যার সামনে তুমি পুরোপুরিভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?
এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।
কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?
বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।
কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।
সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।
ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।
তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?
বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।
সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।
সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?
বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।
অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।
সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?
বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।
সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?
বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।
সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?
বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?
সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?
বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
মহান রব আমাদের দুনিয়ার জীবন ও আখেরাতের জীবনে কল্যান দান করুন। আমীন
কপি
Hm Ayub Ali Ansari
Hi! This is Hm Ayub Ali Ansari ব্যক্তিগত ব্লগে ফলো করার জন্য সকল কে ধন্যবাদ।
মরনের পর তিনটি ভয়াবহ জায়গা রয়েছে। তার তৃতীয় জায়গা হচ্ছে জাহান্নাম। মানুষের উচিত জাহান্নাম হ’তে আল্লাহর নিকট পরিত্রাণ চাওয়া।
عَنَ اَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا اسْتَجَارَ عَبْدٌ مِنَ النَّارِ سَبْعَ مَرَّاتٍ فِىْ يَوْمِ اِلَّا قَالَتِ النَّارُ يَارَبِّ اِنَّ عَبْدَكَ فُلَانًا قَدْ اسْتَجَارَكَ مِنِّى فَأَجِرْهُ وَلَايَسْأَلُ اللهَ عَبْدٌ الْجَنَّةَ فِىْ يَوْمٍ سَبْعَ مَرَّاتٍ اِلَّا قَالَتِ الْجَنَّةُ يَارَبِّ اِنَّ عَبْدَكَ فُلَانًا سَأَلَنِىْ فَاَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ.
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসূল(সা.) বলেছেন, কোন মানুষ সাতবার জাহান্নাম হ’তে পরিত্রাণ চাইলে জাহান্নাম বলে, হে আমার প্রতিপালক! নিশ্চয়ই আপনার ওমক দাস আমার থেকে আপনার নিকট পরিত্রাণ চেয়েছে। আপনি তাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন। আর কোন বান্দা আল্লাহর নিকট সাতবার জান্নাত চাইলে, জান্নাত বলে, হে আমার প্রতিপালক! নিশ্চয়ই আপনার ওমুক বান্দা আমাকে চেয়েছে। আপনি দয়া করে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান (সিলসিলা ছাহীহাহ হা/২৫০৬)।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর( রা:)থেকে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি রাসূল স কে জিজ্ঞেস করল, ইসলামের কোন অভ্যাসটি সর্বাপেক্ষা উত্তম? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বললেন, তুমি অপরকে খাদ্য খাওয়াবে এবং পরিচিত - অপরিচিত সবাইকে সালাম করবে। (বোখারী ও মুসলিম)
ঈমানের স্বাদ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " ذَاقَ طَعْمَ الإِيمَانِ مَنْ رَضِيَ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ
دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا "
.আল-আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব (রাযিঃ) হতে
বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ সেই ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ লাভ করেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলাকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নবী হিসেবে খুশী মনে মেনে নিয়েছে।
সহীহঃ মুসলিম (১/৪৬)
আসসালামু আলাইকুম
রাগ করে বাবার বাড়ি চলে গেছে স্ত্রী। অসহায় স্বামী স্ত্রীর কাছে ফোন দিয়ে অনুনয় বিনয় করছে। এক পর্যায়ে স্ত্রী নরম স্বরে বলছে,,,
স্ত্রী :- আচ্ছা টেবিলে গ্লাস আছে না?
স্বামী :- হুম আছে।
স্ত্রী :- ঐটা হাতে নাও
স্বামী :- নিলাম।
স্ত্রী :- এবার হাত থেকে ফেলে দাও।
স্বামী :- ওকে ফেলে দিলাম।
স্ত্রী :- এবার দেখ গ্লাসটা ভেঙে গেছে। তুমি চাইলেও ঐ টুকরো টুকরো গ্লাসের খণ্ডগুলো আর জোরা লাগাতে পারবে না। লাগাতে পারলেও সেটা আর আগের মতো হবে না। ঠিক তেমনই মন ও বিশ্বাস একবার ভেঙে গেলে সেটা আর জোরা লাগানো যায় না। কোন ভাবে লাগানো গেলেও তা আর আগের মতো হয় না।
স্বামী :- কিন্তু গ্লাসটা তো ভাঙ্গেনি, কারণ সেটা স্টিলের ছিলো....
