এটাই বাংলাদেশ ।।।প্রফেসর নিয়াজ আহমেদ খানকে ধমক দিচ্ছেন গণেশ ।
SSC- কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে প্রথম
HSC- কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে প্রথম
অনার্স - লোক প্রশাসন বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম ।
মাস্টার্স - প্রথম শ্রেণিতে প্রথম (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)
পিএইচডি - ইউনির্ভাসিটি অফ ওয়েলস
পোস্ট ডক্টোরাল - ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড
_----____---__-__--_-__-_-_--_-_-_--_-_-_-_-_-
আর গনেশ চন্দ্র আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১০-১১ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি ১৫ বছর পরেও এখনো ছাত্র ও ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি। 🫡🫡🫡
গণেশকে আরো ৫০০ বার জন্মাতে হবে নিয়াজ স্যারের সামনে বসে কথা বলার জন্য।। 🤐🤐🤐
Daily Doctor's Diary- 3D
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daily Doctor's Diary- 3D, Chittagong.
প্রাণপ্রিয় ছাত্রছাত্রীদের প্রতি পরামর্শ হলো, তোমাদের দায়িত্ব এখন অনেক বেড়ে গেল। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তোমাদের এই মুহুর্তের প্রধান কাজ।
আমাদের বাড়ির পাশেই তিন তিনটা হিন্দু বাড়ি। কোনদিন মারামারি তো দূরের কথা, ঝগড়াও হয়নি। প্রকৃত ধার্মিক কখনও অন্য ধর্মকে আঘাত করতে পারে না। আমরা সবাই বাঙালি, বাংলাদেশী।
16/06/2024
বিদায় হজের ভাষণ
১. হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো,আল্লাহ এক,তাঁর কোনো শরিক নেই। মনে রেখো,একদিন তোমরা আল্লাহর নিকট হাজির হবে, সেদিন তোমাদের কৃতকর্মের হিসাব দিতে হবে।
২. কোনো অনারবের ওপর আরবের কিংবা কোনো আরবের ওপর কোনো অনারবের কোনই শ্রেষ্ঠত্ব নেই। ঠিক একইভাবে শ্বেতাঙ্গের ওপর কৃষ্ণাঙ্গের এবং কৃষ্ণাঙ্গের ওপর শ্বেতাঙ্গের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই।
৩. জাহেলি যুগের সুদ রহিত করা হলো। এখন থেকে সকল ধরনের সুদ হারাম করা হলো।
৪. জাহেলি যুগের যত রক্তের দাবি, তা সব রহিত করা হলো। সর্বপ্রথম আমি রবিয়া ইবনে হারিস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের শিশুপুত্রের রক্তের দাবি রহিত করলাম।
৫. তোমাদের কারও কাছে যদি কোনো আমানত গচ্ছিত থাকে, তা তার প্রাপকের কাছে অবশ্যই পৌঁছে দেবে। কারও কাছে ঋণ থাকলে, সেই ঋণ অবশ্যই পূরণ করবে।
৬. স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কেননা আল্লাহর আমানতস্বরূপ তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ। নিশ্চয়ই তোমাদের স্ত্রীদের ওপর তোমাদের অধিকার রয়েছে
এবং তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার আছে।
৭. নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক প্রাপকের জন্য তার অংশ (উত্তরাধিকার সম্পত্তি) নির্ধারণ করে দিয়েছেন, সেগুলো আদায় কোরো। একজন মুসলিম অন্য একজন মুসলিমের ভাইস্বরূপ। কারো হক নষ্ট কোরো না, কারো প্রতি জুলুম কোরো না।
৮. তোমাদের অধীনস্থদের প্রতি খেয়াল রাখবে, তোমরা যা খাবে, তাদেরকেও তা-ই খাওয়াবে, তোমরা যা পরিধান করবে, তাদেরকেও তা-ই পরাবে।
৯. আমি তোমাদের কাছে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি,যা দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব আর অন্যটি হলো আমার সুন্নাহ।
১০. হে মানবজাতি, ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না। কেননা অতীতের অনেক জাতি এ বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বংস হয়েছে। নিজের ধর্মকে অন্যদের ওপর জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে না।
