English words, spoken English
English Toto Orator
Welcome to my page.This page is for all English Literature students.
Vocabulary, English words
English conversation, daily used sentence
September 1913
Key Facts
Poet: William Butler Yeats (1865–1939)
Original Title: Originally titled "Romance in Ireland". It was first published in The Irish Times. It was later published as "September 1913" in a collection called Responsibilities in 1914.
Stanza 1 – লোভী আয়ারল্যান্ড ও হারানো আত্মা (Greedy Ireland and Lost Soul): এই স্তবকে ইয়েটস বলেন, আয়ারল্যান্ডের মানুষ এখন শুধু টাকার পিছনে ছুটছে। তারা “ময়লা টাকার বাক্সে হাতড়ায়” মানে টাকা জমানোই তাদের জীবন। তারা প্রার্থনা করে, কিন্তু সেই প্রার্থনায় ভয় আর স্বার্থ লুকিয়ে আছে। কবি বলেন, তারা জীবনের রস শুকিয়ে ফেলেছে। তাদের মনে আর ভালোবাসা বা সাহস নেই। তারা শুধু “প্রার্থনা আর সঞ্চয়”-এর মধ্যে বেঁচে আছে। শেষে কবি দুঃখ করে বলেন, সেই পুরনো আয়ারল্যান্ড, যেখানে মানুষ ছিল বীর ও দেশপ্রেমিক, এখন আর নেই। “Romantic Ireland’s dead and gone, / It’s with O’Leary in the grave.”
(এই স্তবকে কবি দেখিয়েছেন, আধুনিক আয়ারল্যান্ড লোভে অন্ধ হয়ে পড়েছে, আর সেই মহৎ আত্মা চিরতরে হারিয়ে গেছে।)
Stanza 2 – বীরদের আত্মত্যাগ ও আজকের মানুষের ভণ্ডামি (The Heroes’ Sacrifice and Today’s Hypocrisy): এই স্তবকে ইয়েটস পুরনো আয়ারল্যান্ডের বীরদের কথা বলেছেন। তারা ছিল একেবারে ভিন্ন ধরনের মানুষ; সাহসী, দেশপ্রেমিক, আত্মত্যাগী। তাদের নাম শুনে একসময় শিশুদের খেলা থেমে যেত, মানে তারা ছিল জাতির নায়ক। তারা দেশমাতার জন্য জীবন দিয়েছিল, পৃথিবী জুড়ে ঘুরেছে, কিন্তু প্রার্থনার জন্য তাদের সময় ছিল না। কারণ তারা কাজ করত, বলত না। “For whom the hangman’s rope was spun” মানে তারা মৃত্যুকে ভয় পেত না, দেশের জন্য ফাঁসির দড়িও হাসিমুখে গ্রহণ করেছিল। শেষে কবি আবার দুঃখ করে বলেন, সেই রোমান্টিক আয়ারল্যান্ড আজ নেই “Romantic Ireland’s dead and gone, / It’s with O’Leary in the grave।”
(এই স্তবকে কবি বোঝাতে চেয়েছেন, অতীতের বীরেরা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছে, কিন্তু আজকের মানুষ শুধু কথা বলে, কাজ করে না। তাই সেই গৌরবময় আয়ারল্যান্ড এখন মৃত।)
Stanza 3 – বীরদের আত্মত্যাগ ও জাতির কৃতঘ্নতা (The Heroes’ Sacrifice and Nation’s Ingratitude): এই স্তবকে ইয়েটস অতীতের সেই বীরদের কথা স্মরণ করেছেন, যারা আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন। “Wild Geese” বলতে বোঝানো হয়েছে সেই দেশপ্রেমিক সৈন্যদের, যারা বিদেশে গিয়ে যুদ্ধ করেছিল। কবি প্রশ্ন করেন; এত রক্ত, এত ত্যাগ, এত মৃত্যু কি এই স্বার্থপর যুগের জন্যই ছিল? এডওয়ার্ড ফিটজগেরাল্ড, রবার্ট এমেট ও উলফ টোনের মতো বীরেরা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। তারা ছিলেন “delirium of the brave” — অর্থাৎ উন্মত্ত সাহসিকতায় ভরা মানুষ। কিন্তু আজকের প্রজন্ম সেই আত্মত্যাগ ভুলে গিয়েছে। শেষে কবি আবারও বলেন, “Romantic Ireland’s dead and gone, / It’s with O’Leary in the grave।” এই লাইন কবির হতাশার প্রতীক — তিনি বোঝাতে চান, সেই দেশপ্রেম, সেই সাহস, সেই নৈতিক শক্তি আর নেই।