স্ত্রী :- হায়রে কপাল আমার । তুমি আর শোধরাবে না। বুঝেছি এই পাগলটাকে নিয়েই আমাকে সারা জীবন চলতে হবে।
আমি রেডি হচ্ছি তুমি তাড়াতাড়ি এসে আমাকে নিয়ে যাও
এটাই প্রকৃত ভালোবাসা আর এটাকেই বলে প্রকৃত সম্পর্ক,কিন্তু এটাই বড় অভাব, শয়তান সব সময় স্বামী - স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা বাধিয়ে দেয় এবং সংসার ভেঙে দেয়। আর অন্য মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট করে দেয়।
আল্লাহ তা'য়ালা সবাইকে শয়তানের ধোকা থেকে হেফাজত করুন... আমিন....!
স্বামীর সাথে যখন ঝামেলা চলছিলো, অনেকে বলেছিলো স্বামীর সাথে বনিবনা না হলে ছেড়ে দেও এর চেয়ে কত ভালো ছেলে পাবে কারন তোমার চাকুরী আছে।আমিও ভেবে দেখেছিলাম তাই তো!কিন্তু বাস্তবতা উল্টো যত ভালো জবই থাকুক না কেন?
দ্বিতীয় বার যখন কেউ আপনাকে বিয়ে করতে আসবে হয় সে আপনাকে করুনা করবে না হয় সমাজ পরিবারের কথা চিন্তা করে আপনার রাজি হয়ে যেতে হবে দায়মুক্তির জন্য।
ডিভোর্স পরবর্তী বিয়ে করা এক আপুর সাথে আলাপ হলে বলল ভাই বিয়ের ৩/৪ মাস ভাল গেলেও প্রতিনিয়ত এখন খোটা দেয় আমি ভালো হইলে আমার কেন ডিভোর্স হলো,
আমি খারাপ ইত্যাদি কিন্তু এখন এসব সহ্য করে সংসার করে যেতে হবে।
আগের যে ফ্রীডম ছিল এখন তা নাই
মনের দিক থেকে বড় হয়ে আর থাকতে পারিনা, সব সময় নিজেকে ছোট মনে হয়।
দ্বিতীয় পুরুষের ছোয়ায়
প্রথম স্বামীর অনুভূতি গুলো মনের পরার মত
এত বাজে অভিজ্ঞতা যেন কারো না হয়।
স্বামী স্ত্রীসম্পর্কে ভুল বুঝাবুঝি হলে নিজেরাই মিটিয়ে ফেলুন, তৃতীয় কোন ব্যাক্তির পরামর্শ নিবেন না।
আপত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে ডিভোর্স হলেই হয় বেঁচে যাবো, বাঁচবেন ঠিকই কিন্তু একা হয়ে যাওয়ার যন্ত্রণা আপনাকে শেষ করে দিবে।
সাথে কোথাও চলাফেরা করতে গেলে নিজের হীনমন্যতা আর মানুষের আলগা করুনায় আপনার জীবন তখন আরও অতিষ্ট হয়ে যাবে।
#পরামর্শ একটাই স্বামী স্ত্রীর সর্ম্পকের ভুল বুঝাবুঝি
হলে নিজেদের মধ্যে
সমাধান করুন
আর আপনি শিক্ষিত/ব্যবসায়ী নারী
নিজের আত্মঅহংকারের কথা চিন্তা করে
স্বামীর হুকুমের বাহিরে চলাচল করবেন এমন
মানসিকতার পরিবর্তন করুন।
মনে রাখবেন
আপনি নারী।
আর সে পুরুষ আল্লাহ
পুরুষদের কে পরিবারের কর্তা বানিয়ে পাঠিয়েছেন
আপনাকে না।
লেখিকাঃ আফিয়া সিদ্দিকা আপু
অনুভবে_তুমি🍁
পর্ব_১