আরও কিছু কিছু ব্যাপারে আলোচনা ছিলো। আমি সংক্ষিপ্ত আকারে আমার দৃষ্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দশটা মেইন পয়েন্ট আলোচনায় তুলে ধরলাম।
রাসূল(সা.) এই আহ্বান জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন—
“ উপস্থিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব হবে আমার এ কথাগুলো অনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। হয়তো অনেক অনুপস্থিত লোক উপস্থিত এই শ্রোতাবৃন্দ অপেক্ষাও অধিক হেফাজতকারী হবে।”
একটু ভালোমতো লক্ষ্য করে দেখুন, শুধুমাত্র ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই যে এই ভাষণ গুরুত্ববহ ছিল, এমনটা নয়। বর্তমান পৃথিবীর আদর্শিক জায়গা থেকে হিউম্যান রা ই ট সের কথাই বলুন, সাম্যের কথা বলুন কিংবা পারস্পরিক দায়বদ্ধতা ও সহমর্মিতার কথাই বলুন— প্রতিটা সেক্টরকেই এই ভাষণ
কাভার করে। সামাজিক,অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক প্রতিটা পরিমণ্ডলেই তাই এই বিদায় হজের ভাষণের একটা ইউনিক ও চমকপ্রদ তাৎপর্য আছে। একটা পুরো হিউম্যান সিভিলাইজেশন কীভাবে স্মুথলি ফাংশন করতে পারে তার
পূর্ণাঙ্গ বেসিক এসেন্স এই ভাষণে অন্তর্নিহিত আছে।
বিদায় হজের ভাষণের যে মাল্টিডিসিপ্লিনারি তাৎপর্য আছে, সেটা কি সবাই ঠিকমতো অনুধাবন করে কিংবা ঠিকমতো জানার সুযোগ পায়? ইতিহাস এবং ধর্মীয় শিক্ষার বইতে তো বটেই, আমার মনে হয় এই ভাষণের কপি প্রিন্ট করে প্রতিটা মসজিদে টাঙিয়ে রাখা উচিত ছিল, অন্তত আমাদের এই বাংলাদেশের মত দেশে, যেখানে প্রতিটা সেক্টরেই ঘুষখোর, সুদখোর, ভণ্ড, প্রতারক,ধর্মব্যবসায়ী কিংবা বিদ্বেষী আর অন্যের হক মেরে খাওয়া লোকজন দিয়ে ঠাঁসা চারদিক!
কৃতজ্ঞতা ঃ সাইয়্যেদ আবদুল্লাহ্
আমেরিকা একটি বিশাল দেশ। নিউ ইয়র্ক' মানেই " USA" না। শুধুমাত্র "নিউইয়র্ক" দিয়ে USA কে বিচার করবেন না, নতুন যারা USA আসছেন, দয়া করে New York এ স্হায়ী বসবাসের চিন্তা করবেন না। জীবনে অনেক পিছিয়ে যাবেন। সেজন্যই বলছি, সবকিছুর আগে Driving শিখুন, learn how to do parallel parking. সম্ভব বলে বাংলাদেশ থেকেই driving শিখে আসুন। driving শুধু ১ জনের শিখলে হবে না। ১৮ বৎসর বা তার উপরের পরিবারের প্রতিটি (each and everyone) সদস্যকেও গাড়ী চালানো শিখতে হবে।আমেরিকাতে যতটি মাথা, তার চেয়ে গাড়ীর সংখ্যা আরও বেশী। কারণ প্রতিটি লোকের অন্তত ১টি করে গাড়ী আছে, কারো কারো প্রতিজনের ৩/৪টি বা তারও বেশী গাড়ী রয়েছে। এখন আন্দাজ করুন গাড়ীর সংখ্যাটি কত হতে পারে। New York ছাড়া অন্য stateগুলোতে স্হায়ী বসবাসের চিন্তা করুন। আমেরিকাকে ভালভাবে চিনতে হলে New York থেকে বের হয়ে আসুন।
আরেকটি জিনিস মনে রাখবেন ঢাকা যেমন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং ঢাকাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের সবকিছু। কিন্তু আমেরিকাতে এরকম নয়। New York আমেরিকার সবচেয়ে বড় শহর, এটা সত্য কিন্তু আমেরিকার সবকিছু New York কেন্দ্রিক নয়। New York এ যেসব সুযোগ সুবিধা, আমেরিকার সব stateএই এগুলো রয়েছে (শুধুমাত্র পরিবহন ব্যবস্হা ছাড়া)। যেমন আমেরিকার ৫০টি stateএই বিশ্বমানের হাসপাতাল থেকে শুরু করে, বিশ্বমানের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালযসহ সবকিছুই রয়েছে। তাই আমেরিকার যে কেন stateএ নির্ভয়ে থাকতে পারেন। সব state এর নিরাপত্তা ব্যবস্হা একই রকম। বাংলাদেশে যেমন ভাল চিকিৎসা এবং ভাল পড়াশুনাসহ সবকিছুর জন্য ঢাকা আসতে হয়, আমেরিকাতে এগুলোর জন্য New York আসতে হবে না।সুতরাং feel free to stay anywhere in USA.
