International Online Quran Academy

International Online Quran Academy

Share

ইসলামী দ্বীনের প্রচার ওপ্রসার করতে,ক?

30/04/2026

Assamualaikum warahmatullah

24/04/2026

“আপনি কি কুরআন শিখতে চান?”
"সময় পাচ্ছেন না?”
“আমাদের কোর্স”
"১০ দিনে শিখুন”

03/03/2026

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : অচিরে মানুষ খুব অল্প আমল করা থেকে বিরত থাকবে ওদের আমারগুলো ছুটে যাবে ওরা নিজেরাও জানবে না আমারটা অল্প হলেও ঈমানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক সওয়াব পূর্ণ । আমারটা হচ্ছে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর 10 বার সুবাহানাল্লাহ দশবার আলহামদুলিল্লাহ দশবার আল্লাহু আকবার, যখন নামাজ শেষ হবে তখন শয়তান তাড়াহুড়ার কথা মনে করে ব্যস্ততম কাজের কথা মনে করিয়ে তাসবীহগুলা পড়ার কথা ভুলিয়ে দেবে এবং প্রত্যেকদিন ঘুমানোর আগে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ ৩৩বার আলহামদুলিল্লাহ ৩৪ বার আল্লাহু আকবার, মানুষ যাতে আমলটা পূর্ণ করতে না পারে তাহলে শয়তান তাড়াতাড়ি চোখে ঘুম এনে দেবে।

12/12/2024

এক নারীর প্রশ্ন!😅🎓
এক নারী মাওলানা সাহেবকে জিজ্ঞেস করলেন;
'পর্দা করা কি ফরয?'
মাওলানা সাহেব বললেন:
'শুধু তিন প্রকার নারীর জন্য পর্দা করা ফরয।
১. নবী পত্নীদের জন্য।
২. নবী কন্যাদের জন্য।
৩. সমস্ত মুমিন নারীদের জন্য।
এদের মধ্যে আপনি আছেন কিনা নিজেই
ফয়সালা করুন।❤❤❤

উর্দু থেকে অনুবাদকৃত
কার্টেসি: আলোর পথ❤❤❤

12/12/2024

Alhamdulillah

07/09/2024

স্পিডবোটের মালিক এটি নিয়ে গেছে
কিন্তু সেইম আরেকটা এখনো মিচিংআছে
একটি স্পিডবোট পাওয়া গেছে!
ফেনী তে ত্রান দিতে আসা কোন ব্যক্তি বা প্রতিস্ঠান নীচের ছবির বোটটি রেখে গেছেন।
তবে হয়তো সন্ধান করেছেন বা সন্ধান করার পরও খুঁজে পান নাই। বর্তমানে বোটটি আছে ফেনী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের/পেট্রোবাংলা/সংলগ্ন/হাজি পাড়া/
অর্থাৎ দাউদপোলের পুর্বে আরামবাগ এলাকায়। উপযুক্ত প্রমান দিয়ে প্রকৃত বোটের/মালিককে/বোটটি/নিয়ে যেতে অনূরোধ করছি।
বিঃদ্রঃ এই হারানো নিঊজটি বেশীবেশী শেয়ার করলে হয়তোবা প্রকৃত মালিক সহসা খবরটা পেয়ে যাবেন।
যোগাযোগ! Hoque /Electric/Hafez Ah.Bhai/Number 01819-1 4 9 3 4 5

05/09/2024

নামাজ শেষে মোবাইলটা এমনভাবে খুজি,
যেনো দোয়া কবুলের মেসেজ এসেছে😍

02/09/2024

আমার বিয়ে হয়েছে দুই বছর।হাজবেন্ড ঢাকা থাকে।সপ্তাহে/১৫ দিনে এক বার আসে।সে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটা /বারোটায় আসে এসে ভাত খেয়ে নিজের চাহিদা মিটিয়ে ঘুমিয়ে যায়।সকালে তার আগে ঘুম থেকে উঠে আমি সংসারের কাজ শুরু করি কাজ শেষ করে খেয়ে দেয়ে ফ্রি হতে হতে বিকেল তিনটা/ সাড়ে তিনটা বেজে যায়।খেয়েদেয়ে সে আবার ঘুমিয়ে যায়।সন্ধায় উঠে বাজারে/বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে যায়।আবার রাত এগারোটায় এসে খেয়ে দেয়ে নিজের চাহিদা মিটিয়ে ঘুমিয়ে যায়।

পর দিন একদম ভোরে উঠে ঢাকা চলে যায়।

ঢাকা যাওয়ার পর আমিই তাকে নিজে থেকে ফোন দি।দিনে দুই বার ফোন দেই রাতে একবার অথবা দুইবার ফোনে ঙকথা হয়।দিনে ফোন দিলে দুই এক মিনিট।
রাতে পাঁচ দশ মিনিট কথা বলে।ফোনে কথা বলার সময়ও সে ফেসবুক ইউটিউব বা মোবাইলে ব‍্যাস্ত থাকে।

