Online Study Point

Online Study Point

Share

The main goal of this page is to do online based studying. No political post will be allowed..

26/10/2020

সাধারণ বিজ্ঞান

পর্ব: ০৬

১. শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন এটি প্রথম
প্রমাণ করেন- অটো ভন গেরিক।

২. শব্দের সাহায্যে নির্ণয় করা যায় না- বস্তুর ঘনত্ব।

৩. শব্দ সবচেয়ে কোথায় দ্রুতবেগে চলে?
উত্তর: আদ্র ও ভেজা।

৪. সমটান সম্পন্ন টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে
কমপাঙ্ক হবে- অর্ধেক।

৫. একটি শূন্য পাত্রকে আঘাত করলে পানি ভরা
পাত্রের চেয়ে বেশি শব্দ হয়- কারণ বাতাসের
শব্দ তরঙ্গ বেশি।

৬. কুকুর, বিড়াল, চামচিকা কোন শব্দশুনতে পায়?
উত্তর: আলট্রাসনিক শব্দ।

৭. ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে ব্যবহৃত
হয়- আলট্রাসনিক তরঙ্গ।

৮. বায়ু অপেক্ষা পানিতে শব্দের বেগ- ৪ গুণ বেশি।

৯. তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়লে শব্দের তীব্রতা- কমে।

১০. কোন পদার্থে শব্দের গতি সর্বাপেক্ষা কম?
উত্তর: বায়বীয়।

১১. কোন শব্দ শোনার পর কত সেকেন্ড পর্যন্ত এর
রেশ মস্তিষ্কে থাকে? উত্তর: ০.১ সেকেন্ড।

১২. বাদুড় অন্ধকারে চলাফেরা করে কীভাবে?
উত্তর: সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে।

১৩. কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: লোহা।

১৪. লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ
হয়--- শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়।

১৫. চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না-
কারণ চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই।

১৬. বি ৫২ হল- এক ধরনের বোমারু বিমান।

১৭. রেলওয়ে স্টেশনে আগমনরত ইঞ্জিনে বাঁশি
বাজাতে থাকলে প্লাটফরমে দাঁড়ানো ব্যক্তির
কাছে কম্পনাঙ্ক - আসলের চেয়ে বেশি হবে।

১৮. কিসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা
যায়? উত্তর: প্রতিধ্বনি।

১৯. যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে
পারে তা হচ্ছে- ১০৫ ডিসিবেল (ডিবি)

২০. মানুষের শ্রাব্যতার সীমা কত?
উত্তর: ২০ হার্টজ থেকে ২০,০০০ হার্টজ।

২১. বাতাসে শব্দের গতি ঘন্টায়- ৭৫৭ মাইল।

২২. কোন তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়?
উত্তর: সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।

২৩. আলট্রাসনিক শব্দ- যে শব্দ কোনো কোনো
জীবজন্তু শুনতে পায়।

২৪. কোনো মাধ্যমের তাপমাত্রা বাড়লে ঐ মাধ্যমে
শব্দের গতি - বাড়ে।

২৫. বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি- বাড়ে।

২৬. একক সময়ে শব্দ যে দূরত্ব অতিক্রম করে
তাকে বলা হয় - শব্দের গতি।

২৭. আলট্রাসনিক তরঙ্গ - শ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক
থেকে বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গ।

২৮. শব্দ বিস্তারের জন্য- কিসের প্রয়োজন?
উত্তর: স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের প্রয়োজন।

২৯. বাতাসের আদ্রতা বাড়লে শব্দের বেগ- বাড়ে।

৩০. শব্দের তীক্ষ্মতা মাপা হয়- ডেসিবল দিয়ে।

৩১. কোন বস্তুর একক মাপা হয়- হার্টজ দিয়ে।

৩২. সমুদ্রের তীরে একটা বিস্ফোরণ ঘটলে আগে
শুনতে পাবে- এক কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের
পানির নিচে অবস্থানকারী একজন ব্যক্তি।

৩৩. শব্দের একক - ডেসিবল।

৩৪. শব্দ উৎপত্তির কারণ- বস্তুর কম্পন।

৩৫. শব্দোত্তর তরঙ্গ উৎপত্তি হয় কার মাধ্যমে?
উত্তর: কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল অসিলেটর।

৩৬. বাদ্যযন্ত্রেসমূহ ফাঁপা থাকে কেন?
উত্তর: কারণ ফাঁপা বাক্সের বায়ুতে অনুনাদ সৃষ্টি
হয়ে শব্দের প্রাবল্য বৃদ্ধি পায়।

৩৭. স্বাভাবিক কথোপকথনে শব্দের তীব্রতা লেভেল
কত? উত্তর: ৬০ ডেসিবল।

৩৮. সাধারণত প্রারম্ভিক সুরের কম্পাঙ্ক কত? ২৫৬

৩৯. কোন ভৌত প্রক্রিয়া শব্দ তরঙ্গ দ্বারা প্রদর্শিত
হয় না? উত্তর: সমবর্তন।

৪০. কোনো তরঙ্গের উপর অবস্থিত সম দশাসম্পন্ন
কণাগুলোর গতিপথকে বলা হয়- তরঙ্গ বেগ।

৪১. প্রতিফলিত শব্দকে বলে- প্রতিধ্বনি।

৪২. পানিতে ডুবে দিয়ে কেউ হাততালি দিলে সেই
তালির শব্দ জোরে শুনতে পাবে-ডুবন্ত অবস্থায়
থাকা ব্যক্তি।

26/10/2020

সাধারণ বিজ্ঞান

পর্ব: ০৫

১. ১ কিলোগ্ৰামে ২.২১ পাউন্ড।/১০,০০০০০মিলিগ্ৰা

২. ১ মাইলে কত কিলোমিটার? ১.৬১ কিমি।

৩. ১ মেট্রিকটনে ১০০০ কিলোগ্ৰাম।
১ লিটারে ১০০০ ঘনসেন্টিমিটার।

৪. ১ হেক্টরে ১০, ০০০ বর্গমিটার

৫. ‌১ মিলিগ্ৰামে ১০,০০০০০ মাইক্রো কিলোগ্ৰাম।

৬. ১ নটিক্যাল মাইলে ১৮৫৩.১৮ মিটার/ ১.১৫
মাইল/ ১.৮৫ কিলোমিটার।

৭. ১ নটে - স্থলপথের ১.৪ মাইল।

৮. ১ কিলোমিটারে ০.৬২ মাইল।

৯. ১ পাউন্ড সমান ০.৪৫৪৫ কিলোগ্ৰাম (কেজি)।

১০. ১ এম্পায়ার সমান ১০,০০০০০ মাইক্রো এম্পায়ার।

১১. ১ kg -wt এ ৯.৮ নিউটন‌।

১২. ১ এইচপি(HP) সমান ৭৪৬ ওয়াল্ট(Walt)।

১৩. ১ বর্গ ইঞ্চিতে ৬.৪৫ বর্গসেন্টিমিটার।

১৪. ১ কুইন্টাল সমান ১০০ কিলোগ্ৰাম(kg)।

১৫. অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি।

১৬. বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি- মেরু অঞ্চলে।

১৭. ১ ঘনমিটার পানির ভর ১০০০ কিলোগ্ৰাম(kg)।

১৮. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে আয়তনের একক -
ঘনমিটার।

১৯. পদার্থের ভর পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক-
কিলোগ্ৰাম।

২০. যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন কোনো জড় মাধ্যমে এক
স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু
মাধ্যমের কণাগুলোকে স্থানান্তরিত করে না-
তরঙ্গ।

২১. তরঙ্গ দুই প্রকার, আড় অনুপ্রস্থ তরঙ্গ, লম্বিক বা
তরঙ্গ অনুদৈর্ঘিক।

২২. কোনো একটি কম্পমান বস্তু/কণা এক সেকেন্ডে
যতগুলো পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে, তাকে বলে
তার কম্পাঙ্ক। কম্পাঙ্ক f = N/t