(এই স্তবকে কবি দুঃখ প্রকাশ করেছেন যে, অতীতের বীরদের রক্ত বৃথা গেছে, কারণ আধুনিক আয়ারল্যান্ড লোভী ও অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়েছে।)
Stanza 4 – অতীতের বীরদের স্মৃতি ও কবির বেদনা (Memory of the Heroes and Poet’s Sorrow): এই স্তবকে ইয়েটস কল্পনা করেন, যদি আমরা সময়কে ফিরিয়ে নিতে পারতাম, আর সেই নির্বাসিত বীরদের আবার ফিরে আনতে পারতাম, তবে মানুষ তাদের নিয়ে উপহাসই করত। তারা বলত, “কোনো নারীর সোনালি চুলের জন্যই তারা পাগল হয়েছে”, মানে দেশপ্রেমিকদের ভালোবাসাকে তুচ্ছ প্রেম হিসেবে দেখত। কবি বলেন, তারা নিজের জীবন সহজে বিলিয়ে দিয়েছিল, কারণ তাদের কাছে দেশপ্রেমই ছিল সব। কিন্তু আজকের মানুষ তা বুঝতে পারে না। শেষে কবি শান্ত কণ্ঠে বলেন, “But let them be, they’re dead and gone, / They’re with O’Leary in the grave।” এটি এক গভীর দুঃখের স্বীকারোক্তি — সেই বীরেরা এখন ইতিহাস, আর তাদের মতো মানুষ আজ আর জন্মায় না।
(এই স্তবকে কবি বোঝাতে চেয়েছেন, আধুনিক আয়ারল্যান্ড সেই অতীত বীরদের আত্মত্যাগ বুঝতে অক্ষম। কবি কেবল শ্রদ্ধা ও বেদনা নিয়ে তাদের স্মরণ করেন।)
English conversation
English conversation, spoken English, rainy day,
লালসালু, Tree without roots
উইদাউট রুটস উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। এই উপন্যাসে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সেই সময়ে যারা ধর্মব্যবসায়ী ছিল তাদের সমালোচনা করেছেন বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে। উপন্যাসের নামটির মধ্য দিয়েই এমন একটি ধারণা প্রকাশ পায় যার কোন ভিত্তি নেই অর্থাৎ অন্ধ ধর্ম বিশ্বাস।
Key Facts:
Tree without Roots নেওয়া হয়েছে Choudhury and Syed Waliullah এর লালসালু উপন্যাস থেকে।
লেখকঃ Choudhury and Syed Waliullah
প্রকাশকালঃ ১৯৪৮ সাল।
থিমঃ
ধর্ম
অস্তিত্ববাদ
অন্ধ বিশ্বাস
কুসংস্কার
গ্রামীণ সমাজ
মাজার ব্যবসা
প্রতারণা
উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ। সম্পূর্ণ উপন্যাসের সামারি ভালোভাবে বুঝতে পারার জন্য এর চরিত্রগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি।
মজিদ এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
রহিমা এবং জমিলা জনক্রমে মজিদের প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী।
খালেক মোহাম্মদ নগরের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
আমেনা এবং তানু বিবি খালেক চেয়ারম্যানের প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী। আমিনা খালেক চেয়ারম্যানের স্ত্রী কিন্তু তার কোন সন্তান হয়নি।
