18/03/2026
◉ গালিবের মুশায়েরায়
ঐতিহ্য-শান্তনু কায়সার সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত বই (ডকুফিকশন)
— জুবায়ের রশীদ
প্রচ্ছদ : নাওয়াজ মারজান
মূল্য : ৩২০ টাকা।
---
প্রিয়ার কাজলমাখা চোখের মতো সুন্দর যে উর্দু ভাষা- তার শ্রেষ্ঠ কবি মির্জা গালিব। কেবল উর্দু ভাষার নয় এবং নয় উপমহাদেশের হৃদয়তটের, বরং গালিব বিশ্বসাহিত্যের এক অনন্য- আনোখা চরিত্র। তার কবিতা ও ব্যক্তিত্ব দুই-ই নিয়ে শিল্পানুরাগীদের মাঝে রয়েছে তুমুল হইচই। সময় যত এগোচ্ছে গালিব ততই জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন, ছড়িয়ে পড়ছেন দেশ-কাল-সীমানা ছাড়িয়ে। গালিব যেন ঘোমটা দেওয়া এক লুকায়িত সুন্দর এবং ভাদুরের আকাশে মেঘে ঢাকা পূর্ণ চাঁদ- মহাকাল তাকে উন্মোচন করছে ধীরে ধীরে।
মির্জা গালিবের সময় ছিল অখণ্ড ভারতবর্ষের যুগসন্ধিক্ষণ- যখন ভেঙে পড়ছে কয়েক শতাব্দীর দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোগল সাম্রাজ্য, তারই ভেতর দিয়ে উত্থান ঘটছে ব্রিটিশ শাসনের। গালিব সাক্ষী হয়েছেন আজাদির প্রথম লড়াইয়ের। একইসঙ্গে সাহিত্য ও ইতিহাস- দুই জায়গায় গালিব তার গুরুত্ব নিশ্চিত করেছেন। কবিতা যেমন লিখেছেন বেদনা ও বিরহের অশ্রু মেখে তেমনি আঠারোশো সাতান্ন সালে সিপাহি বিদ্রোহের দিনলিপি লিখেছেন দিল্লি শহরের রক্ত দিয়ে।
অনেক বছর হলো মির্জা গালিব মারা গেছেন। অনেক দূরের নক্ষত্রের মতো আজও তার আলো আমাদের আঙিনাকে ছুঁয়ে যায়। আজও দোলা দিয়ে যায় তার হৃদয়চেরা শের ও গজল। এ বই সেই মৃত গালিবের সঙ্গে আমাদের সফর। এখানে গালিবের পিছুপিছু আমরা হেঁটে যাব ইতিহাসের গলিঘুপচি ধরে। এই সফর শুরু হবে আগ্রা থেকে। তারপর আমরা যাব দিল্লি, লখনৌ, কানপুর, এলাহাবাদ, পাটনা, বেনারস, মুর্শিদাবাদ, কলকাতা, রামপুর। মোগলীয় হুকুমত থেকে শুরু হয়ে এই যাত্রা শেষ হবে ব্রিটিশ রাজে। কতো কান্না রক্ত ও নৃশংসতা যে পেরিয়ে যাব আমরা! পথে-পথে গালিব আমাদেরকে শোনাবেন তার কবিতা ও কিসসা।
18/03/2026
বইমেলায় এসেছে 'কথাপ্রকাশ'-প্রকাশিত বই :
'শের ও গজলের জগৎ'।। মোস্তাক আহমাদ দীন
বইয়ের ফ্ল্যাপ :
'শায়ের ও গজলকারদের জীবন ও তাঁদের শের ও গজল নিয়ে লিখিত স্বতন্ত্র বই বাজারে দুর্লভ নয়, কিন্তু তার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ, বিষয়-স্বাতন্ত্র্য, কবিজীবনের প্রাসঙ্গিক ঘটনা ও সময়-পরিপ্রেক্ষিতনির্ভর এমন বই বাজারে সুলভ নয়।