২৩. কম্পাঙ্কের একক - হার্টজ।(Hz)

২৪. শক্তির একটি বিশেষ তরঙ্গরূপ যা আমাদের
কানে শ্রবনের অনুভূতি জাগায় তাকে বলে শব্দ।

২৫. শব্দ সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজন- জড় মাধ্যম।

২৬. চাঁদে শব্দ সঞ্চালনের জড় মাধ্যম অর্থাৎ বায়ু
নেই বলে - চাঁদে শব্দ শোনা যায় না।

২৭. শব্দের বেগের তীব্রতার ক্রম-
কঠিন> তরল> বায়বীয়।

২৮. ভ্যাকিউয়ামে শব্দর বেগ- শূন্য।

২৯. বাতাসের আদ্রতা বেড়ে গেলে শব্দের বেগ-
বেড়ে যায়।

৩০. শব্দের চেয়ে দ্রুতগতিতে যে বিমান চলে তাকে
বলে - সুপারসনিক বিমান।

৩১. কোনো উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ যদি দূরবর্তী কোন
মাধ্যমে বাধা পেয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে
তখন মূল ধ্বনির যে পুনরাবৃত্তি হয় তাকে বলে-
শব্দের প্রতিধ্বনি।

৩২. ১৬.৬ মিটার- শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য
উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী ন্যূনতম দূরত্ব
হওয়া প্রয়োজন।

৩৩. শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্টজ থেকে ২০,০০০
হার্টজ এর মধ্যে সীমিত থাকলে যে শব্দ শোনা
যায় তা- শ্রাব্যতার সীমা।

৩৪. যে শব্দ তরঙ্গের কম্পঙ্ক ২০,০০০ হার্টজের চেয়ে
বেশি তাকে বলে- শ্রবণোত্তর বা শব্দোত্তর তরঙ্গ।
(Ultrasonic বা Supersonic waves)

৩৫. তাপ/ মাধ্যমের ঘনত্ব বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের
দ্রুতি - বেড়ে যায়।

৩৬. লোহার মাধ্যমে শব্দ বাতাসের তুলনায়-
১৫ গুণ দ্রুত চলে।

৩৭. শব্দের তীক্ষ্মতা নির্ভর করে - শব্দ তরঙ্গের
বিস্তারের উপর।

৩৮. একটিমাত্র কম্পাঙ্কবিশিষ্ট শব্দকে বলে- সুর।

৩৯. একাধিক কম্পাঙ্কবিশিষ্ট শব্দকে বলে- স্বর।

৪০. শ্রবোণোত্তর শব্দ(Ultrasonic Sound)
সাধারণভাবে শুনতে পায় না- মানুষ।

৪১. আলট্রাসনোগ্ৰাফি হলো- ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যৈর
শব্দের দ্বারা ইমেজিং।

৪২. শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়-
অডিওমিটারের মাধ্যমে।(ডেসিবেলে)

26/10/2020

সাধারণ বিজ্ঞান

পর্ব: ০৪

১. ভৌত জগতে যা কিছু পরিমাপযোগ্য তাই রাশি।

২. রাশি দুই প্রকার- মৌলিক ও লব্ধ রাশি।

৩. মৌলিক রাশি কাকে বলে?
উত্তর: যে সকল রাশি অন্য রাশির উপর নির্ভর
করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের উপর নির্ভর
করে তাদেরকে মৌলিক রাশি বলে।

৪. মৌলিক রাশি স্বাধীন বা নিরপেক্ষ।

৫. ল ব্ধ রাশি কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সকল রাশি মোলিক রাশির উপর
‌ নির্ভর করে বা মৌলিক রাশি থেকে লাভ করা
যায় তাদেরকে লব্ধ রাশি বলে।

৬. পানির গভীরতা পরিমাপের একক হলো ফ্যাদম।

৭. এক ফ্যাদমে কত ফুট? উত্তর: ৬ ফুট।

৮. CGS এর পূর্ণরূপ কী?
Centimetre Gram Second System.

৯. FPS এর পূর্ণরূপ কী?
Foot Pound Second System.

১০. MKS এর পূর্ণ রূপ কী?
Meter Kilogram Second System.

১১. ISO এর পূর্ণ রূপ কী?
International Organization for
Standardization.

১২. আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি চালু হয় কখন?
উত্তর: ১৯৬০ সালে।

১৩. SI এর পূর্ণ রূপ কী?
International System of Units.

১৪. SI বা আন্তর্জাতিক/এমকেএস পদ্ধতিতে
দৈর্ঘ্যের/ একক- মিটার।

১৫. সিজিএস পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যর একক- সেন্টিমিটার।

১৬. এফপিএস পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যর একক - ফুট।

১৭. SI বা আন্তর্জাতিক/এমকেএস পদ্ধতিতে ভরের
একক-কিলোগ্ৰাম

১৮. CGS পদ্ধতিতে ভরের একক- গ্ৰাম।

১৯. FPS পদ্ধতিতে ভরের একক- পাউন্ড।

২০. SI বা আন্তর্জাতিক/এমকেএস / সিজিএস/
এফপিএস পদ্ধতিতে সময়ের একক- সেকেন্ড।

২১. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে তাপমাত্রার/ উষ্ণতার
একক কে বলে- কেলভিন।

২২. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে দীপন ক্ষমতার একক
কে বলে - ক্যান্ডেলা।

২৩. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে পদার্থের পরিমাণর
একক কে বলা হয়- মোল।

২৪. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে তড়িৎ প্রবাহের একক
হলো - আম্পিয়ার।

২৫. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে সরণের একক- মিটার।

২৬. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে বেগ/দ্রুতির একক কে
বলা হয় - মিটার/সেকেন্ড।

২৭. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ত্বরণের একক কে বলা
হয় - মিটার / সেকেন্ড স্কোয়ার।

২৮. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে বলের একক- নিউটন।

২৯. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে কাজ/শক্তি/বল এর
একক কে বলা হয়- জুল।

৩০. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ক্ষমতার একক- ওয়াট।

৩১. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে ঘনত্বের একক কে বলা
হয় - কিলোগ্ৰাম/ মিটার।

৩২. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে চাপের একক কে বলা
হয় - প্যাসকেল।

৩৩. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে কপাঙ্কের একক- হার্জ।

৩৪. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে আধানের একক-কুলম্ব।

৩৫. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে রোধের একক- ওহম।

৩৬. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে পরিবাহিতার একক
কে বলা হয় - সিমেন্স।

৩৭. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে তেজস্ক্রিয়তার একক
কে বলা হয়- বেকেরেল।

৩৮. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে এক্সরের একক কে
বলা হয়- রন্টজেন।

৩৯. আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে লেন্সের ক্ষমতার একক
কে বলা হয়- ডায়অপ্টার।

৪০. বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক- ক্যালরি

৪১. ১ মিটারে ১০০০ মিলিমিটার।/ ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।

৪২. ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার।

26/10/2020

সাধারণ বিজ্ঞান

পর্ব: ০৩

১. উচ্চতা নির্ণয়ের যন্ত্রকে বলে- অলটিমিটার।

২. বিদ্যুৎ প্রবাহ মাপার যন্ত্রকে বলে- অ্যামিটার‌।

৩. বাতাসের গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রকে কী বলে?
উত্তর: অ্যানিমোমিটার

৪. শক্তি পরিমাপক যন্ত্রকে বলে অ্যানিমোমিটার।

৫. শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার।

৬. মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।

৭. তাপ পরিমাপক যন্ত্র - ক্যালরিমিটার।

৮.হৃৎপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - কার্ডিওগ্রাফ।

৯.সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়াক যন্ত্র - ক্রোনোমিটার।

১০.সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্রকে কী বলে?
ক্রোনোমিটার

