Revive with Islam

Revive with Islam Islam, the only Deen

Prophetic Politics,the duty('Fard') of every Muslim who has 'Aql' (intelligence)
16/05/2026

Prophetic Politics,the duty('Fard') of every Muslim who has 'Aql' (intelligence)

দ্বিতীয় বিশ্বযু*দ্ধে কয়েকটা জয়ের পর জার্মানি পৃথিবী জয় করার চিন্তা করেছিলো, জার্মান রা লোকজনকে জার্মান জাতীয়তাবাদ গ...
11/05/2026

দ্বিতীয় বিশ্বযু*দ্ধে কয়েকটা জয়ের পর জার্মানি পৃথিবী জয় করার চিন্তা করেছিলো, জার্মান রা লোকজনকে জার্মান জাতীয়তাবাদ গেলাতে চাইছিল,,যার ফলে কিছু জার্মান ভাষাভাষী আর ethnic লোকজন ছাড়া আর কেউ তাদের চিন্তায় নিজেদের involved মনে করে নি। ফলাফল হিসেবে narcism এর ভয়াবহ বিলুপ্তি।জাতীয়তাবাদ জিনিস টা এমনই,,এটা পশুদের মধ্যে থাকে,প্রত্যেক কুকুর এর দল ই তার নিজের দলকে সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করে আর এর জন্য লড়াই করে। মানুষ কি কুকুরের মতো?কুকুরের জীবন এর তো কোনো অর্থ নাই।আপনার জীবনের ও কি নাই? জাতীয়তাবাদ একটা নিচু লেভেল এর চিন্তা যেটা দিয়ে একটা সিস্টেম run করা যায় না।এটা কি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্টিকে জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি দেয়? সমস্যার সমাধান দেয়? সবাই কে কি এটি খাওয়ানো যায়?(একই জাতিগোষ্ঠী ছাড়া),তাইলে এটা তো একটা সংকীর্ণ আইডিয়া।আপনি একটা সুপার পাওয়ার ও হইতে চাইবেন,কিন্তু আপনি একটা বর্ডার এর বাইরে ভাবতে পারবেন না,আবার আপনার এডভ্যান্স টেকনোলজি লাগবে,modern ওয়ারফেয়ার weapon লাগবে, কৌশলগত সম্পদ লাগবে,,তো বলেন জাতীয়তাবাদকে সব প্রব্লেম যেন সলভ করে দেয়?

দেখেন আম্রিকা জাতীয়তাবাদ প্রমোট করলেও সে মোটেও জাতীয়তাবাদি না। সে যদি জাতীয়তাবাদি হইতো তাইলে সব জাতিকে তার ইন্টারেস্ট এ কাজে লাগাতে পারত না, এসব দেশের নীতিনির্ধারণ করতে পারত না,প্রতিটা যু*দ্ধ,ক্ষমতার পরিবর্তন এ তার কোনো ভূমিকা থাকতো না,, তার মি*লি*টারি বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার গর্ভবতীর (!)দায়িত্ব নিত না,বিশ্ব অর্থনীতিতে তার কোনো ভূমিকা থাকতো না,সে তার গন্ডিতেই থাকতো,বের হতো না,,কিন্তু সে জাতীয়তাবাদী না বলেই আটলান্টিক এর উপর উড়ে গিয়ে আপনার দেশের ব্যাবস্থা কি হবে এটা নিয়ে নাক গলাচ্ছে।আর আপনাকে বলছে জাতীয়তাবাদ খারাপ কিছু না।আপনি সাদরে মেনেও নিলেন ব্যাপার টা!

