Learn ICT with Sayem

Learn ICT with Sayem

Share

সহজে ICT শেখার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস...

18/09/2022

বাংলা ২য় পত্র সমাধান
চট্রগ্রাম বোর্ড

১। "দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধ কর।
এটি কোন ধরনের বাক্য?

(ক) বিবৃতিমূলক

(খ) বিস্ময়সূচক

* আদেশসূচক

(ঘ) ইচ্ছাসূচক

২। নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ কোনটি?

(ক) গায়ক

(খ) নাবিক

(গ) ণিজন্ত

★ গবাক্ষ

৩। বাক্যের অর্থ-সঙ্গতি রক্ষার জন্য কোন পদের পরিবর্তন

করতে হয়?

★ সর্বনাম

(খ) অব্যয়

(গ) বিশেষ্য

(ঘ) বিশেষণ

৪। পৌনঃপুনিকতা বুঝাতে দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার কোনটি?

(ক) ঝির ঝির বাতাস বইছে

* বার বার সে কামান গর্জে উঠল

(গ) ভয়ে গা ছমছম করছে

(ঘ) গরম গরম জিলাপি

৫। সুতি কাপড় অনেক দিন টিকে।'-এ বাক্যটি কিসের

উদাহরণ?

(ক) কর্তৃবাচ্যের

(খ) কর্মবাচ্য

*কর্মকর্তৃবাচ্য

(ঘ) ভাববাচ্য

৬। তারিখ বাচক শব্দের প্রথম চারটি কোন নিয়মে সাধিত?

* হিন্দি

(খ) বাংলা

(গ) আরবি

(ঘ) ফারসি

৭। 'পার্থক্য' বোঝাতে নিচের কোন বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।

?

(ক) অকুল পাথার

(খ) আট কপালপ

(গ) কপাল ফেরা

★ ইতর বিশেষ

৮। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি কোনটি?

(ক) লালন-পালন

★ ঝমঝম

(গ) লেন-দেন

(ঘ) ধামা ধামা

৯। উপজীবিকা অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় কোনটি?

(ক) চাষি

(খ) দোকানি

★ জেলে

(ঘ) দেমাকে

১০। তিলে তৈল আছে বাক্যে 'তিলে' কোন কারকে কোন

বিভক্তি?

(ক) কর্তৃকারকে ৭মী

(খ) কর্মে ৭মী

(গ) অপাদানে ৭মী

★ অধিকরণে ৭মী
১১। 'দোলনা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?

(ক) দোল্ + না

★ দুল + অনা

(গ) দোল + অনা

(ঘ) দুল + না

১২। উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?

★ অরুণরাঙা

(খ) চন্দ্ৰমুখ

(গ) মনমাঝি

(ঘ) ক্রোধানল

১৩। যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে কোন ধ্বনি বলে?

(ক) অল্পপ্রাণ

★ মহাপ্রাণ

(গ) ঘোষ

(ঘ) অঘোষ

১৪। 'বাঘে মহিষে এক ঘাটে জল খায়।'- এখানে বাঘে

মহিষে কোন কর্তা?

(ক) মুখ্যকর্তা

(খ) প্রযোজ্য কর্তা

★ ব্যতিহার কর্তা

(ঘ) প্রযোজক কর্তা

১৫। 'মরি মরি। কী সুন্দর প্রভাতের রূপ।'—এখানে অনশ্বয়ী (

অব্যয়ে কী প্রকাশ পেয়েছে?

(ক) স্বীকৃতি

(খ) সমর্থন

(গ) সম্মতি

★ উচ্ছ্বাস

১৬। যোগরুঢ় শব্দ কোনটি?

(ক) সন্দেশ

(খ) বাবুয়ানা

(গ) কর্তব্য

★ পঙ্কজ

১৭। গঠন অনুসারে শব্দকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

* দুই

(খ) তিন

(গ) চার

(ঘ) পাঁচ

১৮। বাংলা বর্ণমালায় মোট কতটি সরল বা অসংযুক্ত বর্ণ

আছে?

(ক) ১১ টি

(খ) ৩৯ টি

(গ) ৪৯ টি

★ ৫০টি

১৯। 'বেলে মাটি' কোন ধরনের নাম বিশেষণের উদাহরণ?

(ক) রূপবাচক

(খ) গুণবাচক

★ উপাদান বাচক

(ঘ) অবস্থা বাচক

২০। পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে কী বলে?

(ক) বিপ্রকর্ষ

* অপিনিহিতি

(গ) স্বরাগম

(ঘ) অভিশ্রুতি

২১। মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন- কো কোন ক্রিয়া রয়েছে?

(ক) যৌগিক ক্রিয়া

★ প্রযোজক ক্রিয়া

(গ) মিশ্র ক্রিয়া

(ঘ) নাম ধাতুর ক্রিয়া

২২। টপ + টপ > টপাটপ - এটি ধ্বনির কোন ধরনের

পরিবর্তন?

(ক) অপিনিহিতি

(খ) বিষমীভবন

★ সমীভবন

(ঘ) অসমীকরণ

২৩। ‘শীতার্ত' শব্দটির সঠিক সহিবিচ্ছেদ কোনটি?

★ শীত + ঋত

(খ) শীত + আর্ত

(গ) শিত + ঋত

(ঘ) শিত + আর্ত

২৪। 'সূর্য' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি?

(ক) নিশাকর

(খ)

* দিবাকর

(ঘ) বিধু

২৫। বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে কোন পদাশ্রিত

নির্দেশক ব্যবহৃত হয়?

★ পাটি

(খ) খানি

(গ) টুকু

(ঘ) টো

২৬। ভাষার বিচারে বাক্যের কয়টি গুণ থাকা চাই?
(ক) দুই

* তিন

(গ) চার

(ঘ) পাঁচ

২৭। নীল যে পদ্ম = নীলপদা কোন সমাস?

(ক) দ্বন্দু

(খ) দ্বিগু

(গ) বহুব্রীহি

★ কর্মধারয়

২৮। 'সীমার মাঝে অসীম তুমি।' এখানে 'মাঝে' অনুসর্গ কী অর্থ প্রকাশ করেছে?

(ক) একদেশিক

(খ) ক্ষণকাল

★ মধ্যে

(ঘ) ব্যাপ্তি

২৯। ফারসি উপসর্গ কোনটি?

★ নিম

(খ) প্রতি

(গ) খাস

(ঘ) ইতি

৩০। ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি তাকে এক কথায় কী

বলে?