১১.ক্ষুদ্র মাপের বিদ্যুৎ প্রবাহের অস্তিত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র
কে কী বলে? গ্যালভানোমিটার

১২.যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরকরণ
যন্ত্রকে কী বলে? জেনারেটর

১৩. উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র কে কী বলে?
ট্যাকোমিটার

১৪. পানির নিচের মাটি কাটার যন্ত্র কে বলে ড্রেজার।

১৫. সাবমেরিন থেকে সমুদ্রের উপরের জাহাজ দেখার
যন্ত্র কে কী বলে? পেরিস্কোপ

১৬. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।

১৭. বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার।

১৮. গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার।

১৯. দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ল্যাক্টোমিটার।

২০. ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্র - সিসমোমিটার।

২১. ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র কে বলে সিসমোগ্রাফ।

২২. মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র কে কী বলে?
স্ফিগমোম্যানোমিটার।

২৩. হৃৎপিণ্ডের শব্দ নিরুপক যন্ত্র - স্টেথোস্কোপ।

২৪. ফুসফুসের শব্দ নিরুপক যন্ত্র - স্টেথোস্কোপ।

২৫. সূর্য অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক
যন্ত্র কে কি বলে? সেক্সট্যান্ট

২৬. তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র
কোনটি? হাইড্রোমিটার।

২৭. পানির তলায় শব্দ নিরূপণের যন্ত্র - হাইড্রোফোন।

২৮. বৃষ্টি পরিমাপক যন্ত্র কে বলে রেইনগেজ।

২৯. পানির তলায় তেলের সঞ্চয় নির্ণয়ক যন্ত্র কে কী
বলে? গ্রাডিমিটার।

৩০. জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র কে কী বলে?
উত্তর: জাইরোকম্পাস।

৩১. উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র - ক্রেসকোগ্রাফ।

৩২. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা যায় কীসের
সাহায্যে? প্রতিধ্বনি

৩৩. শব্দের তীক্ষ্মতার মাত্রা নির্ণয়ের একক
কোনটি? ডেসিবল

৩৪. হর্সপাওয়ার হলো ক্ষমতা পরিমাপের একক।

৩৫. রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল অনুসন্ধান করার যন্ত্রকে
কী বলে? গাইগার মুলার কাউন্টার

৩৬. বাতাসের আর্দ্রতা নির্ণয়ক যন্ত্রকে কী বলে?
হাইগ্রোমিটার

৩৭. তারের ব্যাসার্ধ, ছোট দৈর্ঘ্য ইত্যাদি পরিমাপ
করার যন্ত্রের নাম- স্ক্রু গজ।

৩৮. শব্দ রেকর্ড করার যন্ত্রকে বলে- ফনোগ্রাফ।

৩৯. মিথ্যা ধরার যন্ত্র কে বলে- পলিগ্রাফ।

৪০. সময় নির্ণয় করার যন্ত্র হচ্ছে- ক্রোনোমিটার।

26/10/2020

সাধারণ বিজ্ঞান
পর্ব: ০২

০১. টেলিস্কোপের আবিষ্কারক- গ্যালিলিও(ইতালি)।

০২. থার্মোমিটারের আবিষ্কারক কে?
উত্তর: গ্যালিলিও।

০৩. টেলিফোনের আবিষ্কারক কে?
উত্তর: আলেকজান্ডার গ্ৰাহামবেল (যুক্তরাষ্ট্র)।

০৪. মাইক্রোফোনের আবিষ্কারক কে?
উত্তর: আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল (যুক্তরাষ্ট্র)।

০৫. ফনোগ্রাফের আবিষ্কারক কে?
উত্তর: টমাস আলভা এডিসন ( যুক্তরাষ্ট্র)।

০৬. বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক কে?
টমাস আলভা এডিসন (যুক্তরাষ্ট্র)।

০৭. এক্সরের আবিষ্কারক- রন্টজন (জার্মানি)।

০৮. লেজারের আবিষ্কারক কে?
উত্তর: টিএইচ মাইম্যান (যুক্তরাষ্ট্র)।

০৯. তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক কে?
উত্তর: হেনরি বেকেরেল (ফ্রান্স)।

১০. ফিশন আবিষ্কারক অটোহ্যান (জার্মানি)।

১১. পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
উত্তর: ওপেনহেইমার (যুক্তরাষ্ট্র)।

১২. রেডিয়ামের আবিষ্কারক কে?
উত্তর: মাদাম কুরি(পোল্যান্ড)

১৩. পলোনিয়ামের আবিষ্কারক কে?
উত্তর:মাদাম কুরি (পোল্যান্ড)।

১৪. ডিনামাইটের আবিষ্কারক কে?
উত্তর: আলফ্রেড নোবেল (সুইডেন)।

১৫. রাডার এর আবিষ্কারক কে?
এএইচ টেলর এবং লিও সি ইয়ং (যুক্তরাষ্ট্র)।
১৬. প্লবতার আবিষ্কারক কে?
আর্কিমিডস (সিসিলি, ইতালি)।

১৭. বিদ্যুতের আবিষ্কারক কে?
উইলিয়াম গিলবার্ট (যুক্তরাজ্য)।

১৮. ক্যালকুলেটরের আবিষ্কারক কে?
গটফ্রাইড উইলহেম লিমানিজ (জার্মানি)।

১৯. বাষ্প ইঞ্জিনের আবিষ্কারক কে?
জেমসওয়াট (স্কটল্যান্ড)।

২০. টেলিভিশনের আবিষ্কারক কে?
জন লগি বেয়ার্ড (যুক্তরাষ্ট্র)।

২১. রেডিওর আবিষ্কারক - জি. মার্কনী ( ইতালি )।

২২. রেফ্রিজারেটরের আবিষ্কারক কে?
জেমস হ্যারিসন (যুক্তরাষ্ট্র)।

২৩. ডিজেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক কে?
‌ রুডলফ ডিজেল (জার্মানি)।

২৪. পেট্রোল ইঞ্জিনের আবিস্কারক কে?
নিকোলাস অটো (জার্মানি)

২৫. রেলওয়ে ইঞ্জিনের আবিস্কারক কে ?
স্টিফেনসন (যুক্তরাজ্য)।

২৬. কম্পিউটারের আবিষ্কারক কে?
হাওয়ার্ড এইকেন (যুক্তরাষ্ট্র)।

২৭. ডায়নামোর আবিষ্কারক কে?
মাইকেল ফ্যারাডে (যুক্তরাজ্য)।

২৮. অক্সিজেনের আবিষ্কারক কে?
জোসেফ প্রিস্টিলি (যুক্তরাজ্য)।

২৯. হাইড্রোজেনের আবিষ্কারক কে?
হেনরি ক্যাভেন্ডিস (যুক্তরাজ্য)।

৩০. ইলেকট্রনের আবিষ্কারক- থমসন (যুক্তরাজ্য)।

৩১. প্রোটনের আবিষ্কারক- রাদারফোর্ড (যুক্তরাষ্ট্র)।

৩২. নিউট্রনের আবিষ্কারক - চ্যাডউইক (যুক্তরাজ্য)।

৩৩. বৈদ্যুতিক কোষের আবিষ্কারক কে?
আলেসান্দ্রো ভোল্টা (ইতালি)।

৩৪. শুষ্ককোষের আবিষ্কারক কে?
জর্জেস লেকল্যান্স (ফ্রান্স)।

৩৫. পারমাণবিক সংখ্যার আবিষ্কারক কে?
মোসলে (যুক্তরাজ্য)।

৩৬. ব্যারোমিটার আবিষ্কার করেন- টরিসেলি।

৩৭. মিথ্যা ধরার যন্ত্র আবিষ্কার করে- জন এ লারসন।

৩৮. অক্সিজেন আবিষ্কৃত হয় কত সালে? ১৭৭৪

৩৯. রেডিও আবিষ্কার হয় ১৮৯৪ সালে।

৪০. নিউট্রন আবিষ্কার হয় ১৯৩২ সালে।

26/10/2020

সাধারণ বিজ্ঞান
পর্ব : ০১

০১. যে শাখায় পদার্থ ও শক্তি নিয়ে আলোচনা
করা হয় তাকে কী বলে? উঃ : পদার্থ বিজ্ঞান

