বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলন ৯ নং ওয়ার্ড চাঙ্গিনী

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা আন্দোলন ৯ নং ওয়ার্ড চাঙ্গিনী

Share

চাঙ্গিনী বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা ৯ নং ওয়ার্ড , ১২ নং আশরাফুর,

10/08/2024

জলাবদ্ধতা নিরসনে এবারের কর্মসূচি কামাইরবাগ হতে জগতপুর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃত খাল উদ্ধার

10/08/2024

আজকে আমাদের কর্মসূচি উপলক্ষে।
চাঙ্গিনী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা এক হয়ে, চাঙ্গিনী গ্রামের রাস্তার ২পাশে ও মনার বাজার, তুলাতলী বাজারে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কাজ করা হয়।

12/01/2017

সময় নি‌য়ে হ‌লেও সবটা পড়‌বেন, আর ওহাবী আর বা‌তেল‌দের সা‌থে যুদ্ধ কর‌তে প্রমান গু‌লো সংগ্রহ করুন

সংগৃহীত: প্রমান হ‌য়ে গেল নবী নু‌রের তৈরী: কোন ওহাবীর দল থাক‌লে এগু‌লোর জবাব দে, কিন্তু তোমরা বল‌বে জাল হা‌দিস,কারন তো তোমরা পথভ্রষ্ট, ধন্যবাদ সুন্নী সো‌হেল ভাই। যা‌কে দেওয়া হই‌ছে কোন জবাব দি‌তে পা‌রে নাই। কোন বা‌তেলরা দি‌তেও পার‌বে না।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০১৫

নবী কে মাটির তৈরি বলার আপত্তির জবাব

হাম হে সুন্নি ডরতে নেহি
শের হে হাম ঘাস চড়তে নেহি
আগার হিম্মত হে তো টক্বরাও হামছে
হাম জিন্দা হে ওলিও কি দমছে
বাংলা হচ্ছে ;-
আমরা সুন্নি ভয় করি না
বাঘ আমরা , ঘাস খাই না
যদি হিম্মত থাকে তো টক্কর নাও আমাদের সাথে
আমরা বেঁচে আছি ওলি আল্লাহ দের দমে (সাহস বুকে নিয়ে )

আমার প্রতিপক্ষ (Zeronine Tamim) সাহেব গতকাল মেনে নিয়েছে নবী (সা) কে মানুষ বলা যাবে না । তবে এবার দৌড় মেরেছে নূর বিষয় নিয়ে ও নবী (সা) কে মাটির প্রমান করার জন্য ।

আমার দোস্ত , নূর নিয়ে তো ৩ টা লিংক দিয়েছিলাম । তার জবাব কই ? নাই ।
আর গতকালকের যে ২ টা কালামুল্লাহ শরিফের আয়াতের তাফসির চাইলাম সেগুলো কই ?
উত্তর ;- খবর নাই ।
উল্টা আমারে ধমকি দেয় । সামনে এসে ধমক দেয় না ।

শোন , কারো পোষ্টের খন্ডন কি করে করতে হয় তা আগে শিক্ষা নাও । এর পর ফতোয়া প্রনয়ন্ করতে যেও ।

এই রকম অন্ধের লাঠির মত প্রশ্নের বাণ ছুড়িও না ।

আজকের পোষ্টে সে পোষ্ট করে বলেছে যদি আমি তা মান্য না করি তবে আমি মুশরিক ।
মাশাআল্লাহ ।

ছাল নাই কুত্তার নাম তার বাঘা ।
দম নাই বুকে নাম তার দমদার।

শরম করে এমন ফতোয়া বাণ করতে আমার ।
শুধু চোখে তোমার আংগুল দিলাম , ফতোয়া কার কাঁধে যায় দেখে নাও নিজে থেকে ।

আমার প্রতিপক্ষ্ দোস্ত তার পোষ্ট এ দাবি করেছে সকল মানুষ মাটি থেকে তৈরি । কয়েকটা আয়াত দিয়েছে তা প্রমান করার জন্য ।
তা হল ;-