আর ভালোবাসার কথার চেয়ে আমার রাগ দেখানো বিরক্তি দেখানোই থাকে বেশি(আমি কখনও তার সাথে তর্ক করিনা,তার ফ‍্যামিলির সাথে ভালো আচরন করি,কখনো ছোট করে কথা বলিনা,অভিযোগও করিনা)
দুই বছরে কখনও একসাথে কোয়ালিটি টাইম কাটানোর জন‍্য দুজন দূরে কোথাও ঘুরতে যাইনি।

আমাদের মধ্যে কোয়ালিটি টাইম বলতে কিছুই নেই।

বাড়িতে জা শাশুড়ির সাথে থাকি।নিজের মত করে চলতে পারিনা।ঘরে কোন নিয়ম শৃংখলা সময়ানুবর্তিতা বলতে কিচ্ছু নেই।রান্না বান্না শেষ করতে করতে দুইটা আড়াইটা বাজে খেতে খেতে সাড়ে তিনটা।রাতে এগারোটা বারোটা বাজে খায়।কিছু বানিয়ে খেতে পারি না।কৈফিয়ত দেওয়া লাগে।কেমন কেমন করে।

জা সংসারে রাজত্ব করে।কাঠি নাড়া ছাড়া সব কাজ আমি করি।কাঠি নাড়ার কাজও আমি করি।কিন্তু তাও সবাইকে বলে উনি সব কাজ করে।আমি ভালো থাকলে হিংসা করে,

আমি দোষ করি আর না কিছু নষ্ট হলে বা জায়গায় খুঁজে না পেলে আমার উপর দোষ চাপিয়ে দেয়।আমার সাথে প্রায় সময়ই ঝাড়ি মেরে কথা বলে,মানুষের সামনে কাজের নাটক করে,আমর সামনে পেছনে আমার বদনাম করে বেড়ায়।

আমি শারীরিক মানসিক ভাবে প্রচন্ড ক্লান্ত।
আমি আমার স্বামীকে প্রচন্ড মিস করি।এককিত্বে ভুগি।

আমি তার সাথে একটু ভালো সময় কাটাতে চাই।কিন্তু সে নিবেনা।সে চায় আমি তার মা ভাবী ভাতিজিদের খেয়াল রাখি।
কিন্তু আমি যে আর মানসিক যন্ত্রণা নিতে পারছিনা।এখন
আমার করনীয় কিভাবে আমি নিজেকে ভালো রাখবো?
কেউ দয়া করে আমাকে কিছু পরামর্শ দিন !!

-- নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

22/08/2024

ফেনীর সর্বশেষ আপডেট :
পুরা ফেনী তলাই গেছে,পানিতে লাশ ভেসে উঠতেছে😭🥺

22/08/2024

মসজিদের মাইকে বলা হচ্ছে একে অপর কে ক্ষমা করে দিন! আর দেখা নাও হতে পারে । অন্তর টা কেঁপে উঠল । কি ভয়াল দৃশ্য! আল্লাহ সহায় হোন আমিন।