০২. পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রবক্তা কে?
উত্তর: রজার বেকন।

০৩. দোলকীয় গতি পর্যালোচনা করেন কে?
উত্তর: হাইগেন।

০৪. ঘড়ির যান্ত্রিক কৌশলের বিকাশ ঘটান কে?
উত্তর: হাইগেন

০৫. আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের উদ্ভাবন কে করেন?
উত্তর: হাইগেন।

০৬. ধাতুর ভেজাল নির্ণয়ের সূত্র কে আবিষ্কার করে?
উত্তর: প্রাচীন গ্ৰিক গণিতবিদ আর্কিমিডস।

০৭. গোলীয় দর্পনণের সাহায্যে সূর্যকে কেন্দ্রীভূত
করে আগুন ধরানোর কৌশল কে আবিষ্কার
করে? উত্তর: প্রাচীন গ্রিক গণিতবিদ আর্কিমিডস।

০৮. কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে আলোক তড়িৎ
ক্রিয়ার তত্ত্ব প্রদান করেন কে?
উত্তর: আলবার্ট আইনস্টাইন।

০৯. আলোর প্রতিসরণের সূত্র আবিষ্কার করেন কে?
উত্তর: স্নেল।(জার্মানির)

১০. আগুন, মাটি, পানি, বায়ু- এই চারটি মৌলের
ধারণা কে প্রদান করে? উত্তর: পিথাগোরাস।

১১. গণিতের ক্যালকুলাস শাখার প্রবর্তন কে করে?
উত্তর: আইজ্যাক নিউটন।

১২. বীজ গণিতের জনক কে? উত্তর: মুহাম্মদ ইবনে
আল খোয়ারজিমি ও ডিওফেন্টাস।

১৩. জ্যামিতির জনক কে? উত্তর: ইউক্লিড।

১৪. The elements বইটি কার লেখা?
উত্তর: ইউক্লিড।

১৫. ত্রিকোণমিতির জনক কে? উত্তর: হিপ্পারকাস।

১৬. বিজ্ঞানবিষয়ক প্রতিষ্ঠান রয়েল একাডেমী কত
সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? ১৬৬০ সালে।(ইংল্যান্ড)

১৭. গতিবিদ্যার জনক কে? উঃ গ্যালিলিও (ইতালি)

১৮. প্রাচীন ও মধ্যযুগের রসায়ন চর্চা পরিচিত ছিল-
আল-কেমি নামে।

১৯. আল কেমি শব্দটি উদ্ভূত- আরবি আল কেমিয়া।

২০. আল-কেমিয়া বলতে- মিশরীয় সভ্যতা বুঝায়।

২১. আধুনিক রসায়নের জনক কে?
ব্রিটিশ রসায়নবিদ জন ডাল্টন।

২২. অন্যতম আধুনিক রসায়নবিদ -
আইরিশ রসায়নবিদ রবার্ট রয়েল।

২৩. নিউক্লিয়াস কিভাবে আবিষ্কার হয়?
আলফা-কণা পরীক্ষার সাহায্যে।

২৪. আলফা কণা কখন পরীক্ষা করা হয়? ১৯১১।

২৫. নিউক্লিয়াস কখন আবিষ্কার হয়? ১৯১১ সালে।

২৬. আলফা-কণা পরীক্ষার সাহায্যে নিউক্লিয়াস কে
আবিষ্কার করেন? উত্তর: আর্নেস্ট রাদারফোর্ড।

২৭. আর্নেস্ট রাদারফোর্ড জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
নিউজিল্যান্ডে।

২৮. পর্যায় সারণির জনক- দিমিত্রি মেন্ডেলিফ।

২৯. "পরমাণু অবিভাজ্য তাদের সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই"
মতবাদটির প্রবক্তা কে? জন ডাল্টন।

৩০. রসায়ন এর শ্রেণীবিভাগ- বস্তুবিজ্ঞান।

৩১. স্টিফেন হকিং বিশ্বের বিখ্যাত পদার্থবিদ।

৩২. বিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের কাজে লাগানোর
জন্য কোন বিজ্ঞানীর অবদান সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: টমাস আলভা এডিসন।

৩৩. উপাত্ত সংগ্রহের সাক্ষাৎকার গ্রহণ প্রক্রিয়া
একটি প্রাথমিক উপাত্ত সংগ্রহ পদ্ধতি।

৩৪. বস্তুর আপেক্ষিক ভর তত্ত্বের জনক কে?
উত্তর: আইনস্টাইন।

৩৫. রসায়ন বস্তু /পদার্থের গঠন, প্রস্তুত প্রণালি,
ধর্মাবলি, ব্যবহার, তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবর্তন
প্রভৃতি সুস্পষ্ট বিধিযোগে পর্যালোচনা করে।

22/10/2020

ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পর্ব: ০৬

১. বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।

২. উত্তর অক্ষরেখা- ২০°৩৪`-২৬°৩৮` ।

৩. পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ৮৮°০১` - ৯২°৪১`।

৪. বাংলাদেশ পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত- ৪০০ কিমি।

৫. দক্ষিণ-পূর্ব পর্যন্ত ৭৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত।

৬. ঢাকার প্রতিপাদ স্থান- চিলির নিকটে প্রশান্ত
মহাসাগরে অবস্থিত।

৭. কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে-
বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে‌।

৮. কর্কটক্রান্তি অর্থ- ট্রপিক অব ক্যান্সার।

৯. কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে- চুয়াডাঙ্গা,
ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা,
মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও
রাঙ্গামাটি জেলার উপর দিয়ে।

১০. ৯০° দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে- শেরপুর,
জামালপুর, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর,
মাদারিপুর, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, বরিশাল
ও বরগুনা জেলার উপর দিয়ে।

১১. বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান কোনটি?
উত্তর: জায়গীরজোত/ বাংলাবান্ধা উপজেলা
তেঁতুলিয়া জেলা- পঞ্চগড় বিভাগ- রংপুর।

১২. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান কোনটি?
উত্তর: ছেড়াদ্বীপ/ সেন্টমার্টিনদ্বীপ উপজেলা-
টেকনাফ জেলা- কক্সবাজার বিভাগ- চট্টগ্রাম।

১৩. বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান কোনটি?
উত্তর: আখাইনঠৎ উপজেলা- থানচি
জেলা- বান্দরবান বিভাগ- চট্টগ্রাম।

১৪. বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান- মনাকষা
উপজেলা- শিবগঞ্জ জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বিভাগ- রাজশাহী।

১৫. বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বের স্থান-
উপজেলা-জকিগঞ্জ জেলা ও বিভাগ- সিলেট।

১৬. বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের স্থান কোনটি?
উত্তর: উপজেলা- শ্যামনগর জেলা-
সাতক্ষীরা বিভাগ- খুলনা।

১৭. বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বের স্থান- উপজেলা-
টেকনাফ জেলা- কক্সবাজার বিভাগ- চট্টগ্রাম।

১৮. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের ইউনিয়ন কোনটি?
উত্তর: সেন্টমার্টিন দ্বীপ।

১৯. সেন্টমার্টিনের স্থানীয় নাম- নারকেল জিঞ্জিরা।

২০. বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ দ্বীপ- ভোলা।

২১. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি?
উত্তর: মহেশখালী।

২২. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ- সুন্দরবন।

২৩. বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী- কক্সবাজার।

২৪. বাংলাদেশের কুয়েত সিটি- খুলনা অঞ্চল।

২৫. নদীমাতৃক দেশ- বাংলাদেশ।

২৬. মসজিদের শহর/রিক্সার নগরী- ঢাকা।

২৭. বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার/বাণিজ্যিক রাজধানী/
বার আউলিয়ার শহর- চট্টগ্রাম।