ধোলামিয়া তনুর বড় ভাই।
আওয়াল পুরের পীর মজিদের কম্পিটিটর
কুলসুম রহিমার হেল্পিং হ্যান্ড
একই সাথে আরো একটি পরিবার পাব যেখানে এক বৃদ্ধ লোক এবং তার স্ত্রীর চার সন্তান রয়েছে যাদের মধ্যে তাহের কাদের রতন এবং হাসুনির মা অন্যতম।
হাসুনির মা বিভিন্ন কাজে মজিদের প্রথম স্ত্রী রহিমাকে সহায়তা করত। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো আওয়াল পুরের পীর যে কিনা হাত দিয়ে সূর্যকে থামিয়ে দিত বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। তাছাড়া কুলসুম এবং আরও একটি বৃদ্ধ মহিলা ছিল এই উপন্যাসে।
গ্রামের বর্ণনা
উপন্যাসটি শুরু হয়েছে নোয়াখালীর একটি বন্যাপ্রবণ এলাকায় যেখানে বছরের বেশিরভাগ সময়েই বন্যা সংঘটিত হয়ে থাকে। এই এলাকায় কোন স্কুল-কলেজ নেই শুধুমাত্র মাদ্রাসা দিয়েই ভর্তি। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ হই ধর্মভীর আর সকলের মাথায় টুপি। এজন্যই উপন্যাসের এক পর্যায়ে বলা হয়ে থাকে যে এই গ্রামে যতটা না ফসল ফলে থাকে তার থেকে বেশি মানুষের মাথায় টুপি দেখা যায়।
বন্যপ্রবণ এলাকা হওয়ার কারণে বন্যার সময় মানুষের মধ্যে খাদ্য ভাব দেখা দেয়। সে সময় গ্রামের টুপি পরিহিত যারা মুরুব্বী রয়েছেন তারা সকলেই ধনী ব্যক্তিদের কাছে যায় এবং তাদের ধনসম্পদ লুটপাট করে এমনকি অনেক সময় খুন পর্যন্ত করে থাকে।
গ্রামে যারা টুপি পরিহিত হুজুর ছিল তারা বেশিরভাগই তাদের দাড়ি-গোঁফ ওঠার পূর্বেই কুরআন মুখস্থ করে ফেলত। বন্যার সময় তারা তাদের নিজেদের এলাকা ছেড়ে অন্য এলাকায় চলে যেত এবং যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল ট্রেন। মধ্যরাতে যখন গ্রামের রেল স্টেশনে ট্রেন এসে থামতো তখন সবাই হুড়োহুড়ি করে ট্রেনের ভেতরে উঠে যেত।
মানুষ এতটাই হুড়হুড়ি করে ট্রেনে উঠতো যে একই পরিবারের মধ্যে পরিবারের সকল সদস্যরা ট্রেনে উঠেছে কিনা সেটা দেখার পর্যন্ত সময় পেত না।
সরকারি কর্মকর্তা ও মজিদ
এরপরে প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে মধুপুরের জঙ্গলে একজন সরকারি কর্মকর্তা শিকার করতে গিয়েছে। জঙ্গলে গিয়ে শুনতে পেল যে সেখানে পাশে একটি মসজিদে কে যেন খুব সুন্দর সুরে আজান দিচ্ছে। আযান শুনে সে আশ্চর্য হয়ে গেল কারণ এরকম একটা জায়গায় এত সুন্দর সুর করে আজান দিচ্ছে সেটা প্রায় অসম্ভব ছিল কারণ সেখানে মানুষজন অনেক কম।
তারপর সে আস্তে আস্তে হেঁটে মসজিদের কাছে গিয়ে সেই লোকটিকে জিজ্ঞেস করল যে সে এখানে কি করছে। লোকটি তাকে উত্তর দিল যে এখানকার মানুষজন নাকি ইসলাম সম্পর্কে একদম অজ্ঞ যার কারণে সে এখানে এসেছে মানুষকে ইসলামের শিক্ষা দিতে।
কিন্তু এই কথাটি ছিল সেই আযান দেওয়ার লোকটির সম্পূর্ণ বানানো একটি কথা। পরিপ্রেক্ষিতে সে সরকারি সেই কর্মকর্তাকে এখানে আসার কারণ জিজ্ঞেস করলে সে উত্তর দেয় যে সে শহরে একটি সরকারি চাকরি করে এবং এখানে স্বীকার করতে এসেছে। তার পূর্বপুরুষ নাকি মহব্বত নগর গ্রামে থাকতো। সে গ্রামে তার পূর্বপুরুষদের এখনো নাকি কিছু কবর রয়েছে। এই কথা শুনে আযান দেওয়া লোকটি ব্যাপারটা তার মাথায় কি জানি একটু ভেবে রেখে দিল।
