ITEC help

Call Contact the school

ITEC help for computer Technology

10/10/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

10/10/2025

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সাল থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন মানুষ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ছিলেন এবং আছেন।

আর “ডিপ্রেশন” ও “উদ্বেগ” হলো সবচেয়ে বেশি দেখা যাওয়া সমস্যা।

হাভার্ড এর একটি গবেষণা বলছে, একজন মানুষ জীবনের কোনো এক পর্যায়ে মানসিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় দুই জনে এক জন।

এই তথ্যগুলো শুধু সংখ্যা নয়, এগুলো আমাদের চারপাশের মানুষের গল্প, ক্রমাগত সংগ্রাম, ও নীরব ধ্বনি।

আমরা যখন কোনো অসুখ থেকে শারীরিক ভাবে সুস্থ হয়ে উঠি তখন যেরকম ভালোলাগা কাজ করে ঠিক সেরকম ভাবে যখন আমরা মানসিক ভাবে পুরোপুরি সুস্থ থাকি এটার অনুভূতিও অন্যরকম।

কিন্তু আফসোস এর বিষয় হলো অনেকে পুরো জীবনেও ভালোমতো এই অনুভূতি বুঝতে পারেনা।

তাহলে, আমরা কি করতে পারি?

✔ প্রথমত: কথা বলুন, আপনার ভাবনা, ভয়, ক্লান্তি কাউকে জানিয়ে দিন।

✔ স্বল্প সময়ে নিয়মিত বিশ্রাম নিন, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন।

✔ মাইন্ডফুলনেস, মনোযোগভিত্তিক অভ্যাসে প্রতিদিন একটু সময় দিন।

যদি মনে করেন সবকিছু আপনার দ্বারা হচ্ছেনা, একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না।

কারণ, মনের যত্ন যে কতটা জরুরি, তা অনেকে সারা জীবনেও বুঝতে পারেনা।

আসুন, আজ থেকে নিজের মনের প্রতি খেয়াল রাখি, কারণ সুস্থ মনেই জীবনের মান ফিরে আসে।

24/01/2025
05/11/2024

টাইম ম্যানেজমেন্ট এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জীবনে। সময়ের চেয়ে দামি আসলেই কিছু নেই। আমরা কর্মক্ষেত্রে অনেক সময় ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ নিই। আসলে দিনের কাজ কোনটা কখন করবেন, কোনটা আগে বা পরে—এসবই আসে সময় ব্যবস্থাপনার মধ্যে। যদি এই বিষয়টি সঠিক না হয়, তবে সারা দিন কাজ করেও ভালো ফল মেলে না।

আর আসলে প্রথমে জানতে হবে সময় বলতেই–বা আমরা কী বুঝি। সময় তো ঘড়ির কাঁটায় চলে। একে ক্লক টাইম বলা হয়, যার কোনো হেরফের হয় না। কিন্তু সময় আসলে আপেক্ষিক। কাজ থেকে ১০ মিনিটের বিরতি নিয়ে ইউটিউব বা ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে নিজের অজান্তে ঘণ্টা কাবার হয়ে যায়। আবার ল্যাপটপে প্রাত্যহিক একঘেয়ে কাজ করতে করতে যেন লাঞ্চ টাইম আর আসে না। তাই সব মিলিয়ে দিনের ২৪ ঘণ্টাকে বুদ্ধি করে সাজিয়ে সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা করতে পারলে জীবনে মিলবে সফলতা।

মাত্র তিনভাবে সময় কাটানো যায়। চিন্তা করা, কথা বলা ও কাজ করা। আমরা সারা দিন যা–ই করি না কেন, তাকে এই তিন শ্রেণির একটিতে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। আর জীবনে সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে এই তিন ধরনের কাজই রাখতে হবে দিনের করণীয় কাজের তালিকায়। এবারে টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় ব্যবস্থাপনার কিছু কার্যকর উপায় দেখে নেওয়া যাক।

১. সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন সময় রেকর্ড করা

কর্মক্ষেত্রে কথোপকথন, প্রজেক্ট আর বিভিন্ন কার্যক্রমে কতটুকু সময় লাগে, সেটা খেয়াল করে রেকর্ড করতে হবে প্রথমে সপ্তাহভর। আর তা যে শুধু কাজের হিসাব, তা নয়। যতভাবে সময় ব্যয় হয়, তার সবই আমলে আনতে হবে। এভাবে এক সপ্তাহের উপাত্ত পর্যবেক্ষণ করলেই বোঝা যাবে সময় কোথায় যাচ্ছে।

২. নিজের কাজের জন্য আলাদা সময় রাখা

আলাদা করে সময় না রাখলে কোনো কাজই করা হয় না ভালোভাবে। দিনের প্রাত্যহিক করণীয় কাজের ভিড়ে নিজের কোন বিশেষ কাজ হারিয়ে যায়। করা হয় না অথবা মানের ক্ষেত্রে আপস করা হয়।

৩. চিন্তা করার জন্য সময় বরাদ্দ

কর্মক্ষেত্রে সাফল্য পেতে হলে যত কাজ করতে হয়, যার প্রতিটি হওয়া উচিত সুচিন্তিত। এই ব্রেনস্টর্মিংয়ের জন্য আলাদ্য সময় অবশ্যই রাখতে হবে।

৪. কাজের বিঘ্ন ও বিরতিগুলোকে গোনায় ধরা

শুধু কাজ নয়, অকাজগুলোকেও গোনায় ধরতে হবে। কেউই টানা কাজ করতে পারে না। আবার আগে থেকে ঠিক করে রাখা শিডিউল অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে বিরতি নেওয়া বা বিভিন্ন কারণে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এই সময়গুলোকে খেয়াল করে হিসাবের মধ্যে ধরতে হবে।

৫. দিনের প্রথম ৩০ মিনিট পরিকল্পনার জন্য রাখা

কাজ শুরু করার আগে প্রথমে আধা ঘণ্টা দিনের পরিকল্পনা করার জন্য রাখা উচিত। এতে উল্টাপাল্টা সময় ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। পরিকল্পনা ছাড়া দিন শুরু করলে কাজের শৃঙ্খলা থাকে না। তাই এই ৩০ মিনিটই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।

৬. লক্ষ্য স্থির করা

লক্ষ্যবিহীনভাবে কাজ করে কিছুই অর্জন করা যায় না। প্রতিটি কাজ, মিটিং বা ফোনালাপের আগে এর মূল লক্ষ্য বা এর থেকে কী ও কতটুকু পাওয়া যাবে, তা ঠিক করে নিতে হবে।

৭. সবাইকে জানান দিন যে আপনি ব্যস্ত

‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন সব সময় লাগানো না গেলেও কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার আগে সবাইকে জানিয়ে দিলে ভালো। এতে এ সময় কেউ অযথা বিরক্ত করবে না। যেকোনো মেসেঞ্জার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিরক্ত না করার সিগন্যাল সেট করা যায়।

৮. সারাক্ষণ অন্যদের মনোযোগ না দেওয়া

আপনাকে সব সময় চাইলেই পাওয়া যাবে, এ ধারণা থেকে সবাইকে বের করে আনুন। নয়তো কোনো কাজই ঠিকভাবে করা হবে না ফোন বাজলেই ধরতে হবে, ই–মেইল এলেই খুলে দেখতে হবে তা নয়। মেসেঞ্জারগুলোতেও আপনার সক্রিয় উপস্থিতির বেলায় একই কথা প্রযোজ্য।

