12/05/2025
এবারের বাজেট হোক অতীতের গতানুগতিক বাজেট থেকে ভিন্ন
জনগণের আত্মবিশ্বাস অর্জনে বাজেটের স্বচ্ছতাকে জোরদার করুন
গণঅভ্যুত্থানের পর জাতি যেখানে প্রথম বাজেট পেতে যাচ্ছে মাসখানেকের মধ্যে, সেখানে ইন্টারন্যাশনাল বাজেট পার্টনারশিপ পরিচালিত উন্মুক্ত বাজেট জরিপের সর্বশেষ ফলাফল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য একটি নিদ্রা থেকে জেগে ওঠার অ্যালার্মস্বরূপ। জরিপ অনুযায়ী, বাজেট স্বচ্ছতার বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে তলানিতে, ২০২৩ সালে ১২৫টি দেশের মধ্যে ৩৭তম, যা দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় ও পিছনে। এটা একটা ব্যাপারেই নিশ্চয়তা দেয়, আর তা হচ্ছে আওয়ামী লীগ এবং তার পূর্ববর্তী সরকারের আমলে আর্থিক শাসনে - আরও নির্দিষ্ট করে বললে, বাজেট তৈরি এবং বাস্তবায়নে - ক্রমাগত উদারতা ও জবাবদিহির অভাব।
প্রকৃতপক্ষে, বাজেট প্রস্তুতির একেবারে গোড়ার দিক থেকে আরম্ভ করে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নমুখী পদ্ধতি অনুসরণের দোষে দুষ্ট, যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ একদম সীমিত পর্যায়ে এবং তা প্রায় আনুষ্ঠানিক শাসনতান্ত্রিক পদ্ধতি। উদাহরণস্বরূপ, অনেক দেশ যেখানে প্রাক-বাজেট বিবরণী (আর্থিক নীতি, অর্থনৈতিক পূর্বাভাস, প্রাক্কলিত রাজস্ব, খরচ এবং ঋণের মাত্রার বৃহৎ মাপকাঠিগুলো) প্রকাশ করে, বাংলাদেশ সেখানে এরকম কিছুই করে না। অধিকন্তু, প্রস্তাবিত বা গৃহীত বাজেটে বিশেষজ্ঞদের মতামত কদাচিৎ প্রতিফলিত হয়, যা জনগণের পরামর্শ ও সংসদীয় আলোচনাকে ভন্ডুল করে দেয়।
সমভাবে উদ্বেগজনক বিষয় এই যে, সরলীকৃত বাজেটের সারাংশ, মাসিক বাস্তবায়ন প্রতিবেদন এবং অডিট পুনঃনিরীক্ষণ - এই সমস্ত জরুরি উপকরণ যেগুলো গণবিতর্কে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, সেগুলো অনুপস্থিত কিংবা শ্লথ গতিসম্পন্ন। এই ধারা গভীর সমস্যার সৃষ্টি করে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের অনুপস্থিতি তাদের জীবনকে প্রভাবিত করে - কোন করে রেয়াত পাওয়া যায়, কোন পরিষেবাগুলো পাওয়া যায়, অথবা কী পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করতে হয় এইসব, আর এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হয়ে ওঠে কর্তৃত্ববাদী। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাব অপরিহার্যভাবেই অদক্ষতা, অপচয় ও দুর্নীতির মদদ জোগায়।
প্রশ্ন হচ্ছে, বাজেট প্রক্রিয়ায় সামান্য অথবা বিনা অংশগ্রহণ বা প্রভাবের জেরে আমরা কীভাবে প্রত্যাশা করতে পারি যে জনগণ বিশ্বস্ততার সঙ্গে কর দিবে যেখানে তারা ঠিকভাবে জানেই না যে তাদের অর্থ কোথায় যাচ্ছে, অথবা, আরও বাজে পরিস্থিতি এমন হতে পারে যখন তারা সন্দেহপ্রবণ হয় যে তাদের অর্থের অপব্যয় হচ্ছে? এই ধারা কোনভাবেই চলতে দেয়া যায় না। অন্তর্বর্তী সরকারের সামনে অতীতের এই ধারায় যবনিকা টানার একটা সুযোগ রয়েছে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সরকারগুলোর জন্য অধিকতর বাজেট স্বচ্ছতার ক্ষেত্র প্রস্তুত করার মধ্য দিয়ে। জনগণের মধ্যে আলোচনা শুরু করার জন্য প্রাক-বাজেট বিবরণ প্রকাশ করতে হবে এবং জনগণের মতামত যেনো সর্বশেষ সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয় তার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সর্বসাধারণের বিষয়ের প্রতিটি ধাপেই কর্তৃপক্ষের বৈশ্বিক উত্তম চর্চার পথ অনুসরণ করা উচিৎ।
#অনুবাদ, #বিসিএস
Let this budget mark a break from the past
Strengthen budget transparency to build public confidence
11/05/2025
আমাদের ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার দরকার
কেনো শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠিত হলো না?