(ক) অবিমৃষ্যকারী

(খ) অবিসংবাদিত

* ইতিহাসবেত্তা

(ঘ) ঐতিহাসিক

18/09/2022

বাংলা ১ম পত্র সমাধান।
চট্রগ্রাম বোর্ড
১। "আম আঁটির ভেঁপু" গল্পটি শিশু কিশোরদের মনে কিসের

অনুপ্রেরণা যোগায় ?

(ক) আনন্দিত জীবনের

(খ) বিস্ময় ও কৌতূহলের

(গ) প্রকৃতিমুখী হওয়ার ★ চিরায়ত শৈশবের

২। 'নিমগাছ' গল্পটি 'নিমগাছ' প্রতীকের সূত্রে লেখক যে বিষয় প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন—

i. নারীর মানারক মর্যাদা

ii. নারীর পারিবারিক ও সামাজিক গুরুত্ব উপলব্ধি

iii. নারীর অপরিসীম আত্মত্যাগ নিচের কোনটি সঠিক?

★ i ও i

(খ) i ও iii

(গ) iii

(ঘ) i, ii ও iii

শোন মা আমার লাটাই কিন্তু রাখিও যতন করে”— ছেলের কথায় ফুটে উঠেছে—

(ক) আদর

★ আবদার

(গ) দাবি

(ঘ) ফরিয়াদ

৪। ‘মমতাদি' গল্পে কোন বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে?

(ক) মমতাদির কাজের ক্ষিপ্রতা ও দক্ষতা

(খ) মমতাদির অসহায়ত্ব ও আত্মমর্যাদাবোধ

* গৃহকর্মে নিয়োজিত মানষের প্রতি মানবিক আচরণ
(ঘ) মমতাদির প্রতি সম্মান ও সহমর্মিতা নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং ৫ ও ৬ নং প্রশ্নের উত্তর দাও

যখন হানাদার বধ সংগীতে

ঘৃণার প্রবল মন্ত্রে জাগ্রত

স্বদেশের তরুণ হাতে

নিত্য বেজেছে অবিরাম মেশিন গান, মর্টার গ্রেনেড

৫। উদ্দীপকের 'তরুণ' "তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে

স্বাধীনতা" কবিতায় করে প্রতিরূপ? (ক) মোল্লাবাড়ির বিধবা

(খ) মতলব মিয়া

(গ) হরিদাসী

★ হাড্ডিসার অনাথ কিশোরী

৬। উদ্দীপকের চেতনা তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে

স্বাধীনতা" কবিতার সাথে যে দিক থেকে মিল রয়েছে

(ক) পাকিস্তানি বাহিনীর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংস যজ্ঞ (খ)

নারকীয় হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ

(গ) সংযামী বাঙালির অপরিসীম আত্মত্যাগ

★ স্বাধীনতার জন্য বাঙালির প্রতিরোধ ও আত্মত্যাগের

শাশ্বত চিত্র

৭। কুন্তির দুচোখে ঝিলিক কেন?

* অনেক নিন পর বুধার সাথে দেখা হওয়ায়

(খ) বুধার জন্য কিছু করতে পারার

(গ) বুধার বাবা-মার কবরে ফুলগাছ লাগাতে পারা (ঘ) বুধার যুদ্ধে যাবার কথা শোনায়

৮। বাঙালির অমর অজরপ্রিয় শব্দ কোনটি?

(ক) মুক্তির সংগ্রাম

★ জয়বাংলা
(গ) বজ্রকণ্ঠ বাণী (ঘ) স্বাধীনতা

৯। ‘ধী' শব্দের অর্থ কী?

(ক) ধারী

(খ)

* বুদ্ধি

(ঘ) শক্তিধারী

১০। ‘বহিপীর' নাটকে প্রধান চরিত্র নয় কোনটি?

★ খোদেজা

(খ) হাশেম আলি

(গ) হাতেম আলি

(ঘ) বহিপীর

১১। "সে বড়ো খুশি বাৎ হবে হুজুর”

লেখককে আবদুর রহমান এ কথা বলেছিল কেন?

(ক) কাবুলের হাওয়া লেখকের পছন্দ

হয়েছি (খ) সাহেব রাত্রে বাড়িতেই খাবেন।

(গ) লেখকের খাবার পছন্দ হয়েছিল

★ লেখক শীতকালটা পানশিরে কাটাবেন
১২। বাঙালি পাঠক-সমাজকে লেখায় মগ্নযুদ্ধ করে

করেন

(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

(খ) বঙ্কিম চন্দ্ৰ চট্টোপাধ্যায়

★ শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

(ঘ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

১৩। বুধার কয় ভাই-বোন কলেরায় মারা যায়?

★ চার

(খ) পাঁচ (গ) তিন

(ঘ) দুই

১৪। “মুহম্মদ, মৃত্যু তোমারও ভাগ্য তাহাদেরও ভাগ্য"

কার মনে পড়ল?

(ক) আয়েশা (রা.) এঁর (খ) আবু বকর (রা.) এঁর

* উমর (রা.) এঁর

(ঘ) খালিন এঁর

১৫। 'সেই সিন এই মাঠ' কবিতার কবি বিস্ময়কর নিপুণতায় কোন বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন?

(ক) গভীর জীবনবোধ ও জীবন তৃষ্ণ

(খ) মানবসৃষ্ট সভ্যতার ক্ষয়িষ্ণু দিক * প্রকৃতির চিরকালীন সৌন্দর্য

(ঘ) মানুষের মৃত্যুর স্বাভাবিকতা

১৬। “সুসার" শব্দের প্রকৃত অর্থ কোনটি?

(ক) অভিভূত

★ সচ্ছলতা

(গ) যা বিকাশ ঘটায়

(ঘ) গোছানোভাব
১৭। 'বঙ্গবাণী' কবিতায় কৰি আবদুল হাকিম তীব্র ক্ষোভে যে বলিষ্ঠ বাণী উচ্চারণ করেছেন তা হল * নিজ দেশ তেয়াগী

কেন বিদেশ ন যায়

(খ) সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি

(গ) হিন্দুর অক্ষর হিংসে সে সবের গণ

(ঘ) যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী

১৮। 'সুভা' গল্পে 'চির নিস্তব্ধ হৃদয় উপকূল' বলতে কী

বোঝানো হয়েছে? (ক) শান্ত হৃদয়

★ কূলের সদৃশ্য

(গ) হৃদয়ের কিনার

(ঘ) হৃদয়ের মহত্ত

১৯। হরিহরের বাড়িটা অনেক দিন মেরামত হয় নাই, ফলে

i. সামনের দিকের রোয়াক ভাঙ্গা

ii. ঘরের দোর-জানালার কপাট সব ভাঙ্গা

iii. জানালার কপাট নারিকেলের দড়ি দিয়ে গরাদের সঙ্গে

বাঁধা আছে

নিচের কোনটি সঠিক? (ক) i ও ii

(খ) i ও iii

(গ) ii ও iii

★ i, ii ও iii

নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং ২০ ও ২১ নং প্রশ্নের উত্তর

