Agrabad Public School & College

Agrabad Public School & College

Share

It is a educational institution from play to 12 class.It is establish in the year of 2007. Location-House # 29, Road # 22 C.D.A R/A,Agrabad,Chittagong

Agrabad public school & college
at a glance

Location :
House # 29, Road # 22, CDA R/A, Agrabad, Chittagong. Phone : 0312515383, 01758801605, 01554304894, 01768674150. Features :
♣ Quality education with minimum expense.
♣ Students friendly joyful teaching method.
♣ Well educated & experienced teaching staff.
♣ No book burden.
♣ Completion of lesson within school/college hour.
♣ Fully education en

Photos from Agrabad Public School & College's post 21/02/2026

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও সৃজনশীলতার এক বর্ণিল আবহে সম্পন্ন হলো ‘এপিএসসি বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এর পুরস্কার বিতরণী উৎসব। সারাদিনজুড়ে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ, অভিভাবকদের উচ্ছ্বসিত উপস্থিতি এবং শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতায় ক্যাম্পাসটি যেন পরিণত হয়েছিল এক প্রাণের মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রিন্সিপাল অর্পি তা নারগিস। প্রধান অতিথি ছিলেন এপিএসসি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবসার মাহফুজ। তাঁর বক্তব্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষাদর্শন, মূল্যবোধ ও সৃজনশীল শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
স্কুল শিক্ষিকাি ঐশি চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ভাইস প্রিন্সিপাল সামশুন নাহার এবং এপিএসসি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আফসানা ঈসিকা। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে মেডেল ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

21/02/2026

মহান ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

Photos from Agrabad Public School & College's post 31/12/2025

আগ্রাবাদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর বার্ষিক ফল প্রকাশ উৎসব

Photos from Agrabad Public School & College's post 04/12/2025

APSC 2025 session closing ceremony and class party.

04/12/2025

Agrabad public school & college
at a glance

Location :
House # 1/1 (Milky House), Road # 23, CDA R/A, Agrabad, Chittagong.

Phone : 0312515383, 01758801605, 01554304894, 01672273537.

Features :
♣ Quality education with minimum expense.
♣ Students friendly joyful teaching method.
♣ Well educated & experienced teaching staff.
♣ No book burden.
♣ Completion of lesson within school/college hour.
♣ Fully education environment.
♣ National Curriculum Bengali & English Version.

Facilities :
♣ Fully secured campus.
♣ Play zone for kids.
♣ Waiting room for guardians.
♣ Transport facilities (if required).
♣ Audio-visual lecture materials.
♣ Rich library.
♣ Well-equipped computer lab.

Co-curricular Activities :
♣ Art Competition.
♣ Debate & Book Reading Competition.
♣ Demonstration & Speech Competition.
♣ Study Tour.
♣ Games & Sports.

School Timing :
♣ PG, KG, Nursery & One : 8.30 A.M. – 12 A.M.
♣ Two – Five : 8.30 A.M. – 2.00 P.M.
♣ Six – Ten : 9.00 A.M. – 4.30 P.M.

School Days :
♣ Sunday to Thursday (KG & Primary Section)
♣ Saturday to Thursday (High Section)

School Offer :
♣ Students ranking 1st & 2nd from any other School 50%
Discount in admission fee & 25% monthly tuition fee.
♣ 2nd Child from a family 25% discount in admission fee
and monthly tuition fee.

♣ In the 2026 academic year, the admission of male and female students from play group to class 5 will remain the same. However, only female students will be admitted from class 6 to 8. No admission fee will be required..

Humble Request to Guardian :
Please, visit our campus before getting admission of your child to any school.

Photos from Agrabad Public School & College's post 16/11/2025

A practical session on domestic science for class 8 students at Agrabad Public School and College. In it, the students made and presented various types of pitha with their own hands.

The picture shows the president and principal along with teachers and students.

