পাঠাগারের নামকরণঃ
-আল ইমরান মোঃ আমিমুল এহসান
-মোঃ মেহেদী হাসান
-মোঃ সাইফুল্লাহ শওকত জীবন
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৪ এপ্রিল, ২০১২
পটভূমিঃ
“তারুণ্যের ছোঁয়ায় আসবে নতুন ভোর, তরুণেরাই গড়বে নতুন সমাজ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাদকের করাল গ্রাসে আচ্ছন্ন তৎকালীন সবুজপাড়া গ্রামের বিপদ্গামী যুব সমাজকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের নৈতিক অবক্ষয় রোধ, সুস্থ সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে একটি আদর্শ, সচেতন এবং সৃষ্টিশীল প্রজন্ম সৃষ্টির নিমিত্তে তরুণ সংগঠক মোঃ মেহেদী হাসান ও আল ইমরান মোঃ আমিমুল এহসান এর দিক নির্দেশনায় ও তত্ত্বাবধানে এবং সবুজপাড়া গ্রামের একমাত্র ক্রীড়া চর্চা কেন্দ্র সবুজপাড়া ওয়ারিয়র্স ক্লাবের সার্বিক সহযোগিতায় সবুজপাড়া পাঠাগারের যাত্রা। পাঠাগারের এই যাত্রা পথকে মসৃণ করতে সবুজপাড়া ওয়ারিয়র্স ক্রিকেট দলের তৎকালীন ক্রিকেটার মোঃ মঈন উদ্দিন, মোঃ একরামুল ইসলাম, মোঃ মিজানুর রহমান রকি, মোঃ আরিফ খন্দকার, শ্রী কমল চন্দ্র এবং সবুজপাড়া ওয়ারিয়র্স ফুটবল দলের অন্যতম সদস্য মোঃ ইবনে সাঈদ স্বপ্নিল এর ভূমিকা এবং অবদান ছিল অপরিসীম।
পাঠাগারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
১। মানসিক বিকাশে সাহিত্য চর্চায় সবাইকে আগ্রহী করে তোলা।
২। তরুণদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা।
৩। বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি আদর্শ, সচেতন এবং সৃষ্টিশীল প্রজন্ম সৃষ্টির চেষ্টা করা।
পাঠাগারের কার্যক্রমঃ
১। নিয়মিত দেয়ালিকা প্রকাশ।
২। নিয়মিত সাহিত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং পুরস্কার প্রদান।
৩। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে সচেতনতামূলক পোষ্টারিং।
৪। নিয়মিত সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ।
৫। বিভিন্ন দুর্যোগে সচেতনতামূলক পোষ্টারিং করা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা।
৬। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা পালন করা।
৭। খুবই অল্প পরিমাণ মাসিক চাঁদায় একাধিক বই বাসায় নিয়ে গিয়ে পড়ার সুবিধা।
পাঠাগারের অর্জনঃ ইয়ং বাংলা পুরস্কার -২০১৪
পাঠাগারের সফল কর্মসূচিসমূহ-
১। দেয়ালিকা প্রকাশ।
২। ম্যাগাজিন প্রকাশ।
৩। সাহিত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং পুরস্কার প্রদান।
৪। বিভিন্ন দুর্যোগে সচেতনতামূলক পোষ্টারিং।
৫। ঈদ উৎসবে গরীব ও অসহায়দের মাঝে সেমাই, দুধ-চিনি বিতরণ।
৬। প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ (বন্যায়) গরীব ও অসহায়দের মাঝে খাবার সামগ্রী বিতরণ।
৭। বিনামুল্যে ৫৫০-৬০০ মানুষের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষাকরণ এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করা।
৮। নৈতিক অবক্ষয় রোধে বিভিন্ন সময়ে সচেতনতামূলক পোষ্টারিং।
৯। অনলাইন সাহিত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন এবং পুরস্কার প্রদান।
১০। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পোষ্টারিং, মাইকিং, জীবাণুনাশক ছিটানো এবং মাস্ক বিতরণ।
পাঠাগারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ
১। জাতীয় পর্যায়ের যে কোন প্রতিযোগিতায় অত্র জনপদের সন্তানদের অংশগ্রহণে সহায়তা করা।
২। নিরক্ষরমুক্ত সমাজ গঠনে বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা এবং নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন।
৩। সাহিত্য চর্চায় উৎসাহিত করতে বিনামুল্যে বই বিতরণ।
৪। দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করা।