05/01/2026
একজন মেয়ের মাদ্রাসায় পড়ালেখা করতে যত বছর সময় লাগেঃ-
১.আওয়াল।
২ছানী।
৩.ছালেছ।
৪.রাবে'।
৫.খামেছ।
৬.মিযান।
৭.নাহবেমীর।
৮.কুদূরী।
৯.শরহে বেকায়া।
১০.হেদায়া (এই জামাত বেশির ভাগ মহিলা মাদ্রাসায় থাকে না)
১১.মেশকাত (অনার্স)
১২.দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স)
একটা মেয়েকে ৫ বছর বয়সে আওয়ালে ভর্তি করলে,,আলেমা হতে তার ১১ বা ১২ বছর সময় লাগবে। তার পড়ালেখা শেষ হবে সর্বোচ্চ ১৬ বা ১৭ বছর বয়সে।
একজন জেনারেল শিক্ষিতকে যখন বলা হয় মাস্টার্স পাস করেছে তখন তার চোখ যেন চরক গাছ হয়ে যায়। এত অল্প বয়সে মাস্টার্স পাস কিভাবে সম্ভব!
—হ্যাঁ সম্ভব। আমাদের জামাত গুলো কম থাকলেও পড়া কিন্তু কম নয়। এত বড় বড় কিতাব আমাদের শেষ করতে হয় ১ বছরের ও কম সময়ে। আমাদের প্রত্যেক দিন দরসে উপস্থিত থাকতে হয়। কারণ একদিন দরস মিস দিলে পরের দিনের পড়া বুঝতে মারাত্মক অসুবিধা হয়। দিন রাত দরস করে ,তাকরার করে, অত্যন্ত পরিশ্রম করে এত দূর আসতে হয়। কিন্তু স্কুল কলেজে প্রতিদিন ক্লাসে না গেলেও পরীক্ষা দেওয়া যায়৷ কওমী মাদ্রাসায় এটা কখনোই সম্ভব নয়!
আমাদেরকে মাস্টার্স এর সনদ দেওয়া হয় এ জন্য কত মানুষের চুলকানি। বলি কি,,মাদ্রাসায় ভর্তি হও,পরে দেখো কিসের জন্য মাস্টার্স এর সনদ দেওয়া হয়!
দাওরায়ে হাদীসের বছর পড়ার চাপে ছাত্র ছাত্রী গুলো খাওয়ার সময়টাও ঠিক মতো পায় না।
ফজরের পর থেকে একদম এশা পর্যন্ত দরস করা এত সহজ না। সবর লাগে। ইবারত পড়তে পড়তে গলা ব্যথা হয়ে যায়,
আরেকটা কথা তিক্ত হলেও সত্য, কিছু জ্ঞানী হুজুররা ভাবে আলেমা হলেই মেয়ের বয়স বেশি। আমি বুঝিনা উনাদের ধারণা এত মন্দ কিভাবে হয়,,আলেমা মেয়েরা নাকি বেশি বুঝে,,বেশি বয়স আরো কত কি!
ভাই রে ভাই আপনি ৩০ বছর বয়সে ১৬ বছরের মেয়েকে বুড়ি কেমনে ভাবেন। আমারে বুঝান। একজনের জন্য বাকি সবার উপর দোষ চাপান কেন,,?
দৃষ্টিভঙ্গি বদলান সমাজ বদলে যাবে।.