এই ছবিটি ১৯১৫ সালের সেইসব সাহসী মুসলিমের যারা বৃটিশ-ইন্ডিয়ান সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় কাসাম মানসুরের নেতৃত্বে উস...
06/05/2026

এই ছবিটি ১৯১৫ সালের সেইসব সাহসী মুসলিমের যারা বৃটিশ-ইন্ডিয়ান সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় কাসাম মানসুরের নেতৃত্বে উসমানীয় খি"লা_ফাহ'র বিরুদ্ধে যু*দ্ধ করতে বলা হলে তারা বিদ্রোহ করে; যদিও এই সাহসী মুসলিমেরা তাদের পরিণতির ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল। তদুপরি তারা ইসলাম এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে অ*স্ত্র ধারণের চেয়ে শাহাদাহ বরণকে উত্তম পথ হিসেবে বেছে নিয়েছিল।

এ ভূমি  পচে যাওয়া গণতন্ত্রের স্বাদ নিয়েছে, দেখেছে পুঁ/*জিবাদের ঘুনে ধরা আদর্শ। বিনিময়ে পেয়েছে স্বৈরাচার, হয়েছে মৌলি...
04/05/2026

এ ভূমি পচে যাওয়া গণতন্ত্রের স্বাদ নিয়েছে, দেখেছে
পুঁ/*জিবাদের ঘুনে ধরা আদর্শ। বিনিময়ে পেয়েছে স্বৈরাচার, হয়েছে মৌলিক অধিকার বঞ্চিত, চাপানো হয়েছে জুলুমের ট্যাক্স, তৈরি করেছে ৪% ধনকুবের যাদের হাতে ৯৯% সম্পদ জিম্মি, জনগণ হয়েছে শাসকের করুণার পাত্র, যেখানে সেবার নামে করা হয়েছে সীমাহীন দুর্নীতি, উন্নয়নের নামে করেছে দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রি, বিনিয়োগের নামে দেশের কৌশলগত সম্পদ তুলে দিয়েছে পশ্চিমা উপনিবেশিকদের দের হাতে, আরও কত কী উপহার এ ভূমি পেয়েছে!
এ ভূমির জনগণ আর এই ব্যবস্থা চায় না, সে বুঝে গেছে পরিবর্তন সম্ভব। তাই পরিবর্তন হোক সামগ্রিক, পরিবর্তন হোক সমগ্র ব্যবস্থার, আবারো ফিরে আসুক ইসলাম প্রশান্তির ছায়া হয়ে, ইনসাফ প্রতিষ্ঠায়। কারণ ইসলাম ই সমগ্র মানবজাতিকে দিয়েছে সর্বোত্তম মর্যাদা, তার অধিকারকে করেছে সংরক্ষণ। পুরো বিশ্বকে আহ্বান করেছে এক ইলাহের আনুগত্যের প্রতি। তাই আবারও ইসলাম ফিরে আসবে এই জুলুমের ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে।
রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, "... আবারও আসবে খি/লা"ফত, নবুয়তের আদলে।" ( বুখারি ও মুসলিম)

Once a wise man said..!📍
29/04/2026

Once a wise man said..!
📍

📍
28/04/2026

📍

Great call.!🗣️
25/04/2026

Great call.!🗣️

গত ৫৫ বছর ধরে, আমরা প্রতিবছর তথাকথিত স্বাধীনতা দিবস পালন করে আসছি যা আমাদের জন্য আনন্দের (!) উৎসব হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে। ...
23/04/2026