দাও:

"অমর্ত্য সেন নোবেল পুরস্কার লাভ করে তার প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন। হাজারো কর্ম-ব্যস্ততার মধ্যেও
তিনি ছুটে যান শৈশবের স্মৃতি-বিজড়িত বিদ্যাপীঠে, প্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তাঁর দীক্ষা গুরুদের। যাদের কাছে তিনি হাতে খড়ি নিয়েছিলেন।

২০। উদ্দীপকে অমর্ত্য সেন ও মাইকেল মধুসুদন দত্তের

মধ্যে সাদৃশ্য কিসে?

* স্মৃতি কাতরতায়

(খ) স্বজাত্যবোধে

(গ) দেশপ্রেমে

(ঘ) মহানুভবতায়?

২১। উক্ত নিকটি বিশেষভাবে প্রকাশিত হয়েছে যে চরণে—

(ক) কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে

* সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে!

(গ) মুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে। (ঘ) লইছে যে তব নাম বঙ্গের সংগীতে।

২২। “না বলিয়া উপায় কী, কিন্তু ইহা প্রলাপ বকার মতো"

বহিপীর কোন প্রসঙ্গে উক্তিটি করেছেন? (ক) তাহেরাকে জোর করে রাজি করাতে না পেরে

(খ) 'পুলিশ ডাকার ব্যাপারে হকিকুল্লাহর প্রত্যুত্তর শুনে (গ) হাতেম আলি টাকা নিতে অস্বীকৃত হওয়ায়

(ঘ) হাশেম আলির আচরণ লক্ষ করে

২৩। বাংলা ভাষার ছোটাগল্পের অনুপ্রেরণা এসেছে কোন

সাহিত্য থেকে?

* পাশ্চাত্য সাহিত্য (খ) নাট্য সাহিত্য

(গ) মধ্যযুগীয় সাহিত্য

(ঘ) গ্রিক সাহিত্য
২৪। “চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ কাঁঠফাটা রোধ সেঁকে চামড়া"

উদ্দীপকের অনুভূতির সাথে রানারের জীবনের সাদৃশ্য হলো

★ দায়িত্বশীলতা

(খ) দারিদ্র্যে

(গ) পেশার প্রয়োজনীয়তা

(ঘ) নিরন্তর চেষ্টায়

২৫। জীবন' কবিতার 'পদাঙ্ক' শব্দটির অর্থ কী?

★ পায়ের চিহ্ন

(খ) আত্মত্যাগ

(গ) খ্যাতির সমৃদ্ধির চিহ্ন

(ঘ) কোনো মহৎ ব্যক্তির কৃতকর্ম

২৬। বুধার কল্পনায় ভেসে ওঠে

i. তেপান্তরের মাঠ

ii. রাজপুত্র কোটাল পুত্র

iii. পঙ্খীরাজ ঘোড়া নিচের কোনটি সঠিক?

(ক) i ও ii

(খ) i ও iii

(গ) ii ও iii

★ i, ii ও iii

২৭। 'বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ' সৈয়দ শামসুল হকের কোন

ধরনের রচনা?

★ উপন্যাস

(খ) গল্পগ্রন্থ

(গ) কাব্যগ্রন্থ

(ঘ) শিশুতোষ উপন্যাস

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৮ ও ২৯ নং প্রশ্নের উত্তর দাও :
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৮ ও ২৯ নং প্রশ্নের উত্তর পা গ্রেনেড উঠেছে হাতে ...... কবিতার হাতে রাইফেল এবার বাঘের থাবা, ভোজ হবে আজ প্রতিশোধে যার সঙ্গে যে রকম, সে রকম খেলবে বাঙ্গালী

খেলেছি, মেরেছি সুখে-কান কেটে দিয়েছি তোদৌ ২৮। উদ্দীপকের কবিতাংশটিতে 'একাত্তরের দিনগুলি রচনার কোন অংশের সাথে মিল রয়েছে?

(ক) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মীনের তৎপরতার কথা ★ মুক্তিফৌজের গেরিলা তৎপরতার কথা

(গ) পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দৃশ্যের (খ)

বেয়নেটের মুখে সই নেওয়ার ঘটনার ২৯। উক্ত ঘটনায় প্রকাশ পায় - -

i. বাঙালির দেশাত্মবোধ

ii. স্বাধিকার চেতনা

ii. যুদ্ধ জয়ের আকাঙ্ক্ষা নিচের কোনটি সঠিক?

(ক) ii

(খ) i ও ii

(st) i 3 iiiii

★ i, ii ও iii

৩০। “অপরের মাথায় সুরঙ্গ কাটিয়া প্রবেশ না করিলে যেন মনের কথা জানা যায় না" উক্তিটিতে প্রকাশ পেয়েছে

বহিপীরের

(ক) রাগ

(খ) ক্ষোভ

(গ) বিচক্ষণতা

* ধূর্ততা

08/09/2022

পড়াশোনা করার সঠিক নিয়ম ও মনে রাখার সহজ টেকনিক

পৃথিবীতে সবার মা-বাবাই চান যে আমার সন্তান ভাল পড়াশোনা করুক। তাই বেশি বেশি পড়াশোনা করা জন্য তাগিদ দেন। বেশি করে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করলে ভালো রেজাল্ট হবে। ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার জন্য ভর্তি হওয়া যাবে। শিক্ষার্থীরাও ভালো রেজাল্টের জন্য এবং ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবার জন্য নাকমুখ গুঁজে পড়ার টেবিলে বসে থাকে। কিন্তু অনেকেই পড়াশোনা করার সঠিক নিয়ম ও মনে রাখার সহজ টেকনিক জানে না। সে ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, এত পরিশ্রম করার পরও ফলাফল ভালো হচ্ছে না।

অথচ দেখা যায় পাশের বাড়ির ছেলেটা সারাদিন ঘোরাফেরা, খেলাধুলা করেও পরীক্ষায় অনেক ভালো ফলাফল করছে। এর কারণ কি শুধুই মেধার পার্থক্য? কখনোই নয়! সৃষ্টিকর্তা সবাইকেই সমান মেধা-বুদ্ধি দিয়ে পাঠিয়েছেন, কিন্তু কেউ মেধার সঠিক ব্যবহারই ক্লাসের ফার্স্ট বয় হয় আবার কেউ লাস্ট বয়ের ব্যবধান তৈরি করে দেয়।