অতএব আল্লাহর ভাষায় বাশার হলো : মানুষ আর সকল মানুষই মাটির তৈরি। (সূরা আর রহমান, ৫৫:১২, আল হিজর, ১৫:২৬, আল মু'মিনুন, ২৩:১২)। সকল নবী ছিলেন বাশার। সকল মানুষ আল্লাহর খলিফা। সূরা আল বাকারা ২:৩০, মুহাম্মাদসহ সকল নবীই হচ্ছেন আল্লাহর খলিফা।

তুমি মনু এই কটা আয়াত পাইছ ?
আর পাও নাই !
দোস্ত, তুমি ঘুঘু দেখেছ , ফাঁদ না ,

আমি দেখাই তোমাকে , দেখে নাও এবার ।

কালামুল্লাহ শরিফে মোঠ ১৪ টা আয়াতে মানুষ মাটির তৈরি বলে পাওয়া যায় ।

আমি যদি সেই আয়াত গুলের তাফসির সমুহ পেশ করি তা হলে এই পোষ্ট হবে একটা কিতাব /
আমি তবু ও সংক্ষেপে করলাম ;-

(১) নং আয়াত শরীফ :

ان خلقكم من تراب ثم اذا انتم بشر تنتشرون

অর্থ: তাঁর ( আল্লাহ পাক) উনার নিদর্শনাবলীর মধ্যে এক নিদর্শন এই যে, তিনি মাটি থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছেন। এখন তোমরা মানুষ পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছো।”

[ সূরা রুম ২০ নং আয়াত শরীফ]
এর তাফসীর কি দেখেছ ?
না কি অন্ধেরর লাঠি ?
আয় দেখ ;-

(ক) ইমাম বাগাবী (রহ) এর কিতাবে

(ان خلقكم) اي اباكم (من تراب ثم اذا انتم بشر) اي ادم وذريته (تنتشرون)

অর্থ: তিনি তোমাদেরকে অর্থাৎ তোমাদের পিতাকে (আদম আলাইহিস সালাম ) সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে। অতঃপর তোমরা অর্থাৎ হযরত আদম আলাইহিস সালাম ও উনার সন্তান জমীনে ছড়িয়ে পড়েছে।”

দলীল-
√ তাফসীরে বাগবী ৩য় খন্ড ৪৩১ পৃষ্ঠা।

(খ) →বিখ্যাত মুফাসসির, আল্লামা ইমাম কুরতুবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

قوله تعالي (ومن اياته ان خلق كم من تراب) اي من علامته رب بيته و وحدا نيته ان من تراب اي خلق اباكم منه

অর্থ: (আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সমূহের মধ্যে একটি নিদর্শন এই যে, আল্লাহ পাক তোমাদেরকে মাটির থেকে সৃষ্টি করেছেন) অর্থাৎ আল্লাহ পাক উনার রুবুবিয়্যাত ও অহদানিয়্যাত এর নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের পিতা (হযরত আদম আলাইহিস সালাম ) উনাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।”

দলীল-
√ তাফসীরে কুরতুবী

(গ)
→ইমামুল হুদা, আল্লামা কাজী ছানাউল্লাহ পানিপথী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

ان خلقكم اي خلق اصلكم ادم من تراب

অর্থ: তিনি (আল্লাহ পাক) তোমাদেরকে অর্থাৎ তোমাদের আছল হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।”

দলীল-
√ তাফসীরে মাজহারী ৭ম খন্ড ২২৯ পৃষ্ঠা।

(ঘ)
→আল্লামা আবুল লাইছ সমরকান্দী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

(ان خلقكم من تراب) يعني خلق ادم من تراب وانتم ولده (ثم اذا انتم) ذريته من بعده (بشر تنتشرون) يعني تبسطون

অর্থ: ( তিনি মাটি থেকে তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন) অর্থাৎ হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। আর তোমরা হলে উনার সন্তান উনার পরে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছো।”
দলীল-
√ তাফসীরে সামারকান্দী ৩য় খন্ড ৯ পৃষ্ঠা।

(ঙ) →বিখ্যাত মুফাসসির, আল্লামা আলাউদ্দীন আলী ইবনে মুহম্মদ ইবনে ইব্রাহিম বাগদাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি লিখেন-

(ان خلقكم من تراب) اي خلق اصلكم وهو ادم من تراب -(ثم اذا انتم بشر تنتشرون) اي تبسطون في الارض

অর্থ: (তিনি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন) অর্থাৎ তোমাদের আছল হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃরর তোমরা যমীনে ছড়িয়ে পড়েছ মানুষ হিসেবে।”