গত ৫৫ বছর ধরে, আমরা প্রতিবছর তথাকথিত স্বাধীনতা দিবস পালন করে আসছি যা আমাদের জন্য আনন্দের (!) উৎসব হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে। এ দিবস পালনের সময় আমাদের প্রশ্ন করা উচিত এ রাষ্ট্রের বাস্তবতা কী, কে এটা তৈরি করেছে, কেন এবং কিইবা পেলাম?
রাসূল (সা) মক্কা থেকে মদীনায় হিযরত করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার ইচ্ছায় ইসলামী জীবনব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন যার মাধ্যমে ইসলাম বাস্তবায়িত ছিলো ও সমগ্র পৃথিবীতে দাওয়ার কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। তথন থেকেই কু"ফ"র ও হক্ব এর দ্বন্দ শুরু হয় যার ফলশ্রুতিতে ১৩০০ বছর পর পশ্চিমা কু"ফ"র সাম্রাজ্যবাদী শক্তি খি"লা"ফত ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল যা মুসলমানদেরকে ঐক্যবদ্ধ রাখতো। তার পরিবর্তে ৯ই মে সাইকস-পিকো (ব্রিটেন ও ফ্রান্স এর দুই পররাষ্ট্র মন্ত্রী) চুক্তির মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতি রাষ্ট্র তৈরি করলো যার ফলে মুসলিম রাষ্ট্রগুলি তাদের করায়ত হলো ও তাদের তাবেদার শাসক তৈরির ভুমি হিসাবে ব্যবহৃত হতে থাকলো। অন্যদিকে রেডক্লিফ লাইন এর মাধ্যমে ভা_র_ত-পাকিস্তান নামের দুই দেশ তৈরি পরবর্তীতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান নামের দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা একই ধারাবাহিকতার ফসল।
তাই আমাদের সত্যটা উপলব্দি করতে হবে আর তা হলো খি"লা"ফত রাষ্ট্র মুসলমানদের ঐক্যবব্ধ করে আর জাতি রাষ্ট্র মুসলমানদেরকে বিভক্ত করে যা মুসলমানদের শত্রু কাফির সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কার্যফল। জাতি রাষ্ট্রের বর্তমান বাস্তবতা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না।
১. জাতি রাষ্ট্র তৈরির মাধ্যমে কু"ফ"র শক্তি মানবখচিত রাষ্ট্রীয় সীমানা তৈরি করেছে যা সমুন্নত রাখতে আমারা একে অপরের সাথে যু"দ্ধ করতেও পিছপা হই না হোক সে আমার মুসলিম ভাই যে সীমানার অপর প্রান্তে থাকে। তাছাড়া অন্য প্রান্তে কু"ফ"রের বোমার আঘাতে প্রতিনিয়ত মুসলমান মা বোন, শিশু, বৃদ্ধ মারা যাচ্ছে যা আমরা দেখেও না দেখার ভান করছি কারন তারা আমাদের জাতি রাষ্ট্রের নাগরিক নয়। যার বাস্তবতা আমরা দেখছি সি_রি_য়াতে নারী শিশু হ*ত্যা, আ"রা"কা"নের মুসলিমদের উপর অত্যাচার, কা_শ্মি_র সমস্যা ইত্যাদি। সর্বোপরি আমরা সাম্রাজ্যবাদীদের সৃষ্ট জাতি রাষ্ট্রের সীমাকে রক্ষা করে মুসলিমদেরকে একত্রিত হতে বাধা দিচ্ছি। এবং এই বিভক্তিকে ধরে রাখার জন্য প্রত্যেক জাতি রাষ্ট্রের নিজস্ব জাতীয় দিবস, পতাকা আছে যা মিথ্যা বাস্তবতাকে (!!) প্রকাশ করে।
রাসূল (সা) বলেছেন, “সে আমাদের অন্তর্ভূক্ত নয়, যে জাতীয়তাবাদের দিকে আহ্বান করে, এর জন্য লড়াই করে এবং এর জন্য মারা যায়”
২. জাতি রাষ্ট্রগুলো তাদের জনগনের জন্য কু"ফ"র আইন বাস্তবায়ন করে । তারা শরীয়াহ আইনের কোন প্রয়োগ করে না যা ইসলামি জীবন ব্যবস্থা থেকে আমাদেরকে দূরে সরিয়ে নেয়। আর এই তাগুত বাস্তবায়নের পদ্ধতি হলো বেশিরভাগ লোকের সম্মতি (যদিও বা তা ইসলামী নিয়ম নীতির বিরুদ্ধে হয়) নিয়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে তা বাস্তবায়ন। যেখানে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ও তাঁর ঐশী বানীর কোন মূল্য নেই (নাউযুবিল্লাহ)। যা আমাদেরকে দেশে দেশে খুবই মানবেতর জীবন যাপনের জন্য ঠেলে দিচ্ছে।
“যে আমার স্মরণে বিমুখ তার জীবন-যাপন হবে সংকুচিত এবং আমি তাকে কিয়ামতে দিন উত্থিত করবো অন্ধ অবস্থায়। ” (ত্ব-হা-১২৪)
