07/11/2022
মুদ্রাস্ফীতি - বর্তমানে সারাবিশ্বের কমন এক সমস্যার নাম
---
ন্যাটো-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে দুনিয়াব্যাপী জ্বালানীর দাম বেড়ে যাওয়ার একটা সাইড এফেক্ট হচ্ছে প্রায় সব রকমের দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়া। প্রায় সব দেশেই সাধারণ মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে গেছে। অন্যান্য পণ্যের চেয়ে বেশি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতি। এর মধ্যেও তারতম্য রয়েছে। যে দেশ আভ্যন্তরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণে যতটা সক্ষমতা দেখিয়েছে সে দেশে মূল্যস্ফীতি তত কম হয়েছে। রাশিয়া থেকে কম দামে তেল কিনে গ্রাফে দেখানো দেশগুলোর মধ্যে ভারত তাদের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বেশি সক্ষমতা দেখিয়েছে। তারপরই রয়েছে বাংলাদেশ। ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে মুদ্রাস্ফীতি ২২/২৪% ছাড়িয়ে গেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং রক্ষণশীল দলের ধনী বান্ধব নীতি সমূহের কারণে যুক্তরাজ্যের পরিস্থিতি ভাল নয়। পাকিস্তানের কথা আর কি বলব! চরম অব্যাবস্থাপনার কারণে দেশটা দিন দিন গরীব থেকে গরীবতর হচ্ছে।
#পাকিস্তান #বাংলাদেশ #যুক্তরাষ্ট্র #যুক্তরাজ্য #ভারত #বিদ্যুৎ #জ্বালানী #যুক্তরাজ্য #ডলার #বাংলাদেশ #দ্রব্যমূল্য #মুদ্রাস্ফীতি #মূল্যস্ফীতি
⛽️ 🛢🔥
01/11/2022
Shibir welcomed Ramadan through mayhem after coming to power in 2001
BNP-Jamaat clique carried out regular massacres in colleges and universities during its regime. After coming to power in 2001, they became more reckless. They started vandalism and bombings in educational institutions and different cities. These terrorists carried out barbaric mayhem before and during the occasions like the holy Ramadan or Eid festivals.
On November 18, 2001, the daily Janakantha reported, Shibir men ran riot in Bogra during a procession on the occasion of Ramadan. On the first day of Ramadan, they took out an armed procession and vandalized businesses and properties in the city. When their procession reached the Satmatha area, the Shibir leaders and activists started chasing the ordinary people and traders and vandalized their shops and billboards. Ordinary people became panic-stricken over their atrocities.
01/11/2022
খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র: লাঠিপেটা ও টিয়ার মেরে আওয়ামী লীগের জনসভা পণ্ড করতো বিএনপি-জামায়াত সরকার।
বিএনপি'র গণতন্ত্র মানেই বিরোধীদের উপর অত্যাচার ও নির্যাতন, এরকম হাজার টি ঘটনার একটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
২০০১ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর দমনপীড়ন চালাতে শুরু করে বিএনপি-জামায়াত সরকার। এমনকি কোনো শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বা কর্মসূচি পালন করতেও বাধা দিতো আওয়ামী লীগকে। এমনকি বিরোধীদের সমাবেশ পণ্ড করার জন্য জাতীয়তাবাদী বাস্তুহারা দলের ব্যানারে ছিন্নমূল সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে নাশকতামূলক হামলা এবং পুলিশকে দিয়ে টিয়ারসেল মারাতো সরকার।
২০০২ সালের ২৯ মার্চ জনকণ্ঠ পত্রিকার সংবাদে ছবিসহ এই নির্মম সংবাদ উঠে আসে। দেখা যায়, মুক্তাঙ্গণে আওয়ামী লীগের একটি শান্তিপূর্ণ সমাবেশে তিন দফা টিয়ার সেল মেরে কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এরমধ্যেই বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা। এরপর সেখানে বেধড়ক লাঠিপেটা করে সমাবেশে স্থান খালি করে পুলিশ সদস্যরা।
