতে?
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে !!
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নিহত বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকার শিক্ষার্থী শহীদ আহনাফের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি 🤲
31/07/2024
আমার বন্ধু Talha Mahmood Chy (তালহা মাহমুদ চৌধুরী) বি.এ.এফ শাহীন কলেজ,চট্টগ্রাম ব্যাচ ২০১৯ এর ছাত্র এবং বর্তমান চট্টগ্রাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির ছাত্র, সিএসই ডিপার্টমেন্ট স্প্রিং ইনটেক ২০২০- কে গত ১৭ জুলাই আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকায় ৫ নম্বর রোডের মুখে রাত ৮:৪৮ এর দিকে কিছু ছাত্রলীগ (২০-৩০জন) জোরপূর্বক আটকিয়ে মোবাইল চেক করে। তালহার ফেসবুকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের পক্ষে পোস্ট দেখে তাকে সহ আরো ৩জন কে চট্টগ্রাম ডবলমুরিং থানার পেট্রোলিং টিমের কাছে তুলে দেয়। পরবর্তী তে তাদের কে সারারাত বিনা ওয়ারেন্টে ডবলমুরিং থানায় আটকে রেখে পরেরদিন ১৮ তারিখ সকাল ১১ টার দিকে খুলসি থানায় নিয়ে গিয়ে হত্যাচেষ্টা ও জানমাল ভাঙচুর সহ ৭ টি ভুয়া মামলা(143, 307, 323, 324, 326, 359, 506) দায়ের করে অভিযুক্ত করা হয়। সেইদিন পুলিশ সময় মতো আদালতে চালান করতে না পারায় শুনানি ছাড়াই হাজতে প্রেরণ করা হয় তালহা কে। পরবর্তী তে সরকারি ছুটি ও কারফিউ এর জন্য আদালত বসতে না পারায় শুনানির ডেট পেছাতে থাকে। অবশেষে ২৪ তারিখ আদালত বসে এবং মামলার শুনানি হয়। জামিনের আবেদন করা হলে আদালত তা খারিজ করে দেয়। অন্যদিকে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তা-ও খারিজ করে দিয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করে ৪ দিন পরে, ২৮ তারিখে। দ্বিতীয় শুনানি তেও আদালত জামিন আর রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করে ৪ দিন পরে, আগামী ১লা আগস্ট।
#সংগৃহীত
আমরা তালহার মুক্তি চাই।
Alumni
Air Force Shaheen College, Chattogram