দলীল-
√ তাফসীরে খাযেন ৩য় খন্ড ৪৩১ পৃষ্ঠা।

এই খানে এই আয়াতে হযরত আদাম (আ) কে বলা হয়েছে যে তিনি মাটি থেকে ও আমরা তাদের সন্তান ।

আমাদের কে মাটি থেকে সৃষ্টি এই কথা কোরআন এর কোন আয়াতে আছে ?
বরং মানুষ মাটির তৈরি বলতে হয়রত (আদম আ) কে বোঝানো হয়েছে ।

(২)নং আয়াত শরীফ :

মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-

ولقد خلقنا الانسان من سلالة من طين

অর্থ: আমি মানুষ মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি।”

[ সূরা মু’মিনুন ১২ নং আয়াত শরীফ]

উক্ত আয়াত শরীফ এর তাফসীরে নির্ভরযোগ্য এবং সর্বজনমান্য মুফাসসিরানে কিরামগন কি বলেছেন দেখুন–>>

(ক) বিখ্যাত মুফাসসির, আল্লামা আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আহমদ আনছারী আল কুরতুবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি লিখেন-

(ولقد خلقنا الانسان) الانسان هنا ادم عليه اصلاة والسلام قاله وغيره

অর্থ: (নিঃসন্দেহে আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি) এখানে “ইনসান” বা মানুষ দ্বারা হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকেই বুঝানো হয়েছে। হযরত ক্বাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু আনহু এবং উন্যান্য মুফাসসিরগন এরূপই বলেছেন।”

দলীল-
তাফসীরে কুরতুবী ৬ষ্ঠ খন্ড ১০৯ পৃষ্ঠা।
আমি নিচে শুধু তাফসির কিতাব ও রেফারেন্স তুলে ধরলাম ;-

(খ) - তাফসীরে মাযহারী ৬ষ্ঠ খন্ড ৩৬৭ পৃষ্ঠা।
(গ)- তাফসীরে সামারকান্দী ২য় খন্ড ৪০৯ পৃষ্ঠা।
(ঘ)-তাফসীরে খাযেন ৩য় খন্ড ৩০১ পৃষ্ঠা।
(ঙ)-তাফসীরে বাগবী ৩য় খন্ড ৩০১ পৃষ্ঠা।
(চ)-তাফসীরে মুদ্বিহুল কুরআন ৩৫১ পৃষ্ঠা।

সূতরাং “সূরা মু’মিনুন ১২ নং আয়াত শরীফ” এবং উক্ত আয়াত শরীফ এর ব্যাখ্যা এটাই প্রমান করে যে, সকল মানুষের পিতা হযরত আদম আলাইহিস সালাম তিনিই সরাসরি মাটি দ্বারা সৃষ্টি। অন্যকোন মানুষ নয়। যে কারনে মুফাসসিরিনে কিরামগন উক্ত আয়াত শরীফে “ইনসান” দ্বারা আদম আলাইহিস সালাম উনাকেই বুঝিয়েছেন।

(৩) নং আয়াত ;-
আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-

واذ قال ربك للملءكة اني خالق بشرا من طين

অর্থ: যখন আপনার পালনকর্তা ফেরেশতাগনকে বললেন, আমি মাটির মানুষ সৃষ্টি করবো।'”

[সূরা ছোয়াদ ৭১ নং আয়াত শরীফ]

মূলত উক্ত আয়াত শরীফ এর তাফসীরে সকল তাফসীরের কিতাবেই এসেছে “মাটির মানুষ” হচ্ছেন হযরত আদম আলাইহিস সালাম।

→এ প্রসঙ্গে বিখ্যাত মুফাসসিরে কুরআন, আল্লামা আবু লাইছ সমারকান্দী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন-

(اني خالق بشرا من طين) يعني ادم عليه السلام

অর্থ: (নিশ্চয়ই আমি সৃষ্টি করবো মাটি থেকে বাশার) অর্থাৎ হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে।”
(ক)-তাফসীরে সামারকান্দী ৩য় খন্ড ১৪১ পৃষ্ঠা।

