09/03/2025
যমজ দুই ভাই মাশাল্লাহ।
আল্লাহ্ তাদেরকে তৌফিক দিক আরো অটল থেকে এই কাজ করার জন্য।
বনশ্রীর সেই আলোচিত স্বর্ণ লুটের ঘটনায় যারা জড়িত! কিছুদিন পূর্বে বনশ্রীর এই ঘটনাটি সারাদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
08/03/2025
দক্ষিণী অভিনেতা থালাপতি বিজয়। প্রথম ছবিতে দুয়া করতে। দ্বিতীয় ছবিতে কুরআন পড়তে। আর তৃতীয় ছবিতে মুসলমানদের সাথে নামাজ পড়তে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় এই অভিনেতাকে। এই ছবিগুলো (ভিডিউ'ও আছে) অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে অনেকেই অনেক কিছু ভাবছেন। বলছেন। আসুন হাকীকত জানার চেষ্টা করি।
কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রতিবেদন দেখলাম।
'Thalapathy Vijay in Iftar Party' এই শিরোনামে। প্রশ্ন আসবেই এখন। তবে কি তিনি মুসলিম হয়েছেন? নইলে ইফতার পার্টিতে যাবেন কেন?
'বাংলা টুডে' নামক অনলাইন নিউজ পোর্টালের আরো একটি প্রতিবেদন দেখলাম। শিরোনামটা ছিল এমন...
'মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে রমজানে থালাপথি বিজয়ের ইফতার পার্টি ! রাজনীতি নাকি চলচ্চিত্র?'
এবার আসুন, দুটো পয়েন্ট সামনে রেখে মূল পয়েন্টে আগানো যাক।
১.
বিজয়ের ফিল্ম দেখেছে এমন লোকেদের দাবি। এই অভিনেতার একাধিক মুভি এমন আছে যেখানে সে মুসল- মানদেরকে উ'গ্রবাদী/আ'তং'ক'বা'দী হিসেবে উপস্থাপন করেছে। জি'হা'দকে জ'ঙ্গি'বা'দ বলে অভিনয়ে কাজ করেছে সে। ধর্মীয় মুসলমানরা জ'ঙ্গি। আর পাকিস্তানকে একটি স'ন্ত্রা'সী রাষ্ট্র বলে কটাক্ষও করেছে অনেক মুভিতে। ফিল্মে তার এমন কাজ অসংখ্য। ২০২২ সালেও তার একটা মুভি কুয়েত'সহ বেশ কয়েকটি দেশে নিষিদ্ধ করা হয় এই এক কারণে। মি'থ্যা দাবি ও ক'ট্ট'র হি'ন্দু'ত্ব'বাদের জায়গা থেকে ইসলামকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু বানানো ভারতীয় ফিল্মে কমন ব্যাপার। এসব আমরাও জানি। বিজয় সেসবের বিরাট অংশীদার। তাহলে ফিল্মে এতোটা সাধু সাজার সুযোগ নেই। চলচ্চিত্রের কথা বাদ দিলে অপশন এখন একটাই।
২. রাজনীতি। হ্যাঁ রাজনীতি।
[গতকাল ৭ মার্চ, ২০২৫ সাল। চেন্নাইয়ের রোয়াপেট্টাহ এলাকায় YMCA মাঠে এক বিশাল ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিলেন সুপারস্টার অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ থালাপথি বিজয়। রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করে মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন তিনি। এই ইফতার অনুষ্ঠানে প্রায় ৩,০০০ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে বিজয় নিজেও রোজা রাখা এবং নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ইসলামিক রীতি অনুসরণ করেছেন।' ভারতীয় একাধিক পত্রিকা এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।] 'বাংলা টুডে'র প্রতিবেদন থেকে।
আসল ঘটনা:
রাজনৈতিক নতুন দলের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে (তামিলাগা ভেত্ত্রি কাজাগাম-TVK) এর উদ্যোগে বিজয় নিজেই ধর্মব্যবসা করার জন্য এই ইফতার পার্টি করেছিলেন। ৩০০০ মুসলমান মানুষকে খাওয়ালেন। আগামী নির্বাচনে ভোট নিতে একটু সাধু সাজলেন। এই আরকি।
কী নিখুঁতভাবে দুয়া,দরুদ,নামাজ ও কুরআন পড়ার অভিনয় করল লোকটা ভাবা যায়? এদিকে আপনারা তাঁর ইসলাম গ্রহণ করা নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলে ফেইসবুকে পোস্ট করতেছেন। মুসলিমদের ভোট নিতে এমন সব অভিনয় বাস্তব জীবনেও করা যায় সেটা এই অভিনেতা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন। ধিক্কার জানাই মুসলিমদের আবেগ নিয়ে খেলা করার জন্য।
- সাইফুল ইসলাম
08/03/2025
লাস্ট আপডেট -
মাগুরার ৮ বছরের শিশু মেয়েটার অক্সিজেন লেভেল একদম লো, বাঁচার সম্ভাবনা ২-৩% বলতে গেলে একদমই নেই। সবশেষে এখন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। বাঁচার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ , ডাক্তাররাও আশা ছেড়ে দিয়েছে। সবাই দোয়ায় করুন বাচ্চাটার জন্যে।
আমার সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে তার বড় বোনটির জন্য। অভাব ও দরিদ্রতার কারণে যাকে চৌদ্দ বছর বয়সে বউ হতে হয়েছে এক লম্পট সংসারে। যে মেয়ের বাবা মানসিক ভারসাম্যহীন। স্বামী হওয়ার কথা ছিল সবচেয়ে ভরসার জায়গা কিন্তু সে-ও আরেক দুশ্চরিত্র। বড় বোনকে `পাহারা` দিতে এসেছিল ছোট্ট বোনটি, অথচ তাকেও রক্ষা করা গেল না! মেয়েটির সবকিছু মুহূর্তেই ভেসে গেল, অথচ তার সবকিছু থাকার কথা ছিল!
চৌদ্দ বছর বয়সটা বড় কষ্টের। অনেক কিছু বোঝার মতো বয়স হয় কিন্তু কিছু করার মতো সামর্থ্য থাকে না। মা-বাবার অসহায়ত্ব চেয়ে চেয়ে দেখা লাগে। অনেক রাত, অনেক সকাল, অনেক বিষণ্ণ সন্ধ্যার চোখের পানি জমা হয় অদেখা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে। তবে কারও কারও আবার সেই ভবিষ্যৎটুকুও কখনো দেখতে পাওয়া যায় না!
08/03/2025
দেশের ধর্ষন বিরোধী শারিয়া আইন কার্যকরের দাবীতে আমাদের সম্মিলিতভাবে মাঠে নামা উচিৎ! সিস্টেম কি পারবে, কি পারবে না আমরা তা খুব ভালভাবেই জানি
এবং বুঝি! আমাদের সক্রিয় ভুমিকা অন্তত এক একটা
করে "হুজ্জাত" জাতির সামনে স্পষ্ট করবে।
ইনশাআল্লাহ।
আমাদের সবার ঘরেই মা, বোন, স্ত্রী ও কন্যা আছে!
বিষয়গুলো ইতিমধ্যেই হাতের বাহিরে চলে গেছে! যদি এখনো আল্লাহর আইনের আওতায় জাহালাতগুলোর লাগাম টেনে না ধরা হয়, তবে আল্লাহ না করুন সমস্যা যে কাল আমাদের দরজায় দাঁড়াবে না তারই বা কি নিশ্চয়তা আছে?
Taw Haa Zin Nurain Islamic Cente
08/03/2025
কথা ছিলো একসাথে লীগের বিরুদ্ধে লড়বো, বাম ও শাহাবগীদের হেজেমনি ভাঙতে এটলিস্ট কমন গ্রাউন্ডগুলোতে আমরা একমত হবো৷
অথচ অবাক বিস্ময়ে দেখলাম, তারা লীগ ও বামের চেয়ে আমাদের বড় শত্রু মনে করে। ওদের নয় - আমাদের ধ্বংস চায়, নানা ট্যাগ দিয়ে বানাতে চায় না-মানুষ।
মনে রেখো, প্রপাগান্ডা দিয়ে আদর্শকে দমানো যায় না। সত্য মাথা তুলবেই উদীয়মান সূর্যের মতো৷