৩. জাতি রাষ্ট্রগুলো “স"ন্ত্রা"সীদের বিরুদ্ধে যু"দ্ধ” এর ব্যানারে ইসলামের উত্থানকে ঠেকাতে কাজ করে যা বাস্তবিকভাবে ইসলামকে জীবন ব্যবস্থা হিসাবে বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ। দেশে দেশে আজ সাম্রাজ্যবাদীদের যে চাপানো যু*দ্ধ চলছে তা তারা সিদ্ধ করতে চায় “স"ন্ত্রা"সীদের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ” এর শ্লোগান তুলে বাস্তবিক ভাবে তারা সবাই মুসলিমদের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ ঘোষণা করেছে যার বলি হচ্ছে মুসলিম বিশ্বের সাধারন মানুষ।
“বস্তুত: তাদের মুখ থেকে শত্রুতা প্রকাশিত হয় এবং তাদের অন্তর যা গোপন করে তা গুরুতর…” [আলে ইমরান: ১১৮]
স"ন্ত্রা"সী কর্মকান্ড সম্পর্কে পশ্চিমাদের (র‍্যান্ড কর্পোরেশান) ব্যাখ্যা হলো, “স"ন্ত্রা"সী তারা যারা শরীয়াহ আইন বাস্তবায়নের দাবী তোলে”, কারণ তারা মনে করে মুসলিম মাত্রই স"ন্ত্রা"সী যারা ইসলামি আইন বাস্তবায়নের দাবী তোলে।”
৪. মুসলিম অধ্যুষিত জাতি রাষ্ট্রগুলো ক্ষুদ্র রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃত কারন রাষ্ট্র হিসাবে যে সকল গুনাবলী থাকা দরকার তাদের তা নেই যার কারণে সকল ক্ষেত্রে তারা কু"ফ"র সাম্রাজ্যবাদীদের নিয়ন্ত্রেনে থাকে। যখনই কোন সমস্যা হয় এই জাতি রাষ্ট্রগুলো কা"ফি"রদের স্মরনাপন্ন হয় এবং কা"ফি"ররা সময় সময় তাদের সাক্ষাত অব্যাহত রাখে। আরাকানে মুসলমানদের সমস্যার জন্য বিভিন্ন কু"ফ"র ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশে আসে যাদের মধ্যে রাজনীতিবিদ, মানবাধিকার কর্মী, ধর্মীয় নেতা অন্যতম। তাছাড়া জাতি রাষ্ট্রসমূহের রাষ্ট্রপ্রধানরা সব সময় মুখিয়ে থাকে বিদেশী শক্তির সাথে দেখা করার জন্য যার উদাহরন হলো মুসলিম বিশ্বের শাসকদের কু"ফ"র রাষ্ট্রগুলোতো কিছুদিন পরপর সফর।
৫. জাতি রাষ্ট্রগুলো মুসলিম দেশগুলোর ক্ষুদ্র একক যারা নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারে না । কু"ফ"র সাম্রাজ্যবাদী শক্তিও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো ক্রমাগত তাদেরকে শোষন করে যাচ্ছে। উদাহরনস্বরুপ, ভারত কর্তৃক ফারাক্কা বাধঁ, টিপাইমুখ বাঁধ, পদ্মার পানি প্রত্যাহার, সীমান্তে পাখির মতো গু*লি করে মানুষ হ*ত্যা তারপর কাটাতারে ঝুলিয়ে রাখা অথবা আন-নাহদা বাঁধকে আত্মসমর্পন করা যার মাধ্যমে সুদান ও মিশরের মুসলমানদের স্বার্থ বহুগুনে ক্ষুন্ন হচ্ছে।
রাসূল (সা) বলেছেন, “মুসলমানরা সমগ্র মানবজাতির মধ্যে এক অনন্য উম্মাহ” অর্থাৎ, তাদের এক দেশ, এক যু*দ্ধ, শান্তি ও সম্মান এক, বিশ্বাসও এক“।
হে মুসলিমগন, এই হলো জাতি রাষ্ট্রের স্বরূপ ও ফলাফল যা কেবল আমাদেরকে জাতি হিসাবে করেছে দুর্বল, পর্যুদস্ত, ব্যর্থ এবং আমাদের পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠী হিসাবে স্বীকৃতি দান করেছে। এ থেকে বের হওয়ার একটাই সমাধান, তা হলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার দেয়া জীবন ব্যবস্থা ইসলামকে নবুওয়াতের আদলের খি*লা"ফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা। যা রাসূল (সা) এর ব্যানার আল-উক্কাব সুউচ্চে তুলে ধরবে, মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ করবে, ইসলামি শরীয়াহ বাস্তবায়ন করবে, কাফেরদের পরাজিত করবে এবং সমগ্র মানবজাতির কাছে আল্লাহর হেদায়েত সম্বলিত বানী পৌছে দিবে ইন শা আল্লাহ।
“এতে রয়েছে বানী সেই সম্প্রদায়ের জন্য যারা ইবাদত করে।” [সূরা আম্বিয়া-১০৬]