তবু, লেখক স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, শের ও গজলের আনুপূর্বিক ও আনুপুঙ্খিক ইতিবৃত্ত নয় এই বই। এখানে শায়ের ও গজলকারদের নিয়ে যতটা আলোচনা আছে, তার চেয়েও বেশি রয়েছে বিভিন্ন সময়ের শের ও গজলের বিষয়-বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা। ফলে, গজলের আদিপুরুষ অষ্টম শতকে জন্মগ্রহণকারী পারস্য কবি রুদাকি থেকে শরু করে বিশ শতকের কবি ক্যাইফি আজমি পর্যন্ত যে-ভাষ্যটি তৈরি হলো, তা আখ্যানের আঙ্গিকে লিখিত হয়েছে বলে সবজায়গায় সময়ের ধারাক্রম মানা হয়নি। তবে এখানে আলোচিত হয়েছেন অন্যত্র-উপেক্ষিত খাজা মঈন উদ্দিন চিশতি, খাজা মীর দর্দ, ও জেবউননেসার মতো কবিও।আর আখ্যানসদৃশ বলে যেমন ঢুকে পড়েছে ইমরুল কায়েস, শঙ্খ ঘোষ, আল মাহমুদ এবং বাউল সৈয়দ ছাবাল শাহের লেখার উদ্ধৃতি, তেমনি কোনো কোনো জায়গায় প্রাচ্য-প্রতীচ্যের কাব্যশাস্ত্রীদের প্রসঙ্গও অনুল্লিখিত থাকেনি।
ফারসি, উর্দু, আরবি ভাষায় ব্যুৎপন্ন হওয়ায় বিভিন্ন কবির আলোচনা করতে গিয়ে মূল উৎস থেকে শের ও গজলের যে অনুবাদ করেছেন মোস্তাক, তা একই সঙ্গে প্রাঞ্জল ও সুখপাঠ্য হয়েছে। সবমিলিয়ে এটি এ বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের মর্যাদা পাবে বলে আমাদের ধারণা।'
11/03/2026
মাওলানা জালালুদ্দিন রুমির জীবনী নিয়ে বেসিক একটা বই এই কমিকস বই। কেউ যদি রুমির জীবনী জানতে চান, তার জন্য প্রাথমিক পাঠ হিসেবে এই বইটা দারুণ হবে।
09/03/2026
আজ আমি কথা বলব একটি ভিন্নধর্মী দার্শনিক উপন্যাস নিয়ে - 'তুমি খুঁজো যারে, সেও খুঁজিছে তোমারে ' বইটি লিখেছেন ড. আনিসুর রহমান ফারুক স্যার। আমার জানামতে বাংলা ভাষায় মাওলানা রুমিকে নিয়ে এটাই প্রথম উপন্যাস। এর আগে উপন্যাস লিখা হয় নাই মাওলানা রুমিকে নিয়ে, এটাই প্রথম।
লেখক এবং রুমি - এখানে দুটি সত্তা আছে। এক সত্তা আরেক সত্তার সাথে আপনার পরিচয় করিয়ে দিবে চিন্তার মাধ্যমে, আত্মিক পরিচয় যেটাকে বলে, সেটাই করিয়ে দিবে।
প্রথমে আসি এই বইটা পড়ার মাধ্যমে আপনি পার হয়ে যাবেন সময়ের নদী, তারপর যাবেন মরুভূমিতে- সেখানে দেখবেন মাওলানা রুমির সাথে আপনার সাক্ষাৎ হবে। তো আপনি রুমির সাথে গল্প করতে করতে কখন যে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন - বুঝতেই পারবেন না।
প্রথম অধ্যায় যদি আপনি পার হয়ে যান তাহলে বুঝতে পারবেন যে বিষয়টা কী। এই বইটা কত যে আপনার জন্য উপযোগী।
যে মানুষ ধর্মের নিয়ম জানে না, কিন্তু স্রষ্টাকে ভালোবাসে, সে কি হারিয়ে যাবে? যে জ্ঞান আপনাকে বিনম্র করে না, সেই জ্ঞানের দামই বা কতটুকু? এক পর্যায়ে এই বই আপনাকে নিয়ে যাবে এক অদ্ভুত আত্মসংঘাতে- 'তুমি কোরআন কে চিনো, কোরআন কি তোমাকে চিনে? '-এই একটি প্রশ্নই যেনো পুরো বইয়ের স্পন্দন।
