20/04/2026
স্পার্ম হোয়েল পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় প্রাণীগুলোর একটি। এই বিশাল তিমির মাথার ভেতরে থাকে মোমের মতো একটি বিশেষ পদার্থ, যার পরিমাণ শত শত গ্যালনের সমান। আল্লাহ এমনভাবে এই প্রাণীটাকে সৃষ্টি করেছেন যে, এই “spermaceti” নামের পদার্থটি শুধু শরীরের অংশ নয়—এটি তাদের বেঁচে থাকার একটি শক্তিশালী অস্ত্র। গভীর সমুদ্রের অন্ধকারে যেখানে আলো পৌঁছায় না, সেখানে এই তিমি শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে শিকার খুঁজে বের করে। এই মোমজাতীয় তেল সেই শব্দকে ফোকাস করে আরও শক্তিশালী করে তোলে, ঠিক যেন একটি প্রাকৃতিক সোনার সিস্টেম।
আরও অবাক করার মতো বিষয় হলো, স্পার্ম হোয়েল পৃথিবীর সবচেয়ে জোরালো শব্দ তৈরি করতে পারে—যার সাহায্যে তারা কয়েক কিলোমিটার দূরের শিকারও শনাক্ত করতে পারে। শুধু তাই নয়, তারা ২০০০ মিটারেরও বেশি গভীরে ডুব দিতে পারে এবং প্রায় ১ ঘণ্টার কাছাকাছি সময় নিঃশ্বাস বন্ধ রেখে থাকতে সক্ষম। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাদের মাথার এই তেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অনেকে মনে করে এই তেল শুধু ডুব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার হয়, কিন্তু বাস্তবে এর প্রধান কাজ হলো echolocation বা শব্দের মাধ্যমে দিক নির্ণয়। অর্থাৎ, এটি শুধুই “ভাসা–ডোবা” নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র নয়, বরং পুরো শিকার ধরার সিস্টেমের একটি মূল অংশ।
তথ্যসূত্র:
National Geographic — S***m whale facts
NOAA (National Oceanic and Atmospheric Administration)
Smithsonian Institution
Marine Mammals of the World
16/04/2026
যারা এইবার এস.এস.সি দিচ্ছ, Always Remember " একটা রেসাল্ট কখনো তুমার ভবিষ্যৎ কে নির্ধারণ করতে পারে না।
ভয় পাওয়ার একদম ই কিছু নেই।
ভালো মত পরীক্ষা দিবে বাকিটা আল্লাহ ভরশা 🤲
10/04/2026
কার চামড়া কতটা মোটা? 🐘🐋
আমরা জানি প্রাণিজগতের বিচিত্র সব বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তারমধ্যে কোনো কোনো প্রাণীর চামড়া আমাদের কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি পুরু। বৈরী পরিবেশ আর শিকারির হাত থেকে বাঁচতে এই মোটা চামড়া তাদের "প্রাকৃতিক বর্ম" হিসেবে কাজ করে।
চলুন দেখে নিই চামড়ার পুরুত্ব অনুযায়ী সেরা ৫টি প্রাণী এবং মানুষের সাথে তাদের পার্থক্য:
🔹 স্পার্ম তিমি (S***m Whale): এদের চামড়া প্রায় ৩৫ সেমি পর্যন্ত পুরু হতে পারে! সমুদ্রের গভীর স্তরের প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে এই বর্ম তাদের সাহায্য করে।
🔹 হোয়েল শার্ক (Whale Shark): বিশ্বের বৃহত্তম এই মাছের চামড়া প্রায় ১০ সেমি পুরু। এটি অত্যন্ত শক্ত এবং টেকসই।
🔹 জলহস্তী (Hippopotamus): এদের চামড়া ৫-৬ সেমি পুরু। এটি রোদে পোড়া থেকে তাদের বাঁচায় এবং লড়াইয়ের সময় সুরক্ষা দেয়।
🔹 গণ্ডার (Rhinoceros): এদের চামড়া ১.৫ থেকে ৫ সেমি পর্যন্ত হতে পারে। কোলাজেনের শক্ত স্তরে তৈরি এই চামড়া যেন একটি জ্যান্ত বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট!