আমার কম্পিত হৃদয়ে বার-বার করে ঝড় বইছে। মনে একরাশ চিন্তা এসে গেঁথে গেছে। বাতাসের শব্দটুকুও আজ যেনো বড্ড রহস্যময়ী লাগছে। আকাশের অর্ধবৃত্ত চাঁদটি দেখা যাচ্ছে। উজ্জ্বল চাঁদের আলোতে নূর আবিষ্কার করলো, এই হিম হিম বাতাসেও সে ভীষণ ঘামছে। আর এসবের একমাত্র কারণ আগামীকাল তার বিয়ে। তাও মাদ্রাসার এক প্রিন্সিপালের সাথে। এদিকে নূরের পড়াশোনা জেনারেল লাইন থেকে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইকনমিক্স নিয়ে মাস্টার্স করছে সে। এখনো শেষ হয়নি বটে, লকডাউনে আঁটকে আছে। জব করবে করবে করেও করা হচ্ছে না, ঐ যে মাস্টার্স সার্টিফিকেটের জন্য। সব এলোমেলো ভাবে আঁটকে পড়েছে। এরই মধ্যে আজ শুনতে পাচ্ছে আগামীকাল নাকি তার বিয়ে।মায়ের কাছ থেকে একথা শুনে মাথায় যেনো তার আকাশ ভেঙে পড়েছে। বাবা অনেক রাগী মানুষ সে ভয়ে আর কিছুই বলবার সাহস পেলাম না আমি।এই করোনার কারণে নিজের শখটা অপূর্ণ থেকে গেলো। আর তা হলো চাকরি করা।জেনারেল লাইনে পড়াশোনা হলেও ইসলামের জ্ঞানটুকু আমার মধ্যে সেই ছোটবেলা থেকেই বিদ্যমান ছিলো।কেননা আমার ফ্যামিলি থেকেই আমি এগুলো শিখতে পেরেছি।তাছাড়া আমাদের ইসলাম এতোটাই সম্মানিত একটা ধর্ম কোরআন ও হাদিসের কোনো স্থানে নারীর কাজকর্মের ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ আরোপিত হয়নি। শুধু দু'টি বিষয়ের প্রতি সঙ্গত কারণে নির্দেশ দিয়েছে। শর্ত দু'টি হলো, প্রথমত।,ব্যবসা হতে হবে হালাল পদ্ধতিতে ও শরীয়ত নির্ধারিত সীমারেখার মধ্যে। দ্বিতীয়ত, পর্দা রক্ষা করতে হবে। তাছাড়া ইসলাম নারীদের সৌন্দর্য প্রদর্শনকারী কোনো পেশায় নিয়োজিত হতেও নিষেধ করেছে।শর্ত দুটিতে আমার মনোবল ছিলো অত্যন্ত প্রখর। সেই সুবাদে আমার তেমন সমস্যা ছিলো না। কারণ আমি সবসময় পর্দা করি।আগামীকাল আমার বিয়ে সে নিয়ে আমি তেমন ভাবছি না। ভাবছি তাকে নিয়ে যিনি আমার জীবনে আসতে চলছেন। তিনি আমায় না দেখেই বিয়ে করতে রাজি হয়েছেন।পরবর্তীতে যদি কোনো সমস্যায় পড়তে হয়! সে নিয়েই ভাবছি ভীষণ।কেননা আমি খুব একটা আহামরি সুন্দরী নয়। শ্যামবর্ণ বললেই চলে।আজকালকার ছেলেদের চোখের মায়াবতী, রূপবতী কিছুর মধ্যে পড়ি না বললেই চলে।সে নিয়ে আমার কোনো আপসোস নেই। কেননা আল্লাহর কাছে আমাকে যেভাবে ভালো লেগেছে ওভাবেই গড়েছেন তিনি। এ নিয়ে মন খারাপের তো কিছু নেই।কিন্তু সে মানুষটা যদি পরবর্তীতে এ নিয়ে ঝামেলা পাকায়। পরে তো আমার মা বাবাকেই সব ঝামেলা পোহাতে হবে।
ফুলের সাজানো রুমে বসে আছি আমি।
শাশুড়ীঃমা যাওতো নাস্তার জন্য রুটি বানাইয়া নিয়া আসো!