ধীরে ধীরে আলোচনায় আসে নবীজীর ব্যক্তিত্ব কিন্তু প্রচলিত বর্ণনায় নয়। এখানে নবীজীকে দেখা হয় কোমলতায়, নীরবতায়, দ্বিধায়, মমতায়। স্বামী হিসেবে তাঁর মিতভাষিতা, সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁর লজ্জাবোধ, নেতা হয়েও যে তিনি কত বিনয়ী সেটা। এই উপন্যাস আমাদের শেখায় - নেতৃত্ব মানে কঠোরতা নয়, ভালোবাসাও নেতৃত্ব হতে পারে। আপনি চিন্তা করেন হুদায়বিয়ার যে যুদ্ধে, সাহাবীদের ভুলগুলো কে তিনি কিভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এই ব্যক্তিত্ব, নম্রতাগুলো আপনি ভালোভাবে বুঝতে পারবেন এই বইটি পড়ার মাধ্যমে।
বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে 'আত্মজিজ্ঞাসা' আছে-যেখানে লেখকের প্রশ্ন, এই প্রশ্নগুলো শুধু লেখকের নয়, মনে হবে যেন - কিরে! এগুলোতো আমারও প্রশ্ন। আমি করতেছি। তো আরেকজনের মাধ্যমে নিজের মনের গভীরে থাকা প্রশ্নগুলো, সেই প্রশ্নের উত্তরগুলোও আপনি জানতে পারবেন। মাওলানা রুমীর এই বইটি পড়তে পড়তে আপনার মনে হবে যে, আপনি মাওলানা রুমীর সাথে কখনো হাঁটছেন, কখনো বসে গল্প করতেছেন আবার কখনো তাঁকে অনুভব করার চেষ্টা করতেছেন। মাওলানা রুমীকে কিন্তু আমরা সবাই চিনি - একজন সুফি দার্শনিক ও একজন মাওলানা/আলীম। তো এই বইতে তাঁর সম্পর্কে যে ধারণা দিয়েছেন/বুঝানোর যে পদ্ধতি আছে যেটা প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে, ভিন্ন ধারার মাধ্যমে যা আপনারা সহজে বুঝতে পারবেন।
ইসলাম কি শুধু মানার ধর্ম? অনুভব করার নয়? এই অনুভবটাই করাবে হচ্ছে এই বই। তো আপনি যদি চান ইসলামকে শুধু মানবেন না, অনুভবও করবেন, যদি চান আপনি অনেক কিছু জানবেন, তাহলে এই বইটা আপনার জন্য অবশ্যই পাঠ্য।
আরেকটা কথা হচ্ছে - এই বইটা উপন্যাস হলেও ধারাবাহিকভাবে আপনাকে পড়তে আমি পরামর্শ দিব না। এক বৈঠকে পড়ে ফেলার মতো এমন বই না। এটাকে চিন্তা করতে করতে, সময় নিয়ে নিয়ে পড়তে হবে। আপনার চিন্তাকে সমৃদ্ধ করবে। আপনার অন্তরের ভিতরে এমন চিন্তা ঢুকিয়ে দিবে যে আপনাকে দেখলে মানুষ নতুনভাবে চিন্তা করতে শিখবে।
(বিশিষ্ট আলিম ও হাফেজ Tanvir Al Fatih ভাইয়ের ভিডিও রিভিউ থেকে সংকলিত)
09/03/2026
মূল উর্দু থেকে তর্জমা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সফিকুন্নবী সামাদী।
এই গ্রন্থে মোটামুটিভাবে আমীর খুসরো থেকে শুরু করে বর্তমান কালের কবি পর্যন্ত কবিদের শের সঙ্কলন করা হয়েছে। আবার আরেকটি দিকও এই গ্রন্থের অনুসন্ধানের বিষয় ছিলো, উর্দু কবিতায় নারী কবিদের অবদান কেমন? অমুসলিম কবিদের?অভারতবর্ষীয়দের? অনেক নারী কবি এবং অমুসলিম কবির গজল পাওয়া গেলো। শুধু তাই নয়, অনুসন্ধানে এমন কয়েকজন ইউরোপীয়ের রচনাও পাওয়া গেছে যাঁরা ভারতবর্ষে এসে উর্দুর প্রেমে পড়ে এই ভাষাতে কবিতা লিখেছেন। সুতরাং উর্দু কবিতা কেবল পুরুষ, মুসলমান কিংবা ভারতবর্ষীয়ের নয়, উর্দুকে ভালোবাসা বিশ্বের সকল মানুষের। এই গ্রন্থের দুটি তরঙ্গে তাঁদের কবিতা সংকলিত হয়েছে। বাঙালি পাঠক এই গ্রন্থ পাঠ করে উর্দু কবিতার রসের কিছুটা আভাস পাবেন।