🔹 হাতি (Elephant): আমাদের প্রিয় হাতির চামড়া শরীরের অনেক জায়গায় ২.৫ সেমি পর্যন্ত পুরু। তবে মজার ব্যাপার হলো, এদের কানের চারপাশের চামড়া কিন্তু বেশ পাতলা হয়।
🧍 আর আমরা মানুষ?
আমাদের চামড়া গড়ে মাত্র ২ মিলিমিটার পুরু! অর্থাৎ একটি তিমির চামড়া আমাদের চেয়ে প্রায় ১৭৫ গুণ বেশি মোটা। আমাদের চামড়া পাতলা বলেই আমরা স্পর্শ আর তাপমাত্রা এত দ্রুত অনুভব করতে পারি।
#প্রাণিজগৎ #বিজ্ঞান #অবাকতথ্য
07/10/2025
📣📣📢📢Anthrax, Anthrax, Anthrax 📢📢📣📣
সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে দিন দিন,সচেতন হোন,ছড়িয়ে দিন।
রংপুর জেলার পীরগাছা, কাউনিয়া ও আশপাশের এলাকায় বর্তমানে অ্যানথ্রাক্স (Anthrax) সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এটি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সমস্যা এবং এখনই সকলের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
♦️অ্যানথ্রাক্স কীঃ
অ্যানথ্রাক্স একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ যা মূলত গবাদিপশু যেমন গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া ইত্যাদিতে হয়। সংক্রামিত প্রাণীর রক্ত, মাংস, চামড়া বা মৃতদেহের সংস্পর্শে এসে মানুষের শরীরে জীবাণুটি প্রবেশ করতে পারে।
♦️কিভাবে ছড়ায়ঃ
সংক্রামিত পশুর মাংস, রক্ত, চামড়া বা হাড় স্পর্শ করার মাধ্যমে।
অসুস্থ পশু জবাই করার সময় ক্ষত বা কাটা জায়গা দিয়ে জীবাণু শরীরে ঢুকে যেতে পারে।
কখনও কখনও আধা সেদ্ধ বা কাঁচা মাংস খাওয়ার মাধ্যমেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।
♦️মানুষের মধ্যে উপসর্গঃ
অ্যানথ্রাক্স সাধারণত তিনভাবে সংক্রমণ ঘটায়—ত্বক, ফুসফুস ও অন্ত্রে। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ত্বকের অ্যানথ্রাক্স। এতে প্রথমে ছোট ফোস্কা হয়, পরে তা কালো ঘায়ে পরিণত হয়। অন্য উপসর্গগুলোর মধ্যে থাকতে পারে—
জ্বর ও দুর্বলতা
শরীর ব্যথা ও মাথাব্যথা
ঘা বা ফোস্কার চারপাশে ফোলা
গলা বা বুকে ব্যথা
♦️যেগুলো একদম করা যাবে নাঃ
অসুস্থ বা হঠাৎ মা*রা যাওয়া গরু বা ছাগল জ*বা*ই করা বা খাওয়া যাবে না।
মৃ*ত বা সন্দেহভাজন পশুর রক্ত, মাংস বা চামড়া কোনোভাবেই স্পর্শ করবেন না।
গরু মা*রা গেলে সেটি দাফন করার আগে অবশ্যই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতে হবে।
♦️করণীয়
1. গবাদিপশুর খেয়াল রাখুন।
2. জ*বা*ইয়ের আগে নিশ্চিত হোন পশুটি সুস্থ কিনা।
3. ত্বকে ঘা, কালো দাগ বা ফোস্কা দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
4. আক্রান্ত এলাকার পশু কেনা-বেচা থেকে বিরত থাকুন।
5. পশুর খোঁয়াড় ও আশপাশ পরিষ্কার রাখুন এবং দূষিত বস্তু সাবধানে নিষ্পত্তি করুন।
©️ Satata health and medi care