04/10/2024

আমরা সবাই জানি- পিকাসো এই পৃথিবীর বেস্ট পেইন্টারদের মধ্যে একজন। তিনি একবার নিউইয়র্কের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন আর তখন একটা মেয়ে এসে তাকে দেখে আর এসে বলে- স্যার আমি তো আপনাকে চিনি। আপনি হলেন পিকাসো তাই নাহ??
এরপর দ্রুত মেয়েটি একটা কাগজ বের করে এবং পিকাসোকে দেয় আর বলে- স্যার আপনি অনেক বড় একজন পেইন্টার। প্লিজ আমার জন্য কিছু একটা এঁকে দেবেন...??
তখন পিকাসো এই কাগজটি নিয়ে পকেট থেকে একটা পেন্সিল বের করে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে একটি ছবি এঁকে দেয়। আর মেয়েটিকে বলে-
এই নাও এটা তোমার জন্য।
আর এই পেইন্টিংটির মূল্য মিলিয়ন ডলার। এরপর মেয়েটি রাস্তায় যেতে যেতে ভাবে- স্যার তো আমাকে বোকা তৈরি করলেন। ৩০ সেকেন্ডে একটা পেন্টিং তৈরি করে বললেন এর মূল্য নাকি মিলিয়ন ডলার। এরপর মেয়েটি দ্রুত গিয়ে ওই পেইন্টিং টির মূল্য জানে। আর সে জেনে অবাক হয়ে যায়- যে সত্যিই ওই পেইন্টিং টির মূল্য মিলিয়ন ডলার!!
তারপর ওই মেয়েটি পিকাসোর ঠিকানা খুজে বের করে আর সেখানে যায় আর বলে- স্যার এই পেইন্টার টা সত্যিই মিলিয়ন ডলারের।
প্লিজ স্যার আমিও শিখতে চাই- ৩০ সেকেন্ডে কিভাবে মিলিয়ন ডলারের পেইন্টিং করা যায়....?
আর তখন পিকাসো হেসে বলে- এই ৩০ সেকেন্ডের পেইন্টিং শিখতে আমার ৩০ বছর সময় লেগেছিলো!!

জীবনে কঠোর তপস্যা করতে হয়, বছরের পর বছর করতে হয়। তারপর ভালো কিছু করা যায়। তাহলেই তুমি সেই জীবন পাবে যার স্বপ্ন তুমি দেখোও !!

এই কথাটাতো তোমরা শুনেছো যে, পাথরের উপর জলের ফোটা টুপটুপ করে পরে, ওই জলের ফোটা কিছুদিন পর পাথরের ভিতরে একটা গর্ত করে দেয়। যদিও ওই জলের ফোটার মধ্যে কি এমন শক্তি আছে যে সে বার বার পাথরের উপরে পরে সেটাকে গর্ত করে দেয়। অর্থাৎ অসম্ভবকে সম্ভব করে দেয়!!

কুয়োর পাথরে বার বার দড়ি টানার পর, পাথরে দাগ হয়ে যায়। একই ভাবে, বার বার চেষ্টা করার পরে একটি মূর্খ ব্যাক্তি ও বুদ্ধিমান হতে পারে!!
তাই তুমি চাইলে তুমিও বুদ্ধিমান হতে পারো।

আমি তোমাকে কয়েকটি উদাহরণ দিলাম আর এরপরেও যদি তুমি না বোঝও তাহলে সেটা‌ তোমার জীবন!! আজ তুমি যা কিছু করছো তার শতভাগ রিটার্ণ কেবল তুমিই পাবে...!

#সংগৃহীত

29/09/2024

বাহ্যিক চাকচিক্য নয়, বরং একটি সোনার হৃদয় এবং তারকার মতো উজ্জ্বল আত্মা আপনাকে সুন্দর করে তোলে।
— আর এম ব্রডরিক।

04/07/2024

নিউ ইয়র্কের সাবওয়েতে একজন বেহালাবাদক ৪৫ মিনিট বাজালেন। কয়েকজন মানুষ থামলেন, দু'জন করতালি দিলেন, এবং তিনি প্রায় $৩০ উপার্জন করলেন।

কেউ জানত না যে এই বেহালাবাদক ছিলেন জোশুয়া বেল, বিশ্বের সেরা সংগীতজ্ঞদের একজন। তিনি সাবওয়েতে একটি বেহালায় বাজাচ্ছিলেন যার মূল্য ৩.৫ মিলিয়ন ডলার, এবং বাজাচ্ছিলেন সবচেয়ে জটিল সুরগুলির একটি।

এর দুই দিন আগে, জোশুয়া বেল বোস্টনের একটি থিয়েটারে বাজিয়েছিলেন, যেখানে টিকিটের গড় মূল্য ছিল প্রায় $১০০।