ইসলামী চিন্তাধারা ও কু"ফ"রি চিন্তাধারার মধ্যে এবং মুসলিম ও কা"ফি"রদের মধ্যে তীব্র সংগ্রাম ইসলামের সূচনা লগ্ন থেকেই চলে আ...
20/04/2026

ইসলামী চিন্তাধারা ও কু"ফ"রি চিন্তাধারার মধ্যে এবং মুসলিম ও কা"ফি"রদের মধ্যে তীব্র সংগ্রাম ইসলামের সূচনা লগ্ন থেকেই চলে আসছে। যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রেরণ করা হলো, তখন এই সংগ্রামটি ছিল কেবল একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম, এবং এর সাথে কোনো বস্তুগত সংগ্রাম জড়িত ছিল না। এই অবস্থা মদিনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত বজায় ছিল, এরপর সেনাবাহিনী ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বস্তুগত সংগ্রামের সাথে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রামকে একত্রিত করেন। জি"হা"দের আয়াতসমূহ অবতীর্ণ হয় এবং সংগ্রাম চলতে থাকে। কেয়ামত আসা পর্যন্ত এবং আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) পৃথিবী ও তার উপর যা কিছু আছে তার উত্তরাধিকারী হওয়া পর্যন্ত এইভাবেই—বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রামের পাশাপাশি একটি র"ক্ত"ক্ষয়ী সংগ্রাম—চলতে থাকবে। একারণেই কু"ফ"র ইসলামের শত্রু, এবং একারণেই কা"ফি"ররা মুসলিমদের শত্রু থাকবে, যতক্ষণ এই পৃথিবীতে ইসলাম ও কু"ফ"র থাকবে, মুসলিম ও কা"ফি"র থাকবে, যতক্ষণ না সকলকে পুনরুত্থিত করা হয়। এটি একটি চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয় সত্য। তাই এই বিষয়টি সম্পর্কে মুসলিমদের সারা জীবন সর্বদা স্পষ্ট ধারণা থাকা উচিত এবং ইসলাম ও কু"ফ"রের মধ্যে এবং মুসলিম ও কাফিরদের মধ্যে সম্পর্ক বিচার করার জন্য এটিকে একটি মাপকাঠি হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম তেরো বছর ধরে চলেছিল। এটি ছিল সবচেয়ে কঠিন ও ভয়ংকর সংগ্রাম। অবশেষে ইসলামী চিন্তাধারা কু"ফ"রি চিন্তাধারাকে পরাজিত করে এবং আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) ইসলামকে বিজয়ী করেন। যে রাষ্ট্র মুসলিমদের সম্মান রক্ষা করে, ইসলামের ঢাল হিসেবে কাজ করে এবং জি"হা"দের মাধ্যমে মানুষের মাঝে হেদায়েত ছড়িয়ে দেয়, তা মদিনায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ইসলাম ও কু"ফ"রের মধ্যে এবং মুসলিম ও কা"ফি"র সেনাবাহিনীর মধ্যে একের পর এক যু"দ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ ও কঠিন যু"দ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। এই সমস্ত যু"দ্ধে বিজয় মুসলমানদেরই হয়েছিল। যদিও মুসলমানরা কিছু যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল, তবুও তারা সর্বদা যুদ্ধে জয়লাভ করেছিল এবং ছয় শতাব্দী ধরে তারা কোনো যুদ্ধে হারেনি, বরং সেই সময়ে তাদের সমস্ত যু"দ্ধে বিজয়ী ছিল। পুরো এই সময়কাল জুড়ে ইসলামী রাষ্ট্রই ছিল শীর্ষস্থানীয় জাতি। মুসলমানদের ছাড়া মানবজাতির ইতিহাসে এমনটি আর কখনও ঘটেনি, বরং এটি কেবল ইসলামী রাষ্ট্রের জন্যই নির্দিষ্ট ছিল। তবে অবিশ্বাসীরা, বিশেষ করে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো ইসলাম সম্পর্কে সচেতন ছিল, কারণ তারা এর উপর আক্রমণ করতে চেয়েছিল এবং তারা মুসলমানদের সম্পর্কেও সচেতন ছিল, কারণ তারা তাদের