Photos from Agrabad Public School & College's post 16/11/2025

Prizes are being handed over to the winners who participated in the Agrabad Public School & College (APSC) Reading Competition. The winners are receiving their awards from APSC Managing Committee Chairman, journalist Absar Mahfuz, and Principal Arpita Nargis.

02/10/2025

শিশুর ডেঙ্গু জ্বর: যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে
সাধারণভাবে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ বড়দের মতোই হয়ে থাকে। তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের মতো জটিলতাগুলো শিশুর ক্ষেত্রে দ্রুত ও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে
ডেঙ্গু জ্বর একটি মশাবাহিত রোগ, যা এডিস মশা দ্বারা ছড়ায়। ছোটদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বর অনেক সময় জটিল আকার ধারণ করতে পারে। এ কারণে অভিভাবকদের সতর্ক থাকা এবং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ : সাধারণভাবে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত শিশুর লক্ষণ বড়দের মতোই হয়ে থাকে। তবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম এবং ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের মতো জটিলতাগুলো শিশুর ক্ষেত্রে দ্রুত ও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সে কারণে শিশু ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে আরও বেশি সতর্ক থাকতে হয়।
জ্বর: শিশুর শরীরে মাঝারি বা তীব্র মাত্রার জ্বর এক থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
সাধারণ উপসর্গ: জ্বরের সঙ্গে দেখা দেয় ক্ষুধামান্দ্য এবং বমি বমি ভাব। অনেক সময় শরীরে র‍্যাশ দেখা দেয়।
শারীরিক অস্বস্তি: মাথা বা শরীরের ব্যথায় শিশু অযথা কান্নাকাটি বা বিরক্ত করতে থাকে।
অন্যান্য লক্ষণ: কখনও কখনও বমি, পাতলা পায়খানা, পেটে ব্যথা, এমনকি খিঁচুনি হতে পারে।
সিভিয়ার ডেঙ্গুর চিহ্ন (রক্তক্ষরণ): অনেক সময় সিভিয়ার ডেঙ্গু হলে শরীরের বিভিন্ন জায়গা যেমন মাড়ি, নাক, চোখের কনজাংটিভায় রক্তক্ষরণের চিহ্ন দেখা যেতে পারে।
পানি জমা: ফুসফুসে বা পেটে পানি জমার কারণে শিশুর কাশি, শ্বাসকষ্ট অথবা পেট ফুলে যেতে পারে।
কিশোরী মেয়েদের ক্ষেত্রে: মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হতে পারে।
শক বা অচেতন অবস্থা (সংকটকালীন লক্ষণ) : জ্বর কমে যাওয়ার দু-তিন দিন পর রোগটি প্রশমিত না হয়ে উল্টো শরীরে শক বা অচেতন অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। শুরুতে শিশুর নাড়ির স্পন্দন দ্রুত বাড়তে থাকে, একসময় রক্তচাপ কমে যায় এবং নাড়ির স্পন্দন তখন অনুভূত হয় না। শিশু শকে চলে যায়। এই শক প্রতিহত করতে না পারলে তা থেকে প্রাণহানির কারণ হতে পারে। এ জন্য শিশু বা বড় যে কোনো রোগীর জ্বর কমে গেলেও নাড়ির স্পন্দন এবং রক্তচাপ ঠিক আছে কিনা, সেদিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখতে হবে।
মা-বাবা বা অভিভাবকের করণীয় : ডেঙ্গু রোগাক্রান্ত শিশুর যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে মা-বাবা বা অভিভাবকের সতর্কতা ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অপরিহার্য।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শিশুর শরীরে তীব্র জ্বর দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট মাত্রায় প্যারাসিটামল সেবন করাতে হবে। স্পঞ্জিং বা হালকা গরম পানিতে শরীর মুছে দেওয়ার মাধ্যমে জ্বর কমানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
