21/09/2026
অথচ ইউনূসের সরকার দেড় বছরেও এক বারের জন্যও তেলের দাম বাড়ায়নি।
বরং শেষ দিকে এসে লিটারে ৫ টাকা কমিয়ে রেখে গিয়েছিল।
সেই সরকারকে তাড়ানো হয়েছে দিনে ১০-১২ টা আন্দোলন করে।
এই আন্দোলনের পিছে কারা ছিল, এবার বুঝতেসেন?
মাত্র ৬ মাসের সরকার। তিন বার দাম বাড়াইলো।
ইউনূসের সময় যে দামে তেল কিনতেন, এখন কিনতে হবে প্রতি লিটারে ৪০ টাকা বেশি দিয়ে।
চাইলে অজুহাত দেয়াই যায়।
বাট সেইম অজুহাতগুলো তো ইউনূসও দিতে পারত।
দেয় নাই কেন?
কারণ ইউনূসের হাজার হাজার নেতাকর্মী ছিল না, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ছিল না।
তাই শুধু মানুষের কথা ভেবে, শুধু আমার আপনার জন্য ডিসিশন নিতে পারসে।
এখন কাদের কথা ভেবে ডিসিশন নেওয়া হইতেসে, তা তো দেখছেনই।
একটু আগে কমলাপুর স্টেশনে ঢুকে ট্রেনে আগুন দেওয়া হইসে।
ইউনূসের দেড় বছরে লীগ এই সাহস করতে পারসিলো?
পারে নাই।
বাংলাদেশের এক মাত্র সরকার যে দেড় বছরে একবারের জন্যও বিদ্যুৎ আর তেলের দাম বাড়ায় নাই।
বাংলাদেশের একমাত্র সরকার, যেই সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে রাত তিনটায় ঘুম থেকে তুলে জিগানো যাইত, পদত্যাগ চাওয়া যাইত।
বাংলাদেশের এক মাত্র সরকার, যেই সরকারের সরকার প্রধানকে গালিগালাজ করেও আরামে ঘুমানো যাইত, পুলিশ আইসা তুইলা নিয়ে যাইত না।
সেই সরকারটাকে থাকতে দিসেন মাত্র ১৮ মাস।
১৮ মাসে একটা দিনের জন্য তেল বা বিদ্যুতের বাড়তি দাম দিতে হয় নাই।
আর এখন মাত্র ৬ মাসে ৩ দফা বাড়ানোর পর লিটার প্রতি শুধু তেলেই ৪০ টাকা বাড়তি দিচ্ছেন।
আর বিদ্যুৎ, চান্দা, ধান্দা এসব তো বাদই দিলাম।
তারপর বাঙ্গুর দল, বলো, এখন তোমরা কেমন বোধ করছো?
নির্বাচনের দিন লিখেছিলাম, এক বছরও লাগবে না, এই দেশ ইউনূস সরকারকে মিস করা শুরু করবে।
ছয় মাস তো গেল।
কেমন আছো, বাংলাদেশ?
কঠিন কথা বলতে না পারা, পুলিশ দিয়ে পেটাতে না পারা, আজেবাজে কথা বলতে না পারা স্মিত হাসির সেই বুড়ো প্রফেসরকে মনে পড়ে?