15/08/2024

৬ অক্টোবর ২০১৯।
রাত ৮.১৩।
বুয়েট শেরেবাংলা হলের ১০১১ নাম্বার কক্ষে ঘুমাচ্ছিলো একটা ছেলে। একই ব্যাচের তানিমসহ তিনজন এসে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে।
-- বড় ভাইয়েরা তোকে ডাকছে। ২০১১ তে আয়।
-- কেনো?
-- গেলেই দেখতে পাবি।
-- কখন যাওয়া লাগবে?
-- এখনই। তোর ল্যাপটপ এটা?
-- হ্যাঁ।
-- মোবাইলটাও দে।
--কেনো?
-- দিতে বলছি তাই দিবি। ভাইরা বলছে।
মোবাইল, ল্যাপটপ এবং ছেলেটাকে নিয়ে তারা রওনা দিলো ২০১১ নাম্বার রুমের উদ্দেশ্যে। এই ছেলেটা কোন সাধারণ ছেলে ছিলো না। বুয়েটের EEE বিভাগে ২০১৮ সালে ভর্তি হওয়া এই ছেলের নাম আবরার ফাহাদ রাব্বি। অসাধারণ মেধাবী এই ছেলে ঢাবি 'ক ইউনিট' ভর্তি পরীক্ষায় ১৩ তম হয়েছিলো। চান্স পেয়েছিলো ঢাকা মেডিকেলেও। বড় ভাইদের ডাকে ২০১১ নাম্বার রুমের দিকে পা বাড়ানো আববার তখনো জানতো না, "অনন্ত মহাকালে এই যাত্রা, অসীম মহাকাশের অন্তে"।
আবরারের অপরাধ ছিল তাদের চোখে মারাত্মক! ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়েছে সে। আবরারেরই রুমমেট মিজানের সন্দেহ, "আবরার শিবির করে।" তাই বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আজ এই আয়োজন। কক্ষে ঢোকার পরই মোবাইল আর ল্যাপটপ চেক করা শুরু করে তারা। তেমন কোন প্রমাণ না পেয়ে রুমে থাকা রবিন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
-- এদিকে আয়। চশমা খোল।
আবরার চশমা খোলার পর রবিন প্রচন্ড জোরে তার গালে কয়েকটি চড় মারে। হাত দিয়ে গাল চেপে বসে পড়ে আবরার। এরই মধ্যে মোরশেদ কাঠের তৈরি শক্ত ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। ইফতি প্রথমে রবিনের মতোই গায়ের জোরে থাপ্পড় মারে আবরারকে। এরপর হাতে তুলে নেয় ক্রিকেট স্ট্যাম্প। পিঠে, পায়ে, পায়ের তালুতে, হাতে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে। প্রচণ্ড শক্তিতে মারার কারণে কয়েক বাড়ি দেওয়ার পরই স্ট্যাম্প ভেঙে দুই টুকরা হয়ে যায়। আবরার ততক্ষণে চিৎকার দিতে দিতে লুটিয়ে পড়েছে মেঝেতে। সেই চিৎকার শুনে আশেপাশের রুমের জানালা ভয়ে দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। এহতেসামুল, রাব্বি ও তানিম আরেকটি নতুন স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। এবার অনিক স্ট্যাম্প হাতে তুলে নেয়। একাধারে মাটিতে লুটিয়ে থাকা আবরারের সারা শরীরে আঘাত করতে থাকে। প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি আঘাত করে অনিক নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। মেঝেতে পড়ে কাতরাতে থাকে আবরারের শরীর। সঙ্গে সঙ্গে মুজাহিদ ও শামিম স্কিপিং রোপ (মোটা দড়ি) দিয়ে মারতে শুরু করে। আবরার তখন বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করে কিন্তু তাতে কারো মন গলেনি। কারো মধ্যেই মনুষ্যত্ব ফিরে আসেনি। বরং জীয়ন এগিয়ে এসে অনিক থেকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আবরারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে।
রাত সাড়ে দশটা। অমানুষিক মার খেয়ে মেঝেতে লুটিয়ে গোঙাতে থাকে আবরার। ইফতি ধমক দিয়ে টেনে দাঁড় করায়। তারপর সর্বশক্তিতে কয়েকটি চড় মারে। এরপর আবার স্ট্যাম্প দিয়ে পেটাতে থাকে।
রাত এগারোটা। ২০১১ নাম্বার কক্ষে এসে হাজির হয় এস এম মাহমুদ সেতু। এসেই সবাইকে জিজ্ঞেস করলো,
-- কি অবস্থা? কিছু বাইর হইছে?
-- না, কোন কিছু বলতেছে না।
-- মারতে থাক।
সেতুর নির্দেশে আবরারকে আবার ক্রিকেট স্ট্যাম্প, স্কিপিং রোপ দিয়ে মারা শুরু হয়। ইফতি ও অনিক আবরারকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে মারতে থাকে। হাতের কনুই দিয়ে পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করে। উৎসাহিত হয়ে তখন সবাই মিলে প্রচন্ড শক্তিতে আবরারকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি চড়-থাপ্পড়, লাথি মারতে থাকেন। আবরারের কুঁকড়ে যাওয়া শরীর থেকে তখন শুধু গোঙানি শোনা যাচ্ছিলো।
রাত সাড়ে এগারোটা। কিছুক্ষণের জন্য রুম থেকে বের হওয়ার আগে অনিক ও রবিন অন্যদের বলে যায়,
-- তোরা অর কাছ থেকে যেমনেই হোক তথ্য বের কর।