বউঃআচ্ছা আম্মা,
(বউ মনে মনে ভাবলো ঃ🤔কিন্তু আমিতো রুটি বানাতে পারিনা এবার কি হবে 🙄😞)
সামীঃকিহলো বউ সকাল সকাল কই জাও?
স্ত্রীঃমা রুটি বানাতে বললো (কথাটা বলতেই কেমন যানি কান্না করে দিলো বউটা)
সামীঃএই তুমি কান্না করছো কেনো হঠাৎ করেই কি হইছে,, আমায় বলো?
স্ত্রীঃজানো আমিনা রুটি বানাতে পারিনা 🥺কিন্তু আমারতো অনেক ইচ্ছা শুশুড় শাশুড়ীর সেবা যত্ন করার, এখন বিয়ে হলোই কয়েকদিন এর মাঝেই জদি তাদের জন্য রুটি বানাইয়া দিতে না পারি, কেমন হবে 😭
সামীঃঅহ এই ব্যাপার আরে পাগলী চিন্তা করোনা আমি বানাইতে সাহায্য করমু কেমন☹️
স্ত্রীঃকি বলেন আপনি পারেন🥰,কিন্তু মা দেখলে ভাববে আপনি বউয়ের গোলাম, বা আমি আপনাকে দিয়ে এখনি কাজ করানো শুরু করছি না থাক আমিই পারমু বানাইতে 🥺
সামীঃআরে পাগলী তুমি আচ্ছাছে পাহাড়া দাও.। দেখো খালী কেমনে বানাই আমি ☺️
স্ত্রীঃআচ্ছা 🥰🥰
রুটি বানানোর পর
স্ত্রীঃএকি তুমিতো রুটিগুলো পুরে ফেলছো এর থেকেতো আমিই ভালো পারতাম, এবার তো আরো বেশি ঝামেলা হবে দেখছি🥺
সামীঃকি করবো তুমার কান্না আমার সয্য হচ্ছিলো না, তাই ভাবলাম একটু সাহায্য করি 😔
স্ত্রীঃচুপ একদম চুপ,আইছে ন্যাকামি করতে, পারার নামে খবর নাই বোকা সামী, , এবার কি হবে, মাতো রেগে জাবেন মনেহয় 😔
সামীঃআচ্ছা আমি সেটা দেখবো, তুমি মন খারাপ করে থেকেনা তবুও ☺️
স্ত্রীঃতুমার দেখতে হবেনা, যা বলার আমিই বলমু পাগলা।
মাঃ😃😃বউমা রুটিটা আসুলে কে বানাইছে বলোতো?
স্ত্রীঃকেন মা আমি বানাইছি। সরি মা ভালো হয়নাই 💔
মাঃবউমা আমার ছেলে যে পাগলামী করে আমি যানি। নিশ্চয়ই ভালোবাসা দেখাইতে যাইয়া এমন করে ফেলছে 😃আমাকেও সাহায্য করতে এমন করে ছেলেটা।
স্ত্রীঃনা মানে ইয়ে ☺️☺️
মাঃশুনো বউমা আমার ছেলেকে কস্ট দিয়ো না যদিও পাগলামী বেশি করে কিন্তু ও তুমারে অনেক হাসি খুশি,এবং ভালোবাসবে বুঝলা ❤️
স্ত্রীঃআলহামদুলিল্লাহ আমার শুশুর বাড়ির সবাই অনেক ভালো এবং শাশুড়ী সেতো এক অন্যরকম মা ❤️
সামীঃদেখতে হবেতো কার মা, 🥰
স্ত্রীঃহ বোকা সামী পারেনা তাও বলে, এয়ামি সাহায্য করমু 🌹
সামীঃহ করমুই তো আপনি মন খারাপ করলে আমার কেমন কেমন লাগে,
স্ত্রীঃতাই এতো ভালোবাসেন আমায়, এভাবেই ভালোবাসবেন তো সারাজীবন।
সামীঃহ্যা শুধু তাই না ভালোবাসতে বাসতে, দুজুনে মিলে একসাথে নেক আমল করতে করতে জান্নাত পর্যন্ত চলে যাবো।
স্ত্রীঃঝি ইনশাআল্লাহ
প্রিয়ো বোন
ডিভোর্সি মেয়েকে বিয়ে করা কোন পাপ নয়-ঃ -ঃ এমন কাউকে বিয়ে করা অনেক ভাগ্যের ব্যাপার।আমি করতে পারলে নিজেকে অনেক ভগ্যবান মন করবো-ঃ -ঃ!!