অস্তিত্বকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। সুযোগ পেলেই তারা মুসলমানদের উপর আক্রমণ করার বা তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করত। হিজরি ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষ (খ্রিস্টীয় একাদশ শতাব্দী) এবং হিজরি সপ্তম শতাব্দীর শুরুর (খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দী) মধ্যে ইউরোপীয় দেশগুলো ইসলামী রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার সেই অবস্থাটি উপলব্ধি করেছিল, যেখানে রাষ্ট্রের দেহ থেকে প্রদেশগুলো খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাচ্ছিল এবং কিছু ওয়ালি (শাসক) সশস্ত্র বাহিনী, অর্থ, ক্ষমতা এবং এই জাতীয় অভ্যন্তরীণ নীতির গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে স্বাধীন হয়ে পড়েছিল। প্রকৃতপক্ষে, এটি একটি একক ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্রের পরিবর্তে রাজ্যগুলোর একটি ফেডারেশনের মতো হয়ে গিয়েছিল। কিছু প্রদেশে খ"লি"ফার কর্তৃত্ব কেবল মিম্বরে তার জন্য দোয়া করা, তার নামে মুদ্রা তৈরি করা এবং খারাজ থেকে তাকে কিছু অর্থ পাঠানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল। ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো এটি বুঝতে পেরেছিল, তাই তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রুসেড প্রেরণ করে এবং যুদ্ধ শুরু হয়। এই যু"দ্ধে মুসলমানরা পরাজিত হয় এবং কাফিররা পুরো আল-শাম অঞ্চল দখল করে নেয়: ফি"লি"স্তি"ন, লেবানন এবং সিরিয়া। তারা কয়েক দশক ধরে এই অঞ্চলগুলো দখল করে রেখেছিল, এমনকি ত্রিপোলির মতো কিছু এলাকা একশ বছর ধরে তাদের দখলে ছিল।
যদিও ক্রুসেডার এবং মুসলমানদের মধ্যে যু"দ্ধগুলো শত বছর ধরে অবিরাম চলছিল, এবং যদিও ক্রুসেডারদের দ্বারা বিজিত ভূমিগুলো পুনরুদ্ধার করার জন্য মুসলমানদের প্রচেষ্টা থেমে যায়নি, তবুও এই যু"দ্ধগুলো ইসলামী উম্মাহকে অস্থির করে তুলেছিল এবং ইসলামী রাষ্ট্রের মর্যাদা হ্রাস করেছিল। মুসলমানরা যু"দ্ধে পরাজিত হয়েছিল এবং কা"ফি"রদের হাতে পরাস্ত হয়েছিল। যু"দ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কা"ফি"রদের বিজয় হয়েছিল। যদিও ইসলাম বনাম কু"ফ"রের বিজয়, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে বা আধ্যাত্মিকভাবে, কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি, তবুও মুসলমানদের উপর যে লজ্জা ও অপমান নেমে এসেছিল তা ছিল কল্পনাতীত। সুতরাং, ক্রুসেডের যুগকে মুসলমানদের জন্য পরাজয়ের যুগ হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ আল-শাম থেকে ক্রুসেডারদের বিতাড়িত করে শেষ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করা সত্ত্বেও, তারা অবিশ্বাসীদের সাথে বিজয় অভিযান ও যু"দ্ধ চালিয়ে যায়নি। ক্রুসেড শেষ হওয়ার পরপরই মোঙ্গলরা এসে পড়ে এবং বাগদাদের গণহত্যা সংঘটিত হয়। এই বিপর্যয়ের পরপরই একই বছরে (৬৫৬ হিজরি, ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দ) মোঙ্গলদের হাতে দামেস্কের পতন ঘটে। এরপর ১২৬০ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর আইন জালুতের যু"দ্ধ সংঘটিত হয়, যেখানে মোঙ্গলরা ধ্বংস হয়। মোঙ্গলদের ধ্বংসের পর