২৮. বাংলার শস্য ভান্ডার- বরিশাল/ বাংলার
ভেনিস বলা হয়- বরিশালকে।

২৯. সাগরকন্যা- কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।

৩০. ৩৬০ আউলিয়ার আবাসভূমি- সিলেট।

৩১. কুমিল্লার দুঃখ- গোমতী নদী।

৩২. প্রাচ্যের ডান্ডি- নারায়ণগঞ্জ।

৩৩. উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার- বগুড়া।

৩৪. পাহাড়-পর্বত ও রহস্যের লীলীভূমি- বান্দরবান।

৩৫. বাংলাদেশের পুরনো/পূর্ব নাম কী ছিল?
উত্তর: বং /বঙ্গ/ বাঙালা/ সুবে বাঙলা।

৩৬. উত্তরবঙ্গের পুরনো/পূর্ব নাম- বরেন্দ্রভূমি।

৩৭. ঢাকার পুরনো নাম কি ছিল?
উত্তর: জাহাঙ্গীরনগর, ঢাবেকা, ঢুক্কা।

৩৮. দিনাজপুরের পুরনো নাম- গন্ডোয়াল্যান্ড।

৩৯. চট্টগ্রামের পুরনো/পূর্ব নাম কোনটি?
উঃ ইসলামাবাদ/পোরটো গ্ৰানডে/শাতিলগঞ্জ।

৪০. শরীয়তপুরের পুরনো নাম- ইদ্রাকপুর পরগনা।

৪১. খুলনার পুরনো/পূর্ব নাম - জাহানাবাদ।

৪২. বাগেরহাটের পুরনো নাম ছিল- খলিফাতাবাদ।

৪৩. বরিশালের পুরনো/পূর্ব নাম কোনটি?
উত্তর: চন্দ্র দ্বীপ/ বাকলা/ইসমাইলপুর।

৪৪. ময়মনসিংহের পুরনো/পূর্ব নাম- নাসিরাবাদ।

৪৫. সিলেটের পূর্ব নাম- শ্রীহট্ট। সুলতানী আমলে
সিলেটের নাম ছিল- জালালাবাদ।

৪৬. নোয়াখালীর পূর্ব নাম ছিল- সুধারাম/ভুলুয়া।

৪৭. কুষ্টিয়ার পূর্ব নাম ছিল- নদীয়া।

৪৮. জামালপুরের পূর্ব নাম- সিংহজানী।

৪৯. মুন্সীগঞ্জের পূর্ব নাম- বিক্রমপুর।

৫০. কুমিল্লার পূর্ব নাম- ত্রিপুরা/পরগণা।

৫১. ফেনীর পূর্ব নাম- শমশেরনগর।

৫২. কক্সবাজারের পূর্ব নাম- পালংকি/বাকুলিয়া।

৫৩. ময়নামতির পূর্ব নাম- রোহিতগিরি।

৫৪. মহাস্থানগড়ের পূর্ব নাম- পুন্ড্রনগর।

৫৫. গাইবান্ধার পূর্ব নাম- ভবানীগঞ্জ।

৫৬. ফরিদপুরের পূর্ব নাম- ফতেহাবাদ।

৫৭. বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন কোনটি?
আয়তন ও জনসংখ্যায় বাংলাদেশর ক্ষুদ্রতম
ইউনিয়ন- ভোলার দৌলতখান উপজেলার
হাজিপুর ইউনিয়ন। আয়তন ২২৩ একর/
০.৯০২৪৪৮ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ২৪৪১।

৫৮. আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম
জেলা কোনটি? রাঙ্গামাটি।

৫৯. মায়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।

৬০. এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে গিয়েছে-
৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা।

৬১. সমুদ্র সমতল থেকে উচ্চতার দিক থেকে
সবচেয়ে নিচু দেশ- মালদ্বীপ (১.৫ মিটার উঁচু)

৬২. এশিয়ার দক্ষিণ ভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে-
কর্কটক্রান্তি রেখা।

৬৩. সংযুক্তির পূর্বে উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
কোন অক্ষরেখা দ্বারা চিহ্নিত ছিল?
উত্তর: ১৭° সমান্তরাল রেখা।

৬৪. মাইক্রোনেশিয়া নামে পরিচিত- ওশেনিয়া
মহাদেশের নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দ্বীসমূহ।

৬৫. পলিনেশিয়ার দ্বীপগুলো অবস্থিত- মধ্য ও
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে।

৬৬. মিলেনেশিয়ার দ্বীপগুলো পশ্চিম প্রশান্ত
মহাসাগরে অষ্ট্রেলিয়ার উত্তর ও উত্তর-পূর্বে।

৬৭. উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর ভৌগোলিক
সীমারেখার বৈশিষ্ট্য- জ্যামিতিক সীমারেখা।

৬৮. সোনালি আশের দেশ/নীরব খনির দেশ/ ভাটির
দেশ - বাংলাদেশ।

৬৯. পঞ্চনদের দেশ - পাঞ্জাব।

৭০. বজ্রপাতের দেশ - ভুটান।

৭১. সূর্যোদয়ের দেশ/ভূমিকম্পের দেশ- জাপান।

৭২. নিষিদ্ধ শহর ও দেশ - লাসা, তিব্বত।

৭৩. শান্ত দেশ/ শান্ত সকালের দেশ - কোরিয়া।

৭৪. সাদা হাতির দেশ - থাইল্যান্ড।

৭৫. সোনালি প্যাগোডার দেশ/ব্রহ্মদেশ- মায়ানমার।

৭৬. নিশীতে সূর্যের দেশ/ধীবরের দেশ - নরওয়ে।

৭৭. হাজার হ্রদের দেশ/দ্বীপের দেশ - ফিনল্যান্ড।

৭৮. নীলনদের/ পিরামিডের দেশ-মিসর।

৭৯. মরুভূমির দেশ - আফ্রিকা।

৮০. চিরসবুজের দেশ- দ: আফ্রিকার নাটাল প্রদেশ।

৮১. ম্যাপল পাতার দেশ/লিলি ফুলের দেশ- কানাডা।

৮২. মুক্তার দেশ - কিউবা।

৮৩. ক্যাঙ্গারুর দেশ/পশমের দেশ- অষ্ট্রেলিয়া।

৮৪. মেডিটেরিয়নের দেশ - জিব্রাল্টার।

৮৫. সিল্ক রুটের দেশ - ইরান।

৮৬. পশুপালনের দেশ - তুর্কিস্থান।

৮৭. ল্যান্ড অব মার্বেল/মার্বেলের দেশ - ইতালি।

৮৮. নীরব শহর/সাত পাহাড়ের শহর/ চির শান্তির
শহর - রোম(ইতালি)

৮৯. প্রাচীরের দেশ- চীন।

৯০. পঞ্চম ড্রাগনের দেশ - তাইওয়ান।

৯১. সম্মেলনের শহর - জেনেভা (সুইজারল্যান্ড)

৯২. চীনের দুঃখ/ হলদে(পীত) নদী - হোয়াংহো।

৯৩. চীনের নীলনদ - ইয়াংসিকিয়াং।

৯৪. চীনের ধান্যভান্ডার - হুনান প্রদেশ।

৯৫. প্রাচ্যের ভেনিস - ব্যাংকক ( থাইল্যান্ড)

৯৬. প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার - ওসাকা(জাপান)

৯৭. প্রাচ্যের গ্ৰেট ব্রিটেন - জাপান।

৯৮. মসজিদের শহর/রিক্সার নগরী- ঢাকা।

৯৯. বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার/বাণিজ্যিক রাজধানী/
বারো আউলিয়ার শহর- চট্টগ্রাম।