্রাণিবিদ্যা
07/10/2025
হ্যান্ডফিশ এক ধরনের অদ্ভুত সামুদ্রিক মাছ। এরা সমুদ্রের তলদেশে বসবাস করে এবং এরা একেবারেই আলাদা ভঙ্গিতে চলাফেরা করে কারণ এরা সাঁতার না কেটে হাতের মতো পাখনা ব্যবহার করে হাঁটার মতো করে চলে।
এরা মূলত দক্ষিণ-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া আর তাসমানিয়া অঞ্চলে পাওয়া যায়। বর্তমানে পৃথিবীতে হ্যান্ডফিশের প্রায় ১৪টা প্রজাতি আছে। এর মধ্যে স্পটেড হ্যান্ডফিশ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিরল ও মারাত্মকভাবে বিপন্ন সামুদ্রিক প্রজাতির একটি।
গবেষকদের মতে, স্পটেড হ্যান্ডফিশের সংখ্যা দিন দিন ভয়াবহভাবে কমে যাচ্ছে, এর প্রধান কারণগুলো হলো—
✅মানুষ সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক ফেলায় সমুদ্রের পরিবেশ নষ্ট হয়ে দূষিত হচ্ছে।
✅আর নর্দান প্যাসিফিক সি-স্টার নামে এক ধরনের তারামাছ এদের ডিম খেয়ে ফেলে, যার ফলে এদের বংশবিস্তার দিন দিন কমে যাচ্ছে।
হ্যান্ডফিশ ভালো সাঁতার কাটতে পারে না, আর ডিমও খুব কম দেয়। তাই এরা সহজেই বিপদে পড়ে যার কারণে এদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।
এদের সংরক্ষণ ও বাঁচানোর জন্য বিজ্ঞানীরা এখন কৃত্রিমভাবে বাচ্চা ফুটানো আর আবাসস্থল ঠিক করার চেষ্টা করছেন। তবে এটা খুবই কঠিন কাজ।
©️
্রাণিবিদ্যা
07/10/2025
~Blue Malayan Coral Snake 💙
এই সাপটি পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর সাপ হিসেবে পরিচিত। অসাধারণ রঙের সমন্বয়ে গঠিত এই সাপটি প্রকৃতির এক বিরল সৌন্দর্যের প্রতীক 🌿
বৈজ্ঞানিক নাম: Calliophis bivirgatus
সাধারণ নাম: নীল মালয়ান প্রবাল সাপ বা নীল প্রবাল সাপ। 🐍
শারীরিক গঠন: এই সাপটির শরীর গভীর নীল রঙের হয় এবং এর মাথা ও লেজে উজ্জ্বল লালচে-কমলা বা লাল রঙ থাকে।
~বসবাস:- এরা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থানীয় প্রজাতি এবং সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র ক্রান্তীয় বনাঞ্চল বনাঞ্চলে এদের দেখা যায়। এই স্থলজ সাপটি সাধারণত ব্রুনাই , ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া , সিঙ্গাপুর , থাইল্যান্ড এবং বার্মায় দেখা যায় ।
~ বিষ:_এই সাপের বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিন। তাদের বিষ এতটাই বিরল ও শক্তিশালী যে বিজ্ঞানীরা একে “ক্যালিওটক্সিন (calliotoxin)” নামে শনাক্ত করেছেন —এটি সরাসরি স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে। যা স্নায়ুর সংকেত প্রেরণ প্রক্রিয়া থামিয়ে দেয়, ফলে শিকার মুহূর্তের মধ্যেই সম্পূর্ণ অসাড় হয়ে পড়ে।
©️
্রাণিবিদ্যা
06/10/2025
“যে মাছকে বিলুপ্ত ভাবা হয়েছিল, সে আজও বেঁচে আছে — রহস্যময় কোয়েলাক্যান্থ!”