এই পরীক্ষাটি প্রমাণ করেছে যে সাধারণ পরিবেশে অসাধারণ কিছু উজ্জ্বল হয় না এবং প্রায়ই উপেক্ষিত এবং অবমূল্যায়িত হয়।

বিশ্বে অনেক প্রতিভাবান মানুষ আছেন যারা তাদের প্রাপ্য স্বীকৃতি এবং পুরস্কার পাচ্ছেন না। কিন্তু একবার তারা নিজেদের মূল্য এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে এমন পরিবেশ থেকে সরে আসেন যা তাদের সেবা করছে না, তখন তারা সাফল্য এবং উন্নতি করেন।

আপনার অন্তর আপনাকে কিছু বলছে। যদি এটি আপনাকে বলছে যে যেখানে আপনি আছেন তা যথেষ্ট নয়, তবে তা শুনুন!

যেখানে আপনি প্রশংসিত এবং মূল্যবান, সেখানে যান।

আপনার মূল্য জানুন। ❤️

29/06/2024

আমেরিকান এক সাংবাদিক মুহাম্মদ ইউনূসের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় প্রশ্ন করেছিলেন, বিশ্বব্যাংক নিয়ে আপনার সর্বক্ষণ অভিযোগ। সমালোচনার বদলে বলুন, আপনি নিজে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হলে কী কী পদক্ষেপ নিতেন?

জবাবে ইউনূস সাহেব বলেছিলেন, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হলে কী করবো, তা আমি কখনও ভেবে দেখিনি। তবে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হতে পারলে বোধহয় আমার প্রথম কাজ হবে এর প্রধান কার্যালায় ঢাকায় স্থানান্তরিত করা।

সাংবাদিক পাল্টা প্রশ্ন করলেন, এরকম একটা অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেবার কারণটা জানতে কী পারি?

মুহাম্মদ ইউনূস উত্তর দিলেন, আসলে প্রধান কার্যালয় ঢাকা শহরে স্থানান্তরিত করলে বিশ্বব্যাংকের পাঁচ হাজার কর্মচারী সেখানে বদলী হবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করবেন। সন্তানদের ঠিকমতো মানুষ করে তোলার জন্য আনন্দদায়ক এমনকি
সামাজিক জীবন যাপনের জন্য ঢাকা শহরকে তারা কখনো উপযুক্ত মনে করেন না। অতএব, অনেকেই স্বেচ্ছা অবসর নেবেন কিংবা চাকরি বদল করবেন। সেক্ষেত্রে আমার দু’টি সুবিধা। এক, যারা দারিদ্র দূরীকরণের জন্য একান্তভাবে উৎসর্গীকৃত নন তাঁদের বাদ দেয়া যাবে। দুই, সেই খালি পদগুলিতে সমস্যা সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল ও অঙ্গীকারবদ্ধ এইরকম কর্মী নিযুক্ত করা যাবে। ..

বিশ্বে ২৫টি দেশে তাঁর লেখা বই অনুবাদিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি বই নিউইয়র্ক টাইমসে বেস্টসেলার লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে। কানাডার সপ্তম গ্রেডে জাতীয় পাঠ্যপুস্তকে তাঁর জীবনী অন্তর্ভুক্ত করেছে৷ কানাডার শিশু-কিশোরদের তাঁর জীবনী পড়ানো হয়। ১২ সালে গ্লাসগো ক্যালেডনিয়ান ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর বানানো হয় তাকে। যেখানে কিনা ইউনিভার্সিটির সংবিধান ছিল ব্রিটিশ নাগরিক ছাড়া ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর বানানো যাবে না। সেখানে সংবিধান পরিবর্তন করে তাকে ভাইস চ্যান্সেলরই বানানো হয়েছে। ..