এদের কেউ ভালোবসতে বা বিয়ে করতে চায় না কেন জানেন-ঃ -ঃ -ঃ??কেননা-ঃ ডিভোর্স-ঃ হওয়া মেয়েদেরকে আমরা এবং আমাদের সমাজ এ সবাই "এক দৃষ্টি-ভঙ্গী" তে দেখি-ঃ -ঃ -ঃ -ঃ আর বলি যে সে কুলক্ষী-ঃ কিন্তু তাকে কি বিয়ে করা যাবেনা-ঃ -ঃ??
সে কি সংসার জীবনটা বুঝে না-ঃ -ঃ-ঃ -ঃ??? তার ছেলে বা মেয়ে আছে বলে তাকে বিয়ে করা যাবে না -ঃ??
আরে ভাই হউক সন্তান অন্য কারো উপায়ে হইছে তাই বলে কি সে বাবা শব্দটা উচ্চারণ করতে পারবে না-ঃ -ঃ??
মেয়েটি কি আর স্বামীর ভালোবাসা পাবে না-ঃ -??
★সবার তো সে একটাই কথা:--ঃ -ঃ -ঃ
"মেয়েটা কুমারী নয়"!!
আজিব কথা কুমারী হওয়াটাকি খুব প্রয়োজন-ঃ?
সে কি আপনাকে অন্য মেয়ের মত সুখে রাখতে পারবে না-ঃ -ঃ??
যারা কষ্ট পায় আমার মনে হয় তাদের মত সুখে আপনাকে কেউ রাখতে পারবে না-ঃ -ঃ -ঃ!!
তারা অভিশাপ নয়-ঃ ঃ- তাদের ও আমাদের মত ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছে আছে-ঃ ঃ- আমাদের প্রয়োজন কুমারীত্ব না খুজে ভালোবাসা খুঁজা-ঃ ।বাবা হওয়ার আগে বাবা ডাক শুনা খারাপ কিছু না এর মত ভাগ্য সবার হয় না-ঃ -ঃ!!
★বেশির ভাগ মেয়ের ডিভোর্স ' হয় কেন জানেন?
বিয়ে হওয়ার পর বিভিন কারণে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা মেয়েটিকে পছন্দ করে না-ঃ ছেলে বাচ্চার জন্য চাপ দেয়-ঃ বাড়ী থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেয়-ঃ ঠিক এরপর থেকে ''মেয়েটা একটু এমন" "একটু তেমন" "এইটা করে" "ওইটা করে'' হ্যান-ত্যান নানা রকম বাক্যে "মেয়েটাকে বিশ্লেষণ" করা হয় প্রতিনিয়িত-ঃ -ঃআর সমাজের কাছে সত্যি খারাপ হয়ে যায়-ঃ -ঃ -ঃ
★"ডিভোর্স '' দিয়ে ছেলেটা আরেকটা বিয়ে করে নিলো-ঃঃ- আর মেয়েটা হয়ে গেলো খারাপ-ঃ
কেননা সবাই বলে হয়ত মেয়েটা ভালো ছিল না তাই হয়ত ছেলেটা বিয়ে করছে-ঃ ঃ- কিন্তু এটা জানার চেষ্টা করে না যে হয়ত পরিবারের ইচ্ছাগুলো মানতে গিয়ে মেয়েটার এই উপাধি পেতে হল-ঃ ঃ-
★"সদ্য বিধবা মেয়েটার স্বামী মারা" গেছে-ঃ আর "মেয়েটা হয়ে গেলো খারাপ-ঃ!! ঃ- কেননা মেয়েটা হয়ত কুলক্ষী ছিল তাই স্বামী মারা গেছে।কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে বাচা মরা সব আল্লাহর হাতে-ঃ ঃ- এতে কারো হাত নেয়-ঃ।তাহলে সে কুলক্ষী হয় কেমনে-ঃ ঃ-??
★এই কাজগুলো কি সে নিজ থেকে করছে-ঃ??