সস্তা বাড়ীঘরের জন্যঃ Ohio, Indiana, Texas, Georgia, Buffalo (New York), Minnesota, Wisconsin
মোটামুটি সস্তা বাড়ীঘরের জন্যঃ Arizona, Oregon, Michigan, North Carolina, South Carolina, Florida, Tennessee.
দামী বাড়ীঘরের জন্যঃ New York City, New Jersey, California, Seattle (Washington), Maryland, Virginia, Massachusetts, Connecticut. Total eastern side of America are expensive.
Lot of Bangladeshi people lives: New York City, Michigan, Texas, Maryland, Virginia, Florida, California,
Asheville (North Carolina) is a beautiful city but you can rarely find any Bangladeshi there. It’s scenic beauty is wonderful.
The states where only few Bangladeshis but these states are beautiful and living costs could be low:
Utah, Iowa, Montana, Idaho, Kansas, Kentucky, Arkansas, Oklahoma, North Dakota and South Dakota.
গরম আবহাওয়ার জন্যঃ Florida, Arizona, Georgia, Tennessee, Alabama, Texas, Arkansas.
ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্যঃ Buffalo( New York), Michigan, Minnesota, New York City, New Jersey and entire eastern side of America, Chicago, Ohio, Indiana, Pennsylvania, Wisconsin, Massachusetts.
For job: Almost all states have jobs available, I know Massachusetts have a lot of jobs available. But I don’t have any clear idea about the jobs in other states. But no states are bad about jobs.
আমেরিকা খুব একটি সুন্দর দেশ, মানবাধিকারের দেশ, আইনের শাসনের দেশ, সুচিকিৎসার দেশ, ভালোমানের পড়াশুনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দেশ, সত্য কথা বলার দেশ, প্রচুর চাকুরী পাবার দেশএবং কঠোর পরিশ্রমের দেশ।আপনি যদি সৎ থাকেন, পুরো আমেরিকা আপনার জন্য। অসৎ, অলস এবং আরামপ্রিয়দের জন্য আমেরিকাতে না আসাই ভাল। আরামপ্রিয়দের জন্য সর্বোত্তম স্হান হলো বাংলাদেশ। তবে আমেরিকাতেও কিছু দুর্নীতি আছে কিন্তু কোন রকম দুর্নীতির জন্য যদি একবার ধরা পড়েন, তাহলে জীবন শেষ।
এসব তথ্য আপনাদের উপকারে আসলে আমার লেখাটি ধন্য হবে। ছোটখাট কিছু ভুল হতে পারে, সেজন্য ক্ষমাপ্রার্থী।
ধন্যবাদ।
I am living in Massachusetts for 15+ years.
©️
30/04/2024
ছোটবেলা থেকেই আমি আমার বাবা জামিলুর রেজা চৌধুরীকে অত্যন্ত ব্যস্ত দেখে এসেছি। ১৯৮০–এর দশকে আমি এবং আমার ভাই যখন স্কুলে পড়ি, লোডশেডিংয়ের কারণে ঢাকায় প্রতি রাতে নিয়মিত ১ থেকে ২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকত না। এই সময়টা আমাদের খুব প্রিয় ছিল, কারণ আইপিএস বা জেনারেটর না থাকায় সেই সময় আমার বাবা অন্য কোনো কাজ করতে পারতেন না এবং বারান্দায় বসে আমাদের সঙ্গে নানা বিষয়ে গল্প করতেন।
কখনো তা হতো বিজ্ঞানবিষয়ক, কখনো ইতিহাসবিষয়ক, কখনো তাঁর ছেলেবেলার ঘটনা, আবার কখনো কাল্পনিক চরিত্র ‘ইমনি-রুমনির’ ভ্রমণকাহিনি। শেষেরটি ছিল আমাদের সবচেয়ে প্রিয়। কারণ ইমনি-রুমনির বদৌলতে মানসচক্ষে পৃথিবীর সব দেশ দেখা হয়ে যেত।
তাঁর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি ছোট-বড় সবার সঙ্গে সমান আগ্রহ নিয়ে গল্প করতেন। ছোটরা তাঁকে কোনো প্রশ্ন করলে তিনি সহজ করে বলতে গিয়ে অশুদ্ধ উত্তর দিতেন না। তাঁর ভাষ্য ছিল, সঠিক অথচ জটিল উত্তরটি শিশুরা তাৎক্ষণিকভাবে না বুঝলেও তাদের মতো করে জরুরি অংশটি আত্মস্থ করবে এবং পরে কোনো একসময় এটি তাদের পুরো বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করবে। তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের যৌথ পরিবারের সব শিশুকেই অনুসন্ধিৎসু হয়ে বড় হতে সাহায্য করেছে। তিনি পরিবারের সব দুষ্টু ও চঞ্চল বাচ্চাদের কাছে বিশেষভাবে প্রিয় ছিলেন। তিনি বলতেন, ‘দুষ্টু বাচ্চা মানে বুদ্ধিমান বাচ্চা।’ আমি, আমার ভাই ও পরে আমার ছেলে তাঁর এই ‘দুষ্টুমি করার অনুমতির’ পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে একটি আনন্দময় শৈশব উপভোগ করেছি।