এসময় পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় ভাড়া করা ছিন্নমূল কিছু সন্ত্রাসী। বিএনপির হাওয়া ভবন সিন্ডিকেটের এক সংসদ সদস্যের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয়তাবাদী বাস্তুহারা দল নামে এই গুন্ডাদের সমন্বয় করা হয়। বিএনপি-জামায়াত গড ফাদারদের মাদক ব্যবসার ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে এই ছিন্নমূল সন্ত্রাসীদের অংশটি।
পুলিশের বেপরোয়া টিয়ারের আঘাতে আহত হন মতিয়া চৌধুরী, সেগুফতা ইয়াসমিন, মারিয়া, লিপি, শিখা, হেলেন, মেয়র হানিফ. মোখরুসুর রহমান, আবদুস সাত্তারসহ ২০ জন নেতাকর্মী ।
#বিএনপি #বিএনপিজামাত #বাংলাদেশ #রাজনীতি #সন্ত্রাস #লুটপাট #নির্যাতন #দুর্নীতি #ছাত্রদল #আওয়ামীলীগ #হামলা #মামলা #খালেদাজিয়া
31/10/2022
২০২১ সালে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ, ৪৮ বিলিয়ন ডলার। করোনা মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপি চলমান লকডাউনের মধ্যেও ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলো আওয়ামী লীগ সরকার। এই বিশাল রিজার্ভের কারণে বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পেরেছে, ক্রমবর্ধমান আমদানি ব্যয় মেটাতে পেরেছে।
তারপরেও বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন সরকার নাকি রিজার্ভ গিলে খেয়েছে। উনি কি বলতে পারবেন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ কত ছিল? ২০০৬ সালে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল মাত্র ৩.৮৮ বিলিয়ন ডলার! তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ছিল ৭ বিলিয়ন ডলার।
২০০৯ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল মাত্র ১০ বিলিয়ন ডলার! ১৩ বছরে রিজার্ভ বেড়েছে ৪ গুণেরও বেশি। বিএনপি সরকারের তুলনায় বেড়েছে ১২ গুণ বেশি।
দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙ্গে রেখে গিয়েছিল বিএনপি-জামাত জোট। সেই ভাঙ্গা অর্থনীতিকে মজবুত করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। মির্জা ফখরুলের দল এখন এই অর্থনীতি গিলে খাওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন
29/10/2022
২০০৩ সালে ইউপি নির্বাচন: গ্রামে গ্রামে বোমা ফাটিয়ে মানুষ হত্যা করেছে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীরা
এটাই বিএনপির Take Back Bangladesh!
একবার চিন্তা করুন, বাংলাদেশে কোন যায়গায় নিয়ে যেতে চায় বিএনপি?
২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক সহিংসতা করতো বিএনপি-জামায়াত নেতারাকর্মীরা। এমনকি সারাদেশে শতাধিক মানুষকে হত্যা করে তারা। ব্যালটবাক্স দখল করে ভোটে জেতার পর পরাজিত প্রার্থীদের ওপর হামলা এবং যেখানে হারতো সেখানে বিজয়ী প্রার্থীদের ওপর গুলি চালাতো তারা।
২০০৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির প্রথম আলো পত্রিকা থেকে জানা যায়, ঈদের ওই মৌসুমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে লাশ ফেলে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীরা। মূলত, ২০০১ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে হত্যা-ধর্ষণ-চাঁদাবাজিতে মেতে ওঠে বিএনপি-জামায়াত চক্র। ফলে ২০০৩ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণ মুখ ফিরিয়ে নেয় তাদের থেকে। এরপর গণহারে গ্রামে গ্রামে সাধারণ মানুষ, আওয়ামী লীগ সমর্থক, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয় তারা।