মুসলমানদের অন্তরে জি"হা"দের আবেগ জেগে ওঠে এবং তারা বিশ্বে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার কাজ পুনরায় শুরু করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। ফলে, কা"ফি"রদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিজয় অভিযান আবারও শুরু হয় এবং বাইজেন্টাইনদের বিরুদ্ধে জি"হা"দ পুনরায় শুরু করা হয়। যু"দ্ধ শুরু হয় এবং একের পর এক বিজয় অর্জিত হতে থাকে। হিজরি সপ্তম শতাব্দীর (খ্রিস্টীয় ১৩শ শতাব্দী) দিকে ইসলামী উম্মাহ পুনরায় বিজয় অভিযান শুরু করে। যু*দ্ধ চলতে থাকে এবং বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক যু*দ্ধ সংঘটিত হয়, এবং মুসলমানরা সর্বদা বিজয়ী হিসেবে আবির্ভূত হয়, কারণ যদিও মুসলমানরা কিছু যু*দ্ধে পরাজিত হয়েছিল, তারা যু*দ্ধগুলো জিতত এবং ভূমি জয় করত। ইসলামী রাষ্ট্র ছিল অগ্রণী জাতি এবং এটি হিজরি ১২শ শতাব্দীর মাঝামাঝি (খ্রিস্টীয় ১৮শ শতাব্দী) পর্যন্ত চার শতাব্দী ধরে শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছিল। এরপর ইউরোপে শিল্প বিপ্লব এক অসাধারণভাবে আবির্ভূত হয়, যা রাষ্ট্রগুলোর ক্ষমতার উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই বিপ্লবের ফলে মুসলমানরা নিষ্ক্রিয় ও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল, ফলে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তিত হয় এবং ইসলামী রাষ্ট্র ধীরে ধীরে শীর্ষস্থান থেকে পতনের দিকে ধাবিত হতে শুরু করে, অবশেষে তা লোভীদের কাঙ্ক্ষিত বস্তুতে পরিণত হয়। ফলে, তারা তাদের বিজিত ভূমি এবং পূর্বে তাদের অধীনে থাকা অঞ্চলগুলো থেকে সরে যেতে শুরু করে। অবিশ্বাসী দেশগুলো তাদের কাছ থেকে ইসলামের ভূমি খণ্ড খণ্ড করে দখল করতে শুরু করে, এবং এটিই ছিল মুসলমানদের জন্য উত্থানের সমাপ্তি ও পতনের সূচনা। তখন থেকেই ইউরোপীয় দেশগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে ইসলামী রাষ্ট্রকে অপসারণ এবং জীবনের সকল ক্ষেত্র ও মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক থেকে ইসলামকে সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলার দিকে মনোযোগ দেয়। অন্য কথায়, তারা একটি নতুন ক্রুসেড অভিযানের কথা ভাবতে শুরু করে। তবে প্রথম ক্রুসেডের মতো নয়, নতুন ক্রুসেডগুলো মুসলমানদের পরাজিত করতে এবং ইসলামী রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার জন্য নিছক একটি সামরিক আ"ক্রমণের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। নতুন ক্রুসেডগুলো ছিল আরও ভয়াবহ এবং এর পরিণতি ছিল আরও সুদূরপ্রসারী। এগুলো এমনভাবে পরিকল্পিত হয়েছিল যাতে ইসলামী রাষ্ট্রকে সমূলে উৎপাটিত করা যায়, তার কোনো চিহ্নই অবশিষ্ট না থাকে এবং তার একটি শিকড়ও যেন আর গজাতে না পারে। এগুলো মুসলমানদের অন্তর থেকে ইসলামকে উপড়ে ফেলার জন্যও পরিকল্পিত হয়েছিল, যাতে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও আধ্যাত্মিক রীতিনীতি ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট না থাকে।

11/04/2026

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Revive with Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Revive with Islam:

Shortcuts

Share