21/02/2022
💥 আজ একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস।
১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলার দামাল ছেলেরা মাতৃভাষার জন্য জীবন দিয়েছিলেন। তৎকালীন পাকিস্তানি মিলিটারি ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা ও তার আশেপাশে। ভাষার জন্য ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একত্রে মিলিত হয়। ওখানে সিদ্ধান্ত হয় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করা হবে। ছাত্র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্ররা রাস্তায় মিছিল নিয়ে নামলেই মিলিটারি গুলি চালায়। গুলিতে সালাম রফিক বরকত ছবিসহ নাম না জানা অনেকেই নিহত হয়। এইজন্য একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ইউনেস্কো শহীদ দিবসকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।🏆
26/01/2022
Admission is going on at Brahmanbaria branch of the "3️⃣Fingers" Handwriting Development Academy, run by HM Zarif Sir, former head trainer of the handwriting department of Bangladesh Shishu Academy and maker of 60 types of handwriting and researcher on handwriting for 32 years.
From now on we have Time Management Test (TMT) for our students to make sure that your child's beautiful handwriting as well as all the writing of the exam is completed ahead of time.
It’s a big opportunity for admission in new batch with 30% discount in language month February !
☎️ +8801724428676 or
+8801714501030
26/01/2022
কলমি বন্ধু বা পেন ফ্রেন্ডের কথা শুনেছ? একটা সময় ছিল, যখন দুই প্রান্তের দুই বন্ধুর মধ্যে চলত পত্র চালাচালি। তাদের আবেগ, যত্ন—সব কিছুই মিশে থাকত হাতে লেখা চিঠিতে। এখন তো চিঠিপত্র প্রায় জাদুঘরে চলে গেছে। কলমি বন্ধুরাও এখন আর নেই। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইমোর বদৌলতে এখন দুনিয়ার যে প্রান্তেই বন্ধু থাকুক না কেন, তারা সংযুক্তই থাকে। ডিজিটালের কারিশমায় বন্ধুর মধ্যে দূরত্ব কমেছে অনেক, তবে হারিয়ে গেছে কিছু নিজস্বতা। তবে টাইপিংয়ের কাটখোট্টা শব্দের মাঝেও আবেগ খোঁজে মানুষ। সেই ডিজিটাল আবেগ দিতে আবিষ্কার হয়েছে ‘ইমোটিকন’। কিন্তু হাতের লেখায় থাকে আবেগ। হাতের লেখা দেখে বুঝে ফেলা যায়, কে কেমন, কার চিন্তা-ভাবনাই বা কেমন। তাই পরীক্ষার খাতায় এখনো আছে সুন্দর হাতের লেখার কদর।
বলার অপেক্ষা রাখে না, ছয় হাজার বছর আগে মেসোপটেমিয়ান সভ্যতায় যে লেখার প্রচলন শুরু হয়েছিল, তা এখন বেশ হুমকির মুখে। কারণ একটাই, কিবোর্ড। এখন কিবোর্ডে মিনিটে ৫০ শব্দ লেখার দ্রুততা সবাইকে এতটাই মোহিত করে রেখেছে যে হাতে লেখার মতো ধীর প্রক্রিয়া কেউ ঠিক মেনে নিতে পারছে না। হাতে বড়জোর মিনিটে ২০-৩০ শব্দ লেখা যায় কিনা! আর এই দ্রুততার আকর্ষণের কারণে কিবোর্ড ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে শ্রেণিকক্ষেও। আমাদের দেশে বিষয়টির প্রচলন এখনো খুব একটা বেশি না হলেও সময় থাকতে সাবধান হওয়া দরকার। কারণ বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতের লেখা নিছকই হাতে লেখা একটি টেক্সট নয়। বরং এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া, যেখানে ভাবনা, অঙ্কনশৈলী, হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ, শারীরিক ভারসাম্য—এসবও নির্ভর করে। যেখানে কিবোর্ডে লিখতে হলে কেবল তোমাকে বোতাম চেপে যেতে হবে। আরো সহজ করে বলতে গেলে, এক লাইন হাতে লেখার সময় একেকটি অক্ষর তোমার মস্তিষ্ক আগে নিজে আয়ত্ত করে। এরপর হাত সেটিকে কলমের মাধ্যমে কাগজে ফুটিয়ে তোলে। আর সোজা করে লেখার তাগিদ থেকে বাড়তে থাকে শারীরিক ভারসাম্য ও হাতের ওপর নিজের দখল।
অনেকে মনে করেন, বিষয়টি নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আমাদের নতুনকে স্বাগত জানানো দরকার। যদিও গবেষণা ও স্নায়ু বিশেষজ্ঞ, এমনকি গোয়েন্দারাও বলছেন অন্য কথা। গোয়েন্দারা বলছেন, মানুষের মানসিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে হাতের লেখা একেক রকমের হয়। সেটি থেকে বোঝা যায়, আসলে একটি মানুষ কেমন অবস্থায় ছিলেন। স্নায়ু বিশেষজ্ঞ বলছেন, হাতের লেখার মাধ্যমে প্রতিটি অক্ষর কেবল মানুষের মস্তিষ্কেই জমা হয় না, বরং সেটির তথ্য জমা থাকে হাতের চলাচলের ওপরও, যাকে বডি মেমোরি বলে। এ কারণেই স্ট্রোকের পর স্মৃতি হারানো ব্যক্তিকে অক্ষরের ওপর দিয়ে হাত বুলাতে বলা হয়, যা অক্ষরকে মনে করিয়ে মস্তিষ্কের কিছু এলাকা সচল করতে সহায়তা করে।
হাতে লেখার ফলে একটি শব্দের সঠিক বানানও ছাত্রদের মনে গেঁথে যায়। যেখানে ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে ভুল বানানে লিখলে সেটি নিজ দায়িত্বেই বানানটি ঠিক করে দেয় (ইংরেজিতে)। ফলে শেখার সুযোগ আর থাকছে না। হাতের লেখায় বানান ভুলের ঘটনাও তাই অহরহ। অনেকে এমনও দাবি করছেন, পরীক্ষাটা কম্পিউটারে নিলেই পারে। যদিও অ্যাক্স-মার্শেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কগনেটিভ নিউরোসায়েন্স ল্যাবরেটরির দুজন গবেষক মারিকে লংচ্যাম্প ও জিন-লুক ভ্যালে ৭৬ জন তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুর ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখেন, যারা হাতে লেখে তারা কম্পিউটারে লেখিয়েদের চেয়ে বেশি নির্ভুলভাবে অক্ষর মনে রাখতে পারে। একই পরীক্ষণ তারা বাংলা ও তামিল বর্ণ ব্যবহার করে বড়দের ওপরও চালান, ফলাফল একই এসেছিল।
এর কারণ ব্যাখ্যা করেন ইউনিভার্সিটি অব জেনেভার ডেভেলপমেন্টাল সাইকোলজির অধ্যাপক এডওয়ার্ড গেনতাজ। তিনি বলেন, আমাদের বডি মেমোরি আছে। আমরা শরীরের মাধ্যমেও অনেক কিছু মনে রাখতে পারি। এ কারণেই স্ট্রোকের পর আমরা স্মৃতি হারানো ব্যক্তিকে হাত দিয়ে বিভিন্ন জিনিস ধরে দেখতে বলি।
কম্পিউটারের এ যুগে হাতের লেখা শুনতে সেকেলে মনে হলেও এর গুরুত্ব কিন্তু অনেক। কারণ প্রযুক্তি দিয়ে কেউ আর্টিস্ট হতে পারে না। তুলির আঁচড়ে দক্ষতা আনতে হলে তাঁকে হাতের লেখা দিয়েই শুরু করতে হয়। তেমনি বড় হয়ে ঘর-বাড়ির নকশা যারা করবে, তাদের জন্যও হাতের লেখাটা বড় কিছু। আবার হাতের লেখা সুন্দর করতে করতেই হয়তো ছাত্র-ছাত্রীরা সংস্কৃতিমনা হয়ে উঠবে।’