মজিদের আবির্ভাব
এর পরবর্তী প্রেক্ষাপটে দেখা গেল যে কাদের এবং তাহের দুজন তাদের জমি থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিল তখন তারা গ্রামের চার রাস্তার মোড়ে একজন ব্যক্তিকে জায়নামাজ বিছিয়ে দোয়া করতে দেখল। এটা দেখে তারা বেশ আশ্চর্য হয়ে গেল। এখন যে গ্রামের কথা বলা হচ্ছে এই গ্রামে অবশ্য বন্যার কোন সমস্যা নেই এবং অন্যান্য আরো দশটা স্বাভাবিক গ্রামের মতই এই গ্রাম যার নাম মহব্বত নগর। সন্ধ্যায় যখন কাদের এবং তাহের বাড়ি ফিরল তখন তারা দেখতে পেল যে গ্রামের সবচেয়ে বড় বাড়ি অর্থাৎ চেয়ারম্যানের বাড়িতে প্রচন্ড চেচামেচি হচ্ছে।
মজিদ ও গ্রামের কবর আবিষ্কার
সেখানে তারা গিয়ে দেখল যে লোকটি গ্রামের চার রাস্তার মাথায় দোয়া করছিল সেই লোকটি চিৎকার করে করে মানুষের মধ্যে কি যেন বলছিল। কাছে গিয়ে তারা দেখল যে লোকটি সবাইকে বলছে এই গ্রামে মোদাচ্ছের পীর এর কবর রয়েছে এবং গ্রামের সবাই সেই কবরকে যত্ন না করে বরং তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছে।
সে গ্রামের সবচেয়ে বয়স্ক লোক চেয়ারম্যানের বাবাকে জিজ্ঞেস করল যে তিনি এই ব্যাপারে কিছু জানেন কিনা। তিনি যখন জানেন না বলে দিলেন তখন গ্রামের সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল যে এ ব্যাপারে সে কিভাবে জানে।
তখন সে সবাইকে বলল যে মোদাচ্ছের পীর তাকে নাকি স্বপ্নে দেখিয়েছে যে সে যেন এই গ্রামে এসে তার কবরের যত্ন করে এবং গ্রামের মুসলমানদের মধ্যে ইসলাম শিক্ষা দেয়। অতঃপর সেই লোকটি গ্রামের অন্যান্য সকলকে চেয়ারম্যানের নির্দেশ মতে একটি কবরের কাছে নিয়ে গিয়ে জায়গাটি পরিষ্কার করে দেখল যে সেখানে সত্যিই একটি কবর রয়েছে।
তারপর গ্রামের সবাই মিলে কবর টি পরিষ্কার করে চারপাশে লাঠি গেড়ে দিল এবং তার ওপরে লাল একটি কাপড় বসিয়ে দিল যাকে বলা হয় লালসালু।
মোদাসসের পীরের মাজার শুরু
সেদিন থেকেই মজিদ গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তিতে পরিণত হতে থাকলো ধীরে ধীরে এবং নির্দ্বিধায় চালিয়ে যেতে থাকলো তার ধর্ম ব্যবসা। সে এতটাই প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিল যে গ্রামের সব ধরনের মজলিস এবং বিচারে চেয়ারম্যান পর্যন্ত তার সিদ্ধান্ত মেনে নিত এবং তার কথা শুনতো। এর একটা অন্যতম কারণ হলো মজিদ যখন কোন বিচারের রায় দিত তখন সে আগে কুরআন তিলাওয়াত করে নিত এবং সেখান থেকে ব্যাখ্যা দিত। যদিও সে কুরআনের সঠিক ব্যাখ্যা ঠিকঠাক জানে না কিন্তু গ্রামের মানুষ এ সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ার কারণে তারা কিছু বুঝতে পারত না।
আমরা এই উপন্যাসে কিছু উপকাহিনী পাবো। তাদের মধ্যে একটি হচ্ছে হাসোনির মা এবং বৃদ্ধ লোকটির কাহিনী।
হাসুনির মা ও বৃদ্ধ লোক