(খ)-মুদ্বিহুল কুরআন ৪৮১ পৃষ্ঠা।
(গ)-তাফসীরে ক্বাদেরী ২য় খন্ড ৩২৩ পৃষ্ঠা।
এ ছাড়াও
তাফসীরে বাগবী।

√ তাফসীরে মাযহারী।

√ তাফসীরে রুহুল বয়ান।

√ তাফসীরে রুহুল মায়ানী।

√ তাফসীরে কবীর।

√ তাফসীরে কুরতুবী।
প্রভতি তাফসীর গ্রন্থে হযরত আদম (আ) কেই বোঝানো হয়েছে ।

সূতরাং, পবিত্র কুরআন শরীফের “সূরা ছোয়াদ ৭১ নং আয়াত শরীফ” উনার তাফসীরে জগৎ বিখ্যাত সকল তাফসীরর কিতাব থেকেই আমরা জানতে পারলাম উক্ত আয়াত শরীফ দ্বয়ে “মানুষ মাটির সৃষ্টি” বলতে শুধুমাত্র হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকেই বুঝানো হয়েছে, পৃথিবীর আর কোন মানুষকে বুঝানো হয় নাই।

৪) নং আয়াত
মহান আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-

الذي احسن كل شءي خلقه وبدأ خلق الانسان من طين

অর্থ: যিনি তাঁর প্রত্যেকটি সৃষ্টিকে সুন্দর করেছেন এবং কাদামাটি থেকে মানব সৃষ্টির সূচনা করেছেন।”

[ সূরায়ে সিজদাহ ৭ নং আয়াত শরীফ]

উক্ত আয়াত শরীফের তাফসীরে মুফাসসিরিনে কিরামগনের অভিমত উল্লেখ করা হলো-

→ বিখ্যাত মুফাসসির আল্লামা আবুল লাইছ সামারকান্দী রহমাতুল্লাহি আলাইহি লিখেন-

(وبدأ خلق الانسان من طين) يعني خلق ادم عليه السلام من طين من ادم الارض

অর্থ: ( তিনি কাদামাটি থেকে মানুষ সৃষ্টির সূচনা) অর্থাৎ হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে জমিনের কাদামাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।”

(ক) তাফসীরে সামারকান্দী ৩য় খন্ড ২৯ পৃষ্ঠা।
(খ)-তাফসীরে মাযহারী ৭ম খন্ড ২৬৯ পৃষ্ঠা।
(গ)-তাফসীরে খাযেন ৩য় খন্ড ৪৪৫ পৃষ্ঠা।
(ঘ) তাফসীরে কুরতুবী ৭ম খন্ড ৯০ পৃষ্ঠা।
(ঙ)-তাফসীরে রূহুল মায়ানী ১১ তম খন্ড ১২৩ পৃষ্ঠা।
(চ) তাফসীরে রূহুল বয়ান ৭ম খন্ড ১১১ পৃষ্ঠা।
(ছ)-তাফসীরে বাগবী ৩য় খন্ড ৪৪৫ পৃষ্ঠা।
(জ)-তাফসীরে কাদেরী ২য় খন্ড ২৩৬ পৃষ্ঠা।
(ঝ)

সুতরাং:-সূরাতুস সিজদাহ” এর উক্ত আয়াত শরীফ ও ব্যাখ্যা দ্বারা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট ভাবে প্রমানিত হলো, শুধুমাত্র হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকেই মহান আল্লাহ পাক সরাসরি মাটি থেকে সৃষ্ট ।

৫ নং আয়াত শরীফ :

পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন-

قال له صاحبه وهو يحاوره اكفرت بالذي خلقك من تراب ثم من نطفة ثم سواك رجلا

অর্থ: তাঁর সঙ্গী তাকে কথা প্রসঙ্গে বললো, তুমি তাকে অস্বীকার করছো যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে, অতঃপর বীর্য থেকে অতঃপর পূর্নাঙ্গ করেছেন তোমাকে মানবাকৃতিতে।”

[ সূরায়ে কাহাফ ৩৭ নং আয়াত শরীফ ]

উক্ত আয়াত শরীফে ‘খলাক্কা মিন তুরাব” বা সৃষ্টি করেছি মাটি থেকে, এখানে মাটি থেকে কাকে সৃষ্টি করা হয়েছে সে প্রসঙ্গে মুফাসসিরিনে কিরাম গনের অভিমত উল্লেখ করা হচ্ছে—>

→ মুহিয়্যুস সুন্নাহ, আল্লামা আলাউদ্দীন আলী ইবনে মুহম্মদ ইবনে ইব্রাহীম বাগদাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থে লিখেন-

(خلقك من تراب) اي خلق اصلك من تراب لان خلق اصله يبب في خلقه

অর্থ: (তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন) অর্থাৎ তোমার আছল ( হযরত আদম আলাইহিস সালাম ) উনাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন। কেননা উনার আছলের সৃষ্টি উনার সৃষ্টির কারন।”

(ক)-তাফসীরে খাযেন ৩য় খন্ড ১৯৯ পৃষ্ঠা।
(খ)-তাফসীরে রূহুল মায়ানী ৮ম খন্ড ২৭৬ পৃষ্ঠা।
(গ)-তাফসীরে মাযহারী ৬ষ্ঠ খন্ড ৩৫ পৃষ্ঠা।
(ঘ)-তাফসীরে সামারকান্দী ২য় খন্ড ২৯৯ পৃষ্ঠা।
(ঙ)-তাফসীরে রূহুল বয়ান ৫ম খন্ড ২৪৭ পৃষ্ঠা।

সুতরাং :-সুরায়ে কাহাফের” এর উক্ত আয়াত শরীফ ও তফসীর দ্বারা প্রমানিত হলো যে, মহান আল্লাহ পাক শুধুমাত্র হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। তাই মুফাসসিরিনে কিরামগন আয়াত শরীফে বর্নিত خلقك “তোমাকে সৃষ্টি করেছেন” এ বাক্যের অর্থ করেছেন হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, যেহেতু শুধুমাত্র আদম আলাইহিস সালাম মাটির সৃষ্টি ।

উপরেক্ত বর্ননা গুলো থেকে এটা প্রতিয়মান যে মাটি থেকে শুধু হযরত আদম (আ) তৈরি ।

এবার এক নজরে নিচে দেখুন আমরা কিসের তৈরি ;-
১)-
أَكَفَرْتَ بِالَّذِي خَلَقَكَ مِنْ تُرَابٍ ثُمَّ مِنْ نُطْفَةٍ ثُمَّ سَوَّاكَ رَجُلا
তুমি কি অস্বীকার করছ? যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে এরপর বীর্য থেকে এরপর তোমাকে পূর্ণাঙ্গ করেছেন মানুষের আকৃতিতে? আল-কাহ্ফ, ১৮/৩৭
পেয়েছেন ?
২)-
الَّذِي أَحْسَنَ كُلَّ شَيْءٍ خَلَقَهُ وَبَدَأَ خَلْقَ الإنْسَانِ مِنْ طِينٍ ثُمَّ جَعَلَ نَسْلَهُ مِنْ سُلالَةٍ مِنْ مَاءٍ مَهِينٍ ثُمَّ سَوَّاهُ وَنَفَخَ فِيهِ مِنْ رُوحِهِ وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالأبْصَارَ وَالأفْئِدَةَ قَلِيلا مَا تَشْكُرُونَ
তিনি তাঁর প্রতিটি সৃষ্টিকে অতি উত্তম করে সৃষ্টি করেছেন আর মানুষ সৃষ্টির সূচনা করেছেন কাদামাটি হতে; তারপর তার বংশধর বানিয়েছেন তুচ্ছ পানির নির্যাস থেকে; এরপর তাকে সুঠাম করেছেন ও তার মধ্যে রূহ ফুকে দিয়েছেন আর তোমাদের জন্য কান, চক্ষু ও অন্তরসমুহ দিয়েছেন, তোমরা অতি সামান্যই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। আস-সাজদাহ, ৩২/৭-৯
উপরোক্ত আয়াতে কারীমায় আল্লাহ তায়ালা সুন্দর করেই এর ধারা বর্ননা করেছেন ।
আবার দেখি একটু
৩)-
إِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلائِكَةِ إِنِّي خَالِقٌ بَشَرًا مِنْ طِينٍ
যখন তোমার রব ফেরেশতাগণকে বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আমি মাটি থেকে একজন মানুষ সৃষ্টি করতে যাচ্ছি। সোয়াদ, ৩৮/৭১