প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রীর ওপর চালানো অপর এক গবেষণার যবনিকায় গবেষক পাম মুলার ও ড্যানিয়েল ওপেনহেইমার বলেন, শ্রেণিকক্ষে ল্যাপটপে নোট নেওয়ার চেয়ে হাতে লিখে নোট নিলে বিষয়টি দ্রুত বুঝতে পারে শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি স্বীকার করেছে বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরাও। কয়েকজনকে প্রশ্ন করা হয়, কিভাবে পড়লে তোমাদের বেশি মনে থাকে। সেখানে শতভাগ জবাব এসেছে—পড়ার সঙ্গে সঙ্গে লিখলে একটি বিষয় দ্রুত মনে গেঁথে যায়।
লেখা-পড়ার কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করেন কি না—এটা জিজ্ঞাসা করলে স্কুল-কলেজপর্যায়ের ওই শিক্ষার্থীরা জানায়, বাসায় কম্পিউটার ব্যবহার করা যায়, তবে বেশি নয়। লেখাপড়ার কাজটা আমরা হাতে-কলমেই করি। আর ক্লাসে? কলেজের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শিক্ষার্থী জানান, ক্লাসে আমাদের সঙ্গে মোবাইল পেলে মোবাইল জব্দ করা হয়।
বিষয়টি প্রযুক্তিপণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার প্রতিরূপ হলেও আসলে প্রযুক্তিকে শ্রেণিকক্ষের বাইরে রাখার পক্ষেই মত দিয়েছেন অভিভাবকরা।
যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ডকমেইলের একটি গবেষণায় যা উঠে এসেছে তা নিয়ে ভাবার সময় হয়েছে। দুই হাজার লোকের ওপর চালানো ওই গবেষণায় দেখা যায়, প্রতি তিনজনে একজন ছয় মাসে কাগজে-কলমে কিছু লেখেননি। গড়ে প্রতিজন ৪১ দিনের মধ্যে কাগজ-কলমের ধারেকাছে ঘেঁষেননি।
এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ফ্রান্সকে মডেল হিসেবে নেওয়া যেতে পারে। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০০০ সালে একটি আইন প্রণয়ন করে, যাতে বলা হয়, ছয় বছর বয়সে একজন শিক্ষার্থী স্কুলে ভর্তি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে কার্সিভ তথা পেঁচানো অক্ষর লেখা শিখতে হবে।
এদিকে আশার বিষয় হচ্ছে, টাচ স্ক্রিন ও স্টাইলাসের মাধ্যমে ডিজিটাল হাতের লেখা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সবচেয়ে নতুন আইপ্যাড প্রোয়ের সঙ্গে একটি পেনসিল দেওয়া হচ্ছে, যা দিয়ে একেবারে হাতের লেখার মতো লেখা যায়, আঁকা যায়। তাই প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য আশার কথা হলো, হাতে যন্ত্র থাকলেও হাতে লেখার সুবিধা থেকে আর বঞ্চিত হতে হচ্ছে না।
26/01/2022
হেলা নয় হাতের লেখায়
প্রযুক্তি আমাদের দিনকে দিন বানিয়ে দিচ্ছে অলস। হাতের চেয়ে এখন স্মার্টফোনেই লেখা হয় বেশি, কলম ঘোরানোর চেয়ে বেশি চলে কিবোর্ড। কিন্তু হাতের লেখার সঙ্গে আছে মগজের সম্পর্ক। গবেষণায়ও দেখা গেছে, হাতে কলম যত বেশি চলবে, ততই বাড়বে মগজের দৌড়।
হাতের লেখা কেবলই মনের ভাব প্রকাশের ‘টেক্সট’ নয়। এটি ব্যক্তির নিজস্বতার চিহ্ন। কারণ একেকজনের হাতের লেখা একেক রকম। প্রতিটি অক্ষরকে যদি আমরা রংতুলি হিসেবে চিন্তা করি, তাহলে হাতের লেখা হচ্ছে কাগজে-কলমে শিল্পচর্চা। যেখানে মিশে থাকবে তোমার নিজের একটা ছাপ। কিন্তু এর বাইরেও কথা আছে। হাতে লেখার সঙ্গে আছে মনে রাখার সম্পর্ক। আছে চিন্তাশক্তিরও!