১০০. বাংলার শস্য ভান্ডার- বরিশাল।

১০১. বাংলার ভেনিস- বরিশাল।

১০২. সাগর কন্যা- কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)।

১০৩. ৩৬০ আউলিয়ার আবাসভূমি - সিলেট।

১০৪. কুমিল্লার দুঃখ - গোমতী

১০৫. প্রাচ্যের ডান্ডি- নারায়ণগঞ্জ।

১০৬. উত্তর বঙ্গের প্রবেশদ্বার - বগুড়া।

১০৭. পাহাড়-পর্বত ও রহস্যের লীলাভূমি- বান্দরবান।

১০৮. কুয়াকাটা কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত।

১০৯. মন্দিরের শহর- বেনারস (ভারত)

১১০. গোলাপি শহর - জয়পুর(ভারত)

১১১. রাজপ্রাসাদের শহর - কলকাতা(ভারত)

১১২. নিশ্চুপ সড়ক শহর - ভেনিস (ইতালি)

১১৩. পোপের শহর - ভ্যাটিকান সিটি।

১১৪. আলোর শহর/City of culture অর্থাৎ
সংস্কৃতির শহর প্যারিস(ফ্রান্স)

১১৫. উদ্যানের/বাতাসের শহর - শিকাগো(যুক্তরাষ্ট্র)

১১৬. বাজারের শহর - কায়রো (মিশর)

১১৭. সোনালি তোরণের শহর- সানফ্রান্সিসকো।

১১৮. গ্ৰানাইটের শহর - এবারডিন (স্কটল্যান্ড)

১১৯. মটর গাড়ির শহর- ডেট্রয়েট (যুক্তরাষ্ট্র)

১২০. সাদা শহর- বেলগ্ৰেট(সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো)

১২১. ঝরনার শহর - তাসখন্দ(উজবেকিস্তান)

১২২. The City of Flowering Trees-
হারারে(জিম্বাবুয়ে)।

১২৩. ট্র্যাক্সির নগরী - মেক্সিকো সিটি ( মেক্সিকো)।

১২৪. নিমজ্জমান নগরী - হেগ(নেদ্যারল্যান্ড)।

১২৫. দ্বীপের নগরী/শহর - ভেনিস (ইতালি)।

১২৬. রজত/রৌপ্যের নগরী-আলজিয়ার্স,আলজেরিয়া

১২৭. স্বর্ণ নগরী - জোহানেসবার্গ (দক্ষিণ আফ্রিকা)।

১২৮. জাঁকজমকের নগরী- নিউইয়র্ক।

১২৯. গগণচুম্বী অট্টালিকার শহর- নিউইয়র্ক।

১৩০. স্কাইস্ক্রেপারের শহর- নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)।

১৩১. চির বসন্তের নগরী - কিটো(ইকুয়েডর)।

১৩২. পৃথিবীর ছাদ- পামীর মালভূমি।

১৩৩. পৃথিবীর গুদামঘর- মেক্সিকো।

১৩৪. পৃথিবীর সুন্দর দ্বীপ - ট্রিস্টিয়ান-ডি-কানা(ফ্রান্স)।

১৩৫. পৃথিবীর ব-দ্বীপ- বাংলাদেশ।

১৩৬. পৃথিবীর রাজধানী - নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)

১৩৭. পৃথিবীর চিনির আধার - কিউবা।

১৩৮. পৃথিবীর কসাইখানা - শিকাগো।

১৩৯. পাকিস্তানের প্রবেশদ্বার কোনটি? উঃ করাচি।

১৪০. ভারতের প্রবেশদ্বার - মুম্বাই।

১৪১. ইউরোপের প্রবেশদ্বার - ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া)।

১৪২ কানাডার প্রবেশদ্বার - সেন্ট-লরেন্স।

১৪৩. ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার/চাবি - জিব্রাল্টার।

১৪৪.মুক্তার দ্বীপ কোন দেশ? উত্তর: কিউবা

১৪৫. আগুনের দ্বীপ - আইসল্যান্ড।

১৪৬. লবঙ্গ দ্বীপ - জাঞ্জিবার(তানজানিয়া)।

১৪৭. পান্নার দ্বীপ - আয়ারল্যান্ড।

১৪৮. দ্বীপ মহাদেশে - অস্ট্রেলিয়া।

১৪৯. ভারতের রোম - দিল্লি।

১৫০. ভারতের উদ্যান - লক্ষ্ণৌ।

১৫১. দক্ষিণ ভারতের উদ্যান - তাঞ্জোর।

১৫২. ইউরোপের রুগ্ন মানুষ - তুরস্ক।

১৫৩. ইউরোপের ককপিট/রণক্ষেত্র- বেলজিয়াম।

১৫৪. ইউরোপের বুট - ইতালি।

১৫৫. ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গন - সুইজারল্যান্ড।

১৫৬. ইউরোপের স'মিল - সুইডেন।

১৫৭. ভূ-স্বর্গ বলা হয় - কাশ্মীরকে।

১৫৮. পবিত্র ভূমি - জেরুজালেম।

১৫৯. সকাল বেলার শান্তি- কোরিয়া।

১৬০. সমুদ্রের বধূ - গ্ৰেট ব্রিটেন।

১৬১. অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশে - আফ্রিকা।

১৬২. বিগ আপেল - নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র)।

১৬৩. বিশ্বের রুটির ঝুড়ি -উত্তর আমেরিকার প্রেইরি।

১৬৪. দক্ষিণের রাণী - সিডনি (অস্ট্রেলিয়া)।

১৬৫. বৃহদাকার চিড়িয়াখানা - আফ্রিকা।

১৬৬ সোভিয়েত ইউনিয়নের শস্যভাণ্ডার- ইউক্রেন।

১৬৭. Abode of Peace - বাগদাদ।

১৬৮. নীল পর্বত হিসেবে পরিচিত - নীলগিরি।

১৬৯. সোনার অন্তঃপুর - ইস্তাম্বুল (তুরস্ক)।

১৭০. ব্রিটেনের বাগান - কেন্ট(ইংল্যান্ড)।

১৭১. আদ্রিয়াতিকের দয়িতা/রানি/পত্নী হিসেবে
পরিচিত- ভেনিস (ইতালি)।

১৭২. হারকিউলিসের স্তম্ভ - জিব্রাল্টার মালভূমি।

১৭৩. উত্তরের ভেনিস - স্টটকহোম (সুইডেন)।

১৭৪. শ্বেতাঙ্গদের কবরস্থান - গিনিকোস্ট।

১৭৫. আফ্রিকার হৃদয় - সুদান।

১৭৬. দক্ষিণের গ্ৰেট ব্রিটেন - নিউজিল্যান্ড।

১৭৭. পশ্চিমের জিব্রাল্টার - কুইবেক (কানাডা)।

১৭৮. The Cape of Good Hope হিসেবে
পরিচিত- দক্ষিণ আফ্রিকা

১৭৯. Country of Copper - জাম্বিয়া।

১৮০. Pearl of Africa - উগান্ডা।

১৮১. চিকেন নেক কোনটি? উ: শিলিগুড়ি করিডোর।

১৮২. বেলিজের পূর্ব নাম - ব্রিটিশ হন্ডুরাস।

১৮৩. ইকুয়েডর দেশটির নাম যে ভৌগোলিক রেখার
নামানুসারে রাখা হয়েছে - বিষুব রেখা।

১৮৪. বিষুব রেখা ইংরেজি - Equator।

১৮৫. প্রাচ্যের অক্সফোর্ড- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

21/10/2020

ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পর্ব: ০৫

৪০১. সৌরজগতের কোন গ্ৰহগুলো বেশি উজ্জ্বল?
উত্তর: বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি।

৪০২. কম উজ্জ্বল গ্ৰহ- ইউরেনাস ও নেপচুন।

৪০৩. বুধ, শুক্র ও মঙ্গল- পৃথিবীর চেয়ে ছোট।

৪০৪. সৌরজগতের কোন পৃথিবীর চেয়ে বড়?
উত্তর: বৃহস্পতি ,শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

