27/04/2022
ওনাদের শূন্যতা খুব অনুভব করছি। আমার দেখা দুই জন যোদ্ধা। যারা মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আপনাদের মনে রাখবে। হে আল্লাহ এই পবিত্র মাহে রমজানে তোমার কাছে প্রার্থনা করছি তুমি আমার বাবা মেজো কাকা এবং সমস্ত কবরবাসীকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে প্রতিষ্ঠিত করুন ।
29/05/2020
# করোনাভাইরাস বা (COVID-19) কি:
করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (COVID-19) হল সদ্য আবিষ্কৃত এক ধরণের করোনা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ।
# এটি কিভাবে ছড়ায়:
করোনাভাইরাস হয় প্রধানত কোনও সংক্রামিত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা নিঃসরণ থেকে তৈরি হওয়া জলীয় কণার মাধ্যমে সংবাহিত হয়। এই ফোঁটা বাতাসে ভেসে থাকার পক্ষে খুবই ভারী এবং সেই কারণে তা দ্রুত মেঝে বা সারফেসে নেমে আসে। আপনি COVID-19-এ আক্রান্ত কোনও ব্যক্তির একেবারে কাছাকাছি থাকলে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ভাইরাস গ্রহণের ফলে বা দূষিত কোনও জায়গা স্পর্শ করে তারপর আপনার চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করলে এর দ্বারা সংক্রামিত হতে পারেন।
# করোনাভাইরাস এর উপসর্গসমূহ কি:
সবচেয়ে সাধারণ উপসর্গসমূহ:
------------------------------------
১) জ্বর।
২) শুকনো কাশি।
৩) ক্লান্তিভাব।
কম সাধারণ উপসর্গসমূহ:
-------------------------------
১) ব্যথা ও যন্ত্রণা।
২) গলা ব্যথা।
৩) ডায়রিয়া।
৪) কনজাংটিভাইটিস।
৫) মাথা ব্যথা।.
৬) স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া।
৭) ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা বা আঙুল বা পায়ের পাতা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।
গুরুতর উপসর্গসমূহ:
--------------------------
১) শ্বাস নিতে অসুবিধা বা প্রবল শ্বাসকষ্ট হওয়া।
২) বুক ব্যথা বা বুকে চাপ অনুভব করা।
৩) কথা বলার বা হাঁটাচলার শক্তি হারানো।
বিজ্ঞানীরা বলছেন এই ভাইরাস শরীরে ঢুকলে উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগে গড়ে পাঁচ দিন। কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগতে পারে আরও বেশি দিন। যে সময়টায় কোন ভাইরাস মানুষের শরীরে থাকে কিন্তু তার কোন লক্ষণ দেখা যায় না, সেই সময়টা কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে হলো ১৪ দিন পর্যন্ত - এই মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। কিন্তু কোন কোন গবেষক বলছেন যে এই সময়টা ২৪ দিন পর্যন্তও হতে পারে। অর্থাৎ জীবাণু কোন ব্যক্তির শরীরে সুপ্ত অবস্থায় এতটা লম্বা সময় ধরে থাকতে পারে।
# করোনাভাইরাস সন্দেহ হলে কি করতে হবে:
কারও জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে ফোনে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে হবে। এরপরও অবস্থার উন্নতি না হলে বা কারও মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা দিলে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নাক-মুখ ঢেকে (মাস্ক ব্যবহার) বাড়িতে অপেক্ষা করতে হবে। অবস্থা খারাপ হলে নিকটস্থ সদর হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনে আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুম (০১৭০০৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নম্বরে (০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৫৫০০৬৪৯০১–০৫) যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া করোনাসংক্রান্ত তথ্য জানতে বা সহযোগিতা পেতে স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ এবং ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে।
# করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত হলে কি করতে হবে:
এক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি যেন জনসমাগম এলাকা এড়িয়ে চলেন। তাঁরা যেন বাড়িতে থাকেন। এর জন্য কয়েকটি পরামর্শ হল:
১) ঔষধসহ প্রয়োজনীয় জিনিস মজুত রাখা: দরকারি ওষুধ ও প্রয়োজনীয় জিনিস আগে থেকে কিনে বাসায় রাখতে হবে। তাহলে বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এক্ষেত্রে প্রিয়জনদের কী কী ওষুধ প্রয়োজন, তার খেয়াল পরিবার যেন রাখে।
২) পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা থাকতে হবে: ২০ সেকেন্ড ধরে নিজেদের হাত সাবান–পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই পরামর্শ করোনাভাইরাস সচেতনতার জন্য সবাই দিচ্ছেন। যদি হ্যান্ডওয়াশ-পানি না থাকে, সে ক্ষেত্রে স্যানিটাইজার দিয়েও হাত ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে। বাড়ি ও কর্মক্ষেত্রের জায়গাও যেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে, এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে হবে। নিয়মিত বাড়ি ও কাজের জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করুন। এমনকি ইলেকট্রনিকসের জিনিসগুলোও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
৩) কোনো জিনিস শেয়ার না করা: যৌথ পরিবারে সবাই একসঙ্গে থাকেন। একেকজনের ঝুঁকি একেক ধরনের হতে পারে। এ রকম অবস্থায় সবারই ঝুঁকি রয়েছে বলেই ধরে নিতে হবে। একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, একই পরিবারে বৃদ্ধ ও শিশুরা থাকে। তাদের এই সময়ে বা মাঝেমধ্যে সর্দি-কাশি হয়। সে ক্ষেত্রে পরিবারের উচিত ব্যক্তিগত সব জিনিস এই মুহূর্তে আলাদা ব্যবহার করা। যেমন খাবার, পানির বোতল, বাসন-কোসন। প্রয়োজন হলে বাড়ির একটি আলাদা ঘরে অসুস্থ সদস্যকে রেখে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আলাদা শৌচাগারের ব্যবস্থাও করলে আরও ভালো হয়। অনেক বৃদ্ধই আছেন, যাঁরা একা একা থাকেন। সে ক্ষেত্রে কীভাবে তাঁরা নিজেদের যত্ন নেবেন, সে বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নিতে হবে। ফোন বা ই–মেইল কীভাবে ব্যবহার করবেন, জরুরি ফোন নম্বর, চিকিৎসকের নম্বর সব যেন হাতের কাছে থাকে।
৪) আতঙ্ক নয়, আলোচনা করুন: অযথা আতঙ্কিত না হয়ে কোভিড-১৯ সম্পর্কে প্রতিবেশী, পরিবার-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কেউ আক্রান্ত হলে আগাম প্রস্তুতি কী হবে, তা নিয়ে পরিকল্পনা করে রাখুন।
৫) চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে হবে: করোনা নিয়ে আতঙ্ক না বাড়িয়ে চিকিৎসক-বিশেষজ্ঞদের নির্দেশ মেনে চলাই শ্রেয়। স্বাস্থ্যকর খাবার এ সময় খুব প্রয়োজন। সর্দি-কাশি হলে তা এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
# বিভিন্ন বস্তুর পৃষ্ঠে করোনাভাইরাস কতক্ষণ বেঁচে থাকে?:
১) প্লাস্টিক ও স্টিল এর বস্তুতে ৭২ ঘণ্টা।
২) কার্ডবোর্ড এ ২৪ ঘণ্টা।
৩) গ্লাস যেমন: পানি পান করার পাত্র, পরিমাপ করার পাত্র, আয়না ও দরজার কাঁচে কমপক্ষে ৫ দিন।
৪) সিরামিক জাতীয় বস্তুতে ৫ দিন।
৫) কাঠে ৪ দিন।
৬) ধাতু জাতীয় বস্থু যেমন: কাঁটাচামচ, দরজার হাতল, অলংকার এ ৫ দিন।
# COVID-19-এর সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে যা করতে হবে:
আমাদের হাত প্রায়শই পরিষ্কার করতে হবে। এক্ষেত্রে সাবান এবং জল বা অ্যালকোহল রয়েছে এমন হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করতে হবে।
১) কাশি বা হাঁচি হচ্ছে এমন ব্যক্তির থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।
২) যতটা সম্ভব জনসমাবেশ এড়িয়ে চলুন।
৩) আপনার চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করবেন না।
৪) কাশি বা হাঁচির সময় আপনার নাক এবং মুখটি কনুই ভাঁজ করে বা টিস্যু দিয়ে কভার করুন।
৫) অসুস্থ বোধ করলে বাড়িতেই থাকুন।
৬) জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। আগে থেকে কল করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
৭) আপনার স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নির্দেশাবলী অনুসরণ করে চলুন।
# বাংলাদেশের করোনা ভাইরাস আপডেট ও বিভিন্ন তথ্য কিভাবে জানা যাবে:
https://corona.gov.bd/ এই ওয়েবসাইট এর মাধমে।
28/02/2020
শাহরাস্তি থানার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা হতে ২০২১ সালের এস. এস. সি / দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারী অসচ্ছল পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বানু-গণি ফাউন্ডেশন কিছু আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা ভাবছে।
বানু-গণি ফাউন্ডেশনের ওয়ারিশানদের এবং শুভার্থীদের কাছ থেকে এ বিষয়ে পদ্ধতিগত পরামর্শ আহ্বান করা যাচ্ছে। আগ্রহী পরামর্শদাতাগণকে ৩১-০৩-২০২০ তারিখের মধ্যে নিম্ন ঠিকানায় যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হলো। এই প্রকল্পে কেউ আর্থিক সহায়তা করতে চাইলে তা বানু-গণি ফাউন্ডেশনের নিম্নবর্ণিত সঞ্চয় হিসাবে সরাসরি জমা করতে পারেন।
বানু-গণি ফাউন্ডেশন
হিসাব নং- 1519801013993
সোনালী ব্যাংক লিঃ
উয়ারুক বাজার শাখা
জিলা: চাঁদপুর
বিনীত নিবেদক,
ড: মো: আবুল বাসার মিয়া
মোবা: 01715588135
ই:মে: [email protected]
20/02/2020
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক,জব্বার,শফিউল,সালাম,বরকত সহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।
10/02/2020
🕛 ঘটনা ১:
ইন্টারভিউ টেবিলের স্যার কিছুক্ষণ চুপ করে রইল!