পর্যাপ্ত তরল খাবার: বেশি বেশি তরল খাবার পানের ব্যবস্থা করতে হবে। যেমন খাওয়ার স্যালাইন, ডাবের পানি, শরবত, স্যুপ, ডালের পানি ইত্যাদি।
প্রস্রাব পর্যবেক্ষণ: শিশু যথেষ্ট ও ঠিকমতো প্রস্রাব করছে কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ছয় ঘণ্টার মধ্যে প্রস্রাব না হলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা উচিত।
শারীরিক পরিমাপ: নিয়মিত নাড়ির স্পন্দন ও রক্তচাপ মাপা জরুরি। শিশুর রক্তচাপ মাপার জন্য নির্দিষ্ট মাপের ব্লাডপ্রেশার কাফ ব্যবহার করতে হবে। এ জন্য নিকটস্থ চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন।
সময়মতো পরীক্ষা: শিশুর জ্বরের সঙ্গে রোগসংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেওয়ার আগেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। তাঁর নির্দেশে রক্তের কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (CBC) এবং এনএস-১ অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাবেন। কোনো শিশুর জ্বর ৫-৬ দিন পার হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে ডেঙ্গুর উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাবেন। ডেঙ্গুর অ্যান্টিবডি (IgM/IgG) সাধারণত ৫-৬ দিন আগে ধরা পড়ে না। এ জন্য আগেভাগে অ্যান্টিবডি টেস্ট করার দরকার নেই। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করাতে হবে।
সংকটকালীন সতর্কতা: জ্বর কমে গেলেও অর্থাৎ ষষ্ঠ দিন থেকে নিশ্চিন্ত না হয়ে বরং আরও নিবিড়ভাবে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এই সময়টিই সবচেয়ে সংকটপূর্ণ।
মানসিক সমর্থন: শিশু অসুস্থ হলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে। তাকে পর্যাপ্ত মানসিক সমর্থন দিন এবং আশ্বস্ত করুন।
বিশেষ সতর্কবার্তা: ঝুঁকিপূর্ণ শিশু : যেসব শিশু আগে থেকেই অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত, যেমন কিডনি রোগ, রক্তজনিত রোগ, লিভারসংক্রান্ত জটিলতা বা বিশেষায়িত ওষুধ সেবন করছে, তাদের জ্বর আসার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
ডেঙ্গু জ্বর হলে অভিভাবকরা প্রথমেই রক্তের প্লাটিলেটের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। এ রোগে প্লাটিলেট-সংক্রান্ত জটিলতা স্বল্পসংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রেই দেখা দেয়। অধিকাংশ রোগী পানিশূন্যতা, বুক ও পেটে পানি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসে। তাদের চিকিৎসা শুধু বিশেষায়িত হাসপাতালেই সম্ভব। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা এবং সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তানের মধ্যে ডেঙ্গুর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
ডা. আহাদ আদনান
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ; ফয়সল হাসপাতাল, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ।
সূত্র : দৈনিক সমকাল; প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৬:৩৫ |