হাসুনীর মা রহিমাকে সব কাজে সহায়তা করত এবং সে রহিমাকে বলতো যে মসজিদ যেন দোয়া করে তার মারা যাওয়ার জন্য। এর কারণ রহিমা জিজ্ঞেস করলে সে উত্তর দেয় যে তার বাড়িতে তার বৃদ্ধ বাবা এবং তার মা রয়েছে। মা সারাদিন প্যারালাইজড অবস্থায় শুয়ে থাকে এবং বাবাকে বিভিন্ন উল্টাপাল্টা কথা বলে। এমনকি অনেক সময় বাবার পুরুষত্ব নিয়ে কথা বলে যা শুনে বাবা মাকে মারতে চায়।
এগুলো দেখে তার খারাপ লাগে বিধায় সে মারা যেতে চায়। এই ঘটনা মজিদ শোনার পর একদিন মজিদের সাথে সে বৃদ্ধ লোকটির দেখা হল এবং সে বৃদ্ধ লোকটিকে বলল যে তোমার পরিবারে এসব কি হচ্ছে এগুলো তো খুব খারাপ।
এই কথা শুনে বৃদ্ধ লোকটি রেগে গিয়ে মজিদকে উত্তর দিল যে আমার পরিবারে যাই কেন না হয় সেটা নিয়ে তোমার মাথা ব্যথা করার কোন দরকার নেই। তারপর বৃদ্ধ লোকটি ভাবতে লাগলো যে আমার পরিবারের এই কথাগুলো মজিদ কে কে বলতে পারে।
ভাবতে ভাবতে এসে বুঝতে পারল যে তার মেয়ে যেহেতু রহিমার সাথে কাজ করে তাই সে রহিমাকে বলে দিয়েছে আর রহিমা মজিদকে বলে দিয়েছে।
এটা ভেবে বৃদ্ধ লোকটি তার মেয়ে অর্থাৎ হাসুনীর মা কে প্রচন্ড মারধর করল। মারধরের শিকার হয়ে তার মেয়ে যখন মজিদের কাছে গিয়ে সব কিছু খুলে বলল তখন মজিদ গ্রামের সবাইকে ডেকে নিয়ে বিচারে বসলো।
Much, more. A lot of, lots of, English grammar
Stopping by Woods on a Snowy Evening Bangla Summary
By Robert Frost
Stopping by Woods on a Snowy Evening
Key Facts
Poet: Robert Frost (1874-1963)
Full Title: Stopping by Woods on a Snowy Evening
Written: 1922
Publication: 1923, in Frost’s collection of poems “New Hampshire”
Form: The poem features four quatrains
Stanza: 4
Total Lines: 16 lines
Rhyme Scheme: AABA BBCB CCDC DDDD
Meter: The poem features perfect iambic tetrameter (each line has four beats). For instance, line 1 reads:
Whose woods | these are | I think | I know
The entire poem follows this unstressed-stressed metric pattern.
Setting: A quiet, snowy evening in the countryside
Speaker: A traveler who stops to admire the beautiful snow-covered woods
Point of View: First-person (the poet or traveler speaks directly to himself)
Tone: Calm, peaceful, thoughtful, and slightly sad
Climax: In the final stanza, the speaker remembers his duties and responsibilities:
“But I have promises to keep,
And miles to go before I sleep.”
Famous Lines:
“And miles to go before I sleep,
And miles to go before I sleep.”
Summary in Short: The poet/traveler stops by a quiet forest one snowy evening to enjoy the beauty and peace of nature. He feels attracted to the deep, dark woods, which symbolize rest or even death. But he reminds himself of his duties and the long journey of life he must still complete before resting.
Characters
Main Text
Stopping by Woods on a Snowy Evening
by Robert Frost
Whose woods these are I think I know.
His house is in the village though;
He will not see me stopping here
To watch his woods fill up with snow.
My little horse must think it q***r
To stop without a farmhouse near
Between the woods and frozen lake
The darkest evening of the year.
He gives his harness bells a shake
To ask if there is some mistake.
The only other sound’s the sweep
Of easy wind and downy flake.
The woods are lovely, dark and deep,
But I have promises to keep,
And miles to go before I sleep,
And miles to go before I sleep.
Important Vocabulary
1. Whose – of whom (কার)
6. Bell – small ringing instrument (ঘণ্টা)
11. Dark and deep – mysterious and quiet (অন্ধকার ও গভীর, রহস্যময়)
2. Woods – forest or group of trees (জঙ্গল / বন)
7. Frozen – turned into ice (বরফে পরিণত)
12. Promises – things someone has agreed to do (প্রতিশ্রুতি / দায়িত্ব)
3. Q***r – strange or unusual (অদ্ভুত / অচেনা)
8. Lake – large water body (হ্রদ / পুকুর)
13. Keep – fulfill or do (রক্ষা করা / পালন করা)
4. Harness – leather belt used to tie horse with cart (ঘোড়ার বেল্ট বা লাগাম)
9. Downy flake – soft piece of snow (নরম তুষার কণা)
14. Miles – long distance (দীর্ঘ পথ / মাইল দূরত্ব)
5. Shake – move quickly (ঝাঁকানো / নাড়া দেওয়া)
10. Sweep – move or fall smoothly (বয়ে যাওয়া / ঝরে পড়া)
15. Sleep – here means death or rest (ঘুম / মৃত্যু বা বিশ্রাম)
Line-by-Line Analysis
Stanza 1
Line 1: Whose woods these are I think I know.
Paraphrase: I think I know who owns these beautiful woods.
অর্থ: আমার মনে হয় এই সুন্দর বনের মালিক কে তা আমি জানি।
ব্যাখ্যা: কবি বুঝতে পারেন, কার এই বন। তিনি মালিককে চিনেন।
Line 2: His house is in the village though;
P: But his house is far away in the village.
অর্থ: কিন্তু তার বাড়ি দূরে, গ্রামের ভিতরে।
ব্যাখ্যা: বনের মালিক এখানে থাকেন না, তিনি অনেক দূরে গ্রামে থাকেন।
Line 3: He will not see me stopping here
P: He will not see me standing here.
অর্থ: সে আমাকে এখানে থেমে থাকতে দেখতে পাবে না।
ব্যাখ্যা: বনের মালিক কবিকে থামতে দেখবে না। অর্থাৎ, তুষার আবৃত বনটি নির্জন, নিস্তব্ধ। কবি সেখানে একাকী।
Line 4: To watch his woods fill up with snow.
P: I have stopped here to watch the trees get covered with falling snow.
অর্থ: আমি এখানে থেমেছি, গাছগুলোর উপর বরফ পড়তে আর জমে যেতে দেখার জন্য।
ব্যাখ্যা: কবি সেখানে একাকী দাঁড়িয়ে তুষার আবৃত বনের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
Stanza 2
Line 5: My little horse must think it q***r
Paraphrase: My little horse must find it strange,
অর্থ: আমার ছোট্ট ঘোড়াটি নিশ্চয়ই এটা অদ্ভুত মনে করছে,
ব্যাখ্যা: ঘোড়াটি অবাক হয়ে ভাবছে, কেন তার মালিক এমন জায়গায় থেমেছে। অর্থাৎ, কবি বোঝাতে চাচ্ছেন বনটি বেশ নির্জন, ঠান্ডা, তুষারে ঢাকা, আর অন্ধকার। ঘোড়াটি যেন কোনো বিপদের আভাস পাচ্ছে।
Line 6: To stop without a farmhouse near
P: That we have stopped in a place with no farmhouse close by,
অর্থ: যে আমরা এমন এক জায়গায় থেমেছি যেখানে কাছাকাছি কোনো বাড়িঘর নেই,
ব্যাখ্যা: আশেপাশে কেউ নেই, তাই ঘোড়ার কাছে এটি অস্বাভাবিক লাগছে।
Line 7: Between the woods and frozen lake
P: Between the quiet forest and a frozen lake,
অর্থ: একটি নীরব জঙ্গল আর বরফে জমে যাওয়া হ্রদের মাঝখানে,
ব্যাখ্যা: জায়গাটা নির্জন, ঠান্ডা আর বরফে ঢাকা।
Line 8: The darkest evening of the year.