এবার মনির ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে শুরু করে। তাবাখখারুল, নাজমুস সাদাত, তানিম, জেমি আবরারকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। বাইরে থেকে আবার রুমে ঢুকে অনিক হাতে ক্রিকেট স্ট্যাম্প তুলে নেয়। এরপর আবরারকে প্রচন্ড জোরে একটানা আরও ৪০ থেকে ৫০টি আঘাত করে। মুমূর্ষু আবরার তখন বমি ও প্রস্রাব করে ফেলে। ব্যথায় চিৎকার করার মতো শক্তিও অবশিষ্ট নেই। বাঁচার জন্য ইশারা-ইঙ্গিতে কাকুতি-মিনতি করে। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। শ্বাসকষ্ট দেখে ইফতি আবরারের মাথার নীচে বালিশ দেয়। পরপর আরো কয়েকবার বমি করে আববার। এমন অবস্থায় আবরারকে হলের বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। ধুয়ে মুছে জামা কাপড় বদলানো হয়।
রাত সাড়ে বারোটা। ইফতি ও মেহেদীর নির্দেশে আবরারকে ধরাধরি করে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসা হয়। ইফতি মোশাররফ হলের মেস বয় জাহিদ হাসানকে ডেকে আসে। ২০১১ নম্বর রুমে আবরারের বমি তাকে দিয়ে পরিষ্কার করানো হয়।
২০০৫ নম্বর কক্ষে আনার পর ইফতি বলে,
-- তোরা এবার অর থেকে তথ্য বাইর কর। বুয়েটে কে কে শিবির করে বাইর কর।
দুই-একজন আবরারের মুমূর্ষু অবস্থা দেখে ভয়ে ভয়ে বললো,
-- ভাই, অবস্থা বেশ খারাপ। হাসপাতালে নেওয়া দরকার।
এই কথা শোনার পর রবিন তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেন।
-- যা বলছি তাই কর। এইগুলি সব নাটক। ভং ধরছে। তোরা শিবির চেনস না। শিবির চেনা কষ্ট।
রবিনের রেগে ওঠা দেখে সবাই ভয়ে জলদি আবরারকে আবার ইন্টারোগেট শুরু করে। কিন্তু আবরারের মুখ থেকে কোন শব্দ আসে না। নিশ্চল, নিস্তেজ পড়ে থাকা দেহ কোন সাড়া না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আবার আরেক দফা পেটানো শুরু হয়।
রাত দুইটা। সিদ্ধান্ত হয় আবরারকে হল থেকে বের করে পুলিশে দেওয়া হবে। মেহেদী চকবাজার থানা পুলিশকে ফোন দেয়, "হলে একটা শিবির ধরা পড়েছে। এসে নিয়ে যান।" চকবাজার থানা পুলিশ একটা টহল দল পাঠায় শেরে বাংলা হলের গেইটে। কিন্তু দেরী হওয়ায় গেইট থেকে পুলিশকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
রাত আড়াইটা। ইফতি, মুজাহিদ, তাবাখখারুল ও তোহা মিলে নিশ্চল আবরারকে তোশকে করে হলের দোতালার সিঁড়িতে এনে রেখে দেয়। সিঁড়ির লাইটের আলোয় আবরারের খালি গায়ে তখন স্পষ্ট কালো কালো দাগ। সারা শরীরে স্ট্যাম্পের বাড়ির কারণে কালশিটে পড়ে আছে। চোখ বন্ধ। তবে চেহারায় কোন যন্ত্রণার ছাপ নেই। বরং সেখানে প্রশান্তির চিহ্ন। নিষ্ঠুর অমানুষদের এই পৃথিবী ছেড়ে স্রষ্টার সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার প্রশান্তি।
রাত তিনটা। খুনীরা বুয়েটের চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনে। চিকিৎসক আবরারের দেহ পরীক্ষা করে ঘোষণা দেন সে মারা গেছে। তড়িঘড়ি করে ক্রিকেট স্ট্যাম্প, তোষক, বালিশ, আবরারের ল্যাপটপ, চাপাতি হলের ২০১১ নম্বর কক্ষ থেকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ এর কক্ষে নিয়ে রেখে দেওয়া হয়। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রাসেল আবরারের মৃতদেহ হলের নিচে নামানোর পর তড়িঘড়ি করে সেখান থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য বুয়েটের চিকিৎসককে চাপ দেন। খুনীরা সিদ্ধান্ত নেয় আবরারের লাশ গুম করে ফেলা হবে। কিন্তু ততক্ষণে কিছু শিক্ষার্থী দেখে ফেলায় তার নতুন পরিকল্পনা করে। আবরারের লাশের সাথে কিছু মাদক দিয়ে গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার নাটক সাজানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আবরারের সহপাঠীদের দৃঢ়তায় সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
৭ অক্টোবর ২০১৯। ভোরের আলো ফোটার আগেই বুয়েটের শিক্ষার্থীরা উপহার পায় এক সতেজ তাজা লাশ। পাঁচ ঘন্টা অমানুষিক নির্যাতনে মৃত ফর্সা শরীরটার সবখানে শুধু লাল আর কালোর মিশ্রণ। দেশের পক্ষে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস আবরার ফাহাদ রাব্বিকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্ত মহাকাশের পথে।
***
লেখা- মারুফ হাসান,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Want your school to be the top-listed School/college?

Website