সমাজের শিক্ষিত-অশিক্ষিত মানুষের মধ্যে আমরা অনেকেই মনে করি যে, বেশি বেশি পড়লেই ফলাফল ভালো হবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মূল কথা হলো পড়াশোনায় কঠোর পরিশ্রম করার চেয়ে সময়মত মনোযোগ দিয়ে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী পড়াশোনা করলে অনেক ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়।

সঠিক নিয়মে পড়ালেখা করার নিয়ম

দৈনন্দিন পড়াশোনা করার সঠিক নিয়ম ও মনে রাখার সহজ টেকনিক বা পদ্ধতিতে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন অনেক গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা রাখে। পরীক্ষার ফলাফল ভালো করার পেছনের মূলমন্ত্রগুলো কী কী দেখা যাক।

একটানা অনেকক্ষণ পড়া নয়
অনেক বিজ্ঞানীরা বলেন, মস্তিষ্কের তথ্য-উপাত্ত ধারণ করার ক্ষমতা টানা ২৫-৩০ মিনিট পরিশ্রমের পর হ্রাস পেতে শুরু করে। সুতরাং একটানা ঘন্টার পর ঘন্টা বই নিয়ে পড়া লেখা করার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। পড়ার সময়টুকু ছোট ছোট ভাগে আলাদা আলাদা করে টার্গেট করে সাজিয়ে নিতে হবে।

প্রত্যেকটা ভাগ শেষ হওয়ার পর পাঁচ মিনিট বিরতি নিতে হবে। এই সময়টুকু তোমার যা করতে ভাল লাগে যেমন, কিছু নাস্তা খাওয়া, টিভি দেখা, ফেসবুকে একবার ঢুঁ মেরে আসা ইত্যাদি এই সময়টুকুতেই করবে। তারপর সতেজ মনে আবার পড়াশোনা করতে শুরু করবে।

মুখস্থ নয় বুঝে বুঝে পড়া
ছোটবেলাই আমাদের ছড়া, কবিতা ইত্যাদি দাঁড়ি-কমাসহ মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় লেখতে হত। এইভাবে ছোট বেলা থেকে লিখতে লিখতে অভ্যাস হয়ে গেছে যে সবকিছু মুখস্থ করে ফেলার। এই মুখস্থ করে ফেলার অভ্যাস খুবই ভুল একটি পদ্ধতি। অনেকেই আছে, যাদের কোনো কিছুর সংজ্ঞা বা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে হুবুহু বইয়ের সংজ্ঞা বা উত্তর গড়গড় করে বলে দিতে পারবে। কিন্তু ব্যাখ্যা করতে বললেই আর কোন উত্তর দিতে পারে না।

বর্তমান সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষায় এই মুখস্থবিদ্যা নির্ভরতা একদমই কাজ করবে না ভালো ফলাফল করতে। সুতরাং বইয়ের সংজ্ঞা মুখস্থ করা বাদ দিয়ে মূল কথাটা বুঝতে চেষ্টা করতে হবে। কেননা যতবার মুখস্থ করবে ততবার ভুলবে, কিন্তু একবার ভালোভাবে বুঝে নিয়ে পড়তে পারলে তা কোনো দিনও ভুলবে না!

বিভিন্ন স্থান থেকে পড়া
বুঝে বুঝে পড়ার একটি ভাল উপায় হচ্ছে একই টপিক বিভিন্ন স্থান থেকে পড়া। শুধুমাত্র একটি বই থেকে পড়লে সেটি থেকে ভাল ফলাফল করার সম্ভাবনা অনেক কম । সুতরাং সম্ভাব্য সবরকম স্থান বা সোর্স থেকে শেখার চেষ্টা করতে হবে। বন্ধুদের সাথে গ্রুপ স্টাডি করতে হবে, বিভিন্ন লেখকের বিভিন্ন রকম বই থেকে পড়তে হবে।

উপরের ক্লাসের বড় ভাই বা আপুদের সাহায্য নিতে হবে। সাথে ইন্টারনেট থেকেও একটু খুঁজলেই খুব ভালো শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট পাওয়া যায়। সেখান থেকেও পড়তে হবে।

অন্যকে শেখানো
বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেন, “ কোন একটা বিষয় তোমার পরিপূর্ণভাবে আয়ত্ত হবে তখনই, যখন সেই বিষয়টি তুমি কাউকে ভালভাবে বুঝিয়ে বলতে পারবে”। অন্য কাউকে বুঝালে সেটি ধীরে ধীরে তোমার মনের গভীরে ঢুকে যাবে। কেননা, যেকোন বিষয় বারবার প্রাক্টিস করলে সেটা আর সহজে ভুলা যায় না।

নিবিড় মনোনিবেশ
একজন ব্যক্তি একই সঙ্গে একাধিক কাজ করতে গেলে কোনটিই ভালভাবে করা হয় না। যখন পড়তে বসবে, তখন সম্পুর্ণ মনোযোগ দিতে হবে বইয়ের পাতায়। মনোযোগে বাধা দান করার মত যা কিছু আছে পাশে আছে, সবকিছু দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। অল্প সময় পড়লেও ১০০ শতাংশ মনোযোগের সাথে পড়তে হবে।

ছোট ছোট লক্ষ্য তৈরি করা
আমরা অনেকেই বছরের শুরুতে লক্ষ্য ঠিক করি যে, “এইবছর ফাটায়ে পড়াশোনা করবো” এবং বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে সেটা “লক্ষ্য” হয়েই থেকে যায়। আদৌ কার্যকরী হয়ে উঠেনা।

সুতরাং প্রতিদিন ছোট ছোট টার্গেট বা লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। আমি এই পরীক্ষায় ফার্স্ট হতে চাই। খুব দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যানে না গিয়ে টার্গেট করা যায় যে, আমি আজকে এই অধ্যায় শেষ করবো। এরকম কয়েক ঘন্টার বা একদিনের প্ল্যান ঠিক করতে হবে এবং সেটা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। প্রতিদিন এরকম ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করতে করতে বছরের শেষে গিয়ে দেখা যাবে যে, সত্যিই সারা বছরজুড়ে অনেক ভালো পড়াশোনা হয়েছে।