৪০৫. পৃথিবীর চেয়ে বড় গ্রহ গুলি- রাক্ষুসে গ্রহ।

৪০৬. বুধ, শুক্র, পৃথিবী ও মঙ্গল হলো- অন্তঃস্থ গ্রহ।

৪০৭. সৌরজগতের বহিঃস্থ গ্রহ কোনগুলো?
উত্তর: বৃহস্পতি, শনি, ইউরোনাস, নেপচুন।

৪০৮. টেরেস্ট্রিয়াল গ্ৰহ কোনগুলো?
উত্তর: বুধ, শুক্র, মঙ্গল ও পৃথিবী।

৪০৯ . শিলাময় উপাদান দিয়ে গঠিত কোন গ্ৰহ?
টেরিস্ট্রিয়াল গ্ৰহ।

৪১০. পৃষ্ঠতল শক্ত- টেরিস্ট্রিয়াল গ্ৰহের।

৪১১. কোনো রিং নেই- টেরিস্ট্রিয়াল গ্ৰহের।

৪১২. উপগ্ৰহ কম/নেই- টেরিস্ট্রিয়াল গ্ৰহের।

৪১৩. টেরিস্ট্রিয়াল গ্ৰহের মধ্যে উপগ্ৰহ নেই- ২টি
গ্ৰহের, বুধ ও শুক্র।

৪১৪. টেরিস্ট্রিয়াল গ্ৰহের মধ্যে উপগ্ৰহ আছে- ২টি
গ্ৰহের, পৃথিবী ও মঙ্গল।

৪১৫. টেরিস্ট্রিয়াল গ্ৰহগুলো আকারে ছোট।

৪১৬. জোভিয়ান গ্ৰহ কয়টি?
৪টি, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

৪১৭. একাধিক উপগ্ৰহ আছে-জোভিয়ান গ্ৰহের।

৪১৮. রিং সিস্টেম রয়েছে- জোভিয়ান গ্ৰহের।

৪১৯. কঠিন পৃষ্ঠতল নেই- জোভিয়ান গ্ৰহের।

৪২০. জোভিয়ান গ্ৰহগুলো আকারে অনেক- বড়।

৪২১. জোভিয়ান গ্ৰহ দুই ধরন- গ্যাস জায়েন্টস ও
বরফ জায়েন্টস।

৪২২. গ্যাস জায়েন্টস- বৃহস্পতি ও শনি।

৪২৩. বরফ জায়েন্টস- ইউরেনাস ও নেপচুন।

৪২৪. গ্যাস জায়েন্টস মূলত হাইড্রোজেন ও
হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।

৪২৫. বরফ জায়েন্টস মূলত- পাথর, বরফ ও পানির
মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস দিয়ে গঠিত।

৪২৬. সৌরজগতের শুক্র গ্রহ ছাড়া বাকি সাতটি গ্ৰহ
সূর্যের চারদিকে- ঘড়ির কাটার বিপরীতে ঘুরে।

৪২৭. রাতের আকাশে খালি চোখে কোন গ্ৰহ দেখা
যায়? বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি।

৪২৮. Geography শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ কি?
উত্তর : ভূগোল।

৪২৯. কোন দেশের ভূগোলবিদ সর্বপ্রথম
Geography শব্দটি ব্যবহার করে? গ্রিস।

৪৩০. সর্বপ্রথম শব্দটি ব্যবহার করে- ইরাটসলেনিস।

৪৩১. ‘পারসেপটিকস অন দ্য নেচার অব জিওগ্রাফি’
কত সালে প্রকাশিত? উত্তর : ১৯৫৯ সালে।

৪৩২. ভূগোলের শাখা কয়টি? উত্তর : ৯টি।

৪৩৩. মহাকাশে অসংখ্য কি রয়েছে? জ্যোতিষ্ক।

৪৩৪. মহাকাশে এক বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক কোনটি?
উত্তর: ধুমকেতু।(Comet)

৪৩৫. নক্ষতগুলো্র মূলত- জ্বলন্ত বাষ্পপিণ্ড।

৪৩৬. নিজস্ব আলো ও উত্তাপ আছে কার? নক্ষত্রের।

৪৩৭. চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময
লাগে? উত্তর : ১ মি. ২০/৩০ সে.।

৪৩৮. সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?
উত্তর : প্রক্সিমা সেন্টারাই।

৪৩৯. সূর্য থেকে প্রক্সিমা সেন্টোরায় এর দূরত্ব কত?
৪.২৫ আলোকবর্ষ।

৪৪০. পৃথিবী থেকে প্রক্সিমা সেন্টোরাই এর দূরত্ব
কত? ৩৮ লাখ কোটি কিমি/৪.২ আলোকবর্ষ।

৪৪১. সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর নিকটতম
নক্ষত্রপুঞ্জ- আলফা সেন্টরাই।

৪৪২. আলফা সেন্টরাই তারাগুলো হলো- আলফা
সেন্টরাই এ, আলফা সেন্টরাই বি ও আলফা
সেন্টরাই সি।

৪৪৩. আলফা সেন্টরাই সি এর অপর নাম কি?
উত্তর: প্রক্সিমা সেন্টরাই।

৪৪৪. প্রক্সিমা সেন্টরাই কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: রবার্ট আইনেস।

৪৪৫. প্রক্সিমা সেন্টরাই আবিষ্কার করে- ১৯১৫ সালে।

৪৪৬. রবার্ট আইনেস- স্কটিশ জ্যোতির্বিদ।

৪৪৭. ছায়াপথ কোন আকাশে দেখা যায়?
উত্তর : উত্তর-দক্ষিণ।

৪৪৮. উল্কার(Meteor) অপর নাম কি?
উত্তর : ছুটন্ত তারা।

৪৪৯. কোন শব্দ থেকে ধূমকেতু (comet) শব্দটি
এসেছে? উত্তর : গ্রিক শব্দ komet থেকে।

৪৫০. Komet অর্থ কি? উত্তর : এলোকেশী

৪৫১. গ্রহের নিজস্ব কি নেই? উত্তর : আলো ও তাপ।

৪৫২. সূর্যগ্ৰহণ সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণী দেন- থেলিস।

৪৫৩. সূর্যের কেন্দ্রের উত্তাপ কত?
উত্তর : ১৫০,০০০,০০০° সেলসিয়াস।

৪৫৪. শুক্রের বায়ুমণ্ডল কোন গ্যাস দ্বারা গঠিত?
উত্তর: কার্বনডাই অক্সাইড।

৪৫৫. মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে কোন বিষাক্ত গ্যাস বেশি?
উত্তর: কার্বনডাই অক্সাইড।

৪৫৬. গ্যাসীয় গ্ৰহগুলো মূলত-হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
গ্যাস দ্বারা গঠিত।

৪৫৭. কোন গ্ৰহে বছরের চেয়ে দিন বড়?
উত্তর: শুক্র।

৪৫৮. কোন গ্ৰহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে আবর্তিত হয়?
উত্তর: শুক্র।

৪৫৯. ঘন মেঘে ঢাকা-চট্টগ্রাম শুক্র গ্ৰহ।

৪৬০. এসিড বৃষ্টি হয়- শুক্র গ্রহে।

৪৬১. কোন গ্ৰহে কম দিনে বছর হয়?
উত্তর: বুধ

৪৬২. বুধের কম মধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে- বায়ুমণ্ডল
ধরে রাখতে পারে না।

৪৬৩. বুধের উপরিতল- চাঁদের মতো।

৪৬৪. অসংখ্য গর্তে ভরা- ভূতের ভূত্বক।

৪৬৫. যুক্তরাষ্ট্র বুধে কোন মহাকাশযানটি পাঠায়?
উত্তর : মেরিনার-১০।

৪৬৬. মেরিনার-১০ কত সালে পাঠায়? উত্তর: ১৯৭৪।

৪৬৭. শুক্র গ্রহের অপর নাম কি?
উত্তর : শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা।