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যমান অন্যতম একটি চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেছেন, আর সেটি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার শিক্ষা ব্যবস্থায় বিদ্যমান গুণগত প্রকট বৈষম্য, যা তীব্র সামাজিক অসাম্যের জন্ম দেয়। আমাদের তিনটি প্রধান শিক্ষা ব্যবস্থা হচ্ছে বাংলা মিডিয়াম, ইংরেজি মিডিয়াম এবং মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা, যা মূলত সমাজের নিম্ন সুবিধাভোগী শ্রেণির মাঝে শিক্ষা বিতরণ করে থাকে। এই শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে গুণগত মানে বিদ্যমান প্রগাঢ় বিভেদ তৈরি করে সুযোগ প্রাপ্তির পার্থক্য, যা সৃষ্টি করে সমাজের একটি ক্ষুদ্র শ্রেণিকে নিয়ে একটি উচ্চমার্গীয় গোষ্ঠী, আর একটি বৃহৎ শ্রেণির শিক্ষার্থী উৎকৃষ্ট চাকরির নিশ্চয়তা এবং আর্থিক সমৃদ্ধি অর্জনে পিছিয়ে পড়ে।
অধিকন্তু, বিদ্যমান চাকরির সংখ্যার বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারীর সংখ্যা সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, এই সংক্রান্ত চাকরির বাজারের বাস্তবতা নিয়ে কোনো মূল্যায়ন অদ্যাবধি হয়নি। ফলস্বরূপ, অসংখ্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী তরুণকে আমরা বেকার থাকতে দেখি, অথবা দেখি স্বল্প বেতনের চাকরি করতে। অন্যদিকে, কর্মমুখী শিক্ষা অনেক তরুণ ছেলেমেয়েকে এমন সব দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে পারে যেগুলোর চাহিদা রয়েছে দেশে-বিদেশে এবং যেগুলো উচ্চ বেতনের চাকরি প্রাপ্তির সহায়ক হতে পারে। কিন্তু কর্মমুখী শিক্ষার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের বিষয়ে খুব কমই চিন্তা করা হয়।
আমাদের দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যে বিবর্ণ শিক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করে, সে বিষয়ে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাইদও অভিযোগ করেছেন।
#অনুবাদ, #বিসিএস
Our flawed education system must be fixed
Why is there no education reform commission?
09/02/2025
In that unexpected downpour, I learned that life’s blessings often come not in the form we desire but in the guise of transformative challenges. The rain, falling steadily and persistently, nurtures the earth in ways gentle sunshine never could. It is in the cleansing, unanticipated showers that hidden seeds find the nourishment they need to sprout into magnificent blooms.