>>> আদম আলাইহিস সালাম হতে সকল মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে

12/12/2015

প্রিয়

09/11/2015

মৃত্যুর পর আমাদের শরীরের কি
ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়?
# তিন দিন পর নখ পড়ে যেতে শুরু
কর
# চার দিন পর চুল ক্ষয় হওয়া শুরু করে
# পাঁচদিন পর মস্তিষ্ক গলে যেতে
শুরু করে
# ছয়দিন পর পাকস্থলি গলে মুখ
দিয়ে এবং গোপন অংগ দিয়ে বের
হতে থাকে
# ষাট দিন পর হাড় ছাড়া কিছুই থাকেনা
এবার একটু ভাবুনতো,
একটু চিন্তা করুন মনোযোগ দিয়ে
..
যদি এই মুহুর্তে আমি বা আপনি মারা যাই
তাহলে উপরোক্ত ঘটনা ঘটা শুরু
হবে আমি অথবা আপনার দেহের
আপনার কিংবা আমার কোন অস্তিত্ব
থাকবেনা অহংকার করার জন্য। সাজার
জন্য অথবা পরিপাটি হওয়ার জন্য।
অপরদিকে, আমরা এরকমও দেখতে
পাই যে, যারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা
তাদের লাশ শত শত বছর পরও অক্ষত
থেকে যায়। আল্লাহ বলেছেন,
'যারা আল্লাহর পথে নিহত হয় তাদের
তোমরা মৃত বলোনা বরং তারা জীবিত
কিন্তু তোমরা বুঝনা।' সূরা বাকারা ১৫৪।
# তাহলে কি জন্য কিংবা কোন
বিষয়ে আমরা অহংকার করব?
# কি কারনে আমরা আল্লাহর অবাধ্য
হব?
# কোন অজুহাতে আমরা নামাজ
ছেড়ে দেব?
# কি কারনে আমরা নিশ্চিত মৃত্যু
আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে
জেনেও গাফলতির মধ্যে সময়
কাটাব?
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন,
"মিনহা খালাক নাকুম ওয়াফিহা নুয়িদুকুম
ওয়ামিনহা নুখরিজুকুম তা রাতান উখরা।"
অর্থাৎ ,"মাটি দিয়ে আমি সৃষ্টি করেছি।
এই মাটিতেই আবার ফিরিয়ে দেব। এই
মাটি থেকেই আবার আমি তুলে
আনব।" সূরা ত্বাহা :২০ :৫৫।
সূরা আম্বিয়ার ১ নং আয়াতে আল্লাহ
রাব্বুল আলামিন আরো বলেন,
"ইকতারা বালিন্নাছি হিসাবুহুম ওয়াহুম ফি
গাফলাতিম মু' রিদুন।"
অর্থাৎ, "মানুষের সামনে আজ
হিসাবের দিন উপস্থিত আর মানুষ আজ
গাফিলতির মধ্যে নিমজ্জিত। সূরা
আম্বিয়া : ১।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরো
বলেন, "প্রত্যেক প্রাণিকেই
মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে।"
তাই আসুন, সব ধরনের অহংকার
পরিত্যাগ করে আমরা সবাই মৃত্যুর
জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করি। নিজে
জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচি এবং
আমাদের পরিবার পরিজনকে
জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাই।।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবাইকে
সেই তওফিক দান করুন এবং
জাহান্নামের আগুন থেকে
আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।