১৪ ফেব্রুয়ারি মুন্সীগঞ্জের চারকেওয়ার ইউনিয়নের বিএনপির সমর্থিত চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আবদুল হাকিম মিঝির টরকীর বাড়িতে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে আহত হয় পাঁচ ছাত্রদল-যুবদল ক্যাডার। টঙ্গীর এরশাদনগরের ৬ নম্বর ব্লকের একটি বাসায় ককটেল বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে আহত হয় হুমায়ণ কবির নামের এক ছাত্রদল সন্ত্রাসী।
ফেনী শর্শদী ইউনিয়নে নির্বাচনকেন্দ্রিক নাশকতার জন্য ব্রিজের নিচে কার্টনের মধ্যে হাতবোমা বানিয়ে রেখেছিল স্থানীয় বিএনপির ক্যাডাররা। গ্রামের শিশুদের চোখে পড়ার পর সেগুলো নিয়ে খেলার সময় বিস্ফোরণে আহত হয় দুই শিশু। ঝালকাঠীর নলছিটি থানার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুল হকের বিজয় মিছিলে বোমা মারে বিএনপি-জামায়াতের উগ্রবাদী অংশটি। এসময় একজন আনছার সদস্যসজ চারজন গুরুতর আহত হন।
এছাড়াও ফরিদপুরের নগরকান্দা, মাদারীপুরের রাজৈর, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া এবং বগুড়ার সদর উপজেলায় বিএনপি-জামায়াতের নির্বাচনি সহিংসতায় ছয়জন মানুষ মারা যায়। এমনকি যেসব স্থানে বিএনপির প্রার্থীরা হেরে গেছে, সেসব স্থানেও বিজয়ী আওয়ামী প্রার্থীদের সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে লুটপাট চালায় ছাত্রদল-যুবদল-শিবিরের দুর্বৃত্তরা।
#বিএনপি #বিএনপিজামাত #বাংলাদেশ #রাজনীতি #সন্ত্রাস #লুটপাট #নির্যাতন #দুর্নীতি #ছাত্রদল #শিবির #বোমাহামলা #ইউনিয়ন #নির্বাচন #খালেদাজিয়া #তারেকজিয়া #তারেকরহমান
28/10/2022
পায়রা বন্দরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সরকার নানা প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ড্রেজিং এর মাধ্যমে ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ চ্যানেল তৈরি হবে। ফলে ৩ হাজার কন্টেইনার বোঝাই জাহাজ ডক করতে পারবে। ৮টি জাহাজ চ্যানেলের রক্ষণাবেক্ষণ ও বিদেশি জাহাজের আগমন-প্রস্থান পর্যবেক্ষন করবে।
প্রথম টার্মিনাল ডিসেম্বর, ২০২৩ এর মধ্যে চালু হবে।
#পায়রাবন্দর #টার্মিনাল #বাংলাদেশ
28/10/2022
১৯ উপকূলীয় জেলায় ৬১ হাজার ৩৭৮টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে দুর্যোগসহনীয় ঘর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর ফলে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের সময় প্রায় ৪ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হয়নি। এতে জানমালের ক্ষতিও অনেক কম হয়েছে।
#সিত্রাং #শেখহাসিনা #ভূমিহীন #বাংলাদেশ #আশ্রয়ণপ্রকল্প
28/10/2022
আজ ২৮ অক্টোবর, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী।
১৯৭১ সালের এই দিনে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই সীমান্তে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন তিনি। জাতির এই শ্রেষ্ট সন্তানের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
সংক্ষিপ্ত জীবনী-
নাম: মোহাম্মদ হামিদুর রহমান
জন্ম : ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩
জন্মস্থান : তদানিন্তন যশোর জেলার (বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলা) মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
পিতা : আক্কাস আলী।
মা : কায়দাছুন্নেসা।
কর্মস্থল : সেনাবাহিনী।
যোগদান : ১৯৭০ সাল।
পদবী : সিপাহী।
মুক্তিযুদ্ধে অংশরত সেক্টর : ৪নং সেক্টর।
মৃত্যু : ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সাল।
সমাধিস্থল : মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
#বাংলাদেশ #মুক্তিযুদ্ধ #বীরশ্রেষ্ঠ #হামিদুররহমান