At first, the rain may seem harsh or unwelcome—a stark contrast to the delicate beauty of flowers. Yet, every raindrop carries with it the promise of renewal, the quiet assurance that growth often begins in the midst of adversity. Just as the parched soil eagerly absorbs the life-giving moisture, our hearts and minds open up to change when faced with the unexpected. The challenges we encounter are not obstacles meant to halt our progress but catalysts that prepare us for a richer, more vibrant existence.
In the midst of a storm, when the world appears bleak and the promise of sunshine is hidden, there is a subtle magic at work. The rain cleanses away the old, making space for something new and beautiful to emerge. It teaches us that sometimes the very things we resist—the hardships, the pain, the uncertainty—are the moments that shape us, that fortify our spirit, and that ultimately lead us to a deeper understanding of ourselves.
By embracing the rain, by seeing it not as a misfortune but as an essential part of our journey, we begin to realize that every drop is a lesson in resilience and hope. Life, with all its unpredictability, starts to make sense when we accept that every storm brings the possibility of a breathtaking bloom.
-
What unexpected blessing have you discovered during a storm in your life, and how did it help you grow?
24/01/2025
নাটোর রাজবাড়ি
------------------------------------------------------------
নাটোর রাজবাড়ি, বাংলাদেশের নাটোর সদর উপজেলায় অবস্থিত একটি রাজবাড়ি, যা নাটোর রাজবংশের একটি স্মৃতিচিহ্ন। অষ্টাদশ শতকের শুরুতে নাটোর রাজবংশের উৎপত্তি হয়। ১৭০৬ সালে পরগণা বানগাছির জমিদার গণেশ রায় ও ভবানী চরণ চৌধুরী রাজস্ব প্রদানে ব্যর্থ হয়ে চাকরিচ্যুত হন। দেওয়ান রঘুনন্দন জমিদারিটি তার ভাই রাম জীবনের নামে বন্দোবস্ত নেন। এভাবে নাটোর রাজবংশের পত্তন হয়। রাজা রাম জীবন চৌধুরী নাটোর রাজবংশের প্রথম রাজা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন ১৭০৬ সালে, মতান্তরে ১৭১০ সালে। ১৭৩৪ সালে তিনি মারা যান। ১৭৩০ সালে রাণী ভবানীর সাথে রাজা রাম জীবনের দত্তক পুত্র রামকান্তের বিয়ে হয়। রাজা রাম জীবনের মৃত্যুর পরে রামকান্ত নাটোরের রাজা হন। ১৭৪৮ সালে রাজা রামকান্তের মৃত্যুর পরে নবাব আলীবর্দী খাঁ রাণী ভবানীর ওপর জমিদারি পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেন। রাণী ভবানীর রাজত্বকালে তার জমিদারি বর্তমান রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর, রংপুর, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহ জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
~ উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত
#নাটোর_রাজবাড়ি, #নাটোর
24/01/2025
উত্তরা গণভবন
---------------------------------------------------------
নাটোর শহর থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে এক মনোরম পরিবেশে ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন অবস্থিত। নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। ১৯৪৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করার পর ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান। পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রাজ প্রাসাদটি পরিত্যাক্ত থাকে।