09/11/2015

মহানবী (সাঃ) একদিন মসজিদে বসে
আছেন। সাহাবীরা তাঁকে ঘিরে
আছেন। এমন সময় মহানবী (সাঃ)
বললেন, “এখন যিনি মসজিদে
প্রবেশ করবেন,তিনি
বেহেশতের অধিবাসী।” একথা
শুনে উপস্থিত সব সাহাবী অধীর
আগ্রহে তাকিয়ে রইলেন
মসজিদের প্রবেশ মুখে। সবার
মধ্যে জল্পনা কল্পনা চলছে,
হয়তো হজরত আবু বকর (রাঃ) বা
হজরত উমর (রাঃ) অথবা এমন কেউ
আসছেন যাঁদের বেহেশতের
সুসংবাদ আল্লাহপাক ঘোষণা
করেছেন। সবাইকে অবাক করে
দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করলেন
একজন সাধারণ আনসার সাহাবী। এমনকি
তাঁর নাম পরিচয় পর্যন্ত জানা ছিল না
অধিকাংশের। এরপরের দিনেও
সাহাবীরা মসজিদে বসে আছেন
নবীজি (সাঃ) কে ঘিরে। নবীজি (সাঃ)
আবার বললেন, “এখন যিনি মসজিদে
প্রবেশ করবেন,তিনি
বেহেশতের অধিবাসী।” সেদিনও
মসজিদে প্রবেশ করলেন সেই
সাহাবী। তৃতীয় দিন নবীজি(সাঃ)
সাহাবীদের লক্ষ্য করে আবার
ঘোষণা দিলেন, “এখন যিনি মসজিদে
প্রবেশ করবেন, তিনি
বেহেশতের অধিবাসী।”এবং
সাহাবীরা দেখলেন সেই অতি
সাধারণ সাহাবী মসজিদে প্রবেশ
করলেন। পরপর তিনদিন এই ঘটনা ঘটার
পর, সাহাবীদের মধ্যে কৌতূহল
হলো সেই সাধারণ সাহাবী
সম্পর্কে জানার জন্য। তিনি কেন
অন্যদের চেয়ে আলাদা তা জানতে
হবে। বিখ্যাত সাহাবী হজরত
আবদুল্লাহ ইবনে আমর আল আ’স
(রাঃ) ভাবলেন, এই সাহাবীর বিশেষত্ব
কী তা জানতে হলে তাকে নিবিড়
ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
তিনি সেই সাহাবীর কাছে গিয়ে
বললেন, “আমার বাবার সাথে আমার
মনোমালিন্য হয়েছে, তোমার
বাড়িতে কি আমাকে তিন দিনের জন্য
থাকতে দেবে?’’সেই সাহাবী
রাজী হলেন। হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ)
তাঁকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ
করতে থাকলেন, খুঁজতে থাকলেন
কী এমন আমল তিনি করেন। সারা দিন
তেমন কোন কিছু চোখে পড়ল
না। তিনি ভাবলেন হয়তো তিনি রাত
জেগে ইবাদত করেন। না, রাতের
নামায পড়ে তো তিনি ঘুমাতে চলে
গেলেন। উঠলেন সেই ফজর
পড়তে। পরের দুটি দিনও এভাবে
কেটে গেল। হজরত আবদুল্লাহ
(রাঃ) কোন বিশেষ আমল বা আচরণ
আবিষ্কার করতে পারলেন না যা
অন্যদের চেয়ে আলাদা। তাই তিনি
সরাসরি সেই সাহাবীকে বললেন,
“দেখ আমার বাবার সাথে আমার
কোন মনোমালিন্য হয় নি, আমি
তোমাকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য
তোমার বাড়িতে ছিলাম। কারণ নবীজি
(সাঃ) বলেছেন যে তুমি জান্নাতি।
আমাকে বল তুমি আলাদা কী এমন
আমল করো?’’ সেই সাহাবী
বললেন, “তুমি আমাকে যেমন
দেখেছ আমি তেমনই,আলাদা
কিছুতো আমার মনে পড়ছে না।”এ
কথা শুনে হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ)
তাঁকে বিদায় জানিয়ে চলে যেতে
থাকলেন। এমন সময় সেইসাহাবী
হজরত আবদুল্লাহ (রাঃ) কে ডেকে
বললেন, ‘আমার একটা অভ্যাসের
কথা তোমায় বলা হয়নি –রোজ
রাতে ঘুমাতে যাবার আগে আমি
তাদেরকে ক্ষমা করে দেই, যারা
আমাকে কষ্ট দিয়েছে,বা আমার
প্রতি অন্যায় করেছে। তাদের প্রতি
কোন ক্ষোভ আমার অন্তরে
আমি পুষে রাখি না।” হজরত আবদুল্লাহ
(রাঃ) একথা শুনে বললেন, “এ জন্যই
তুমি আলাদা, এ জন্যই তুমি জান্নাতি”।
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে মানুষের
প্রতি দয়া করে না, আল্লাহও তার প্রতি
দয়া করেন না।
[বুখারী

Want your school to be the top-listed School/college in Chandpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Village :Changini P/O :Payal Gacha P/S : Kachua Dis : Chandpur
Chandpur