13/05/2025

লিচু নিয়ে যে কারণে সতর্ক থাকা প্রয়োজন
প্রতিবছর সারা বিশ্বে প্রায় এক কোটি মানুষ গলায় খাবার বা অন্য কিছু আটকে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হওয়ার মতো ভয়ানক পরিস্থিতির শিকার হয়। লিচু ও জামের মৌসুমে একটা নতুন মাত্রা যোগ হয় মাত্র। বাংলাদেশে লিচু যেভাবে মৃত্যুর কারণ হয়, তা নিয়ে লিখেছেন গওহার নঈম ওয়ারা।

গওহার নঈম ওয়ারা
লেখক ও গবেষক

জ্যৈষ্ঠ মাস আসার আগেই আম-লিচু বাজারে আসে। এ বছর লিচু এখনো তেমনভাবে বাজারে আসেনি; তারপরও বাবা–মায়েরা মৌসুমের ফল একটু আগেভাগেই আদরের শিশুদের মুখে তুলে দিতে চান।

যশোরের মনিরামপুর পৌর এলাকার জুড়ানপুর কাজীপাড়ার ১৫ মাস বয়সী মায়াজ হাসান তার বাবার সঙ্গে বসে বিকেলে লিচু খাচ্ছিল। হঠাৎ শিশু মায়াজের গলায় লিচু আটকে যায়। মায়াজ নিশ্বাস নিতে পারছিল না। শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। মায়াজের বাবার দাবি, ‘আমরা দ্রুত ছেলেকে মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। যশোরে নেওয়ার পথে ছেলে মারা গেছে।’

সম্প্রতি এ রকম কমপক্ষে পাঁচটি মৃত্যুর খবর সংবাদমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে। লিচুর মৌসুমে প্রতিবছর কমপক্ষে ১০০ শিশুর এভাবে মারা যাওয়ার খবর শোনা যায়। মনিরামপুরের মায়াজের মৃত্যুর খবর বাসি হওয়ার আগেই আরও মৃত্যুর খবর আসে কিশোরগঞ্জের কাটিয়াদী উপজেলা, শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা থেকে।

সব খবর সব সময় ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছায় না। কিন্তু প্রতিবছর লিচু বা জামের বিচি গলায় আটকে শিশু মারা যাচ্ছে। শিশু ছাড়াও প্রবীণেরা এভাবে মারা যেতে পারেন।

গত বছরের ১৫ মে মানিকগঞ্জের ঘিওরে লিচু খাওয়ার সময় গলায় বিচি আটকে শ্বাসরোধে আবদুল মজিদ মিয়া (৬৫) মারা যান। তিনি ঘিওরের বড়টিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন। সেদিন দুপুরে বাড়িতে লিচু খাওয়ার সময় হঠাৎ একটি লিচুর বিচি মজিদ মিয়ার গলায় আটকে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে হাসপাতালের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

দ্রুত মানে কত দ্রুত
সব ক্ষেত্রেই বলা হয়, ‘দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।’ আর চিকিৎসকেরা বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছিল।’ চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে ৭ থেকে ১২ মিনিটের মধ্যে চিকিৎসা শুরু না করলে রোগীকে বাঁচানো মুশকিল। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ রকম পরিস্থিতিতে অভিভাবকেরা ঘাবড়ে গিয়ে নানা ধরনের ভুল করে বিপদের মাত্রা বাড়িয়ে দেন।

রংপুর শহর থেকে পশ্চিমে, দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পূর্বে অবস্থিত বদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বাওচণ্ডী খিয়ারপাড়ার এক মা আমাকে জানিয়েছিলেন তাঁর বাক্‌প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যুর কথা। ছয় বছরের শিশু হজরত আলীর গলায় লিচুর বিচি আটকে গেলে ওই মা দিশাহারা হয়ে যান। মা কোহিনূর বেগম প্রথমে শিশুটির গলায় আঙুল ঢুকিয়ে লিচুর বিচি বের করার চেষ্টা করেন। এতে শিশুর মুখ দিয়ে রক্ত বের হলে সবাই ঘাবড়ে গিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। বলা বাহুল্য, হজরত আলী আর ফিরে আসেনি।

গলায় আটকে যাওয়া কেন প্রাণঘাতী
চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, প্রবীণ আর ছোট শিশুদের গলার গ্যাগ রিফ্লেক্স (এটা মুখগহ্বরে একধরনের স্নায়ু ব্যবস্থাপনা) কম থাকে। এ কারণে গলায় খাবার আটকে যেতে পারে। শ্বাসনালির মুখে খাবার আটকে গেলে ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হয়। শরীরে অক্সিজেন চলাচল কমে যায়। এমনকি পুরোপুরি বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

শ্বাসনালি একেবারে বন্ধ হয়ে গেলে অক্সিজেনের অভাবে হৃদ্‌যন্ত্র ও মস্তিষ্ক কাজ করতে পারে না। অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। এ ক্ষেত্রে আটকে যাওয়া বস্তুটি দ্রুত বের না করে দিলে রোগীকে বাঁচানো যায় না।