03/03/2026
পামীরের পাহাড়, ভাখশ নদীর কলতান, আর এক শিশুর দীর্ঘ যাযাবর যাত্রা—ইতিহাসের এই বিস্ময়কর জীবনকথা এবার আসছে কমিক্স আকারে! 🎨📖
ধর্মশাস্ত্রের কঠোর প্রাচীর পেরিয়ে প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার যে বিপ্লব—তার রঙিন, চিত্রভিত্তিক, সহজপাঠ্য উপস্থাপন এই গ্রন্থে। ইরানের তাবরিজ থেকে আগত দরবেশ শামস-ই তাবরিজ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ কীভাবে বদলে দেয় এক বিদ্বান আলেমের জীবন—তা ফুটে উঠেছে প্যানেল-প্যানেল চিত্রে, সংলাপে আর জীবন্ত দৃশ্যে।
ইতিহাস, দর্শন ও সুফিবাদ—সবকিছু এবার তরুণ পাঠক ও নতুন প্রজন্মের জন্য আরও সহজ, আরও আকর্ষণীয়।
02/03/2026
অমর একুশে বইমেলা-২০২৬ এ জ্ঞানকোষ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে শতাব্দীর প্রভাব সৃষ্টিকারী বই 'দি সুফিজ'-এর বাংলা অনুবাদ।
বইটি লিখেছেন ইদ্রিস শাহ ও
অনুবাদ করেছেন মোস্তাক শরীফ।
বইটির ফ্ল্যাপ থেকে-
সুফি কারা? সুফিবাদ আসলে কী? সুফিত্ব অর্জনের সঠিক পথ কোনটি? এমন সব নিগূঢ় প্রশ্নকে সামনে রেখে ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয় ইদ্রিস শাহ্ যুগান্তকারী গ্রন্থ 'দ্য সুফিজ'। প্রকাশের পরই পশ্চিমে ব্যাপক সাড়া ফেলে বইটি।
কারা সুফি? অভিধানে যদিও সুফিদের ইসলামের অতীন্দ্রিয় ধারার অনুশীলনকারী বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে, সুফিবাদের প্রকৃতি আসলে আরও ব্যাপক ও গভীর। সুফিদের এক বৃহদাংশের মতে, এটি একটি প্রাচীন সম্প্রদায়, যাঁরা উদার মানবিকতা ও মানবীয় উন্নয়নের শিক্ষা দেন। কবি, বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে যেকোনো শ্রেণি-পেশার মানুষ সুফি হতে পারেন। হয়েছেনও।
পশ্চিমে সুফিবাদ নিয়ে প্রচুর চর্চা হলেও এ বিষয়ে প্রকৃত তথ্যসমৃদ্ধ বইয়ের অভাব ছিল। ইদ্রিস শাহ্ বইটি সুফিবাদ বিষয়ে পশ্চিমাদের মনের খোরাক জোগাতে সমর্থ হয়। সুফিবাদ বিষয়ে এটিকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য গ্রন্থ বলেও অভিহিত করেছেন অনেকে।
26/02/2026
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও উর্দু সাহিত্যের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মির্জা গালিবের আত্মজৈবনিক গ্রন্থ, দাস্তাম্বু। এই গ্রন্থে লেখকের জীবনের ইংরেজ শাসনের সময়কার দিনলিপি, সংসার জীবনের টানাপোড়েন, লেখালেখির বর্ণনা উঠে এসেছে।