26/01/2022
🏆 at 3️⃣Fingers 🎯 থ্রি-ফিঙ্গারস্ হ্যান্ড রাইটিং ডেভেলপমেন্ট একাডেমিতে মহান ভাষার মাস "ফেব্রুয়ারি" উপলক্ষে আসন্ন নতুন ব্যাচে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৩০% ছাড়ে সম্পূর্ণ কোর্স করার বিশেষ সুযোগ ! ⏳
🙏 বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর হাতের লেখা বিভাগের সাবেক প্রধান প্রশিক্ষক ও ৬৮০ প্রকার হাতের লেখার প্রণেতা এবং ৩২ বছর ধরে হাতের লেখা নিয়ে গবেষণাকারী এইচ এম জারীফ স্যার কতৃক পরিচালিত থ্রি-ফিঙ্গারস্ হ্যান্ড রাইটিং ডেভেলপমেন্ট একাডেমিতে সুন্দর হাতের লেখা প্রশিক্ষণের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখায় ভর্তি চলছে।
☎️ 01741659695 or
01724428676.
💥 আপনার সন্তানের সুন্দর হাতের লেখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই পরীক্ষার সকল লেখা নিশ্চিত সম্পন্ন করতে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে (TMT) টাইম ম্যানেজমেন্ট টেস্ট বাধ্যতামূলক।
🔊 প্রতি মাসের শেষ সপ্তাহে নতুন ছাত্রছাত্রী ভর্তি নেওয়া হয় এবং পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু হয়।
⚠️উল্লেখ্য যে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর ভর্তির শুরু এবং কোর্স শেষে হাতের লেখা যাচাই পূর্বক কোর্স সমাপনের সনদ প্রদান করা হয়।
🏛️ ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধামতো সময়ে ক্লাস করার সুযোগ সহ যে কোন তথ্যের জন্য 3️⃣ Fingers #ট্যাংকের_পাড়_ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা ক্যাম্পাসে স্বাগত।
☎️০১৭৪১৬৫৯৬৯৫ বা ০১৭২৪৪২৮৬৭৬।
26/01/2022
🏆 Admission at 3️⃣Fingers🎤 থ্রি-ফিঙ্গারস্ হ্যান্ড রাইটিং ডেভেলপমেন্ট একাডেমিতে মহান ভাষার মাস "ফেব্রুয়ারি" উপলক্ষে আসন্ন নতুন ব্যাচে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ৩০% ছাড়ে সম্পূর্ণ কোর্স করার বিশেষ সুযোগ ! ⏳
🙏 বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর হাতের লেখা বিভাগের সাবেক প্রধান প্রশিক্ষক ও ৬৮০ প্রকার হাতের লেখার প্রণেতা এবং ৩২ বছর ধরে হাতের লেখা নিয়ে গবেষণাকারী এইচ এম জারীফ স্যার কতৃক পরিচালিত থ্রি-ফিঙ্গারস্ হ্যান্ড রাইটিং ডেভেলপমেন্ট একাডেমিতে সুন্দর হাতের লেখা প্রশিক্ষণের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখায় ভর্তি চলছে।
☎️ 01741659695 or
01724428676.
💥 আপনার সন্তানের সুন্দর হাতের লেখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই পরীক্ষার সকল লেখা নিশ্চিত সম্পন্ন করতে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে (TMT) টাইম ম্যানেজমেন্ট টেস্ট বাধ্যতামূলক।
🎯 প্রতি মাসের শেষ সপ্তাহে নতুন ছাত্রছাত্রী ভর্তি নেওয়া হয় এবং পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু হয়।
⚠️উল্লেখ্য যে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর ভর্তির শুরু এবং কোর্স শেষে হাতের লেখা যাচাই পূর্বক কোর্স সমাপনের সনদ প্রদান করা হয়।
☎️০১৭৪১৬৫৯৬৯৫ বা ০১৭২৪৪২৮৬৭৬।।