আমাকে ও আমার ভাইকে আমার বাবা (ও মা) পুরোপুরি ‘জেন্ডার ইকুয়াল’ দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় করেছেন। আমাদের দুজনের খেলনাই ছিল লেগো, মেকানো সেট, জিগসো পাজল, মাস্টারমাইন্ড, স্ক্র্যাবল ও অন্যান্য ধাঁধা বা শব্দ মেলানোর খেলা। সে সময় এটা খুব স্বাভাবিক মনে হলেও পরে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন কর্মশালায় অংশ নিয়ে জেনেছি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিতে মেয়েদের অনাগ্রহের পেছনে শৈশবের মেয়েলি খেলনার প্রভাব আছে। বুঝতে পেরেছি, আমি কতটা সৌভাগ্যবান শিশু ছিলাম। এর অনাকাঙ্ক্ষিত ফল ছিল, ২০০২ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) পিএইচডি করার লক্ষ্যে একা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আবিষ্কার করা, আমি মাছ-মাংস কিছুই রাঁধতে পারি না!
স্কুলজীবনে আমার বন্ধুবান্ধবেরা গল্প করত, তাদের বাবারা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার চেষ্টা করতে বলতেন। আমি শুনে অবাক হতাম, কারণ আমার বাবা বলতেন তার উল্টোটা। তার জীবনদর্শন ছিল, ‘লাইফ ইজ আ ম্যারাথন, নট আ স্প্রিন্ট।’ তাই সারাক্ষণ পড়ালেখা করা বা স্কুলে প্রথম হওয়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো বিভিন্ন বিষয়ে কৌতূহলী থাকা এবং শেখার যাত্রাটা উপভোগ করা।
বাবার সঙ্গে আমার শৈশবের ‘কম প্রিয়’ একটা স্মৃতি হচ্ছে তাঁর কাছে অঙ্ক শেখা। গণিতে গতানুগতিক মানদণ্ডে ভালো হওয়া সত্ত্বেও এ ব্যাপারে আমার বাবাকে খুশি করতে পারা ছিল দুরূহ কাজ। ৮-১০ বছর বয়সেই আর্মস্ট্রং নাম্বার, হেক্সাগোনাল নাম্বার, ফিবোনাচি সিরিজের মতো জটিল বিষয় এবং নানা রকম মানসাঙ্ক শিখিয়ে তিনি আমার শৈশব জর্জরিত করেন। পরে তাঁর ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় একরকম রেহাই পেয়েছিলাম!
ছেলেবেলার আরেকটা প্রিয় স্মৃতি হলো, বাবা শহরের বাইরে কোথাও গেলে ফেরার পরই সবিস্তারে তাঁর ভ্রমণের গল্প শোনাতেন। ছোটবেলায় আমার ধারণা ছিল, ভালোমতো পড়াশোনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারলেই আমি তাঁর মতো দেশ-বিদেশের নানা শহর ঘুরতে পারব। পরে আমি যদিও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি, তার আগেই আমার বাবা বুয়েট থেকে অবসর গ্রহণ করায় সহকর্মী হিসেবে আমি তাঁকে পাইনি। তবে পরে আমি ভিনদেশে যখন যেই বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়ালেখা বা কাজ করেছি, বাবা সব সময় আগ্রহ নিয়ে জানতে চেয়েছেন, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো কোনো দিক বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োগ করা যায় কি না। লক্ষ করেছি, শুধু আমি না; তাঁর যত ছাত্রছাত্রী বিদেশে অধ্যাপনা করছেন, সবার কাছেই তিনি কারিগরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনাবিষয়ক নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী ছিলেন।
তাঁর জীবনের শেষ কয়েক দিনে আমার, আমার ভাই এবং পরিচিত অনেকের সঙ্গেই তাঁর আলোচনার বিষয় ছিল ‘অনলাইন এডুকেশন’। বিশেষত, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কী কী পদক্ষেপ নিলে সবার জন্য অনলাইন এডুকেশন নিশ্চিত করা যায়, (যেন করোনাকালে লকডাউনে বাংলাদেশের শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্ম লেখাপড়ায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে পিছিয়ে না পড়ে) এ ব্যাপারে তিনি ভাবছিলেন।