শুধু লিচু বা জামের বিচি নয়
শিশুরা যে শুধু গলায় লিচু বা জামের বিচি আটকে মারা যায়, তা নয়; চকলেট, মার্বেল, ছোটখাটো খেলনা, ধাতব মুদ্রা, রসগোল্লা–জাতীয় মিষ্টি ইত্যাদি গলায় আটকে ভয়ানক পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে। গলায় খাবার বা অন্য কিছু আটকে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলে এমন পরিস্থিতিকে ডাক্তারি পরিভাষায় ‘চোকিং’ বলে।

প্রতিবছর সারা বিশ্বে প্রায় এক কোটি মানুষ গলায় খাবার বা অন্য কিছু আটকে শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ভয়ানক পরিস্থিতির শিকার হয়। লিচু ও জামের মৌসুমে একটা নতুন মাত্রা যোগ হয়।

গবেষকেরা বলছেন, পৃথিবীর নানা প্রান্তে প্রতি দুই ঘণ্টায় একজন মানুষ গলায় খাবার বা অন্য কিছু আটকে স্রেফ দম বন্ধ হয়ে মারা যায়। উপমহাদেশের প্রথম বাঙালি এয়ার মার্শাল ও ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের জনক সুব্রত মুখোপাধ্যায় ১৯৬০ সালের ৮ নভেম্বর টোকিওতে নৈশভোজের সময় গলায় খাবার আটকে শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যান। ২০১৬ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ গলায় খাবার আটকে মৃত্যুর প্রায় দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। সৌভাগ্য বলতে হবে, তিনি শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরেছেন।

শিশুর গলায় কিছু আটকেছে, কীভাবে বোঝা যাবে
যেসব শিশুর কথা বলার বয়স হয়নি অথবা হজরত আলীর মতো বাক্প্রতিবন্ধী, তাদের গলায় যে কিছু আটকে গেছে, সেটা বোঝা অনেক সময় বেশ কঠিন হয়ে যায়। তবে কিছু আলামত দেখলে সমস্যাটা আঁচ করা যায়। খাবার হোক বা অন্য কিছু—শ্বাসনালিতে আটকে গেলে প্রথমেই শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট হবে। কাশি হবে, বুকের মধ্যে হাওয়ার মতো শব্দ, বমি বমি ভাব, কথা বলতে বা আওয়াজ করতে না পারা, ঠোঁট নীল হওয়া বা জ্ঞান হারানোর মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তাৎক্ষণিক করণীয়
কোনো মানুষকে হঠাৎ এ রকম পরিস্থিতিতে পড়তে দেখলে তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে দুহাত দিয়ে পেটের ওপরের দিকে জোরে জোরে চাপ দিলে আটকে যাওয়া বস্তুটি দ্রুত বের হয়ে যাবে। খুব ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে হাতের ওপর উপুড় করে পিঠে চাপড় দিতে হবে। দেরি না করে কাছের হাসপাতালে নিতে হবে। বস্তুটি বের না হওয়া বা হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু না হওয়া পর্যন্ত পদ্ধতিটি চালিয়ে যেতে হবে।

পুরোটা সময় সতর্কভাবে খেয়াল রাখতে হবে, রোগীর ‘জ্ঞানের মাত্রা’ কমে যাচ্ছে কি না, রোগীর হার্ট বন্ধ বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে যাচ্ছে কি না। তাহলে দ্রুত বুকে চাপ তথা সিপিআর শুরু করতে হবে।

প্রতিরোধ
দেড় থেকে দুই বছরের শিশু বাড়িতে থাকলে তার হাতের নাগালে ছোটখাটো জিনিস রাখা যাবে না। খাওয়ানোর সময় বেশি তাড়াহুড়া করা যাবে না, জোর করে শিশুর মুখে খাবার গুঁজে দেওয়া অনুচিত। অসুস্থ ও বয়স্ক রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার দেওয়া উচিত।