সেই সাথে তাঁর আলোচিত উর্দু শায়েরী থেকে নির্বাচিত কিছু উর্দু শায়েরী সংযোজন করা হয়েছে।
যা গালিব ভক্তদের কাছে আনন্দের সংযোগ ঘটাবে।
24/02/2026
আল্লাহর কাছে সেই আমলই সবচেয়ে প্রিয় যা নিয়মিত করা হয়, পরিমাণে তা কম হলেও।
-আল হাদিস।
14/02/2026
আপনার রমাদানকে অর্থবহ, সুশৃঙ্খল ও হৃদয়স্পর্শী করতে আমাদের এক আন্তরিক ক্ষুদ্র প্রয়াস। পুরো রমাদান জুড়ে ইবাদত, আত্মসমালোচনা ও আমলের ধারাবাহিকতায় এটি হবে আপনার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।
সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই ফ্রি অর্ডার করুন।
দেখুন। পড়ুন। আমল করুন।
এই রমাদানেই নিজের আখের গুছিয়ে নিন।
14/02/2026
আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল (১৮৭৭-১৯৩৮) আধুনিক উর্দু সাহিত্যের শ্রেষ্ঠতম কবি। কিন্তু এই কবিখ্যাতির সঙ্গে পাল্লা দিয়েছে মুসলিম দার্শনিক হিসেবে তাঁর বিশ্বব্যাপী সুনাম। জার্মানি থেকে তিনি দর্শনে পিএইচডি করেছিলেন, এই শুধু তার কারণ নয়। দর্শনচিন্তায় ব্যাকুল বহু প্রবন্ধ তো তিনি লিখেছেনই, তাঁর কবিতাও দার্শনিক উপলব্ধিতে গভীর। ইসলাম ছিল তাঁর কাছে এক গতিশীল জীবনদর্শন। আধুনিক সময়ের পরিবর্তিত পটে এর নতুনতর ভাষ্য রচনা করা তাই জরুরি হয়ে উঠেছিল ইকবালের কাছে। সে প্রয়াসেরই অনন্য ফসল রিকনস্ট্রাকশন অব রিলিজিয়াস থট ইন ইসলাম। বইটি তারই প্রাঞ্জল অনুবাদ। বইটিতে ইকবাল হাজির হয়েছেন এমন একজন মানুষ হিসেবে, যিনি পশ্চিমা দর্শনে পণ্ডিত, আধুনিক যুগের প্রশ্নে সজাগ, ইসলামি চিন্তায় গভীর। ধার্মিক ও জ্ঞানার্থীদের জন্য এ বইয়ের প্রাসঙ্গিকতা এখন আগের চেয়েও বহুগুণে বেড়েছে।
11/02/2026
‘সাহাবিরা গরিব’ ছিলেন এমন ধারণা অনেকের মধ্যে আছে। সাহাবিরা কি আসলেই গরিব ছিলেন নাকি তারা স্বেচ্ছায় এমন জীবনযাপন করতেন যা দেখে মনে হয় তারা ‘গরিব’?
খায়বার বিজয় পরবর্তী মুসলিম দুনিয়ায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটে। বেশিরভাগ সাহাবির অর্থনৈতিক জীবন পাল্টে যায়। পাল্টে যাওয়া অর্থনৈতিক জীবন তারা কীভাবে যাপন করেন এই নিয়ে বইটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
অনেক সাহাবি ছিলেন কোটিপতি। মৃত্যুর আগে তারা কয়েকশো কোটি টাকার সম্পদ রেখে যান। যাদেরকে আমরা ‘গরিব’ বলে জানি, তারাও পর্যন্ত একদিনে কোটি টাকার সম্পদ দান করতেন। সাহাবিদের অর্থনৈতিক জীবনের অজানা অধ্যায় নিয়ে এই বই।
*
কোটিপতি সাহাবি
লেখক : আরিফুল ইসলাম
মুদ্রিত মূল্য : ৩১০৳