৪৬৮. ব-দ্বীপকে ইংরেজিতে কী বলে?
উত্তর : Delta।

৪৬৯. পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম
উপগ্ৰহ কোনটি? উত্তর: আলিবার্ড হল।

৪৭০. মহাকাশে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উড্ডয়ন করে-
রাশিয়া, স্পুটনিক-১।

৪৭১. মানুষের নির্মিত প্রথম স্পেস স্টেশন- মির।

৪৭২. মির পৃথিবীর কক্ষপথে ছিল- ১৫ বছর ১ মাস।

৪৭৩. মির পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে- ৮৬ হাজার
৩৩১ বার।

৪৭৪. মির তৈরি করে- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
(বর্তমান রাশিয়া)

৪৭৫. বিগ ব্যাং তত্ত্ব কী?
উত্তর: অভ্যন্তরীণ বিপুল তাপ ও চাপের কারণে
প্রচন্ড শব্দে ডিম্বাকার বস্তুর মহাবাস্ফোরণ ঘটে।
এই বিস্ফোরণের ফলেই সৃষ্টি হয়েছিল আমাদের
এই মহাবিশ্ব।--এটাই বিগ ব্যাং তত্ত্ব।

৪৭৬. বিশ্বজগৎ কাকে বলে?
উত্তর: মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে
জগৎ সৃষ্টি হয় তাকে বিশ্বজগৎ বলে।

৪৭৭. জ্যোতির্বিজ্ঞান কাকে বলে?
উত্তর: মহাবিশ্ব যা কিছু নিয়ে গঠিত সেসবের
পর্যবেক্ষণ এবং এগুলো নিয়ে যে বিজ্ঞান তাকে
বলে- জ্যোতির্বিজ্ঞান।

৪৭৮. জ্যোতিষ্ক কাকে বলে?
উত্তর: অসীম মহাকাশের নক্ষত্র, গ্ৰহ, উপগ্ৰহ,
ধুমকেতু, ছায়াপথ, উল্কা, কেয়াসার,সুপানোভা
ইত্যাদিকে বলা হয় জ্যোতিষ্ক।

৪৭৯. মহাকাশ কাকে বলে?
পৃথিবীর চারিদিকে আদি-অন্তহীন আকাশকে
বলা হয় মহাকাশ।

৪৮০. মহাজাগতিক বছর কী?
উত্তর: মিল্কিওয়ের কেন্দ্রকে ঘিরে বিপ্লবকে
সৌরজগতের মহাজাগতিক বছর বলে। একটি
বিপ্লব ঘটতে সময় লাগে ২৫০ মিলিয়ন বছর।

৪৮১. সপ্তর্ষিমন্ডল কাকে বলে?
উ: জ্যামিতিক রেখায় যুক্ত করলে প্রশ্নবোধক
চিহ্নের মতো দেখতে উত্তর আকাশে যে সাতটি
উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা যায় তা সপ্তর্ষিমণ্ডল।

৪৮২. ছায়াপথ কাকে বলে?
উত্তর: মহাশূন্যে অন্ধকার আকাশে দ্বীপ্তমান
পথের মত গ্যালাক্সির যে অংশ দেখা যায়
তাকে ছায়াপথ বলে।

৪৮৩. ধুমকেতু কাকে বলে?
উত্তর: মাঝে মাঝে এক প্রকার জ্যোতিষ্কের
আবির্ভাব ঘটে, এসব জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের
জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়, আর
এসব জ্যোতিষ্ক হলো- ধুমকেতু।

৪৮৪. নীহারিকা কাকে বলে?
উত্তর: মহাকাশে স্বল্পালোকিত তারকারাজির
আস্তরণকে নীহারিকা বলে।

৪৮৫. ধ্রুবতারা কাকে বলে?
উত্তর: সপ্তর্ষমন্ডলের নিচে যে উজ্জ্বল তারা
দৃষ্টিগোচর তাকে ধ্রুবতারা বলে।

৪৮৬. সুপার নোভা কাকে বলে?
উত্তর: বৃহৎ আকৃতির তারকার উজ্জ্বলতা
হারানোর প্রাক্কালে যে বিস্ফোরণের মাধ্যমে
তারকার দীপ্তি সমগ্ৰ ছায়াপথে ছড়িয়ে পড়ে
তাকে সুপার নোভা বলে।

৪৮৭. নক্ষত্র কাকে বলে?
উত্তর: যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে
তাদের নক্ষত্র বলে।

৪৮৮. নক্ষত্রমন্ডলী কাকে বলে?
মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে
তাকালে মনে হয় কতগুলো নক্ষত্র মিলে জোট
বেঁধেছে এরূপ নক্ষত্র দলকে বলে নক্ষত্রমন্ডলী।

৪৮৯. নক্ষত্রমন্ডলী- সপ্তর্ষিমণ্ডল, ক্যাসিওপিয়া,
কালপুরুষ, লঘুসপ্তর্ষি ও বৃহৎ কুক্কুরমন্ডল।

৪৯০. গ্যালাক্সি কাকে বলে?
মহাকাশে গ্ৰহ, নক্ষত্র, ধূলিকণা, ধুমকেতু
বাষ্পকুন্ডের এক বিশাল সমাবেশকে বলে
গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ।

৪৯১. উল্কা কী?
উত্তর: পৃথিবীর বাইরে থেকে আসা জড়পিন্ড
যারা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে জ্বলে ওঠে।

৪৯২. উল্কা শব্দের গতির চেয়ে- ৩০ থেকে ৬০ গুণ
বেশি গতিতে বায়ুমন্ডলের মধ্যে দিকে ছুটে
বলে জ্বলে ওঠে।

৪৯৩. উল্কা বৃষ্টি কী?
কোন ধুমকেতুর অংশবিশেষ কক্ষপথ হতে
বিচ্যুত বস্তু কণা যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ
করে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠে।

৪৯৪. কসমিক ইয়ার কাকে বলে?
উত্তর: ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে
একবার ঘুরে আসতে যে সময় নেয় তাকে বলা
হয় কসমিক ইয়ার।

৪৯৫. ব্ল্যাক হোল(কৃষ্ণ গহবর) কাকে বলে?
একটি নক্ষত্রের মৃত্যু পূর্ব ভর সূর্যের ভরের
তিন গুণের বেশি হলে নক্ষত্রটির ভিতরে
সংকোচিত হয়ে অসীম ঘনত্বের বিন্দু বস্তুতে
পরিণত হয় যার ফলে এর আকর্ষণ বল এত
বৃদ্ধি পায় যে বস্তুটির আশেপাশের অঞ্চলের
কোন কিছুই এমনকি আলোও বেরিয়ে আসতে
পারে না। ঐ অঞ্চলকে বলে কৃষ্ণগহবর।

৪৯৬. লোহিত দানব কাকে বলে?
উত্তর: কোনো বৃহদাকার তারার হাইড্রোজেন
জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে এটি লাল আকৃতির হয়
তখন একে লোহিত দানব(Red Giant) বলে।

৪৯৭. সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্ৰহ,উপগ্ৰহ, নক্ষত্র, ধুমকেতু
গ্ৰহাণুপুঞ্জ প্রভৃতি মহাকর্ষ শক্তি দ্বারা আকৃষ্ট
হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে পরিভ্রমণের
মাধ্যমে যে বিরাটা জগৎ গড়ে তোলে তাকে
বলা হয়- সৌরজগৎ।

৪৯৮. আমাদের সৌরজগৎ ১টি তাঁরা,৮টি গ্ৰহ,১৭৫টি
রও বেশি উপগ্ৰহ, ১টি বামন গ্ৰহ, অসংখ্য ছোট
গ্ৰহাণু ও ধুমকেতু নিয়ে গঠিত।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Cha Bagan Rasta
Chittagong