১৯৭৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিকসহ প্রায় ১৫০টি পুরস্কার/সম্মাননা পেয়েছেন। তাও আবার যেনতেন পুরস্কার নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানজনক তিনটি পুরস্কার হলো, নোবেল, অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্টশিয়াল অ্যাওয়ার্ড এবং কংগ্রেশনাল অ্যাওয়ার্ড। ইতিহাসে এই তিনটা পুস্কারই পেয়েছেন মাত্র ১২ জন। এরমধ্যে প্রফেসর ইউনূস একজন। বর্তমান বিশ্বের ৩৩টি দেশে ১০৪টি বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজে তাঁর নামে ইউনূস সোশ্যাল বিযনেস সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে গবেষণা হচ্ছে তাঁর কাজ, চিন্তাদর্শন এবং তাঁর সোশ্যাল বিযিনেজ তত্ত্ব নিয়ে। সামাজিক ব্যবসার ওপর একাডেমিক কোর্সও চালু হয়েছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। সর্বশেষ অলিম্পিকে মূল থিম ছিল তাঁর সোশ্যাল বিযিনেজ থিউরির উপর ভিত্তি। ..

ছোটবেলা থেকেই বইয়ের পোকা ছিলেন ড. ইউনূস। তাঁর বড় ভাইও ভীষণ বইপ্রেমি ছিলেন। তাঁরা একরুমে থেকে একসাথে পড়াশোনা করতেন। যে রুমে তাঁরা পড়াশোনা করতেন তার নিচতলায় তাঁর বাবার স্বর্ণের ব্যবসার অফিস ছিল। তাঁরা পড়াশোনা করে কিনা, বাবা তা চেক করতে মাঝেমধ্যে উপরে উঠে আসলে, জুতোর শব্দ শুনে দুই ভাই তড়িঘড়ি করে অন্যসব কাজ বা নন-অ্যাকাডেমিক বই পড়া বাদ দিয়ে পাঠ্যপুস্তক নিয়ে বসে যেতেন। বাবা যখন রুমে ঢুকে দেখতেন তাঁরা পড়ছে, তখন খুশি হয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে চলে যেত। সেসময় নিয়মিত পত্রিকা ও গল্পের বই পড়তে বাবার হাত থেকে বাঁচার জন্য বাসার ঠিকানা ব্যবহার না করে পাশের বই দোকানের ঠিকানা দিতেন পত্রিকার হকারদের। এই নিয়ে তাঁর আত্মজীবনীতে এই সময়টার মজার স্মৃতি তিনি এভাবে তুলে ধরেন:

‘বড়দা ও আমি আমি হাতের কাছে বই বা পত্রিকা যা পেতাম পড়ে ফেলতাম। আমি রহস্য রোমাঞ্চ ও গোয়েন্দা কাহিনীর ভক্ত ছিলাম। বারো বছর বয়সে আমি নিজেই গোটা এক রহস্যকাহিনী লিখে ফেলেছিলাম। অবিরত পড়ার খোরাক যোগাড় করা আর আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না। প্রয়োজন মেটাতে নিজেদেরই উপায় উদ্ভাবন করতে হয়েছিলো-বই কেনা, ধার করা, এমনকি চুরি পর্যন্ত। আমাদের প্রিয় শিশুপাঠ্য পত্রিকা শুকতারা কলকাতা থেকে প্রকাশিত হত। তাতে নিয়মিত একটি প্রতিযোগিতা থাকত, জিতলে বিনামূল্যে পত্রিকার গ্রাহক হওয়া যেত। পত্রিকায় বিজয়ী প্রতিযোগীদের নাম ছাপা হত। তাদের মধ্যে একজনের নাম বেছে আমি সম্পাদককে চিঠি লিখেছিলাম:

মাননীয় সম্পাদক,
আমি অমুক, একজন বিজয়ী প্রতিযোগী। আমাদের ঠিকানা বদল হয়েছে। এখন থেকে আমার বিনামূল্যে প্রাপ্য সংখ্যা ডাকযোগে বক্সিরহাটে পাঠালে বাধিত হব।

বাড়ির নম্বর হল…

আমাদের সঠিক ঠিকানা না দিয়ে পাশের দোকানের ঠিকানা জানালাম যাতে করে পত্রিকা আব্বার হাতে না পড়ে। প্রতি মাসে আমরা সেই বিনামূল্যের সংখ্যার অপেক্ষায় বসে থাকতাম। এবং এই পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে স্বপ্নের মতো কাজ করেছিল।’ ..