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি!পৃথিবীর গভীর সমুদ্রের এক বিস্ময়কর বাসিন্দা — কোয়েলাক্যান্থ (Coelacanth)। একে বলা হয় “জীবন্ত জীবাশ্ম”, কারণ বিজ্ঞানীরা একে দীর্ঘদিন ধরে শুধু জীবাশ্ম হিসেবেই চিনতেন। ধারণা ছিল, প্রায় ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরের সঙ্গেই এটি চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।কিন্তু সবাইকে হতবাক করে ১৯৩৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলে এক জেলের জালে ধরা পড়ে একটি জীবন্ত কোয়েলাক্যান্থ! এই ঘটনাটি ছিল যেন ইতিহাসের পাতা থেকে ফিরে আসা এক বিস্ময় — যা প্রমাণ করে, প্রকৃতি তার গোপন রহস্য লুকিয়ে রাখতে কতটা দক্ষ।
🔹 কোয়েলাক্যান্থ সাধারণত সমুদ্রের প্রায় ৭০০ মিটার গভীরে অন্ধকারে বসবাস করে।
🔹 দৈর্ঘ্যে প্রায় ২ মিটার এবং ওজনে প্রায় ৯০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।
🔹 এর পাখনা গঠন একে অন্য মাছের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা করে তোলে — এই বিশেষ “লোবযুক্ত পাখনা”ই একে বিবর্তনের ইতিহাসে মাছ থেকে স্থলচর প্রাণীতে রূপান্তরের এক জীবন্ত প্রমাণে পরিণত করেছে।
আজও এই রহস্যময় প্রাণীকে দেখা পাওয়া অত্যন্ত বিরল, তবে এর উপস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় — প্রকৃতি কখনও পুরোপুরি তার রহস্য উন্মোচন করে না।
©_সংগৃহীত
06/10/2025
Excellence Tuitions always try to make the Peaks of trendy education system & teaching methods🥰
Please keep us on your prayer so that we can create beautiful something for the upcoming stars 🥑🐟🍥
Thankful to..
Mr. Zayed Mohammed Al-Fayed
B.Sc (Hon's) - Zoology
M.Sc (Master’s)-Fisheries
Department of Zoology
Chittagong College
National University of Bangladesh
01/09/2025
রাত পেরুলেই উদ্বোধন হচ্ছে পেকুয়া শাখা 💐🔥
আলহামদুলিল্লাহ 🤲
আগামীকাল 🔜২৮/০৮/২০২৫, রোজ বৃহস্পতিবার শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজমীর এভারসীজ লিঃ আজমীর হজ্ব কাফেলা এন্ড ট্রাভেলস এর পেকুয়া চৌমুহনী শাখা।✅
🔶পেকুয়ার প্রিয়জনরা হজ্ব -ওমরাসহ বিদেশে যাওয়া সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে কম খরচে সেবা নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। ✅
🚸আমাদের সকল সবাই এখন আপনার দ্বারপ্রান্তে ☯️
⚠️উদ্বোধন উপলক্ষে ২০২৬ সালের হজ্ব বুকিং 🕋এ ১০,০০০টাকা পর্যন্ত ছাড়।⚠️
🔜আগ্রহীরা অফিসে যোগাযোগ করুন:
📳 01522132746,
📳01838-503503.,
📳 01813368710
আমাদের সেবাসমূহঃ👇
★ ম্যান পাওয়ার ও ভিসা প্রসেসিং
সৌদি আরব দুবাই, কাতার, ওমান, মালেশিয়া, ইন্ডিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ)
★ হজ্ব ও ওমরা-ভিসা প্রসেসিং
(প্যাকেজএবং নন-প্যাকেজ। প্যাকেজে রয়েছেঃ থাকা, খাওয়া হোটেল বুকিং, আসা-যাওয়ার বিমান টিকেট, সাথে থাকবে একজন দক্ষ দিকনির্দেশক)
★সকল ধরনের বিমান টিকেট
★ পাসপোর্ট প্রসেসিং
★ভিজিট ভিসা প্রসেসিং
Office :
➡️ক্রেমলিন চৌধুরী প্লাজা
(২য় তলা ৩৪ ও ৩৫ নং দোকান) চৌমুহনী, পেকুয়া, কক্সবাজার। 📳অফিস নম্বর:
০১৫২২-১৩২৭৪৬.