সতর্ক থাকতে যেসব ব্যবস্থা নিতে হবে
লিচু বা জাম কম বয়সী শিশুদের বিচি ছাড়িয়ে খাওয়াতে হবে। বড়দের তত্ত্বাবধান ছাড়া তাদের এগুলো দেওয়া বা খেতে দেওয়া ঠিক নয়।

লিচু বা জাম খাওয়ার পর বিচিগুলো সংগ্রহ করে শিশুর নাগালের বাইরে রাখতে হবে।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শক্ত দানার কোনো খাবার, এমনকি লজেন্স দেওয়াও উচিত নয়, এগুলো গলায় আটকে সংকটের সৃষ্টি করতে পারে।

শিশু তার চারপাশের কোন কোন জিনিস মুখে পুরতে পারে, তা খুঁজে বের করুন (যেমন ছোট ব্যাটারি, মুঠোফোন, ঘড়ির চ্যাপটা ব্যাটারি, বোতাম, গয়না, পুঁতি, পিন, ফলের বিচি [লিচু বা জামের বিচি], কাগজের ক্লিপ, স্ক্রু, পেরেক, মার্বেল ইত্যাদি)। এগুলো হাতের নাগালের বাইরে নিয়ে যান।

আপনার বাড়িতে শিশু থাকুক বা না থাকুক, রেফ্রিজারেটরের দরজায় চুম্বক রাখবেন না, দেয়াল বা বোর্ডে কাগজপত্র সেঁটে রাখার জন্য পেরেক বা পিন ব্যবহার করবেন না। বেড়াতে আসা শিশুদের এগুলো আকর্ষণ করতে পারে।

বিশেষ করে খাবার টেবিল ও শিশুর ঘুমানোর জায়গার চারপাশে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

আপনার তত্ত্বাবধানে না রেখে শিশুর মুখে রাবার অথবা বেলুন দেবেন না। বেলুন শ্বাসরোধের ঝুঁকি বাড়ায়। ফিতা বা গোলাকার রাবারও শ্বাসরোধের ঝুঁকি তৈরি করে।

আপনার পার্স ও ব্যাগ নাগালের বাইরে রাখুন এবং নিশ্চিত করুন, ঘরের অন্য সদস্যরাও যেন একই কাজ করেন।

অন্য কারও বাড়িতে যাওয়ার সময়ও শিশুর দিকে বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

খেয়াল রাখুন, যেন আপনার শিশু শুধু তার বয়স উপযোগী খেলনা দিয়ে খেলে। যেমন অনেক খেলনা তিন বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করে। কারণ, এসব খেলনার ছোট অংশ থাকে, যা ছিটকে যেতে পারে এবং শ্বাসরোধের কারণ হতে পারে। শিশুকে অবশ্যই বয়স উপযোগী খেলনা দিন।

তবে সবার আগে মা–বাবার মধ্যে সচেতনতা দরকার। এবারের বাজেটে কি মা–বাবার অভিভাবকত্ব (প্যারেন্টিং) উন্নয়নে কোনো বরাদ্দ রাখা হবে। কখনো কি ছিল?

সভ্যতার বিকাশ যেখান থেকে শুরু, সেই আফ্রিকায় একটা প্রচলিত বাগধারা হচ্ছে, ‘একটা শিশুকে বিকশিত করতে পুরো গ্রাম লাগে’; অর্থাৎ প্যারেন্টিং শুধু জন্মদাতা বাবা বা মায়ের একার কাজ নয়। শিশু সমাজের অংশ, জাতির অংশ। তাকে সুরক্ষা দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। কেন সে বেঘোরে এক লিচুর বিচি খেয়ে প্রাণ হারাবে?