P: On the darkest and coldest night of the year.
অর্থ: বছরের সবচেয়ে অন্ধকার ও ঠান্ডা রাতে।
ব্যাখ্যা: চারদিক অন্ধকার, শীতের অন্ধকার সন্ধ্যায় কবি প্রকৃতির নিস্তব্ধতা অনুভব করছেন। এই অন্ধকার, ঠান্ডা, নির্জন প্রকৃতি কবির মনের দ্বিধা তৈরি করে। তিনি ভাবতে থাকেন তিনি কি এখানে চিরকাল থেকে যাবেন, নাকি তাঁর যাত্রা চলমান রাখবেন। অর্থাৎ, এই নিস্তব্ধ বন কবির মনে চির বিশ্রাম বা মৃত্যুর চিন্তা নিয়ে আসে। তিনি হয়ত জীবনের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে করতে ক্লান্ত।
Stanza 3
Line 9: He gives his harness bells a shake
Paraphrase: My horse shakes the bells on his harness,
অর্থ: আমার ঘোড়াটি তার গলার ঘন্টাগুলো ঝাঁকিয়ে তোলে,
ব্যাখ্যা: ঘোড়াটি মালিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছে, যেন জিজ্ঞেস করছে যে সে কেন থেমেছে। এখানে ঘোড়াটির ঘন্টাধ্বনি হচ্ছে বিচার-বুদ্ধির কণ্ঠস্বর, যা কবিকে তার অসমাপ্ত দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।
Line 10: To ask if there is some mistake.
P: As if he is asking me if I have stopped by mistake.
অর্থ: যেন সে জিজ্ঞেস করছে, আমি কি ভুল করে এখানে থেমেছি কিনা।
ব্যাখ্যা: ঘোড়াটি ভাবছে তার মালিক নিশ্চয়ই ভুল করে এমন স্থানে থেমেছে।
Line 11: The only other sound’s the sweep
P: Except for the sound of the bells, I only hear the soft sound,
অর্থ: ঘন্টাধ্বনি ছাড়া আমি কেবল প্রকৃতির নরম শব্দ শুনি,
ব্যাখ্যা: আশেপাশে সম্পূর্ণ নীরবতা, কেবল ঘন্টাধ্বনি ছাড়া শোনা যাচ্ছে প্রকৃতির শব্দ।
Line 12: Of easy wind and downy flake.
P: Of the gentle wind and the light snowflakes falling.
অর্থ: হালকা বাতাস ও তুষার ঝরে পড়ার শব্দ।
ব্যাখ্যা: বাতাস আর বরফের কোমল শব্দে পরিবেশ আরও শান্ত হয়ে উঠেছে।
Stanza 4
Line 13: The woods are lovely, dark and deep,
Paraphrase: The forest looks very beautiful, dark, and full of mystery.
অর্থ: বনটি খুব সুন্দর, অন্ধকার, আর রহস্যে ভরা মনে হচ্ছে।
ব্যাখ্যা: কবি মুগ্ধ হয়ে বনের সৌন্দর্য দেখছেন। কিন্তু এই সৌন্দর্যের মধ্যে একধরণের একাকীত্ব, নিস্তব্ধতা, ও রহস্য রয়েছে, যা কবিকে চির বিশ্রাম নিতে টানছে। অর্থাৎ কবির মনে মৃত্যুর চিন্তা কাজ করছে।
Line 14: But I have promises to keep,
P: But I remember that I have duties and promises to fulfill.
অর্থ: কিন্তু আমার মনে পড়ে যে আমার এখনো অনেক দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে।
ব্যাখ্যা: কিন্তু কবি অবশেষে সিদ্ধান্ত নেন যে তার এখানে থেমে গেলে চলবে না।
Line 15: And miles to go before I sleep,
P: I have a long way to travel before I can rest.