গত কয়েক বছর ধরে বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় হচ্ছে তাঁর নতুন ধারণা ‘থ্রি জিরো ওয়ার্ল্ড’। যেখানে তিনি ধারণা দিয়েছেন আগামী বিশ্ব সকলের নিরাপদ বসবাসের উপযোগী করে তুলতে দারিদ্র হতে হবে শূন্যের কোটায়, বেকারত্ব থাকতে হবে শূন্যের কোটায়, আর গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণও হতে হবে শূন্য। আর এই তিন শূন্য কিভাবে নিশ্চিত করা যায় তার ধারণা তিনি শেয়ার করেছেন তাঁর অ্যা ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস বইতে। ইতোমধ্যে তাঁর নতুন এই চিন্তাদর্শন কাজে লাগাতে শুরু করেছে বিশ্বের অনেক দেশ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অর্গানাইজেশন তাঁর চিন্তার আদলে সাজাচ্ছেন তাদের সামাজিক বিযিনেজ কার্যক্রম। তাঁর এই চিন্তাদর্শন যত দ্রুতগতিতে বিস্তার করছে বিশ্বব্যাপি মানুষের মধ্যে তাতে ধারণা করা যাচ্ছে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তিনি আবারও নতুন করে অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়ার জন্য আলোচনায় থাকবেন।..

গত কয়েক দশকে প্রফেসর ইউনূস পৃথিবীর যে দেশেই গিয়েছেন সেখানেই সমাদৃত হয়েছেন, সমৃদ্ধ করেছেন বাংলাদেশের নাম। পৃথিবীর যে প্রান্তে গেছেন সেখানেই মানুষ তাকে সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়েছেন। এ মুহূর্তে জীবিত লিডিং ইন্টেলেকচুয়ালদের তালিকা করলে টপে থাকবে তাঁর নাম। সেরা পাঁচ ইন্টেলেকচুয়ালের মধ্যে একজন হবেন তিনি। ইউনূস এদেশের ছেলে, এ পরিচয় আমাদের জন্য পরম গর্ব এবং আনন্দের। বাংলাদেশি পোস্টারবয় হিসেবে বিশ্বে এদেশের একমাত্র গ্লোবাল আইকন কেউ হয়ে থাকলে তিনি হলে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। একশো বছরেও এমন একজন ইউনূস তৈরি করা সম্ভব নয়। ..

আজ তাঁর জন্মদিন। শুভ জন্মদিন মুহাম্মদ ইউনূস।

06/12/2023

কারিগরি শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের স্থান।❤️ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন(ইউজিসি) কর্তৃক 'বার্ষিক এ.পি.এ. মূল্যায়ন ২০২৩' এর ভিত্তিতে ৯০.৬৬ স্কোর নিয়ে দেশসেরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে "ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(ডুয়েট)" ।

পরবর্তী চারটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোর ও ক্রম:
২★ কুয়েট — ৮০.৫৭
৩★ চুয়েট — ৭২.২১
৪★ বুয়েট — ৭২.১৩
৫★ রুয়েট — ৪৯.১৫

Proudly announced 🥰

28/11/2023

~জানো তুমি কে?
তুমি হচ্ছ একটা ঐশ্বরিক চিঠির খসড়া, তুমি একটা আয়না আর দেখাচ্ছ একটা মহৎ চেহারা, মহাবিশ্ব তোমার বাইরে নয়, নিজের ভিতরে তাকাও, তুমি যা চাও সবই তুমি নিজে!