এক হাতে তালি বাজে না-ঃ সে হয়ত এমন কষ্টে ছিল যে তার এ
26/12/2021
স্ত্রীকে ভালো রাখার মানেই ভালো খাবার আর বাসস্থান নয়।তার আত্মিক শান্তিটা খুবই জরুরী।সবাই বিলাসিতায় সুখী হয়না।একজন স্বামী মানে যার হাত ধরে তার স্ত্রী সব ছেড়ে আজীবন কাটিয়ে দিবে, যার ফলে তার সর্বগুণ থাকা প্রয়োজন।অথচ সমাজ স্ত্রীর পেছনে লেগে থাকে তাকে জ্যাজ করতে।
আপনি জানেননা আপনার স্ত্রীর ত্যাগের গল্প,আপনার চোখে সে সর্বসুখী।এরকম হলে সমস্যা আপনার চোখের,সাথে অন্তরেরও।আপনি আসলে তাকে উপলব্ধি করতে পারেননা।একটা স্বামী শুধু জীবন সঙ্গীই নয়,বরং বাবা মায়ের স্নেহেরও অংশীদার, স্ত্রীর উত্তম বন্ধু। অথচ আপনার মধ্যে ইগো কাজ করে।
স্ত্রীর উপদেশ যদি শুনতে শরীর জ্বলে তাহলে বুঝে নিন শয়তান আপনাকে অহংকারে কাবু করে ফেলেছে।
স্ত্রীর প্রতি যেমন স্বামীর কর্তৃত্ব রয়েছে তদ্রুপ স্বামীর প্রতিও স্ত্রীর পূর্ণ হক্ব রয়েছে।সংসার জীবনে কলহ আসবেই কিন্তু সেই কলহে জবান দিয়ে যেন এমন কিছু বের যেন নাহয় যেটা সাংসারিক জীবটায় বিষাদ করে দেয়।জীবন কেটে যাবে কিন্তু জবানের কষ্টের ঘাঁ কোনো মলমেই শুকাবে না।
স্ত্রী অনুভুতি গুলো তার হয়ে ভাবলে বুঝতেন তাকে।বিশ্বাস করুন জগতের সব নারীই ভালোবাসা,আদর ও আহ্লাদের কাঙাল।এসব দিয়েই প্রতিটি নারীকে সহজেই কাবু করা যায়।
আপনি একটু ভাবুন,স্ত্রীর পরিবার থেকে কেউ আপনার বিরুদ্ধে কিছু বললে আপনি মারাত্মক চটে যাবেন।হয়তো কোনোদিন শ্বশুর বাড়ি পা রাখবেননা।অথচ প্রতিনিয়ত আপনার স্ত্রীর সাথে এটায় হয়ে চলে।যেখানে আপনিই পারেননা ফ্যামিলি ছাড়া কাউকে আপন করতে সেখানে তার ওপর কিভাবে চাপিয়ে দেন?
মেয়ে বলে?মেয়ে বলে কি মানুষ না?আপনিও যেই মায়ের সন্তান সেও মায়েরই সন্তান বরং বাবার রাজকুমারিও।আচ্ছা কোন আইনে লেখা একটা মেয়েকে এসব সহ্য করতেই হবে?না রাষ্ট্রীয় আইন আর না ইসলামিক শরিয়াহ্।শরিয়তের দৃষ্টিতে নারীরা এহসান করে।না করলে বাধ্য নয়।স্ত্রীকে সম্মান দিতে শিখুন।কেননা আল্লাহ্ র কাছে ঐ ব্যক্তিই উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম।আমার কথা না হাদিসের কথা।
একজন স্বামীকে খুব বেশিই সাপোর্টিভ হতে হয়।উত্তম জীবনসঙ্গী না পেলে জীবনটা এতো বেশি তিক্ত হয়!!!
এটাও ঠিক সবার নসীবে সব জোটেনা।থাকনা অপূর্ণ, চলুক এভাবেই!!
এইতো কয়টা দিন,মৃত্যু আসলেই তো সব শেষ
দুনিয়ায় কস্টের বিনিময়ে আমার আল্লাহর কাছে সুখ চেয়ে নেবো পরকালে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Telephone
Website
Address
Chittagong
AYUBALI