আনন্দের সঙ্গে পড়াশোনা করা
পড়াশোনাকে আনন্দের সাথে গ্রহন করতে হবে। যে কোন বিষয় কঠিন করে নিলে সেটা আরো কঠিন মনে হয়। পড়াশোনা খেলার ছলে, গল্পের ছলে, ছন্দের তালে তালে পড়লে তা আরো সহজ হয়ে যায়। কেননা যে কেউ গল্পকে ভালবাসে আর গল্প বলতেও ভালবাসে।

কিভাবে স্মৃতিশক্তির যত্ন নিবেন?
আমাদের যে কোন বিষয় বা পড়াশোনা করার সঠিক নিয়ম ও মনে রাখার সহজ টেকনিক মেনে চললে স্মৃতিশক্তি ভাল থাকে। নিচে তা উল্লেখ করা হল।

ইতিবাচক চিন্তা করুন
নেতিবাচক চিন্তা বা কথা বার্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। সন্দেহবাতিক মন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। মনের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগ খুবই গভীর। তাই নিজের মনের পরিচর্যা করুন। নিজেকে নিয়োজিত রাখুন সৃষ্টিশীল কাজ-কর্মে।

রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন
রাগ মন ও মস্তিষ্কের খুবই কাছের শত্রু। আমরা যখন রেগে যাই তখন মানুষের শরীরে নিঃসৃত হয় বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ পদার্থ যা আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

মেডিটেশন বা বেয়াম করুন
নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকালে বা সন্ধ্যায় খোলা মাঠে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো নিয়মিত করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কে তথ্য ধারণ করার ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নির্ভর করে আমাদের চিন্তা চেতনা করার ক্ষমতার ওপর। নিয়মিত মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
সারাক্ষণ একটানা কাজ আমাদের মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তোলে। ক্লান্তি মস্তিষ্ক আমাদের কাজ করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ঘুমান। একটানা দীর্ঘ কাজের ফাঁকে একটু ব্রেক দিন। কাজের মাঝে মনোনিবেশ করা সহজ হবে।

পড়া মনে রাখার কতগুলো টেকনিকঃ
১. আত্মবিশ্বাসঃ
যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত হল আত্মবিশ্বাস। নিজের মনকে বোঝাতে হবে যে, পড়াশোনা করা অনেক সহজ বিষয় এবং আমি পারব, আমাকে পারতেই হবে। তাহলে অনেক কঠিন পড়াটাও নিজের কাছে সহজ মনে হবে। কোনো বিষয়ে মনের ভিতরে একবার ভয় ঢুকে গেলে সেটা আর সহজে মনে রাখা অনেক কঠিন। আর পড়ালেখা করার উত্তম সময় হলো ভোর ৪টা থেকে। সকালে মস্তিষ্ক ও মন ফ্রেশ থাকে।

২। কনসেপ্ট চার্ট আকাঃ
পড়া মনে রাখার ভালো কৌশল হলো কনসেপ্ট চার্ট আকা । এ পদ্ধতিতে কোনো একটি বিষয় শেখার আগে পুরো বিষয়টি কয়েকটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের জন্য একটি করে সারমর্ম লিখে রাখা । তারপর খাতায় একটি চিত্র এঁকে প্রতিটি সারমর্মকে একেকটি পয়েন্ট এ লিখে রাখা । পয়েন্ট গুলো প্রতিদিন চোখ বোলালেই বিষয়টি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। এটি একটি পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক ধারণা।

৩. ছন্দ মনে রাখাঃ
যেকোনো বিষয়ের কঠিন টপিক গুলো ছন্দের আকারে খুব সহজে মনে রাখা সহজ হয়। যেমন, রংধনুর সাত রং মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ এই শব্দটি মনে রাখা। শব্দটি প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর দিয়ে সাজানো হয়েছে । এমনিভাবে সকল কারকের সহজ সূত্র মনে রাখার কৌশল হল “পাগুটাদিপ্তি”। এর মানে হল, পা-তে পাগলে কি না বলে, গু-তে গুরুজনে কর ভক্তি, টা-তে টাকায় কিনা হয়, দি-তে দিনে দয়া কর, প-তে পথে হল দেরি, তি-তে তিলে তৈল হয়।

৪। কালোরেখা টানাঃ
কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখার আরেকটি সহজ টেকনিক হল কালো রেখা টানা বা আন্ডারলাইন করা। জন্ম সাল, ঘটনা, মৃত্যু সাল, দিন, মাস ইত্যাদি মনে রাখতে সহজ হয়। কো কঠিন পড়া বা বিষয় বারবার মনে রাখতে বা সহজে খুঁজে পেতে আন্ডার লাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৫. উচ্চঃস্বরে পড়াঃ
পড়া মুখস্থ করার সময় উচ্চঃস্বরে পড়তে হবে। এই পদ্ধতিতে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হওয়ার কারণে সহজে মুখস্থ করা যায়। শব্দছাড়া পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি আস্তে আস্তে কমে যায় এবং পড়া শেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। আর আগ্রহ না থাকলে পড়া মুখস্থ করার কিছুক্ষণ পরেই তা মস্তিষ্ক থেকে হারিয়ে যায়। পড়া মুখস্থ হয়ে যাওয়ার পর সেটা বারবার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এভাবে পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে থাকে।

৬. নিজের পড়া নিজের মতো করে পড়া
ক্লাসে মনোযোগী হতে হবে। স্যারদের লেকচার ও পাঠ্যবইয়ের সাহায্য নিয়ে নিজে নিজে নোট তৈরি করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি প্রশ্নের উত্তর কয়েক ভাবে লেখার অভ্যাস করতে হবে। নিজের তৈরি করা নোট বা পড়া নিজের কাছে অনেক সহজ মনে হবে। পরবর্তী সময়ে নিজের লেখাটি কয়েকবার পড়লে অনায়াসেই সেটি আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং নিজের মতো করে সহজেই লেখা যাবে। আর এভাবে পড়লে ভুলে যাওয়ার আশঙ্কাও খুবই কম থাকে।

৭. নতুন-পুরনোর সংমিশ্রণ
নতুন কিছু শেখার সময় একই ধরনের আরো বিষয় বা পড়া মিলিয়ে নিতে হবে। কারণ একেবারে নতুন কোনো কিছু বা তথ্য ধারণ করতে মস্তিষ্কের বেগ পেতে হয়। কিন্তু পুরনো তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্য আয়ত্ত করতে পারে খুব সহজেই। উদাহরণস্বরূপ, ‘সিডি’ শব্দটি শেখার ক্ষেত্রে আগের দিনের কলের গানের কথা মনে রাখলে শব্দটা সহজেই মনে থাকবে। শুধু মনে রাখতে হবে, শব্দ দুটোর মধ্যে পার্থক্যটা কী একই নাকি ভিন্ন।