১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সরকারি ভবন হিসেবে সংস্কার হয়। ১৯৭২ সালে এটিকে উত্তরা গণভবন হিসেবে অভিহিত করা হয়। চারিদিকে মনোরম লেক, সুউচ্চ প্রাচীর পরিবেষ্টিত ছোট বড় ১২টি কারুকার্যখচিত ও দৃষ্টিনন্দন ভবন নিয়ে উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত। অভ্যন্তরে রয়েছে ইতালী থেকে সংগৃহীত মনোরম ভাস্কর্যে সজ্জিত বাগান, যেখানে রয়েছে বিরল প্রজাতির নানা উদ্ভিদ।
বাংলার রাজা-জমিদারদের মধ্যে দিঘাপতিয়া রাজবংশ একটি উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে আছে। দয়ারাম রায় এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। ১৬৮০ সালে নাটোরের প্রখ্যাত কলম গ্রামের এক তিলি পরিবারে দয়ারাম রায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম নরসিংহ রায়। নাটোর রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা রামজীবন যখন পুঠিয়ার রাজা দর্পনারায়ণের অধীনে চাকুরী করতেন, সে সময়ে তিনি কাজ উপলক্ষ্যে চলনবিল এলাকার কলম গ্রামে পৌছেন। রামজীবন যখন পুঠিয়ার রাজা দর্পনারায়ণ ঠাকুরের অধীনে সাধারণ একজন কর্মচারী তখন দয়ারাম তাঁর মাসিক ৮ আনা বেতনে চাকুরী করতেন। পরে সামান্য লেখাপড়া করে জমা খরচ রাখার মত যোগ্যতা অর্জন করেন এবং রামজীবন তাকে মাসিক ৮ আনার পরিবর্তে ৫ টাকা বেতনের মহুরী নিযুক্ত করেন। পরবর্তীতে পুঠিয়ার রাজা দর্পনারায়ণের স্নেহ, ভালবাসা ও সহানুভুতি, নবাব সরকারের ভ্রাতা রঘুনন্দনের প্রভাব-প্রতিপত্তি এবং বাংলার নবাব দেওয়ান মুর্শিদকুলী খানের নেক-নজর সবকিছু মিলে যখন রামজীবন জমিদারী লাভ করেন তখন তারও ভাগ্য খুলতে থাকে। তিনি প্রথমে রাজা রামজীনের একজন সাধারণ কর্মচারী থাকলেও প্রতিভা, দক্ষতা আর বিশ্বস্ততা দিয়ে নাটোর রাজের দেওয়ান পর্যন্ত হয়েছিলেন। রাজা রামজীবন তাকে অত্যন্ত বিশ্বাস করতেন এবং প্রচুর অর্থ-সম্পদ তার কাছে গচ্ছিত রাখতেন। রাজা সীতারাম রায়ের পতনের পর দয়ারাম রায় নাটোর রাজ্যের একজন পরাক্রমশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।
যশোহরের রাজা সীতারাম রায় বিদ্রোহী হলে নবাব মুর্শিদকুলী খাঁ নাটোর রাজের দেওয়ান দয়ারাম এর সাহায্যে তাকে দমন ও পরাজিত করে নাটোর কারাগারে বন্দি করে রাখেন। সীতারাম রায়কে পরাজিত করায় নবাব সরকারের দয়ারামের প্রভাব বেড়ে যায় এবং তিনি ‘‘রাই রাইয়া’’ খেতাবে ভুষিত হন। সীতারাম রায়কে পরাজিত করে তিনি মূল্যবান সম্পদসমূহ লুন্ঠন করেন। কিন্তু সীতারামের গৃহদেবতা কৃষ্ণজীর মূর্তি ছাড়া সব রামজীবনের হাতে অর্পণ করেন। দয়ারামের এহেন ব্যবহারে রামজীবন খুশি হয়ে দয়ারামকে কৃষ্ণজীর মূর্তি স্থাপনের জন্য পুরস্কার স্বরূপ দিঘাপতিয়ায় একখন্ড জমি দান করেন এবং বর্তমান বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দির চন্দনবাইশা এলাকার নওখিলা পরগনা দান করেন। এটাই দিঘাপতিয়া রাজবংশের প্রথম জমিদারী। পরে তিনি লাভ করেন পরগনা ভাতুরিয়া তরফ নন্দকুজা, যশোহরের মহল কালনা ও পাবনা জেলার তরফ সেলিমপুর। এইভাবে দিঘাপতিয়া রাজবংশের ও জমিদারীর গোড়াপত্তন হয় ১৭৬০ সালে।
বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রানীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।
~ ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত
#উত্তরা_গণভবন, #নাটোর