আমি প্রতিনিয়তই, এবং বিশেষ করে কয়েক বছর ধরে, আমার বাবার অতিরিক্ত কাজ করা নিয়ে অনুযোগ করতাম। কারণ, আমার মনে হতো তাঁর পর্যাপ্ত বিশ্রাম হচ্ছে না। কিন্তু ক্রমে বুঝতে পারি এবং মেনে নিই যে গণিত অলিম্পিয়াড, প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা—এগুলোই ৯টা-৫টা গতানুগতিক কাজের বাইরে তাঁর চালিকা শক্তি। বস্তুত, বাংলাদেশের শিশু, কিশোর ও তরুণেরা ছিল তাঁর জীবনীশক্তির অন্যতম উৎস।
আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, যদিও আমার বাবা সশরীরে নেই, তবে তাঁর অগণিত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে তাঁর ছোট্ট হলেও কিছুটা অংশ তিনি রেখে গেছেন। তাঁর অপ্রত্যাশিত প্রয়াণের এই দুঃসময়ে, বাবাহীন বাবা দিবসে, এটাই আমার একমাত্র সান্ত্বনা।
লেখক: অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অব লিডস, যুক্তরাজ্য
Short Stories Community | Short Stories
সবর ধরনের
•সবর হল যখন আপনি ভিতরে এত ব্যথা ধরে রাখুন, কিন্তু মানুষের সামনে হাসুন।
• সবর হল যখন আপনার চোখ অশ্রু ভরা কিন্তু কেউ খেয়াল করে না কারণ আপনি দ্রুত সেগুলি মুছে ফেলেন।
• সবর হল যখন লোকেরা আপনার প্রতি কঠোর হয়, আপনি সহ্য করা এবং ক্ষমা করা বেছে নেন।
• সবর হল যখন আপনি যা চান তা পান না, তারপরও আপনি আল্লাহর প্রশংসা করেন।
• সবর হল যখন আপনি আপনার পরিস্থিতির সাথে লড়াই করছেন, তখনও আপনি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতে পারবেন।
• সবর হল যখন আপনি কষ্টের সময় থাকবেন, তখনও আপনি বলতে পারবেন, আলহামদুলিল্লাহ।
• সবর হল যখন আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনার জন্য আল্লাহর পরিকল্পনা কি আপনি এখনও তাঁর পরিকল্পনার উপর আস্থা রাখেন।
সাবর আপনার জন্য আল্লাহর কদর কবুল করছে।
আল্লাহ আপনার জন্য যা লিখে রেখেছেন তাতেই সন্তুষ্ট থাকা।
• সবর হল আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখা যে তিনি সবকিছু ঠিক করে দেবেন।
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের সাথে আছেন যারা সাবিরুন (ধৈর্যশীল)। সূরা আল আনফাল 8:46
নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। সূরা আল বাকারা 2:153
আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালবাসেন। সূরা আলী ইমরান 146
প্রকৃতপক্ষে, রোগীকে হিসাব ছাড়াই তাদের পুরস্কার দেওয়া হবে। সূরা আয যুমার 39:10
02/04/2024
১০ ঘন্টার ফ্লাইটে, একজন কোরিয়ান মা তার চার মাস বয়সের সন্তান নিয়ে সিউল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো যাচ্ছিলেন। এই মা বিমানের ২০০ জনেরও বেশি যাত্রীকে প্রত্যেকের জন্য একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ বিতরণ করেছিলেন। ব্যাগটিতে ক্যান্ডি, চুইংগাম এবং ইয়ারপ্লাগ ছিল যেগুলি ফ্লাইটের সময় তার 4 মাস বয়সী শিশুর চিৎকারের ঘটনাতে ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয় এবং অগ্রীম ক্ষমাপ্রার্থনা করা হয়।
ব্যাগটিতে একটি বার্তাও ছিল,"হ্যালো, আমি জান উ। আমার বয়স 4 মাস এবং আজ আমি আমার মা এবং দাদির সাথে আমার খালার সাক্ষাতের জন্য আমেরিকা ভ্রমণ করছি। আমি একটু নার্ভাস এবং ভয় পেয়েছি। এটি আমার জীবনের প্রথম ফ্লাইট। কান্না করা বা কিছু ঝামেলা সৃষ্টি করা আমার পক্ষে স্বাভাবিক। আমি শান্ত থাকার চেষ্টা করব, কিন্তু আমি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারি না। আমার চিৎকার খুব জোরে হলে দয়া করে এটি ব্যবহার করুন.. আপনার ভ্রমণ উপভোগ করুন, ধন্যবাদ" ।
কি দারুন অন্যের স্বাধীনতাকে সম্মান করার সংস্কৃতি.কি চমৎকার ভদ্রতা, এটা অর্জন করতে দরকার মানবিকতা, নৈতিক শিক্ষা যা আমাদের কাছে বিরল।