৮. কেনর শব্দের উত্তর খোঁজা
এ কথাটা প্রধানত বিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য। তাদের মনে সব সময় নতুন বিষয় জানার ইচ্ছা প্রবল থাকতে হবে। জানার জন্য মন নিয়ে কোনো কিছু শিখতে চাইলে সেটা সহজে মনে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। আর কোনো বিষয় বা অধ্যায় পড়ার পর সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বা যে কোন ল্যাবে ব্যবহারিক ক্লাস করতে হবে। তবেই বিজ্ঞানের সূত্র ও সমাধানগুলো সহজে আয়ত্ত করা যাবে।

৯. কল্পনায় ছবি আঁকা
কল্পনায় বিষয়সদৃশ একটি ছবি আঁকতে হবে মনের ভিতর। গল্পের প্রতিটি চরিত্রকে আশপাশের মানুষ বা বস্তুর সাথে মিলিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে পড়তে বসলেই মানুষ কিংবা বস্তুটির কল্পনায় চলে আসবে। এ পদ্ধতিতে কোনো কিছু শিখলে সেটা সহজেই ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। আর মস্তিষ্ককে যত বেশি প্রয়োগ করা যাবে, তত বেশি ধারালো হয় ও পড়া বেশিক্ষন মনে থাকে।

১০. পড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেখা
কোনো বিষয় পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে সেটি খাতায় লিখার অভ্যাস করতে হবে। একবার পড়ে সেটা কয়েকবার লিখলে সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। পড়া ও লেখা একসঙ্গে হলে সেটা মুখস্থ হবে তাড়াতাড়ি। পরবর্তী সময়ে সেই প্রশ্নটির উত্তর খাতায় লিখতে গেলে অনায়াসে মনে আসবে। এ পদ্ধতির আরেকটি সুবিধা হচ্ছে হাতের লেখা দ্রুত ও সুন্দর করতে সাহায্য করে। পড়া দীর্ঘদিন মনে রাখতে হলে শেখার সঙ্গে সঙ্গে বেশি বেশি লেখারও অভ্যাস করতে হবে।

১১. অর্থ জেনে পড়া
ইংরেজি পড়ার সময় শব্দের অর্থটি অবশ্যই জেনে নিতে হবে। ইংরেজি ভাষা শেখার প্রধান শর্ত হলো শব্দের সাথে সাথে অর্থ জেনে তা বাক্যে প্রয়োগ করা। বুঝে না পড়লে সম্পূর্ণ পড়া বিফলে যাবে। সৃজনশীল পদ্ধতিতে ইংরেজি বানিয়ে বানিয়ে লেখার চর্চা করা খুবই জরুরি। কারণ পরীক্ষায় পাঠ্যবইয়ের যেকোনো জায়গা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। ইংরেজি শব্দের অর্থভাণ্ডার বৃদ্দ্বি করতে পারলে কোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

১২. গল্পের ছলে পড়া শেখা
যেকোনো বিষয় ক্লাসে পড়ার পর সেটা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার দেওয়ার সময় গল্পের মতো করে উপস্থাপন করতে হবে। সেখানে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনের কথাগুলো প্রকাশ করতে পারবে। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে সবার ধারণাটা স্বচ্ছ হয়ে যাবে । কোনো অধ্যায় বা বিষয় খণ্ড খণ্ড করে না শিখে আগে পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে সঠিক স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। পরে শেখার সময় আলাদা করে মাথায় গেথে নিতে হবে। তাহলে যেকোনো বিষয় একটা গল্পের মতো মনে হবে।

১৩. মুখস্থ বিদ্যাকে “না” বলা
মুখস্থ বিদ্যা সৃজনশীলতা বা চিন্তাশক্তিকে অকেজো করে দেয়, পড়াশোনার আনন্দও মাটি করে দেয়। কোনো কিছু না বুঝে মুখস্থ করলে সেই পড়া বা বিষয় বেশি দিন স্মৃতিতে ধরে রাখা যায় না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সচেতনভাবে কোনো কিছু মুখস্থ করা যাবে না। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তথ্য, যেমনঃ সাল, তারিখ, মাস, বইয়ের নাম, ব্যক্তির নাম, স্থানের নাম ইত্যাদি মনে রাখতে হবে। কি কি মনে রাখছেন এবং এর সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ের কি কি মিল আছে তা খুঁজে বের করতে হবে। এ ছাড়া বিজ্ঞানের বা অংকের কোনো সূত্র কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আয়ত্ত করতে সেটা আগে ভালভাবে বুঝে তারপর মুখস্থ করতে হবে।

28/05/2022

বুলিয়ান অ্যালজেবরাঃ
বুলিয়ান অ্যালজেবরার উদ্ভাবক হলেন প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল। জর্জ বুল সর্বপ্রথম গণিত ও যুক্তির মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করেন এবং গণিত ও যুক্তির ওপর ভিত্তি করে এক ধরণের অ্যালজেবরা তৈরি করেন, যাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলা হয়।

বুলিয়ান অ্যালজেবরা মূলত লজিকের সত্য অথবা মিথ্যা এ দুটি স্তরের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অপরদিকে সকল ডিজিটাল ডিভাইস বাইনারি পদ্ধতিতে কাজ করে। এই ডিজিটাল ডিভাইসে গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ করার জন্য বুলিয়ান অ্যালজেবরা ব্যবহৃত হয়।

বুলিয়ান অ্যালজেবরার সত্য ও মিথ্যাকে যথাক্রমে বাইনারি “১“ এবং “০” দ্বারা পরিবর্তন করে ডিজিটাল ডিভাইসের সকল গাণিতিক সমস্যা বুলিয়ান অ্যালজেবরার সাহায্যে সমাধান সম্ভব হয়।

বুলিয়ান অ্যালজেবরার বৈশিষ্ট্যঃ
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় মাত্র দুটি অঙ্ক ‘০’ এবং ‘১’ ব্যবহৃত হয়।
বুলিয়ান চলকের দুটি মান থাকায় বুলিয়ান অ্যালজেবরা দশমিক অ্যালজেবরার তুলনায় অনেক সহজ পদ্ধতি।
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কোনো ধরনের ভগ্নাংশ, লগারিদম, বর্গ, ঋণাত্মক সংখ্যা, কাল্পনিক সংখ্যা ইত্যাদি ব্যবহার করা যায় না।
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধু মাত্র যৌক্তিক যোগ, গুণ ও পূরকের মাধ্যমে সমস্ত গাণিতিক কাজ করা হয়।
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কোনো ধরনের জ্যামিতিক বা ত্রিকোণমিতিক সূত্র ব্যবহার করা যায় না।
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় নিমোক্ত উপাদানগুলো রয়েছে-
প্রতীক বা মৌলিক চিহ্নঃ দুটি – TRUE/ON/1 এবং FALSE/OFF/0