গলায় কিছু আটকে গেলে কেন পরিবারে, পাড়ায়, স্কুলে বা গ্রামে এমন একজন লোক মিলবে না, যিনি এসব ক্ষেত্রে জীবনরক্ষার কৌশলগুলো জানবেন। ‘বাজেটশিল্পী’রা বিষয়টি নিয়ে ভাবতে পারেন।

পুনশ্চ: শুধু লিচুর বিচি নয়, খালি পেটে লিচু খেয়েও শিশু মারা যেতে পারে। ১৯৯৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে লিচু খেয়ে রহস্যজনকভাবে অসুস্থ হয়ে মারা যায় কমপক্ষে এক হাজার শিশু। দিনাজপুরে ২০১২ সালে ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল সাতসকালে বাগানে গিয়ে লিচু খাওয়ার পর। ২০১৫ সালে একই কারণে ওই জেলাতেই ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটে। বছর কয়েক আগে ঢাকার কাছে ধামরাইয়ে একই ঘটনা ঘটে।

ভারতে এ রকম ঘটনায় গবেষকেরা মাঠে নেমেছিলেন। গবেষক দল ২০১৪ সালের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত বিহারের মোজাফফরপুরের হাসপাতালে এসব উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে খালি পেটে শিশুদের লিচু খেতে দেওয়া উচিত নয়। খেতে দেওয়া লিচুর সংখ্যা যাতে কম হয়, সেটির প্রতি কড়া নজর রাখতে হবে।

গবেষকেরা জানাচ্ছেন, লিচুতে হাইপোগ্লিসিন নামের একটি উপাদান থাকে, যেটি শরীরে গ্লুকোজ উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে। একে তো শিশুদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কম থাকে, তার মধ্যে খালি পেটে লিচু খাওয়ার কারণে গ্লুকোজ উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়। এতে শিশুদের পেশির সংকোচন হয়, মস্তিষ্ক স্ফীত হয়ে যায় এবং তীব্র আর্তনাদ করতে করতে একপর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

গওহার নঈম ওয়ারা লেখক ও গবেষক। ই–মেইল: [email protected]

সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো
১৩ মে ২০২৫

10/05/2025

গ্রীষ্মে শিশুর স্বাস্থ্য ঝুঁকি
ডা. সেলিনা সুলতানা

অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতায় সাধারণত বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকে শিশুরা। শিশুদের অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় বেশি। তাই ঋতু অনুসারে শিশুদের যত্নের ধরনও পরিবর্তন করতে হবে। গ্রীষ্মকালে শিশুদের সুস্থ রাখতে ঘরোয়া প্রস্তুতি প্রয়োজন। প্রতিদিনই তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকছে। এ সময়ে বাড়িতে খাবার স্যালাইন, থার্মোমিটার, পানির বোতল, তোয়ালে, রিচার্জেবল ফ্যানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

ছয় মাসের কম বয়সি শিশুদের ঘনঘন বুকের দুধ খাওয়াতে হবে হাইড্রেটেড রাখার জন্য। ৬ মাসের বেশি বয়সি শিশুদের দুই তিন ঘণ্টা পরপর পানি পান করানো উচিত। গোসলের পর, শিশুর মাথা ভালোভাবে শুকাতে হবে যেন চুল ভেজা না থাকে, ভেজা চুলের কারণে শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে, এ থেকে জ্বর বা কাশিও হতে পারে।

দিনের গরম সময়ে শিশুদের বাইরে না নেওয়াই ভালো। বাইরে বের হওয়ার সময় মেডিকেটেড সানস্ক্রিন ব্যবহার এবং ছায়ায় থাকার চেষ্টা করতে হবে। সরাসরি তাপ থেকে দূরে রাখতে হবে। প্রয়োজনে টুপি পরাতে হবে বা ছাতা ব্যবহার করা যেতে পারে। সুতি কাপড় স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে ভিজিয়ে দিনে ২-৩ বার শিশুর শরীর মুছে দিতে হবে।