Courtesy. Jawad Gilani
30/03/2024
** বাস্তবতা থেকে নেওয়া:::!
বড়শিতে আটকানোর আগে যদি মাছকে বোঝানো হতো উপরে মানুষ আছে।
মানুষের কাছে..দা,বটি,ছাই,হলুদ,মরিচ, লবণ, কড়াই,গরম তেল, আগুন আছে..! যাতে করে তাকে ফ্রাই করা হবে।🔥
তখন মাছ কখনো বিশ্বাস করতেন না..🚫 করলে এই বড়শির ধারের কাছেও আসতো না।
_তেমনি আমাদেরকেও বার বার সতর্ক করা হচ্ছে, মৃত্যুর পর কবরের আজাব, হাশরের মাঠ, পুলসিরাত, জান্নাত-জাহান্নাম আছে..☝🏻
আমরা বিশ্বাস করি না,যদি করতাম তাহলে আমাদের চরিত্র কখনো এতটা কুৎসিত হতো না। আমরা হতাম পবিত্র মানুষ।
-আমরা ঘুষ,সুদ, হারাম আয় থেকে দূরে থাকতাম। অবৈধ প্রেম ভালোবাসা, পরকীয়া,শিরক ও বিদআত থেকে দূরে থাকতাম।
__নিশ্চিত জেনে রাখতে হবে এই মাছটির মতো আমাদেরও একদিন সত্যের মুখোমুখি হতে হবে..!
__আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন.🤲🏻🤲🏻আমিন🤲
আমেরিকান প্রবাসী ছেলে তার জীবনের প্রথম মাসের বেতন পেয়ে তার বাবাকে ফোন করলো -
হ্যালো আব্বু?
- হ্যা,
বাবু কেমন আছিস?
বাবা আমি ভাল আছি। তুমি ভাল আছো তো?
- শরীর ভাল, তবে তোকে খুব মনে পড়ে।
বাদ দে তোর কি খবর বল?
আমিও ভাল আছি। একটা নাম্বার দিচ্ছি লেখ। (মানিগ্রাম)
- কিসের নাম্বার খোকা?
আমি সেলারী পেয়েছি বাবা। পুরা এক লাখ
- আলহামদুলিল্লাহ্।
বাবা একটা কথা বলি? ( কিছুটা দুষ্টামির ছলে )
- এতদিন পর ফোন করেছিস মাত্র একটা কথাই বলবি?
বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোন দিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছ তুমি কি জানো আমি আগামী পাঁচ বছরে সে টাকা তোমায় ফিরিয়ে দিতে পারবো। আমার এখানে এক টাকা তোমার ওখানে একশ টাকা বাবা'।
- বাবা : ( কিছুটা মুচকি হেসে) বাবা একটা গল্প শুনবি?
ছেলেটা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নিচু স্বরে বললো-
বলো বাবা শুনবো......
- বাবা : তোর বয়স যখন চার আমার বেতন তখন তিন হাজার টাকা। ১,২০০ টাকা ঘর ভাড়া দিয়ে ১,৮০০ টাকায় চলে সংসার। আমি আমার সাধ্যের মধ্যে সব সময় চেষ্টা করেছি তোর 'মা কে 'সুখী করতে। তোকে যেই বার স্কুলে ভর্তি করলাম সেবার ই প্রথম আমরা আমাদের ম্যারিজডে টা পালন করিনি। সে বছর তোর মাকে কিছুই দিতে পারিনি আমি।
তুই যখন কলেজে উঠলি আমাদের অবস্থা তখন মোটা মুটি ভাল। কিন্তু খুব কষ্ট হয়ে গেছিল যখন আমার ট্রান্সফার নারায়ণগঞ্জ হয়। রোজ রোজ উত্তরা থেকে নারায়ণগঞ্জ বাসে করে, পায়ে হেটে, ঘামে ভিজে খুব দুর্বিষহ লাগছিল। একদিন শোরুম থেকে একটা বাইক দেখে আসলাম। সে রাতে আমি স্বপ্নেও দেখেছিলাম আমি বাইকে চড়ে অফিস যাচ্ছি। কিন্তু পরের দিন তুই বায়না ধরলি উত্তরা থেকে বনানী ভার্সিটি করতে তোর কষ্ট হয়। তোর কষ্টে আমার কষ্ট হয় বাবা। আমি তোকে বাইক টা কিনে দিয়েছিলাম।
আমার এক টাকা তোর ওখানে এখন এক পয়সা! কিন্তু মনে করে দেখ এই এক টাকা দিয়ে তুই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করেছিস। ব্রান্ড নিউ মোবাইলে হেড ফোন কানে লাগিয়ে সারা রাত গান শুনেছিস। পিকনিক করেছিস, ট্যুর করেছিস, কন্সার্ট দেখেছিস। তোর প্রতিটা দিন ছিল স্বপ্নের মতন।