অপারেটরঃ তিনটি- AND ( . ), OR ( + ), NOT( ¯ )

মৌলিক অপারেশনঃ

অ্যান্ড অপারেশন (AND Operation) বা যৌক্তিক গুণ (Logical Multiplication)

অর অপারেশন (OR Operation) বা যৌক্তিক যোগ (Logical Addition)

নট অপারেশন (NOT Operation) বা যৌক্তিক পূরক (Logical Inversion)

উপপাদ্য/ সূত্র/নিয়মাবলীঃ বুলিয়ান উপাপাদ্য, ডি-মরগ্যান উপাপাদ্য, দ্বৈতনীতি ইত্যাদি



বুলিয়ান চলকঃ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যে রাশির মান পরিবর্তনশীল তাকে বুলিয়ান চলক বলে। যেমন- C = A + B, এখানে A ও B হচ্ছে বুলিয়ান চলক।

বুলিয়ান ধ্রুবকঃ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যে রাশির মান অপরিবর্তনশীল থাকে তাকে বুলিয়ান ধ্রুবক বলে।

যেমন- Y = A+ 0 + 1, এখানে 0 এবং 1 হচ্ছে বুলিয়ান ধ্রুবক।

ধ্রুবকের মান সব সময় অপরিবর্তিত থাকে কিন্তু চলকের মান পরিবর্তিত হয়। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক বর্তনীর ইনপুট ও আউটপুটের লজিক অবস্থা নির্দিষ্ট করার জন্য বুলিয়ান চলক ও ধ্রুবক ব্যবহার করা হয়।

বুলিয়ান পূরক: বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যেকোনো চলকের মান ০ অথবা ১ হয়। এই ০ এবং ১ কে একটি অপরটির বুলিয়ান পূরক বলা হয়। বুলিয়ান পূরকে ‘–’ চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। গণিতের ভাষায় লেখা হয় A এর পূরক A′।



বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধঃ
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় সমস্ত গাণিতিক কাজ শুধুমাত্র যৌক্তিক যোগ, গুণ ও পূরকের সাহায্যে করা হয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক যোগ, গুণ ও পূরকের নিয়মগুলোকে বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলে। বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ গুলো-

যোগের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ (Boolean Postulates of OR)
গুণের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ (Boolean Postulates of AND)
পূরকের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ (Boolean Postulates of NOT)
যোগের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধঃ যৌক্তিক যোগের সময় বুলিয়ান অ্যালজেবরা যেসব নিয়ম মেনে চলে তাকে যোগের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলে। যৌক্তিক যোগের সময় বুলিয়ান চলকগুলোর মানের মধ্যে OR(+) অপারেটর ব্যবহার করা হয় তা প্রচলিত যোগের চিহ্ন নয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় এ যোগ চিহ্নকে যৌক্তিক যোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যৌক্তিক যোগের চারটি নিয়ম প্রচলিত। যথা−

0 + 0 = 0

0 + 1 = 1

1 + 0 = 1

1 + 1 = 1

উপরের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ থেকে বলা যায় যে, বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক যোগের ক্ষেত্রে যেকোনো একটির মান ১ হলে যৌক্তিক যোগফল ১ হবে, অন্যথায় ০ হবে।

গুণের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ: যৌক্তিক গুণের সময় বুলিয়ান অ্যালজেবরা যেসব নিয়ম মেনে চলে তাকে গুণের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলে। যৌক্তিক গুণের সময় বুলিয়ান চলকগুলোর মানের মধ্যে AND(.) অপারেট ব্যবহার করা হয়। যৌক্তিক গুণের চারটি নিয়ম প্রচলিত। যথা:

0 . 0 = 0
0 . 1 = 0

1 . 0 = 0

1 . 1 = 1

উপরের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ থেকে বলা যায় যে, বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক গুণের ক্ষেত্রে যেকোনো একটির মান ০ হলে যৌক্তিক গুণফল ০ হবে, অন্যথায় ১ হবে।

পূরকের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ: যৌক্তিক পূরকের সময় বুলিয়ান অ্যালজেবরা যেসব নিয়ম মেনে চলে তাকে পূরকের বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলে। যৌক্তিক পূরকের সময় বুলিয়ান চলকগুলোর উপর পূরক চিহ্ন ( ¯ ) ব্যবহার করা হয়। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক পূরকের ক্ষেত্রে ০ থাকলে ১ হয়, এবং ১ থাকলে ০ হয়।

1´ = 0

0´ = 1



বুলিয়ান দ্বৈতনীতি: বুলিয়ান অ্যালজেবরায় ব্যবহৃত সকল উপপাদ্য বা সমীকরণ যে দুটি নিয়ম মেনে একটি বৈধ্য সমীকরণ থেকে অপর একটি বৈধ্য সমীকরণ নির্ণয় করা যায় তাকে বুলিয়ান দ্বৈতনীতি বলে। অর্থাৎ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় অর (OR) এবং অ্যান্ড (AND) এর সাথে সম্পর্কযুক্ত সকল উপপাদ্য বা সমীকরণ দ্বৈতনীতি মেনে চলে। এ নিয়ম দু টি হলো −

১। ০ এবং ১ পরস্পর বিনিময় করে অর্থাৎ ০ এর পরিবর্তে ১ এবং ১ এর পরিবর্তে ০ ব্যবহার করে।

২। অর (+) এবং অ্যান্ড (.) পরস্পর বিনিময় করে অর্থাৎ অর (+) এর পরিবর্তে অ্যান্ড (.) এবং অ্যান্ড (.) এর পরিবর্তে অর (+) ব্যবহার করে

উদাহরণ: ১ + ১ = ১ সমীকরণে ১ এর পরিবর্তে ০ এবং (+) এর পরিবর্তে (.) বসিয়ে পাই ০.০ = ০ এটাও একটি বৈধ্য সমীকরণ। আবার ০.১ = ০ সমীকরণে ০ এর পরিবর্তে ১ ও ১ এর পরিবর্তে ০ এবং (.) এর পরিবর্তে (+) বসিয়ে পাই ১ + ০ =১ এটাও একটি বৈধ্য সমীকরণ।