🗣️ াওলানা_জালাল_উদ্দিন_রুমি_রহঃ

25/11/2023

“গুনে গুনে ৮টা চুল ওয়ালা একটা লোককে গতকাল সেলুনে দেখলাম। সেলুনে যেহেতু মোটামুটি কাস্টমার ছিল তাই নাপিত মহাশয়ের তখন মেজাজ খারাপ। লোকটি চুলের দিকে ইঙ্গিত করতেই নাপিত জানতে চাইলেন, কী ভাই, কাটবো না গুনবো?
লোকটি তখন হেসে উত্তর দিলেন, নারে ভাই ওইসব না, চুলগুলো রাঙ্গিয়ে দিন প্লিজ।

সেলুনের সবাই একটু মজা নিলেও আমি মোটেও মজা পাইলাম না কারন আমার কাছে '"জীবন উপভোগ করার বিষয়'"। তাই জীবনে যতটুকু আছে তা নিয়েই হাসিমুখে উপভোগ করতে হয়। কোন একটা ক্লাসে আমার শিক্ষক একবার বলেছিল যাদের মাথায় চুল কম তাদের পকেটে চিরুনি থাকে কেননা "" হারিয়ে খুঁজি তাকে" ছন্দটি ওনার জন্যই প্রযোজ্য।

আসল কথায় আসি, যদি আপনি কখনো STRESSED ফিল করেন তবে সবকিছু থেকে সাময়িক বিরতি নিবেন, আইস্ক্রিম, চকলেট, মিস্টি, বগুড়ার দই, টাঙ্গাইলের চমচম, পেস্ট্রি বা ফালুদা দিয়ে নিজেকে আপ্যায়িত করবেন।

এখন জানতে চাইতে পারেন কেন?

STRESSED শব্দটাকে উল্টো করে লিখে দেখুন উত্তরটা পেয়ে যাবেন, STRESSED কে উল্টো করে লিখলে সেটা DESSERTS ই হয়।

আপনি কি কখনও ইংরেজি বর্ণমালা নিয়ে ভেবে দেখেছেন, যদি না ভাবেন তবে দেখে নিন ইংরেজি বর্ণমালা আপনাকে কী পরামর্শ দিচ্ছেঃ

১. A B C = Avoid Boring Company =বিরক্তিকর সহচার্য এড়িয়ে চলুন।

২. D E F =Don't Entertain Fools = মূর্খদের গুরুত্ব দিবেন না।

৩. G H I = Go for a High Idea = উচ্চ ধারণার খোঁজ করুন ।

৪. J K L M = Just keep a friend like Me = নিজের মতো বন্ধু বানান।

৫. N O P = Never Overlook the Poor= দরিদ্র এবং পীড়িতদের কখনো অবজ্ঞা করবেন না।

৬. Q R S = Quit Reacting to Silly tales= অযথা বাজে কথায় প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না।

৭. T U V = Tune Yourself (Urself) for your Victory = নিজেকে বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করুন।

৮. W X Y Z = We Expect (Xpect) You to Zoom ahead in life = আমরা আশা করি তুমি জীবনে এগিয়ে যাবে।

চাঁদের দিকে তাকালে আপনি স্রষ্টার তৈরী সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। সুর্যের দিকে তাকালে আপনি স্রষ্টার শক্তিমত্তা দেখতে পাবেন। আর আয়নার দিকে তাকালে আপনি স্রষ্টার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি দেখতে পাবেন। তাই সবসময় নিজের উপরে আস্থা এবং বিশ্বাস রাখবেন।

জীবনের লক্ষ যদি এমন হয় তবে কেমন হবে ৯৮৭৬৫৪৩২১০

৯ = প্রতিদিন ৯ গ্লাস পানি পান করুন।
৮ = প্রতিদিন ৮ ঘন্টা ঘুমান।
৭ = পরিবার নিয়ে ৭ আশ্চর্য ঘুরে আসুন।
৬ = ৬ ডিজিটের আয় রোজগার করুন।
৫ = ৫ কর্ম দিবসের সপ্তাহ তৈরি করুন।
৪ = ৪ চাকার একটি গাড়ি কিনুন।
৩ = ৩ বেড রুমের একটা ফ্লাট কিনুন।
২ = ২ টা ফুটফুটে বাচ্চার অভিভাবক হন।
১ = ১ প্রেয়সী গড়ুন।
০ = দুশ্চিন্তাকে শুন্যের কোটায় নামিয়ে ফলুন।

Address

Chattogram

Telephone

+8801825258715

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ITEC help posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to ITEC help:

Shortcuts

  • Want your school to be the top-listed school/college?

Share