আর তোর একশ টাকা নিয়ে আমি এখন হার্টের বাইপাস করাই ডায়াবেটিক মাপাই । জানিস বাবা আমার মাছ খাওয়া নিষেধ, মাংস খাওয়া নিষেধ, কি করে এত টাকা খরচ করি বল! তোর টাকা নিয়ে তাই আমি কল্পনার হাট বসাই। সে হাটে আমি বাইক চালিয়ে সারা শহর ঘুরে বেড়াই। বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখতে যাই। তোর মায়ের হাত ধরে চাঁদনী পসরে সেন্ট মার্টিনের বালুচরে হেঁটে বেড়াই।
- ছেলে : বাবা চুপ করো প্লীজ! আমি তোমার কাছে চলে আসব। টাকা না তোমার ভালবাসা তোমায় ফিরিয়ে দিব।
- বাবা : হাহাহা বোঁকা ছেলে! বাবাদের ভালবাসা কখনো ফিরিয়ে দেয়া যায় না। ছোট্ট শিশুর মল মুত্রও মোছা যায় আর বুড়োদের ঘরেও ঢোকা যায় না।
তোকে একটা প্রশ্ন করি বাবা। ধর তুই আমি আর তোর খোকা তিন জন এক নৌকায় বসে আছি। হঠাৎ নৌকা টা ডুবতে শুরু করলো ..... যে কোন একজনকে বাঁচাতে পারবি তুই। কাকে বাঁচাবি বল?
ছেলেটা হাজার চেষ্টা করেও এক চুল ঠোঁট নড়াতে পারছেনা!
- বাবা : উত্তর দিতে হবে না। ছেলেরা বাবা হয়, বাবা কখনো ছেলে হতে পারে না। পৃথিবীতে সব চেয়ে ভারী জিনিস কি জানিস?
পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ!
আমি শুধু জায়নামাজে বসে একটা জিনিস চাই। আমার কবরের ঘরটায় যেন আমি আমার ছেলের কাঁধে চড়ে যাই। তাহলেই তুই একটা ঋণ শোধ করতে পারবি, তোকে কোলে নেয়ার ঋণ।
♦♦সংগৃহীত♦♦
27/01/2024
প্রাচীন যুগে চীনারা যখন শান্তিতে বসবাস করার সিদ্ধান্ত নিল তখন তারা গ্রেট ওয়াল নির্মাণ করলো। চীনারা ভেবেছিল এটার উচ্চতার জন্য কেউ টপকে তাদের আক্রমণ করতে পারবে না।
গ্রেট ওয়াল নির্মাণের প্রথম একশো বছরের মধ্যেই চীনারা তিন বার আক্রান্ত হয়। আশ্চর্যের বিষয় কোনোবারই আক্রমণকারীদের দেওয়াল টপকানোর বা ভাঙার প্রয়োজন হয় নাই। কারণ প্রত্যেকবারই আক্রমণকারীরা দেওয়াল পাহারারত রক্ষীদের উৎকোচ দিয়ে সামনের গেট দিয়ে ঢুকে গেছে। চীনারা অনেক পরিশ্রম করে মজবুত দেওয়াল তৈরি করেছিল। কিন্তু তারা দেওয়াল পাহারা দেওয়া রক্ষীদের চরিত্র মজবুত করার জন্য কোন পরিশ্রমই করেনি।
তাহলে দেখা যাচ্ছে দেওয়াল মজবুত করার থেকে চরিত্র মজবুত করার প্রশ্নটিই আগে আসে। শুধু দেওয়াল মজবুত করার ফলাফল শূন্য।
তাই অনেক আগেই একজন প্রাচ্যদেশীয় দার্শনিক বলে গেছেন তুমি যদি কোন সভ্যতা ধ্বংস করতে চাও তাহলে তিনটি কাজ কর-
(ক) যে জাতিকে পদানত করতে চাও তার পারিবারিক গঠন আগে ধ্বংস করো। পারিবারিক গঠন ধ্বংস করতে হলে সংসারে মায়ের ভূমিকাকে খাটো করে দেখাও যাতে সে গৃহবধূ পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে।
(খ) শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দাও। এটা করতে হলে শিক্ষককে প্রাধান্য দিও না। সমাজে তার অবস্থান নিচু করে দেখাও যাতে তার ছাত্ররাই তাকে উপহাস করে।
(গ) তরুণ সমাজ যেন অনুসরণ করার মত কোন রোল মডেল না পায়। তাই তাদের জ্ঞানীদের নানাভাবে অপমান কর। রোল মডেলদের নামে অসংখ্য মিথ্যা কুৎসা রটাও যাতে তরুণ সমাজ তাদের অনুসরণ করতে দ্বিধাবোধ করে।
(প্রাথমিক শিক্ষা সংবাদের ওয়াল থেকে নেয়া)
16/12/2023
Department of Pharmacy, School of Pharmaceutical Sciences
*মৃতরা কিভাবে বুঝতে পারে যে তারা মৃত*?
*ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন!!!
* মৃত ব্যক্তি বুঝতে পারে না যে সে শুরুতেই মারা গেছে। সে নিজেকে মৃত্যুর স্বপ্ন দেখছে, সে নিজেকে কাঁদছে, স্নান করছে, নিজেকে গাঁটছড়া করছে এবং কবরে নেমে যাচ্ছে।
* মাটিতে স্তূপ হয়ে গেলে তার মনে সবসময় স্বপ্ন দেখার ছাপ থাকে। সে তখন চিৎকার করে কিন্তু কেউ তার চিৎকার শুনতে পায় না।
*পরে, যখন সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং মাটির নিচে একা পড়ে যায়, আল্লাহ তার আত্মাকে পুনরুদ্ধার করেন। সে তার চোখ খোলে এবং তার "খারাপ স্বপ্ন" থেকে জেগে ওঠে। প্রথমে তিনি খুশি এবং কৃতজ্ঞ যে তিনি যা দিয়ে যাচ্ছিলেন তা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন ছিল এবং এখন সে তার ঘুম থেকে জেগে উঠেছে। তারপর সে তার শরীর স্পর্শ করতে শুরু করে, যেটি সবেমাত্র একটি কাপড়ে মোড়ানো হয়েছে, অবাক হয়ে প্রশ্ন করে;*
"আমার শার্ট কোথায়, আমার অন্তর্বাস কোথায়?"
তারপর তিনি বলতে থাকেন: "আমি কোথায়, এই জায়গাটি কোথায়, কেন সর্বত্র ময়লা-কাদার গন্ধ, আমি এখানে কী করছি?"
*তারপর সে বুঝতে শুরু করে যে সে আন্ডারগ্রাউন্ড, এবং সে যা অনুভব করছে তা স্বপ্ন নয়! হ্যাঁ, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি সত্যিই মারা গেছেন।*
তিনি যতটা সম্ভব জোরে চিৎকার করেন, ডাকেন: তার আত্মীয়রা যারা তার মতে, তাকে বাঁচাতে পারে:
"রাজাক...!!!!"
"ওইজা....!!!!"
"আব্দুল্লাহি....!!!!"
"খাদিজা....!!!!"
"আয়েশা....!!!!"
"উসমান....!!!!"
"আদম...!!!!"
কেউ তার উত্তর দেয় না। তখন তার মনে পড়ে যে এই মুহূর্তে আল্লাহই একমাত্র ভরসা। তিনি তাঁর জন্য কাঁদেন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার সময় তাঁর কাছে প্রার্থনা করেন;
"ইয়া আল্লাহ! ইয়া আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা কর ইয়া আল্লাহ...!!!
*তিনি এমন এক অবিশ্বাস্য ভয়ে চিৎকার করেন যা তিনি তার জীবদ্দশায় আগে কখনো অনুভব করেননি।*
যদি সে একজন ভালো মানুষ হয়, হাস্যোজ্জ্বল মুখের দুইজন ফেরেশতা তাকে সান্ত্বনা দিতে বসবে, তারপর তার সর্বোত্তম সেবা করুন।
*যদি সে খারাপ লোক হয়, দুইজন ফেরেশতা তার ভয় বাড়াবে এবং তার কুৎসিত কাজ অনুযায়ী তাকে নির্যাতন করবে।*
হে আল্লাহ, আমার গুনাহ এবং আমার মা, বাবা, স্ত্রী, সন্তান এবং আমার সমস্ত পরিবার এবং বন্ধুদের গুনাহ মাফ করুন।
ইসলামের ভাই ও বোনেরা, এখানে আপনার দুটি বিকল্প আছে:
*১. এই সামান্য জ্ঞান শুধুমাত্র এখানে পড়া যাক এবং কিছুই হবে না.*
*২। আপনার পরিবারের জন্য প্রার্থনা
*ইয়া আল্লাহ, আমার জীবন কেড়ে নিও না যতক্ষণ না আমি আমার সেরা এবং আপনার সাথে দেখা করার জন্য প্রস্তুত।* আমিন..👏👏...
Click here to claim your Sponsored Listing.