০১৮৩৮-৫০৩৫০৩।
our
17/05/2025
জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক -২০২৫
সম্পর্কিত কিছু ইম্পর্টেন্ট কথা!!
আগামীকাল আমার শিক্ষার্থীদের অনেকের বায়োলজি প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা আছে।
তাদের উদ্দেশ্যে মূলত এই পোস্টটি,,
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় ভাইভার একটা অংশ আছে, সম্ভবত ৫ নাম্বারের।
যদিও সেটা অতটা ফরমাল ভাইবা না, তাই প্রথমত নার্ভাস হওয়ার বা ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই।
কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখলে মোটামুটি ভালো মার্কস পাওয়া যায় :
১. ভদ্রতা সহিত ড্রেস আপ, চুল ঠিক করা।
২. সালাম এবং অনুমতি নিয়ে কক্ষে প্রবেশ।
৩. অনুমতির সাপেক্ষে শিক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত আসনে বসা, অর্থাৎ অনুমতি ব্যতীত আসনে না বসা।
৪. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কোন প্রশ্নের উত্তর না পারলে পারার মতো ভান করে সময় নষ্ট না করা, পরীক্ষক কে সরাসরি বলে দেওয়া "দুঃখিত স্যার, আমার এই মুহূর্তে এই প্রশ্নটির উত্তর মনে পড়ছে না।"
৫. পিতা-মাতা বা শিক্ষকের নাম জিজ্ঞেস করলে নামের আগে "জনাব" ব্যবহার করা।
৬. প্র্যাকটিক্যাল রিলেটেড টপিক গুলো ভালোভাবে পড়ে যাওয়া,
আর জীববিজ্ঞান এর কিছু কমন বিষয়, যেমন : কোষ বিভাজন, অ্যামিবা, নিউক্লিয়াস, উদ্ভিদ-প্রাণী পার্থক্য, দাত, উদ্ভিদ কোষ -প্রাণী কোষ, জিন,DNA, হ্যাপ্লয়েড, ডিপ্লয়েড, জিন প্রযুক্তি, GMO,সালোকসংশ্লেষণ , ATP, আদর্শ ফুল, খাদ্য পুষ্টি, খাদ্যপুষ্টির রিলেটেড দু একটি রোগ, কমন কিছু বৈজ্ঞানিক নাম ( বাঘ, সিংহ, শাপলা, কাঠাল,মানুষ, ইলিশ) ইত্যাদি।
৭. সব সময় ভদ্র এবং পরিমার্জিত ভাষা ব্যবহার করা,
৮. ভাইবা শেষে সাপেক্ষে সালামের মাধ্যমে কক্ষ ত্যাগ করা।
#নোট : ১.সব সময়ই কনফিডেন্ট থাকতে হবে, অযথা কথা এবং অপ্রয়োজনীয় হাসি টাট্টা করা কোনভাবেই কাম্য নয়।
২. রিসেন্টলি একটা টপিক সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরপাক খাচ্ছে, #শান্ডা সেটা দেখে গেলেও মন্দ হয় না।
যেমন : এটার বৈজ্ঞানিক নাম, এটা কি? এটা স্বভাব -বাসস্থান এগুলো।
:
জায়েদ মোহাম্মদ আল-ফায়েদ
বি.এস.সি(অনার্স), এম.এস.সি (running)
প্রাণিবিদ্যা বিভাগ
কক্সবাজার সরকারি কলেজ।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।