ঘর ঠান্ডা রাখতে দিনেরবেলা ঘরের পর্দা বন্ধ ও রাতে জানালা খুলে রাখতে হবে। খোলামেলা, আরামদায়ক, ভালোভাবে বাতাস চলাচলকারী এমন ঘরে শিশুদের রাখতে হবে। এ ছাড়া ফ্যান ও সম্ভব হলে এয়ারকুলার ব্যবহার করা যেতে পারে।

পানিশূন্যতা দেখা দিলে শিশুকে কিছুক্ষণ পর পর বিশুদ্ধ পানি, তাজা মৌসুমি ফলের রস ও অন্যান্য তরল খাবার দিতে হবে। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াতে এ সময় আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংকস বা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি বেশি খায় শিশুরা। বড় শিশুদের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে, তারা সুযোগ পেলেই তৃষ্ণা নিবারণে রাস্তার পাশের আইসক্রিম বা জুস পান করে, যা রোটা ভাইরাল ডায়রিয়া বা টাইফয়েডের প্রধান কারণ।

গরমে ভারী পোশাক পরলে অতিরিক্ত ঘাম হয়, যা থেকে পানিশূন্যতা হতে পারে। তাই হালকা ঢিলেঢালা, সুতি কাপড়ের পোশাক পরাতে হবে। শরীরে হাইড্রেশন বজায় রাখতে পর্যাপ্ত তরল পান করতে হবে।

এ সময় ভাইরাল জ্বরের আশঙ্কা থাকে। ভাইরাল জ্বরে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর নয়। জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল দেওয়া ভালো। বাতাসে ভেসে বেড়ায় ফুলের পরাগরেণু, যা অ্যালার্জেন হিসাবে কাজ করে। এ সময় ধুলাবালির পরিমাণও বেড়ে যায়। এসব কারণে হাঁপানি, অ্যালার্জিক রাইনাইটিস, অন্যান্য অ্যালার্জিজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। এসময় ভাইরাস সংক্রমণে কাশি-সর্দি বা নিউমোনিয়া হতে পারে। এতে নাক বন্ধ হয়ে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটায়। সে ক্ষেত্রে নাকে ড্রপ দিতে হবে। কাশি হলে লেবুর রস, তুলসি পাতার রস ও আদা দিয়ে চা খাওয়ালে শিশু ভালো বোধ করবে। ঘরোয়া চিকিৎসার সময় খেয়াল রাখতে হবে শিশুর কফ, সর্দি হলুদ বা সবুজাভ হলে এবং জ্বর না কমলে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

লেখক : কনসালটেন্ট, নিউরোডেভলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার এবং চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড পেডিয়াট্রিক ডিপার্টমেন্ট, বেটার লাইফ হসপিটাল। সাবেক অটিজম বিশেষজ্ঞ: ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল।

Photos from Agrabad Public School & College's post 10/01/2025

আগ্রাবাদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে (এপিএসসি) নতুন শিক্ষাবছরের কোলাহল শুরু হয়েছে। বিদায়ী শিক্ষাবছরে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আমরা এগিয়ে যেতে চাই অনেক দূর। এ ক্ষেত্রে সবার সমর্থন ও ভালোবাসা ভীষণ ভীষণ জরুরি। আশা করি, আগের মতো সবাইকে পাশে পাবো আমরা। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর প্রচেষ্টায় সম্মানিত অভিভাবকদের ইতিবাচক সহযোগিতা থাকলে এপিএসসি দ্রুত একটি দেশসেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে, ইনশায়াল্লাহ।

ছবিতে প্রিন্সিপাল অর্পিতা নারগিসের সাথে শিক্ষার্থী ও শিক্ষিকাদের একাংশ।

Want your school to be the top-listed School/college in Chattogram?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Milky House, House 1/1, Road 23, CDA R/A, Agrabad
Chattogram
4100