বুলিয়ান উপপাদ্যঃ
১৯৪০ সালে E.V Huntington বুলিয়ান অ্যালজেবরার জন্য কিছু উপপাদ্য তৈরি করেন, যার সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার জটিল সমীকরণকে সরলীকরণ করা যায়। এই উপপাদ্যগুলোকে হানটিংটন উপপাদ্য বলা হয়।

28/05/2022

প্রশ্ন : লজিক গেইট কী?
উত্তর : বুলিয়ান অ্যালজেবরায় মৌলিক কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য যে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনী ব্যবহার করা হয়, তাই লজিক গেইট।

লজিক গেইট এর প্রকারভেদ
লজিক গেইট দুই প্রকার। যথাঃ
১) মৌলিক গেইট
২) যৌগিক গেইট
মৌলিক গেইট আবার ৩ প্রকার। যথাঃ
ক) অ্যান্ড গেইট (AND Gate)
খ) অর গেইট (OR Gate)
গ) নট গেইট (NOT Gate)
যৌগিক গেইট আবার ৪ প্রকার। যথাঃ
ক) ন্যান্ড গেইট (NAND Gate)
খ) নর গেইট (NOR Gate)
গ) এক্স-অর গেইট (X-OR Gate)
ঘ) এক্স-নর গেইট (X-NOR Gate)।

অর গেইট (OR Gate):
OR গেইট হচ্ছে যৌক্তিক যোগের গেইট। অর্থাৎ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে OR গেইট বলা হয়। OR গেইটে দুই বা ততোধিক ইনপুট লাইন থাকে এবং একটিমাত্র আউটপুট লাইন থাকে। যেহেতু OR গেইট যৌক্তিক যোগের গেইট তাই এটি যৌক্তিক যোগের নিয়ম মেনে চলে। অর্থাৎ এই গেইটের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি ইনপুটের মান ১ হলে আউটপুট ১ হয়, অন্যথায় ০ হয়।

OR গেইটের সুইচিং সার্কিটের সুইচগুলো সমান্তরালে সমবায়ে যুক্ত থাকে। ফলে যেকোন একটি সুইচ অন(1) থাকলে বাল্বটি জ্বলে।

অ্যান্ড গেইট (AND Gate):
AND গেইট হচ্ছে যৌক্তিক গুণের গেইট। অর্থাৎ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক গুণের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে AND গেইট বলা হয়। AND গেইটের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক ইনপুট লাইন থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুট লাইন থাকে। যেহেতু AND গেইট যৌক্তিক গুণের গেইট তাই এটি যৌক্তিক গুণের নিয়ম মেনে চলে। অর্থাৎ এই গেইটের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি ইনপুটের মান ০ হলে আউটপুট ০ হয়, অন্যথায় ১ হয়।

নট গেইট (NOT Gate):
NOT গেইট হচ্ছে যৌক্তিক পূরকের গেইট। একে ইনভার্টার ও বলা হয়। অর্থাৎ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে NOT গেইট বলা হয়। এই গেইটে একটি মাত্র ইনপুট লাইন এবং একটি মাত্র আউটপুট লাইন থাকে। যেহেতু NOT গেইট যৌক্তিক পূরকের গেইট তাই এটি যৌক্তিক পূরকের নিয়ম মেনে চলে। এই গেইটের ক্ষেত্রে আউটপুট হয় ইনপুটের বিপরীত। অর্থাৎ ইনপুট সংকেত ১ হলে আউটপুট সংকেত ০ হয় অথবা ইনপুট সংকেত ০ হলে আউটপুট সংকেত ১ হয়।

NOT গেইটের সুইচিং সার্কিটে একটিমাত্র সুইচ থাকে যা বাল্ব এর সাথে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত থাকে। ফলে সুইচটি অফ(0) থাকলে বাল্বটি জ্বলে কিন্তু সুইচটি অন(1) থাকলে বাল্বটি জ্বলে না।

ন্যান্ড গেইট (NAND Gate) : NAND গেট হচ্ছে AND গেট ও NOT গেটের সমন্বিত রূপ। AND গেট থেকে নির্গত সংকেতটি NOT গেটের মধ্যদিয়ে প্রেরণ করলে NAND গেটের কাজ হয়। অর্থাৎ AND গেটের সাথে NOT গেট যুক্ত করে NAND গেট তৈরি করা হয়। AND গেট যে কাজ করে এই গেট তার বিপরীত কাজ করে।

নর গেইট (NOR Gate) : NOR গেট প্রকৃতপক্ষে OR গেট ও NOT গেটের সমবায়। OR গেটের আউটপুটকে NOT গেটের মধ্য দিয়ে প্রেরণ করলে NOR গেট তৈরি হয়। OR গেট যে কাজ করে এই গেট তার বিপরীত কাজ করে। অর্থাৎ দুইটি ইনপুট যখন ০ হবে তখনই আউটপুট 1 হবে। আবার যদি কোন ইনপুট 1 হয় তবে আউটপুট অবশ্যই 0 হবে।

এক্স-অর গেইট (X-OR Gate) : Exclusive OR গেটকে সংক্ষেপে XOR গেট বলা হয়। OR গেট, AND গেট এবং NOT গেট সংযুক্ত করে XOR গেট তৈরি করা হয়। এই গেটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়। অর্থাৎ যখন যে কোনাে একটি মাত্র ইনপুট 1 কিন্তু অন্য ইনপুট 1 হবে না, তখনই শুধু আউটপুট 1 হবে। সুতরাং আউটপুট 0 হবে যখন ইনপুটগুলাে একই (0, 0 অথবা 1, 1) হবে। দুটি বিটের অবস্থা তুলনা করার জন্য XOR গেট ব্যবহার করা

এক্স-নর গেইট (X-NOR Gate) : XOR গেটের সাথে NOT গেট যােগ করে XNOR গেট পাওয়া যায়। XOR গেটের আউটপুটকে NOT গেট দিয়ে প্রেরণ করলে XNOR গেট গঠিত হয়। সুতরাং XOR গেট যে কাজ করে XNOR গেট তার বিপরীত কাজ করে।

কোন কোন গেইটকে সর্বজনীন গেইট বলা হয় এবং কেন?

যে গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ (AND,OR,NOT) অন্যান্য সকল গেইট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। NAND ও NOR গেইটকে কে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ NAND গেইট ও NOR...

Photos from Learn ICT with Sayem's post 21/12/2021

গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি -২০২১

21/05/2020
Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Chawkbazar
Chittagong
4000