অর্থ: আর বিশ্রাম নেওয়ার আগে অনেক পথ যেতে হবে।
ব্যাখ্যা: বিশ্রামের আগে বা মৃত্যুর আগে তাকে অনেক অসমাপ্ত দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।
Line 16: And miles to go before I sleep.
P: A long journey still waits before I can finally sleep or find peace.
অর্থ: এই লাইন পুনরাবৃত্তি কবির জীবনের পথচলা ও দায়িত্বের গভীর বোধ প্রকাশ করে।
ব্যাখ্যা: তাই কবি জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
Text Analysis
The speaker is riding a horse on a snowy evening. He stops near a forest to watch the beautiful snow falling on the trees. He knows who owns the woods, but the owner lives in the nearby village, so no one sees him stop there.
His little horse is surprised because it is strange to stop in the middle of the forest when there is no farmhouse nearby. It is the darkest evening of the year. Everything around is quiet. The horse shakes his harness bells as if to ask whether they should move on.
The only sounds the speaker can hear are the soft wind and the light snowflakes falling. The peaceful woods look lovely, dark, and deep. He feels like stopping his journey and taking a rest in the lovely, snowy woods, perhaps, eternal rest. But soon he remembers that he has promises and duties to fulfill in life. He cannot stay there forever. He must continue his journey. He has many miles to go before he can rest or sleep.
The poem presents the conflict of the human heart. It shows that we often want to escape from our duties, or feel tired or heartbroken. But our duties and responsibilities make us continue the journey along the path of our lives.
Text Analysis in Bangla
কবিতার বক্তা এক তুষারে ঢাকা সন্ধ্যায় ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছিলেন। তিনি তুষারপাতের সুন্দর দৃশ্য দেখতে একটি বনের পাশে থেমে গেলেন। তিনি জানেন যে এই বনের মালিক কে। বনের মালিক কাছের এক গ্রামে থাকেন, তাই তাকে এই সন্ধ্যায় বনের ধারে থামতে কেউই দেখবে না।
তাঁর ছোট ঘোড়াটি অবাক হয়, কারণ আশেপাশে কোনো বাড়ি বা খামার নেই, কিন্তু তবুও বক্তা বনের ধারে দাঁড়িয়ে গেছেন। এটি বছরের সবচেয়ে অন্ধকার সন্ধ্যা। চারপাশে সম্পূর্ণ নীরবতা। ঘোড়াটি তার ঘণ্টা নাড়ায় যেন জিজ্ঞেস করছে—এখানে থামা উচিত, নাকি এগিয়ে চলা উচিত।
বক্তা শুধু হালকা বাতাস আর পড়তে থাকা তুষারের মৃদু শব্দ শুনতে পান। শান্ত, অন্ধকার ও গভীর এই বন খুবই সুন্দর লাগে তাঁর কাছে। তিনি সেখানে বিশ্রাম নেয়ার কথা ভাবেন, এমনকি হয়তো চিরদিনের জন্য সেখানেই থেমে যেতে চান। কিন্তু হঠাৎ মনে পড়ে যায়—তাঁর জীবনে এখনো অনেক প্রতিশ্রুতি ও দায়িত্ব পূরণ করতে হবে। তিনি এখানে চিরকাল থাকতে পারেন না। তাঁকে যাত্রা চালিয়ে যেতে হবে। ঘুমানোর আগে তাঁর এখনো অনেকটা পথ চলা বাকি।
এই কবিতাটি মানুষের মনের দ্বন্দ্ব প্রকাশ করে। এটি দেখায়, আমরা প্রায়ই দায়িত্ব থেকে পালাতে চাই, অথবা ক্লান্ত ও মনভাঙা বোধ করি। কিন্তু আমাদের কর্তব্য ও দায়িত্বই আমাদের জীবনের পথে এগিয়ে যেতে বাধ্য করে।
English language, spoken English
Singular and plural, English practice, English grammar #
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Address
Chittagong