তারপর গম্ভীর গলায় বললো,"আরেহ বাহ! তোমার সার্টিফিকেট তো মাশাল্লাহ খুব ভালো!"
তোমাকে আর প্রশ্ন করতে চাচ্ছি না, ধরে নাও তুমি চাকরিটা পেয়ে গেছো, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বড় স্যারকে হাদিয়া সরুপ ৫ লাখ টাকা দিতে হবে!
সপ্তাহ খানিকের মধ্যে টাকাটা জমা করে দাও, তারপর তোমার জয়েনিং...ছেলেটি ইন্টারভিউ রুম থেকে বেড়িয়ে বাড়িতে এসে তার বাবাকে জানালো, ৫ লাখ টাকা না হলে চাকরিটা হবে না! গ্রামের সহজ সরল বাবা নিজের ছেলের চাকরির
জন্য ভিটা বাড়ি বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা যোগাড় করলো!!
তারপর বড় স্যারকে হাদিয়া সরুপ ৫ লাখ টাকা
দিয়ে ছেলেটি চাকরিটা পেয়ে গেল!
🕛 ঘটনা ২:
আজ সোমবার বড় স্যারের ছেলের জন্মদিন বড় স্যারের বাড়িতে আজ বিশাল পার্টির আয়োজন করা হয়েছে!!
বড় স্যার বাড়িতে ঢুকেই তার ছেলের নাম ধরে ডাকতে শুরু করলো, ছেলে কাছে আসতেই বড় স্যার "হ্যাপি বার্থডে মাই সান" বলতে বলতে ছেলের হাতে ৫ লাখ টাকার বাইকের চাবি তুলে দিলো!!
বাইক পেয়ে ছেলেটি খুশিতে তার বাবাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার দিয়ে বললো- "আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা!"
🕛 ঘটনা ৩:
বড় স্যারের ছেলে আজ বাইক নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছে ৮০ স্পিডে রাজপথে ছুটে চলছে বাইক!!
হঠাৎ ট্রাকের সাথে ধাক্কা সবকিছু যেন থেমে গেল!!
বড় স্যারের ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হল হাসপাতালের বড় ডাক্তার সাহেব জানালো- "আপনার ছেলের কন্ডিশন ভালো না, খুব ক্রিটিকাল অপারেশন করাতে হবে, কাউন্টারে ১০ লাখ টাকা জমা করে দিন!!"
বড় স্যার কোনো উপায় না দেখে মেয়ের বিয়ের জন্য ব্যাংকে জমিয়ে রাখা টাকাটা কাউন্টারে জমা করে দিলো!!
🕛 ঘটনা ৪:
বড় ডাক্তার সাহেব আজ খুব খুশি ৫-৭ লাখ টাকার অপারেশনের জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন, পুরোটাই লাভ, বড় ডাক্তার সাহেব খুশিতে তার মেয়ের জন্য স্বর্ণের নেকলেস কিনে বাসায় ফিরলো!!
বড় ডাক্তার সাহেব বাসায় ঢুকেই তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে মামুনি মামুনি বলে ডাকতে শুরু করলো!!
বড় ডাক্তার সাহেবের বউ কাঁদতে কাঁদতে বললো,
তাদের মেয়ে এখনও বাসায় ফেরেনি!!
বড় ডাক্তার সাহেব তার মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করলো, কোথাও কোনো খোঁজ না পেয়ে বড় ডাক্তার সাহেব যখন দিশেহারা হয়ে পড়লো, ঠিক তখনই অপরিচিত এক নাম্বার
থেকে ফোন এলো!
ফোনের ঐ প্রান্ত থেকে জানালো, আপনার মেয়ে আমাদের কাছে, মেয়েকে ফেরত পেতে হলে মুক্তিপন হিসেবে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে!!
কথাটা শুনে বড় ডাক্তার সাহেবের বউ স্টোক করে মারা গেল!!
:
“তুমি অতীতে যা করেছো, তুমি বর্তমানে যা করছো, ভবিষ্যত তার চেয়েও ভয়ংকর হয়ে তোমার কাছে ফিরে আসবে, আসবেই!!” ❤